ঈদের আগে চুলের জেল্লা ফেরাতে টক দই; ট্রাই করুন এই ৪টি জাদুকরী মাস্ক

সামনেই খুশির ঈদ। উৎসবের এই দিনটিতে নিজেকে সতেজ ও প্রাণবন্ত দেখাতে ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্ন নেওয়া খুবই প্রয়োজন। ঈদের আগে চুলের হারানো স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে রান্নাঘরের সাধারণ উপকরণ টক দই হতে পারে আপনার সেরা সমাধান। টক দই দিয়ে তৈরি করা যায় এমন ৪টি কার্যকরী হেয়ার মাস্কের বিস্তারিত দেওয়া হলো
১. উজ্জ্বলতা ও আর্দ্রতা ফেরাতে দই-মধু-অলিভ অয়েল
দইয়ের সঙ্গে মধু ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে একটি মাস্ক তৈরি করুন। এটি চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দই ও মধু চুলকে প্রাকৃতিকভাবে ময়েশ্চারাইজ করে, আর অলিভ অয়েল চুলের গভীরে গিয়ে আর্দ্রতা ধরে রাখে। এটি চুলকে কন্ডিশনড এবং চকচকে করে তোলে।
২. ভঙ্গুর চুলের যত্নে দই ও ডিম
দুর্বল ও ভেঙে যাওয়া চুলের জন্য প্রোটিন মাস্ক অত্যন্ত জরুরি। একটি আস্ত ডিমের সঙ্গে চার চামচ দই ভালো করে ফেটিয়ে নিন। চুলের ডগা বেশি শুষ্ক হলে শুধু ডিমের কুসুম ব্যবহার করা ভালো। মিশ্রণটি চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। ডিমের ন্যাচারাল পেপটাইড চুলের ক্ষতি পূরণ করে চুলকে মজবুত করে। মনে রাখবেন, এই মাস্ক ব্যবহারের পর চুল অবশ্যই ঠান্ডা পানি দিয়ে ধোবেন।
৩. মাথার ত্বকের অস্বস্তি কমাতে দই ও অ্যালোভেরা
গরমের ঘাম থেকে হওয়া মাথার ত্বকের চুলকানি বা ফোলা ভাব কমাতে ৩ চামচ দইয়ের সঙ্গে ২ চামচ তাজা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। অ্যালোভেরার এনজাইম মাথার ত্বকের মৃত কোষ মেরামত করে এবং দইয়ের সাথে মিলে ত্বককে ঠান্ডা রাখে। মিশ্রণটি ৩০-৪৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন।
৪. চুল পড়া বন্ধ করতে দই ও মেথি
যাদের অতিরিক্ত চুল পড়ছে বা চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য মেথি ও দইয়ের মিশ্রণ আদর্শ। মেথিতে থাকা নিকোটিনিক অ্যাসিড ও প্রোটিন চুল পড়া আটকায়। ১ চামচ মেথি গুঁড়ো বা বাটা মেথির সঙ্গে ৩ চামচ দই মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর এটি মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করে ৪০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
/আশিক
রোদে কালো হয়ে যাচ্ছে ত্বক? গোলাপ জলের এই ব্যবহারে ফিরবে হারানো উজ্জ্বলতা
তীব্র গরমে রোদে পোড়া ভাব, ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং কালচে ছোপ দূর করতে গোলাপ জল এক জাদুকরী ভূমিকা পালন করে। গ্রীষ্মের এই দিনগুলোতে ঘাম আর ধুলোবালির কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়, দেখা দেয় ব্রণ ও ফুসকুড়ির মতো সমস্যা। তবে নিয়মিত ও সঠিক নিয়মে গোলাপ জল ব্যবহার করলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখার পাশাপাশি প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
গরমকালে ত্বকের পিএইচ (pH) স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখতে গোলাপ জল অত্যন্ত কার্যকর। এটি ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল দূর করে এবং শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতা ফিরিয়ে দেয়। টোনার হিসেবে কটন প্যাডে গোলাপ জল নিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের গভীরে জমে থাকা ময়লা দূর হয়। এছাড়া রাতে ঘুমানোর আগে গোলাপ জলের সাথে ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের নির্যাস মিশিয়ে মুখে মাখলে ত্বকের অকাল বার্ধক্য রোধ হয় এবং ত্বক কোমল থাকে।
বাইরে বের হলে রোদের তাপে ত্বকে যে জ্বালা ভাব বা অস্বস্তি হয়, তা দূর করতে গোলাপ জলকে 'ফেস মিস্ট' হিসেবে ব্যবহার করা যায়। একটি স্প্রে বোতলে গোলাপ জল এবং এক থেকে দুই ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে সাথে রাখুন। গরমে ত্বকে অস্বস্তি বোধ হলেই মুখে স্প্রে করে নিন, এতে তাৎক্ষণিক সতেজতা ফিরে আসবে। নিয়মিত এই ঘরোয়া যত্নে গরমের দিনেও আপনার ত্বক থাকবে সতেজ ও প্রাণবন্ত।
/আশিক
গরমে ঘামাচির যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ? জেনে নিন মুক্তি পাওয়ার সহজ ঘরোয়া উপায়
তীব্র দাবদাহ আর ভ্যাপসা গরমে আমাদের ত্বকের সবথেকে বিরক্তিকর সমস্যা হলো ঘামাচি। সারাদিন রোদে চলাফেরা বা অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরে লালচে র্যাশ ও তীব্র চুলকানি দেখা দেয়, যা শরীরকে একদম অস্থির করে তোলে। একবার ঘামাচি জেঁকে বসলে তা সহজে সারতে চায় না। তবে কিছু কার্যকর ঘরোয়া নিয়ম মেনে চললে এই অস্বস্তিকর সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
ঘামাচি দূর করার প্রথম শর্ত হলো ত্বকের লোমকূপ পরিষ্কার রাখা। অনেকেই ঘামাচি হলে প্রচুর পরিমাণে পাউডার ব্যবহার করেন, যা আসলে ত্বকের ঘাম নিঃসরণের ছিদ্রগুলো বন্ধ করে দেয় এবং ঘামাচির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেয়।
তাই পাউডার এড়িয়ে চলাই ভালো। শরীর ঠান্ডা রাখতে দিনে অন্তত দুইবার গোসল করার অভ্যাস করতে হবে। পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিন্থেটিক বা মোটা কাপড় বাদ দিয়ে সুতির হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে, যাতে শরীরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে।
চুলকানি কমাতে নখ ব্যবহার না করে আক্রান্ত স্থানে ক্যালামাইন লোশন লাগালে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। এছাড়া শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি, ডাবের পানি ও লেবুর শরবত পান করা জরুরি। মনে রাখবেন, শরীর যত হাইড্রেটেড থাকবে, ঘামাচির উপদ্রব ততটাই কম হবে। তাই এই গরমে রোদে কম বের হওয়ার চেষ্টা করুন এবং ত্বক পরিষ্কার রাখুন।
সূত্র : আনন্দবাজার
হিট স্ট্রোক ও চর্মরোগের হানা! দাবদাহে পোষা প্রাণীদের বাঁচাতে যা করবেন
তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষের পাশাপাশি সমানভাবে ধুঁকছে অবলা প্রাণীরাও। বর্তমানে রাজধানীসহ সারা দেশে যে অসহ্য গরম পড়ছে, তাতে বাড়িতে পালা বিড়াল, কুকুর ও পাখিরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। এই সময়ে পোষা প্রাণীদের ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা, হিট স্ট্রোক, ডায়রিয়া ও জ্বরের মতো সমস্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে কুকুরের নাক গরম ও শুষ্ক হয়ে যাওয়া এবং অস্বাভাবিক মলত্যাগের মতো লক্ষণগুলো দেখা দিলে মালিকদের দ্রুত সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
পশু চিকিৎসকদের মতে, এই গরমে পোষা প্রাণীদের মধ্যে চর্মরোগ বা ডার্মাটাইটিসের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা দিচ্ছে। এ বিষয়ে পশু চিকিৎসক ডা. আনিসুর রহমান পরামর্শ দিয়েছেন যে, পোষা প্রাণীকে সব সময় ঠান্ডা স্থানে রাখতে হবে এবং নিয়মিত গোসল করাতে হবে। এছাড়া যেসব প্রাণীর লোম বেশি, তাদের লোম ট্রিম বা ছোট করে দিলে তারা গরম থেকে অনেকটাই স্বস্তি পাবে।
বিড়াল ও কুকুরের ক্ষেত্রে দিনের বেলা বিশেষ করে প্রখর রোদে বাইরে বের করা একদম অনুচিত। পরিবর্তে ভোরবেলা বা সন্ধ্যার পর তাদের হাঁটাতে নিয়ে যাওয়া নিরাপদ। ঘরে সব সময় তাজা পানির ব্যবস্থা রাখা এবং বন্ধ গাড়িতে কখনোই তাদের না রাখা নিশ্চিত করতে হবে।
যাঁরা বাড়িতে পাখি পালন করেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও যত্নের ধরনে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে। পাখির খাঁচায় পান করা ও গোসলের জন্য আলাদা আলাদা পাত্রের ব্যবস্থা রাখা জরুরি। খাঁচার আশপাশে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের জন্য প্রয়োজনে ফ্যান ব্যবহার করা যেতে পারে।
চিকিৎসকরা আরও সতর্ক করেছেন যে, যদি কোনো পোষা প্রাণী হঠাৎ খাওয়া বন্ধ করে দেয়, অতিরিক্ত ঝিমুনি দেখায় কিংবা মুখ দিয়ে ঘন লালা ঝরায়, তবে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একটু বাড়তি সচেতনতা ও সঠিক যত্নই পারে এই তীব্র গরমে আপনার প্রিয় সঙ্গীকে সুরক্ষিত রাখতে।
/আশিক
গরমে পানিশূন্যতা ও হিট স্ট্রোক এড়াতে যা করবেন: বিশেষজ্ঞদের জরুরি টোটকা
গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ, তখন স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে 'হিট স্ট্রোক'। বাইরে বের হলেই প্রচণ্ড গরমে শরীর ঘামে ভিজে যাচ্ছে এবং পানিশূন্যতা তৈরি হচ্ছে, যা থেকে দেখা দিচ্ছে মাথাব্যথা ও চরম শারীরিক অস্বস্তি। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, হিট স্ট্রোক কেবল রোদে গেলেই হয়—এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বদ্ধ, ভ্যাপসা গরম এবং আর্দ্র পরিবেশে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করলে ঘরের ভেতরে এমনকি রাতেও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, শরীরের তাপমাত্রা যখন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখনই হিট স্ট্রোকের পরিস্থিতি তৈরি হয়। শরীর যখন তার অতিরিক্ত তাপ বের করে দিতে পারে না, তখন রক্তনালি প্রসারিত হয়ে নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।
এর প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রচণ্ড মাথা ঘোরা, বুকে চাপ অনুভব করা, হাত-পা অবসাদগ্রস্ত হয়ে যাওয়া এবং তীব্র মাথাব্যথা। অনেক ক্ষেত্রে রোগী ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যেতে পারেন এবং তাঁর রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার দ্রুত কমে যেতে পারে।
হিট স্ট্রোকের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীকে দ্রুত শীতল স্থানে সরিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সম্ভব হলে তাঁকে দ্রুত এসির নিচে রাখতে হবে এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর ভেজাতে হবে। পাশাপাশি পরনের কাপড় ঢিলা করে দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এই ঝুঁকি এড়াতে তীব্র রোদে, বিশেষ করে দুপুরের সময়টা বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।
প্রয়োজনে ছাতা বা টুপি ব্যবহার করতে হবে এবং শরীর ঢেকে রাখতে হবে। এছাড়া এসি থেকে বের হয়ে সরাসরি রোদে না গিয়ে কিছুক্ষণ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অপেক্ষা করা উচিত যাতে শরীর বাইরের আবহের সাথে মানিয়ে নিতে পারে। সুস্থ থাকতে রোদে বের হলে সাথে সবসময় পানি রাখা এবং নিয়মিত ওআরএস বা স্যালাইন পান করা প্রয়োজন।
/আশিক
গরমে নীরব ঘাতক হিট স্ট্রোক, জানুন সতর্কতা
দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে জনজীবন ক্রমেই দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। প্রচণ্ড গরমে বাইরে বের হলেই শরীর ঘামে ভিজে যাচ্ছে, দ্রুত কমে যাচ্ছে শরীরের পানির পরিমাণ। এর ফলে পানিশূন্যতা, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি ও শ্বাসকষ্টের মতো নানা শারীরিক সমস্যা বাড়ছে। তবে চিকিৎসকদের মতে, সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করছে হিট স্ট্রোক, যা সময়মতো চিকিৎসা না পেলে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেকেই মনে করেন শুধু রোদের মধ্যে দীর্ঘসময় থাকলেই হিট স্ট্রোক হয়। বাস্তবে ধারণাটি পুরোপুরি সঠিক নয়। বদ্ধ, গরম ও আর্দ্র পরিবেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলেও শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এমনকি ঘরের ভেতরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল না থাকলেও ঝুঁকি তৈরি হয়। রাতের বেলাতেও অতিরিক্ত গরমে শরীরের স্বাভাবিক তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হয়ে হিট স্ট্রোক হতে পারে।
চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, হিট স্ট্রোকের সময় শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি হয়ে যেতে পারে। শরীর থেকে পর্যাপ্ত তাপ বের হতে না পারায় রক্তনালি প্রসারিত হয় এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। এতে মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র ও কিডনির কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। গুরুতর অবস্থায় রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন।
হিট স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বল লাগা, বুকে অস্বস্তি, মাথাব্যথা, শরীর কাঁপা, শ্বাসপ্রশ্বাস দ্রুত হওয়া, অতিরিক্ত তৃষ্ণা এবং হাত-পায়ে শক্তি কমে যাওয়া। অনেক ক্ষেত্রে রোগী দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না এবং হঠাৎ পড়ে যেতে পারেন। রক্তচাপ কমে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিট স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত রোগীকে ঠান্ডা ও বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে নিতে হবে। সম্ভব হলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে রাখতে হবে। শরীরে ঠান্ডা পানি ঢালা, ভেজা কাপড় ব্যবহার করা এবং আঁটসাঁট পোশাক ঢিলা করে দেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। কারণ দেরি হলে মস্তিষ্কে স্থায়ী ক্ষতি এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
চিকিৎসকরা আরও বলছেন, তীব্র রোদ বিশেষ করে দুপুর ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে বাইরে যাওয়া যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত। বাইরে বের হলে ছাতা, টুপি বা হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক ব্যবহার করা ভালো। শরীর ঢেকে রাখলে সরাসরি সূর্যের তাপ থেকে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া যায়।
এসি কক্ষ থেকে বের হয়েই হঠাৎ প্রচণ্ড রোদে না যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত পরিবর্তিত হয়ে অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে ধীরে ধীরে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে শরীরকে মানিয়ে নেওয়া নিরাপদ।
গরমে শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তৃষ্ণা লাগলেই নয়, নির্দিষ্ট বিরতিতে পানি পান করতে হবে। চিকিৎসকদের মতে, ওরাল স্যালাইন বা ওআরএস শরীরের লবণ ও পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। দীর্ঘসময় রোদে কাজ করলে মাঝেমধ্যে ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নেওয়াও জরুরি।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে দেশে তাপপ্রবাহের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব আরও বাড়তে পারে। ফলে হিট স্ট্রোক ও তাপজনিত রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।
সকালে খালি পেটে মেথি পানি: আপনার শরীরের জন্য কেন এটি অমৃত?
রান্নাঘরের পরিচিত উপাদান মেথি যে কেবল রান্নার স্বাদ বাড়ায় তা নয়, এর প্রতিটি দানা যেন একেকটি ভেষজ ওষুধের আধার। বিশেষ করে গরমের এই সময়ে মেথি ভেজানো পানি শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে এবং বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে জাদুর মতো কাজ করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, মেথিতে ভিটামিন কে, এ, বি-কমপ্লেক্সের পাশাপাশি পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো প্রচুর খনিজ উপাদান রয়েছে। সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
মেথি পানি পানের আরও একটি বড় সুবিধা হলো ওজন নিয়ন্ত্রণ। এটি পান করলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং আজেবাজে খাওয়ার ইচ্ছা কমে যায়, ফলে শরীর থেকে বাড়তি মেদ ঝরানো সহজ হয়। মেথি শরীরে ক্যানসারের টিস্যু বৃদ্ধি রুখতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
নিয়মিত এটি পানে ত্বকের ছোপ ছোপ কালো দাগ দূর হয় এবং ভেতর থেকে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। শুধু ত্বক নয়, চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং চুল পড়া রোধ করতেও মেথি পানি অতুলনীয়। প্রচণ্ড গরমে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে এবং ক্লান্তি দূর করতে এই পানীয় প্রাকৃতিক কুলার হিসেবে কাজ করে।
উপকার পেতে হলে সঠিক নিয়মে মেথি খাওয়া জরুরি। সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এক গ্লাস পানিতে এক চামচ মেথি সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে পানি ছেঁকে পান করা।
হাতে সময় কম থাকলে কুসুম গরম পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখেও এটি খাওয়া যেতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন আধা কাপ মেথি পানি পান করাই স্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট। নিয়মিত এই অভ্যাস জীবনযাত্রায় দারুণ ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
/আশিক
ত্বক ও চুলে অ্যালোভেরার অবিশ্বাস্য উপকারিতা
প্রাকৃতিক উপায়ে সৌন্দর্যচর্চার ইতিহাসে অ্যালোভেরা একটি বহুল ব্যবহৃত এবং গবেষণাভিত্তিক উপাদান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। মরুভূমি অঞ্চলে জন্ম নেওয়া এই রসালো উদ্ভিদটি শুধু ভেষজ চিকিৎসাতেই নয়, আধুনিক স্কিন কেয়ার ও হেয়ার কেয়ার শিল্পেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যালোভেরার ভেতরে থাকা ভিটামিন, খনিজ, অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বক ও চুলের নানা সমস্যায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালোভেরা জেলের প্রায় ৯৬ শতাংশই পানি। ফলে এটি ত্বকে গভীর আর্দ্রতা যোগ করলেও অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব তৈরি করে না। এ কারণেই শুষ্ক ত্বক থেকে শুরু করে তৈলাক্ত ত্বকের মানুষের কাছেও এটি সমান জনপ্রিয়। বিশেষ করে গরম আবহাওয়ায় অ্যালোভেরা ত্বকে শীতল অনুভূতি এনে আরাম দেয়।
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যালোভেরায় থাকা গ্লাইকোপ্রোটিন ও পলিস্যাকারাইড উপাদান প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এজন্য একজিমা, সোরিয়াসিস, ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং রোদে পোড়া ত্বকে এটি ব্যবহার করা হয়। অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকার কারণে ত্বকে লালচে ভাব, জ্বালা ও শুষ্কতা তৈরি হয়। অ্যালোভেরা সেই অস্বস্তি কিছুটা কমিয়ে ত্বককে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করতে পারে।
ব্রণের সমস্যায়ও অ্যালোভেরা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। এতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য প্রদাহজনিত ব্রণ কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। বিশেষ করে লালচে ও ফোলা ব্রণের ক্ষেত্রে এটি ত্বককে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, গুরুতর ব্রণ বা হরমোনজনিত সমস্যার ক্ষেত্রে শুধু অ্যালোভেরা যথেষ্ট নয়, চিকিৎসকের পরামর্শও প্রয়োজন।
ত্বকের ক্ষত সারানো এবং দাগ হালকা করার ক্ষেত্রেও অ্যালোভেরার ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। এতে থাকা ভিটামিন সি ও ই ত্বকের পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়া, পোড়া দাগ কিংবা ব্রণের কালো দাগ কমানোর জন্য অনেকেই নিয়মিত অ্যালোভেরা ব্যবহার করেন। এছাড়া এটি ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সহায়তা করে বলে মনে করা হয়।
অ্যালোভেরাকে অনেকেই “ন্যাচারাল অ্যান্টি-এজিং জেল” বলেও অভিহিত করেন। কারণ এটি কোলাজেন ও ইলাস্টিন উৎপাদনে সহায়তা করতে পারে, যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে বলিরেখা ও শুষ্কতা বাড়ে। নিয়মিত অ্যালোভেরা ব্যবহারে ত্বক কিছুটা টানটান ও সতেজ দেখাতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
শুধু ত্বক নয়, চুল ও স্ক্যাল্পের যত্নেও অ্যালোভেরা অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিশেষ করে খুশকি, স্ক্যাল্পের চুলকানি এবং অতিরিক্ত তৈলাক্ততার সমস্যায় এটি কার্যকর হতে পারে। অ্যালোভেরা স্ক্যাল্পের মৃত কোষ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং চুলের গোড়ায় জমে থাকা অতিরিক্ত তেল ভেঙে ফেলে। ফলে স্ক্যাল্প তুলনামূলক পরিষ্কার ও সতেজ থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সেবোরিক ডার্মাটাইটিস বা খুশকিজনিত সমস্যায় অ্যালোভেরা আরাম দিতে পারে। এটি স্ক্যাল্পে আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং শুষ্কতা কমায়। ফলে খুশকির কারণে হওয়া চুলকানি ও অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে।
চুলের শক্তি বৃদ্ধি ও ভাঙন কমানোর ক্ষেত্রেও অ্যালোভেরার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। এতে থাকা ভিটামিন এ, সি, ই এবং বি১২ চুলের ফলিকলকে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করতে পারে। ফলে চুল তুলনামূলক মজবুত হয় এবং অতিরিক্ত ভেঙে পড়া কমতে পারে। যদিও এটি টাক সমস্যার সরাসরি সমাধান নয়, তবে চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে।
বর্তমানে অনেক কসমেটিক ও বিউটি ব্র্যান্ড তাদের পণ্য তৈরিতে অ্যালোভেরা ব্যবহার করছে। ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার, সানবার্ন জেল, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার এবং হেয়ার মাস্কে অ্যালোভেরা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠেছে।
ঘরোয়া উপায়ে ব্যবহার করতে চাইলে সরাসরি গাছের পাতা থেকে জেল বের করে ব্যবহার করা যায়। এটি মুখে, হাতে, ঘাড়ে বা স্ক্যাল্পে লাগানো যেতে পারে। অনেকে মধু, দই বা নারিকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে হেয়ার মাস্ক হিসেবেও ব্যবহার করেন।
তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন, সব ত্বকে অ্যালোভেরা সমানভাবে মানানসই নাও হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে। তাই প্রথমবার ব্যবহারের আগে হাতে বা কবজির ভেতরের অংশে অল্প পরিমাণ লাগিয়ে পরীক্ষা করা উচিত।
খালি পেটে এক কোয়া রসুন: মহৌষধ নাকি কুসংস্কার? জেনে নিন আসল সত্য
সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়া অনেকের কাছে অস্বস্তিকর মনে হলেও স্বাস্থ্যবিজ্ঞানে এর উপকারিতা অপরিসীম। রান্নায় ব্যবহৃত রসুনের চেয়ে কাঁচা রসুন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অনেক বেশি কার্যকর।
বিশেষ করে সকালে নাশতার আগে এটি খেলে রসুনের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণাগুণ সরাসরি শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। গবেষকদের মতে, এটি শরীরের ভেতরে একটি শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে যা সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।
যারা দীর্ঘকাল ধরে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য কাঁচা রসুন নিয়মিত সেবন করা বেশ উপকারী হতে পারে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হার্টের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। এছাড়া শরীরকে বিষমুক্ত বা ডি-টক্সিফাই করতে রসুনের জুড়ি নেই।
এটি যকৃত ও মূত্রাশয়ের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং পেটের বিভিন্ন সমস্যা যেমন ডায়রিয়া বা গ্যাস্ট্রিক দূর করতে সহায়তা করে। এমনকি যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া ও হাঁপানির মতো শ্বাসকষ্টজনিত জটিল সমস্যায়ও এটি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
তবে কাঁচা রসুন খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। যাদের রসুনে অ্যালার্জি রয়েছে কিংবা কাঁচা রসুন খেলে মাথাব্যথা, বমি বা অন্য কোনো শারীরিক অস্বস্তি দেখা দেয়, তাদের এটি এড়িয়ে চলাই ভালো।
এছাড়া রসুনের তীব্র গন্ধের কারণে অনেকে এটি খেতে চান না, তবে এর জাদুকরী স্বাস্থ্যগুণ বিবেচনায় এটি আধুনিক খাদ্যাভ্যাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিয়েছে। সুস্থ থাকতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত রসুনের সঠিক ব্যবহার আপনার জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
/আশিক
এক মাস আগেই সংকেত দেয় শরীর! স্ট্রোকের লক্ষণগুলো চিনে রাখুন
স্ট্রোক একটি প্রাণঘাতী সমস্যা হলেও অনেক সময় আমাদের শরীর এক মাস আগেই কিছু ছোট ছোট সতর্ক সংকেত দিতে শুরু করে। চিকিৎসকদের মতে, এই লক্ষণগুলো শুরুতে শনাক্ত করতে পারলে বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতি বা মৃত্যুঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
স্ট্রোকের আগে শরীর যে সব সংকেত দেয়
১. হঠাৎ মাথা ঘোরা এবং শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা।
২. হাঁটার সময় বারবার হোঁচট খাওয়া বা পা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা।
৩. চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা অথবা কানে অস্বাভাবিক ভোঁ ভোঁ শব্দ শোনা।
৪. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া, যা সাধারণ ওষুধে সারে না এবং সাথে বমি ভাব থাকতে পারে।
৫. হাত বা পায়ের এক পাশে হঠাৎ দুর্বলতা বা অসাড়তা অনুভব করা।
মিনি স্ট্রোক: বড় বিপদের আগাম বার্তা
অনেক সময় স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কয়েক মিনিটের জন্য দেখা দিয়ে আবার নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় ‘মিনি স্ট্রোক’। এটি মূলত ভবিষ্যতে বড় কোনো স্ট্রোকের স্পষ্ট সংকেত। এক্ষেত্রে মুখ, হাত বা পায়ের একপাশ অবশ হয়ে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া কিংবা চোখের সামনে অন্ধকার দেখার মতো সমস্যা দেখা দেয়। লক্ষণগুলো সেরে গেলেও একে অবহেলা করা প্রাণঘাতী হতে পারে।
স্ট্রোক প্রতিরোধে যা করবেন
স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। এছাড়া লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা, প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করা এবং ধূমপান বর্জন করার মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- চট্টগ্রাম ও ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে মেগা প্রজেক্টের ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- এখন থেকে এনআইডি আবেদনে যা যা লাগবে: নতুন নির্দেশনা জারি করল ইসি
- এটা বড় ব্লান্ডার, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলা নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর
- ইরানকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দিল পাকিস্তান: জারি হলো নতুন আদেশ
- নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে বুড়িঘাট ইয়ুথ ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
- ঝড়ের তাণ্ডবে কুমিল্লায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়: ৩৫ ট্রান্সফরমার নষ্ট, অন্ধকারে ২৭ হাজার গ্রাহক
- কুমিল্লায় প্রবেশমুখ এখন অনিরাপদ ও মরণফাঁদ
- মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের আল্টিমেটাম দিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার বক্তব্য
- পুলিশ-সাংবাদিক সুসম্পর্ক গড়তে ইউনেস্কোর নতুন প্রশিক্ষণ প্রকল্প
- যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালি! বিশ্ব বাণিজ্যে মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা
- অর্থনৈতিক যুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে ট্রাম্প: ইরান কি পারবে নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচতে?
- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি: শামা ওবায়েদ
- বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ নারী সংসদ সদস্য
- আলোচনার সময় শেষ! ইরানকে চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক পোস্ট
- বিশ্ববাজারের অজুহাতে সয়াবিন তেলের দাম বাড়াল সরকার
- ২৯ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- নারীর ক্ষমতায়নে নতুন দিগন্ত: ৩৭ হাজার পরিবার পাচ্ছে সরকারি নগদ সহায়তা
- কিডনিতে পাথর কেন হয়? প্রাণঘাতী এই ব্যথা থেকে বাঁচার ৫টি অব্যর্থ উপায়
- বৃষ্টির দিনে জম্পেশ আহার! জিভে জল আনা ‘আচারি মাংস খিচুড়ি’র সহজ রেসিপি
- দরুদ শরিফ কেন মুমিনের নিত্য আমল হওয়া উচিত?
- যুদ্ধ কি আবার শুরু হবে? ইরানি জেনারেলের বিস্ফোরক মন্তব্যে কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য
- টানা ৮ দিন বাড়ছে তেলের দাম: ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বিশ্ববাজারে তোলপাড়
- ঢাকায় নামছে ২৫০টি ইলেকট্রিক বাস! ক্লিন ও গ্রিন সিটির মেগা প্ল্যান জানালেন প্রধানমন্ত্রী
- ৩ বছর জ্বালানি দেবে রাশিয়া: রূপপুর প্রকল্পে ইউরেনিয়াম নিয়ে চিন্তা নেই
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- হামলা নয়, অবরোধ! ইরানকে কোণঠাসা করতে ট্রাম্পের ‘দীর্ঘমেয়াদী’ মাস্টারপ্ল্যান
- প্রতিদিন ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পড়লে মিলবে যে উপকার
- আজই সিরিজ নিশ্চিতের মিশন! কিউইদের হারিয়ে ইতিহাস গড়ার দোরগোড়ায় বাংলাদেশ
- আজ রাজধানীর কোন কোন মার্কেট বন্ধ? বের হওয়ার আগে দেখে নিন তালিকা
- দেশজুড়ে ঝড়ের তাণ্ডব: ১৭ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টি ও ৮ জেলায় কালবৈশাখীর রেড অ্যালার্ট
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ওয়াক্ত
- ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস! মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বড় সংকটে রিপাবলিকান পার্টি
- নতুন শান্তি প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান! যুদ্ধের মোড় ঘুরাতে তেহরানের নয়া ছক
- আমরা কি হাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করেছি? রাজাকারের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি : পার্থ
- রাডার এড়িয়ে গোপন যাত্রা! ২ মাস পর এলএনজি নিয়ে হরমুজ পার হলো বিশাল জাহাজ
- সারাদেশের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
- ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে সাবধান! জালিয়াত চক্র থেকে বাঁচার উপায় জানাল ব্যাংক
- ওপেক ছাড়ল সংযুক্ত আরব আমিরাত: সৌদি আরবের জন্য বড় ধাক্কা, উত্তাল তেলের বাজার!
- টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস
- ভারতীয় ভিসায় বড় পরিবর্তন! ভোগান্তি কমাতে সংসদে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ১৬টি খাতে জাপানের দুয়ার উন্মুক্ত! ৩ লাখ জনশক্তি পাঠাতে মাস্টারপ্ল্যান সরকারের
- সংসদে ডা. শফিকের হুঙ্কার: ‘দল করতে কি উনার অনুমতি লাগবে?
- সংসদের উত্তেজনা থামালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ইতিহাস নিয়ে জাতিকে আর বিভক্ত করবেন না
- মাঝসমুদ্রে নাটকীয় অভিযান! ইরানের তেলের ট্যাংকার জব্দ করল মার্কিন নৌবাহিনী
- অর্থের অভাবে কেউ আর বিচারহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী
- সংসদে রণক্ষেত্র! ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও জামায়াত’ ইস্যুতে ফজলুর রহমানের বিস্ফোরক মন্তব্য
- সোনার বাজারে খুশির আমেজ; বাজুসের নতুন মূল্যে বড় ছাড়
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বনাম ডিজিটাল অসভ্যতা: গণতান্ত্রিক সংহতি রক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জ
- রেকর্ড দামের পর অবশেষে স্বস্তি: সোনার ভরিতে বড় ছাড় দিল বাজুস
- আবারও সস্তা হলো সোনা: আজ থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর
- রেকর্ড দামের পর এবার কি কমছে স্বর্ণ? একনজরে আজকের বাজার দর
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ১ম টি-টোয়েন্টি: সময়সূচি ও সরাসরি দেখার উপায় একনজরে
- আজ থেকেই আদানির বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমতে পারে লোডশেডিং
- ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য বন্ধ হলো আমেরিকার দুয়ার: তালিকায় বাংলাদেশও
- ত্বক ও চুলে অ্যালোভেরার অবিশ্বাস্য উপকারিতা
- ঢাকার যে ১১ পাম্পে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ফুয়েল পাস
- ২৬ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৬ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- তাপদাহের পর এবার ঝড়-বৃষ্টির বড় পূর্বাভাস
- আজ নামাজের সময়সূচি দেখে নিন
- ২৬ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ








