রাত পেরোলেই ভোট: নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পুরো দেশ

রাত পেরোলেই বহুল আকাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ। নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা এখন শেষ মুহূর্তের কাজগুলো গুছিয়ে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই ভোটযজ্ঞে এবার মোতায়েন করা হচ্ছে রেকর্ডসংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে পুরো দেশ, যেখানে প্রথমবারের মতো যুক্ত হয়েছে বডি ওর্ন ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে অত্যাধুনিক নজরদারি।
শেষ সময়ে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা ভোটের মাঠের চূড়ান্ত কৌশল নির্ধারণ করছেন। বাংলাদেশে ভোট মানেই একদিকে যেমন উৎসবের আমেজ, অন্যদিকে সংঘাত ও কেন্দ্র দখলের আশঙ্কা। বিগত ১২টি নির্বাচনের মধ্যে মাত্র ৪টিতে উৎসবের আমেজ বজায় থাকলেও বাকি ৮টিতে ভোটের মর্যাদা রক্ষায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। তবে এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আনা হয়েছে আমূল পরিবর্তন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কারচুপি রুখতে ২৫ হাজার পুলিশ সদস্যের শরীরে বডিওর্ন ক্যামেরা থাকবে এবং আকাশপথে নজরদারি করবে পাঁচশর বেশি ড্রোন।
সশস্ত্র বাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মিলিয়ে এবার মাঠে থাকছেন প্রায় ৯ লাখ সদস্য। এর মধ্যে পুলিশ ও আনসারের সাত লাখের বেশি সদস্য মূল দায়িত্বে নিয়োজিত। সশস্ত্র বাহিনীর ১ লাখ সেনা সদস্যের পাশাপাশি নৌ ও বিমানবাহিনীও বিশেষ নজরদারিতে নিয়োজিত থাকবে। বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা কাজ করবেন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতে। এ ছাড়াও দুই হাজার ১০০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থেকে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবার ভোটগ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। নিবন্ধিত ৬০টি দলের মধ্যে ৫০টি দল নির্বাচনে অংশ নিলেও দলীয় কার্যক্রম স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ২৯৯টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুই হাজার ২৮ জন প্রার্থী, যাদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ৪৫ হাজার ৩৩০ জন দেশীয় ও ৩৫০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন। ৯ হাজার ৭০০ জন সাংবাদিকের পাশাপাশি ১৫৬ জন বিদেশি সাংবাদিকও সংবাদ সংগ্রহের জন্য নিবন্ধন করেছেন।
নকল হলে ব্যবস্থা শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও: এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি
আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নকল এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) এক বিশেষ সভায় তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা নকলের প্রমাণ পাওয়া গেলে শুধু সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীই নয়, বরং কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ পরীক্ষা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।
শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, এবার থেকে পরীক্ষার খাতায় কোনো ধরনের ‘গ্রেস মার্ক’ বা অলিখিত অনুকম্পা দেখানোর সুযোগ থাকবে না। ছাত্রছাত্রীরা তাদের মেধা ও লেখার ভিত্তিতেই প্রকৃত নম্বর পাবে। অযোগ্যদের দয়া-দাক্ষিণ্য দেখিয়ে পার করে দেওয়ার সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমরা আর কোনো ‘অটোপাস’ বা মেধার অবমূল্যায়ন দেখতে চাই না। দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রকৃত মেধার লড়াই নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
পরীক্ষা চলাকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সরাসরি ‘লাইভ মনিটরিং’ করা হবে।
পর্যায়ক্রমে দেশের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে মন্ত্রণালয়ের। এছাড়া যেকোনো কেন্দ্রের পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে আগের মতো ‘হেলিকপ্টার মিশন’ সক্রিয় থাকবে। প্রয়োজনে শিক্ষামন্ত্রী নিজে অথবা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ টিম হেলিকপ্টার যোগে দেশের যেকোনো প্রান্তে ঝটিকা সফরে পৌঁছে যাবেন।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বিশেষ করে চরাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা এবং দুর্গম পাহাড়ঘেরা কেন্দ্রগুলোর ওপর গোয়েন্দা নজরদারি কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। প্রশ্নপত্র মুদ্রণ থেকে শুরু করে বিতরণের প্রতিটি ধাপে ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে যাতে কোনোভাবেই প্রশ্ন ফাঁসের গুজব বা ডিজিটাল জালিয়াতি না ঘটতে পারে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপরও বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের অধীনে আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে এক নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার জাল বিছিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
/আশিক
মুক্তিযুদ্ধ কোনো দল বা ব্যক্তির নয়, এটি ছিল সম্মিলিত জনযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির সম্পদ নয়, বরং এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের একটি সম্মিলিত জনযুদ্ধ। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের এক অনিবার্য চরিত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অতীতে জিয়াউর রহমানের অবদানকে খাটো করার চেষ্টা করা হলেও তাঁর নিজের লেখনীই প্রমাণ করে যে স্বাধীনতার জন্য তাঁর দীর্ঘ মানসিক প্রস্তুতি ছিল। প্রধানমন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, "আলোচনা-সমালোচনা ও গবেষণার নামে এমন কিছু করা ঠিক হবে না, যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করে।" তিনি অতীতকে ভুলে যাওয়া বা কেবল অতীত নিয়ে পড়ে থাকা—উভয়কেই অগ্রগতির পথে বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেন।
বক্তব্যে তিনি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি আর ২০২৪ সালে হাজারো প্রাণের বিনিময়ে সেই স্বাধীনতা ও দেশ রক্ষা করেছি। বর্তমান সরকারকে জনগণের নির্বাচিত সরকার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে তাঁর সরকারের নিরলস প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী মানুষের সংগ্রামের উদাহরণ টেনে তিনি স্বাধীনতার গুরুত্ব অনুধাবনের আহ্বান জানান এবং সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক একটি সার্বভৌম গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে সরকারের একাধিক মন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা বক্তব্য রাখেন।
/আশিক
১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নতুন করে আরও একটি তেলবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চীনের প্রতিষ্ঠান ইউনিপেকের সঙ্গে চুক্তির আওতায় ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের জাহাজটি বৃহস্পতিবার বন্দরে পৌঁছায়, যাতে করে ১০ হাজার টন ডিজেল এবং ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল আনা হয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার থেকে এই জ্বালানি খালাস কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নতুন এই চালান দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিপিসির জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ হোসেন ভুঁইয়া জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ২ লাখ টন ডিজেল মজুত রয়েছে। নতুন আমদানিকৃত ডিজেল এই মজুতের সঙ্গে যুক্ত হলে পরিবহন ও শিল্প খাতে সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আমদানি করা জেট ফুয়েল দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সরবরাহ করা হবে, যা বিমান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিপিসি নিয়মিতভাবে ডিজেল, পেট্রল, অকটেন, জেট ফুয়েলসহ মোট পাঁচ ধরনের জ্বালানি আমদানি ও সরবরাহ করে থাকে। সংস্থাটির দাবি অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন ডিপোতে মজুত তেল এবং পাইপলাইনে থাকা জ্বালানির মাধ্যমে অন্তত এপ্রিল মাস পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।
তবে বাস্তব চিত্র কিছুটা ভিন্ন বলে অভিযোগ উঠেছে ব্যবহারকারী মহল থেকে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলে লাইটার জাহাজ এবং মাছ ধরার ট্রলারে ডিজেল সরবরাহ সীমিত করে রেশনিং পদ্ধতিতে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে করে এসব খাতে কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এছাড়া অনেক পেট্রল পাম্পেও চাহিদামতো জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, সরবরাহ ব্যবস্থায় অসামঞ্জস্যের কারণে বাজারে কৃত্রিম চাপ তৈরি হচ্ছে, যা স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। ফলে মজুত পর্যাপ্ত থাকলেও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
সার্বিকভাবে, নতুন তেলবাহী জাহাজ আগমনে সাময়িক স্বস্তি তৈরি হলেও মাঠপর্যায়ের সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নত না হলে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা পুরোপুরি কাটবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
-রাফসান
কালবৈশাখীর সাথে ধেয়ে আসছে শিলাবৃষ্টি: কোন অঞ্চলে কবে ঝড় জেনে নিন
চৈত্র মাসের শুরুতেই প্রকৃতির রুদ্ররূপ দেখছে দেশবাসী। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখী ও ভারী বৃষ্টির খবরের মাঝেই আগামী ৫ দিনের বিশেষ পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) প্রকাশিত এই পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির তীব্র সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে বৃষ্টির দাপট বাড়ার পাশাপাশি তাপমাত্রাও কিছুটা কমতে পারে।
আগামী ৫ দিনের আবহাওয়ার বিস্তারিত চিত্র
শুক্রবার (২৭ মার্চ): প্রথম ২৪ ঘণ্টায় খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়া বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। দেশের বাকি অংশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে।
শনিবার (২৮ মার্চ): রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেটে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন সারা দেশে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।
রবিবার (২৯ মার্চ): এই দিন থেকে বৃষ্টির দাপট বাড়বে। রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও বরিশালের দু-এক জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আশঙ্কা আছে। অনেক এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে এবং তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে।
সোমবার (৩০ মার্চ): বৃষ্টির এই ধারা অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে শিলাবৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ): সপ্তাহের শেষ দিকেও চট্টগ্রাম ও সিলেটে বৃষ্টির দাপট দেখা যাবে। তবে এর পরবর্তী পাঁচ দিনে তাপমাত্রা আবারও বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আকস্মিক ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের সময় জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কৃষি সংশ্লিষ্টদের শিলাবৃষ্টির হাত থেকে ফসল রক্ষায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানিয়েছে অধিদপ্তর।
/আশিক
দৌলতদিয়া বাস ট্র্যাজেডি: নিহতদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের লিগ্যাল নোটিশ
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মায় তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে জনপ্রতি ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবিতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) জনস্বার্থে এই নোটিশটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী—অ্যাডভোকেট নেওয়াজুল আসিফ সাদ, ব্যারিস্টার রাফি জি রহমান ও অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন নাসের। নোটিশে নিহতদের ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি আহতদের উন্নত চিকিৎসা ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের যথাযথ পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী, নৌপরিবহনমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবদের এই নোটিশে বিবাদী করা হয়েছে। আইনজীবীরা উল্লেখ করেছেন, এটি কেবল একটি সাধারণ দুর্ঘটনা নয়; বরং ফেরিঘাট ব্যবস্থাপনা এবং পরিবহন কর্তৃপক্ষের অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা জরুরি। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে উচ্চ আদালতে রিট দায়েরসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট নেওয়াজুল আসিফ সাদ জানান, সময় স্বল্পতার কারণে নোটিশটি আপাতত ই-মেইলে পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তী কর্মদিবসেই এটি ডাকযোগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে। উল্লেখ্য, কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ‘সৌহার্দ্য’ পরিবহনের বাসটি বুধবার বিকেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গেলে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের দাবিও জানানো হয়েছে নোটিশে।
/আশিক
আমরা এখন সম্পূর্ণ মুক্ত: সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মির্জা ফখরুল
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) সকালে শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এবারের স্বাধীনতা দিবস দেশবাসী এক সম্পূর্ণ ভিন্ন ও মুক্ত পরিবেশে উদযাপন করছে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় পর একটি ‘ফ্যাসিস্টমুক্ত’ পরিবেশে জাতি এই দিনটি পালন করার সুযোগ পেয়েছে।
মির্জা ফখরুল তাঁর বক্তব্যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “জাতি আজ নতুন একটি বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়েছে। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করব, যাতে বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে একটি সুখী, সাম্য ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হয়।” তবে এই আনন্দের দিনেও দলীয় প্রধান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি নিয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, “স্বাধীনতার এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমাদের অন্যতম সংগ্রামী নেত্রী আমাদের মাঝে নেই, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টের এবং বেদনার।”
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, শহিদ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সমগ্র জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিলেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে দেশ কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার জুলাই গণআকাঙ্ক্ষা ও স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।
/আশিক
সাভার থেকে প্যারেড স্কয়ার: মহান স্বাধীনতা দিবসে উৎসবমুখর পুরো বাংলাদেশ
দীর্ঘ ১৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০শে মার্চ ২০২৬ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত হয়েছে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অভিবাদন গ্রহণ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং তাঁর সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম ২৬শে মার্চে এত বড় পরিসরে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
অনুষ্ঠানে তিন বাহিনীর প্রধানগণ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত রয়েছেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের অনুষ্ঠানটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে এবং দর্শনার্থীদের প্রবেশের জন্য সুনির্দিষ্ট কয়েকটি গেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে দর্শকদের কোনো ধরনের ব্যাগ বহন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের তত্ত্বাবধানে নবম পদাতিক ডিভিশন এই বিশাল আয়োজনটি সফলভাবে সম্পন্ন করছে।
এর আগে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভোর ৬টায় তাঁরা স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং একাত্তরের বীর সন্তানদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন প্রদান করে। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে আলাদাভাবে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। দীর্ঘ বিরতির পর প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত এই কুচকাওয়াজ ও বীর শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন মহান স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
/আশিক
দেশে এক মাসের জ্বালানি মজুত, বাড়ানোর পরিকল্পনা
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও সরকার আশ্বস্ত করেছে যে, বর্তমানে দেশের জ্বালানি তেলের মজুত পর্যাপ্ত রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, বিদ্যমান মজুত দিয়ে অন্তত এক মাসের জ্বালানি চাহিদা নির্বিঘ্নে পূরণ করা সম্ভব। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মোকাবিলায় এই রিজার্ভ আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। সন্ধ্যায় তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ওই ব্রিফিংয়ে জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থা এবং সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দেশের জ্বালানি তেলের রিজার্ভ বর্তমানে ‘সাফিসিয়েন্ট’ বা পর্যাপ্ত পর্যায়ে রয়েছে, যা স্বল্পমেয়াদে কোনো ধরনের জ্বালানি সংকটের সম্ভাবনা কমিয়ে দিয়েছে। তবে সরকার কেবল বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েই সন্তুষ্ট নয়; বরং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলায় আরও শক্তিশালী প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তা এই তিনটি প্রধান কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকারের রিজার্ভ বাড়ানোর উদ্যোগকে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কেবল স্বল্পমেয়াদি মজুত নয়, বরং মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রিজার্ভ সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এর মধ্যে থাকতে পারে অতিরিক্ত সংরক্ষণাগার নির্মাণ, আমদানি ব্যবস্থার বহুমুখীকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বিত কৌশল গ্রহণ।
-রফিক
দেশের ৭ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
দেশের ৭টি জেলায় দুপুরের মধ্যে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) আবহাওয়া অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা এবং নোয়াখালী অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সিনপটিক অবস্থায় দেখা যায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে এবং মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা রেকর্ড করা হয়েছে ৯৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য জানানো হয়েছে যে, আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিটে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- তাসের ঘরের মতো বিধ্বস্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা: মধ্যপ্রাচ্যের সব ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি ইরানের
- বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি: সংকটের মুখে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা
- যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের ডাক: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাজপথে নামছে লাখো মানুষ
- খেলাধুলা নিয়ে রাজনীতি নয়: আইপিএল সম্প্রচার নিয়ে ইতিবাচক তথ্যমন্ত্রী
- নেপালে ওলি যুগের অবসান:শপথের পরদিনই গ্রেপ্তার হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী
- আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: ২৮ মার্চ ২০২৬: কোন দেশের কত টাকা?
- কেন্দুয়ায় রামপুর বাজারে বড় অভিযান: গোপন গুদাম থেকে বিপুল পেট্রোল জব্দ!
- নকল হলে ব্যবস্থা শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও: এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি
- বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক বিপর্যয়ের শঙ্কা
- মুক্তিযুদ্ধ কোনো দল বা ব্যক্তির নয়, এটি ছিল সম্মিলিত জনযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- আজ রাজধানীর কোথায় কোন কর্মসূচি? বের হওয়ার আগে জেনে নিন জরুরি তথ্য
- সৌদি আরবে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা
- ২৮ মার্চ ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়
- ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্কতা
- হরমুজ প্রণালির নতুন নাম ‘ট্রাম্প প্রণালি’? মিয়ামিতে ট্রাম্পের বিদ্রূপাত্মক ঘোষণা
- কালিগঞ্জে চুরির ঘটনায় সংঘবদ্ধ হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- কালিগঞ্জের রতনপুরে জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- ইরান যুদ্ধে রাশিয়ার গোপন সহায়তার নতুন তথ্য
- ইসরায়েলে রাজনৈতিক সংকট, চাপ বাড়ছে নেতানিয়াহুর
- চীনের চিপ সরঞ্জাম যাচ্ছে ইরানে, অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের
- শাওয়ালের ৬ রোজায় এক বছরের সওয়াবসহ নানা ফজিলত
- খামেনির শেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করল ইরান
- আজকের বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার
- ইরানে ১২ বছর বয়সিদের যুদ্ধে যুক্ত করার ঘোষণা
- সৌদিতে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক বিস্ফোরণ
- যুদ্ধ থামাতে ইরানকেই এগোতে হবে: ট্রাম্প
- এবার ইরানে প্রকাশ্যেই উঠছে পারমাণবিক বোমা তৈরির জোর দাবি
- সূর্যাস্ত-সূর্যোদয়সহ আজকের নামাজের সময় এক নজরে
- রাতে বড় ম্যাচ, এক নজরে আজকের খেলার তালিকা
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- ইরানে ২৭ দিনের ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, বাড়ছে দুর্ভোগ
- ঢাকায় আজ আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানুন বিস্তারিত
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- ইরান বোকা নয়, কিছু ক্ষেত্রে খুবই বুদ্ধিমান: ট্রাম্প
- স্বাধীনতা দিবসের সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে লাশের মিছিল
- আকাশে মার্কিন এফ-১৮ যুদ্ধবিমানের চরম পরিণতি: চাবাহার উপকূলে বড় ধামাকা
- রিলস ভিডিওতে বৈপ্লবিক ফিচার আনছে মেটা; বদলে যাবে আপনার অভিজ্ঞতা
- কালবৈশাখীর সাথে ধেয়ে আসছে শিলাবৃষ্টি: কোন অঞ্চলে কবে ঝড় জেনে নিন
- হামজা-শমিতদের নিয়ে গড়া একাদশও ব্যর্থ: র্যাংকিংয়ের ব্যবধান ফুটে উঠল মাঠে
- ইসরায়েলের পরমাণু কেন্দ্র ও জেরুজালেম কমান্ড সেন্টারে ইরানের ভয়াবহ হামলা
- হরমুজ প্রণালির ‘মাস্টারমাইন্ড’ তাংসিরিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
- একবার সময় পেরিয়ে গেলে আর ফেরার পথ নেই: ট্রাম্প
- তারেক রহমানকে মাইনাস করার নীল নকশা দিয়েছিল এজেন্সিগুলো: আসিফ
- ভিয়েতনামের গতির কাছে অসহায় লাল-সবুজ: প্রথমার্ধে রক্ষণের বেহাল দশা
- হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশের জন্য সেফ প্যাসেজ: বিশেষ পাহারায় চলবে জাহাজ
- মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের উত্তাপ: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
- দৌলতদিয়া বাস ট্র্যাজেডি: নিহতদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের লিগ্যাল নোটিশ
- তেল আবিবের আকাশে হাজারো কাকের রহস্যময় মহড়া: ইসরায়েলজুড়ে মহাপ্রলয়ের আতঙ্ক
- ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র কোন কোন সেনা মোতায়েন করছে?
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস: গত বছরের রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬-এর স্বর্ণের বাজার
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- ট্রাম্পের যুদ্ধ স্থগিতের ঘোষণায় সোনার বাজারে ধস: ১০ শতাংশ কমল দাম
- তেজাবি স্বর্ণের বাজারে ধস: ঈদের কেনাকাটায় স্বস্তি নিয়ে এল নতুন দাম
- পদ্মার গভীরে শনাক্ত ডুবে যাওয়া বাস: উদ্ধারে লড়ছে ‘হামজা’ ও ডুবুরি দল
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- নিজের রক্ষকই যখন ভক্ষক: বাহরাইনে মার্কিন প্যাট্রিয়ট বিপর্যয়ের গোপন খবর ফাঁস
- ইসরায়েলের আকাশ এখন ইরানের নিয়ন্ত্রণে? যুদ্ধবিরতিতে ৬ কঠিন শর্ত তেহরানের
- শাওয়ালের ৬ রোজা: ফজিলত ও করণীয় জানুন
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- পদ্মার অতলে বাস ট্র্যাজেডি: ২৩ প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
- রমজানের পর কেন রাখবেন শাওয়ালের ৬ রোজা? হাদিসের আলোকে বিশেষ ফজিলত
- লেনদেন ছাড়াল ৬শ কোটি টাকা: উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
- ঈদ পরবর্তী বাজারে সোনার বড় ধস: ভরিতে বড় ছাড় দিয়ে সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে








