বাড়িতেই হবে ফলের সমারোহ: আপনার বারান্দার টবে যে ৩টি ফল সহজে ফলবে

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১২ ১২:৩৯:৩৩
বাড়িতেই হবে ফলের সমারোহ: আপনার বারান্দার টবে যে ৩টি ফল সহজে ফলবে
ছবি : সংগৃহীত

বাড়ির বারান্দা কিংবা ছাদে ফলের বাগান করার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। যদিও টবে ফলের গাছ লাগানো কিছুটা চ্যালেঞ্জিং, তবে সঠিক যত্ন আর ধৈর্য থাকলে আপনার শখের টবেই ফলবে সুস্বাদু সব ফল। মূলত যাদের গাছ সম্পর্কে নূন্যতম ধারণা আছে, তারা সহজেই টবকে এক টুকরো বাগানে পরিণত করতে পারেন।

টবে চাষ উপযোগী ৩টি জনপ্রিয় ফলের গাছের যত্ন ও চাষ পদ্ধতি তুলে ধরা হলো

১. কামরাঙা

কামরাঙা প্রেমীদের জন্য সুখবর হলো, এটি টবে বেশ ভালো জন্মায়। এর জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত রোদ আসে এমন একটি স্থান। কামরাঙা গাছে প্রতিদিন পানি দিতে হয়, তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন গাছের গোড়ায় পানি জমে না থাকে। গাছ যখন ফল দেওয়ার উপযোগী হয়, তখন নিয়মিত এর ডাল ছেঁটে দিলে ফলন অনেক ভালো হয়।

২. আম

ফলের রাজা আম আপনার বারান্দার টবেও বড় হতে পারে। আম খাওয়ার পর এর আঁটি বা বীজ টবের মাটিতে পুঁতে দিলেই কিছুদিনের মধ্যে চারা গজাবে। আমের চারার জন্য পর্যাপ্ত রোদ ও পরিমিত পানি প্রয়োজন। তবে একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে—আম গাছে যেন উত্তরের ঠান্ডা হাওয়া সরাসরি না লাগে, কারণ এটি গাছের বৃদ্ধির ক্ষতি করতে পারে।

৩. ড্রাগন ফল

ছাদবাগানীদের জন্য ড্রাগন ফল বর্তমানে সবচেয়ে প্রিয় একটি নাম। ড্রাগন গাছ খুব সহজেই টবে বা ড্রামে মানিয়ে নেয়। এর জন্য প্রচুর রোদ এবং গাছটি বেড়ে ওঠার জন্য একটি দেয়াল বা শক্ত খুঁটির অবলম্বন প্রয়োজন। নিয়মিত পানি দিলেও ড্রাগন গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকা একদমই চলবে না, কারণ অতিরিক্ত পানিতে এর শিকড় পচে যাওয়ার ভয় থাকে।

/আশিক


কম্পিউটার স্ক্রিনে ক্লান্তি? চোখের আরাম পেতে জাদুর মতো কাজ করবে এই ব্যায়াম

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১২ ১২:৩৫:২৯
কম্পিউটার স্ক্রিনে ক্লান্তি? চোখের আরাম পেতে জাদুর মতো কাজ করবে এই ব্যায়াম
ছবি : সংগৃহীত

চোখের ক্লান্তি দূর করতে বা সাময়িক স্বস্তি পেতে চোখের ব্যায়াম কার্যকর হলেও এটি কখনোই চশমা বা কন্টাক্ট লেন্সের স্থায়ী বিকল্প নয় বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি চোখের যত্নে ব্যায়ামের জনপ্রিয়তা বাড়লেও, দৃষ্টিশক্তির ত্রুটি সারিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এর সীমাবদ্ধতা নিয়ে বাস্তববাদী হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে 'চোখের পুশ-আপস' বা নির্দিষ্ট কোনো বস্তুর ওপর ফোকাস করার ব্যায়াম বেশ পরিচিতি পেয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত একটি আঙুল ধীরে ধীরে চোখের কাছে এনে ফোকাস করার ক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। এতে চোখের 'সাইলিয়ারি মাসল' বা পেশিগুলো সক্রিয় হয়, যা কাছে বা দূরের বস্তুর ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে সহায়তা করে। তবে বিজ্ঞানসম্মতভাবে এটি এখনো প্রমাণিত নয় যে, এই ব্যায়ামগুলো মায়োপিয়া (দূরদৃষ্টির সমস্যা) বা হাইপারমেট্রোপিয়া স্থায়ীভাবে নিরাময় করতে সক্ষম।

বিশেষ করে যারা দীর্ঘ সময় কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের পর্দার সামনে থাকেন, তাদের জন্য চোখের ব্যায়াম বেশ উপকারী। এটি চোখের ক্লান্তি, শুষ্কতা এবং জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। তবে স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি উন্নতির আশায় চশমা ছেড়ে ব্যায়ামের ওপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। চোখের দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষায় পর্যাপ্ত আলোতে কাজ করা, স্ক্রিন ব্যবহারের মাঝে বিরতি নেওয়া (যেমন ২০-২০-২০ নিয়ম), সঠিক ভঙ্গিমা বজায় রাখা এবং ভিটামিন-যুক্ত সুষম খাবার খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিশেষে, চোখের যেকোনো সমস্যায় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও সঠিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

/আশিক


না খেয়ে থাকা মানেই কি ওজন কমানো? ডায়েটের ভুল ধারণা ভাঙুন আজই

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১১ ১৯:৩৯:৫১
না খেয়ে থাকা মানেই কি ওজন কমানো? ডায়েটের ভুল ধারণা ভাঙুন আজই
ছবি : সংগৃহীত

ওজন কমানোর কথা ভাবলেই অনেকে মনে করেন না খেয়ে থাকলেই দ্রুত ফল মিলবে। কিন্তু বাস্তবে এটি শরীরের জন্য উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে। খাবার হঠাৎ বন্ধ করে দিলে মেটাবলিজম বা হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং শরীর দুর্বল হয়ে নানা রোগের সৃষ্টি করে। ওজন কমানোর যাত্রায় সাধারণত যে ৩টি ভুল আমরা সবচেয়ে বেশি করি, তা এড়িয়ে চলা সুস্থ থাকার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

প্রথম বড় ভুলটি হলো খাবার একদম বন্ধ করে দেওয়া বা ক্যালরি অতিরিক্ত কমিয়ে ফেলা। ডায়েট মানে না খেয়ে থাকা নয়, বরং সঠিক খাবার সঠিক পরিমাণে খাওয়া। ব্রেকফাস্ট বা ডিনার বাদ দিলে শরীরে রক্তে শর্করার মাত্রা এলোমেলো হয়ে যায় এবং শরীরচর্চা করার মতো প্রয়োজনীয় শক্তি থাকে না। দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত প্রোটিন না খাওয়া ওজন কমানোর পথে বড় বাধা। প্রোটিন হজম প্রক্রিয়া উন্নত করার পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। তাই ডাল, ডিম, পনির বা মুরগির মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিনের তালিকায় রাখা উচিত। তৃতীয় ভুলটি হলো বাজারের চটকদার বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ হয়ে প্যাকেটজাত ‘ডায়েট ফুড’ বেছে নেওয়া। লো-ক্যালরি বা ডায়েট বারের নামে এসব খাবারে প্রচুর লুকানো চিনি ও প্রিজারভেটিভ থাকে, যা কোলেস্টেরল ও সুগারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই কৃত্রিম খাবারের বদলে তাজা ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস করা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর।

সূত্র : এই সময়


স্মৃতিশক্তি কমছে? মস্তিষ্ককে তুখোড় ও চিরতরুণ রাখতে ৩টি জাদুকরী অভ্যাস

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১১ ১২:৪০:০৪
স্মৃতিশক্তি কমছে? মস্তিষ্ককে তুখোড় ও চিরতরুণ রাখতে ৩টি জাদুকরী অভ্যাস
ছবি : সংগৃহীত

বয়সের সাথে সাথে আমাদের স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া বা যুক্তি দেওয়ার সক্ষমতা কমে আসা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা আবার ফিরিয়ে আনা সম্ভব। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক সুস্থতার জন্য খুব জটিল কোনো ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই, বরং দৈনন্দিন জীবনের তিনটি সহজ অভ্যাসই এক্ষেত্রে যথেষ্ট হতে পারে।

গবেষকদের মতে, নিয়মিত ধাঁধা সমাধান করা, নতুন কিছু শেখা এবং গান শোনা বা বাদ্যযন্ত্র চর্চা করার মাধ্যমে মস্তিষ্কের নিউরনের সংযোগগুলো অনেক বেশি শক্তিশালী হয়, যা সরাসরি স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। শব্দছক, সুডোকু বা জিগস পাজল সমাধান করার মতো কাজগুলো মূলত মানুষের যুক্তিবিদ্যা, গণিত এবং দৃশ্যগত দক্ষতার ওপর নির্ভর করে, যা মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশকে একই সঙ্গে সক্রিয় রেখে সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

একইভাবে নতুন কোনো ভাষা শেখা, ছবি আঁকা, নিয়মিত লেখালেখি করা কিংবা প্রতিদিনের চেনা রাস্তার বদলে ভিন্ন কোনো পথে কর্মস্থলে যাওয়া মস্তিষ্ককে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করে। হার্ভার্ড হেলথ-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই ধরনের সৃজনশীল কাজগুলো মস্তিষ্কের কগনিটিভ ফাংশন বা জ্ঞানীয় ক্ষমতা উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

পাশাপাশি নিয়মিত গান শোনা, গান গাওয়া বা গিটার ও পিয়ানোর মতো বাদ্যযন্ত্র বাজানোর চর্চা মস্তিষ্কের নিউরোপ্লাস্টিসিটি বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে মস্তিষ্কের গঠনগত উন্নতি হয় এবং মানসিক চাপ অনেকটাই কমে আসে। তবে এসব অভ্যাসের পাশাপাশি মস্তিষ্কের স্মৃতি ধরে রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত অ্যারোবিক ব্যায়াম অত্যন্ত জরুরি, যা মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। এছাড়া মানুষের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখা এবং নিয়মিত কথা বলাও মস্তিষ্ককে দীর্ঘমেয়াদে তীক্ষ্ণ ও কর্মক্ষম রাখতে অত্যন্ত সহায়কের ভূমিকা পালন করে।

/আশিক


এক কয়েল মানেই ১৪০টি সিগারেট! মশা তাড়াতে বিষ নয়, বেছে নিন প্রাকৃতিক উপায়

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১৯:৪৮:৩৬
এক কয়েল মানেই ১৪০টি সিগারেট! মশা তাড়াতে বিষ নয়, বেছে নিন প্রাকৃতিক উপায়
ছবি : সংগৃহীত

তীব্র গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মশার উপদ্রব, যার হাত ধরে ঘরে ঘরে হানা দিচ্ছে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়ার মতো প্রাণঘাতী রোগ। মশা তাড়াতে আমরা সাধারণত কয়েল বা অ্যারোসল ব্যবহার করি, কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, একটি কয়েল ৮ ঘণ্টা জ্বললে প্রায় ১৪০টি সিগারেটের সমান ক্ষতিকর ধোঁয়া উৎপন্ন করে। এই ধোঁয়া আমাদের হার্ট, ফুসফুস ও শ্বাসনালীর মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই কৃত্রিম বিষাক্ত পদ্ধতির বদলে প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়ানো এখন সময়ের দাবি। ঘরোয়া কিছু সহজ ও কার্যকর পদ্ধতি অবলম্বন করে আপনি সহজেই মশা মুক্ত থাকতে পারেন।

মশা তাড়াতে কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী; একটি পাত্রে জল নিয়ে তাতে কর্পূরের টুকরো রেখে ঘরের কোণে রেখে দিলে মশা দ্রুত পালিয়ে যায়। এছাড়া লেবু দুই টুকরো করে তাতে লবঙ্গ গেঁথে ঘরের কোণায় বা জানালার গ্রিলে রাখলে মশার উপদ্রব কমে। নিমের তেল ও নারকেল তেলের মিশ্রণ ত্বকে মাখলে মশা কামড়ায় না এবং ত্বকের ইনফেকশন দূর হয়। পুদিনা পাতা ছেঁচে পানিতে ফুটিয়ে সেই ভাপ ঘরে ছড়ালে বা টবে লেমন গ্রাস গাছ লাগালে এর কড়া গন্ধে মশারা ধারেকাছে ঘেঁষে না। এমনকি ব্যবহৃত চা-পাতা রোদে শুকিয়ে ধুনোর মতো পোড়ালে ঘর থেকে মশা-মাছি দ্রুত বিদায় নেয়।

ঘরকে মশা মুক্ত রাখতে বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবহারেও পরিবর্তন আনা যেতে পারে; মশারা সাধারণত হলুদ আলো অপছন্দ করে, তাই সাধারণ বাল্ব বদলে হলুদ ‘বাগ লাইট’ বা সোডিয়াম লাইট ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ। এছাড়া ফ্যান চালু রাখলে বাতাসের গতির কারণে হালকা ওজনের মশারা উড়তে পারে না। পোশাকের ক্ষেত্রে কালো, নীল বা লাল রঙের পরিবর্তে হালকা রঙের কাপড় পরা এবং শোয়ার আগে গায়ে প্রাকৃতিক সুগন্ধি বা রসুনের মিশ্রণ স্প্রে করা যেতে পারে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বাড়ির আশেপাশে পানি জমতে না দেওয়া, কারণ জমানো পানিতেই মশারা বংশবিস্তার করে।

/আশিক


পানির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে শরীর? ৫টি লক্ষণ দেখলেই সাবধান!

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১৯:৪২:২০
পানির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে শরীর? ৫টি লক্ষণ দেখলেই সাবধান!
ছবি : সংগৃহীত

কেবল তীব্র গরম নয়, বছরের যেকোনো ঋতুতেই শরীরে পানির অভাব বা ডিহাইড্রেশন দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে শীতকালে আমরা তৃষ্ণা কম অনুভব করায় পানি পানের পরিমাণ কমিয়ে দিই, যা অজান্তেই বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা তৈরি করে। শরীরে পানির পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে দেহ বিভিন্ন সংকেত বা লক্ষণের মাধ্যমে আমাদের সতর্ক করার চেষ্টা করে। এই লক্ষণগুলো সময়মতো শনাক্ত করতে না পারলে কিডনিসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই সুস্থ থাকতে ডিহাইড্রেশনের প্রধান লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি।

শরীরে পানির ঘাটতি হলে প্রথমেই মুখ, গলা ও ঠোঁট বারবার শুকিয়ে আসতে শুরু করে। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে লালাগ্রন্থি শুকিয়ে যায়, যার ফলে কথা বলতেও অস্বস্তি হতে পারে। ডিহাইড্রেশনের আরেকটি অন্যতম বড় লক্ষণ হলো প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন। স্বাভাবিক অবস্থায় প্রস্রাব হালকা রঙের হলেও শরীরে পানি কমে গেলে তা গাঢ় হলুদ বা লালচে বর্ণ ধারণ করতে পারে। এছাড়া দীর্ঘ সময় পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও যদি শরীর সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগে বা ঝিমুনি আসে, তবে বুঝতে হবে শরীর ভেতর থেকে পানিশূন্যতায় ভুগছে।

পানির অভাব সরাসরি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলে, যার ফলে হুটহাট তীব্র মাথা ব্যথা হতে পারে কিংবা মাথা ঝিমঝিম করে চোখে অন্ধকার দেখার মতো সমস্যা তৈরি হয়। এমনকি ত্বকের যত্নে দামি প্রসাধন ব্যবহার করার পরও যদি ত্বক অতিরিক্ত খসখসে বা রুক্ষ থাকে, তবে সেটি মূলত ভেতর থেকে পানির অভাবেরই বহিঃপ্রকাশ। এছাড়া শরীরে পানি ও খনিজ উপাদানের ভারসাম্য নষ্ট হলে ঘনঘন পেশিতে টান ধরার মতো যন্ত্রণাদায়ক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয় এবং দ্রুত পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করে শরীরকে সতেজ রাখা প্রয়োজন।

/আশিক


অস্পষ্ট শব্দ ও ভিড়ে কথা শুনতে কষ্ট: জানুন শ্রবণশক্তি হ্রাসের লক্ষণ

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৯ ১২:২৭:৪৪
অস্পষ্ট শব্দ ও ভিড়ে কথা শুনতে কষ্ট: জানুন শ্রবণশক্তি হ্রাসের লক্ষণ
ছবি : সংগৃহীত

চারপাশে সবাই কথা বলছে, কিন্তু আপনি কি ঠিকমতো বুঝতে পারছেন না? ভিড়ের মধ্যে বন্ধুর কথা শুনতে কষ্ট হওয়া কিংবা ফোনের ওপাশে কারও কথা পানির নিচ থেকে ভেসে আসার মতো অভিজ্ঞতা অনেকেরই হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কানে কম শোনার এই সমস্যাকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। প্রতি বছর ৩ মার্চ ‘বিশ্ব শ্রবণ দিবস’ পালিত হয় আমাদের কানের যত্ন ও শ্রবণশক্তি সম্পর্কে সচেতন করার জন্য। আধুনিক জীবনযাত্রা, দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহার এবং অতিরিক্ত শব্দদূষণের ফলে যে কেউ যেকোনো বয়সে এই সমস্যায় পড়তে পারেন।

কানে কম শোনার লক্ষণগুলো প্রথমদিকে খুব সূক্ষ্মভাবে ধরা দেয় বলে অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারেন না। তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ আছে যা দেখা দিলে দ্রুত সতর্ক হওয়া জরুরি। যেমন, চারপাশের কথাবার্তা অস্পষ্ট বা ঝাপসা মনে হওয়া কানের পর্দা থেকে মস্তিষ্কে সিগন্যাল পৌঁছাতে সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। আবার রেস্তোরাঁ বা ভিড়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কারও কথা আলাদাভাবে বুঝতে না পারা শ্রবণশক্তি হ্রাসের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। যদি বারবার অন্যকে ‘কী বললেন?’ বা ‘আরেকবার বলুন’ জিজ্ঞেস করতে হয়, তবে আপনার শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করার সময় এসেছে।

আরও কিছু লক্ষণের মধ্যে রয়েছে অন্যদের তুলনায় টিভির ভলিউম বেশি বাড়ানো এবং আড্ডা বা পারিবারিক জমায়েত এড়িয়ে চলার প্রবণতা তৈরি হওয়া। নিস্তব্ধ পরিবেশেও কানে একটানা বাঁশির মতো শব্দ বা ‘টিনিটাস’ হওয়া স্নায়ুজনিত সমস্যার সংকেত দেয়। এছাড়া ‘স’, ‘ফ’ বা ‘ট’ এর মতো ব্যঞ্জনবর্ণ শুনতে কষ্ট হওয়া উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ শোনার ক্ষমতা কমে যাওয়ার লক্ষণ। সারাদিন অন্যের কথা শোনার চেষ্টা করতে গিয়ে অতিরিক্ত মানসিক ক্লান্তি বা মাথা ধরা এবং অন্যের ওপর অকারণে বিরক্তি প্রকাশ করাও কানে শোনার সমস্যার ফল হতে পারে। এমনকি পাখির ডাক বা ঘড়ির টিকটিক শব্দের মতো প্রকৃতির ছোট ছোট শব্দ হারিয়ে যাওয়াও শ্রবণশক্তির পরিসর কমে যাওয়ার প্রমাণ।

এই ধরনের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে সামান্য এই সমস্যা পরবর্তীতে বড় ধরনের শারীরিক ও মানসিক জটিলতার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সচেতনতা ও সঠিক যত্নই পারে আপনার শ্রবণশক্তিকে দীর্ঘস্থায়ী করতে।

/আশিক


শীত শেষ হলেও খুশকির যন্ত্রণায় নাজেহাল? ঘরোয়া এই ৫টি উপায়েই মিলবে মুক্তি

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১২:০৪:১৬
শীত শেষ হলেও খুশকির যন্ত্রণায় নাজেহাল? ঘরোয়া এই ৫টি উপায়েই মিলবে মুক্তি
ছবি : সংগৃহীত

সাধারণত শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কমে যাওয়ায় মাথার ত্বক অতিরিক্ত রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে ওঠে, যার ফলে অনেকেরই খুশকির সমস্যা প্রকট হয়। অনেক সময় ছত্রাকজনিত সংক্রমণের কারণে শীত শেষ হলেও এই সমস্যা কমে না। যারা দীর্ঘকাল ধরে খুশকির যন্ত্রণায় ভুগছেন, তারা দামী কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার না করে ঘরোয়া কিছু প্রাকৃতিক সমাধান বেছে নিতে পারেন। নারকেল তেল, লেবুর রস, অ্যালোভেরা এবং অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের মতো উপাদান মাথার ত্বকের পিএইচ (pH) ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং চুলকানি দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর। নিয়মিত চুলের যত্নে এই প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে খুশকি থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

খুশকি দূর করতে হালকা গরম নারকেল তেল ও লেবুর রসের মিশ্রণ দারুণ কাজ করে। এর জন্য ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল হালকা গরম করে তাতে সমপরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে মাথার ত্বকে আলতোভাবে ম্যাসাজ করতে হবে। মিশ্রণটি ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেললে মাথার ত্বকের চুলকানি কমার পাশাপাশি খুশকি দ্রুত দূর হয়। এছাড়া অ্যাপল সাইডার ভিনেগার ব্যবহারের মাধ্যমেও ভালো ফল পাওয়া যায়। সমপরিমাণ পানি ও ভিনেগার মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে শ্যাম্পু করার পর চুলে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেললে মাথার ত্বকের অম্লতা ও ক্ষারের ভারসাম্য ঠিক থাকে।

মাথার ত্বকের জ্বালাপোড়া ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে সরাসরি অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা যেতে পারে। জেলটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে ত্বক শীতল ও ময়েশ্চারাইজড থাকে। দীর্ঘস্থায়ী খুশকির জন্য মেথি ও দইয়ের প্যাক অত্যন্ত কার্যকরী একটি পদ্ধতি। মেথি সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে বেটে পেস্ট তৈরি করে তার সঙ্গে টক দই মিশিয়ে চুলে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেললে চুলের গোড়া মজবুত হয় ও খুশকি পরিষ্কার হয়। এছাড়া নিয়মিত শ্যাম্পুর সঙ্গে ২-৩ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে চুল পরিষ্কার করলে ছত্রাকজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য ঘরোয়া প্যাকের পাশাপাশি কিছু জরুরি টিপস অনুসরণ করা প্রয়োজন। চুল সর্বদা পরিষ্কার রাখতে নিয়মিত মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় জিঙ্ক, ভিটামিন বি এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত খাবার রাখা জরুরি যা ভেতর থেকে ত্বকের পুষ্টি নিশ্চিত করে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ খুশকি বাড়িয়ে তোলে, তাই নিয়মিত যোগব্যায়াম বা মেডিটেশন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি চুলের জেল বা হেয়ার স্প্রে ব্যবহার কমিয়ে দিলে খুশকির প্রকোপ থেকে বাঁচা সহজ হয়।

/আশিক


সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে জাদুর মতো কাজ করবে এই ৫টি প্রাকৃতিক পানীয়

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১৭:১৯:৩৬
সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে জাদুর মতো কাজ করবে এই ৫টি প্রাকৃতিক পানীয়
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর শরীরের হারানো শক্তি ও আর্দ্রতা ফিরে পেতে ইফতারে সঠিক পানীয় নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিন তৃষ্ণার্ত থাকার পর অনেকেই তৃপ্তি মেটাতে এমন কিছু পানীয় বেছে নেন, যা শরীরের উপকারের চেয়ে বরং দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি বয়ে আনে। পুষ্টিবিদদের মতে, ইফতারের টেবিলে কৃত্রিম পানীয়র বদলে প্রাকৃতিক ও পুষ্টিগুণসম্পন্ন পানীয় হওয়া উচিত আমাদের প্রধান পছন্দ।

সাধারণত ইফতারের সময় অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত বা বাজারের বাহারি কোমল পানীয় পান করলে সাময়িক সতেজতা অনুভূত হয়। তবে এই পানীয়গুলো শরীরে দ্রুত ক্লান্তিবোধ তৈরি করে এবং পেট ফাঁপা বা হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করতে এবং পানিশূন্যতা দূর করতে প্রাকৃতিক উৎসের ওপর নির্ভর করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়।

ইফতারের জন্য আদর্শ পানীয় হিসেবে পুষ্টিবিদরা ডাবের পানিকে সবার উপরে স্থান দেন। শরীরকে দ্রুত রিহাইড্রেট করতে এবং পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে এর কোনো বিকল্প নেই। এছাড়া দুধ ও খেজুরের মিশ্রণ তাৎক্ষণিক শক্তি জোগানোর পাশাপাশি শরীরে ক্যালসিয়ামের জোগান দেয়। তাজা ফলের রস যেমন— তরমুজ, কমলা বা বেদানার জুস ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে, তবে এক্ষেত্রে আলাদা চিনি যোগ না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

পাচনতন্ত্রকে সচল রাখতে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দিতে লেবু ও মধুর মিশ্রিত পানি দারুণ কার্যকরী। পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে দই, চিয়া সিড বা বিভিন্ন ফলের স্মুদি ও পুষ্টিকর স্যুপ বেছে নেওয়া যেতে পারে। ইফতারে এসব স্বাস্থ্যকর পানীয় কেবল তৃষ্ণাই মেটায় না, বরং দীর্ঘ সময়ের উপবাসের পর শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা ফিরে পেতে সাহায্য করে।

/আশিক


ইফতারে চিনির শরবত নাকি গুড়ের? কোনটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশি নিরাপদ?

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১৬:১৭:৫৫
ইফতারে চিনির শরবত নাকি গুড়ের? কোনটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশি নিরাপদ?
ছবি : সংগৃহীত

রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে খেজুরের পরেই আমাদের প্রধান পছন্দ থাকে বিভিন্ন ধরনের শরবত। সাধারণত এই শরবত তৈরিতে সাদা চিনির ব্যবহারই সবচেয়ে বেশি। তবে স্বাস্থ্য সচেতনদের মনে দীর্ঘদিনের প্রশ্ন— ইফতারের শরবতে চিনির চেয়ে গুড় কি বেশি নিরাপদ? এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত পরামর্শ দিয়েছেন রাজধানীর ড্রীম ফার্টিলিটি কেয়ার ও হেমায়েতপুর সেন্ট্রাল হসপিটালের পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহান প্রিয়ানা।

পুষ্টিবিদ প্রিয়ানার মতে, সাদা চিনি মূলত আমাদের শরীরে শুধু ক্যালরি সরবরাহ করে, এতে কোনো ধরনের ভিটামিন বা মিনারেল থাকে না। মাত্র এক চা চামচ চিনি থেকে প্রায় ২০ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। অতিরিক্ত চিনি গ্রহণের ফলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, পিসিওএস, ইনফার্টিলিটি থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস ও স্থূলতার মতো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। তাই চিনির বিকল্প হিসেবে আখের বা খেজুরের গুড় ব্যবহার করা কিছুটা ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে। গুড়ে সামান্য পরিমাণে আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা চিনির তুলনায় একে কিছুটা স্বাস্থ্যকর করে তোলে। তবে মনে রাখতে হবে, গুড়ও এক ধরনের চিনিজাতীয় খাবার এবং এর গ্লাইসেমিক প্রভাব অনেক বেশি, তাই এটিও অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়।

বাজার থেকে গুড় কেনার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছেন এই পুষ্টিবিদ। বিশেষ করে আখের গুড়, তালের গুড় বা খেজুরের গুড় কেনার সময় তা রাসায়নিকমুক্ত ও খাঁটি কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় অনেক ক্ষেত্রে গুড়ে ভেজাল মেশানো হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য উল্টো ক্ষতির কারণ হতে পারে। পুষ্টিগুণের বিচারে খেজুরের গুড় তুলনামূলক কম প্রক্রিয়াজাত এবং মিনারেল সমৃদ্ধ হওয়ায় একে প্রাধান্য দেওয়া যেতে পারে।

তবে চিনি বা গুড়— কোনোটির শরবতকেই শতভাগ নিরাপদ না বলে আরও উন্নত কিছু বিকল্পের কথা জানিয়েছেন ইসরাত জাহান প্রিয়ানা। তিনি পরামর্শ দেন, শরবতে মিষ্টি স্বাদের জন্য সরাসরি খেজুর ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। এছাড়া ইফতারে লেবু-পানি, ফলের পাতলা রস, টক দইয়ের শরবত বা লাচ্ছি এবং ডাবের পানি হতে পারে আদর্শ পানীয়। শরীরের পানিশূন্যতা রোধে স্যালাইনও একটি ভালো বিকল্প। এমনকি চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে ‘স্টেভিয়া’ পাতা ব্যবহার করা যেতে পারে, যা স্বাদে কিছুটা ভিন্নতা আনলেও স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

/আশিক

পাঠকের মতামত: