রক্তাক্ত কানাডা: টাম্বলার রিজ শহরের স্কুলে ভয়াবহ গুলি বর্ষণ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১১ ১১:০৮:৫৭
রক্তাক্ত কানাডা: টাম্বলার রিজ শহরের স্কুলে ভয়াবহ গুলি বর্ষণ
ছবি : সংগৃহীত

কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশের টাম্বলার রিজ শহরের একটি স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আলজাজিরা ও সিবিসি নিউজসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এই বর্বরোচিত হামলায় হামলাকারীসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। ব্রিটিশ কলম্বিয়ার টাম্বলার রিজ সেকেন্ডারি স্কুলে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে কানাডার রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি)।

পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে স্কুলের ভেতরে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, হামলা চালানোর পর তিনি নিজেই নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছেন। এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। সিবিসি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্কুলের ভেতর ৬ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজন মারা যান। এ ছাড়া এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে এমন একটি বাড়ি থেকে আরও ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ১০ জনে দাঁড়িয়েছে।

ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। পুলিশ জানিয়েছে, দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হেলিকপ্টারে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় একটি মেডিকেল সেন্টারে প্রায় ২৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও বিভিন্ন আঘাতের জন্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। হামলার পরপরই স্কুল থেকে ছাত্র-শিক্ষক সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মিলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে। এলাকায় জারি করা জরুরি অবস্থা বা শেল্টার-ইন-প্লেস আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে বর্তমানে আর কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই।


পুতিনের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র: সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ১১:৪৫:৫৩
পুতিনের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র: সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের রণকৌশলগত সমীকরণে বড় ধরনের কম্পন ধরিয়ে দিয়ে নতুন প্রজন্মের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘সারমাত’-এর সফল পরীক্ষা চালিয়েছে রাশিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই পরমাণু সক্ষম দানবীয় ক্ষেপণাস্ত্রটিকে বিশ্বের “সবচেয়ে শক্তিশালী” অস্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ক্রেমলিনের দাবি, ৩৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম এবং একে ঠেকানোর মতো কোনো প্রযুক্তি বর্তমানে কারোর কাছে নেই।

পশ্চিমা বিশ্বের কাছে ‘স্যাটান-টু’ নামে পরিচিত এই ক্ষেপণাস্ত্রটি রাশিয়ার কৌশলগত পরমাণু শক্তিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেল। পুতিনের মতে, এর ওয়ারহেডের ধ্বংসক্ষমতা পশ্চিমা দেশগুলোর সমমানের যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অন্তত চার গুণ বেশি। ২০১১ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্প দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে উন্নয়নের পর এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এটি রুশ সামরিক বাহিনীর সক্রিয় অস্ত্রভাণ্ডারে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

সারমাতের সবচেয়ে ভীতি জাগানিয়া বৈশিষ্ট্য হলো এর গতি ও গতিপথ। এটি সাব-অরবিটাল বা আংশিক মহাকাশপথে উড়তে সক্ষম, যা বিশ্বের বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে (Missile Defense System) অকার্যকর করে দিতে পারে। পুতিন স্পষ্ট করেছেন যে, ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পর রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই হাইপারসনিক ও ব্যালিস্টিক সক্ষমতার আধুনিকায়ন জরুরি হয়ে পড়েছিল।

এই উৎক্ষেপণ এমন এক সময়ে হলো যখন রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সর্বশেষ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’-এর মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফলে দীর্ঘ ৫০ বছর পর বিশ্বের দুই প্রধান পারমাণবিক শক্তি কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেল। ট্রাম্প প্রশাসন নতুন চুক্তিতে চীনকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানালেও বেইজিং তাতে কর্ণপাত করছে না। এর মাঝে সারমাত, অ্যাভানগার্ড এবং ওরেশনিকের মতো নতুন প্রজন্মের রুশ অস্ত্রসম্ভার ইউরোপ ও আমেরিকার সামরিক পরিকল্পনাবিদদের জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

/আশিক


ধৈর্য হারাচ্ছেন ট্রাম্প: ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার ছক কষছে পেন্টাগন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ১০:২৪:০০
ধৈর্য হারাচ্ছেন ট্রাম্প: ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার ছক কষছে পেন্টাগন
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় কোনো সুরাহা না হওয়ায় এবার সামরিক শক্তি প্রয়োগের দিকে ঝুঁকছে ট্রাম্প প্রশাসন। মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান উত্তেজনা এবং আলোচনার টেবিলে তেহরানের অনড় অবস্থানের কারণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানকে মোকাবিলায় ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ নীতিনির্ধারকরা বর্তমানে দুই ভাগে বিভক্ত। পেন্টাগনের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের একটি অংশ মনে করছে, কেবল সীমিত ও লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক হামলার মাধ্যমেই ইরানকে নমনীয় করে পুনরায় আলোচনার টেবিলে আনা সম্ভব। অন্যদিকে, প্রশাসনের আরেকটি অংশ এখনো রক্তক্ষয়ী সংঘাত এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের শেষ সুযোগটুকু কাজে লাগাতে চাইছে। তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কঠোর মনোভাব সামরিক অভিযানের সম্ভাবনাকেই জোরালো করছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে ওয়াশিংটনের অন্দরে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশের ধারণা, ইসলামাবাদ ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর বার্তাগুলো তেহরানের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দিচ্ছে না। উল্টো ইরানের অনড় অবস্থানকে ওয়াশিংটনের কাছে নমনীয় বা আশাবাদী হিসেবে তুলে ধরে পাকিস্তান বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

এর আগে সোমবার মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি শান্তি প্রস্তাবের বিপরীতে ইরানের পাঠানো জবাবকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ ও ‘বোকামিপূর্ণ’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন ট্রাম্প। এর জবাবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের দাবিগুলো মোটেও অতিরঞ্জিত নয় এবং যুক্তরাষ্ট্রই অযৌক্তিক অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি জটিল করছে। দুপক্ষের এমন অনড় অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি এখন কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।

/আশিক


কূটনীতি না কি সামরিক হামলা? ইরানের অনড় অবস্থানে দোটানায় ট্রাম্প প্রশাসন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১২ ১৮:১৭:৫৩
কূটনীতি না কি সামরিক হামলা? ইরানের অনড় অবস্থানে দোটানায় ট্রাম্প প্রশাসন
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে না পেরে ধৈর্য হারিয়ে ফেলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের অনড় অবস্থান এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় হোয়াইট হাউসের অন্দরে এখন যুদ্ধের দামামা বাজছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে মধ্যপ্রাচ্য কি আবারও বড় কোনো সামরিক সংঘাতের দিকে যাচ্ছে—এ প্রশ্ন এখন বিশ্বজুড়ে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাবগুলোকে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে ‘বোকামিপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন। মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে এখন দুটি মেরু তৈরি হয়েছে। পেন্টাগনের একাংশ মনে করছে, লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক হামলার মাধ্যমেই কেবল ইরানকে নমনীয় করা সম্ভব। অন্যদিকে, কূটনীতিবিদরা চাইছেন আলোচনার শেষ সুযোগটুকু ব্যবহার করতে। তবে ট্রাম্পের চীন সফরের আগে কোনো বড় সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা কম থাকলেও উত্তেজনার পারদ কমছে না।

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহল এখন পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। ওয়াশিংটনের সন্দেহ, ইসলামাবাদ ইরানের অবস্থানকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অতিরিক্ত ইতিবাচকভাবে তুলে ধরছে এবং ট্রাম্পের কড়া বার্তাগুলো তেহরানের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছাচ্ছে না। যদিও পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো সম্মিলিতভাবে ইরানকে ‘শেষ সুযোগ’ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে, কিন্তু কয়েক দশকের নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা করা ইরান এই চাপকে কতটা গুরুত্ব দেবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান অচলাবস্থা কেবল যুদ্ধের ঝুঁকিই বাড়াচ্ছে না, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার উপক্রম করেছে। সোমবার হোয়াইট হাউসে জাতীয় নিরাপত্তা দলের বৈঠকের পর এটুকু স্পষ্ট যে, কূটনৈতিক পথ ব্যর্থ হলে ওয়াশিংটন পুনরায় সামরিক বা কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের দিকেই হাঁটবে।

/আশিক


পুতিনের প্রস্তাব না কি পাল্টা আঘাত? ইরানের পারমাণবিক হুঁশিয়ারিতে নতুন মোড়

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১২ ১৭:৪৬:১৭
পুতিনের প্রস্তাব না কি পাল্টা আঘাত? ইরানের পারমাণবিক হুঁশিয়ারিতে নতুন মোড়
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিশ্ববাসীকে চরম সতর্কবার্তা দিল ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি জানিয়েছেন, ইরান পুনরায় হামলার শিকার হলে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৯০ শতাংশে উন্নীত করা হতে পারে। উল্লেখ্য, এই মাত্রাটি একটি পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় স্তরের সমান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ইব্রাহিম রেজায়ি স্পষ্ট করেন, ইরানের ওপর ফের আক্রমণ হলে তাদের পারমাণবিক তৎপরতা আর কোনো সীমাবদ্ধতায় থাকবে না। এই চরম মাত্রার সমৃদ্ধকরণের বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে ইরানের পার্লামেন্টে পর্যালোচনার পরিকল্পনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান সামরিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই তেহরানের পক্ষ থেকে এমন সরাসরি হুঁশিয়ারি এল।

ইরানের এই হুমকি আঞ্চলিক নিরাপত্তার সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। সম্প্রতি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নিয়ে সংরক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ সাড়া ফেলেছিল। তবে তেহরানের বর্তমান অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তারা আত্মরক্ষার খাতিরে যেকোনো চরম সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করবে না। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের এই পারমাণবিক কার্ড এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

/আশিক


ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ফাটল ধরাচ্ছে পাকিস্তান: নেতানিয়াহু

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১২ ১২:১৮:২৪
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ফাটল ধরাচ্ছে পাকিস্তান: নেতানিয়াহু
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, পাকিস্তান থেকে পরিচালিত বিশাল ‘বট ফার্ম’ এবং ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্কে ফাটল ধরানোর চেষ্টা চলছে। রোববার (১০ মে) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের এক অনুষ্ঠানে তিনি এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনেন।

আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে সমালোচিত নেতানিয়াহু বলেন, বিভিন্ন দেশ পরিকল্পিতভাবে অনলাইনে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে, তবে এই অপপ্রচারে পাকিস্তান সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। তার দাবি, পাকিস্তানি অপারেটররা আমেরিকান নাগরিকদের পরিচয় ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন ধারণা তৈরি করছে যে, সাধারণ মার্কিনিরা ইসরায়েলের ওপর থেকে সমর্থন তুলে নিচ্ছে।

নেতানিয়াহু একটি উদাহরণ দিয়ে বলেন, অনেক সময় টেক্সাসের নাগরিক পরিচয় দিয়ে বার্তা পাঠানো হয় যেখানে লেখা থাকে— “আমি সব সময় ইসরায়েলকে সমর্থন করেছি, কিন্তু এখন আর পারছি না।” অথচ এসব বার্তার উৎস অনুসন্ধান করলে দেখা যায় সেগুলো পাকিস্তানের কোনো এক বেজমেন্ট থেকে পাঠানো হচ্ছে। তার মতে, এর মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যে কৃত্রিম দূরত্ব তৈরি করা।

নেতানিয়াহু এই গুরুতর অভিযোগ তুললেও এর পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্বাধীন বা অকাট্য তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। বিশ্লেষকদের মতে, গাজা ইস্যুতে বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান জনরোষ এবং মার্কিন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইসরায়েলবিরোধী মনোভাবকে আড়াল করতেই তিনি ‘বট ফার্ম’ তত্ত্ব সামনে নিয়ে আসছেন। পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

/আশিক


যুদ্ধবিরতি এখন লাইফ সাপোর্টে:  ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১২ ১০:৪৮:২৩
যুদ্ধবিরতি এখন লাইফ সাপোর্টে:  ট্রাম্প
ছবি : রয়টার্স

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এখন খাদের কিনারায়। শান্তি স্থাপনের লক্ষে তেহরানের দেওয়া পাল্টা শর্তগুলোকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে পুরো শান্তি চুক্তিটি এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে।

শান্তি আলোচনার অংশ হিসেবে ইরান যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং মার্কিন নৌ অবরোধ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। এর পাশাপাশি তেলের বিশ্ববাজারের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালীর ওপর নিজেদের পূর্ণ সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি চেয়েছে তারা। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই দাবিগুলোকে সরাসরি ‘আবর্জনা’ বলে নাকচ করে দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থানের কারণে গত ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সাময়িক স্থিতিশীলতা এখন চরম হুমকির মুখে।

এই রাজনৈতিক অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৪ ডলার ছাড়িয়েছে। এটি গত কয়েক বছরের মধ্যে তেলের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড। এরই মধ্যে চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর, যারা অবৈধভাবে ইরানি তেল চীনে পাঠাতে সহায়তা করছে।

ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে তাদের দাবিগুলো সম্পূর্ণ ন্যায্য এবং যেকোনো সামরিক আগ্রাসনের জবাব দিতে তাদের বাহিনী প্রস্তুত। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছে যে সমঝোতা না হলে তারা পুনরায় আরও কঠোর সামরিক বা অর্থনৈতিক পদক্ষেপের দিকে হাঁটবে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বের নজর এখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

সূত্র : রয়টার্স


ট্রাম্পের এক পোস্টেই তেলের বাজারে আগুন!

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ২১:২৬:৪১
ট্রাম্পের এক পোস্টেই তেলের বাজারে আগুন!
ছবি : সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক যুদ্ধ এখন বিশ্ব অর্থনীতিতে সরাসরি আঘাত হানছে। সোমবার (১১ মে) আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। তেলের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড ৪.৬৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯.৯৫ ডলারে পৌঁছেছে, যা প্রায় ১০০ ডলারের দোরগোড়ায়।

ইরানের দেওয়া শান্তি প্রস্তাবকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার 'ট্রুথ সোশ্যাল' প্ল্যাটফর্মে 'পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য' বলে প্রত্যাখ্যান করার পরপরই এই অস্থিরতা শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক তেলের চুক্তি ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দামও ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা যেকোনো সময় পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে।

এদিকে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাকেই যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলোকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘একপেশে’ বলে অভিহিত করেছেন। ইরান পাকিস্তানের মাধ্যমে তাদের পাল্টা প্রস্তাব পাঠালেও ট্রাম্প তা নাকচ করে দেন। তেহরানের দাবি—অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধ বন্ধ, মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং বিদেশে জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ মুক্ত না করা পর্যন্ত স্থিতিশীলতা ফিরবে না। বাকেই জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের প্রস্তাবগুলো ছিল ‘বৈধ ও উদার’, কিন্তু ওয়াশিংটন তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।

তেহরান ও ওয়াশিংটনের এই অনড় অবস্থানে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে জ্বালানি খাত। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট চাহিদার ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়। এই পথে সামান্য ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কাতেই বিশ্ববাজারে দামের এই উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে, যা আগামী দিনগুলোতে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

/আশিক


ইসরায়েলের গোপন নীলনকশা ফাঁস: মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে শেখ হামাদের বিস্ফোরক তথ্য

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১৯:৩০:৫৯
ইসরায়েলের গোপন নীলনকশা ফাঁস: মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে শেখ হামাদের বিস্ফোরক তথ্য
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার নেপথ্যে ইসরায়েলের এক সুদূরপ্রসারী ‘নীলনকশা’ ফাঁস করেছেন কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রভাবশালী কূটনীতিক শেখ হামাদ বিন জাসিম আল থানি। সোমবার (১১ মে) আল জাজিরার ‘আল মুকাবালা’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে বর্তমান যুদ্ধ কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে সাজানোর একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ।

শেখ হামাদের মতে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ১৯৯০-এর দশক থেকেই যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা করে আসছিলেন। আগের মার্কিন প্রশাসনগুলো সরাসরি যুদ্ধে দ্বিধাগ্রস্ত থাকলেও, নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনকে একটি ‘ভ্রম’ বা অলীক স্বপ্ন দেখাতে সক্ষম হন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝাতে পেরেছিলেন যে, এই যুদ্ধ হবে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানি সরকারের পতন ঘটবে।

সাক্ষাৎকারে শেখ হামাদ অত্যন্ত আশঙ্কার সাথে জানান, এই যুদ্ধের ডামাডোলে নেতানিয়াহু মূলত তার ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ বা বৃহত্তর ইসরায়েলের ধারণা বাস্তবায়ন করছেন। ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থীদের এই পরিকল্পনায় প্রতিবেশী আরব ভূখণ্ড দখল করে দেশের সীমানা সম্প্রসারণের চিন্তা রয়েছে। তিনি মনে করেন, এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি ‘জোরপূর্বক আঞ্চলিক জোট’ তৈরির চেষ্টা চলছে, যা আগামী কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

হরমুজ প্রণালির বর্তমান সংকটকে যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফল হিসেবে অভিহিত করে তিনি উপসাগরীয় দেশগুলোকে একটি ‘যৌথ প্রতিরক্ষা জোট’ গঠনের আহ্বান জানান। শেখ হামাদ স্মরণ করিয়ে দেন যে, গত বছরই তিনি সামরিক হামলা এড়াতে ইরানের সাথে কূটনৈতিক সমাধানের পরামর্শ দিয়েছিলেন, কিন্তু নেতানিয়াহুর কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর প্রভাবে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা


মার্কিন প্রস্তাব অযৌক্তিক, ট্রাম্পের জবাব অগ্রহণযোগ্য: ইরান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১৭:৫৫:১৪
মার্কিন প্রস্তাব অযৌক্তিক, ট্রাম্পের জবাব অগ্রহণযোগ্য: ইরান
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি আলোচনা নতুন করে অচলাবস্থার মুখে পড়েছে। সোমবার (১১ মে) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘একপেশে’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। পাল্টা জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের শর্তগুলোকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাকেই সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তারা পাকিস্তানের মাধ্যমে তাদের আনুষ্ঠানিক জবাব ওয়াশিংটনকে পাঠিয়েছেন। ইরানের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—পুরো অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধ বন্ধ করা, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহার এবং বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা।

বাকেই জোর দিয়ে বলেন, "আমরা কোনো বাড়তি সুবিধা চাইছি না। আমাদের দাবিগুলো সম্পূর্ণ বৈধ—অবরোধ প্রত্যাহার, জলদস্যুতামূলক আচরণ বন্ধ এবং জব্দ করা সম্পদ ফেরত পাওয়া।" এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করাকেও তাদের প্রস্তাবের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজের প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি ইরানের প্রস্তাবকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে লিখেছেন, "আমি ইরানের তথাকথিত প্রতিনিধিদের জবাব পড়েছি। এটি আমার পছন্দ হয়নি। এই প্রস্তাব পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য!" যদিও ট্রাম্পের প্রস্তাবে কী ছিল বা ইরানের কোন শর্তে তিনি ক্ষুব্ধ, তার বিস্তারিত কোনো পক্ষই এখনো প্রকাশ করেনি।

রোমের আমেরিকান ইউনিভার্সিটির বিশ্লেষক আন্দ্রেয়া দেসি এই পরিস্থিতিকে ‘মোটেও ইতিবাচক নয়’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় এই অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। যার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি নিয়ে টানাপোড়েন বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: