১০ ফেব্রুয়ারি: দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার 

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১০ ০৯:২৫:০৩
১০ ফেব্রুয়ারি: দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার 
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাণিজ্যিক লেনদেন এবং প্রবাসী আয়ের প্রবাহ সচল রাখতে মুদ্রার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মুদ্রা বিনিময় হার নিচে তুলে ধরা হলো

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদত্ত বিনিময় হার

আজকের বাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান ১২১ টাকা ৮৪ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর মান ১৪৫ টাকা ০৬ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের বিনিময় হার ১৬৬ টাকা ৭৪ পয়সা।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার: ৮৬ টাকা ৩৩ পয়সা

জাপানি ইয়েন: ০ টাকা ৭৮ পয়সা

কানাডিয়ান ডলার: ৮৯ টাকা ৪০ পয়সা

সুইডিশ ক্রোনা: ১৩ টাকা ৬৫ পয়সা

সিঙ্গাপুর ডলার: ৯৬ টাকা ১৭ পয়সা

চীনা ইউয়ান রেনমিনবি: ১৭ টাকা ৬২ পয়সা

ভারতীয় রুপি: ১ টাকা ৩৪ পয়সা

শ্রীলঙ্কান রুপি: ২ টাকা ৫৩ পয়সা

গুগল ও আন্তর্জাতিক বাজার অনুযায়ী সংগৃহীত হার

সিঙ্গাপুর ডলার: ৯৫ টাকা ৮৩ পয়সা

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত: ৩১ টাকা

সৌদি রিয়াল: ৩২ টাকা ৪৬ পয়সা

কুয়েতি দিনার: ৩৯৬ টাকা ১২ পয়সা

উল্লেখ্য যে, বৈদেশিক মুদ্রার এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তনশীল। লেনদেনের সুবিধার্থে গ্রাহকদের নিকটস্থ ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগ: বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বাংলাদেশ আজকের ডলার রেট ২০২৬ Gemini said বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাণিজ্যিক লেনদেন এবং প্রবাসী আয়ের প্রবাহ সচল রাখতে মুদ্রার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আজ বৈদেশিক মুদ্রার এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তনশীল। লেনদেনের সুবিধার্থে গ্রাহকদের নিকটস্থ ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। /আশিক ১০টি সংক্ষিপ্ত ও জুতসই শিরোনাম: ১. আজকের টাকার রেট: ১২১ টাকা ছাড়াল ডলারের দ সৌদি রিয়াল ও মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত রেট

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৭ ১৩:৪৬:২৪
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের পরিমাণও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমদানি-রপ্তানি, প্রবাসী আয় এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক কার্যক্রমের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে মুদ্রা বিনিময় হার অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে শুক্রবারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নতুন করে নির্ধারিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা ও চাহিদা-জোগানের ভারসাম্যের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বর্তমানে মার্কিন ডলার প্রতি ১২২ টাকা ৫১ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা ইউরো দাঁড়িয়েছে ১৪১ টাকা ৪০ পয়সায়, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির একটি বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব করে।

ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য আরও উঁচুতে অবস্থান করছে, যেখানে প্রতি পাউন্ডের বিনিময় হার ১৬৩ টাকা ৪৯ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৪ টাকা ৫৬ পয়সা এবং কানাডিয়ান ডলার ৮৮ টাকা ৪২ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে, যা উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সংযোগকে নির্দেশ করে।

এশীয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েনের বিনিময় হার তুলনামূলকভাবে কম, যা বর্তমানে ৭৭ পয়সায় রয়েছে। অন্যদিকে চীনা ইউয়ান ১৭ টাকা ৭৩ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৩১ পয়সায় অবস্থান করছে, যা আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভারতীয় রুপি ১ টাকা ৩০ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপি ২ টাকা ৫৩ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে, যা দক্ষিণ এশীয় বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০ টাকা ৫৭ পয়সায় অবস্থান করছে, যা প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক।

মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৬৫ পয়সা এবং কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৬৫ পয়সায় নির্ধারিত হয়েছে। এসব মুদ্রা বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

সবচেয়ে উচ্চমূল্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে কুয়েতি দিনার ৩৯৮ টাকা ৮০ পয়সা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৮ টাকা ৬৩ পয়সায় অবস্থান করছে, যা বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারে তাদের শক্তিশালী অবস্থানকে নির্দেশ করে।

-রাফসান


রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৭ ১০:২৯:৩৬
রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর দেশের স্বর্ণবাজারে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে মূল্যবান এই ধাতুর দামে উল্লেখযোগ্য হ্রাস এসেছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন নতুন করে স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা পর্যন্ত দাম কমানো হয়েছে। ফলে বাজারে স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর আগে একই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা, যা থেকে এই হ্রাস সরাসরি বাজারে প্রভাব ফেলেছে।

গত ২৫ মার্চ এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন এই মূল্য হ্রাসের বিষয়টি নিশ্চিত করে। সংগঠনটি জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন দরই কার্যকর থাকবে।

নতুন নির্ধারিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০৫ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে এই মূল্যের সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু খরচ যুক্ত হবে, যা ক্রেতাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। সরকারি বিধান অনুযায়ী, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের ওপর ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর আরোপ করা হয়।

এর পাশাপাশি গয়না তৈরির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি দিতে হয়, যা বাজুস নির্ধারিত। তবে গয়নার নকশা, ডিজাইন এবং মানভেদে এই মজুরির পরিমাণ বাড়তে বা কমতে পারে।

-রাফসান


মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের উত্তাপ: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ১৭:৫৯:৪৪
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের উত্তাপ: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও উর্ধ্বমুখী হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং ইরান কর্তৃক সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর তেলের বাজারে এই অস্থিরতা দেখা দেয়। এর পাশাপাশি রাশিয়া এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় জ্বালানি সংকটের শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে।

এদিন আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১.১৩ ডলার বা ১.১ শতাংশ বেড়ে ১০৩.৩৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুডের দাম ১.০৮ ডলার বা ১.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯১.৪০ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগের দিন তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি কমলেও বৃহস্পতিবার তা আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যদিও কিছু পক্ষ কূটনৈতিক সমাধানের আশা করছে, তবে ইরানের অনড় অবস্থান এবং সরবরাহ চেইনের অচলাবস্থা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

সূত্র: সামা টিভি।


স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ১১:৪১:৩৪
স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে দরপতনের প্রভাবে দেশের বাজারে রেকর্ড হারে কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতি ভরি স্বর্ণে ৫ হাজার ৪২৮ টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই দাম আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, এখন থেকে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০৫ টাকা। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে, বাজুস নির্ধারিত এই মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকারি ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে। গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।

স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে কমেছে রুপার দামও। বুধবার থেকে রুপার দাম ভরিতে ৩৫০ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম এখন ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্ববাজারে অস্থিরতার মাঝে দেশের বাজারে এই দরপতন সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

/আশিক


জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্পট মার্কেটে বাংলাদেশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৫ ১৮:০০:১১
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্পট মার্কেটে বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে জ্বালানি খাতের অস্থিরতার মধ্যেই দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মেটাতে স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) সচিবালয়ে অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির’ বৈঠকে এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫ অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে এই এলএনজি কেনা হচ্ছে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, এপ্রিল মাসের শেষ দিকে এই দুই কার্গো এলএনজি দেশে এসে পৌঁছাবে। এর মধ্যে ১০ম কার্গোটি ২৪-২৫ এপ্রিল এবং ১১তম কার্গোটি ২৭-২৮ এপ্রিলের মধ্যে সরবরাহ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান ‘টোটাল এনার্জিস’ (TotalEnergies) এই গ্যাস সরবরাহ করবে। প্রতি ইউনিট (MMBtu) এলএনজির দাম পড়ছে ১৯.৭৭ মার্কিন ডলার এবং প্রতিটি কার্গোর জন্য সরকারকে গুনতে হচ্ছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে এলএনজি বাজারেও। তবে গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় এবারের ক্রয়ে দাম কিছুটা কম পড়েছে।

গত ১১ মার্চের বৈঠকে প্রতি ইউনিট এলএনজি ২০.৭৬ থেকে ২১.৫৮ ডলারে কেনা হয়েছিল এবং তার আগের সপ্তাহে এই দর ২৮.২৮ ডলারেও উঠেছিল। সরকারের এই ধারাবাহিক এলএনজি আমদানির মূল লক্ষ্য হলো আসন্ন গ্রীষ্মে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা।

/আশিক


পেনি স্টকের দরপতনে বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা

আরিফুল ইসলাম
আরিফুল ইসলাম
ডেস্ক রিপোর্টার (শেয়ার বাজার)
অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৫ ১৬:৪৪:০৫
পেনি স্টকের দরপতনে বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ ২৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সূচকের ইতিবাচক উত্থান এবং লেনদেনের গতি বাড়লেও কিছু নির্দিষ্ট স্বল্প মূলধনী ও লোকসানি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বড় ধরনের দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনের লেনদেন শেষে সমাপনী মূল্যের (Closing Price) ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ দর হারানো প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথমেই উঠে এসেছে জেনেক্সট (GENNEXT); প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার দর গতকালের তুলনায় ৯.৩০% হ্রাস পেয়ে ৩.৯ টাকায় স্থির হয়েছে। এর পরেই যৌথভাবে অবস্থান করছে অ্যাপোলো ইস্পাত (APOLOISPAT) এবং সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইল (CNATEX), যাদের উভয় প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দরই ৮.৮৯% কমেছে। এছাড়া তুং হাই, নিউ লাইন এবং ফ্যামিলি টেক্সটাইল ৭ শতাংশের বেশি দর হারিয়ে বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। মূলত বিনিয়োগকারীরা পেনি স্টক বা লোকসানি প্রতিষ্ঠান থেকে মূলধন সরিয়ে ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারে বিনিয়োগ করায় এই সংশোধন প্রক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

দিনের শুরুতে ওপেনিং প্রাইস এবং দিনের শেষে সর্বশেষ লেনদেন হওয়া মূল্যের (LTP) বিচ্যুতির দিক থেকেও সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইল (CNATEX) সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে, যার বিচ্যুতি ছিল ১৬.৩২%। ৪.৯ টাকায় দিনের লেনদেন শুরু করলেও দিনশেষে এটি ৪.১ টাকায় নেমে আসে। এছাড়া ফ্যামিলি টেক্স ৯.৫২% এবং জেনেক্সট ৯.৩০% নেতিবাচক বিচ্যুতি প্রদর্শন করেছে। আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পিএলএফএসএল (PLFSL) এবং এফএএস ফিন্যান্স (FASFIN) যথাক্রমে ৫.৭১% ও ৫.৮৮% দর হারিয়েছে। বিমা খাতের মধ্যে প্রাইম লাইফ এবং পিএফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডও ৫ শতাংশের বেশি দর হারিয়েছে। বাজার মূলধনের দিক থেকে সূচক উর্ধ্বমুখী থাকলেও এসব ছোট শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ বাজারের একটি 'সিলেক্টিভ মুভমেন্ট'কে নির্দেশ করছে, যেখানে বিনিয়োগকারীরা এখন অনেক বেশি সচেতন ও বিশ্লেষণধর্মী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং দুর্বল শেয়ার থেকে মূলধন নিরাপদ করার চেষ্টা করছেন।


স্বল্পমূল্যের শেয়ারে হঠাৎ উল্লম্ফন: ডিএসইর টপ গেইনার তালিকায় কী বার্তা দিচ্ছে বাজার?

আরিফুল ইসলাম
আরিফুল ইসলাম
ডেস্ক রিপোর্টার (শেয়ার বাজার)
অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৫ ১৫:৪২:৩৪
স্বল্পমূল্যের শেয়ারে হঠাৎ উল্লম্ফন: ডিএসইর টপ গেইনার তালিকায় কী বার্তা দিচ্ছে বাজার?

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকা বিশ্লেষণ করলে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে—স্বল্পমূল্যের মিউচ্যুয়াল ফান্ডভিত্তিক সিকিউরিটিজের ওপর বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের ক্লোজিং প্রাইস (YCP) তুলনায় দেখা যায়, EBLNRBMF, PHPMF1 এবং POPULAR1MF প্রত্যেকটি ১০ শতাংশ করে মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। এই ধরনের সমন্বিত মূল্যবৃদ্ধি সাধারণত বাজারে স্পেকুলেটিভ ট্রেডিং বা স্বল্পমেয়াদি মুনাফা-কেন্দ্রিক বিনিয়োগ প্রবণতার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়, বিশেষ করে যখন সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটিজগুলোর মৌলভিত্তিক শক্তি সীমিত থাকে।

তালিকার চতুর্থ অবস্থানে থাকা BDTHAI শেয়ারটি আলাদা গুরুত্ব দাবি করে, কারণ এটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বাইরে একটি উৎপাদনভিত্তিক কোম্পানি হিসেবে ৯.৭৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে বাজারে কিছু নির্দিষ্ট কোম্পানিকে কেন্দ্র করে সেক্টরাল আগ্রহও তৈরি হচ্ছে। একইভাবে ১JANATAMF, EXIM1STMF, FBFIF এবং TRUSTB1MF প্রায় ৯.৬৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে দেখিয়েছে যে, ফান্ডভিত্তিক সিকিউরিটিজে একটি সমন্বিত বুলিশ প্রবণতা কাজ করছে। ABB1STMF ও IFIC1STMF-এর মতো ফান্ডগুলোও ৯ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বাজারে স্বল্পমূল্যের ইউনিটগুলোর ওপর উচ্চ লেনদেনচাপের প্রতিফলন।

অন্যদিকে ওপেনিং প্রাইস ও লাস্ট ট্রেডেড প্রাইস (LTP) বিবেচনায় গেইনার তালিকা বিশ্লেষণ করলে বাজারের অন্তর্নিহিত গতিশীলতা আরও স্পষ্ট হয়। এখানে BDTHAI পুনরায় শীর্ষে উঠে এসেছে, যা নির্দেশ করে যে শেয়ারটি কেবল ক্লোজিং প্রাইস নয়, ইনট্রাডে ট্রেডিংয়েও শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। পাশাপাশি ASIAINS, ASIAPACINS এবং SUNLIFEINS-এর মতো বীমা খাতের শেয়ারগুলোর উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি বাজারে সেক্টরাল রোটেশনের একটি সম্ভাব্য ইঙ্গিত দেয়, যেখানে বিনিয়োগকারীরা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের পাশাপাশি বীমা খাতেও অবস্থান নিচ্ছেন।

FBFIF, GHAIL, TILIL, MEGHNAINS, NRBCBANK এবং CLICL-এর মতো শেয়ারগুলোর ৫ থেকে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে যে বাজারে একটি বিস্তৃত অংশগ্রহণমূলক প্রবণতা বিদ্যমান, যা কেবল নির্দিষ্ট কয়েকটি শেয়ারে সীমাবদ্ধ নয়। বিশেষ করে ব্যাংক ও বীমা খাতের শেয়ারগুলোর উপস্থিতি বাজারে আংশিকভাবে ফান্ডামেন্টাল ও সেক্টরাল বিবেচনার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যেতে পারে।

সমগ্র চিত্র বিশ্লেষণ করলে বলা যায়, বর্তমান বাজারে একদিকে স্বল্পমূল্যের মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটকে কেন্দ্র করে স্পেকুলেটিভ ট্রেডিং বাড়ছে, অন্যদিকে নির্দিষ্ট কিছু সেক্টরে বিনিয়োগকারীদের কৌশলগত অবস্থান গ্রহণের প্রবণতাও দৃশ্যমান। এই দ্বৈত প্রবণতা স্বল্পমেয়াদে বাজারে তারল্য বৃদ্ধি ও লেনদেনের গতি বাড়াতে সহায়ক হলেও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য শক্তিশালী মৌলভিত্তিক কোম্পানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো অপরিহার্য। অন্যথায় বাজারে অতিরিক্ত অস্থিরতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।


লেনদেন ছাড়াল ৬শ কোটি টাকা: উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

আরিফুল ইসলাম
আরিফুল ইসলাম
ডেস্ক রিপোর্টার (শেয়ার বাজার)
অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৫ ১৫:১৫:৩৯
লেনদেন ছাড়াল ৬শ কোটি টাকা: উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

আজকের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এক শক্তিশালী ইতিবাচক প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। সপ্তাহের এই কার্যদিবসে বাজারের সামগ্রিক লেনদেনে ক্রেতাদের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। ডিএসইতে আজ মোট ৩৯০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেনে অংশ নেয়, যার মধ্যে বড় ব্যবধানে ২৪১টি প্রতিষ্ঠানের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপরীতে দর হারিয়েছে ১০২টি প্রতিষ্ঠান এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৭টি স্ক্রিপ্টের মূল্য। আজকের বাজারে লেনদেনের মোট আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০৩.৮১ কোটি টাকা (৬,০৩৮.১৫ মিলিয়ন টাকা), যেখানে মোট ১৮৪,২৪০টি ট্রেডের মাধ্যমে প্রায় ৩৫.৯৯ কোটি শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

বাজারের গভীর বিশ্লেষণে দেখা যায়, আজ 'এ' ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক ঝোঁক ছিল। এই ক্যাটাগরির ২০২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪২টি বা প্রায় ৭০ শতাংশেরই দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারের স্থিতিশীলতার একটি ইতিবাচক সংকেত। অন্যদিকে, 'বি' ক্যাটাগরিতেও ৬০টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে। তবে তুলনামূলক দুর্বল মৌলভিত্তির 'জেড' ক্যাটাগরিতে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে; এখানে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানের দর বাড়লেও ৫৩টি প্রতিষ্ঠানের দর পতন ঘটেছে। এটি নির্দেশ করে যে, সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এখন মানসম্পন্ন ও লভ্যাংশ প্রদানকারী শেয়ারের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও আজ চাঙ্গাভাব ছিল, যেখানে ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১৯টিরই ইউনিট দর বেড়েছে।

ব্লক মার্কেটের লেনদেন আজ ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মোট ২১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়েছে, যার মোট আর্থিক মূল্য ছিল ২৪৪.৫৩৮ মিলিয়ন টাকা। এর মধ্যে এশিয়াটিক ল্যাব (Asiatic Lab) সর্বোচ্চ ৭২.৪২ মিলিয়ন টাকার লেনদেন সম্পন্ন করে শীর্ষে অবস্থান করছে। এছাড়া ওরিয়ন ইনফিউশন (Orion Infusion) এবং সিএলআইসিএল (CLICL) যথাক্রমে ৩৯.৬৯ মিলিয়ন এবং ৩৪.৯২ মিলিয়ন টাকার লেনদেন করে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার প্রমাণ দিয়েছে। সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং ফাইন ফুডস-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ব্লক মার্কেটে বড় অংকের হাতবদল লক্ষ্য করা গেছে।

দিনশেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬,৯৮১,৭২৪.৬৪ মিলিয়ন টাকা। এর মধ্যে ইক্যুইটি খাতের অবদান ৩,৪২১,১১৭.৫৭ মিলিয়ন টাকা এবং ডেট সিকিউরিটিজ বা ঋণপত্রের অবদান ৩,৫৩৪,০৪৭.৮১ মিলিয়ন টাকা। মূলত বড় মূলধনী শেয়ারগুলোর দর বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজার মূলধনে এই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। উল্লেখ্য যে, আজকের এই মূল্য পরিবর্তন সমাপনী মূল্যের (Closing Price) ভিত্তিতে নির্ণয় করা হয়েছে, যা লেনদেনের শেষ ৩০ মিনিটের গড় মূল্যের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত।


স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন, ক্রেতাদের মুখে হাসি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৫ ১০:৫৪:১৭
স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন, ক্রেতাদের মুখে হাসি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দামের নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যা সাধারণ ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায়, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কম।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ১৯ মার্চ বিকেলে এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমানোর ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণায় স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা হ্রাস করা হয়, পাশাপাশি রুপার দামও ভরিতে ৩৫০ টাকা কমানো হয়েছে।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার মূল্য হ্রাস পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য তালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশোধিত এই দাম কার্যকর হয়েছে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে।

নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি ২১ ক্যারেট স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, একই দিনে এর আগেও অর্থাৎ ১৯ মার্চ সকালে স্বর্ণের দাম এক দফা সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা। ফলে একদিনেই দুই দফায় মূল্য হ্রাস পেয়ে বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

শুধু স্বর্ণ নয়, রুপার বাজারেও একই ধারা দেখা গেছে। সর্বশেষ সমন্বয়ের ফলে ২২ ক্যারেট রুপার দাম প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায় নেমে এসেছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: