হিট স্ট্রোক ও চর্মরোগের হানা! দাবদাহে পোষা প্রাণীদের বাঁচাতে যা করবেন

তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষের পাশাপাশি সমানভাবে ধুঁকছে অবলা প্রাণীরাও। বর্তমানে রাজধানীসহ সারা দেশে যে অসহ্য গরম পড়ছে, তাতে বাড়িতে পালা বিড়াল, কুকুর ও পাখিরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। এই সময়ে পোষা প্রাণীদের ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা, হিট স্ট্রোক, ডায়রিয়া ও জ্বরের মতো সমস্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে কুকুরের নাক গরম ও শুষ্ক হয়ে যাওয়া এবং অস্বাভাবিক মলত্যাগের মতো লক্ষণগুলো দেখা দিলে মালিকদের দ্রুত সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
পশু চিকিৎসকদের মতে, এই গরমে পোষা প্রাণীদের মধ্যে চর্মরোগ বা ডার্মাটাইটিসের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা দিচ্ছে। এ বিষয়ে পশু চিকিৎসক ডা. আনিসুর রহমান পরামর্শ দিয়েছেন যে, পোষা প্রাণীকে সব সময় ঠান্ডা স্থানে রাখতে হবে এবং নিয়মিত গোসল করাতে হবে। এছাড়া যেসব প্রাণীর লোম বেশি, তাদের লোম ট্রিম বা ছোট করে দিলে তারা গরম থেকে অনেকটাই স্বস্তি পাবে।
বিড়াল ও কুকুরের ক্ষেত্রে দিনের বেলা বিশেষ করে প্রখর রোদে বাইরে বের করা একদম অনুচিত। পরিবর্তে ভোরবেলা বা সন্ধ্যার পর তাদের হাঁটাতে নিয়ে যাওয়া নিরাপদ। ঘরে সব সময় তাজা পানির ব্যবস্থা রাখা এবং বন্ধ গাড়িতে কখনোই তাদের না রাখা নিশ্চিত করতে হবে।
যাঁরা বাড়িতে পাখি পালন করেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও যত্নের ধরনে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে। পাখির খাঁচায় পান করা ও গোসলের জন্য আলাদা আলাদা পাত্রের ব্যবস্থা রাখা জরুরি। খাঁচার আশপাশে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের জন্য প্রয়োজনে ফ্যান ব্যবহার করা যেতে পারে।
চিকিৎসকরা আরও সতর্ক করেছেন যে, যদি কোনো পোষা প্রাণী হঠাৎ খাওয়া বন্ধ করে দেয়, অতিরিক্ত ঝিমুনি দেখায় কিংবা মুখ দিয়ে ঘন লালা ঝরায়, তবে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একটু বাড়তি সচেতনতা ও সঠিক যত্নই পারে এই তীব্র গরমে আপনার প্রিয় সঙ্গীকে সুরক্ষিত রাখতে।
/আশিক
গরমে পানিশূন্যতা ও হিট স্ট্রোক এড়াতে যা করবেন: বিশেষজ্ঞদের জরুরি টোটকা
গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ, তখন স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে 'হিট স্ট্রোক'। বাইরে বের হলেই প্রচণ্ড গরমে শরীর ঘামে ভিজে যাচ্ছে এবং পানিশূন্যতা তৈরি হচ্ছে, যা থেকে দেখা দিচ্ছে মাথাব্যথা ও চরম শারীরিক অস্বস্তি। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, হিট স্ট্রোক কেবল রোদে গেলেই হয়—এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বদ্ধ, ভ্যাপসা গরম এবং আর্দ্র পরিবেশে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করলে ঘরের ভেতরে এমনকি রাতেও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, শরীরের তাপমাত্রা যখন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখনই হিট স্ট্রোকের পরিস্থিতি তৈরি হয়। শরীর যখন তার অতিরিক্ত তাপ বের করে দিতে পারে না, তখন রক্তনালি প্রসারিত হয়ে নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।
এর প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রচণ্ড মাথা ঘোরা, বুকে চাপ অনুভব করা, হাত-পা অবসাদগ্রস্ত হয়ে যাওয়া এবং তীব্র মাথাব্যথা। অনেক ক্ষেত্রে রোগী ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যেতে পারেন এবং তাঁর রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার দ্রুত কমে যেতে পারে।
হিট স্ট্রোকের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীকে দ্রুত শীতল স্থানে সরিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সম্ভব হলে তাঁকে দ্রুত এসির নিচে রাখতে হবে এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর ভেজাতে হবে। পাশাপাশি পরনের কাপড় ঢিলা করে দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এই ঝুঁকি এড়াতে তীব্র রোদে, বিশেষ করে দুপুরের সময়টা বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।
প্রয়োজনে ছাতা বা টুপি ব্যবহার করতে হবে এবং শরীর ঢেকে রাখতে হবে। এছাড়া এসি থেকে বের হয়ে সরাসরি রোদে না গিয়ে কিছুক্ষণ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অপেক্ষা করা উচিত যাতে শরীর বাইরের আবহের সাথে মানিয়ে নিতে পারে। সুস্থ থাকতে রোদে বের হলে সাথে সবসময় পানি রাখা এবং নিয়মিত ওআরএস বা স্যালাইন পান করা প্রয়োজন।
/আশিক
গরমে নীরব ঘাতক হিট স্ট্রোক, জানুন সতর্কতা
দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে জনজীবন ক্রমেই দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। প্রচণ্ড গরমে বাইরে বের হলেই শরীর ঘামে ভিজে যাচ্ছে, দ্রুত কমে যাচ্ছে শরীরের পানির পরিমাণ। এর ফলে পানিশূন্যতা, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি ও শ্বাসকষ্টের মতো নানা শারীরিক সমস্যা বাড়ছে। তবে চিকিৎসকদের মতে, সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করছে হিট স্ট্রোক, যা সময়মতো চিকিৎসা না পেলে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেকেই মনে করেন শুধু রোদের মধ্যে দীর্ঘসময় থাকলেই হিট স্ট্রোক হয়। বাস্তবে ধারণাটি পুরোপুরি সঠিক নয়। বদ্ধ, গরম ও আর্দ্র পরিবেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলেও শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এমনকি ঘরের ভেতরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল না থাকলেও ঝুঁকি তৈরি হয়। রাতের বেলাতেও অতিরিক্ত গরমে শরীরের স্বাভাবিক তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হয়ে হিট স্ট্রোক হতে পারে।
চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, হিট স্ট্রোকের সময় শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি হয়ে যেতে পারে। শরীর থেকে পর্যাপ্ত তাপ বের হতে না পারায় রক্তনালি প্রসারিত হয় এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। এতে মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র ও কিডনির কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। গুরুতর অবস্থায় রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন।
হিট স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বল লাগা, বুকে অস্বস্তি, মাথাব্যথা, শরীর কাঁপা, শ্বাসপ্রশ্বাস দ্রুত হওয়া, অতিরিক্ত তৃষ্ণা এবং হাত-পায়ে শক্তি কমে যাওয়া। অনেক ক্ষেত্রে রোগী দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না এবং হঠাৎ পড়ে যেতে পারেন। রক্তচাপ কমে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিট স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত রোগীকে ঠান্ডা ও বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে নিতে হবে। সম্ভব হলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে রাখতে হবে। শরীরে ঠান্ডা পানি ঢালা, ভেজা কাপড় ব্যবহার করা এবং আঁটসাঁট পোশাক ঢিলা করে দেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। কারণ দেরি হলে মস্তিষ্কে স্থায়ী ক্ষতি এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
চিকিৎসকরা আরও বলছেন, তীব্র রোদ বিশেষ করে দুপুর ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে বাইরে যাওয়া যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত। বাইরে বের হলে ছাতা, টুপি বা হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক ব্যবহার করা ভালো। শরীর ঢেকে রাখলে সরাসরি সূর্যের তাপ থেকে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া যায়।
এসি কক্ষ থেকে বের হয়েই হঠাৎ প্রচণ্ড রোদে না যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত পরিবর্তিত হয়ে অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে ধীরে ধীরে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে শরীরকে মানিয়ে নেওয়া নিরাপদ।
গরমে শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তৃষ্ণা লাগলেই নয়, নির্দিষ্ট বিরতিতে পানি পান করতে হবে। চিকিৎসকদের মতে, ওরাল স্যালাইন বা ওআরএস শরীরের লবণ ও পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। দীর্ঘসময় রোদে কাজ করলে মাঝেমধ্যে ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নেওয়াও জরুরি।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে দেশে তাপপ্রবাহের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব আরও বাড়তে পারে। ফলে হিট স্ট্রোক ও তাপজনিত রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।
সকালে খালি পেটে মেথি পানি: আপনার শরীরের জন্য কেন এটি অমৃত?
রান্নাঘরের পরিচিত উপাদান মেথি যে কেবল রান্নার স্বাদ বাড়ায় তা নয়, এর প্রতিটি দানা যেন একেকটি ভেষজ ওষুধের আধার। বিশেষ করে গরমের এই সময়ে মেথি ভেজানো পানি শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে এবং বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে জাদুর মতো কাজ করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, মেথিতে ভিটামিন কে, এ, বি-কমপ্লেক্সের পাশাপাশি পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো প্রচুর খনিজ উপাদান রয়েছে। সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
মেথি পানি পানের আরও একটি বড় সুবিধা হলো ওজন নিয়ন্ত্রণ। এটি পান করলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং আজেবাজে খাওয়ার ইচ্ছা কমে যায়, ফলে শরীর থেকে বাড়তি মেদ ঝরানো সহজ হয়। মেথি শরীরে ক্যানসারের টিস্যু বৃদ্ধি রুখতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
নিয়মিত এটি পানে ত্বকের ছোপ ছোপ কালো দাগ দূর হয় এবং ভেতর থেকে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। শুধু ত্বক নয়, চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং চুল পড়া রোধ করতেও মেথি পানি অতুলনীয়। প্রচণ্ড গরমে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে এবং ক্লান্তি দূর করতে এই পানীয় প্রাকৃতিক কুলার হিসেবে কাজ করে।
উপকার পেতে হলে সঠিক নিয়মে মেথি খাওয়া জরুরি। সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এক গ্লাস পানিতে এক চামচ মেথি সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে পানি ছেঁকে পান করা।
হাতে সময় কম থাকলে কুসুম গরম পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখেও এটি খাওয়া যেতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন আধা কাপ মেথি পানি পান করাই স্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট। নিয়মিত এই অভ্যাস জীবনযাত্রায় দারুণ ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
/আশিক
ত্বক ও চুলে অ্যালোভেরার অবিশ্বাস্য উপকারিতা
প্রাকৃতিক উপায়ে সৌন্দর্যচর্চার ইতিহাসে অ্যালোভেরা একটি বহুল ব্যবহৃত এবং গবেষণাভিত্তিক উপাদান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। মরুভূমি অঞ্চলে জন্ম নেওয়া এই রসালো উদ্ভিদটি শুধু ভেষজ চিকিৎসাতেই নয়, আধুনিক স্কিন কেয়ার ও হেয়ার কেয়ার শিল্পেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যালোভেরার ভেতরে থাকা ভিটামিন, খনিজ, অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বক ও চুলের নানা সমস্যায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালোভেরা জেলের প্রায় ৯৬ শতাংশই পানি। ফলে এটি ত্বকে গভীর আর্দ্রতা যোগ করলেও অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব তৈরি করে না। এ কারণেই শুষ্ক ত্বক থেকে শুরু করে তৈলাক্ত ত্বকের মানুষের কাছেও এটি সমান জনপ্রিয়। বিশেষ করে গরম আবহাওয়ায় অ্যালোভেরা ত্বকে শীতল অনুভূতি এনে আরাম দেয়।
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যালোভেরায় থাকা গ্লাইকোপ্রোটিন ও পলিস্যাকারাইড উপাদান প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এজন্য একজিমা, সোরিয়াসিস, ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং রোদে পোড়া ত্বকে এটি ব্যবহার করা হয়। অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকার কারণে ত্বকে লালচে ভাব, জ্বালা ও শুষ্কতা তৈরি হয়। অ্যালোভেরা সেই অস্বস্তি কিছুটা কমিয়ে ত্বককে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করতে পারে।
ব্রণের সমস্যায়ও অ্যালোভেরা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। এতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য প্রদাহজনিত ব্রণ কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। বিশেষ করে লালচে ও ফোলা ব্রণের ক্ষেত্রে এটি ত্বককে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, গুরুতর ব্রণ বা হরমোনজনিত সমস্যার ক্ষেত্রে শুধু অ্যালোভেরা যথেষ্ট নয়, চিকিৎসকের পরামর্শও প্রয়োজন।
ত্বকের ক্ষত সারানো এবং দাগ হালকা করার ক্ষেত্রেও অ্যালোভেরার ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। এতে থাকা ভিটামিন সি ও ই ত্বকের পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়া, পোড়া দাগ কিংবা ব্রণের কালো দাগ কমানোর জন্য অনেকেই নিয়মিত অ্যালোভেরা ব্যবহার করেন। এছাড়া এটি ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সহায়তা করে বলে মনে করা হয়।
অ্যালোভেরাকে অনেকেই “ন্যাচারাল অ্যান্টি-এজিং জেল” বলেও অভিহিত করেন। কারণ এটি কোলাজেন ও ইলাস্টিন উৎপাদনে সহায়তা করতে পারে, যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে বলিরেখা ও শুষ্কতা বাড়ে। নিয়মিত অ্যালোভেরা ব্যবহারে ত্বক কিছুটা টানটান ও সতেজ দেখাতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
শুধু ত্বক নয়, চুল ও স্ক্যাল্পের যত্নেও অ্যালোভেরা অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিশেষ করে খুশকি, স্ক্যাল্পের চুলকানি এবং অতিরিক্ত তৈলাক্ততার সমস্যায় এটি কার্যকর হতে পারে। অ্যালোভেরা স্ক্যাল্পের মৃত কোষ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং চুলের গোড়ায় জমে থাকা অতিরিক্ত তেল ভেঙে ফেলে। ফলে স্ক্যাল্প তুলনামূলক পরিষ্কার ও সতেজ থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সেবোরিক ডার্মাটাইটিস বা খুশকিজনিত সমস্যায় অ্যালোভেরা আরাম দিতে পারে। এটি স্ক্যাল্পে আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং শুষ্কতা কমায়। ফলে খুশকির কারণে হওয়া চুলকানি ও অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে।
চুলের শক্তি বৃদ্ধি ও ভাঙন কমানোর ক্ষেত্রেও অ্যালোভেরার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। এতে থাকা ভিটামিন এ, সি, ই এবং বি১২ চুলের ফলিকলকে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করতে পারে। ফলে চুল তুলনামূলক মজবুত হয় এবং অতিরিক্ত ভেঙে পড়া কমতে পারে। যদিও এটি টাক সমস্যার সরাসরি সমাধান নয়, তবে চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে।
বর্তমানে অনেক কসমেটিক ও বিউটি ব্র্যান্ড তাদের পণ্য তৈরিতে অ্যালোভেরা ব্যবহার করছে। ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার, সানবার্ন জেল, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার এবং হেয়ার মাস্কে অ্যালোভেরা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠেছে।
ঘরোয়া উপায়ে ব্যবহার করতে চাইলে সরাসরি গাছের পাতা থেকে জেল বের করে ব্যবহার করা যায়। এটি মুখে, হাতে, ঘাড়ে বা স্ক্যাল্পে লাগানো যেতে পারে। অনেকে মধু, দই বা নারিকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে হেয়ার মাস্ক হিসেবেও ব্যবহার করেন।
তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন, সব ত্বকে অ্যালোভেরা সমানভাবে মানানসই নাও হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে। তাই প্রথমবার ব্যবহারের আগে হাতে বা কবজির ভেতরের অংশে অল্প পরিমাণ লাগিয়ে পরীক্ষা করা উচিত।
খালি পেটে এক কোয়া রসুন: মহৌষধ নাকি কুসংস্কার? জেনে নিন আসল সত্য
সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়া অনেকের কাছে অস্বস্তিকর মনে হলেও স্বাস্থ্যবিজ্ঞানে এর উপকারিতা অপরিসীম। রান্নায় ব্যবহৃত রসুনের চেয়ে কাঁচা রসুন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অনেক বেশি কার্যকর।
বিশেষ করে সকালে নাশতার আগে এটি খেলে রসুনের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণাগুণ সরাসরি শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। গবেষকদের মতে, এটি শরীরের ভেতরে একটি শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে যা সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।
যারা দীর্ঘকাল ধরে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য কাঁচা রসুন নিয়মিত সেবন করা বেশ উপকারী হতে পারে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হার্টের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। এছাড়া শরীরকে বিষমুক্ত বা ডি-টক্সিফাই করতে রসুনের জুড়ি নেই।
এটি যকৃত ও মূত্রাশয়ের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং পেটের বিভিন্ন সমস্যা যেমন ডায়রিয়া বা গ্যাস্ট্রিক দূর করতে সহায়তা করে। এমনকি যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া ও হাঁপানির মতো শ্বাসকষ্টজনিত জটিল সমস্যায়ও এটি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
তবে কাঁচা রসুন খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। যাদের রসুনে অ্যালার্জি রয়েছে কিংবা কাঁচা রসুন খেলে মাথাব্যথা, বমি বা অন্য কোনো শারীরিক অস্বস্তি দেখা দেয়, তাদের এটি এড়িয়ে চলাই ভালো।
এছাড়া রসুনের তীব্র গন্ধের কারণে অনেকে এটি খেতে চান না, তবে এর জাদুকরী স্বাস্থ্যগুণ বিবেচনায় এটি আধুনিক খাদ্যাভ্যাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিয়েছে। সুস্থ থাকতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত রসুনের সঠিক ব্যবহার আপনার জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
/আশিক
এক মাস আগেই সংকেত দেয় শরীর! স্ট্রোকের লক্ষণগুলো চিনে রাখুন
স্ট্রোক একটি প্রাণঘাতী সমস্যা হলেও অনেক সময় আমাদের শরীর এক মাস আগেই কিছু ছোট ছোট সতর্ক সংকেত দিতে শুরু করে। চিকিৎসকদের মতে, এই লক্ষণগুলো শুরুতে শনাক্ত করতে পারলে বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতি বা মৃত্যুঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
স্ট্রোকের আগে শরীর যে সব সংকেত দেয়
১. হঠাৎ মাথা ঘোরা এবং শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা।
২. হাঁটার সময় বারবার হোঁচট খাওয়া বা পা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা।
৩. চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা অথবা কানে অস্বাভাবিক ভোঁ ভোঁ শব্দ শোনা।
৪. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া, যা সাধারণ ওষুধে সারে না এবং সাথে বমি ভাব থাকতে পারে।
৫. হাত বা পায়ের এক পাশে হঠাৎ দুর্বলতা বা অসাড়তা অনুভব করা।
মিনি স্ট্রোক: বড় বিপদের আগাম বার্তা
অনেক সময় স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কয়েক মিনিটের জন্য দেখা দিয়ে আবার নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় ‘মিনি স্ট্রোক’। এটি মূলত ভবিষ্যতে বড় কোনো স্ট্রোকের স্পষ্ট সংকেত। এক্ষেত্রে মুখ, হাত বা পায়ের একপাশ অবশ হয়ে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া কিংবা চোখের সামনে অন্ধকার দেখার মতো সমস্যা দেখা দেয়। লক্ষণগুলো সেরে গেলেও একে অবহেলা করা প্রাণঘাতী হতে পারে।
স্ট্রোক প্রতিরোধে যা করবেন
স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। এছাড়া লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা, প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করা এবং ধূমপান বর্জন করার মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
/আশিক
তপ্ত গরমেও চুল থাকবে রেশমি ও ঝলমলে! জেনে নিন ৫টি সহজ টিপস
গরমে ত্বকের পাশাপাশি চুলের অবস্থাও নাজেহাল হয়ে পড়ে। প্রখর রোদ, ঘাম আর ধুলাবালির প্রভাবে চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া, খুশকি বা অতিরিক্ত চুল পড়ার মতো সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। তবে একটু সচেতন হয়ে সঠিক উপায়ে যত্ন নিলে এই তপ্ত গরমেও আপনার চুল থাকবে সুস্থ, ঝলমলে ও প্রাণবন্ত।
চুলের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। গরমে মাথার ত্বক বেশি ঘামে বলে ময়লা দ্রুত জমে, তাই সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত।
পাশাপাশি চুলের পুষ্টির জন্য সপ্তাহে ১-২ বার নারকেল বা অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করলে চুল নরম ও মজবুত হয়।
এছাড়া এই সময়ে হেয়ার ড্রায়ার বা স্ট্রেইটনারের মতো হিট স্টাইলিং টুলস এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ অতিরিক্ত তাপ চুলের রুক্ষতা বাড়িয়ে দেয়।
চুলের বাহ্যিক যত্নের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ পুষ্টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন—মাছ, ডিম ও শাকসবজি চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
এছাড়া সপ্তাহে একদিন ডিম, দই বা অ্যালোভেরার প্রাকৃতিক হেয়ার প্যাক ব্যবহার করলে চুল প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়। রোদে বের হওয়ার সময় ছাতা বা স্কার্ফ ব্যবহার করে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে চুল সুরক্ষিত রাখলে গরমেও চুল থাকবে উজ্জ্বল।
সূত্র : এনডিটিভি
কেন খাবেন পান্তা ভাত? জেনে নিন বৈশাখী এই খাবারের বিস্ময়কর উপকারিতা
পহেলা বৈশাখ মানেই পান্তা-ইলিশের আমেজ। সারা বছর খুব একটা খাওয়া না হলেও বছরের প্রথম দিনটিতে পান্তা ভাত বাঙালির পাত পেড়ে খাওয়ার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে পান্তা ভাত কেবল লোকজ ঐতিহ্যই নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে বিজ্ঞানের দারুণ সব স্বাস্থ্যগুণ। দীর্ঘ সময় পানিতে ভিজে থাকায় ভাতের পুষ্টিগুণ বহুগুণ বেড়ে যায়, যা আমাদের শরীরের জন্য ওষুধের মতো কাজ করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, পান্তা ভাত প্রিবায়োটিক এবং প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ একটি খাবার, যা অন্ত্রের সংক্রমণ রোধ করে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। ভাতের পানিতে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পদার্থ শরীরকে সতেজ রাখে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
বিশেষ করে বৈশাখের এই প্রখর গরমে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন দূর করতে পান্তা ভাতের কোনো বিকল্প নেই। এতে থাকা ল্যাকটিক এসিড অনিদ্রা দূর করে এবং শরীরে ক্লান্তি ও দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে। যারা কোলেস্টেরল কমানোর চিন্তায় থাকেন, তাদের জন্য পান্তা ভাত একটি আদর্শ খাবার হতে পারে।
পান্তা ভাত তৈরি করাও অত্যন্ত সহজ। আগের রাতের রান্না করা ভাতে পানি দিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রাখলেই সকালে তা খাওয়ার উপযুক্ত হয়। পান্তার সঙ্গে একটু লবণ, পোড়া মরিচ, ডিম ভাজা কিংবা পছন্দের ভর্তা ও মাছ ভাজা থাকলে পহেলা বৈশাখের খাবারের তৃপ্তি ষোলো আনা পূর্ণ হয়।
/আশিক
কফিশপ নয়, ডেটিংয়ের জন্য এখন কবরস্থানই পছন্দ জেন-জিদের!
কফিশপ বা জনাকীর্ণ পার্কের বদলে জেন-জি (Gen-Z) তরুণ-তরুণীদের ডেটিংয়ের জন্য কবরস্থানকে বেছে নেওয়া শুনতে কিছুটা অদ্ভুত মনে হতে পারে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ‘ইন্ডিয়া টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে এই নতুন ও সিনেমাটিক ট্রেন্ডের পেছনের চমকপ্রদ কারণগুলো উঠে এসেছে। কোলাহলমুক্ত পরিবেশ এবং গভীর আলাপচারিতার সুযোগ থাকায় এটি এখন জেন-জি প্রজন্মের কাছে নতুন এক রোমান্টিক আবহে পরিণত হচ্ছে।
মূলত শহরজুড়ে ক্যাফে বা রেস্তোরাঁগুলোতে এখন তিল ধারণের জায়গা থাকে না, থাকে মানুষের কৌতূহলী নজর। এর বিপরীতে কবরস্থান দেয় নিঝুম শান্তি এবং পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এখানে নেই কোনো প্রমাণের চাপ বা অস্বস্তিকর নজরদারি, ফলে যুগলরা নির্ভার হয়ে একে অপরের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে পারেন।
পুরোনো পাথরের সমাধি আর বড় বড় গাছের ছায়ায় ঘেরা এই নীরব বিষণ্ন পরিবেশটি তাঁদের কাছে হয়ে ওঠে দারুণ ‘নান্দনিক’ বা সিনেমাটিক। অনেকটা ‘কাপুর অ্যান্ড সন্স’ সিনেমার সেই দৃশ্যের মতো, যা তাঁদের নিজেদের গল্পের ‘মেইন ক্যারেক্টার’ বা প্রধান চরিত্র হিসেবে অনুভব করতে সাহায্য করে।
এই ট্রেন্ডের পেছনের মনস্তাত্ত্বিক দিকটি হলো—মৃত্যুর স্মৃতিঘেরা এমন পরিবেশে স্বাভাবিকভাবেই অগভীর বা অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা কম হয়। বরং মানুষ অবলীলায় জীবন, অস্তিত্ব এবং সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে আলোচনা শুরু করে।
ফলে সম্পর্কের ভিত আরও মজবুত ও বাস্তব হয়ে ওঠে। যেখানে চারপাশে শুধু শব্দ আর ব্যস্ততা, সেখানে এই নীরবতাকেই সবচেয়ে বড় বিলাসিতা হিসেবে দেখছে বর্তমান প্রজন্ম। ভৌতিক বা অদ্ভুত লাগলেও জেন-জিদের কাছে এটিই এখন ঘনিষ্ঠতার এক নতুন সংজ্ঞা।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- হিট স্ট্রোক ও চর্মরোগের হানা! দাবদাহে পোষা প্রাণীদের বাঁচাতে যা করবেন
- গরমে পানিশূন্যতা ও হিট স্ট্রোক এড়াতে যা করবেন: বিশেষজ্ঞদের জরুরি টোটকা
- ইউনূস সরকারের ‘লোকসানের ফরমুলা’? ধুঁকছে বাটা, সিঙ্গার ও ইউনিলিভার
- বেকারত্ব দূরীকরণে পিছিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষামন্ত্রী
- হামলা অত্যন্ত গুরুতর, তবে এর পেছনে ইরান নেই: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- আজকের মুদ্রার বিনিময় হার: ২৬ এপ্রিল কোন দেশের কত দাম?
- খুলনার বাজারে উত্তাপ: মুরগির পর এবার ৮০০ টাকায় ঠেকেছে গরুর মাংস
- জ্বালানি তেলের প্রভাবে বাড়ল বাসের ভাড়া: দেখে নিন বিআরটিএ-র নতুন চার্ট
- হামলার আগেই কেন এমন কথা? ট্রাম্পের প্রেস সচিবের ভিডিও নিয়ে নতুন বিতর্ক
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বনাম ডিজিটাল অসভ্যতা: গণতান্ত্রিক সংহতি রক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জ
- ৮০ কিমি বেগে আসছে তীব্র ঝড়! ৬ অঞ্চলের নদীবন্দরে ২ নম্বর সংকেত
- ভোগান্তি এড়াতে জেনে নিন: রবিবারের ঢাকার বন্ধ মার্কেটের তালিকা
- সোনার বাজারে খুশির আমেজ; বাজুসের নতুন মূল্যে বড় ছাড়
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ফেসবুক পেজ নিয়ে ডাকসু ভিপি ও ছাত্রদল নেতার পাল্টাপাল্টি তোপ: উত্তাল ঢাবি
- হোয়াইট হাউসের নৈশভোজে বন্দুক হামলা: অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত: ইরানি প্রেসিডেন্ট
- কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার
- সিলেট চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ উৎযাপন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
- ব্রাহ্মণপাড়ায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন, লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াল উৎপাদন
- কাউন্সিলর সৈয়দ ফিরোজ গনি : জনসেবায় দুই দশকের বেশি সময়ের নিবেদিত পথচলা
- শিক্ষামন্ত্রীকে সারজিস আলমের খোঁচা
- বিশ্ববাজারে সোনার দামে অস্থিরতা: ৫ সপ্তাহ পর সাপ্তাহিক দরে বড় পতন
- পরের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু হোক এখনই! চট্টগ্রামের মাঠে সোধির বড় পরামর্শ
- ভালোবাসার ঘর বাঁধা হলো না লিমন-বৃষ্টির: ফিরলেন নিথর দেহ হয়ে
- ইরান ইস্যুতে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিভক্তি: যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একজোট ইউরোপ
- খুদে শিক্ষার্থীর জন্য ‘মিড-ডে মিল’ আনছে সরকার
- ফ্যাসিবাদের পথে আ.লীগ হতে পারবে না বিএনপি: শফিকুর রহমান
- মার্কিন অর্থনীতি ধসের মুখে? বিনিয়োগকারীদের পালানোর পরামর্শ ইরানের
- যুদ্ধ কি আরও ছড়াচ্ছে? ইসরায়েলি ভূখণ্ডে আবার রকেট হামলা
- মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী ঘোষণা
- টাকা ছাপিয়ে আর স্বস্তি নয়! মূল্যস্ফীতি রুখতে অর্থমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান
- গরমে নীরব ঘাতক হিট স্ট্রোক, জানুন সতর্কতা
- ঢাকার যে ১১ পাম্পে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ফুয়েল পাস
- জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার নতুন যুগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
- টাকার মান কি বাড়ল না কমল? দেখে নিন আজকের সর্বশেষ মুদ্রার রেট
- তীব্র দাবদাহে সুস্থ থাকার মহৌষধ: কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন?
- ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য বন্ধ হলো আমেরিকার দুয়ার: তালিকায় বাংলাদেশও
- জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়ন হবেই: প্রধানমন্ত্রী
- যুক্তরাষ্ট্রে মেধাবী ছাত্র লিমনের করুণ পরিণতি! এখনো নিখোঁজ নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি
- স্বর্ণের দামে বড় ধস! এক ধাক্কায় অনেকটা কমল স্বর্ণ ও রুপার দাম
- ৩০ হাজার ইরানি হাজির অপেক্ষায় সৌদি আরব: সম্পর্কের নয়া অধ্যায়
- সকালে খালি পেটে মেথি পানি: আপনার শরীরের জন্য কেন এটি অমৃত?
- ভাড়া বাড়ানো হয়নি, সাথে ‘সমন্বয়’ করা হয়েছে: সড়ক মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
- প্রয়োজনে সংসদ ও রাজপথ একাকার হবে! সরকারকে নাহিদ ইসলামের চরম হুঁশিয়ারি
- কবে শেষ হবে লোডশেডিং? সুখবর দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী!
- একই শহরে ইরান ও আমেরিকার শীর্ষ প্রতিনিধিরা! ইসলামাবাদে কি তবে শান্তি চুক্তি?
- মাঝ সমুদ্রে নৌযান উড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র! ট্রাম্পের নির্দেশে রক্তক্ষয়ী অভিযান
- শনিবার ঢাকার যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে
- যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পূরণ হয় এমন প্রস্তাব পাঠাচ্ছে ইরান: ট্রাম্প
- সব রেকর্ড চুরমার: স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস, আজকের রেট জেনে নিন
- ডলার শক্তিশালী হওয়ায় বিপাকে স্বর্ণের বাজার! বাড়ছে দুশ্চিন্তা
- কালিগঞ্জ ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়! আদালতের নির্দেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি
- স্বপ্ন না কি দুঃস্বপ্ন? সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এক ভরি স্বর্ণ
- সোনার সাথে রুপার দামেও আগুন! আজ থেকে কার্যকর নতুন দর
- রেকর্ড দামের পর অবশেষে স্বস্তি: সোনার ভরিতে বড় ছাড় দিল বাজুস
- ২১ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- পৃথিবী: প্রাণ, পানি আর রহস্যের গল্প
- ২০ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বনাম ডিজিটাল অসভ্যতা: গণতান্ত্রিক সংহতি রক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জ
- ২১ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের নতুন শর্ত
- ধান-চালের নতুন দাম ঘোষণা সরকারের
- সোনার বাজারে খুশির আমেজ; বাজুসের নতুন মূল্যে বড় ছাড়
- বিশ্ববাজারে কমছে তেলের দাম








