ঝাল মাংস তো অনেক হলো, এবার ঈদে পাতে থাকুক জিভে জল আনা সাদা কোরমা

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে খাবারের মেনুতে থাকা চাই রাজকীয় ছোঁয়া। ঈদের সকালে বা দুপুরের পোলাওয়ের সাথে যদি থাকে সুস্বাদু চিকেন কোরমা, তবে তো কথাই নেই। ঝাল মাংসের পাশাপাশি এবার রান্নায় ভিন্নতা আনতে আপনি সহজেই তৈরি করতে পারেন এই পদটি। আপনার দেওয়া রেসিপি অনুযায়ী সাদা পোলাওয়ের সাথে খাওয়ার উপযোগী করে নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:
শাহী চিকেন কোরমা তৈরির উপকরণ
মুরগি: ১টি (মাঝারি সাইজ)
আলু: ২টি (টুকরো করে কাটা)
বাটা মসলা: পেঁয়াজ বাটা ১/৪ কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ।
আস্ত মসলা ও ফোড়ন: দারুচিনি ২টি, এলাচ ৪টি, তেজপাতা ২টি, কাঁচামরিচ ৪টি।
রান্নার বিশেষ উপকরণ: টক দই বা দুধ ১/২ কাপ, চিনি ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, কিশমিশ ৭/৮টি, গরম মসলা গুঁড়া ১/২ চা চামচ।
তেল ও ঘি: তেল ১ কাপ, ঘি ১ টেবিল চামচ।
লবণ: পরিমাণমতো।
রান্নার সঠিক প্রস্তুতি ও ধাপসমূহ
প্রথমে মুরগির মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এখন আলু, কাঁচামরিচ, কিশমিশ, লেবুর রস, চিনি, দুধ/দই ও ঘি বাদে বাকি সব বাটা মসলা ও লবণ দিয়ে মাংসটি মেখে ৩০ মিনিট রেখে দিন। এতে মাংসের ভেতর পর্যন্ত মসলার স্বাদ পৌঁছাবে।
কড়াইতে তেল গরম করে প্রথমে আলুগুলো হালকা লাল করে ভেজে তুলে রাখুন। এরপর সেই তেলেই ম্যারিনেট করা মাংস দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করুন। এবার আস্ত গরম মসলা (এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা) ও ভাজা আলু দিয়ে ২৫-৩০ মিনিট সময় নিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন।
মাংস কষানো হয়ে গেলে পরিমাণমতো গরম পানি দিন। ঝোল ফুটে উঠলে চুলার আঁচ কমিয়ে ঢেকে রান্না করুন। ঝোল ঘন হয়ে এলে ওপর থেকে টক দই বা দুধ দিয়ে দিন। নামানোর ঠিক আগ মুহূর্তে দুধ দিলে কোরমার রঙ সাদাটে ও শাহী ভাব বজায় থাকে।
রান্না প্রায় শেষ পর্যায়ে এলে কিশমিশ, লেবুর রস, চিনি, কাঁচামরিচ ও ঘি ছড়িয়ে দিন। এরপর ৫ মিনিটের জন্য দমে রাখুন। যখন মাংসের ওপর তেল ভেসে উঠবে, তখন চুলা বন্ধ করে দিন।
বিনা জামানতে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অভিবাসী ঋণ; জেনে নিন সহজ আবেদন পদ্ধতি
বিদেশে কাজের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিতে ইচ্ছুক অনেক মানুষের কাছেই প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান। এই সমস্যা সমাধানে এবং প্রবাসীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নতুন ও পুনরায় বিদেশগামীদের জন্য বিশেষ অভিবাসী ঋণ সুবিধা প্রদান করছে। এই প্রকল্পের আওতায় একজন বিদেশগামী কর্মী জামানতবিহীন সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারেন।
এই ঋণের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ রাখা হয়েছে। আগ্রহী ব্যক্তিকে প্রথমে তাঁর নিকটস্থ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগ করে বিনামূল্যে একটি আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হবে। ফরমটি যথাযথভাবে পূরণ করার পর প্রয়োজনীয় নথিসহ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে আবেদনকারীর চার কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও পাসপোর্টের ফটোকপি এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসার কপি। এছাড়াও ম্যানপাওয়ার স্মার্ট কার্ডের ফটোকপি এবং সম্ভব হলে লেবার কন্ট্রাক্ট পেপার জমা দিতে হবে। ঋণের জন্য একজন জামিনদার থাকা আবশ্যক, যাঁর ছবি, এনআইডি এবং তিনটি খালি চেকের পাতা প্রয়োজন হবে। একইসাথে ঋণগ্রহীতাকে ওই ব্যাংক শাখায় একটি সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে হবে।
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের এই ঋণের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত, যা নতুন কর্মী এবং রি-এন্ট্রি ভিসাধারী—উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ঋণের মেয়াদকাল নতুন ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ বছর এবং পুনরায় বিদেশগামীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত হতে পারে। এই ঋণের অন্যতম বড় সুবিধা হলো এর 'গ্রেস পিরিয়ড'। অর্থাৎ ঋণ গ্রহণের পর প্রথম দুই মাস কর্মীকে কোনো কিস্তি পরিশোধ করতে হবে না। পরবর্তী মাসগুলো থেকে নির্ধারিত মেয়াদে কিস্তির মাধ্যমে ঋণ শোধ করা যাবে। এই ঋণের ওপর বর্তমানে ৮ শতাংশ হারে সরল সুদ প্রযোজ্য।
সাধারণত সকল কাগজপত্র ও শর্ত পূরণ করা থাকলে মাত্র সাত কার্যদিবসের মধ্যেই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ঋণ অনুমোদন করে থাকে। বিশেষ বিষয় হলো, এই ঋণের জন্য ব্যাংক থেকে কোনো বাড়তি সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করা হয় না। ঋণের কিস্তির হিসাবও বেশ সহজ; যেমন কোনো ব্যক্তি ২ বছর মেয়াদে ৩ লাখ টাকা ঋণ নিলে তাঁকে মাসে প্রায় ১৩,৫৬৯ টাকা পরিশোধ করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে ঋণ পাওয়া নিয়ে নেতিবাচক ধারণা থাকলেও প্রয়োজনীয় শর্ত ও নথিপত্র সঠিকভাবে উপস্থাপন করলে এ সুবিধা পাওয়া সহজ হয়। তাই বিস্তারিত জানতে এবং সফলভাবে ঋণের আবেদন করতে আগ্রহী ব্যক্তিদের সরাসরি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের নিকটতম শাখায় যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
বাড়িতেই হবে ফলের সমারোহ: আপনার বারান্দার টবে যে ৩টি ফল সহজে ফলবে
বাড়ির বারান্দা কিংবা ছাদে ফলের বাগান করার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। যদিও টবে ফলের গাছ লাগানো কিছুটা চ্যালেঞ্জিং, তবে সঠিক যত্ন আর ধৈর্য থাকলে আপনার শখের টবেই ফলবে সুস্বাদু সব ফল। মূলত যাদের গাছ সম্পর্কে নূন্যতম ধারণা আছে, তারা সহজেই টবকে এক টুকরো বাগানে পরিণত করতে পারেন।
টবে চাষ উপযোগী ৩টি জনপ্রিয় ফলের গাছের যত্ন ও চাষ পদ্ধতি তুলে ধরা হলো
১. কামরাঙা
কামরাঙা প্রেমীদের জন্য সুখবর হলো, এটি টবে বেশ ভালো জন্মায়। এর জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত রোদ আসে এমন একটি স্থান। কামরাঙা গাছে প্রতিদিন পানি দিতে হয়, তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন গাছের গোড়ায় পানি জমে না থাকে। গাছ যখন ফল দেওয়ার উপযোগী হয়, তখন নিয়মিত এর ডাল ছেঁটে দিলে ফলন অনেক ভালো হয়।
২. আম
ফলের রাজা আম আপনার বারান্দার টবেও বড় হতে পারে। আম খাওয়ার পর এর আঁটি বা বীজ টবের মাটিতে পুঁতে দিলেই কিছুদিনের মধ্যে চারা গজাবে। আমের চারার জন্য পর্যাপ্ত রোদ ও পরিমিত পানি প্রয়োজন। তবে একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে—আম গাছে যেন উত্তরের ঠান্ডা হাওয়া সরাসরি না লাগে, কারণ এটি গাছের বৃদ্ধির ক্ষতি করতে পারে।
৩. ড্রাগন ফল
ছাদবাগানীদের জন্য ড্রাগন ফল বর্তমানে সবচেয়ে প্রিয় একটি নাম। ড্রাগন গাছ খুব সহজেই টবে বা ড্রামে মানিয়ে নেয়। এর জন্য প্রচুর রোদ এবং গাছটি বেড়ে ওঠার জন্য একটি দেয়াল বা শক্ত খুঁটির অবলম্বন প্রয়োজন। নিয়মিত পানি দিলেও ড্রাগন গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকা একদমই চলবে না, কারণ অতিরিক্ত পানিতে এর শিকড় পচে যাওয়ার ভয় থাকে।
/আশিক
কম্পিউটার স্ক্রিনে ক্লান্তি? চোখের আরাম পেতে জাদুর মতো কাজ করবে এই ব্যায়াম
চোখের ক্লান্তি দূর করতে বা সাময়িক স্বস্তি পেতে চোখের ব্যায়াম কার্যকর হলেও এটি কখনোই চশমা বা কন্টাক্ট লেন্সের স্থায়ী বিকল্প নয় বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি চোখের যত্নে ব্যায়ামের জনপ্রিয়তা বাড়লেও, দৃষ্টিশক্তির ত্রুটি সারিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এর সীমাবদ্ধতা নিয়ে বাস্তববাদী হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে 'চোখের পুশ-আপস' বা নির্দিষ্ট কোনো বস্তুর ওপর ফোকাস করার ব্যায়াম বেশ পরিচিতি পেয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত একটি আঙুল ধীরে ধীরে চোখের কাছে এনে ফোকাস করার ক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। এতে চোখের 'সাইলিয়ারি মাসল' বা পেশিগুলো সক্রিয় হয়, যা কাছে বা দূরের বস্তুর ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে সহায়তা করে। তবে বিজ্ঞানসম্মতভাবে এটি এখনো প্রমাণিত নয় যে, এই ব্যায়ামগুলো মায়োপিয়া (দূরদৃষ্টির সমস্যা) বা হাইপারমেট্রোপিয়া স্থায়ীভাবে নিরাময় করতে সক্ষম।
বিশেষ করে যারা দীর্ঘ সময় কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের পর্দার সামনে থাকেন, তাদের জন্য চোখের ব্যায়াম বেশ উপকারী। এটি চোখের ক্লান্তি, শুষ্কতা এবং জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। তবে স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি উন্নতির আশায় চশমা ছেড়ে ব্যায়ামের ওপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। চোখের দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষায় পর্যাপ্ত আলোতে কাজ করা, স্ক্রিন ব্যবহারের মাঝে বিরতি নেওয়া (যেমন ২০-২০-২০ নিয়ম), সঠিক ভঙ্গিমা বজায় রাখা এবং ভিটামিন-যুক্ত সুষম খাবার খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিশেষে, চোখের যেকোনো সমস্যায় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও সঠিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
/আশিক
না খেয়ে থাকা মানেই কি ওজন কমানো? ডায়েটের ভুল ধারণা ভাঙুন আজই
ওজন কমানোর কথা ভাবলেই অনেকে মনে করেন না খেয়ে থাকলেই দ্রুত ফল মিলবে। কিন্তু বাস্তবে এটি শরীরের জন্য উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে। খাবার হঠাৎ বন্ধ করে দিলে মেটাবলিজম বা হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং শরীর দুর্বল হয়ে নানা রোগের সৃষ্টি করে। ওজন কমানোর যাত্রায় সাধারণত যে ৩টি ভুল আমরা সবচেয়ে বেশি করি, তা এড়িয়ে চলা সুস্থ থাকার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
প্রথম বড় ভুলটি হলো খাবার একদম বন্ধ করে দেওয়া বা ক্যালরি অতিরিক্ত কমিয়ে ফেলা। ডায়েট মানে না খেয়ে থাকা নয়, বরং সঠিক খাবার সঠিক পরিমাণে খাওয়া। ব্রেকফাস্ট বা ডিনার বাদ দিলে শরীরে রক্তে শর্করার মাত্রা এলোমেলো হয়ে যায় এবং শরীরচর্চা করার মতো প্রয়োজনীয় শক্তি থাকে না। দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত প্রোটিন না খাওয়া ওজন কমানোর পথে বড় বাধা। প্রোটিন হজম প্রক্রিয়া উন্নত করার পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। তাই ডাল, ডিম, পনির বা মুরগির মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিনের তালিকায় রাখা উচিত। তৃতীয় ভুলটি হলো বাজারের চটকদার বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ হয়ে প্যাকেটজাত ‘ডায়েট ফুড’ বেছে নেওয়া। লো-ক্যালরি বা ডায়েট বারের নামে এসব খাবারে প্রচুর লুকানো চিনি ও প্রিজারভেটিভ থাকে, যা কোলেস্টেরল ও সুগারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই কৃত্রিম খাবারের বদলে তাজা ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস করা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর।
সূত্র : এই সময়
স্মৃতিশক্তি কমছে? মস্তিষ্ককে তুখোড় ও চিরতরুণ রাখতে ৩টি জাদুকরী অভ্যাস
বয়সের সাথে সাথে আমাদের স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া বা যুক্তি দেওয়ার সক্ষমতা কমে আসা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা আবার ফিরিয়ে আনা সম্ভব। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক সুস্থতার জন্য খুব জটিল কোনো ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই, বরং দৈনন্দিন জীবনের তিনটি সহজ অভ্যাসই এক্ষেত্রে যথেষ্ট হতে পারে।
গবেষকদের মতে, নিয়মিত ধাঁধা সমাধান করা, নতুন কিছু শেখা এবং গান শোনা বা বাদ্যযন্ত্র চর্চা করার মাধ্যমে মস্তিষ্কের নিউরনের সংযোগগুলো অনেক বেশি শক্তিশালী হয়, যা সরাসরি স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। শব্দছক, সুডোকু বা জিগস পাজল সমাধান করার মতো কাজগুলো মূলত মানুষের যুক্তিবিদ্যা, গণিত এবং দৃশ্যগত দক্ষতার ওপর নির্ভর করে, যা মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশকে একই সঙ্গে সক্রিয় রেখে সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
একইভাবে নতুন কোনো ভাষা শেখা, ছবি আঁকা, নিয়মিত লেখালেখি করা কিংবা প্রতিদিনের চেনা রাস্তার বদলে ভিন্ন কোনো পথে কর্মস্থলে যাওয়া মস্তিষ্ককে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করে। হার্ভার্ড হেলথ-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই ধরনের সৃজনশীল কাজগুলো মস্তিষ্কের কগনিটিভ ফাংশন বা জ্ঞানীয় ক্ষমতা উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পাশাপাশি নিয়মিত গান শোনা, গান গাওয়া বা গিটার ও পিয়ানোর মতো বাদ্যযন্ত্র বাজানোর চর্চা মস্তিষ্কের নিউরোপ্লাস্টিসিটি বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে মস্তিষ্কের গঠনগত উন্নতি হয় এবং মানসিক চাপ অনেকটাই কমে আসে। তবে এসব অভ্যাসের পাশাপাশি মস্তিষ্কের স্মৃতি ধরে রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত অ্যারোবিক ব্যায়াম অত্যন্ত জরুরি, যা মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। এছাড়া মানুষের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখা এবং নিয়মিত কথা বলাও মস্তিষ্ককে দীর্ঘমেয়াদে তীক্ষ্ণ ও কর্মক্ষম রাখতে অত্যন্ত সহায়কের ভূমিকা পালন করে।
/আশিক
এক কয়েল মানেই ১৪০টি সিগারেট! মশা তাড়াতে বিষ নয়, বেছে নিন প্রাকৃতিক উপায়
তীব্র গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মশার উপদ্রব, যার হাত ধরে ঘরে ঘরে হানা দিচ্ছে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়ার মতো প্রাণঘাতী রোগ। মশা তাড়াতে আমরা সাধারণত কয়েল বা অ্যারোসল ব্যবহার করি, কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, একটি কয়েল ৮ ঘণ্টা জ্বললে প্রায় ১৪০টি সিগারেটের সমান ক্ষতিকর ধোঁয়া উৎপন্ন করে। এই ধোঁয়া আমাদের হার্ট, ফুসফুস ও শ্বাসনালীর মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই কৃত্রিম বিষাক্ত পদ্ধতির বদলে প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়ানো এখন সময়ের দাবি। ঘরোয়া কিছু সহজ ও কার্যকর পদ্ধতি অবলম্বন করে আপনি সহজেই মশা মুক্ত থাকতে পারেন।
মশা তাড়াতে কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী; একটি পাত্রে জল নিয়ে তাতে কর্পূরের টুকরো রেখে ঘরের কোণে রেখে দিলে মশা দ্রুত পালিয়ে যায়। এছাড়া লেবু দুই টুকরো করে তাতে লবঙ্গ গেঁথে ঘরের কোণায় বা জানালার গ্রিলে রাখলে মশার উপদ্রব কমে। নিমের তেল ও নারকেল তেলের মিশ্রণ ত্বকে মাখলে মশা কামড়ায় না এবং ত্বকের ইনফেকশন দূর হয়। পুদিনা পাতা ছেঁচে পানিতে ফুটিয়ে সেই ভাপ ঘরে ছড়ালে বা টবে লেমন গ্রাস গাছ লাগালে এর কড়া গন্ধে মশারা ধারেকাছে ঘেঁষে না। এমনকি ব্যবহৃত চা-পাতা রোদে শুকিয়ে ধুনোর মতো পোড়ালে ঘর থেকে মশা-মাছি দ্রুত বিদায় নেয়।
ঘরকে মশা মুক্ত রাখতে বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবহারেও পরিবর্তন আনা যেতে পারে; মশারা সাধারণত হলুদ আলো অপছন্দ করে, তাই সাধারণ বাল্ব বদলে হলুদ ‘বাগ লাইট’ বা সোডিয়াম লাইট ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ। এছাড়া ফ্যান চালু রাখলে বাতাসের গতির কারণে হালকা ওজনের মশারা উড়তে পারে না। পোশাকের ক্ষেত্রে কালো, নীল বা লাল রঙের পরিবর্তে হালকা রঙের কাপড় পরা এবং শোয়ার আগে গায়ে প্রাকৃতিক সুগন্ধি বা রসুনের মিশ্রণ স্প্রে করা যেতে পারে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বাড়ির আশেপাশে পানি জমতে না দেওয়া, কারণ জমানো পানিতেই মশারা বংশবিস্তার করে।
/আশিক
পানির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে শরীর? ৫টি লক্ষণ দেখলেই সাবধান!
কেবল তীব্র গরম নয়, বছরের যেকোনো ঋতুতেই শরীরে পানির অভাব বা ডিহাইড্রেশন দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে শীতকালে আমরা তৃষ্ণা কম অনুভব করায় পানি পানের পরিমাণ কমিয়ে দিই, যা অজান্তেই বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা তৈরি করে। শরীরে পানির পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে দেহ বিভিন্ন সংকেত বা লক্ষণের মাধ্যমে আমাদের সতর্ক করার চেষ্টা করে। এই লক্ষণগুলো সময়মতো শনাক্ত করতে না পারলে কিডনিসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই সুস্থ থাকতে ডিহাইড্রেশনের প্রধান লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি।
শরীরে পানির ঘাটতি হলে প্রথমেই মুখ, গলা ও ঠোঁট বারবার শুকিয়ে আসতে শুরু করে। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে লালাগ্রন্থি শুকিয়ে যায়, যার ফলে কথা বলতেও অস্বস্তি হতে পারে। ডিহাইড্রেশনের আরেকটি অন্যতম বড় লক্ষণ হলো প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন। স্বাভাবিক অবস্থায় প্রস্রাব হালকা রঙের হলেও শরীরে পানি কমে গেলে তা গাঢ় হলুদ বা লালচে বর্ণ ধারণ করতে পারে। এছাড়া দীর্ঘ সময় পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও যদি শরীর সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগে বা ঝিমুনি আসে, তবে বুঝতে হবে শরীর ভেতর থেকে পানিশূন্যতায় ভুগছে।
পানির অভাব সরাসরি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলে, যার ফলে হুটহাট তীব্র মাথা ব্যথা হতে পারে কিংবা মাথা ঝিমঝিম করে চোখে অন্ধকার দেখার মতো সমস্যা তৈরি হয়। এমনকি ত্বকের যত্নে দামি প্রসাধন ব্যবহার করার পরও যদি ত্বক অতিরিক্ত খসখসে বা রুক্ষ থাকে, তবে সেটি মূলত ভেতর থেকে পানির অভাবেরই বহিঃপ্রকাশ। এছাড়া শরীরে পানি ও খনিজ উপাদানের ভারসাম্য নষ্ট হলে ঘনঘন পেশিতে টান ধরার মতো যন্ত্রণাদায়ক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয় এবং দ্রুত পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করে শরীরকে সতেজ রাখা প্রয়োজন।
/আশিক
অস্পষ্ট শব্দ ও ভিড়ে কথা শুনতে কষ্ট: জানুন শ্রবণশক্তি হ্রাসের লক্ষণ
চারপাশে সবাই কথা বলছে, কিন্তু আপনি কি ঠিকমতো বুঝতে পারছেন না? ভিড়ের মধ্যে বন্ধুর কথা শুনতে কষ্ট হওয়া কিংবা ফোনের ওপাশে কারও কথা পানির নিচ থেকে ভেসে আসার মতো অভিজ্ঞতা অনেকেরই হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কানে কম শোনার এই সমস্যাকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। প্রতি বছর ৩ মার্চ ‘বিশ্ব শ্রবণ দিবস’ পালিত হয় আমাদের কানের যত্ন ও শ্রবণশক্তি সম্পর্কে সচেতন করার জন্য। আধুনিক জীবনযাত্রা, দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহার এবং অতিরিক্ত শব্দদূষণের ফলে যে কেউ যেকোনো বয়সে এই সমস্যায় পড়তে পারেন।
কানে কম শোনার লক্ষণগুলো প্রথমদিকে খুব সূক্ষ্মভাবে ধরা দেয় বলে অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারেন না। তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ আছে যা দেখা দিলে দ্রুত সতর্ক হওয়া জরুরি। যেমন, চারপাশের কথাবার্তা অস্পষ্ট বা ঝাপসা মনে হওয়া কানের পর্দা থেকে মস্তিষ্কে সিগন্যাল পৌঁছাতে সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। আবার রেস্তোরাঁ বা ভিড়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কারও কথা আলাদাভাবে বুঝতে না পারা শ্রবণশক্তি হ্রাসের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। যদি বারবার অন্যকে ‘কী বললেন?’ বা ‘আরেকবার বলুন’ জিজ্ঞেস করতে হয়, তবে আপনার শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করার সময় এসেছে।
আরও কিছু লক্ষণের মধ্যে রয়েছে অন্যদের তুলনায় টিভির ভলিউম বেশি বাড়ানো এবং আড্ডা বা পারিবারিক জমায়েত এড়িয়ে চলার প্রবণতা তৈরি হওয়া। নিস্তব্ধ পরিবেশেও কানে একটানা বাঁশির মতো শব্দ বা ‘টিনিটাস’ হওয়া স্নায়ুজনিত সমস্যার সংকেত দেয়। এছাড়া ‘স’, ‘ফ’ বা ‘ট’ এর মতো ব্যঞ্জনবর্ণ শুনতে কষ্ট হওয়া উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ শোনার ক্ষমতা কমে যাওয়ার লক্ষণ। সারাদিন অন্যের কথা শোনার চেষ্টা করতে গিয়ে অতিরিক্ত মানসিক ক্লান্তি বা মাথা ধরা এবং অন্যের ওপর অকারণে বিরক্তি প্রকাশ করাও কানে শোনার সমস্যার ফল হতে পারে। এমনকি পাখির ডাক বা ঘড়ির টিকটিক শব্দের মতো প্রকৃতির ছোট ছোট শব্দ হারিয়ে যাওয়াও শ্রবণশক্তির পরিসর কমে যাওয়ার প্রমাণ।
এই ধরনের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে সামান্য এই সমস্যা পরবর্তীতে বড় ধরনের শারীরিক ও মানসিক জটিলতার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সচেতনতা ও সঠিক যত্নই পারে আপনার শ্রবণশক্তিকে দীর্ঘস্থায়ী করতে।
/আশিক
শীত শেষ হলেও খুশকির যন্ত্রণায় নাজেহাল? ঘরোয়া এই ৫টি উপায়েই মিলবে মুক্তি
সাধারণত শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কমে যাওয়ায় মাথার ত্বক অতিরিক্ত রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে ওঠে, যার ফলে অনেকেরই খুশকির সমস্যা প্রকট হয়। অনেক সময় ছত্রাকজনিত সংক্রমণের কারণে শীত শেষ হলেও এই সমস্যা কমে না। যারা দীর্ঘকাল ধরে খুশকির যন্ত্রণায় ভুগছেন, তারা দামী কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার না করে ঘরোয়া কিছু প্রাকৃতিক সমাধান বেছে নিতে পারেন। নারকেল তেল, লেবুর রস, অ্যালোভেরা এবং অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের মতো উপাদান মাথার ত্বকের পিএইচ (pH) ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং চুলকানি দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর। নিয়মিত চুলের যত্নে এই প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে খুশকি থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
খুশকি দূর করতে হালকা গরম নারকেল তেল ও লেবুর রসের মিশ্রণ দারুণ কাজ করে। এর জন্য ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল হালকা গরম করে তাতে সমপরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে মাথার ত্বকে আলতোভাবে ম্যাসাজ করতে হবে। মিশ্রণটি ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেললে মাথার ত্বকের চুলকানি কমার পাশাপাশি খুশকি দ্রুত দূর হয়। এছাড়া অ্যাপল সাইডার ভিনেগার ব্যবহারের মাধ্যমেও ভালো ফল পাওয়া যায়। সমপরিমাণ পানি ও ভিনেগার মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে শ্যাম্পু করার পর চুলে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেললে মাথার ত্বকের অম্লতা ও ক্ষারের ভারসাম্য ঠিক থাকে।
মাথার ত্বকের জ্বালাপোড়া ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে সরাসরি অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা যেতে পারে। জেলটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে ত্বক শীতল ও ময়েশ্চারাইজড থাকে। দীর্ঘস্থায়ী খুশকির জন্য মেথি ও দইয়ের প্যাক অত্যন্ত কার্যকরী একটি পদ্ধতি। মেথি সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে বেটে পেস্ট তৈরি করে তার সঙ্গে টক দই মিশিয়ে চুলে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেললে চুলের গোড়া মজবুত হয় ও খুশকি পরিষ্কার হয়। এছাড়া নিয়মিত শ্যাম্পুর সঙ্গে ২-৩ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে চুল পরিষ্কার করলে ছত্রাকজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য ঘরোয়া প্যাকের পাশাপাশি কিছু জরুরি টিপস অনুসরণ করা প্রয়োজন। চুল সর্বদা পরিষ্কার রাখতে নিয়মিত মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় জিঙ্ক, ভিটামিন বি এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত খাবার রাখা জরুরি যা ভেতর থেকে ত্বকের পুষ্টি নিশ্চিত করে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ খুশকি বাড়িয়ে তোলে, তাই নিয়মিত যোগব্যায়াম বা মেডিটেশন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি চুলের জেল বা হেয়ার স্প্রে ব্যবহার কমিয়ে দিলে খুশকির প্রকোপ থেকে বাঁচা সহজ হয়।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ঝাল মাংস তো অনেক হলো, এবার ঈদে পাতে থাকুক জিভে জল আনা সাদা কোরমা
- বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে রকেট হানা: ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন গ্রিন জোনে যুদ্ধের আতঙ্ক
- বড় সংকটে ইরান: সর্বোচ্চ নেতার ছবি দিয়ে পুরস্কারের ঘোষণা মার্কিন প্রশাসনের
- হামলা আরও ভয়াবহ হবে; ইরানকে চরম দুঃসংবাদ দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- ধর্মীয় সেবকদের জন্য সুখবর: আজ সম্মানী প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
- তেল বাজার কি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে? খারগ দ্বীপে হামলার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক
- জ্যাম এড়াতে জেনে নিন আজ রাজধানীর কোথায় কী কর্মসূচি
- মোজতবা খামেনির ওপর হামাসের আস্থা; ফিলিস্তিন প্রশ্নে বদলাবে না ইরানের নীতি!
- টানা দুই দফায় কমল দাম; স্বর্ণের বাজারে বড় ধসের ইঙ্গিত!
- গুমোট গরম থেকে মুক্তি? ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া দপ্তরের নতুন আপডেট
- সদকাতুল ফিতরের মাসআলা; প্রবাসীরা কোন দেশের বাজারমূল্যে ফিতরা দেবেন?
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে বড় জবাব দিল ইরান; সৌদি আরবের ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্রের তাণ্ডব
- আজ ২৪ রমজান: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
- মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ইতিহাসের ‘শক্তিশালী’ বিমান হামলা: কাঁপছে ইরানের খারগ দ্বীপ
- ইরানের নতুন ডিফেন্স সিস্টেমে ভূপাতিত ৫ মার্কিন-ইসরায়েলি ড্রোন, ইসরায়েলে সতর্ক সাইরেন
- ‘নেতানিয়াহুর ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প’: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা ইরানের
- রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও বিচার দাবি করল জুলাই ঐক্য
- ইরানি মিসাইলের নতুন ঢেউ, সতর্কতা জারি ইসরায়েলে
- পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত মার্কিন কেসি-১৩৫, চার ক্রু নিহত
- ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার তুরস্কের
- বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে ট্রাম্পকে তীব্র জবাব দিল ইরান
- মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার শুরু
- এভারকেয়ারে মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
- উত্তর ইসরায়েলে বড় ক্ষয়ক্ষতি, ইসরায়েলের ডিফেন্স ব্যর্থ? উঠেছে প্রশ্ন
- রুশ তেল ছাড়া বৈশ্বিক বাজার স্থিতিশীল নয়: কিরিল দিমিত্রিভ
- ঈদের টিকিটে প্রতারণা এড়াতে জরুরি নির্দেশনা
- এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে
- ইরানের নেতাদের নিয়ে বিদ্রূপ করলেন নেতানিয়াহু
- উত্তর ইসরায়েলে বিস্ফোরণে আহত ৩০
- রাশিয়া–চীন সহায়তায় ইরানের কৌশল বদল
- ‘ইরান আর আগের মতো নেই’ দাবি নেতানিয়াহুর
- যুদ্ধ উত্তেজনায় তেলের দামে নতুন উল্লম্ফন
- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে ঢাকায় যে ২৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
- বাংলাদেশ–পাকিস্তান ম্যাচসহ আজকের টিভিতে যত খেলা
- আজ ডলারসহ বিভিন্ন মুদ্রার বিনিময় হার জানুন
- আজ ঢাকার আবহাওয়া কেমন থাকবে জানাল আবহাওয়া অফিস
- ঢাকায় আজ বিএনপি, জামায়াত ও সরকারের কর্মসূচি, জানুন এক নজরে
- ইরাকে বিধ্বস্ত যুক্তরাষ্ট্রের কেসি-১৩৫ সামরিক বিমান
- আজ থেকে কার্যকর সোনার নতুন দাম, জেনে নিন কত
- ঈদ ফেরত ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, কিনবেন যেভাবে
- হরমুজ প্রণালিতে কিছু দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি ইরানের
- আজ ২৩ রমজান: আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- ইরান যুদ্ধে না নামলে সৌদিকে কঠোর ‘পরিণতির’ হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
- মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের আল্টিমেটাম দিলেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা
- ইরানের পাশে দুই মুসলিম দেশের সশস্ত্র গোষ্ঠী
- বাস, ট্রেন, লঞ্চ যাত্রীদের জন্য পুলিশের নির্দেশনা
- বিনা জামানতে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অভিবাসী ঋণ; জেনে নিন সহজ আবেদন পদ্ধতি
- বিচার বিভাগ এখন স্বাধীন, আইন চলবে নিজস্ব গতিতে: নুরুল হক নূর
- আমরা কি আবার সেই পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যাচ্ছি?
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন, ২ লাখ ১৯ হাজারে মিলবে এক ভরি
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল ধস! ২২ ক্যারেটের নতুন দাম জানাল জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন
- পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষিকাকে মারধর! সাতক্ষীরায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
- আকাশচুম্বী দামের পর এবার কমছে স্বর্ণের ভরি: নতুন দর জানাল বাজুস
- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে ঢাকায় যে ২৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
- আল ধাফরা ও ফিফথ ফ্লিটে ইরানের বিধ্বংসী আঘাত: মার্কিন কমান্ডো শিবিরে লাশের পাহাড়
- ২৭ রমজানই কি কদরের রাত? মুসনাদে আহমাদ ও বুখারির হাদিস যা বলছে
- ২৪ ঘণ্টায় ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত
- টানা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বিশাল ধস: ভরিতে কমল ৯ হাজার টাকার বেশি
- যুদ্ধবিরতির আলোচনায় চীন ও রাশিয়া: তেহরানের পাশে তিন শক্তি
- ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন নেতানিয়াহু! তাসনিম নিউজের চাঞ্চল্যকর তথ্য
- বিনা হিসাবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে যে ৭০ হাজার মানুষ
- আজ ২১ রমজান; জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময়সূচি
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়








