রমজানে ওমরাহ করার ফজিলত: হাদিসের আলোকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১১ ১৯:২৪:৪৯
রমজানে ওমরাহ করার ফজিলত: হাদিসের আলোকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

রমজান মাস মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ সময় নেক আমলের প্রতিদান বহু গুণ বৃদ্ধি পায়। ইবাদতের এ মৌসুমে ওমরাহ আদায়ের বিশেষ মর্যাদা সম্পর্কে সুস্পষ্ট বর্ণনা এসেছে সহিহ হাদিসে। প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) রমজানের ওমরাহকে এমন এক উচ্চতায় স্থান দিয়েছেন, যা মুমিনের অন্তরে গভীর অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।

রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, “রমজানে আদায়কৃত ওমরাহ আমার সঙ্গে হজ করার সমান।”এই হাদিসটি সহিহ বুখারি–তে বর্ণিত হয়েছে (হাদিস নম্বর ১৭৮২)। আলেমদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এখানে সওয়াবের দিক থেকে তুলনা করা হয়েছে, ফরজ হজের বিধান বাতিল করা হয়নি। অর্থাৎ, রমজানের ওমরাহ ফরজ হজের বিকল্প নয়; তবে ফজিলত ও প্রতিদানের বিচারে তা অত্যন্ত মহিমান্বিত।

রমজানে ওমরাহর বিশেষ ফজিলত

প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) রমজানের ওমরাহকে এমন এক উচ্চতায় স্থান দিয়েছেন, যা মুমিনের অন্তরে গভীর অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।

১️) সওয়াবের বহুগুণ বৃদ্ধি

রমজান এমন সময় যখন প্রতিটি নেক আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি পায়। ওমরাহ নিজেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত; ফলে এ মাসে তা আদায় করলে সওয়াবের পরিমাণ অসীমভাবে বৃদ্ধি পায়।

২️) গুনাহ মোচনের সুবর্ণ সুযোগ

হাদিসে এসেছে, একটি ওমরাহ পরবর্তী ওমরাহ পর্যন্ত সংঘটিত ছোট গুনাহসমূহ মাফের মাধ্যম হয়। রমজানের বরকত যুক্ত হলে বান্দার জন্য তওবা ও আত্মশুদ্ধির সুযোগ আরও প্রসারিত হয়।

৩️) রুহানিয়াতের গভীর অনুভব

রমজানে মসজিদুল হারাম–এ কোরআন তিলাওয়াত, তারাবীহ ও তাহাজ্জুদের ধ্বনি এক অপার্থিব আবহ তৈরি করে। একইভাবে মসজিদে নববী–তে ইবাদতের পরিবেশ হৃদয়কে আধ্যাত্মিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।

৪️) লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা

রমজানের শেষ দশকে মক্কায় অবস্থান করলে কদরের রাত ইবাদতের সুযোগ পাওয়া যায়। কুরআনে বর্ণিত এই রাত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।

৫️) তাকওয়া অর্জনের বাস্তব অনুশীলন

রোজা আত্মসংযম শেখায়, আর ওমরাহ ধৈর্য ও আনুগত্যের শিক্ষা দেয়। এই দুইয়ের সমন্বয়ে একজন মুসলমান তাকওয়ার উচ্চতর স্তরে পৌঁছাতে পারেন।

৬️) দোয়া কবুলের অনুকূল পরিবেশ

হাজরে আসওয়াদ, মুলতাজ্জাম, মিজাবে রহমাহ প্রভৃতি স্থান দোয়া কবুলের জন্য প্রসিদ্ধ। রমজানের বরকত যুক্ত হলে দোয়ার গ্রহণযোগ্যতার আশা আরও বৃদ্ধি পায়।

রমজানে মক্কা–মদিনার পরিবেশ

রমজানে মক্কার বাতাসেও যেন ইবাদতের আবেশ অনুভূত হয়। ইফতারের সময় হাজার হাজার মুসল্লির একসঙ্গে রোজা ভাঙার দৃশ্য হৃদয়গ্রাহী। তারাবীহ নামাজে দীর্ঘ কিরাত, তাহাজ্জুদের আবেগঘন মুহূর্ত এবং সারারাত জেগে থাকা ইবাদতকারীদের দৃশ্য মুসলমানের হৃদয়ে গভীর রেখাপাত করে।

মদিনায় রাউজায়ে রাসূল (সা.)–এ দরুদ ও সালামের ধ্বনি এক শান্তিময় অনুভূতি সৃষ্টি করে। এ সময় অনেকেই জীবনের নতুন দিকনির্দেশনা খুঁজে পান।

কেন রমজানের ওমরাহ জীবন বদলে দেয়

অনেক হাজি ও ওমরাহকারী অভিজ্ঞতায় বলেছেন, রমজানের ওমরাহর পর তাঁদের জীবনদৃষ্টিতে পরিবর্তন এসেছে। ইবাদতের নিবিড় পরিবেশ, তওবার আবেগ এবং দুনিয়াবি ব্যস্ততা থেকে সাময়িক বিচ্ছিন্নতা মানুষকে নিজের সঙ্গে নতুনভাবে পরিচিত হতে সহায়তা করে।

এ সময় আত্মসমালোচনার সুযোগ তৈরি হয়, নফস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় হয়।

রমজানে ওমরাহর প্রস্তুতি

রমজানের সফর সাধারণ সময়ের তুলনায় বেশি ভিড়পূর্ণ ও শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তাই কিছু বিশেষ প্রস্তুতি জরুরি-

স্বাস্থ্যসচেতনতা বজায় রাখা

পর্যাপ্ত পানি ও বিশ্রামের ব্যবস্থা

ইবাদতের সময়সূচি পরিকল্পনা

ভিড়ের মাঝে ধৈর্য ও সহনশীলতা

রমজানের ওমরাহ শুধু একটি সফর নয়; এটি আত্মার পরিশুদ্ধি, ঈমানের নবায়ন এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিরল সুযোগ।


ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল: পার্থক্য কী?

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১১ ১৪:২৪:০০
ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল: পার্থক্য কী?
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামে সালাত বা নামাজ কেবল একটি ইবাদত নয়; এটি মুসলিম জীবনের কেন্দ্রীয় অনুশাসন। ইসলামী শরিয়াহ ও ফিকহশাস্ত্র অনুযায়ী নামাজের বিধান গুরুত্ব ও বাধ্যবাধকতার ভিত্তিতে চারটি প্রধান ভাগে বিভক্ত ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত এবং নফল। এই বিভাজন মূলত দলিলের শক্তি, শরিয়তগত বাধ্যবাধকতা এবং পালন না করলে পরিণতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়েছে।

ফরজ নামাজ: অপরিহার্য দায়িত্ব

ফরজ হলো সেই আমল, যা কুরআন ও সুন্নাহর সুস্পষ্ট দলিল দ্বারা প্রমাণিত এবং প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের জন্য অবশ্যপালনীয়। ফরজ নামাজ ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগ করলে ব্যক্তি গুরুতর গুনাহগার হিসেবে বিবেচিত হন। ইসলামী আইনবিদদের মতে, ফরজ অস্বীকার করা ঈমানের জন্যও বিপজ্জনক হতে পারে।

প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফজর, জোহর, আসর, মাগরিব ও এশা ফরজের অন্তর্ভুক্ত। একইভাবে জুমার নামাজও প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষদের জন্য ফরজ।

ওয়াজিব নামাজ: ফরজের নিকটবর্তী গুরুত্ব

ওয়াজিব নামাজ ফরজের চেয়ে একধাপ নিচে হলেও তা পালন করা আবশ্যক। ইসলামী ফিকহে ওয়াজিব প্রমাণিত হয় এমন দলিল দ্বারা, যা ফরজের মতো স্পষ্ট নয় কিন্তু যথেষ্ট শক্তিশালী। ওয়াজিব ইচ্ছাকৃতভাবে পরিত্যাগ করলে গুনাহ হয়, তবে ফরজ ত্যাগের মতো কঠোর পর্যায়ে নয়।

বিতরের নামাজ ওয়াজিব হিসেবে বিবেচিত। একইভাবে দুই ঈদের নামাজও বহু আলেমের মতে ওয়াজিব।

সুন্নত নামাজ: রাসূলুল্লাহ (সা.)–এর নিয়মিত আমল

সুন্নত হলো সেই নামাজ, যা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিয়মিত আদায় করতেন এবং সাহাবাদেরকে তা পালনে উৎসাহিত করেছেন। সুন্নত আবার দুই প্রকার সুন্নতে মুয়াক্কাদা (নিয়মিত পালিত) এবং সুন্নতে গাইরে মুয়াক্কাদা (অনিয়মিত)।

সুন্নতে মুয়াক্কাদা ইচ্ছাকৃতভাবে পরিত্যাগ করা অনুচিত এবং তিরস্কারযোগ্য হলেও সরাসরি গুনাহ হিসেবে গণ্য করা হয় না। উদাহরণস্বরূপ, ফজরের দুই রাকাত সুন্নত এবং জোহরের আগে-পরে নির্দিষ্ট সুন্নত নামাজ।

নফল নামাজ: অতিরিক্ত সওয়াবের সুযোগ

নফল নামাজ সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। এগুলো ফরজ ও সুন্নতের বাইরে অতিরিক্ত ইবাদত হিসেবে আদায় করা হয়। নফল আদায় করলে বিশেষ সওয়াব পাওয়া যায়, তবে তা না পড়লে কোনো গুনাহ হয় না।

তাহাজ্জুদ, ইশরাক, দুহা (চাশত) এবং অন্যান্য স্বেচ্ছা ইবাদত নফলের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং আত্মিক পরিশুদ্ধির জন্য নফল নামাজ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

নামাজের এই চারস্তরীয় শ্রেণিবিন্যাস ইসলামী শরিয়তের সূক্ষ্ম বিধানকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। প্রতিটি স্তরের গুরুত্ব বুঝে ইবাদত আদায় করলে একজন মুসলিম তাঁর ধর্মীয় দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারেন। ফরজ ও ওয়াজিব যথাযথভাবে আদায় করা অপরিহার্য, আর সুন্নত ও নফল ইবাদত মানুষকে আধ্যাত্মিক উন্নতির পথে এগিয়ে নেয়।


জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১১ ০৯:১৩:০৫
জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 
ছবি : সংগৃহীত

আজ বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি (২৮ মাঘ ১৪৩২ বাংলা, ২২ শাবান ১৪৪৭ হিজরি)। ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামাজ। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেবেন। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি

জোহর: ১২টা ১৬ মিনিট

আসর: ৪টা ১৩ মিনিট

মাগরিব: ৫টা ৫৫ মিনিট

এশা: ৭টা ০৮ মিনিট

ফজর (আগামীকাল): ৫টা ১৯ মিনিট

বিভাগীয় সময়ের পার্থক্য (ঢাকার সময়ের সাথে)

বিয়োগ করতে হবে

সিলেট: ০৬ মিনিট

চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট

যোগ করতে হবে

রংপুর: ০৮ মিনিট

রাজশাহী: ০৭ মিনিট

খুলনা: ০৩ মিনিট

বরিশাল: ০১ মিনিট


জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১০ ০৮:৫৯:৩০
জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি মূল রুকন বা স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং এটি পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। মুমিনের ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। পরকালে বা কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষের কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেবেন। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজ আদায়ের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে। তাই দৈনন্দিন জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আজ মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বাংলা এবং ২১ শাবান ১৪৪৭ হিজরি।

ফজর: ৫টা ১৮ মিনিট (নামাজের শেষ সময় ৬টা ৩৫ মিনিট)

জোহর: ১২টা ১৩ মিনিট

আসর: ৪টা ১২ মিনিট

মাগরিব: ৫টা ৫১ মিনিট

এশা: ৭টা ০৬ মিনিট

উল্লেখ্য যে, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে নামাজের সময় কিছুটা পরিবর্তিত হয়। উপরোক্ত সময়সূচি মূলত ঢাকার সময়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকায় একইভাবে কার্যকর হবে। তবে এলাকাভেদে সময়ের ১ থেকে ১০ মিনিটের ব্যবধান হতে পারে।


জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৯ ০৯:১২:৪৫
জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে ইমান বা বিশ্বাসের পরপরই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামাজ। পরকালে হাশরের ময়দানে বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করা মুমিন মুসলমানের জন্য অপরিহার্য।

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সময়সূচি

জোহর: দুপুর ১২টা ১৩ মিনিট

আসর: বিকেল ৪টা ১৪ মিনিট

মাগরিব: সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিট

এশা: রাত ৭টা ০৭ মিনিট

ফজর (আগামীকাল মঙ্গলবার): ভোর ৫টা ১৮ মিনিট

ঢাকার সময়ের সাথে নির্দিষ্ট কিছু সময়ের যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করে নিন

বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট

সিলেট: ০৬ মিনিট

যোগ করতে হবে

খুলনা: ০৩ মিনিট

রাজশাহী: ০৭ মিনিট

রংপুর: ০৮ মিনিট

বরিশাল: ০১ মিনিট

উল্লেখ্য যে, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অবস্থান ভেদে সময়ের কিছুটা তারতম্য হতে পারে। মাগরিবের নামাজ সূর্যাস্তের পরপরই আদায় করা সুন্নত।


হজযাত্রীদের জন্য সুখবর:হজের অনেক আগেই ভিসা ইস্যু শুরু করছে সৌদি আরব

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ০৯:৫৩:২৮
হজযাত্রীদের জন্য সুখবর:হজের অনেক আগেই ভিসা ইস্যু শুরু করছে সৌদি আরব
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র হজের প্রস্তুতি আরও সহজ ও নিখুঁত করতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ মৌসুমের জন্য আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) থেকেই হজের ভিসা ইস্যু করার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। সাধারণত হজের কয়েক মাস আগে ভিসা দেওয়া হলেও এবার কয়েক মাস আগেই এই প্রক্রিয়া শুরু করার ঘোষণা দিল সৌদি কর্তৃপক্ষ। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘গালফ নিউজ’ এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজযাত্রীদের সৌদি আরবে আগমনের অনেক মাস আগেই যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা এবং সেবার মান বিশ্বমানে উন্নীত করার লক্ষ্যেই এই আগাম ভিসা ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত একটি বিস্তারিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজ মৌসুমের প্রাথমিক প্রস্তুতি মূলত শুরু হয়েছিল ৮ জুন ২০২৫ তারিখ থেকেই। ওই দিন বিশ্বব্যাপী হজ বিষয়ক অফিসগুলোর কাছে প্রাথমিক পরিকল্পনাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি পাঠানো হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘নুসুক মাসার’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোকে পবিত্র স্থানগুলোর (মিনা-আরাফাত) ক্যাম্পসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের অ্যাক্সেস দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো পরিকল্পনা, পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের জন্য আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় পাচ্ছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, গত বছরের ১লা রবিউল আউয়াল থেকেই আবাসন ও মৌলিক সেবাসংক্রান্ত প্রাথমিক চুক্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ১২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখের মধ্যেই সকল দেশের সাথে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক এবং হজযাত্রী নিবন্ধনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়াও চলতি জমাদিউল আউয়াল মাসে বড় পরিসরের সেবাচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে একটি বিশেষ হজ সেবা প্রদর্শনীরও আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষের। মূলত হজযাত্রীরা যাতে কোনো প্রকার বিড়ম্বনা ছাড়াই হজের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারেন, সেজন্যই কয়েক মাস হাতে রেখেই ভিসা কার্যক্রম শুরুর এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দিল সৌদি আরব।


রোববারের নামাজের সময়: কখন কোন ওয়াক্ত

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ০৯:১১:০৬
রোববারের নামাজের সময়: কখন কোন ওয়াক্ত
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি রুকন বা স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং এটি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, কিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে মানুষের কাছে প্রথম হিসাব নেওয়া হবে এই নামাজের। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বাইরেও ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজ আদায়ের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। জীবনের শত ব্যস্ততা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ইবাদত।

আজ রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আজ ২৫ মাঘ ১৪৩২ এবং হিজরি ১৯ শাবান ১৪৪৭। ধর্মপ্রাণ পাঠকদের সুবিধার্থে ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সঠিক সময়সূচি

আজ রোববার জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটে।

আসরের নামাজ আদায়ের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৪টা ১১ মিনিট।

সূর্যাস্তের পর মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫৩ মিনিটে এবং এশার নামাজের সময় হবে রাত ৭টা ০৭ মিনিট।

এছাড়া আগামীকালের (সোমবার) ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৫টা ২২ মিনিটে।

ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের অন্যান্য প্রধান বিভাগীয় শহরগুলোর সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঢাকার সময়ের সঙ্গে কিছু সময় যোগ বা বিয়োগ করে নিতে হয়।

যেমন—চট্টগ্রামে ৫ মিনিট এবং সিলেটে ৬ মিনিট বিয়োগ করে নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে হবে। অন্যদিকে, বরিশাল বিভাগে ১ মিনিট, খুলনায় ৩ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট এবং রংপুরে ৮ মিনিট যোগ করে সঠিক সময় জেনে নিতে হবে।


যাকাত ফরজ হওয়ার শর্ত ও সঠিক হিসাব পদ্ধতি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ০৯:১৫:০০
যাকাত ফরজ হওয়ার শর্ত ও সঠিক হিসাব পদ্ধতি
ছবি: সংগৃহীত

যাকাত ইসলামের একটি মৌলিক অর্থনৈতিক বিধান, যা সমাজে সম্পদের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করে এবং দরিদ্র ও অসহায় মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। শরিয়ত অনুযায়ী, যিনি সাহেবে নিসাব অর্থাৎ নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ বাদ দেওয়ার পর সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা বা সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ কিংবা তার সমমূল্যের সম্পদের মালিক, তাঁর জন্য যাকাত আদায় করা ফরজ। নির্ধারিত এক চন্দ্রবছর শেষে সঞ্চিত যাকাতযোগ্য সম্পদের ওপর ২ দশমিক ৫ শতাংশ বা এক চল্লিশ ভাগ হারে যাকাত প্রদান করতে হয়।

যাকাতের আওতায় মূলত নগদ অর্থ, ব্যাংকে সঞ্চিত টাকা, স্বর্ণ ও রূপা, ব্যবসায়িক পণ্য, শেয়ার ও বিনিয়োগের সম্পদ অন্তর্ভুক্ত হয়। হিসাব করার সময় প্রথমে সব যাকাতযোগ্য সম্পদের মোট মূল্য নির্ধারণ করতে হয়। এরপর ওই সম্পদ থেকে চলতি দেনা বা ঋণের পরিমাণ বাদ দিতে হয়। দেনা বাদ দেওয়ার পর যে নিট সম্পদ থাকে, তার ওপর ২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে যাকাত হিসাব করা হয়। ইসলামী অর্থনীতিবিদদের মতে, যাকাতের এই পদ্ধতি সম্পদকে স্থবির না রেখে সমাজের প্রবাহে যুক্ত রাখে।

যাকাত ফরজ হওয়ার মূল শর্ত হলো নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া। সাধারণভাবে নিসাব ধরা হয় ৫২ দশমিক ৫ তোলা বা প্রায় ৬১২ গ্রাম রূপা, কিংবা ৭ দশমিক ৫ তোলা বা প্রায় ৮৭ দশমিক ৫ গ্রাম স্বর্ণ। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ আলেম রূপার নিসাবকে ভিত্তি ধরে হিসাব করার পরামর্শ দেন, কারণ এতে দরিদ্র মানুষের উপকার বেশি হয়। যদি কারও কাছে এই নিসাব পরিমাণ সম্পদ এক বছর পূর্ণ থাকে, তবে তার ওপর যাকাত আদায় করা বাধ্যতামূলক হয়ে যায়।

যাকাতযোগ্য সম্পদের মধ্যে নগদ টাকা, ব্যাংক হিসাবের অর্থ, ব্যবসার পণ্য ও পাওনা অর্থ অন্তর্ভুক্ত থাকে। স্বর্ণালংকার ব্যবহৃত হলেও অনেক আলেমের মতে তার ওপর যাকাত প্রযোজ্য, যদিও এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। তবে সন্দেহ এড়াতে অলংকারের ওপরও যাকাত দেওয়া উত্তম বলে মনে করেন অনেক ফকিহ। অন্যদিকে বসবাসের বাড়ি, ব্যবহৃত গাড়ি, আসবাবপত্র বা দৈনন্দিন ব্যবহারের সামগ্রী যাকাতের আওতায় পড়ে না।

সহজভাবে যাকাত হিসাব করতে হলে প্রথমে সব যাকাতযোগ্য সম্পদের বাজারমূল্য যোগ করতে হবে। এরপর ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক দেনা বাদ দিতে হবে। অবশিষ্ট যে নিট সম্পদ থাকবে, তার এক চল্লিশ ভাগই হলো যাকাতের পরিমাণ। অর্থাৎ এক লাখ টাকার নিট সম্পদের জন্য যাকাত হবে ২ হাজার ৫০০ টাকা।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো ব্যক্তির কাছে যদি ১ লাখ টাকা নগদ অর্থ এবং ২ লাখ টাকার ব্যবসায়িক পণ্য থাকে, তাহলে মোট সম্পদ দাঁড়ায় ৩ লাখ টাকা। যদি তার ওপর ৫০ হাজার টাকা ঋণ থাকে, তবে নিট সম্পদ হবে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই টাকার ২ দশমিক ৫ শতাংশ হিসাব করলে যাকাতের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬ হাজার ২৫০ টাকা, যা তাকে নির্ধারিত খাতে ব্যয় করতে হবে।


শনিবারের নামাজের সময়: কখন কোন ওয়াক্ত

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ০৮:৪২:১১
শনিবারের নামাজের সময়: কখন কোন ওয়াক্ত
ছবি: সংগৃহীত

আজ শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী আজ ২৪ মাঘ ১৪৩২ এবং হিজরি ক্যালেন্ডারে ১৮ শাবান ১৪৪৭। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, সূর্যের অবস্থান পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নামাজের সময় নির্ধারিত হয়। সে অনুযায়ী আজ জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৬ মিনিটে। দিনের দ্বিতীয় ফরজ নামাজ আসরের সময় প্রবেশ করবে বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে।

সন্ধ্যার দিকে সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজ আদায় করতে হবে। আজ ঢাকায় মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫২ মিনিটে। এরপর এশার নামাজের সময় শুরু হবে রাত ৭টা ০৭ মিনিটে।

আগামীকাল রোববারের ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে। নামাজের সময়সূচি অনুযায়ী আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ঘটবে সকাল ৬টা ৩৭ মিনিটে।

ইমাম ও ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত নামাজ আদায়ের জন্য স্থানীয় সময়সূচি জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভৌগোলিক অবস্থানভেদে নামাজের সময় কয়েক মিনিট এদিক-সেদিক হতে পারে। তাই নির্ভরযোগ্য সময়সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।


হজের ভিসা নিয়ে বড় ঘোষণা সৌদি কর্তৃপক্ষের

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৬ ১৩:৫০:১৬
হজের ভিসা নিয়ে বড় ঘোষণা সৌদি কর্তৃপক্ষের
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজ মৌসুমকে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে হজযাত্রীদের জন্য ভিসা কার্যক্রমের সূচি ঘোষণা করেছে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিভিন্ন দেশের হজযাত্রীদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে হজ ভিসা ইস্যু শুরু হবে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম Geo News জানায়, হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর প্রায় চার মাস আগেই ভিসা প্রক্রিয়া চালু করার মাধ্যমে সৌদি কর্তৃপক্ষ আগাম প্রস্তুতির ওপর জোর দিচ্ছে। একই তথ্য নিশ্চিত করেছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম Saudi Gazette।

সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আগাম উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো হজ ব্যবস্থাপনার মান আরও উন্নত করা, যাত্রীদের ভিড় কমানো এবং সার্বিক সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করা। এই পদক্ষেপ সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা Vision 2030–এর সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

হজ ব্যবস্থাপনায় অগ্রগতি

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে প্রয়োজনীয় সব সেবার শতভাগ চুক্তি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল Nusuk Platform–এর মাধ্যমে মক্কার সব আবাসনসংক্রান্ত চুক্তিও চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে সাত লাখ (৭৫০,০০০) হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন, যার মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার যাত্রী নিজ নিজ দেশ থেকে সরাসরি হজ প্যাকেজ বুক করেছেন।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৭৩টি হজবিষয়ক দপ্তর তাদের প্রাথমিক চুক্তি ও লজিস্টিক প্রস্তুতি শেষ করেছে, যা এ বছরের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও সংগঠিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য নির্দেশনা

এদিকে বাংলাদেশ থেকে ২০২৬ সালের হজে অংশগ্রহণে আগ্রহী সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমে নিবন্ধিত সব হজযাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যেক হজযাত্রীকে সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র থেকে টিকা গ্রহণ করে ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করতে হবে।

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে ভিসার জন্য আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিবন্ধিত দেশীয় ও প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রক্রিয়া শেষ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রীকে হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। সৌদি আরবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজযাত্রী পরিবহনের জন্য বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হবে ১৮ এপ্রিল।

-রফিক

পাঠকের মতামত: