রুম হিটারে আরাম না কি বিপদ? হিটার ব্যবহারে যেসব সতর্কতা মেনে চলবেন

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৫ ১২:০৬:২৯
রুম হিটারে আরাম না কি বিপদ? হিটার ব্যবহারে যেসব সতর্কতা মেনে চলবেন
ছবি : সংগৃহীত

শীতের হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় ঘরকে উষ্ণ ও আরামদায়ক রাখতে বর্তমানে রুম হিটারের ব্যবহার বহুগুণ বেড়েছে। তবে ঘরের তাপমাত্রা বাড়াতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে আমরা এমন কিছু ভুল করছি যা ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কিংবা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি। চিকিৎসকদের মতে, রুম হিটার দীর্ঘক্ষণ চললে ঘরের বাতাসের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়, যার ফলে ত্বক, চোখ এবং শ্বাসতন্ত্রে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, সস্তা ইলেকট্রিক হিটার বা গ্যাসভিত্তিক হিটারগুলো অনেক সময় ঘরের অক্সিজেন পুড়িয়ে ক্ষতিকর কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস তৈরি করে। ঘর পুরোপুরি বন্ধ রেখে হিটার চালালে এই বিষাক্ত গ্যাস মানুষের অকাল মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হতে পারে। এ ছাড়া হিটারের ওপর ভেজা কাপড় শুকানো কিংবা কার্পেটের ওপর সরাসরি হিটার রাখা থেকে শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটার নজির প্রতি বছরই দেখা যায়।

রুম হিটার নিরাপদে ব্যবহার করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক। প্রথমত, হিটার চালানোর সময় ঘরের দরজা বা জানালা একদম বন্ধ না করে সামান্য ফাঁক রাখা উচিত যাতে অক্সিজেন চলাচল করতে পারে। বাতাসের আর্দ্রতা ধরে রাখতে হিটার থেকে কিছুটা দূরে এক বাটি পানি রেখে দেওয়া একটি অত্যন্ত কার্যকর ঘরোয়া কৌশল। এ ছাড়া হিটারটি অবশ্যই দাহ্য বস্তু যেমন পর্দা, বিছানা বা কাগজ থেকে অন্তত ৩ ফুট দূরত্বে রাখতে হবে।

বৈদ্যুতিক নিরাপত্তার খাতিরে রুম হিটার কখনোই মাল্টিপ্লাগ বা পাওয়ার স্ট্রিপে লাগানো উচিত নয়, কারণ এটি প্রচুর বিদ্যুৎ টানে যা মাল্টিপ্লাগ পুড়িয়ে দিতে পারে। সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হলো ঘুমানোর আধা ঘণ্টা আগে রুম গরম করে হিটারটি বন্ধ করে দেওয়া। কেনার সময় অবশ্যই ‘অটো কাট-অফ’ সুবিধা সম্পন্ন হিটার বাছাই করার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রকৌশলীরা। সামান্য এই সচেতনতা আপনাকে ও আপনার পরিবারকে শীতের এই মৌসুমে বড় কোনো দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পারে।


শীতের রাতে মোজা পরে ঘুমানো উপকারী না ক্ষতিকর জানুন বিশেষজ্ঞ মত

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ২০:০৯:৫৮
শীতের রাতে মোজা পরে ঘুমানো উপকারী না ক্ষতিকর জানুন বিশেষজ্ঞ মত
ছবি : সংগৃহীত

হাড়কাঁপানো এই শীতে রাতের বেলা হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে থাকা অনেকের জন্যই বড় বিড়ম্বনা। লেপ বা কম্বল মুড়ি দিলেও অনেকের পা গরম হতে দীর্ঘ সময় লাগে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই রাতে উলের বা সুতির মোজা পরে ঘুমান। চিকিৎসকদের মতে, এই অভ্যাসের যেমন কিছু চমৎকার সুফল রয়েছে, তেমনি অসতর্কতায় এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকরও হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, পা গরম থাকলে শরীরের রক্তনালীগুলো প্রসারিত হয়, যা মস্তিষ্ককে দ্রুত ঘুমানোর সংকেত দেয়। ফলে অনিদ্রায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য মোজা পরে ঘুমানো বেশ কার্যকর।

এছাড়া শীতকালে অনেকেরই গোড়ালি ফাটার সমস্যা প্রকট হয়। রাতে পায়ে ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে মোজা পরলে পায়ের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং চামড়া নরম হয়। বিশেষ করে যাদের ঠান্ডায় আঙুল নীল হয়ে যায় বা অবশ লাগে—যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় 'রেনল্ডস ডিজিজ' বলা হয়—তাদের ক্ষেত্রে মোজা পরে ঘুমানো রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। তবে ঝুঁকির বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অতিরিক্ত টাইট বা ইলাস্টিকযুক্ত মোজা রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, যার ফলে পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা বা ফোলা ভাব দেখা দিতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আরও সতর্ক করেছেন যে, সারাদিন ব্যবহার করা নোংরা মোজা পরে ঘুমালে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে সিন্থেটিক মোজায় পা ঘামলে দুর্গন্ধ ও চর্মরোগ হতে পারে। তাই নিরাপদ থাকতে সব সময় পরিষ্কার ও ঢিলেঢালা সুতির মোজা বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। শিশুদের ক্ষেত্রে শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকায় মোজা পরানোর বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। যাদের মোজা পরলে অস্বস্তি হয়, তারা ঘুমানোর আগে কুসুম গরম পানিতে পা ধুয়ে নিতে পারেন অথবা বিছানায় গরম পানির ব্যাগ ব্যবহার করে আরামদায়ক ঘুম নিশ্চিত করতে পারেন।


জিরা-মেথি-আজওয়াইন-সওফ এর পানি খাওয়ার যাদুকরী উপকার

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১৮:৫০:২৫
জিরা-মেথি-আজওয়াইন-সওফ এর পানি খাওয়ার যাদুকরী উপকার
ছবি: সংগৃহীত

আধুনিক জীবনযাত্রায় হজমজনিত সমস্যা, অম্বল, গ্যাস ও ওজন নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ বাড়তে থাকায় আয়ুর্বেদভিত্তিক ভেষজ পানীয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ নতুন করে বেড়েছে। এর মধ্যে জিরা, মেথি, আজওয়াইন ও সওফ দিয়ে তৈরি উষ্ণ পানি বর্তমানে একটি আলোচিত স্বাস্থ্য পানীয় হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।

হজম ব্যবস্থায় কীভাবে কাজ করে

আয়ুর্বেদিক ব্যাখ্যায় এই চার উপাদান হজম অগ্নিকে সক্রিয় করতে সহায়তা করে। জিরা ও সওফ পরিপাক রস নিঃসরণে সহায়ক বলে পরিচিত, যা পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি কমাতে ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে আজওয়াইনের উষ্ণ প্রকৃতি অন্ত্রে জমে থাকা গ্যাস দূর করতে সাহায্য করে এবং মেথি অন্ত্রের গতিশীলতা উন্নত করে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ ও বিপাকক্রিয়া

এই ভেষজ পানীয় শরীরের বিপাকক্রিয়া সক্রিয় রাখতে সহায়তা করতে পারে বলে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের ধারণা। নিয়মিত সেবনে শরীরে অতিরিক্ত পানি জমে থাকার প্রবণতা কমে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে, যা ওজন ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হিসেবে বিবেচিত।

ডিটক্স ও লিভার সহায়তা

ভেষজ উপাদানগুলোর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ শরীরের ভেতরে জমে থাকা বর্জ্য অপসারণে সহায়তা করতে পারে। আয়ুর্বেদ মতে, এই পানীয় লিভারের কার্যক্ষমতা সমর্থন করে এবং পাকস্থলীর অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

রক্তে শর্করা ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ

মেথিতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার রক্তে শর্করার ওঠানামা ধীর করতে সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া যায়। পাশাপাশি জিরা ও আজওয়াইনের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমাতে সহায়ক হতে পারে।

ত্বক, হরমোন ও অন্যান্য সম্ভাব্য উপকার

এই পানীয় ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে বলে অনেকে দাবি করেন। নারীদের ক্ষেত্রে হরমোনজনিত অস্বস্তি ও মাসিককালীন ব্যথা লাঘবে এটি সহায়ক হতে পারে বলেও আয়ুর্বেদে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া সওফ শ্বাসনালীর আরাম দিতে পারে, যা হালকা কাশি বা ঠান্ডাজনিত সমস্যায় উপকারী।

সেবন পদ্ধতি

আয়ুর্বেদিক পরামর্শ অনুযায়ী, জিরা, মেথি, আজওয়াইন ও সওফ সমপরিমাণে পানিতে রাতভর ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে হালকা গরম অবস্থায় পান করা যেতে পারে। বিকল্পভাবে শুকনো উপাদান গুঁড়া করে অল্প পরিমাণ কুসুম গরম পানিতে মিশিয়েও সেবন করা যায়।

সতর্কতা ও বিশেষ পরামর্শ

চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেন, আজওয়াইনের অতিরিক্ত উষ্ণ প্রকৃতির কারণে এই পানীয় মাত্রাতিরিক্ত গ্রহণ করা উচিত নয়। গর্ভবতী নারী, স্তন্যদানকারী মা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত সেবন না করাই নিরাপদ।

সব মিলিয়ে, জিরা-মেথি-আজওয়াইন-সওফ পানীয় আয়ুর্বেদিক দৃষ্টিতে একটি সহায়ক স্বাস্থ্য পানীয় হলেও এটি কোনো রোগের একমাত্র চিকিৎসা নয়। সঠিক মাত্রা, নিয়মিততা এবং ব্যক্তিগত শারীরিক অবস্থার বিবেচনাই এর উপকারিতা নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্রঃ গুগল


সব সময় শীত লাগছে? জানুন যে ভিটামিনের অভাবে শরীরে বেশি শীত অনুভূত হয়

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১১:৪০:১৯
সব সময় শীত লাগছে? জানুন যে ভিটামিনের অভাবে শরীরে বেশি শীত অনুভূত হয়
ছবি : সংগৃহীত

বাইরের তাপমাত্রা খুব একটা কম না থাকলেও অনেকের সব সময় অন্যদের চেয়ে বেশি শীত লাগে। চিকিৎসকদের মতে, শরীরে অতিরিক্ত শীত অনুভূত হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে ভিটামিন বি১২-এর তীব্র ঘাটতি। পুষ্টিবিজ্ঞানীরা জানান, ভিটামিন বি১২ রক্তে লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ভিটামিনের অভাবে শরীরে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দেয়, যার ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পরিবহন বাধাগ্রস্ত হয়। এর সরাসরি প্রভাব হিসেবে হাত-পা সবসময় ঠান্ডা থাকা এবং শরীরে অস্বাভাবিক শীত অনুভূত হওয়ার মতো সমস্যা তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আরও উল্লেখ করেছেন যে, কেবল ভিটামিন বি১২ নয়, আয়রনের অভাবও রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি বাড়িয়ে শীতের অনুভূতি তীব্র করতে পারে। পাশাপাশি শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি থাকলে পেশি দুর্বল হয়ে যায়, যা ঠান্ডার প্রতি শরীরকে আরও সংবেদনশীল করে তোলে। এছাড়া থাইরয়েড হরমোন কমে গেলে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘হাইপোথাইরয়েডিজম’ বলা হয়, শরীরের বিপাকীয় প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এতে শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপ উৎপাদন কমে যাওয়ায় স্বাভাবিক আবহাওয়ায়ও হাড়কাঁপানো শীত লাগতে পারে।

শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি থাকলে হাত-পা ঠান্ডা থাকার পাশাপাশি দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া এবং মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন, এ ধরনের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে অনুভূত হলে অবহেলা না করে রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরি। এছাড়া প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম, দুধ, মাছ, মাংস এবং প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি রাখার মাধ্যমে এই পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শীতের এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পেতে সুষম খাদ্যাভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই।


জমি রেজিস্ট্রিতে ১১৫ বছরের প্রথা ভাঙল: দলিল সরবরাহ নিয়ে নতুন নিয়ম জানুন

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১১:২৯:৩৩
জমি রেজিস্ট্রিতে ১১৫ বছরের প্রথা ভাঙল: দলিল সরবরাহ নিয়ে নতুন নিয়ম জানুন
ছবি : সংগৃহীত

জমি বা সম্পত্তি রেজিস্ট্রির পর মূল দলিল ও নকল পেতে দীর্ঘদিনের যে অবর্ণনীয় ভোগান্তি, তার অবসান ঘটাতে ঐতিহাসিক এক পদক্ষেপ নিয়েছে ঢাকা জেলা সাবরেজিস্ট্রি অফিস। ১৯০৮ সালে জমি রেজিস্ট্রি প্রথা চালুর পর গত ১১৫ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম দলিলের সর্বশেষ অবস্থা জানাতে চালু করা হয়েছে বিশেষ হেল্পলাইন ও মেসেজ সার্ভিস। এখন থেকে ঢাকা জেলার আওতাধীন ২৩টি সাবরেজিস্ট্রি অফিসের গ্রাহকরা নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করেই জানতে পারবেন তাঁদের কাঙ্ক্ষিত দলিলটি কবে নাগাদ হাতে পাবেন।

ঢাকা জেলা সাবরেজিস্ট্রার অহিদুল ইসলাম সোমবার সংবাদমাধ্যমকে জানান, জমি রেজিস্ট্রির পরপরই গ্রাহককে দেওয়া রসিদে একটি বিশেষ সিল মেরে দেওয়া হচ্ছে, যেখানে দপ্তরের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ফোন নম্বর থাকছে। গ্রাহক চাইলে যেকোনো সময় ফোন করে দলিলের অগ্রগতি জানতে পারবেন। এছাড়া আগামী বছরের শুরু থেকেই জমি ক্রেতা বা গ্রহীতার মোবাইল নম্বর সংরক্ষণ করে দলিল প্রস্তুত হওয়ার সাথে সাথে স্বয়ংক্রিয় মেসেজ বা কল করার ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। যারা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কারণে নম্বর দিতে চাইবেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক করা হবে না।

অহিদুল ইসলাম আরও জানান, অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে এবং সেবাপ্রার্থীদের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে প্রতি মঙ্গলবার তিনি গণশুনানির আয়োজন করছেন। এছাড়া ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে বিশুদ্ধ পানি ও হেল্প ডেস্কসহ নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। ইতিমধ্যে পুরোনো বালাম বহি স্ক্যান করে ডিজিটাল অটোমেশনে নিয়ে আসার জন্য বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন সার্ভিসে বর্তমানে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত মেধাবী কর্মকর্তারা যুক্ত হওয়ায় এই খাতের দীর্ঘদিনের নেতিবাচক ইমেজ দ্রুতই বদলে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দলিল জালিয়াতি রোধ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা রেজিস্ট্রারের এই ঝটিকা সফর ও তদারকি সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। এখন থেকে দলিল পাওয়ার জন্য মাসের পর মাস দপ্তরে ঘুরে বেড়ানোর দিন শেষ হতে চলেছে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।


শীতে নাক বন্ধ? অস্বস্তি থেকে মুক্তির ৮ উপায়

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১০:৪৭:৫৯
শীতে নাক বন্ধ? অস্বস্তি থেকে মুক্তির ৮ উপায়
ছবি : সংগৃহীত

শীতের রুক্ষতা, ধুলোবালি কিংবা অ্যালার্জির কারণে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া এক অসহ্য যন্ত্রণা। ঠিকমতো শ্বাস নিতে না পারা কিংবা রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটা—এই সমস্যাগুলো আমাদের দৈনন্দিন কাজে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায়। তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, বিশেষজ্ঞরা বলছেন কিছু সহজ ঘরোয়া ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত উপায়ে দ্রুত এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

নাক খোলার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো স্যালাইন পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করা। নেটি পট বা স্প্রে ব্যবহার করে নাকের ভেতর জমে থাকা মিউকাস ও অ্যালার্জেন বের করে দিলে দ্রুত আরাম মেলে। এছাড়া গরম পানির ভাপ নিলে নাকের ভেতরের মিউকাস নরম হয়ে যায়, যা শ্বাস নেওয়া সহজ করে। শরীর হাইড্রেটেড রাখা বা পর্যাপ্ত পানি পান করাও এক্ষেত্রে অপরিহার্য, কারণ এটি মিউকাসকে পাতলা রাখতে সাহায্য করে।

ঘুমানোর সময় মাথার নিচে বাড়তি বালিশ ব্যবহার করে মাথা একটু উঁচুতে রাখলে মিউকাস সহজে নিচে নেমে আসে এবং রাতে শ্বাস নেওয়া সহজ হয়। এছাড়া নাকের পাশে গরম বা ঠান্ডা সেঁক দেওয়া সাইনাসের চাপ কমাতে জাদুর মতো কাজ করে। হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাচলা করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, যা নাকের প্রদাহ কমাতে সহায়ক। তবে নাকের স্প্রে বা ডিকনজেস্ট্যান্ট ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে, কারণ ৩-৫ দিনের বেশি ব্যবহারে হিতে বিপরীত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন আর এই সহজ কৌশলগুলো মেনে চললে নাক বন্ধের মতো সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় বা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সুস্থ থাকতে সচেতনতাই বড় হাতিয়ার।

সূত্র: এনডিটিভি


শীতে ত্বক সজীব রাখাতে যা খাবেন

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৫ ২০:৪১:৫৩
শীতে ত্বক সজীব রাখাতে যা খাবেন
ছবি : সংগৃহীত

সারা দেশে হাড়কাঁপানো শীত জেঁকে বসার সঙ্গে সঙ্গে বইছে শুষ্ক ও হিমেল হাওয়া, যা সরাসরি প্রভাব ফেলছে আমাদের ত্বক ও স্বাস্থ্যের ওপর। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে কেবল বাইরের প্রসাধনী দিয়ে ত্বক রক্ষা করা সম্ভব নয়। শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ ও সজীব রাখতে প্রয়োজন বিশেষ খাদ্যাভ্যাস। সঠিক খাবার বাছাইয়ের মাধ্যমেই শীতে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখা এবং মৌসুমি রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

চিকিৎসকদের মতে, শীতকালে শরীর প্রায়ই পানিশূন্য হয়ে পড়ে, যার ফলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। এই সমস্যা সমাধানে পর্যাপ্ত কুসুম গরম পানি পান করার পাশাপাশি ডায়েটে বিভিন্ন ধরনের স্যুপ, ডাবের পানি বা ফলের রস রাখা জরুরি। বিশেষ করে পানির সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে তা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এছাড়া উজ্জ্বল ত্বকের জন্য অতি প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডের যোগান দিতে নিয়মিত বাদাম ও সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা।

শীতের রোগবালাই দূর করতে বিট, মিষ্টি আলু, গাজর ও শালগমের মতো মূলজাতীয় সবজি অত্যন্ত কার্যকর। এসব সবজিতে থাকা ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে পালংশাক কেবল ওজন কমাতেই সাহায্য করে না, বরং এতে থাকা পুষ্টি উপাদান ত্বক ও চুলের গোড়া মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিমের সাথে মাছের সংমিশ্রণও এই সময়ে ত্বকের সজীবতা ধরে রাখতে সহায়ক বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

শরীরের সজীবতা বজায় রাখতে মৌসুমি টক ফল যেমন কমলা, বরই ও পেয়ারা নিয়মিত খাওয়া উচিত, যা ভিটামিন সি-র প্রধান উৎস। বিশেষজ্ঞরা গুরুত্ব দিয়ে বলছেন যে, শীতের এই বৈরী আবহাওয়ায় নিজেকে মানিয়ে নিতে ব্যালেন্সড ডায়েট বা সুষম খাবারের কোনো বিকল্প নেই। নিয়ম মেনে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে আপনি কেবল সুস্থই থাকবেন না, বরং শীতের শুষ্কতার মাঝেও আপনার ত্বক থাকবে তরতাজা ও প্রাণবন্ত।


শীতের রাতে শরীর থাকবে গরম: জানুন রান্নাঘরের বিশেষ মশলার গুণ

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৪ ২০:৪৮:৪৬
শীতের রাতে শরীর থাকবে গরম: জানুন রান্নাঘরের বিশেষ মশলার গুণ
ছবি : সংগৃহীত

শীতের তীব্রতায় শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখা এবং রক্ত সঞ্চালন সচল রাখা অনেকের জন্যই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। ঠান্ডার কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি সিস্টেম দুর্বল হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও পুষ্টিবিদদের মতে, প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গ্রহণ করলে এই শীতেও শরীরকে সুস্থ, উষ্ণ ও দারুণ সক্রিয় রাখা সম্ভব।

শীতকালীন খাদ্য তালিকায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে শুকনো ফল ও বীজের ওপর। কাঠবাদাম, আখরোট, তিল ও তিসির বীজে থাকা স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি পেশির ক্লান্তি দূর করে। এছাড়া ওটস, রাগি, জোয়ার ও বাজরার মতো গোটা শস্য শরীরকে দীর্ঘক্ষণ শক্তি যোগায়, যা শীতের অলসতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। এসবে থাকা জটিল কার্বোহাইড্রেট রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রেখে হঠাৎ দুর্বল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমায়।

শীতের অন্যতম সেরা উপহার হলো কন্দজাত সবজি যেমন গাজর, বিট, মিষ্টি আলু ও শালগম। এগুলো কেবল হজম শক্তিই বাড়ায় না, বরং শরীরকে ভেতর থেকে উষ্ণ রাখতে অসামান্য ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি রান্নায় আদা, রসুন, দারুচিনি, লবঙ্গ ও গোলমরিচের মতো উষ্ণ মশলা ব্যবহার করলে তা শরীরের প্রাকৃতিক তাপ উৎপন্ন করে এবং সর্দি-কাশি প্রতিরোধে কবচের মতো কাজ করে। স্বাস্থ্যকর চর্বি হিসেবে ঘি বা নারকেল তেলের পরিমিত ব্যবহার ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে ও জয়েন্টের নমনীয়তা বজায় রাখে।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন যে, শীতকালে শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত গরম খাবার এবং মৌসুমি রঙিন সবজির বিকল্প নেই। কেবল ভারী কাপড়েই নয়, সঠিক পুষ্টির মাধ্যমে শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারলে এই শীতকাল হবে আনন্দময় ও রোগমুক্ত। পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস এবং প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে হলুদের ব্যবহার এই মৌসুমে সুস্থ থাকার অনন্য উপায়।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস


শীতে কম্বল ধোয়ার ঝামেলা শেষ: ঝকঝকে রাখার সহজ ৩ কৌশল

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৪ ১১:২৫:০৯
শীতে কম্বল ধোয়ার ঝামেলা শেষ: ঝকঝকে রাখার সহজ ৩ কৌশল
ছবি : সংগৃহীত

জানুয়ারির হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় দেশজুড়ে বইছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। শীতের এই মাঝামাঝি সময়ে লেপ-কম্বলই এখন সবার প্রধান ভরসা। তবে নিয়মিত ব্যবহারের ফলে কম্বলে ময়লা জমা, স্যাঁতসেঁতে গন্ধ হওয়া কিংবা ত্বকে চুলকানির মতো সমস্যা দেখা দেওয়া খুব সাধারণ ঘটনা। কিন্তু এই শীতে বিশাল ও ভারী কম্বল পানিতে ভিজিয়ে কাচা এবং তা শুকানো রীতিমতো এক দুঃসাধ্য কাজ। পানি ছাড়া কম্বলকে নতুনের মতো পরিষ্কার ও সুগন্ধিযুক্ত রাখার বেশ কিছু কার্যকরী ঘরোয়া পদ্ধতি চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন।

সাবান পানিতে কম্বল ধুলে অনেক সময় এর ফ্যাব্রিক বা আঁশ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, আবার ঠিকমতো না শুকালে তন্তুর ভেতর ছত্রাক জন্মানোর ভয় থাকে। এই সমস্যার সমাধানে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো বেকিং সোডার ব্যবহার। কম্বলের ওপর শুকনো বেকিং সোডা ছিটিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিলে তা সব ধরণের দুর্গন্ধ শুষে নেয়। এরপর ভালো করে ঝেড়ে নিলে কম্বল হয়ে ওঠে একদম সতেজ। এছাড়া দুই-তিন সপ্তাহ অন্তর অন্তত একবার কড়া রোদে কম্বল দড়িতে ঝুলিয়ে রাখলে এর ভেতরের জীবাণু ধ্বংস হয় এবং ভ্যাপসা গন্ধ দূর হয়।

আরেকটি স্মার্ট কৌশল হলো সরাসরি কম্বল গায়ে না দিয়ে প্রথমে একটি পাতলা সুতি চাদর ব্যবহার করা এবং তার ওপর কম্বল নেওয়া। এতে শরীরের ঘাম বা ত্বকের মৃত কোষ সরাসরি কম্বলে লাগে না, ফলে দীর্ঘ সময় এটি পরিষ্কার থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন কম্বল দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে কড়া ডিটারজেন্ট এবং অত্যধিক গরম পানি এড়িয়ে চলাই ভালো। এই সহজ টোটকাগুলো অনুসরণ করলে এই পুরো শীতে কম্বল ধোয়ার কোনো প্রয়োজনই পড়বে না। ফলে বেঁচে যাবে আপনার সময় ও শ্রম, আর আপনি পাবেন প্রশান্তির ঘুম।

সূত্র : এই সময়


কম পরিশ্রমে বেশি সাফল্য, পোমোডোরো কৌশলে বদলান নিজের জীবন

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৪ ১১:০৫:৫৫
কম পরিশ্রমে বেশি সাফল্য, পোমোডোরো কৌশলে বদলান নিজের জীবন
ছবি : সংগৃহীত

বর্তমান দ্রুতগতির জীবনে সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে না পারা মানসিক চাপের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেরই মনে হয় দিন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং কাজের ডেডলাইন হঠাৎ সামনে এসে হানা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সময় ব্যবস্থাপনা কেবল একটি দক্ষতা নয়, বরং এটি জীবনকে সুন্দরভাবে গুছিয়ে নেওয়ার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে কম সময়ে বেশি কাজ শেষ করা, মনোযোগ বৃদ্ধি এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব।

সময়কে নিয়ন্ত্রণে আনার প্রথম ধাপ হলো 'আইজেনহাওয়ার ম্যাট্রিক্স' ব্যবহার করে কাজের অগ্রাধিকার ঠিক করা। এই পদ্ধতিতে কাজগুলোকে জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ—এই দুই ভিত্তিতে চার ভাগে ভাগ করা হয়। এর ফলে অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় নষ্ট হওয়া বন্ধ হয়। পাশাপাশি 'পোমোডোরো' কৌশল ব্যবহার করে ২৫ মিনিট টানা কাজ এবং ৫ মিনিটের স্বল্প বিরতি আপনার ক্লান্তি কমিয়ে কাজের মান বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। মাল্টিটাস্কিং এড়িয়ে একবার একটি কাজে মনোযোগ দিলে ভুলের পরিমাণ কমে এবং লক্ষ্য দ্রুত অর্জিত হয়।

সাফল্যের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণে 'SMART' (নির্দিষ্ট, পরিমাপযোগ্য, বাস্তবসম্মত, প্রাসঙ্গিক ও সময় নির্ধারিত) পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি। এছাড়া কাজগুলোকে দৃশ্যমান করতে 'মাইন্ড ম্যাপিং' বা চিত্রের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। আধুনিক প্রযুক্তির নানা অ্যাপ সময় ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হলেও অপ্রয়োজনীয় টুলের ব্যবহার হিতে বিপরীত হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের সক্ষমতার সীমা জানা এবং লক্ষ্যহীন কাজকে বিনয়ের সঙ্গে 'না' বলতে শেখা। মনে রাখবেন, সময় আপনার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ; আজ থেকেই একে গুরুত্ব দিলে আগামীর পথ হবে অনেক বেশি মসৃণ ও সফল।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত