সরকারি দল ও জোটের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষ, এবার চোখ ২০ আগস্টে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ২১:২৭:১২
সরকারি দল ও জোটের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষ, এবার চোখ ২০ আগস্টে
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে ওই দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে সংসদ সদস্যদের আসন গ্রহণের জন্য এক বৈঠক আহ্বান করেছেন নির্বাচনকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১’-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এবং জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্দিষ্ট দিন অর্থাৎ ২০ আগস্ট দুপুর ২টায় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে জাতীয় সংসদের সদস্যদের এই বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, এই নির্বাচনে জাতীয় সংসদের ৩৪৯ জন সদস্য তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারি দল ও ১১ দলীয় ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

/আশিক


রাজনৈতিক প্রভাবে ব্যবসার দিন শেষ: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ২০:১২:৩৪
রাজনৈতিক প্রভাবে ব্যবসার দিন শেষ: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু
ছবি : সংগৃহীত

ব্যক্তিগত পরিচয়, রাজনৈতিক প্রভাব বা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অন্যায্য ব্যবসায়িক সুবিধা নেওয়ার দিন শেষ বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিএনপি সরকারের অধীনে স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার ভিত্তিতে বাণিজ্য পরিচালনা করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না বলে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) চট্টগ্রামে কাস্টমস ও চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত যৌথ মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী এ কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কে কার পরিচিত’ তা আর বাণিজ্যিক সুবিধা পাওয়ার মাপকাঠি হতে পারে না। কোনো ব্যক্তি বা মন্ত্রী যত প্রভাবশালীই হন না কেন, কারও জন্য বাড়তি সুবিধা বা বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতার সুযোগ থাকবে না। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর একটি নড়বড়ে অর্থনীতিকে প্রথমে স্থিতিশীল অবস্থায় এনে পরবর্তীকালে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফেরাতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হলো কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ, শিল্পায়নের গতি বাড়ানো এবং বাজারে একটি নিরাপদ ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করা।

বাণিজ্য পরিচালনা সহজ করার ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, প্রশাসনিক জটিলতা ও অতিরিক্ত নিয়মকানুনের কারণে ব্যবসায়ের পথ রুদ্ধ হচ্ছিল। সে কারণেই বাজেটে ‘ইজ অব ডুইং বিজনেস’ বা সহজ ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করতে নানা নিয়মকানুন শিথিল বা ডিরেগুলেশনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের জমে থাকা আমলাতান্ত্রিক ও প্রক্রিয়াগত সব বাধা ধাপে ধাপে অপসারণ করা হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের সমন্বয়হীনতা এবং বাড়তি খরচের সার্বিক প্রভাবে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, কাস্টমস ও বন্দরের জটিলতা যত বাড়ে, পণ্য খালাসে তত বিলম্ব হয় এবং ব্যবসায়ীদের পরিচালনা ব্যয় বৃদ্ধি পায়। চূড়ান্ত বিচারে সেই বাড়তি খরচের বোঝা সাধারণ ভোক্তাদের ওপর গিয়েই পড়ে। তাই পণ্য খালাসের প্রক্রিয়াকে দ্রুততর ও সহজ করার পাশাপাশি অতিরিক্ত খরচ কমানোর সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আমির খসরু জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সমস্যাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সমাধানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত কেবল কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে তা বাস্তবায়নে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের কাস্টমস ও বন্দরের মধ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়ায় পণ্য খালাস ও রপ্তানির সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আসবে।

বন্দর চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে জট লেগে থাকা কনটেইনার ও পণ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনি বা অন্যান্য জটিলতায় আটকে থাকা কনটেইনার ও অবৈধ চালান দ্রুত নিষ্পত্তি করে বন্দর চত্বরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে।

এছাড়া চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে। এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ফিলিপাইন থেকে চট্টগ্রামে এসে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করছেন, যা চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক গুরুত্ব নির্দেশ করে। চট্টগ্রামকে কেবল লজিস্টিকস হাব হিসেবেই নয়, বরং পুরো দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি আঞ্চলিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন জোরদার করা হবে বলে জানান তিনি।

/আশিক


মন খুলে কথা বললে টুইস্ট করা হয়: শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ১৮:৪৭:১৩
মন খুলে কথা বললে টুইস্ট করা হয়: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশসংক্রান্ত বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন অভিযোগ করেছেন যে, একটি গুপ্ত মহল বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বার্ক) মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মন্ত্রণালয়ের সভার প্রস্তাবিত রেজুলেশন বা সিদ্ধান্তের চিঠি প্রকাশ হওয়া প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে মন্ত্রণালয়ে সভা ও প্রাথমিক প্রস্তাবনা তৈরি হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন মন্ত্রী নিজে। সেই নথি মন্ত্রীর দফতরে অনুমোদনের আগেই কীভাবে জনসমক্ষে এল, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানান, প্রস্তাবিত নথির শেষাংশেই উল্লেখ ছিল যে মন্ত্রী সংশোধন সাপেক্ষে তা অনুমোদন করলে তবেই প্রজ্ঞাপন জারি হবে। কিন্তু সেই শর্ত গোপন করে একটি পক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

রাজনৈতিক ও সামাজিক পটভূমির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জুলাই ৩৬-এর ঐতিহাসিক আন্দোলনের পর সবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার সময় এসেছে। কিন্তু বর্তমানে বুঝে কিংবা না বুঝে কথায় কথায় আন্দোলন শুরু করার এক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পরীক্ষা গ্রহণ, ফলাফল প্রকাশ কিংবা পাস-ফেল—সব কিছু নিয়েই অহেতুক বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হচ্ছে বলে তিনি খেদ প্রকাশ করেন।

সম্প্রতি ঘোষিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলসংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনের অভিজ্ঞতার উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলা হয়েছিল খাতায় ইচ্ছামতো নম্বর দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে সেই বক্তব্যকে কিছু মাধ্যমে ভুলভাবে উপস্থাপন বা বিকৃত করা হয়েছে। তিনি জানান, গণমাধ্যম ও শিক্ষিত সমাজের সামনে খোলামেলা কথা বলার পর যদি মন্তব্যকে অন্য খাতে মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া হয়, তবে ভবিষ্যতে কূটনৈতিক ভাষাতেই উত্তর দিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষক নিয়োগ ইস্যুতে আন্দোলনে নামার বিষয়ে প্রশ্ন তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারাদেশে প্রায় ৭৭ হাজার শূন্যপদে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের জন্য যখন সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন ৫ মাস যেতে না যেতেই বানোয়াট তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আন্দোলনের আবহ তৈরি করা হচ্ছে। পরিশেষে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে প্রায় ২০০০ শহীদের ত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরার এবং সরকারকে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

/আশিক


জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বেসরকারি বিনিয়োগের ঘোষণা বিদ্যুৎমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ১৮:২৩:২১
জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বেসরকারি বিনিয়োগের ঘোষণা বিদ্যুৎমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘আমাদের সরকার প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেন্ডলি সরকার। পার্টিকুলারলি এনার্জি সেক্টরে প্রাইভেটের ইনভেস্টমেন্ট আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। সেই জন্যই আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রাইভেট সেক্টরের সবার সাথে বসছেন এবং আমি নিজেও বসেছি।’

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ আয়োজিত ‘জ্বালানি খাতের সংকট : সম্ভাবনা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দায়িত্বভার গ্রহণের পরে হঠাৎ করে মিডল ইস্টে যুদ্ধ হয়ে গেল। আমি বারবার বলা সত্ত্বেও যে আমার রিজার্ভ আছে আপনারা ভয় পায়েন না, আপনারা পেট্রল পাম্পে এত লাইন দিয়েন না এবং এই পেট্রল পাম্পে এমন বড় লাইন হলো যে আমার বাড়ির সামনে দুটো পেট্রল পাম্প আছে- তো সারারাত দেখলাম আমার বাড়ির সামনে মোটরসাইকেল দাঁড়িয়ে আছে। তো যা হোক আমরা অনেক চেষ্টা করে এটাকে বন্ধ করতে পেরেছিলাম। তেলের তো অভাব হয়নি।’

‘তারপরেও বিশাল লাইন। পরে দেখা গেল যে ব্ল্যাক মার্কেটিং শুরু হলো। পরে দেখা গেল অনলাইন ব্ল্যাক মার্কেটিং শুরু হলো যে অমুক জায়গায় এই এতো দামে তেল বিক্রি হবে অনলাইনে অর্ডার করলে তেল চলে গেল। এইটা দেখে আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলাপ করলাম যে আমরা তেলের ব্যবসাটা প্রাইভেটে দিয়ে দেই। আমরা তো আছিই আর যারা প্রাইভেট আছে, কারণ আমরা তো অলরেডি প্রাইভেট থেকে তেল কিনি। এই যে কম্প্রেসড করে অকটেন পেট্রল বিক্রি করে কিছু কোম্পানি, তাদের কাছ থেকে আমরা কিনি এবং আমরা কিন্তু অকটেন পেট্রল খুব কম আমদানি করি, দেশ থেকেই কিনি আমরা। তো যদি ওইটা হতে পারে তো আমরা সব ওদেরকেই দিয়ে দেই না কেন। থাকুক দেশে দুইটা পেট্রল পাম্প- থাকুক একটা পদ্মা মেঘনা যমুনা থাকুক আরেকটা বেসরকারি। যেমন ইন্ডিয়াতে আছে ইন্ডিয়ান ওয়েল আর রিলায়েন্স।’

মন্ত্রী বলেন, ‘‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছেন, ‘এই জ্বালানি নিয়ে অনেকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাচ্ছে। অনেকে ষড়যন্ত্র করছে’। আমিও তাদেরকে অনুরোধ করব, পলিটিক্স আপনারাও করেন, দেশের স্বার্থে করেন। দেশের ক্রাইসিস বাড়িয়ে দিয়ে আপনারা কোনো কিছু হাসিল করতে পারবেন না।’’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন একটা এফএসআরইউ বন্ধ হয়েছে আর সারা দেশে গ্যাসের জন্য হাহাকার লেগে গেছে। গ্যাস সংকট নিয়ে আমরা শিল্পমালিকদের সঙ্গে বসব। আমাদের দেশের শিল্পমালিকরা যেন বিপদে না পড়ে, সেদিকে আমরা খেয়াল রাখছি।’

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘আমাদেরকে খুব সতর্কতার সঙ্গে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে আগাতে হবে। কেননা এগুলো করার কারণে অনেক ফাইন্যান্স বন্ধ হয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সোলারের ব্যাপারে আমরা অ্যাগ্রেসিভ। এটাকে বিজনেস অরিয়েন্টেড করার জন্য আমরা কাজ করেছি। দুই মাসের মধ্যে আমরা পলিসি তৈরি করেছি। আমরা যা পলিসিতে বলেছি, ওটাই বাস্তবায়ন হবে। ওপেক্স মডেলে ঢাকা শহর থেকে শুরু করে সারা দেশে সোলার ছড়িয়ে দেওয়া হবে।’


সরাসরি সম্প্রচার ও সরাসরি গণনা: যেভাবে জানা যাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ১৮:০৭:১১
সরাসরি সম্প্রচার ও সরাসরি গণনা: যেভাবে জানা যাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে নির্বাচন সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক বৈঠক শেষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ফিরে সাংবাদিকদের কাছে ভোটের বিস্তারিত প্রক্রিয়া তুলে ধরেন ইসি সচিব।

আখতার আহমেদ জানান, কোনো সংসদ সদস্যের পৌঁছাতে দেরি হতে পারে—এমন সম্ভাব্য পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ রাখা হয়েছে। ভোটগ্রহণের সময় সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষে নিজ নিজ আসনেই অবস্থান করবেন এবং নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের কাছে সরাসরি ব্যালট পেপার পৌঁছে দেবেন।

তিনি ব্যালট পেপারের গঠন ব্যাখ্যা করে বলেন, প্রতিটি ব্যালট পেপারে মুড়ি অংশ ও মূল ব্যালট নামে দুটি অংশ থাকবে। মুড়ির অংশে প্রার্থীর ক্রমিক নম্বর, ভোটারের নাম, বিভক্তি নম্বর ও স্বাক্ষরের জায়গা নির্ধারিত থাকবে। অন্যদিকে মূল ব্যালটের ডানদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম থাকবে এবং পাশে থাকা নির্ধারিত ফাঁকা স্থানে ভোটার (সংসদ সদস্য) তার পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন। ভোটারদের সুবিধার জন্য অধিবেশন কক্ষে তিনটি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স রাখা হবে, যার যেকোনো একটিতে তারা ভোট ফেলতে পারবেন।

ইসি সচিব আরও উল্লেখ করেন, বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অধিবেশন কক্ষের ভেতরেই ব্যালট বক্সগুলোর সামনে সরাসরি ভোট গণনা শুরু করা হবে। প্রাথমিক প্রক্রিয়ায় ৪ বা ৫ জনের একটি ব্যালট গণক দল ব্যালট পেপার বাছাই করে দ্রুত গণনার কাজ সম্পন্ন করবে। মোট ৩৪৯টি ব্যালটের মধ্যে কতটি বৈধ বা বাতিল হয়েছে এবং কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন, তা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) অধিবেশন কক্ষেই সরাসরি সবার সামনে ঘোষণা করবেন। পরবর্তীতে কমিশন সচিবালয় থেকে চূড়ান্ত ফলাফলের সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব জানান, অধিবেশন কক্ষ থেকে পুরো ভোটগ্রহণের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ টেলিকাস্ট) করার সুব্যবস্থা রাখা হবে এবং সংবাদ সংগ্রহের জন্য সাংবাদিকদের নির্ধারিত আসন থাকবে। এ ছাড়া নির্বাচন উপলক্ষে কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট ২০ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।

/আশিক


তারেক রহমানের সঙ্গে ভিসা প্রেসিডেন্টের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ১২:৪১:১৪
তারেক রহমানের সঙ্গে ভিসা প্রেসিডেন্টের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও নগদবিহীন লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভিসা-এর এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কারপিন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। বৈঠকে ডিজিটাল কমার্সের বিস্তার, নিরাপদ পেমেন্ট অবকাঠামো এবং বাংলাদেশের চলমান ডিজিটাল রূপান্তরকে আরও গতিশীল করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাতে বাংলাদেশের ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থায় ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও সহযোগিতার সুযোগও আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি পেমেন্ট ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা শক্তিশালী করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। দ্রুত সম্প্রসারিত ই-কমার্স ও ডিজিটাল সেবার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক পেমেন্ট প্রযুক্তির ব্যবহার কীভাবে বাড়ানো যায়, সে বিষয়েও দুই পক্ষ মতবিনিময় করেছে।

স্টিফেন কারপিনের এই সফর এমন সময়ে হচ্ছে, যখন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম পেপ্যালের কার্যক্রম চালুর জন্যও একটি বিশেষ কমিটি কাজ করছে। ফলে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট নেটওয়ার্কের সঙ্গে দেশের আর্থিক খাতের সংযোগ বৃদ্ধি বর্তমানে সরকারের ডিজিটাল অর্থনীতি-সংক্রান্ত উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সামনে এসেছে।

ভিসার পক্ষ থেকেও সাম্প্রতিক সময়ে এশিয়া প্যাসিফিক ও দক্ষিণ এশিয়ার বাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিলে প্রতিষ্ঠানটি সুরেশ শেঠিকে ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার গ্রুপ কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তার দায়িত্বের আওতায় বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান রয়েছে। তিনি সরাসরি স্টিফেন কারপিনের অধীনে কাজ করছেন। ভিসা নিজেই দক্ষিণ এশিয়াকে তাদের অন্যতম গতিশীল ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে উল্লেখ করেছে।

তিন দিনের সফরে সোমবার বাংলাদেশে পৌঁছান স্টিফেন কারপিন। তার সঙ্গে রয়েছেন সুরেশ শেঠি। সফরসূচি অনুযায়ী, ভিসার এশিয়া প্যাসিফিক প্রধান ১২ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করবেন। এই সফরে সরকারি পর্যায়ের পাশাপাশি দেশের আর্থিক ও ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে পেমেন্ট প্রযুক্তিতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে ভিসা। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্টেবলকয়েন এবং টোকেনভিত্তিক পেমেন্ট প্রযুক্তিতে একাধিক নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে স্মার্টফোনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণের সুযোগ বাড়াতে নতুন সক্ষমতাও চালু করেছে। এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল বাণিজ্যে নিরাপত্তা, আস্থা ও সহজ লেনদেন নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল পেমেন্টের বিস্তার শুধু নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমানোর বিষয় নয়। কার্যকর ও নিরাপদ ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো ক্ষুদ্র ব্যবসা, ই-কমার্স, ফিনটেক, আন্তর্জাতিক লেনদেন এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রেও নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে এর সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা, গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষা, জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মধ্যে আন্তঃসংযোগ নিশ্চিত করার বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ।

-রাফসান


মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির মহাসচিব কে হবে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ১০:৩৯:২৫
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির মহাসচিব কে হবে
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। সেই আলোচনায় বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম সবচেয়ে বেশি সামনে আসছে। দলীয় ও রাজনৈতিক সূত্রের বরাতে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হলেও আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগে বিষয়টিকে চূড়ান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হলে এর প্রভাব শুধু রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো এবং সরকারের মন্ত্রিসভাতেও নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে তিনি বর্তমানে একই সঙ্গে বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকায় তার সম্ভাব্য পদ পরিবর্তনের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নতুন মুখ আসার আলোচনা শুরু হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের প্রার্থিতা চূড়ান্ত হলে বিএনপির মহাসচিব পদে কে দায়িত্ব নেবেন, সেটিই দলের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক প্রশ্ন হয়ে উঠতে পারে। বিএনপির চেয়ারম্যানের পর মহাসচিব দলটির দৈনন্দিন রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ফলে নতুন মহাসচিব নির্বাচন বা অন্তর্বর্তী সময়ে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নিয়োগের বিষয়টি দলীয় রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

দলীয় সূত্রের বরাতে আলোচনায় দুটি নাম বিশেষভাবে সামনে এসেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর মধ্যে কাউকে জাতীয় কাউন্সিলের আগ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বেও পরিবর্তন অনিবার্য হয়ে উঠবে। সংশ্লিষ্ট মহলের আলোচনায় বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নাম সম্ভাব্য এলজিআরডিমন্ত্রী হিসেবে উঠে এসেছে। আরেকটি সম্ভাবনা হিসেবে বর্তমান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়ে একই মন্ত্রণালয়ে রাখা হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। সূত্রের দাবি, সরকার গঠনের প্রাথমিক পর্যায়েও সালাহউদ্দিন আহমদের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ ছিল।

সালাহউদ্দিন আহমদকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে নেওয়া হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে নতুন মন্ত্রী প্রয়োজন হবে। এই জায়গায় বর্তমান পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির নাম আলোচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকেও সম্ভাব্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বিবেচনার আলোচনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তন আসতে পারে। সেক্ষেত্রে বর্তমান মন্ত্রিসভার অন্য কোনো সদস্যের দপ্তর পরিবর্তন করে পানিসম্পদে নেওয়া অথবা মন্ত্রিসভার বাইরে থেকে নতুন কাউকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। ফলে একটি পরিবর্তনের সূত্র ধরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে ধারাবাহিক দপ্তর পুনর্বণ্টনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আলোচনায় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নামও রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একটি অংশের ধারণা, সাংগঠনিক দায়িত্বে পরিবর্তন না এলে তাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় নেওয়ার সম্ভাবনাও বিবেচনায় থাকতে পারে। তবে তিনি কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন কিংবা আদৌ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হবেন কি না—এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

একই সঙ্গে বর্তমান মন্ত্রিসভায় আরও দুই থেকে তিনজন নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। সম্ভাব্য রদবদলে শুধু শূন্য হওয়া মন্ত্রণালয়ে নতুন মন্ত্রী নিয়োগ নয়, কয়েকজন বর্তমান মন্ত্রীর দপ্তর পরিবর্তনের সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। তবে এসব আলোচনা এখন পর্যন্ত সম্ভাবনার পর্যায়েই রয়েছে।

পুরো সমীকরণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী করা হলে তার পরবর্তী ধাপে দলীয় নেতৃত্ব, মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এবং মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সম্প্রসারণের বিষয়গুলো সামনে আসতে পারে। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভার রদবদল বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক এখতিয়ার এবং দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। তাই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সম্ভাব্য নাম ও দপ্তর বণ্টনের আলোচনাগুলোকে নিশ্চিত সিদ্ধান্তের পরিবর্তে রাজনৈতিক সূত্রনির্ভর সম্ভাবনা হিসেবেই বিবেচনা করা যুক্তিযুক্ত।

-রফিক


এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ শুরু আজ, আবেদন করবেন যেভাবে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ১০:০৭:৩৩
এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ শুরু আজ, আবেদন করবেন যেভাবে
ছবি : সংগৃহীত

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর প্রকাশিত ফল নিয়ে কোনো শিক্ষার্থীর সংশয় থাকলে আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) থেকে ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। তবে এ বছর সরাসরি শিক্ষা বোর্ডে গিয়ে কিংবা কাগজে লিখিত কোনো আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ নেই। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শেষ করতে হবে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির ৮ আগস্টের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ফল প্রকাশের পর ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোও আবেদন পদ্ধতি, ফি পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। তাই আবেদন করার আগে নিজ শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা ভালোভাবে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পুনর্নিরীক্ষণের জন্য প্রতিটি পত্রে ১৫০ টাকা করে ফি দিতে হবে। তবে বাংলা ও ইংরেজির মতো যেসব বিষয়ে দুটি পত্র রয়েছে, সেসব বিষয়ের পুনর্নিরীক্ষণ চাইলে উভয় পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত অর্থ বিকাশ, নগদ অথবা সোনালী সেবার মাধ্যমে অনলাইনে পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।

একবার কোনো বিষয়ের আবেদন সম্পন্ন করার পরও শিক্ষার্থী চাইলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অন্য বিষয়ের জন্য আলাদাভাবে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। নতুন বিষয়ের আবেদনেও একই পদ্ধতিতে ফি দিতে হবে। তবে আগে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থাকলে পুনরায় নতুন নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

আবেদনের ক্ষেত্রে একটি বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ফি পরিশোধ করার আগে ভুল করে কোনো বিষয় নির্বাচন করা হলে সেটি পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে। ‘মুছে ফেলুন’ অপশন ব্যবহার করে ভুল বিষয় বাদ দিয়ে কাঙ্ক্ষিত বিষয় পুনরায় নির্বাচন করা যাবে। কিন্তু একবার অর্থ পরিশোধ হয়ে গেলে নির্বাচিত বিষয় আর পরিবর্তন বা বাতিল করা যাবে না। জমা দেওয়া অর্থও ফেরত পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।

পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে প্রথমে বোর্ডের নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে পরীক্ষার্থীর রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়ার পাশাপাশি ড্রপডাউন তালিকা থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। তথ্য ঠিকভাবে পূরণ করে ‘সাবমিট’ করলে আবেদন প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ সামনে আসবে।

এরপর শিক্ষার্থীকে একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। এই নম্বরটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুনর্নিরীক্ষণ শেষে ফলাফলে কোনো পরিবর্তন হলে বা চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে ওই নম্বরে জানানো হবে।

পরবর্তী ধাপে পরীক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফল স্ক্রিনে দেখা যাবে। যে পত্র বা বিষয়গুলোর ফল পুনর্নিরীক্ষণ করাতে চান, সেগুলো টিক দিয়ে নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘ফি প্রদান করুন’ অপশনে গেলে নির্বাচিত পত্রের ভিত্তিতে মোট কত টাকা পরিশোধ করতে হবে, তা দেখানো হবে।

বিকাশ, নগদ কিংবা সোনালী সেবার যেকোনো একটি মাধ্যম ব্যবহার করে নির্ধারিত ফি জমা দেওয়া যাবে। অর্থ পরিশোধের পদ্ধতি বুঝতে অসুবিধা হলে আবেদন পোর্টালের ‘হেল্প’ অপশন থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেখা যাবে। পেমেন্ট সফল হওয়ার পর পুনরায় পোর্টালে গিয়ে ‘জমা দিন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এই ধাপ সম্পন্ন হওয়ার পরই আবেদন চূড়ান্তভাবে জমা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।

এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের মনে রাখা প্রয়োজন, ফল পুনর্নিরীক্ষণ সাধারণ অর্থে উত্তরপত্র নতুন করে মূল্যায়ন বা পুনরায় নম্বর দেওয়ার প্রক্রিয়া নয়। সাধারণত উত্তরপত্রের সব প্রশ্নের নম্বর যোগ করা হয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বর সঠিকভাবে মোট নম্বরে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না এবং ফল প্রস্তুতের সময় কোনো কারিগরি বা হিসাবগত ত্রুটি হয়েছে কি না এসব বিষয় যাচাই করা হয়। ফলে আবেদন করলেই যে নম্বর বাড়বে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর ফল সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় একযোগে প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল সেবা, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারছেন। এসএমএসে ফল পেতে নির্ধারিত নম্বরে পরীক্ষার নাম, বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে বার্তা পাঠানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ বলে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। দাবি অনুযায়ী, গত ১৯ বছরের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন পাসের হার। এমন প্রেক্ষাপটে প্রত্যাশার তুলনায় কম নম্বর পাওয়া বা ফলাফল নিয়ে সংশয় থাকা শিক্ষার্থীদের একটি অংশ পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারেন।

-রফিক


শূন্য পদে রিজভী নাকি অন্য কেউ: বিএনপিতে আলোচনার ঝড়

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১০ ২১:৪৭:৩৬
শূন্য পদে রিজভী নাকি অন্য কেউ: বিএনপিতে আলোচনার ঝড়
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে। দলটির বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংবিধান ও আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে তাকে দলীয় পদ ছাড়তে হতে পারে, যার ফলে শূন্য হতে যাওয়া মহাসচিব পদে আসার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত হলে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কে হবেন—তা নিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহলে জোর আলোচনা চলছে। এই পদের জন্য সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে দলের কেন্দ্রীয় কার্যক্রম পরিচালনা এবং দুঃসময়েও দলের মুখপাত্র হিসেবে অবিচল ভূমিকা পালনের কারণে হাইকমান্ডের আস্থায় রয়েছেন তিনি।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলের শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের ভাবনায় রিজভী আহমেদকে এই দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে আলোচিত হচ্ছে। তবে এই পদের দৌড়ে সালাহউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল এবং মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির মতো হেভিওয়েট নেতাদের নামও শোনা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে রুহুল কবির রিজভী জানান যে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বা ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের বিষয়ে তার কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই এবং কেউ এখনো তার সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা করেননি। দল তাকে যেভাবে মূল্যায়ন করবে, শীর্ষ নেতৃত্বের সেই সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেবেন বলে জানান।

বিএনপির সবশেষ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর কাউন্সিল হওয়ার নিয়ম থাকলেও নানা কারণে তা গত ১০ বছর ধরে স্থগিত রয়েছে। তবে দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দলের পরবর্তী কাউন্সিল আয়োজনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। ওই কাউন্সিলেই দলের পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নির্বাচন করা হতে পারে। ততদিন পর্যন্ত সাংগঠনিক গতিশীলতা রক্ষায় কাউকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

/আশিক


এসএসসি পরীক্ষার খাতার শতভাগ নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে: শিক্ষা উপদেষ্টা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১০ ১৮:৩৬:০০
এসএসসি পরীক্ষার খাতার শতভাগ নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে: শিক্ষা উপদেষ্টা
ছবি: বাসস

সদ্য প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধা ও দক্ষতার শতভাগ নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন। সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফলাফল সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলের কৃত্রিমভাবে পাসের হার বা জিপিএ-৫ বাড়ানোর যে সংস্কৃতি ছিল, বর্তমান সরকার তা থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে এসেছে।

তিনি জানান, বর্তমান সরকার গঠনের মাত্র দুই মাস পর গত ২১ এপ্রিল থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। এবারই প্রথমবারের মতো দেশজুড়ে একক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে এবং কেন্দ্রে সিসিটিভি ও বডি-ওন ক্যামেরার মাধ্যমে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা হয়েছিল। খাতার মূল্যায়ন হয়েছে শতভাগ নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে। তাই এই ফলাফলই শিক্ষার্থীদের প্রকৃত অর্জনের প্রতিফলন। বিগত ১৬ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার যে ক্ষতি হয়েছে তা রাতারাতি মেরামত সম্ভব না হলেও, আত্মনির্ভরশীলতা ও কর্মসংস্থানমুখী আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর। এছাড়া আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যক্রমে পরিমার্জনের অংশ হিসেবে নতুন চারটি বই যুক্ত করার তথ্যও তিনি নিশ্চিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামানসহ বিভিন্ন বোর্ডের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষা উপদেষ্টা ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পাশাপাশি ঘাটতি থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিহ্নিত করে শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: