দুর্নীতি ও অর্থপাচারের ক্ষত দূর করে কর্মসংস্থান সৃষ্টিই নতুন বাজেটের মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১০ ১৭:৩৯:৫০
দুর্নীতি ও অর্থপাচারের ক্ষত দূর করে কর্মসংস্থান সৃষ্টিই নতুন বাজেটের মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলের লাগামহীন দুর্নীতি ও অর্থপাচারের কারণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সুশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এবং সবার জন্য ব্যবসা-বান্ধব একটি বৈষম্যহীন পরিবেশ তৈরি করার লক্ষ্যে সরকার নানামুখী যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে তিনি জানান।

আজ বুধবার (১০ জুন ২০২৬) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনের চতুর্থ দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলমের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে বিকেল ৩টা থেকে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, "প্রত্যেকের জন্য এমন সুবিধা তৈরি করা হবে, যেখানে তারা সুন্দরভাবে ব্যবসা করতে পারেন এবং দেশের বেকার যুবসমাজের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন; সেইভাবেই আমরা লক্ষ্য রেখে আগামীকালের (১১ জুন) বাজেটটি তৈরি করার চেষ্টা করছি।"

সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বিগত শাসনব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, "স্বৈরাচারের পতনের আগে থেকেই আমরা বিষয়টি দেখছিলাম এবং পতনের পর দেশের দাপ্তরিক নথিতে আরও পরিষ্কারভাবে দেখতে পাচ্ছি যে কীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি এবং বিদেশে অর্থপাচারের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই এই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে দেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে হলে সবার আগে অর্থনৈতিক সুশৃঙ্খলা বা ডিসিপ্লিন ফিরিয়ে আনতে হবে। এর পাশাপাশি দেশে ক্ষুদ্র ট্রেডার থেকে শুরু করে বড় শিল্পোদ্যোক্তা বা ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট—সবার জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ ব্যবসা-বান্ধব পরিস্থিতি গড়ে তুলতে হবে।" তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমান সরকারের প্রথম জাতীয় বাজেট আগামীকাল জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে।

এই বাজেটে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে বিনিয়োগ প্রক্রিয়াকে শতভাগ সহজ করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) দিয়ে বেশ কিছু বড় ধরনের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

বিনিয়োগ ও ব্যবসা সহজীকরণের লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপগুলোর বিস্তারিত বিবরণ সংসদে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "এখন থেকে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দফতর (CCIE) হতে আমদানি ও রপ্তানি নিবন্ধন লাইসেন্স বা প্রক্রিয়া অনলাইনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ডিজিটাল উপায়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রদান করা হচ্ছে।

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে দেশের বিদ্যমান রপ্তানি নীতিকে আধুনিক ও হালনাগাদ করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নতুন ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯’ হালনাগাদকরণের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, যাতে বিদেশি বড় বিনিয়োগকারীরা খুব সহজে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করতে পারেন।"

প্রধানমন্ত্রী সংসদকে আরও জানান, রপ্তানি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব ধরনের অশুল্ক বাধা (Non-Tariff Barriers) দূর করার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশের বন্ডেড এবং নন-বন্ডেড সব উৎপাদনমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহকে এফওসি (Free of Charge/Cost) ভিত্তিতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগের আওতা আরও সম্প্রসারিত করা হচ্ছে।

এ ছাড়া আমদানিকারকদের দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনা করে আমদানি সহজীকরণের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মূল্য পরিশোধ পদ্ধতি সহজ করা হচ্ছে এবং সব আমদানিকারকদের জন্য মূল্যসীমা নির্বিশেষে কোনো ধরনের এলসি (Latter of Credit) বা ঋণপত্র ছাড়াই সরাসরি চুক্তির (Agreement) মাধ্যমে আমদানির এক অভূতপূর্ব সুযোগ রাখা হচ্ছে।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) চুক্তি বাস্তবায়ন ও ট্রেড ফ্যাসিলিটেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সামগ্রিক বাণিজ্য প্রক্রিয়াকে দ্রুত, আধুনিক ও স্বচ্ছ করার জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বাণিজ্য সহজীকরণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যা আগামীকালকের বাজেটে প্রতিফলিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

/আশিক


দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৯:৪৬:২৮
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সার্বিক পরিচালন কার্যক্রম ও উন্নয়নমূলক কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে বন্দরের জেটি এলাকায় গিয়ে তিনি চলমান বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা ও কনটেইনার ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, গতিশীল পণ্য খালাস ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং অবকাঠামোগত আধুনিকায়নের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বাস্তবায়ন ও মোংলা বন্দরের সার্বিক সক্ষমতা পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এ দিন সকালে সরকারি সফরে মোংলায় পৌঁছান তিনি। সকাল ১০টার দিকে মোংলায় যাওয়ার পূর্বে তিনি খুলনা ও সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা হেলিকপ্টার ও জলযানে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন। পরে নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সরাসরি মোংলা বন্দরের জেটিতে প্রবেশের সময় প্রধান ফটকে সমবেত দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

পরিদর্শনের সময় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন। বন্দর পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প পর্যালোচনা সভা শেষ করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।

/আশিক


বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৯:৩৮:৪১
বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্যের পাশাপাশি সার রপ্তানিতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া। একই সঙ্গে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ ও চামড়াশিল্পে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে দেশটি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ আত্তাফের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে হাইড্রোকার্বন খাতবিষয়ক এক ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে আলজেরিয়া থেকে সরাসরি সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) পদ্ধতিতে জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির নতুন সম্ভাবনা উন্মোচিত হলো। এছাড়া বাংলাদেশের তেল শোধনাগার, এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং খনিজ গ্যাস ও কয়লা অনুসন্ধানে যৌথভাবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে আলজিয়ার্স।

জ্বালানি খাতের কারিগরি দক্ষতা বাড়াতে আলজেরিয়ার পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদদের প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছে। আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের দেশের প্রেসিডেন্ট চুক্তিটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সই করার নির্দেশনা দেন। বৈঠকে বাংলাদেশে সার সরবরাহের বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আলজেরিয়ার নিজস্ব বস্ত্রশিল্প পুনরুজ্জীবিত করতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে শীঘ্রই ঢাকায় পরবর্তী ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

/আশিক


বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আওয়ামী লীগে নয়, বিএনপির ভেতরেও আছে: মীর শাহে আলম

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৮:৩১:০৯
বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আওয়ামী লীগে নয়, বিএনপির ভেতরেও আছে: মীর শাহে আলম

‘বট’ ও গোপন শত্রুর উপস্থিতি কেবল জামায়াতে ইসলামী বা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং খোদ বিএনপির রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যেও এদের অস্তিত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী ‘মম-ইন’ হোটেলের কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ‘বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনা, সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন।

নিজের সন্তানদের নামে ইউনিয়নের নামকরণ কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক সমালোচনার সরাসরি জবাব দিতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, এই নামকরণের পেছনে তাঁর কোনো ব্যক্তিগত আগ্রহ বা স্বার্থ জড়িত ছিল না। ওই এলাকার সাধারণ মানুষই ভালোবেসে তাঁর দুই সন্তান ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’-এর নামে ইউনিয়নের নামকরণ করেছিলেন। তবে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিতর্ক এড়াতে নাম পরিবর্তনের নির্দেশনা দেওয়ার পরপরই তা দ্রুত পরিবর্তন করে 'জগন্নাথপুর' ইউনিয়ন রাখা হয়েছে।

ঐতিহাসিক বিভিন্ন অঞ্চলের নামকরণের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিএনপিকে আক্রমণ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে প্রশ্ন তোলেন, বগুড়ার জহরুল নগর যদি সাবেক মেয়রের নামে হতে পারে, তবে তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে না কেন? ঢাকা বা মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানের নামকরণের উদাহরণ দিয়ে তিনি দলকে আক্রমণকারী সমালোচকদের যথাযথ জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান।

বগুড়া অঞ্চলের সার্বিক অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেন যে, এলাকার উন্নয়নের প্রশ্নে বর্তমান সরকার কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। বিগত দুই দশকের উন্নয়ন ঘাটতি পূরণে বগুড়ার ৬ জন সংসদ সদস্য একযোগে সরকারের সাথে আলোচনা করে সমন্বিত কাজ করবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

/আশিক


অনলাইনে ই-নামজারি করবেন যেভাবে: জমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশিকা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৭:৪৭:৪০
অনলাইনে ই-নামজারি করবেন যেভাবে: জমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশিকা
ছবি : সংগৃহীত

জমি কেনাবেচা কিংবা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির মালিকানা সরকারি রেজিস্টারে হালনাগাদ করার জন্য নামজারি (মিউটেশন) প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি। সম্প্রতি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির আবেদনে মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের নাম বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করে ‘যৌথ নামজারি’ করতে হবে। পূর্বে ওয়ারিশদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বণ্টন না থাকলেও আবেদন বাতিলের সুযোগ ছিল, যা এখন বন্ধ করা হয়েছে। তবে যৌথ খতিয়ান থেকে বের হয়ে কোনো ওয়ারিশ যদি নিজ নামে পৃথক বা আলাদা খতিয়ান তৈরি করতে চান, তবে অবশ্যই নিবন্ধিত বণ্টননামা দলিল জমা দিতে হবে। এ জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র বা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত সঠিক ওয়ারিশ সনদের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

অনলাইনে নামজারির জন্য আবেদনকারীদের সরকারি পোর্টাল (land.gov.bd)-এ প্রবেশ করে 'ই-নামজারি' সেবার মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র, পূর্ববর্তী খতিয়ান, জমার দলিল এবং ওয়ারিশ সনদসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। ভূমি বিশেষজ্ঞরা জানান, সময়মতো নামজারি না করা হলে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ, জমি পুনরায় বিক্রি কিংবা আইনি বিরোধের সময় মালিকানা নিয়ে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। তাই যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সঠিক তথ্য জমা দিয়ে নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


সাজেক সড়কে বন্দুকযুদ্ধ ও পর্যটকদের চরম ভোগান্তি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৭:৩৪:১৫
সাজেক সড়কে বন্দুকযুদ্ধ ও পর্যটকদের চরম ভোগান্তি
ছবি : সংগৃহীত

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালির গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে পাহাড়ির আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউপিডিএফের (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) সশস্ত্র সদস্যরা আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে ইউপিডিএফের অবরোধের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে বেড়াতে আসা প্রায় তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে এবং আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সকালে সড়ক অবরোধকারীরা যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে টহল দল আলোচনার মাধ্যমে তা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। তবে পৌনে ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এর কিছুক্ষণ পর ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা হঠাৎ পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনীর টহল দলও পাল্টা গুলি চালালে সশস্ত্র দলটি পিছু হটে। পরবর্তীতে যৌথ বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে আটকে পড়া তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে নিরাপদ গন্তব্যে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই সংঘর্ষে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সেনাবাহিনীর প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান অভিযান ব্যাহত করা এবং স্থানীয়দের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ভয়ভীতি ছড়াতেই এই সহিংসতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

/আশিক


শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে শিক্ষা ও গণশিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বার্তা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ২০:২৭:০৪
শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে শিক্ষা ও গণশিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের যথাযথ ও আধুনিক শিক্ষাদানে শিক্ষকদের নিজ নিজ পাঠদান পদ্ধতি নিয়মিত আত্মমূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রচলিত গতানুগতিক ধারায় একইভাবে বারবার পড়িয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নতুন কিংবা ব্যতিক্রমী ফল আশা করা যুক্তিসংগত নয়।

বুধবার (২১ অক্টোবর) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় দেশের সর্বস্তরের শিক্ষকদের প্রতি এ আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই বার্তায় ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উল্লেখ করেন, শিক্ষকতা জীবনের শুরু থেকেই নিজের কাজের মূল্যায়ন করা এবং নিজেকে প্রশ্ন করার মানসিকতা তৈরি করা জরুরি। নির্দিষ্ট কোনো অধ্যায় বা বিষয়ভিত্তিক পাঠদান শেষে প্রতিটি শিক্ষকের উচিত নিজেকে জিজ্ঞাসা করা—শ্রেণিকক্ষের কতজন শিক্ষার্থী আলোচিত বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছে। আর যারা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের সহজভাবে শেখানোর জন্য নিজের কৌশলে কী ধরনের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গঠনমূলক চর্চার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, ক্লাস চলাকালে শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া, তাদের জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী এবং পাঠদানের সময় সংঘটিত ভুলগুলো নিয়মিত পর্যালোচনা করেই নিজের শেখানোর পদ্ধতিকে আরও উন্নত করা সম্ভব। আর এটিই মূলত আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষকতার সবচেয়ে বড় ভিত্তি।

/আশিক


ক্রীড়াঙ্গনের নতুন যুগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ১৯:২২:১০
ক্রীড়াঙ্গনের নতুন যুগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ
ছবি : সংগৃহীত

ক্রীড়া এখন আর কেবল বিনোদন বা শারীরিক সুস্থতার মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি স্বীকৃত পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশে ক্রীড়াকে সম্মাজনক পেশা হিসেবে সুদৃঢ় ভিত্তি দিতে বর্তমান সরকার স্কুল পর্যায় থেকেই ক্রীড়া শিক্ষাকে জাতীয় পাঠ্যক্রম বা সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করেছে।

‘কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা-২০২৬’ উপলক্ষ্যে বুধবার (২১ অক্টোবর) দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, খেলাধুলা মানুষের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক দৃঢ়তা, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। একটি সুস্থ, কর্মক্ষম ও আত্মপ্রত্যয়ী জাতি গঠনে অ্যাথলেটিক্সের গুরুত্ব অপরিসীম। অ্যাথলেটিক্সকে ক্রীড়াঙ্গনের মৌলিক ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীদের খুঁজে বের করে আধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণ, দক্ষ কোচ, পুষ্টি ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারে।

তরুণ সমাজকে মাদক, হতাশা ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি নারী অ্যাথলেটদের সমান সুযোগ-সুবিধা ও প্রতিভা বিকাশের ওপর জোর দেন। তিনি আহ্বান জানান, ভৌগোলিক অবস্থান বা আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো উদীয়মান প্রতিভা যেন ঝরে না পড়ে। সবশেষে ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি প্রতিযোগিতার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

/আশিক


২০৩০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধির ঘোষণা অর্থ উপদেষ্টার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ১৮:৫৮:১১
২০৩০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধির ঘোষণা অর্থ উপদেষ্টার
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অর্থব্যবস্থা পুনর্গঠনে ২০৩০ সালের মধ্যে রাজস্ব আদায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাজবাড়ী পৌরসভার মিলনায়তনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এই কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, বিদায়ী ক্ষমতাচ্যুত সরকার দেশের ব্যাংকিং খাতে যে ভঙ্গুর পরিস্থিতি রেখে গেছে, তা কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে পূর্ববর্তী সময়ে দেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া আনুমানিক ৪০ বিলিয়ন ডলার অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্যাকেজ বা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সার্বিক জীবনমান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সামাজিক খাতগুলোতে সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক সরকারের নির্ধারিত রূপরেখার ওপর আস্থা রাখায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

/আশিক


ঢাকা-সৌদি রুটে ভয়াবহ ফ্লাইট বিপর্যয়: চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ১৮:১৫:৪০
ঢাকা-সৌদি রুটে ভয়াবহ ফ্লাইট বিপর্যয়: চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দরে সম্প্রতি ঘটা হামলার জের ধরে আন্তর্জাতিক আকাশসীমা ও বিমান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করায় ঢাকা-সৌদি রুটে তীব্র ফ্লাইট বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) পর্যন্ত সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে মোট ১৩৪টি ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। হঠাৎ ফ্লাইট সূচি ওলটপালট হওয়ায় অন্তহীন অনিশ্চয়তা ও চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন ২০ হাজার ২৫৪ জন যাত্রী।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্যমতে, আক্রান্ত ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৬১টি সরাসরি ঢাকা-সৌদি গন্তব্যের এবং ৭৩টি বিভিন্ন ট্রানজিট রুটের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় দেশি-বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোর ফ্লাইট পরিচালনা ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

বাতিল ও স্থগিত হওয়া ফ্লাইট তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২২টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১৯টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি এবং ইন্ডিগো এয়ারের সর্বাধিক ২৮টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া এমিরেটস এয়ারলাইনসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইটও এই বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে।

ফ্লাইট সূচি সচল না থাকায় বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের ভিড় ও দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। উদ্ভূত এই সংকট নিরসনে সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বেবিচক। স্থগিত হওয়া ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং যাত্রীদের সুবিধার্থে নতুন সময়সূচি নির্ধারণে এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সংস্থাটি।

/আশিক

পাঠকের মতামত: