তেহরান টাইমস-এর প্রতিবেদন
খামেনির জানাজায় জনস্রোত, তেহরানের বার্তা কী?

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির জানাজাকে কেন্দ্র করে তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লা রোববার পরিণত হয় শোক, রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় শক্তি প্রদর্শনের এক অভূতপূর্ব মঞ্চে। ইরানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লাখো মানুষ জানাজায় অংশ নেন। সকাল থেকেই মোসাল্লা প্রাঙ্গণ পূর্ণ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয়। এরপরও শোকাহত মানুষের ঢল থামেনি। আশপাশের সড়ক ও এভিনিউগুলোও পরিণত হয় বিশাল জনসমাবেশে।
জানাজায় ইমামতি করেন ইরানের জ্যেষ্ঠ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি। প্রথমে আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর একই হামলায় নিহত তাঁর পরিবারের চার সদস্যের জানাজা পড়ানো হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন খামেনির জামাতা ড. মেসবাহ আল-হোদা বাঘেরি কানি, তাঁর বড় মেয়ে সাইয়্যেদেহ বোশরা হোসেইনি খামেনি, ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মাদি গোলপায়েগানি এবং পুত্রবধূ জাহরা হাদ্দাদ আদেল।
ছোট্ট জাহরার কফিনটি খামেনির কফিনের পাশে রাখা হলে তা উপস্থিত জনতার আবেগকে আরও তীব্র করে তোলে। ইরানি রাষ্ট্রীয় বয়ানে এই দৃশ্যকে হামলাকারীদের নির্মমতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়। শোকানুষ্ঠানে খামেনির পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি দেশটির শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর ছেলে মাসউদ, মেইসাম ও মোস্তফা জানাজায় অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ, বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেন মোহসেনি এজেই, আইআরজিসি কমান্ডার মেজর জেনারেল আহমদ ওয়াহিদি এবং কুদস ফোর্সের কমান্ডার ইসমাইল কানি।
শোকের আবহের সঙ্গে সঙ্গে অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল প্রতিশোধের সুর। জনতার ভিড় থেকে ‘ডেথ টু আমেরিকা’ এবং ‘ডেথ টু ইসরায়েল’ স্লোগান ওঠে। মোসাল্লা প্রাঙ্গণে দেখা যায় লাল পতাকা ও ব্যানার। শিয়া ঐতিহ্যে লাল পতাকা নিহতের রক্তের প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। অনেক ব্যানারে লেখা ছিল ‘ইয়া লাসারাত আল-হুসাইন’ এবং ‘ইয়া লাসারাত আল-খামেনি’। কারবালায় ইমাম হুসাইনের শাহাদাতের ঐতিহাসিক স্মৃতিকে খামেনির হত্যার সঙ্গে যুক্ত করে এই প্রতীকী ভাষা ইরানি শোককে রাজনৈতিক প্রতিরোধের বয়ানে রূপ দেয়।
আয়াতুল্লাহ খামেনি ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তাঁর বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন বলে ইরানি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই হামলায় তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হন। তাঁর মরদেহ তিন দিন ধরে তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় রাখা হয়। এরপর কয়েক দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে জানাজা ও দাফনের কর্মসূচি শুরু হয়।
এই জানাজা শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছিল না। এটি ছিল ইরানি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক বার্তা প্রদানের মঞ্চও। তেহরান এই আয়োজনের মাধ্যমে নিজ জনগণকে দেখাতে চেয়েছে যে সর্বোচ্চ নেতার হত্যাকাণ্ডের পরও রাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে পড়েনি। মিত্রদের আশ্বস্ত করতে চেয়েছে যে ইরান এখনো সংগঠিত, দৃঢ় এবং কৌশলগতভাবে সক্রিয়। প্রতিপক্ষকে জানাতে চেয়েছে, শীর্ষ নেতৃত্বে আঘাত করেও ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে অচল করা যায়নি।
শুক্রবার বিদেশি প্রতিনিধিদের শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। উপস্থিত ছিলেন তুর্কমেনিস্তানের পিপলস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান গুরবানগুলী বের্দিমুহামেদভ, আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান, তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইমোমালি রহমান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট নেচিরভান বারজানি এবং ইরাক, আজারবাইজান, বেলারুশ, বাংলাদেশ, উজবেকিস্তান ও কিরগিজস্তানসহ বিভিন্ন দেশের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা। চীন, রাশিয়া, তুরস্ক, সৌদি আরব, কাতার, লেবানন, কিউবা, নামিবিয়াসহ আরও বহু দেশের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা, ডি-৮ এবং ওআইসির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
এই বিদেশি উপস্থিতি তেহরানের জন্য ছিল একটি কূটনৈতিক বার্তা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন দেখাতে চাইলেও, এত সংখ্যক রাষ্ট্র ও সংস্থার প্রতিনিধির উপস্থিতি ইরানের পক্ষে এক ধরনের প্রতীকী শক্তি প্রদর্শনে পরিণত হয়। তেহরান যেন দেখাতে চেয়েছে, সামরিক আঘাতের পরও তার আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বলয় অটুট।
জানাজা ও শোকানুষ্ঠান ঘিরে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার বার্তাও স্পষ্ট ছিল। নিরাপত্তা অধ্যয়নের ভাষায়, কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলার উদ্দেশ্য সাধারণত রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অচলাবস্থা সৃষ্টি করা। কিন্তু ইরান বহু দিনের আনুষ্ঠানিকতা, বিদেশি প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ, জনসমাবেশের ব্যবস্থাপনা এবং নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা প্রদর্শনের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছে যে দেশটির সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আকস্মিক আঘাত সামলাতে সক্ষম।
খামেনির মৃত্যুর পর নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা হোসেইনি খামেনির নেতৃত্ব গ্রহণের বিষয়টিও এই আনুষ্ঠানিকতার প্রেক্ষাপটে তুলে ধরা হয়। শীর্ষ রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বের একসঙ্গে উপস্থিতি ইঙ্গিত করে যে জাতীয় সংকটের মুহূর্তে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রগুলো অন্তত প্রকাশ্যে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিয়েছে।
শোকানুষ্ঠানের প্রতীকী ভাষাও ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। ‘ইয়া লাসারাত আল-খামেনি’ স্লোগানের মাধ্যমে খামেনির হত্যাকে শুধু রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নয়, বরং শিয়া প্রতিরোধ ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় স্থাপন করা হয়েছে। কারবালার স্মৃতিকে বর্তমান সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত করে ইরানি রাষ্ট্র শোককে একধরনের নৈতিক ও ধর্মীয় প্রতিরোধে রূপ দিতে চেয়েছে। বিশেষ করে শিশুনাতনির কফিনের উপস্থিতি এই বয়ানকে আরও আবেগঘন করে তোলে। সাধারণ শোক তখন পরিণত হয় প্রতিরোধ, প্রতিশোধ ও জাতীয় সংহতির ভাষায়।
ইরানের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য এই অনুষ্ঠান ছিল আরেকটি বার্তা। তেহরান দেখাতে চেয়েছে, নেতৃত্বে আঘাত এলেও তার কৌশলগত অবস্থান বদলায়নি। ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’ বা প্রতিরোধ অক্ষের প্রতি ইরানের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। ফিলিস্তিন, লেবানন, ইয়েমেন, ইরাক ও অন্যান্য মিত্র বলয়ের প্রতি এই বার্তা ছিল স্পষ্ট: নেতৃত্ব বদলালেও নীতি বদলায়নি।
এই সপ্তাহজুড়ে শোক ও জানাজার আনুষ্ঠানিকতা চলবে। সোমবার তেহরানে মূল শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। মঙ্গলবার কুম শহরে স্মরণসভা হবে। বুধবার মরদেহ ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়ার কথা, যেখানে ইমাম আলী ও ইমাম হুসাইনের পবিত্র মাজার অবস্থিত। ইরাকি আয়োজক কমিটির মুখপাত্র সাদ মান জানিয়েছেন, ইরাকেও লাখো মানুষ জানাজা ও শোকযাত্রায় অংশ নিতে পারেন। নিরাপত্তা ও সেবামূলক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। ইরাকের আনুষ্ঠানিকতার পর বৃহস্পতিবার মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে এবং খামেনির নিজ শহর মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে।
এই শোকযাত্রার ভৌগোলিক বিস্তারও তাৎপর্যপূর্ণ। তেহরান, কুম, নাজাফ, কারবালা ও মাশহাদ, শিয়া বিশ্বের পবিত্র ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই স্থানগুলোর মধ্য দিয়ে খামেনির শেষ যাত্রা ইরানের ধর্মীয় ও আঞ্চলিক প্রভাবের মানচিত্রকেও সামনে আনে। এটি কেবল একটি জানাজা নয়; বরং শিয়া পবিত্র ভূগোল, আঞ্চলিক মিত্রতা এবং ইরানের প্রতিরোধ রাজনীতির প্রতীকী পুনর্পাঠ।
সব মিলিয়ে আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা ইরানের জন্য শোকের পাশাপাশি ক্ষমতা, স্থিতিশীলতা ও কৌশলগত বার্তা প্রদানের একটি বড় আয়োজন হয়ে উঠেছে। জনসমাবেশ দিয়ে ইরান দেখিয়েছে তার সমাজ এখনো রাষ্ট্রের আহ্বানে সাড়া দিতে সক্ষম। বিদেশি প্রতিনিধিদের উপস্থিতি দিয়ে দেখিয়েছে, দেশটি বিচ্ছিন্ন নয়। নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা দিয়ে বোঝাতে চেয়েছে, শাসনব্যবস্থা অচল হয়নি। আর ধর্মীয় প্রতীকের মাধ্যমে শোককে রূপ দিয়েছে প্রতিরোধের রাজনৈতিক ভাষায়।
তাই তেহরানের এই জানাজা শুধু একজন নেতার বিদায় নয়। এটি ছিল যুদ্ধোত্তর ইরানের আত্মপ্রতিকৃতি: ক্ষতবিক্ষত, ক্রুদ্ধ, শোকাহত, কিন্তু নিজেকে অটুট ও অপ্রতিরোধ্য হিসেবে তুলে ধরতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
ট্রাম্প সীমা ছাড়লে রক্ষা পাবে না ইউরোপের লক্ষ্যবস্তুও: তেহরানের বার্তা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি চলমান সংঘাতের পরিধি আরও বাড়িয়ে দেন, তবে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপ মহাদেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও হামলা চালানোর চিন্তাভাবনা করছে ইরান। যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী দৈনিক ‘ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস’-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
তেহরানের উচ্চপর্যায়ের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে পত্রিকাটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করে, তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলার ক্ষেত্রগুলো ইতোমধ্যেই মূল্যায়ন করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় বুলগেরিয়ার মতো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর নাম রয়েছে, যারা সম্প্রতি মার্কিন জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানের জন্য নিজেদের বেজমিয়ার বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল। এছাড়া সাইপ্রাসকেও সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যেখানে চলতি বছরের মার্চে একটি ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছিল।
কেবল ইউরোপের সামরিক স্থাপনাতেই সীমাবদ্ধ না থেকে, যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির তলদেশে থাকা ফাইবার-অপটিক ক্যাবলগুলোতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও খতিয়ে দেখছে ইরানি বাহিনী।
ইরানের সংশ্লিষ্ট সূত্রটি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে জানিয়েছে, ট্রাম্প যদি ইরানের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোতে হামলা চালানোর হুমকি কার্যকর করেন, তবে আত্মরক্ষার্থে সংঘাত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার সব ধরনের বিকল্প খোলা রাখছে তেহরান। তাদের স্পষ্ট বার্তা—যুক্তরাষ্ট্র সীমা অতিক্রম করলে আঞ্চলিক সীমা ছাড়িয়ে ইউরোপ পর্যন্ত পাল্টা আঘাত হানা হবে।
এমন এক প্রেক্ষাপটে এই তথ্য প্রকাশ্যে এলো যখন হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে কূটনৈতিক আলোচনা কার্যত থমকে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন যে, তেহরানের সঙ্গে এই মুহূর্তে কোনো আলোচনা চলছে না এবং অদূর ভবিষ্যতেও বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা নেই।
অপরদিকে ইরান আগেই ঘোষণা দিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে হামলা চালাতে যেসব ঘাঁটি ব্যবহার করা হবে, সেগুলোকেই সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হবে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের ভাণ্ডারে রয়েছে। উল্লেখ্য, সংঘাত নিরসনে গত জুন মাসে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও পারস্পরিক চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে তা ভেঙে পড়ে এবং নতুন কোনো সমঝোতার পথও তৈরি হয়নি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
পাঁচ দশকের সব রেকর্ড ভাঙল হরমুজ সংকট, জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা
২০২৬ সালের মার্চে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বিশ্ব তেল সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কার সৃষ্টি হয়েছে। ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টের প্রকাশিত তালিকার বরাতে ইরাকি বার্তা সংস্থা শাফাক নিউজ জানিয়েছে, এ সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ হ্রাস পায়।
গত পাঁচ দশকের বড় বড় যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক সংকটের তুলনায় বর্তমান হরমুজ সংকটের মাত্রা অনেক বেশি। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৯৭৮-৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের সময় দৈনিক সরবরাহ কমেছিল প্রায় ৫৬ লাখ ব্যারেল, যা তালিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম সংকট। এছাড়া ১৯৭৩ সালের আরব তেল অবরোধ ও ১৯৯০ সালে কুয়েতে ইরাকের হামলার সময় দৈনিক সরবরাহ কমেছিল ৪৩ লাখ ব্যারেল করে। ১৯৮০-৮১ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধে ৪১ লাখ, ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধে ২৩ লাখ এবং ২০১১ সালের লিবিয়া গৃহযুদ্ধের সময় প্রায় ১৫ লাখ ব্যারেল দৈনিক তেল সরবরাহ হ্রাস পেয়েছিল।
বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর ইরানের আরোপিত নিষেধাজ্ঞায় প্রণালিটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে। মাঝে ১৮ জুন সাময়িক সমঝোতায় নৌপথটি কিছুটা সচল হলেও সামরিক উত্তেজনা পুনরুজ্জীবিত হওয়ায় তা আবার বন্ধ হয়ে যায়। তেহরান অবশ্য জোর দিয়ে দাবি করেছে, কৌশলগত এ জলপথটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতেই রয়েছে।
সূত্র: শাফাক নিউজ
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মাঝে কিম জং উনের প্রতি ট্রাম্পের বার্তা
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার নতুন ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই দ্বিমুখী কূটনৈতিক অবস্থানের তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিমের প্রশংসা করার পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে নির্ধারিত ১১ দিনের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ সীমিত করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিতে সিউলের অস্বীকৃতি এবং যুক্তরাষ্ট্রে ঘোষিত ৩৫০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ বাস্তবায়নে ধীরগতির কারণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন। একই সময়ে তিনি কিমের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে ফেরার স্পষ্ট আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
তবে বিশ্লেষকরা ট্রাম্পের এই পররাষ্ট্রনীতির কঠোর সমালোচনা করছেন। জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রবার্ট লিটওয়াক ও জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ভিক্টর চা উল্লেখ করেছেন, পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের দ্বারপ্রান্তে থাকা ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন যখন যুদ্ধে লিপ্ত, তখন সরাসরি মার্কিন ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম পারমাণবিক শক্তিধর উত্তর কোরিয়ার নেতাকে তোষণের চেষ্টা করা চরম বৈপরীত্য।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাবেক কূটনীতিকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সমর্থনে সেনা পাঠানো এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়া বর্তমান কিম জং উন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী নন। বরং ইরানের ওপর চলমান হামলা দেখে পিয়ংইয়ং এটিই বার্তা পাচ্ছে যে, আত্মরক্ষার জন্য পারমাণবিক শক্তি জোরদার করাই তাদের জন্য সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।
/আশিক
নেতাদের জুয়ার মূল্য নগদে শোধ করছে মার্কিন পরিবারগুলো: ইরান
ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের নেওয়া বৈরী নীতির আর্থিক বোঝা ও মার্কিন নেতাদের ভুল সিদ্ধান্তের মূল্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ পরিবারগুলোকে দিতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির আন্তর্জাতিকবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আলি আকবর ভেলায়াতি। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ভূরাজনৈতিক ও আঞ্চলিক সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-এর বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধ নীতির অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে কথা বলেন ভেলায়াতি। তিনি উল্লেখ করেন, একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধ নিয়ে গর্ব করছেন, অন্যদিকে স্বয়ং মার্কিন সিনেটর জন কর্নিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার লাগামহীন ব্যয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
১৯৫৩ সালের ১৯ আগস্ট (ইরানি ক্যালেন্ডারে ২৮ মোরদাদ) ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানের—যার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেকের নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল—৭৩তম বার্ষিকীর প্রাক্কালে ভেলায়াতি এ মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, সাত দশকেরও বেশি সময় পর আজ আঞ্চলিক ক্ষমতার সমীকরণ পুরোপুরি বদলে গেছে এবং মার্কিন নেতাদের ঝুঁকিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির আর্থিক মাশুল সাধারণ আমেরিকান নাগরিকদেরই জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির মাধ্যমে সরাসরি পরিশোধ করতে হচ্ছে।
সুত্র : আইআরএনএ
অবিলম্বে সাদা পতাকা তুলে আত্মসমর্পণ করুক ইরান: ট্রাম্প
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে দেশটিকে কালবিলম্ব না করে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন, সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত না করে তেহরানের উচিত দ্রুত ‘আত্মসমর্পণের সাদা পতাকা’ তুলে ধরা।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক ভূরাজনৈতিক ও সামরিক প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করে ট্রাম্প জানান, বিদ্যমান বাস্তবতায় সংঘাত বাড়িয়ে যাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই এবং সংকট নিরসনে তেহরানের আত্মসমর্পণের পথ বেছে নেওয়াই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত হবে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চরম উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বার্তা বৈশ্বিক কূটনীতিতে নতুন চাপ তৈরি করেছে, যা বিশ্লেষকদের মতে পুরো মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও স্পর্শকাতর করে তুলতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা।
বরফ গলে নতুন রুট: সুয়েজ ও হরমুজকে কি টেক্কা দিতে পারবে চীন-রাশিয়া?
সুয়েজ খাল ও হরমুজ প্রণালির ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এবং দীর্ঘ দূরত্বের বিকল্প হিসেবে আর্কটিক অঞ্চলের ‘নর্দার্ন সি রুট’ (এনএসআর) দিয়ে নিয়মিত বাণিজ্যিক জাহাজ পরিচালনা শুরু করেছে চীন। বরফাচ্ছাদিত রাশিয়ার উত্তর উপকূল ঘেঁষা ৫ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নৌপথটি চীন ও ইউরোপের মধ্যকার সমুদ্রযাত্রার সময় প্রায় অর্ধেকে কমিয়ে আনলেও এর বিপরীতে পরিবেশগত বিপর্যয় ও নানামুখী পরিচালন ঝুঁকির প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।
চীনের শিপিং প্রতিষ্ঠান ‘সি লেজেন্ড’ সম্প্রতি এই পথে নিয়মিত কনটেইনার পরিবহন শুরু করেছে। প্রচলিত সুয়েজ খাল রুটে চীনের নিংবো-ঝৌশান বন্দর থেকে যুক্তরাজ্যের ফেলিক্সস্টো পৌঁছাতে যেখানে ৪০ দিনের বেশি সময় লাগে, সেখানে এই আর্কটিক রুটে সময় লাগছে মাত্র ১৮ দিন। যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত হওয়ায় এটি বিশেষ করে চীনের প্রধান রপ্তানি পণ্য—যেমন বৈদ্যুতিক যান (ইভি), লিথিয়াম ব্যাটারি ও সৌর প্যানেলের মতো তাপমাত্রাসংবেদনশীল পণ্যের দ্রুত সরবরাহে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
২০১৭ সালে ঘোষিত প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ‘পোলার সিল্ক রোড’ রূপরেখার অংশ হিসেবে এবং ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় থাকা রাশিয়ার সাথে বেইজিংয়ের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির ফলে রুটটির ব্যবহার গতি পেয়েছে। রুশ রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা 'রোসাটম' এই জলপথে জাহাজ চলাচলের অনুমতি ও পারমাণবিক শক্তিচালিত বরফভাঙা জাহাজের সহায়তা দিচ্ছে।
তবে সময় ও কার্বন নিঃসরণ কমার সুবিধার বিপরীতে পরিবেশবিদরা মারাত্মক আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। আর্কটিকের অতি সংবেদনশীল পরিবেশে কোনো জাহাজ দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তেল ছড়িয়ে পড়লে তা অপসারণ প্রায় অসম্ভব। ভারী জ্বালানি থেকে নির্গত কালো কার্বন বরফে জমে সূর্যের আলো শোষণ বাড়ায়, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও বরফ গলার গতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে।
এছাড়া যথাযথ বিমা ও তদারকিহীন রাশিয়ার ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা নিষেধাজ্ঞা এড়ানো প্রায় ১০০টি জাহাজের এই রুটে চলাচল ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান, উদ্ধারকাজে দীর্ঘসূত্রতা ও সীমিত মৌসুমের কারণে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন—সম্ভাবনা থাকলেও এই মুহূর্তে নর্দার্ন সি রুট সুয়েজ খাল বা হরমুজ প্রণালির পূর্ণাঙ্গ বিকল্প হতে পারছে না।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
ট্রাম্পের মেয়াদে আর্থিক পরিস্থিতির অবনতি: মার্কিন জরিপে চাঞ্চল্যকর তথ্য
যুক্তরাষ্ট্রে আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রকাশিত এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দেশটির অর্ধেকেরও বেশি নাগরিকের আর্থিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের সহায়তায় লন্ডনভিত্তিক অরাজনৈতিক গবেষণা সংস্থা ফোকালডাটা এই জরিপটি পরিচালনা করে।
জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, ৫৩ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার জানিয়েছেন যে ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আগের চেয়ে খারাপ হয়েছে। এর মধ্যে ৫৭ শতাংশ নির্দলীয় ভোটার এবং প্রায় এক-চতুর্থাংশ রিপাবলিকান সমর্থক রয়েছেন। এছাড়া জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার মনে করেন মার্কিন অর্থনীতি বর্তমানে ভুল পথে পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে মাত্র ২৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন এটি সঠিক পথে রয়েছে।
মুদ্রাস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং কর্মসংস্থান মোকাবিলার ক্ষেত্রে ভোটাররা ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের তুলনায় ডেমোক্র্যাটদের ওপর বেশি আস্থা প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকায় ৬৪ শতাংশ ভোটার সরাসরি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সামগ্রিকভাবে প্রেসিডেন্টের কাজের প্রতি ৫৫ শতাংশ মানুষ অনাস্থা জানিয়েছেন এবং তাঁর নিজ দল রিপাবলিকানদের মধ্যেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৮ শতাংশ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।
আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে কাকে সমর্থন করবেন—এমন প্রশ্নে ৪৪ শতাংশ ভোটার ডেমোক্র্যাটদের এবং ৩৯ শতাংশ রিপাবলিকানদের প্রতি সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। জরিপের বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটরা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা দলটির জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
মূল্যস্ফীতি ও প্রকৃত মজুরি হ্রাসের প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের অসন্তোষের মুখে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেশাই। তিনি দাবি করেন, সরকার প্রেসক্রিপশন ওষুধের দাম কমানো, দেশে কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনা এবং কর হ্রাসের মাধ্যমে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় রয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে সরকার উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বলেও তিনি জানান।
গত ৭ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত ১ হাজার ৯১৩ জন নিবন্ধিত ভোটারের মতামতের ভিত্তিতে এই জরিপটি পরিচালিত হয়।
সূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
ইরানকে পরমাণু অস্ত্রহীন রাখতে বাড়তি তেলের দামও মেনে নেওয়া যায়: ট্রাম্প
ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য মেনে নেওয়ার জন্য আমেরিকানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানকে ‘ভীষণ শয়তান’ আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নস্যাৎ করাই চলমান সামরিক অভিযানের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য।
অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নাকচ করে ওয়াশিংটনকে পরাজয়ের বাস্তবতা মেনে নেওয়ার বার্তা দিয়েছে তেহরান। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে স্পষ্ট করেছেন, যুদ্ধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতেই থাকবে এবং এই জলপথ দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা ইরানবিরোধী সামরিক সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা কেপলার জানিয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে ১৩০টির বেশি জাহাজ চলাচল করলেও শুক্রবার মাত্র দুটি জাহাজ এ প্রণালি অতিক্রম করেছে, যার কোনোটিতেই অপরিশোধিত তেল ছিল না।
নিউইয়র্কের গার্ডেন সিটিতে এক রাজনৈতিক সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় গ্যাসোলিনের জন্য কিছুটা বাড়তি ব্যয় করা অযৌক্তিক নয়। আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের হিসাবে, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে প্রতি গ্যালন গ্যাসোলিনের গড় দাম ৪.০৮ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২৯ শতাংশ বেশি। এই মূল্যবৃদ্ধি অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ও আসন্ন কংগ্রেস নির্বাচনের আগে ভোটারদের মধ্যে অস্বস্তি বাড়াচ্ছে। একই সময়ে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক সপ্তাহে ৬ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই তেলের দাম ৫.৪ শতাংশ বেড়েছে।
এদিকে যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে ইরানেও অর্থনৈতিক সংকট তীব্র হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অভ্যন্তরীণ উচ্চ মূল্যস্ফীতির জন্য মার্কিন বন্দর অবরোধ ও তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করেছেন। বিপরীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট আগামী সপ্তাহেই তেহরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সার্বিকভাবে কূটনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় জুনে যুদ্ধ বন্ধের যে আলোচনা চলছিল, তা এখন পুরোপুরি ভেস্তে গেছে।
সূত্র : রয়টার্স।
১৯৫৩ সালের পর আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি? উত্তর কোরিয়ার কোর্টে বল ঠেলল দক্ষিণ কোরিয়া
দীর্ঘদিনের বৈরিতা দূর করে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে প্রতিবেশী উত্তর কোরিয়াকে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং। ১৯৫৩ সালে একটি অস্ত্রবিরতি চুক্তির মাধ্যমে কোরীয় যুদ্ধ থামলেও, কৌশলগত ও কাগজে-কলমে উভয় দেশ এখনও যুদ্ধরত অবস্থায় রয়েছে। জাপানি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তি দিবসের ভাষণে এই ঐতিহাসিক আহ্বান জানান তিনি।
প্রেসিডেন্ট লি উল্লেখ করেন, দুই দেশের অসামরিকীকৃত সীমান্ত এলাকায় (ডিএমজেড) যেকোনো ধরনের উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাত রোধে নতুন নিরাপত্তা রূপরেখা প্রণয়ন করা আবশ্যক। একই সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে সরাসরি আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। তার প্রশাসন চায় উভয় দেশই পারস্পরিক ক্ষতিসাধনের মনোভাব ত্যাগ করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতিতে ফিরে আসুক।
গত বছর সিউলের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই উত্তর কোরিয়া ও চীনের সাথে কূটনৈতিক ও আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন লি জে-মিয়ং। ২০২২ সালে পিয়ংইয়ং নিজেদেরকে পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দেয় এবং কোনো অবস্থাতেই নিরস্ত্রীকরণে যাবে না বলে কঠোর অবস্থানে থাকে। অবশ্য প্রেসিডেন্ট লি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার মতো বাস্তবসম্মত চুক্তিতে তার সরকার সমর্থন দিতে প্রস্তুত।
তবে দক্ষিণ কোরিয়ার এই শান্তি প্রস্তাবের ব্যাপারে পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। বরং প্রস্তাবের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার সমুদ্র অভিমুখে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে উত্তর কোরিয়া, যা চলতি বছরে তাদের পরিচালিত ১১তম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা।
সূত্র: বিবিসি।
পাঠকের মতামত:
- জামায়াত সুযোগ পেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে: নুর
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি ছয় সংসদ সদস্য
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত মির্জা ফখরুল, অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন শফিকুর রহমান
- অলি আহমদকে হারিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী মির্জা ফখরুল
- সরকারি অনুদানের চেক গ্রহণ করলেন রেসডোর চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ
- অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী টেস্টের আগে ডোনাল্ডের মূল্যায়ন
- গ্যাস সরবরাহে আবারও বড় ধরনের বিপর্যয়
- ইসলাম গ্রহণের গুঞ্জনের মধ্যে কার্লোসের জন্য ড. ইয়াসির আদ-দোসারির দোয়া
- ইউটিউব কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য আসছে বড় পরিবর্তন
- অশ্রুসিক্ত বিদায়ী বক্তব্যে দল ও দেশের প্রতি অঙ্গীকার মির্জা ফখরুলের
- ট্রাম্প সীমা ছাড়লে রক্ষা পাবে না ইউরোপের লক্ষ্যবস্তুও: তেহরানের বার্তা
- ১৮০ দিনের কার্যক্রমে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের অ্যাপ্রুভাল রেটিং প্রকাশ
- চালকহীন পরিবহনে টেসলার নতুন পদক্ষেপ
- দুরেফিশানকে নিয়ে নেটপাড়ায় কটূক্তি, পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা দিলেন হানিয়া
- ভারতের সঙ্গে সমমর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ: রিজভী
- ফেডের সুদের হার ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম
- ১ জুলাই থেকে কার্যকরের কথা থাকলেও পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে ধোঁয়াশা
- জাতীয় পর্যায়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনের ব্যাপক উদ্যোগ
- দীর্ঘ তিন দশক পর রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের প্রস্তুতি
- ছয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
- আইন পেশার উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের বার্তা
- আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়া নিয়ে অধিদপ্তরের নতুন বার্তা
- বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক ও জ্বালানি সরবরাহ পর্যালোচনার আশ্বাস ভারতের
- প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য
- স্মার্টফোন চার্জে দেওয়ার সময় যেসব সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলবেন
- আবারও ‘ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো’: পাইরেটস ফ্র্যাঞ্চাইজিতে ফিরছেন জনি ডেপ?
- পাঁচ দশকের সব রেকর্ড ভাঙল হরমুজ সংকট, জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা
- দুপুরের আকাশে জ্বলজ্বল করবে তারা: বিরল সূর্যগ্রহণে রেকর্ড গড়বে লুক্সর
- বিআরটিসির ‘পিংক বাসে’ এবার স্টারলিংকের হাই-স্পিড স্যাটেলাইট ইন্টারনেট
- মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মাঝে কিম জং উনের প্রতি ট্রাম্পের বার্তা
- তারেক রহমানের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই, দেশেই সব উৎসর্গ: রিজভী
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর দামের সর্বশেষ পরিস্থিতি
- শিক্ষকদের পে স্কেল পর্যালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী
- ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে এবার বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী
- ডলার সংকটের মুখে অবিশ্বাস্য সুখবর: রেমিট্যান্স বাড়ল ৩২ শতাংশেরও বেশি!
- নেতাদের জুয়ার মূল্য নগদে শোধ করছে মার্কিন পরিবারগুলো: ইরান
- সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা অসম্ভব: বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ
- বাণিজ্য বাধা দূর করতে ঢাকায় ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল
- ২০২৮-২৯ থেকে নতুন অর্থবছর: ৯ মাসের অন্তর্বর্তী বাজেট ২০২৭-২৮ অর্থবছরে
- মক্কা-মদিনায় হজযাত্রীদের আবাসন নিয়ে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নতুন নিয়ম
- সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টের পারফরম্যান্স জানাবে গুগল সার্চ কনসোল
- অনুমতি ছাড়া মিছিলের চেষ্টা: হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩ নেতা আটক
- সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে চরমোনাই পীরের ৬ দফা পরামর্শ
- বদলে যাচ্ছে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম: আসছে একগুচ্ছ বড় পরিবর্তন
- অবিলম্বে সাদা পতাকা তুলে আত্মসমর্পণ করুক ইরান: ট্রাম্প
- বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ হচ্ছে ভিসা নীতি: শিক্ষামন্ত্রী
- দেশের ১৫ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির নতুন পূর্বাভাস
- বরফ গলে নতুন রুট: সুয়েজ ও হরমুজকে কি টেক্কা দিতে পারবে চীন-রাশিয়া?
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন মোহাম্মদ বিন সালমান
- নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ
- ছয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
- দেশজুড়ে বিশেষ নজরদারি! ১৫ আগস্ট ঘিরে নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করছে র্যাব
- দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ও আবহাওয়া দপ্তরের নতুন নির্দেশনা
- ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ টেনে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল ইরান
- গ্যাস সংকটের কারণে কুবির হল-ক্যাফেটেরিয়ায় রান্না বন্ধ, বিপাকে শিক্ষার্থীরা
- লোডশেডিং মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই: জ্বালানি মন্ত্রী
- দীর্ঘ ২৩ বছরের উপস্থিতির ইতি, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক ছাড়ছে সব মার্কিন সেনা
- কুষ্টিয়ায় জামায়াত ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষ: এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা
- কালিগঞ্জে দুই সন্তানের জননী নিখোঁজ, স্বজনদের উদ্বেগ
- দিনে-রাতে দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট, থমকে গেছে জনজীবন
- অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশ, মুশফিকের নতুন রেকর্ড
- কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে যেসব অভ্যাস বর্জনীয়
- জননিরাপত্তা নিশ্চিতে রায়পুরা থানায় দুটি পুলিশ ভ্যান দিলেন এমপি বকুল
- মধ্যরাতের মধ্যে যেসব এলাকায় ৬০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে
- সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে চরমোনাই পীরের ৬ দফা পরামর্শ








