বেকিং সোডা ও পাউডার: রান্নার সফলতার দুই গোপন যোদ্ধা

রান্নার জগতে বেকিং পাউডার ও বেকিং সোডার ভূমিকা অপরিসীম। বিশেষত কেক, প্যানকেক, বিস্কুট, ব্রেডসহ বিভিন্ন বেকড খাবারে এই দুই উপকরণ খাবারের গঠন, স্বাদ ও টেক্সচারে প্রভাব ফেলে। যদিও বহুলাংশে মানুষ এই দুই উপকরণকে এক মনে করে ব্যবহার করেন, তবে তাদের রাসায়নিক গঠন, কাজের পদ্ধতি ও প্রয়োগে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। রান্নায় সঠিক ফল পেতে হলে এই পার্থক্য বোঝা এবং উপযুক্ত উপকরণ নির্বাচন করা খুব জরুরি।
বেকিং সোডা: রাসায়নিক এবং ব্যবহারিক দিক
বেকিং সোডা, যাকে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট (NaHCO₃) বলা হয়, একটি রসায়নিক যৌগ যা নিজের মধ্যে কোনো অ্যাসিডীয় উপাদান বহন করে না। অর্থাৎ, এটি একটি ক্ষারীয় পদার্থ। নিজে থেকে বেকিং সোডার মধ্যে থাকা যৌগগুলো কোনো রিয়েকশন শুরু করতে পারে না; এর জন্য প্রয়োজন হয় কোনো অ্যাসিড জাতীয় পদার্থ। রান্নায় সাধারণত বেকিং সোডা ব্যবহার করার সময় এর সঙ্গে লেবুর রস, ভিনেগার, দই, মাখন, বা অন্যান্য অ্যাসিডযুক্ত উপাদান মেশানো হয়। এই অ্যাসিড ও বেকিং সোডার মিথস্ক্রিয়া থেকে কার্বন-ডাই অক্সাইড (CO₂) গ্যাস নির্গত হয়, যা খাবারের ভিতর বুদবুদ তৈরি করে খাবার ফোলাতে ও হালকা করে তোলে।
বেকিং সোডা ব্যবহারে খাবারের বেসিক স্বাদ ও ঘরোয়া গন্ধের ভারসাম্য বজায় থাকে, তবে অতিরিক্ত প্রয়োগ করলে খাবার তিক্ত বা লবণাক্ত হয়ে যেতে পারে, যা খাবারের স্বাদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আরেকটি বিষয় হলো বেকিং সোডা ত্বকে বা শরীরে অতিরিক্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে, যদিও রান্নায় ব্যবহৃত পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য।
বেকিং পাউডার: রাসায়নিক গঠন ও কার্যপ্রণালী
বেকিং পাউডার হলো বেকিং সোডার একটি প্রস্তুত মিশ্রণ, যেখানে ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় অ্যাসিডীয় উপাদান মেশানো থাকে। বেকিং পাউডারে সাধারণত থাকে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট, খাদ্যগুণসম্পন্ন অ্যাসিড (যেমন টার্টার ক্রিম বা সোডিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট), এবং একটি শুষ্ক উপাদান যা মিশ্রণকে শুকনো ও স্থিতিশীল রাখে। এর ফলে বেকিং পাউডার ব্যবহার করার সময় আলাদাভাবে কোনো অ্যাসিড যোগ করার প্রয়োজন হয় না।
বেকিং পাউডার আর্দ্রতা বা গরমের সংস্পর্শে আসলেই এর ভেতরের রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু হয় এবং তৎক্ষণাৎ কার্বন-ডাই অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়, যা রান্নার খাদ্যকে ফোলানো ও নরম করে তোলে। এটি রান্নায় দ্রুত ফলাফল দেয় এবং বিশেষত বিস্কুট, কেক, প্যানকেক বা কর্ন ব্রেড তৈরিতে জনপ্রিয়।
ব্যবহার ও পরিমাণে পার্থক্য
বেকিং সোডা ও বেকিং পাউডারের ব্যবহারে বড় একটি পার্থক্য হলো পরিমাণ এবং অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে সমন্বয়। বেকিং সোডা তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী অ্যাসিড-ক্ষার বিক্রিয়া ঘটায়, তাই এর পরিমাণ খুব কম ব্যবহার করা হয়। বিপরীতে, বেকিং পাউডারে অ্যাসিড ও ক্ষারের ভারসাম্য থাকে, তাই এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ বিক্রিয়া প্রদান করে।
যদি কোনও রেসিপিতে বেকিং সোডার বদলে বেকিং পাউডার ব্যবহার করতে হয়, তাহলে প্রায় তিনগুণ বেকিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ, ১ চা চামচ বেকিং সোডার জায়গায় ৩ চা চামচ বেকিং পাউডার দরকার। অতিরিক্ত বেকিং পাউডার ব্যবহারে খাবারে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে স্বাদ খারাপ হতে পারে, সুতরাং পরিমিত ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।
বেকিং পাউডারে সোডিয়ামের পরিমাণ বেকিং সোডার তুলনায় বেশি থাকে, যার কারণে বেকিং পাউডার বেশি পরিমাণে ব্যবহৃত হলে খাবারের লবণাক্ত স্বাদ বেড়ে যেতে পারে।
রান্নায় কিভাবে ব্যবহার করবেন?
বেকিং সোডা: প্রাকৃতিক বা অতিরিক্ত অ্যাসিডযুক্ত উপাদানের সঙ্গে ব্যবহার করা হয়। যেমন—লেবুর রস, ভিনেগার, দই, মাখন। বেকিং সোডা রান্নায় ফেনা তুলতে ও খাবারকে হালকা ও নরম করতে সাহায্য করে। তবে সবসময় কম পরিমাণে ব্যবহার করুন, কারণ অতিরিক্ত বেকিং সোডা স্বাদে বিরূপ প্রভাব ফেলে।
বেকিং পাউডার: প্রাকৃতিক অ্যাসিড না থাকলেও এটি নিজেই অ্যাসিডীয় উপাদান বহন করে। তাই বেকিং পাউডার ব্যবহারের জন্য আলাদাভাবে অ্যাসিড যোগ করার দরকার পড়ে না। এটি কেক, প্যানকেক, বিস্কুট, কর্ন ব্রেড তৈরিতে বেশি ব্যবহৃত হয়।
বাড়িতে বেকিং পাউডার তৈরি করার সহজ উপায়
বাড়িতে যদি বেকিং পাউডার না থাকে, তবে বেকিং সোডা ও টার্টার ক্রিম মিশিয়ে ঘরোয়া বেকিং পাউডার তৈরি করা যায়। সাধারণত, ১ চা চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে ২ চা চামচ টার্টার ক্রিম ভালোভাবে মিশিয়ে রাখা হয়। রান্নার সময় প্রয়োজন অনুসারে এই মিশ্রণ ব্যবহার করলে বেকিং পাউডারের মতো কার্যকর ফল পাওয়া যায়।
অন্যান্য তথ্য ও সতর্কতা
- বেকিং পাউডার ব্যবহার করে ক্লাব সোডার মত স্নিগ্ধ পানীয়ও তৈরি করা যায়, যা দুধ বা অন্যান্য তরল পদার্থে ফেনা তৈরি করে।
- রান্নায় ব্যবহৃত বেকিং সোডার অতিরিক্ত ব্যবহার খাদ্যের স্বাদ নষ্ট করে তোলে এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই সবসময় রেসিপির নির্দেশনা মেনে উপকরণের পরিমাণ ঠিক রাখতে হবে।
- রান্নায় বেকিং পাউডার ও বেকিং সোডা একে অপরের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে গেলে অনুপাত এবং প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করা আবশ্যক।
সফল রান্নায় বেকিং পাউডার ও বেকিং সোডার সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসায়নিক গঠন, কার্যপ্রণালী ও ব্যবহারের পার্থক্য বোঝার মাধ্যমে রান্নার স্বাদ, গঠন ও গুণগত মান বাড়ানো সম্ভব। রান্নাঘরের প্রতিটি অভিজ্ঞ রাঁধুনির উচিত এই বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা, যাতে তারা তাদের খাবারকে নিখুঁত ও সুস্বাদু করতে পারেন। সঠিক পরিমাণ ও প্রয়োগ নিশ্চিত করাই খাবারের স্বাদ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার মূল চাবিকাঠি।
গরুর মাংসের একঘেয়েমি কাটাতে ট্রাই করুন এই স্পেশাল ভুনা রেসিপি
সবাই তো সাধারণ কায়দায় গরুর মাংস রান্না করেন, তবে একটু ভিন্ন স্বাদে এবং রেস্টুরেন্ট স্টাইলে টমেটোর টক-ঝাল ফ্লেভারে রান্না করলে তা মুখে লেগে থাকবে অনেকদিন। ঝটপট এবং সহজ পদ্ধতিতে 'টমেটো-বিফ কারি' বা ভিন্ন ঘরানার গরুর মাংস ভুনার এই রেসিপিটি আপনার দুপুরের বা রাতের খাবারে নিয়ে আসবে রাজকীয় স্বাদ। উপকরণের তালিকা এবং বিস্তারিত প্রস্তুত প্রণালি দেওয়া হলো
উপকরণসমূহ
মাংস রান্নার জন্য যা যা প্রয়োজন: গরুর মাংস ১ কেজি, পাকা টমেটো টুকরা (৩-৪টি), পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, আদা ও রসুনবাটা ২ টেবিল চামচ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, আস্ত শুকনা মরিচ (৭-৮টি), স্বাদমতো লবণ ও সামান্য চিনি, সয়াবিন তেল (প্রয়োজনমতো) এবং সাজানোর জন্য লাল কাঁচা মরিচ ফালি (৫-৬টি)।
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে মাংসগুলো ভালো করে পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একটি বড় কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজকুচি দিন এবং বাদামি করে ভেজে নিন। পেঁয়াজ ভাজা হলে এতে সব বাটা মসলা (আদা-রসুন), গুঁড়া মরিচ, ধনেগুঁড়া, আস্ত শুকনা মরিচ এবং স্বাদমতো লবণ দিয়ে সামান্য পানি দিয়ে মশলাটি খুব ভালোভাবে কষিয়ে নিন। মসলা কষানো হলে এতে পানি ঝরিয়ে রাখা গরুর মাংসগুলো দিয়ে দিন এবং কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে ভালো করে কষান।
মাংসের গায়ে মসলা মাখা-মাখা হয়ে এলে তাতে কেটে রাখা টমেটোর টুকরাগুলো দিয়ে দিন। এরপর টমেটোসহ মাংসটি আরও কিছুক্ষণ রান্না করুন। এবার মাংস সেদ্ধ হওয়ার জন্য পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে কড়াই ঢেকে দিন। মাংস পুরোপুরি সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত মাঝারি আঁচে অপেক্ষা করুন।
ঝোল শুকিয়ে মাংস যখন ভুনা ভুনা হয়ে আসবে এবং তেল ওপরে ভেসে উঠবে, তখন ওপর থেকে গোলমরিচের গুঁড়া, ভাজা জিরার গুঁড়া এবং লাল কাঁচা মরিচ ফালি ছড়িয়ে দিয়ে ৫ মিনিট দমে রাখুন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল চমৎকার স্বাদের ভিন্ন ঘরানার গরুর মাংস। এবার গরম ভাত, পোলাও বা নান রুটির সাথে পরিবেশন করুন।
/আশিক
ঈদের সকালে গৃহিণীদের সেরা চমক; অল্প সময়ে তৈরি করুন শাহী কষা মাংস
"ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ..."—জাতীয় কবির সেই অমিয় বাণী মনে করিয়ে দেয় যে, ত্যাগের রমজান শেষে আনন্দ আর উৎসবের বার্তা নিয়ে আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর। মুসলমানদের কাছে এই দিনটি কেবল উৎসবের নয়, বরং ভ্রাতৃত্ব ও পরম তৃপ্তির। আর বাঙালির ঈদ মানেই রসনা বিলাস। ঈদের সকালে গরম পরোটা, লুচি কিংবা ভাতের সঙ্গে ধোঁয়া ওঠা স্পেশাল 'কষা মাংস' ছাড়া যেন উৎসবের পূর্ণতাই আসে না।
ঈদের সকালে গৃহিণীদের ব্যস্ততা শুরু হয় সেই সুস্বাদু রান্নার সুবাস দিয়ে। টকদই, বেরেস্তা আর ঘরোয়া মশলার জাদুতে তৈরি এই কষা মাংস বড়দের পাশাপাশি ছোটদেরও ভীষণ প্রিয়। রান্নার বিশেষত্ব হলো ধীর আঁচে মাংসের প্রতিটি তন্তুতে মশলা পৌঁছে দেওয়া, যা স্বাদে যোগ করে নতুন মাত্রা। সময় বাঁচাতে চাইলে অনেক গৃহিণী আগের রাতেই মাংস মেরিনেট করে রাখেন, যাতে ঈদের সকালে ঝটপট রান্না শেষ করে পরিবারের সঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠা যায়।
স্পেশাল কষা মাংসের সহজ রেসিপি
উপকরণ: ১ কেজি গরু বা খাসির মাংস (ছোট টুকরো), ১/২ কাপ টকদই, ১ কাপ পেঁয়াজ কুচি, ২ টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা, ১ টেবিল চামচ মরিচ ও ধনে গুঁড়ো, ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, আস্ত গরম মশলা, তেল, লবণ ও বেরেস্তা।
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে মাংসের সঙ্গে টকদই, অর্ধেক আদা-রসুন বাটা ও সব গুঁড়ো মশলা দিয়ে অন্তত এক ঘণ্টা মেরিনেট করে রাখুন। প্যানে তেল গরম করে গরম মশলা ও পেঁয়াজ লাল করে ভেজে বাকি আদা-রসুন দিন। এবার মাংস দিয়ে উচ্চ আঁচে ৫ মিনিট কষিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে দীর্ঘক্ষণ কষাতে থাকুন যতক্ষণ না তেল উপরে ভেসে ওঠে। মাংস সেদ্ধ হওয়ার জন্য সামান্য গরম পানি দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করুন। ঝোল মাখা মাখা হয়ে এলে ওপর থেকে বেরেস্তা ও গরম মশলার গুঁড়ো ছিটিয়ে নামিয়ে নিন।
/আশিক
ঈদের ভোজে ভিন্ন স্বাদ: গরুর কড়াই গোশতের সহজ রেসিপি দেখে নিন
ঈদের দিন বাড়িতে মাংসের নানা পদের ভিড়ে স্বাদে ভিন্নতা আনতে আপনি সহজেই তৈরি করতে পারেন গরুর কড়াই গোশত। এই পদটি রান্নার বিশেষত্ব হলো এর মশলাদার স্বাদ ও দারুণ সুগন্ধ, যা ঘরোয়া উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এক কেজি গরুর মাংসের জন্য আধা কাপ পিঁয়াজকুচি, এক টেবিল চামচ করে হলুদ ও মরিচ গুঁড়া, এক চা চামচ মাংসের মসলা এবং পর্যাপ্ত গরম মসলা (দারুচিনি ও এলাচ) প্রয়োজন হবে। এছাড়াও রান্নায় স্বাদ ও গ্রেভির ঘনত্ব বাড়াতে এক কাপ টকদই, এক কাপ টম্যাটো কিউব এবং জয়ফল-জয়ত্রী বাটা ব্যবহার করতে হবে।
রান্নার শুরুতে মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর একটি পাত্রে মাংসের সঙ্গে টকদই, লবণ এবং সব বাটা ও গুঁড়া মসলা দিয়ে ভালোভাবে মেখে ২৫ মিনিট ম্যারিনেট করে রাখা জরুরি। ম্যারিনেশন শেষে হাঁড়িতে তেল গরম করে তাতে অর্ধেক পিঁয়াজকুচি ও গরম মসলা হালকা বাদামি করে ভেজে ম্যারিনেট করা মাংসটুকু দিয়ে দিতে হবে। মৃদু আঁচে সময় নিয়ে মাংস কষিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে রান্না করতে হবে। মাংস পুরোপুরি সিদ্ধ হয়ে যখন তেলের ওপর ভেসে উঠবে, তখন অন্য একটি কড়াইয়ে বাকি পিঁয়াজ, রসুনের কোয়া ও টম্যাটো কুচি ভেজে মাংসের ওপর ঢেলে তিন মিনিট দমে রাখলেই তৈরি হয়ে যাবে জিভে জল আনা কড়াই গোশত।
/আশিক
ইফতারে ভিন্ন স্বাদ পেতে ঝটপট তৈরি করুন মুচমুচে চিকেন স্প্রিং রোল
ইফতারে মুখরোচক খাবারের তালিকায় স্প্রিং রোল একটি অত্যন্ত সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় নাম। মুচমুচে ও স্বাদে অতুলনীয় এই খাবারটি ইফতারের টেবিলে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে পারে। বাড়িতে স্বাস্থ্যকর উপায়ে স্প্রিং রোল তৈরি করতে চাইলে সঠিক উপকরণ ও সঠিক প্রণালি অনুসরণ করা প্রয়োজন।
এই রেসিপিটি তৈরির জন্য প্রয়োজন হবে ৫০০ গ্রাম হাড়বিহীন মুরগি, ৩ গ্লাস পানি, ৩ টেবিল চামচ ভিনেগার, ৩ টেবিল চামচ মাখন, দেড় চা চামচ আদা ও রসুনের পেস্ট, ৪টি কাঁচা মরিচ কুঁচি, ১টি মাঝারি আকারের পেঁয়াজ কুঁচি, ২ টেবিল চামচ ময়দা, ১ চা চামচ কালো মরিচ গুঁড়ো, ১ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো, ১টি মুরগির কিউব (চিকেন কিউব), আড়াই কাপ বাঁধাকপি কুঁচি, ২টি মাঝারি আকারের ক্যাপসিকাম কাটা, ২ কাপ গাজর কুঁচি এবং ১ টেবিল চামচ সয়া সস। এছাড়া রোল তৈরির জন্য ডিম, স্প্রিং রোল শিট এবং ভাজার জন্য সয়াবিন তেল প্রয়োজন হবে।
প্রস্তুত প্রণালি অনুযায়ী, প্রথমে একটি প্যানে মুরগির মাংসের সাথে পানি এবং ভিনেগার মিশিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। মাংস নরম হয়ে গেলে পানি থেকে তুলে নিয়ে কুঁচি করে কেটে নিতে হবে এবং সেদ্ধ করা পানি বা চিকেন স্টকটি একপাশে সরিয়ে রাখতে হবে। এরপর অন্য একটি পাত্রে মাখন গলিয়ে তাতে আদা ও রসুনের পেস্ট দিয়ে এক মিনিট ভেজে নিতে হবে। এতে কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ কুঁচি যোগ করে উচ্চ তাপে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে যতক্ষণ না পেঁয়াজ নরম হয়ে আসে। এরপর ময়দা মিশিয়ে আরও এক মিনিট রান্না করার পর এতে কালো মরিচ গুঁড়ো, লবণ, লাল মরিচ গুঁড়ো, চিকেন কিউব এবং আগে থেকে সরিয়ে রাখা স্টক যোগ করতে হবে। পুরো মিশ্রণটি উচ্চ আঁচে রান্না করতে হবে যতক্ষণ না পানি শুকিয়ে ঘন হয়ে আসে।
মিশ্রণটি শুকিয়ে এলে এতে কুঁচি করা বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, গাজর এবং সয়া সস মিশিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করে একটি প্লেটে ঢেলে নিতে হবে। ফিলিংটি পুরোপুরি ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর একটি পাত্রে ডিম ফেটিয়ে নিয়ে স্প্রিং রোল শিটের ভেতর পরিমাণমতো ফিলিং দিয়ে রোল আকারে মুড়িয়ে নিতে হবে। রোলের মুখ বন্ধ করতে ফেটানো ডিম ব্যবহার করা যেতে পারে। সবশেষে গরম ডুবো তেলে রোলগুলো লালচে ও মুচমুচে করে ভেজে তুলে নিতে হবে। ইফতারে পছন্দের সসের সাথে গরম গরম স্প্রিং রোল পরিবেশন করলে তা তৃপ্তি বাড়াবে।
/আশিক
সতেজ থাকতে কমলার শরবত! ইফতারের জন্য ঝটপট তৈরির সহজ রেসিপি
রোজায় দীর্ঘ সময় উপোস থাকার পর ইফতারে শরীরকে তাৎক্ষণিক সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখার অন্যতম সেরা উপায় হলো এক গ্লাস কমলার শরবত। তাজা কমলার রসের দারুণ স্বাদ আর হালকা মিষ্টতা ক্লান্তি দূর করে মনে প্রশান্তি এনে দেয়। খুব অল্প সময়ে এবং সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে ইফতারের শেষ মুহূর্তেও বানিয়ে নেওয়া যায় এই সুস্বাদু পানীয়। যারা প্রাকৃতিকভাবে সতেজ স্বাদ পেতে চান তারা সরাসরি কমলা থেকে রস বের করে পান করতে পারেন। অন্যদিকে যারা ওজন কমাতে আগ্রহী, তারা চিনি এড়িয়ে শুধু আঁশসহ জুস পান করলে বেশি উপকার পাবেন।
এই শরবত তৈরির জন্য পাঁচটি কমলা, স্বাদমতো চিনি এবং পরিমাণমতো পানির প্রয়োজন হবে। প্রথমে কমলাগুলো ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এরপর ব্লেন্ডার বা জুসারের সাহায্যে রস বের করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন কমলার বীজ রসের সঙ্গে মিশে না যায়, কারণ বীজ মিশে গেলে শরবত তিতা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। রস বের করা হয়ে গেলে একটি বড় পাত্রে কমলার রস, চিনি, সামান্য লবণ এবং লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে। চিনি পুরোপুরি গলে যাওয়া পর্যন্ত মিশ্রণটি ভালোভাবে নাড়তে হবে এবং এরপর এতে পরিমাণমতো ঠান্ডা পানি যোগ করতে হবে। পরিবেশনের সময় গ্লাসে ঢেলে উপরে বরফ কুচি দিয়ে দিলে এর স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। বাড়তি সৌন্দর্যের জন্য পুদিনাপাতা বা কমলার স্লাইস দিয়ে সাজিয়ে ইফতারের টেবিলে পরিবেশন করা যেতে পারে।
/আশিক
ইফতারে চাই নতুন কিছু? ঝটপট বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে চিকেন চিজ বল
ইফতারের দস্তরখানে প্রতিদিনের চেনা খাবারের ভিড়ে একটু ভিন্নতা আনতে অনেকেই নতুন কিছু খোঁজেন। স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে এবার আপনি ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন মুচমুচে ও সুস্বাদু 'চিকেন চিজ বল'। খুব সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে ঝটপট তৈরি করা যায় এই পদটি, যা ছোট-বড় সবারই পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নেবে। বিশেষ করে রমজানের এই সময়ে ইফতারে ভিন্ন আমেজ দিতে চিকেনের এই আইটেমটি দারুণ একটি সংযোজন হতে পারে।
এই সুস্বাদু খাবারটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ২ কাপ মুরগির কিমা, ১ কাপ কুঁচি করা পনির, ২ টেবিল চামচ মিহি করে কাটা ধনেপাতা, আধা চা চামচ শুকনো ওরিগানো, আধা চা চামচ লাল মরিচের গুঁড়ো এবং স্বাদমতো লবণ। কোটিং বা বলগুলো মুচমুচে করার জন্য লাগবে ১ কাপ ব্রেডক্রাম্বস, ৪ টেবিল চামচ ময়দা এবং ভাজার জন্য পরিমাণমতো সয়াবিন তেল। সব উপকরণ হাতের কাছে থাকলে খুব সহজেই আপনি রান্না শুরু করতে পারেন।
প্রস্তুত প্রণালি অত্যন্ত সহজ। প্রথমে একটি বড় পাত্রে মুরগির কিমার সঙ্গে পনির, ধনেপাতা, ওরিগানো, মরিচ গুঁড়ো এবং লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মসৃণ হয়ে এলে ছোট ছোট বলের আকার দিন। এরপর দুটি আলাদা পাত্রে ২ টেবিল চামচ করে ময়দা নিন। একটি পাত্রের ময়দায় সামান্য জল মিশিয়ে পাতলা পেস্ট তৈরি করুন এবং অন্যটিতে শুকনো ময়দা রাখুন। এখন প্রতিটি চিকেন বল প্রথমে শুকনো ময়দায় গড়িয়ে নিয়ে পাতলা পেস্টের মিশ্রণে ডুবিয়ে নিন এবং সবশেষে ব্রেডক্রাম্বসে ভালো করে মাখিয়ে নিন।
সবগুলো বল তৈরি হয়ে গেলে চুলায় একটি কড়াইয়ে পর্যাপ্ত তেল গরম করুন। তেল গরম হলে সাবধানে চিকেন বলগুলো ছেড়ে দিন এবং সোনালি রঙ ধারণ না করা পর্যন্ত ডুবো তেলে মাঝারি আঁচে ভাজতে থাকুন। ভাজা হয়ে গেলে কিচেন টিস্যুর ওপর তুলে অতিরিক্ত তেল ছেঁকে নিন। গরম গরম সস বা চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার চিকেন চিজ বল। স্বাস্থ্যকর উপায়ে বাড়িতে তৈরি এই খাবারটি আপনার ইফতারের টেবিলকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।
/আশিক
ইফতারে চাই মচমচে বুন্দিয়া? জেনে নিন ঘরে তৈরির সবথেকে সহজ রেসিপি
ইফতারে মিষ্টি খাবারের তালিকায় জিলাপির পাশাপাশি বুন্দিয়া অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাম। স্বাদে ভিন্নতা আনতে এবং বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলতে খুব অল্প সময়ে আপনি ঘরেই তৈরি করে ফেলতে পারেন মচমচে ও রসালো বুন্দিয়া। এটি তৈরি করা যেমন সহজ, খেতেও তেমনি সুস্বাদু। নিচে বুন্দিয়া তৈরির পূর্ণাঙ্গ রেসিপি ও প্রস্তুত প্রণালি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।
সুস্বাদু এই বুন্দিয়া তৈরির জন্য আপনার প্রয়োজন হবে ১ কাপ বেসন, এক চিমটি বেকিং সোডা, সামান্য পরিমাণ পানি (আধা কাপের মতো), এবং ভাজার জন্য পর্যাপ্ত সয়াবিন তেল। বুন্দিয়াকে আকর্ষণীয় করতে আপনি চাইলে এক চিমটি হলুদ এবং এক চিমটি কমলা খাবার রঙ ব্যবহার করতে পারেন, তবে এটি সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। শিরার জন্য আপনার লাগবে পৌনে এক কাপ (এক কাপের চার-তৃতীয়াংশ) চিনি এবং পরিমাণমতো পানি ও সুগন্ধির জন্য এলাচ গুঁড়ো।
প্রস্তুত প্রণালির শুরুতে একটি চালুনির সাহায্যে বেসন ভালো করে চেলে নিতে হবে যাতে কোনো দলা না থাকে। এরপর একটি মিক্সিং বাটিতে বেসন, বেকিং সোডা এবং পানি মিশিয়ে একটি ব্যাটার তৈরি করুন। খেয়াল রাখতে হবে ব্যাটারটি যেন একটু ঘন বা পুরু হয়। এবার আলাদা দুটি ছোট পাত্রে সামান্য ব্যাটার নিয়ে একটিতে কমলা রঙ এবং অন্যটিতে হলুদ রঙ মিশিয়ে নিন। আপনি চাইলে রঙ ছাড়াও সাধারণ বুন্দিয়া তৈরি করতে পারেন। এরপর চুলায় প্যান বসিয়ে তেল গরম হতে দিন। তেল ঠিকঠাক গরম হয়েছে কি না তা বোঝার জন্য এক ফোঁটা ব্যাটার তেলের ওপর ছেড়ে দিন; যদি সেটি দ্রুত উপরে ভেসে ওঠে তবে বুঝবেন তেল প্রস্তুত।
এখন একটি ছিদ্রযুক্ত চামচ বা বাটি তেলের ওপর প্রায় ছয় থেকে সাত ইঞ্চি উঁচুতে ধরে তাতে ব্যাটার ঢেলে দিন। চামচটি ঝাঁকানোর প্রয়োজন নেই, ব্যাটার নিজে থেকেই ফোঁটায় ফোঁটায় তেলের ওপর পড়তে থাকবে। যদি ব্যাটার তেলের ওপর চ্যাপ্টা হয়ে যায় বা একটির সঙ্গে অন্যটি লেগে যায়, তবে বুঝতে হবে তেল পর্যাপ্ত গরম হয়নি। মাঝারি আঁচে এক মিনিট সময় নিয়ে বুন্দিয়াগুলো হালকা মচমচে বা ক্রিস্পি হওয়া পর্যন্ত ভেজে তুলে নিন। মনে রাখবেন, প্রতিবার নতুন করে ব্যাটার ঢালার আগে চামচ বা বাটিটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে যাতে ছিদ্রগুলো বন্ধ না থাকে।
সবগুলো বুন্দিয়া ভাজা হয়ে গেলে অন্য একটি পাত্রে চিনি, পানি এবং এলাচ গুঁড়ো দিয়ে জ্বাল দিয়ে সিরা তৈরি করে নিন। সিরা ফুটে উঠলে তাতে আগে থেকে ভেজে রাখা রঙিন বুন্দিয়াগুলো ছেড়ে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে ১ থেকে ২ ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন যাতে বুন্দিয়াগুলো সিরা শোষণ করে রসালো হয়ে ওঠে। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল আপনার পছন্দের ইফতারি আইটেম মজাদার বুন্দিয়া।
/আশিক
ইফতারে পুষ্টিকর ও মুখরোচক ভেজিটেবল কাটলেট: সহজ রেসিপি
দেখতে দেখতে রমজানের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গিয়েছে। ইফতারের টেবিলে ভাজাপোড়া খাবারের তালিকায় একটু ভিন্নতা ও পুষ্টি যোগ করতে চাইলে ঝটপট তৈরি করে নিতে পারেন সুস্বাদু 'ভেজিটেবল কাটলেট'। সবজি ও মশলার দারুণ সমন্বয়ে তৈরি এই খাবারটি যেমন মুখরোচক, তেমনি তৈরি করাও বেশ সহজ।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
এই কাটলেট তৈরিতে আপনার লাগবে আধা কেজি সিদ্ধ আলু, ১ কাপ সিদ্ধ মটরশুঁটি এবং ১/৪ কাপ গাজর কুঁচি। ঝাল ও স্বাদের জন্য ৩-৪টি কাঁচা মরিচ কুঁচি, স্বাদমতো লবণ, ১ চামচ গোল মরিচের গুঁড়া, আধা চা চামচ শুকনো মরিচের গুঁড়া, ১ চা চামচ ধনিয়ার গুঁড়া, আধা চা চামচ গরম মসলার গুঁড়া এবং ১ চা চামচ জিরার গুঁড়া নিতে হবে। এছাড়া ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল এবং মণ্ড তৈরির জন্য আধা কাপ ব্রেড ক্রাম্ব প্রয়োজন। কাটলেটগুলো মুচমুচে করার জন্য কোটিং হিসেবে আরও ২ কাপ ব্রেড ক্রাম্ব এবং ৪টি ফেটানো ডিম আলাদা করে রাখতে হবে।
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে একটি বড় পাত্রে সিদ্ধ করা আলুগুলো ভালো করে চটকিয়ে নিন। এবার তার সঙ্গে সিদ্ধ মটরশুঁটি, গাজর কুঁচি, কাঁচা মরিচ এবং সব ধরনের গুঁড়া মশলা ও লবণ দিয়ে খুব ভালোভাবে মাখিয়ে একটি মণ্ড তৈরি করুন। মিশ্রণটি তৈরি হয়ে গেলে হাত দিয়ে পছন্দমতো গোল অথবা বর্গাকার শেপ দিয়ে কাটলেটের আকার দিন। এরপর প্রতিটি কাটলেট প্রথমে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে নিন এবং পরে ব্রেড ক্রাম্বে ভালোভাবে গড়িয়ে নিন যাতে চারপাশ সমানভাবে কোটিং হয়। সবশেষে কড়াইয়ে তেল গরম করে কাটলেটগুলো মাঝারি আঁচে ডুবো তেলে ভাজুন। সোনালি বাদামি রঙ ধারণ করলে নামিয়ে নিন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল গরম গরম মুচমুচে ভেজিটেবল কাটলেট। ইফতারে সস বা পুদিনার চাটনির সঙ্গে এটি পরিবেশন করলে পরিবারের সবাই তৃপ্তি সহকারে উপভোগ করবে।
/আশিক
স্বাস্থ্যকর ইফতারের নিশ্চয়তা: ঘরেই তৈরি করুন দোকানের মতো মুচমুচে জিলাপি
রমজান মাসে ইফতারে অনেকের জিলাপি ছাড়া চলে না। কিন্তু বাইরের জিলাপি নিয়ে এখন সাধারণ মানুষের মনে নানা দুশ্চিন্তা। মুচমুচে করতে অনেক ক্ষেত্রে জিলাপিতে হাইড্রোজেনের মতো ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের জন্য বড় হুমকি। স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে আপনি খুব সহজেই ঘরে তৈরি করতে পারেন দোকানের মতো মচমচে জিলাপি।
চলুন, জেনে নিই কিভাবে বানাবেন।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
গোলা তৈরির জন্য: ১ কাপ ময়দা, ২ টেবিল চামচ চালের গুঁড়া (মুচমুচে করতে), ১ টেবিল চামচ বেসন, ১ টেবিল চামচ চিনি, ১ টেবিল চামচ ইস্ট, দেড় টেবিল চামচ টক দই, সামান্য ফুড কালার ও তেল।
সিরার জন্য: ১ কাপ চিনি, ১ কাপের কম পানি, ১ চা চামচ লেবুর রস ও কয়েকটি এলাচ।
প্রস্তুত প্রণালি:
ধাপ ১: পারফেক্ট ব্যাটার বা গোলা তৈরিএকটি বড় বাটিতে ময়দা, চালের গুঁড়া, বেসন, চিনি, ইস্ট ও ফুড কালার মিশিয়ে নিন।
এরপর এতে টক দই ও ২ টেবিল চামচ তেল দিন। এবার ধীরে ধীরে কুসুম গরম পানি মিশিয়ে একটি মাঝারি ঘনত্বের গোলা তৈরি করুন। গোলাটি ১৫-২০ মিনিট কোনো গরম জায়গায় ঢেকে রাখুন।
ধাপ ২: চিনির সিরা প্রস্তুতপ্যানে চিনি, পানি ও এলাচ দিয়ে জ্বাল দিন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ৯ এপ্রিলের নামাজের সময় জানুন এক নজরে
- রাতে ইউরোপ মাতাবে হাইভোল্টেজ ফুটবল, জানুন আজকের খেলাধুলা সূচি
- বাজুসের নতুন ঘোষণা, স্বর্ণে রেকর্ড উত্থান
- ইরানকে অস্ত্র দিলে ৫০% শুল্ক, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
- ডলারে নয়, ইউয়ানে টোল! হরমুজ প্রণালিতে ইরান-চীনের বড় চাল
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুরতা: হামলা, পাল্টা হুমকি ও আঞ্চলিক অস্থিরতা
- রাতভর ৮ বিভাগে কালবৈশাখীর তাণ্ডবের শঙ্কা: ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের সতর্কতা
- যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানি তেল শোধনাগারে হামলা: জ্বলছে লাভান দ্বীপ
- তারেক রহমান ও কোকোকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির দাবি: সংসদে আলোচনার ঝড়
- আগামীকাল ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- লেবাননজুড়ে ইতিহাসের বড় হামলা চালাল ইসরায়েল
- এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র নিয়ে ঢাকা বোর্ডের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
- দেশে হামের মহামারি আতঙ্ক: আক্রান্ত ১১ হাজার ছাড়াল, বাড়ছে লাশের মিছিল
- যুদ্ধবিরতির মাঝেই কুয়েতে ইরানের ড্রোন বৃষ্টি
- হরমুজ প্রণালি মুক্ত হতেই বিশ্ব শেয়ারবাজারে উৎসব: সূচকের বিশাল উল্লম্ফন
- ১৮০ দিনে ১০ হাজার প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল ধামাকা
- ইরানকে রাজি করাল চীন? ট্রাম্পের ইঙ্গিতে বিশ্বজুড়ে নতুন তোলপাড়
- হাসনাত আবদুল্লাহর কটাক্ষের জবাব দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বিসিবি এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর তোপ
- সংসদে ঐতিহাসিক বিল পাস: আইনি সুরক্ষা ও পূর্ণ দায়মুক্তি পেলেন জুলাই যোদ্ধারা
- ৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৮ এপ্রিল: দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আনচেলত্তির আল্টিমেটাম ও সান্তোসের পরিকল্পনা: নেইমার কি ফিরবেন ব্রাজিলের জার্সিতে?
- হাম নাকি সাধারণ র্যাশ? চেনার উপায় ও চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ
- ইরান যুদ্ধে বিরতির জাদুকরী প্রভাব: শেয়ারবাজারে সূচকের বিশাল উল্লম্ফন
- ট্রাম্প ও খামেনি উভয়েরই ‘বিজয়’ দাবি: কার কৌশলে এল এই ঐতিহাসিক সমঝোতা?
- শিক্ষাই জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর মেগা পরিকল্পনার ঘোষণা
- হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের
- মোজতবা খামেনির সবুজ সংকেত ও ট্রাম্পের শর্ত: ইরান-মার্কিন চুক্তির নেপথ্য কাহিনী
- হঠাৎ বদলে গেল আবহাওয়া: ৩ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝড়ের দাপট
- আজ ঢাকায় কোথায় কী কর্মসূচি, জানুন এক নজরে
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নাটকীয়তা: যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে ইসরায়েলের হামলা
- ৫৩ বার দাম পরিবর্তন: স্বর্ণের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়ল ২০২৬ সাল
- বুধবার ৮ এপ্রিল ২০২৬: জেনে নিন আপনার জেলার নামাজের সঠিক সময়
- প্রেসিডেন্ট অসুস্থ ও উন্মাদ,ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করতে নাগরিক অধিকার সংগঠনের ডাক
- ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: স্থায়ী শান্তির ডাক শাহবাজের
- ৩৮ দিনের সংঘাত শেষে: মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথে ট্রাম্প
- ব্ল্যাক এপ্রিল: অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে ভয়াবহতম জ্বালানি সংকটে বিশ্ব
- যে কারণে বিসিবি সভাপতির চেয়ার হারালেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল
- হিজবুল্লাহ ও ইরানের যৌথ হামলায় কাঁপল ইসরায়েল: উত্তর থেকে দক্ষিণ জুড়ে সাইরেন
- চাঁদের ওপারে নতুন বিশ্ব রেকর্ড: ৪ লাখ কিলোমিটার ছাড়িয়ে ফিরছে আর্টেমিস-২
- সৌদি আরবের জুবাইল শিল্পনগরীতে ইরানের ভয়াবহ ড্রোন ও মিসাইল হামলা
- বেসামরিক স্থাপনায়ও হামলা! ইরানের ৯টি প্রদেশে যুদ্ধের ভয়াবহ রূপ
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের উত্তাপ স্বর্ণের বাজারে: বাড়ছে নিরাপদ বিনিয়োগ
- আজ রাতেই একটি আস্ত সভ্যতা বিলীন হবে, ইরানকে ট্রাম্পের চূড়ান্ত হুমকি
- রাতের মধ্যে ২০ জেলায় ঝড়ের তাণ্ডব: ৬০ কিমি বেগে বাতাস ও বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
- দেবিদ্বারে স্কুল শিক্ষকের আপত্তিকর ভিডিও ধারন ও অর্থ আদায়: নারী কারাগারে
- তেলের মূল কেন্দ্রে আঘাত! খারগ দ্বীপে বিস্ফোরণে কাঁপছে পারস্য উপসাগর
- যুদ্ধে ১ কোটি ৪০ লাখ ইরানি জীবন দিতে রাজি: পেজেশকিয়ান
- সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
- ভারতের বিপক্ষে মহাযুদ্ধ! কাল সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের মেগা ফাইনাল
- এক লাফে ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা: স্বর্ণের বাজারে আগুন
- কালিগঞ্জে কাটুনিয়া রাজবাড়ী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহাব চূড়ান্ত বরখাস্ত
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আবারও স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি ছাড়ালো যত
- দেশের ৯ জেলায় কালবৈশাখীর আঘাত! ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
- মার্কেট বন্ধের নতুন সময়সূচি! আন্তর্জাতিক সংকটে দেশের বাজারে নতুন নিয়ম
- আজকের খেলার সূচি, কোথায় কোন ম্যাচ
- নতুন নিয়মে সন্ধ্যার পর যেসব বিপণিবিতান খোলা থাকবে
- ৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি
- আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
- চাঁদ জয়ের মহাযাত্রা শুরু! সফলভাবে উড্ডয়ন করল নাসার আর্টেমিস ২
- ০২ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ








