১৭ রমজান: যে যুদ্ধে নির্ধারিত হয়েছিল ইসলামের আগামীর বিশ্বজয়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ০৯:৫৫:৫৮
১৭ রমজান: যে যুদ্ধে নির্ধারিত হয়েছিল ইসলামের আগামীর বিশ্বজয়
ছবি : সংগৃহীত

ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসের এক অনন্য ও মহিমান্বিত অধ্যায়, যা হিজরতের পরবর্তী ১৯ মাসের মাথায় ২য় হিজরির ১৭ রমজান (৬২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ মার্চ) শুক্রবার সকালে সংঘটিত হয়। সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী এই লড়াইয়ে মুসলিম বাহিনীর পক্ষে ১৪ জন বীর যোদ্ধা শাহাদাতবরণ করেন, যাদের মধ্যে ৬ জন মুহাজির ও ৮ জন আনসার সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে, কুরাইশ বা কাফের বাহিনীর শোচনীয় পরাজয় ঘটে; তাদের পক্ষের ৭০ জন নিহত হয় এবং আরও ৭০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে বন্দি হিসেবে আটক করা হয়। প্রখ্যাত সীরাত গ্রন্থ ‘আর-রাহিকুল মাখতুুম’ (পৃষ্ঠা ২২৪)-এর তথ্যমতে, এই যুদ্ধের বিজয় ইসলামের অগ্রযাত্রা ও মুসলিম উম্মাহকে প্রাথমিক স্তর থেকে একটি পরিণত স্তরে উন্নীত করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিল।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ এই দিনটিকে ‘ইয়াওমুল ফোরকান’ বা সত্য ও মিথ্যার মাঝে চূড়ান্ত ব্যবধান গড়ে দেওয়ার দিন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বদরের এই বিজয় কেবল একটি সামরিক জয় ছিল না, বরং এটি ছিল ইসলামের দাওয়াতের পথে থাকা প্রাথমিক সকল বাধা দূর করে একটি শক্তিশালী ইসলামী রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের সূচনা। ইতিহাসবিদদের মতে, ইয়াওমুল ফোরকান হিসেবে কিয়ামত পর্যন্ত এই যুদ্ধের প্রভাব অব্যাহত থাকবে এবং এটি হবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে চিরন্তন সংগ্রামের এক অফুরন্ত প্রেরণা। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনের সূরা আলে ইমরান ও সূরা আনফালে এই যুদ্ধের প্রেক্ষাপট, মুসলিম বাহিনীর প্রতি তাঁর অসীম অনুগ্রহ এবং অলৌকিক সাহায্যের বিশদ বর্ণনা দিয়েছেন।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বর্ণনা অনুযায়ী, সূরা আনফাল মূলত বদর যুদ্ধ সম্পর্কেই অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরায় যুদ্ধলব্ধ সম্পদ, যুদ্ধবন্দিদের ব্যবস্থাপনা এবং ফেরেশতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে, সূরা আলে ইমরানে মুসলমানদের তৎকালীন অবস্থা এবং মহান আল্লাহর বিশেষ সাহায্যের উদ্দেশ্য বর্ণনা করা হয়েছে। এই সূরায় আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর জন্য ভবিষ্যতেও ঐশ্বরিক সাহায্যের ধারা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। বদর যুদ্ধের অবস্থা তুলে ধরে সূরা আলে ইমরানের ১২৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ তোমাদের বদরে সাহায্য করেছেন, অথচ তোমরা ছিলে ক্ষীণশক্তি।

এই সাহায্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সূরা আলে ইমরানের ১২৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আর আল্লাহ এটা করেছেন তোমাদেরকে সুসংবাদ দেওয়ার জন্য এবং যাতে এর দ্বারা তোমাদের অন্তর প্রশান্ত হয়; মূলত সাহায্য কেবল মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। এছাড়া সূরা আলে ইমরানের ১২৫ নম্বর আয়াতে ভবিষ্যতেও ধৈর্য ও তাকওয়া অবলম্বন করলে পাঁচ হাজার ফেরেশতার সুবিন্যস্ত বাহিনী দিয়ে সাহায্যের অঙ্গীকার করা হয়েছে। একইভাবে সূরা আনফালের ৬৬ নম্বর আয়াতেও মুমিনদের জন্য অনুরূপ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। সূরা আনফালের ৪২ নম্বর আয়াতে বদর প্রান্তের রণকৌশলগত অবস্থানের প্রশংসা করে বলা হয়েছে, স্মরণ করো যখন তোমরা ছিলে নিকট প্রান্তে এবং তারা ছিল দূর প্রান্তে, আর উষ্ট্রারোহী দল ছিল তোমাদের চেয়ে নিম্নভূমিতে।

মুমিনদের সাহস জোগাতে মহান আল্লাহ স্বপ্নের মাধ্যমে এক বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিলেন, যার বর্ণনা রয়েছে সূরা আনফালের ৪৩ নম্বর আয়াতে। সেখানে বলা হয়েছে, আল্লাহ আপনাকে স্বপ্নে দেখিয়েছিলেন যে তারা সংখ্যায় অল্প; যদি বেশি দেখানো হতো তবে তোমরা সাহস হারাতে এবং নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি করতে, কিন্তু আল্লাহ তোমাদের রক্ষা করেছেন। যুদ্ধের ময়দানে ফেরেশতাদের ভূমিকা সম্পর্কে সূরা আনফালের ৫০ নম্বর আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফেরেশতারা অবিশ্বাসীদের মুখে ও পিঠে আঘাত করে তাদের জীবন কেড়ে নিচ্ছিল। এছাড়া একই সূরার ৬৭ থেকে ৭১ নম্বর আয়াত পর্যন্ত যুদ্ধবন্দিদের মুক্তিপণ ও তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

বদরের এই বিজয় সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-এর ঈমান, আল্লাহর ওপর আস্থা ও সাহসিকতাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। সরাসরি আল্লাহর প্রত্যক্ষ সাহায্য অবলোকন করার পর তাঁদের আত্মবিশ্বাস এতটাই বৃদ্ধি পায় যে, পরিস্থিতি যতই প্রতিকূল হোক না কেন তাঁরা অসীম সাহসের সঙ্গে নিজেদের আল্লাহর রাস্তায় সঁপে দিতে কুণ্ঠাবোধ করেননি। এই যুদ্ধের পর আরব উপদ্বীপে ইসলামী রাষ্ট্রের প্রভাব ও প্রতিপত্তি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে কুরাইশরা ইসলামকে মক্কার অভ্যন্তরীণ সমস্যা মনে করলেও বদরের পরাজয় তাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। ফলে অনেক মানুষের হৃদয় ইসলামের জন্য প্রশস্ত হয় এবং জ্ঞানীদের সামনে ইসলামী রাষ্ট্রের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

/আশিক


শনিবার ০৭ মার্চ: ৫ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময় ও গুরুত্ব

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ০৯:০৬:২২
শনিবার ০৭ মার্চ: ৫ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময় ও গুরুত্ব
ছবি : সংগৃহীত

নামাজ ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কিয়ামতের দিন প্রথম হিসাব নেওয়া হবে নামাজের। প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর জন্য সময়মতো নামাজ পড়া ফরজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বাইরে ওয়াজিব, সুন্নত ও কিছু নফল নামাজ রয়েছে। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আজ শনিবার (০৭ মার্চ) ২০২৬ ইংরেজি, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা, ১৭ রমজান ১৪৪৭ হিজরি।

ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—

জোহর-১২.১৪ মিনিট

আসর-৪:২৪ মিনিট।

মাগরিব-৬:০৫ মিনিট।

এশা-৭:২০ মিনিট।

ফজর (আগামীকাল রোববার)-৫টা ০৩ মিনিট।

উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো—

বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম : ০৫ মিনিট

সিলেট : ০৬ মিনিট

যোগ করতে হবে

খুলনা : ০৩ মিনিট

রাজশাহী : ০৭ মিনিট

রংপুর : ০৮ মিনিট

বরিশাল : ০১ মিনিট

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ০৪ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৬টা ১৪ মিনিটে।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়সূচি: ৬ মার্চ ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৬ ১০:২৪:১৮
আজকের নামাজের সময়সূচি: ৬ মার্চ ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

নামাজ ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কিয়ামতের দিন প্রথম হিসাব নেওয়া হবে নামাজের। প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর জন্য সময়মতো নামাজ পড়া ফরজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বাইরে ওয়াজিব, সুন্নত ও কিছু নফল নামাজ রয়েছে। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আজ শুক্রবার (০৬ মার্চ) ২০২৬ ইংরেজি, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা, ১৬ রমজান ১৪৪৭ হিজরি।

ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হল—

জুমা-১২টা ১৩ মিনিট

আসর-৪টা ২৪ মিনিট

মাগরিব-৬টা ০৪ মিনিট

এশা-৭টা ২০ মিনিট

ফজর (আগামীকাল শনিবার)-৫টা ০১ মিনিট।

উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হল—

বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম : ০৫ মিনিট

সিলেট : ০৬ মিনিট

যোগ করতে হবে

খুলনা : ০৩ মিনিট

রাজশাহী : ০৭ মিনিট

রংপুর : ০৮ মিনিট

বরিশাল : ০১ মিনিট

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ০২ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৬টা ১৫ মিনিটে

/আশিক


আজকের নামাজের সময়সূচি: ৫ মার্চ ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ০৯:০৭:২৯
আজকের নামাজের সময়সূচি: ৫ মার্চ ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের ৫টি রুকনের মধ্যে নামাজ অন্যতম। পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কিয়ামতের দিন প্রথম হিসাব নেওয়া হবে নামাজের। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বাইরে ওয়াজিব, সুন্নত ও কিছু নফল নামাজ রয়েছে। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) ২০২৬ ইংরেজি, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা, ১৫ রমজান ১৪৪৭ হিজরি।

ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—

জোহর: ১২টা ১৪ মিনিট

আসর: ৪টা ২৩ মিনিট

মাগরিব: ৬টা ০৩ মিনিট

এশা: ৭টা ১৯ মিনিট

ফজর (আগামীকাল শুক্রবার): ৫টা ০৫ মিনিট।

উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো—

বিয়োগ করতে হবে:

চট্টগ্রাম : ০৫ মিনিট

সিলেট : ০৬ মিনিট

যোগ করতে হবে:

খুলনা : ০৩ মিনিট

রাজশাহী : ০৭ মিনিট

রংপুর : ০৮ মিনিট

বরিশাল : ০১ মিনিট

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ০৫ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৬টা ১৭ মিনিটে।


রোজা রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: সেহরি ও ইফতারে যা জানা জরুরি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৪ ১২:১১:০৫
রোজা রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: সেহরি ও ইফতারে যা জানা জরুরি
ছবি : সংগৃহীত

রমজান মাসে দীর্ঘ সময় উপবাস থাকার ফলে শরীরের বিপাকক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। এই পবিত্র মাসে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন আসায় রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখা অনেকের জন্যই কঠিন হয়ে পড়ে। তবে সঠিক পুষ্টি পরিকল্পনা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে ডায়াবেটিস নিয়েও নিরাপদভাবে রোজা রাখা সম্ভব।

সাধারণত ডায়াবেটিস রোগীদের অল্প বিরতিতে বারবার খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, কিন্তু রমজানে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে তাদের শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে গিয়ে 'হাইপোগ্লাইসেমিয়া'র মতো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আবার অসচেতনতার কারণে ইফতার বা সেহরিতে অতিরিক্ত খাবার খেলে রক্তে সুগার বেড়ে গিয়ে 'হাইপারগ্লাইসেমিয়া' হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। এসব ঝুঁকি এড়াতে রোজার শুরুতেই ওষুধের ডোজ সমন্বয় করা জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, অন্য সময়ের সকালের ওষুধ ইফতারে এবং রাতের ওষুধের অর্ধেক ডোজ সেহরিতে গ্রহণ করা যেতে পারে, যা ইনসুলিনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রে ইফতারে ভাজা পোড়া খাবারের বদলে আঁশযুক্ত খাবার, পর্যাপ্ত সালাদ এবং ফলমূল রাখা উচিত, যা রক্তে সুগারের মাত্রা হুট করে বাড়তে দেয় না। অনেক রোগী সেহরিতে খুব কম খেয়ে বা শুধু পানি খেয়ে রোজা রাখেন, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এর ফলে দিনের বেলা যেকোনো সময় শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়তে পারে। তাই সেহরি যতটা সম্ভব দেরি করে খাওয়া এবং ইফতার দ্রুত সম্পন্ন করা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য শ্রেয়। পাশাপাশি ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করে শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখা প্রয়োজন। চিনিযুক্ত শরবত বা অতিরিক্ত চা-কফি এড়িয়ে ডাবের পানি বা চিনিহীন ফলের রস খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

যাদের ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত, তাদের সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। রোজা রাখা অবস্থায় শরীর অতিরিক্ত দুর্বল লাগলে বা শর্করার মাত্রা কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত রোজা ভেঙে গ্লুকোজ বা মিষ্টি জাতীয় কিছু গ্রহণ করা জীবন রক্ষাকারী হতে পারে।

বিশেষ করে যারা ইনসুলিন ব্যবহার করেন, তাদের সেহরির আগে ও পরে, দুপুরে এবং ইফতারের আগে নিয়মিত সুগার মেপে দেখা উচিত। এছাড়া ইফতারে অতিরিক্ত খেয়ে রাতের খাবার বাদ দেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাই পরিমিত পরিমাণে সব বেলার খাবার গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

শারীরিক পরিশ্রমের ক্ষেত্রে রমজানে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। দিনের বেলা বা ইফতারের ঠিক আগে ভারী ব্যায়াম করলে পানিশূন্যতা বা সুগার কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। নিয়মিত তারাবিহ বা নামাজ আদায় করলে আলাদা করে ব্যায়ামের প্রয়োজন হয় না, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইফতারের পর হালকা হাঁটাচলা করা যেতে পারে। মূলত সঠিক প্রস্তুতি, সচেতনতা এবং ওষুধের সঠিক সমন্বয়ই পারে একজন ডায়াবেটিস রোগীকে সুস্থভাবে পুরো মাস রোজা পালনে সহায়তা করতে।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়সূচি: ৪ মার্চ ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৪ ০৯:১৮:১৯
আজকের নামাজের সময়সূচি: ৪ মার্চ ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং ইমানের পর এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পরকালে মুমিনের প্রথম হিসাব নেওয়া হবে এই নামাজেরই। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য। বুধবার (৪ মার্চ) ২০২৬ ইংরেজি, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা এবং ১৪ রমজান ১৪৪৭ হিজরি। আজকের ইফতার ও নামাজের সময়সূচি ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে এবং আসর বিকেল ৪টা ২৩ মিনিটে।

মাগরিবের আজান ও ইফতারের সময় নির্ধারিত হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ০৬ মিনিটে।

এশার নামাজ শুরু হবে রাত ৭টা ১৯ মিনিটে এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবারের ফজর ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৫টা ৪ মিনিটে।

ঢাকার সময়ের সাথে চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট ও সিলেটের জন্য ৬ মিনিট সময় বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনার জন্য ৩ মিনিট, বরিশালের জন্য ১ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট এবং রংপুরের জন্য ৮ মিনিট সময় যোগ করে নিতে হবে।

আজ ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ০৪ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ১৭ মিনিটে। রমজানের এই বরকতময় সময়ে সঠিক সময়ে ইবাদত সম্পন্ন করা সওয়াবের কাজ। নিয়মিত নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আত্মিক প্রশান্তি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব।

/আশিক


আজ ১৩ রমজান: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৩ ০৯:১৩:৪৮
আজ ১৩ রমজান: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময়
ছবি : সংগৃহীত

আজ মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬। পবিত্র রমজান মাসের ১৩তম দিন আজ। ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য নামাজের সঠিক সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা। আজকের সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ০২ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ১৯ মিনিটে। রোজাদারদের ইফতারের প্রস্তুতি ও নামাজের জামাতে শরিক হতে এই সূচি বিশেষ সহায়ক হবে।

ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের তথ্যমতে, আজ জোহরের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে এবং আসরের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ২৩ মিনিটে।

মাগরিবের আজান বা ইফতারের সময় হবে সন্ধ্যা ৬টা ০৬ মিনিটে এবং এশার জামাত শুরু হবে রাত ৭টা ১৯ মিনিটে।

এছাড়া আগামীকাল ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৫টা ০৭ মিনিটে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নামাজ আদায় ও ইবাদতে মনোনিবেশ করার জন্য এই সময়সূচিটি ঢাকা ও আশেপাশের এলাকার জন্য প্রযোজ্য।

/আশিক


১২ রমজানের নামাজের সময়: জেনে নিন পাঁচ ওয়াক্তের সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ০৯:০৯:১৭
১২ রমজানের নামাজের সময়: জেনে নিন পাঁচ ওয়াক্তের সূচি
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং এটি পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয়। ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পরকালে কিয়ামতের দিন বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজ আদায়ের গুরুত্ব অপরিসীম। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, মুমিনের জন্য ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করা অত্যন্ত জরুরি।

আজ সোমবার (২ মার্চ ২০২৬ ইংরেজি, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা, ১২ রমজান ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি হলো

জোহর: ১২টা ১৪ মিনিট

আসর: ৪টা ২৩ মিনিট

মাগরিব: ৬টা ০৫ মিনিট

এশা: ৭টা ১৮ মিনিট

ফজর (আগামীকাল মঙ্গলবার): ৫টা ০৯ মিনিট

বিভাগীয় শহর ভেদে এই সময়ের কিছুটা পরিবর্তন হবে। চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট ও সিলেটের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনার জন্য ৩ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট, রংপুরের জন্য ৮ মিনিট এবং বরিশালের জন্য ১ মিনিট যোগ করে সময় নির্ধারণ করতে হবে। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ০১ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৬টা ২১ মিনিটে।

/আশিক


কিয়ামতের আগে ইমাম মাহদির আগমনের আলামত কী কী

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১৪:০৭:০৮
কিয়ামতের আগে ইমাম মাহদির আগমনের আলামত কী কী
আল আকসা মসজিদ। ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী ঐতিহ্যে ইমাম মাহদি এমন এক ব্যক্তিত্ব, যিনি কিয়ামতের পূর্ববর্তী অস্থির সময়কালে ন্যায় ও নৈতিকতার পতাকা উঁচু করবেন। বিভিন্ন হাদিসে তাঁর নাম মুহাম্মাদ এবং পিতার নাম আবদুল্লাহ বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। অধিকাংশ বর্ণনায় তাঁকে ‘মাহদি’ উপাধিতে অভিহিত করা হয়েছে, যার অর্থ সুপথপ্রাপ্ত, ন্যায়পরায়ণ ও আল্লাহর দ্বারা পথনির্দেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি। মুসলমানদের মধ্যে তিনি এই নামেই অধিক পরিচিত।

হাদিসে বর্ণিত আছে, তিনি নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বংশধর হবেন। উম্মে সালামা (রা.)-এর সূত্রে বর্ণিত এক হাদিসে এসেছে, মাহদি ফাতিমা (রা.)-এর বংশ থেকে আবির্ভূত হবেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪২৮৪) অনেক আলেমের মতে, পিতৃসূত্রে তিনি হাসান (রা.)-এর এবং মাতৃসূত্রে হুসাইন (রা.)-এর বংশধর হবেন বলে বিভিন্ন রেওয়ায়েতে ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

ইমাম মাহদির জন্মকাল বা আগমনের নির্দিষ্ট বছর সম্পর্কে কোরআন বা সহিহ হাদিসে সুস্পষ্ট তথ্য নেই। তবে বর্ণনাগুলোতে বলা হয়েছে, তিনি কিয়ামতের পূর্ব মুহূর্তে আবির্ভূত হবেন। জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কানজুল উম্মালে তাঁর জন্ম মদিনায় হবে বলে উল্লেখ আছে। অন্যদিকে মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বার একটি বর্ণনায় ইবনে উমর (রা.) কুফাকে তাঁর জন্মভূমি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অনেক ইসলামী গবেষকের মতে, তিনি মদিনা থেকে আত্মপ্রকাশ করে মক্কায় আসবেন এবং সেখানে তাঁর হাতে বায়াত গ্রহণ করা হবে।

আবু সাইদ খুদরি (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মাহদি আমার বংশধর, তাঁর কপাল উজ্জ্বল ও নাসিকা দীর্ঘ ও সুগঠিত হবে। তিনি পৃথিবীকে ন্যায়বিচারে পূর্ণ করবেন, যেমনটি এর আগে জুলুমে পরিপূর্ণ ছিল। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪২৮৫)

হাদিসসমূহে বলা হয়েছে, মাহদির আগমনের আগে পৃথিবী অন্যায়-অবিচার, হত্যা, বিশৃঙ্খলা ও নৈতিক অবক্ষয়ে নিমজ্জিত হবে। সত্যের পরিবর্তে মিথ্যা প্রাধান্য পাবে, দুর্বলের অধিকার হরণ হবে এবং ব্যাপক রক্তপাত ঘটবে। ইবনে হাজার হাইতামি (রহ.) উল্লেখ করেন, নিরপরাধ মানুষের ব্যাপক হত্যাযজ্ঞের পর তাঁর আবির্ভাব ঘটবে। (আল-কওলুল মুখতাসার)

কিছু বর্ণনায় এমনও এসেছে যে, তাঁর আগমনের আগে পৃথিবীর এক-তৃতীয়াংশ মানুষ নিহত হবে, এক-তৃতীয়াংশ স্বাভাবিক মৃত্যু বরণ করবে এবং অবশিষ্ট এক-তৃতীয়াংশ মানুষ জীবিত থাকবে। (কিতাবুল ফিতান, নুআইম বিন হাম্মাদ)

সিলসিলায়ে সহিহার একটি বর্ণনায় বলা হয়েছে, তিনি সাত বা আট বছর শাসন করবেন। অন্য রেওয়ায়েতে নয় বছরের কথাও এসেছে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪২৮৭) তাঁর সময় আকাশ থেকে প্রচুর বৃষ্টি হবে, জমিন উর্বর হবে এবং সম্পদের ন্যায়সঙ্গত বণ্টন নিশ্চিত করা হবে।

সহিহ মুসলিমে বর্ণিত আছে, ঈসা (আ.) অবতরণ করে মুসলমানদের একজন নেতার পেছনে নামাজ আদায় করবেন। ইসলামী ব্যাখ্যায় বলা হয়, সেই নেতা হবেন ইমাম মাহদি। তাঁর সময়েই দাজ্জালের ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং ঈসা (আ.) দাজ্জালকে পরাস্ত করবেন। কিছু বর্ণনায় বলা হয়েছে, ফিলিস্তিন অঞ্চলে এ সংঘাতের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সংঘটিত হবে।

ইমাম মাহদি কোনো নবী নন; বরং তিনি হবেন একজন ন্যায়পরায়ণ নেতা, যিনি শেষ যুগে মুসলিমদের নেতৃত্ব দেবেন। তাঁর আগমনের পর কিয়ামতের অন্যান্য বড় আলামতগুলোও পর্যায়ক্রমে প্রকাশ পাবে বলে বিভিন্ন হাদিসে ইঙ্গিত রয়েছে।


আজ ১১ রমজান: দেখে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ০৯:২০:৪৭
আজ ১১ রমজান: দেখে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে নামাজ দ্বিতীয় এবং ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পবিত্র কুরআনে বারবার নামাজের তাগিদ দেওয়া হয়েছে এবং কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। বিশেষ করে রহমতের ১০ দিন পার করে আমরা এখন মাগফিরাতের দশকের শুরুতে আছি। আজ রোববার ১ মার্চ ২০২৬ ইংরেজি, ১১ রমজান ১৪৪৭ হিজরি। রোজার এই সময়ে ইবাদত-বন্দেগি ও ওয়াক্তমতো নামাজ আদায়ের গুরুত্ব অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, মুমিনের প্রধান কাজ হলো সময়মতো ফরজ নামাজ সম্পন্ন করা।

আজকের (রোববার) জন্য ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি অনুযায়ী, জোহর শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে এবং আসর বিকাল ৪টা ২২ মিনিটে।

মাগরিবের ওয়াক্ত অর্থাৎ ইফতারের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩ মিনিটে।

এরপর এশার নামাজ ও তারাবি শুরু হবে রাত ৭টা ১৮ মিনিটে।

যারা আগামীকাল সোমবার (২ মার্চ) রোজা রাখার জন্য সেহরি করবেন, তাদের জন্য ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৫টা ১১ মিনিটে। আজকের সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ০২ মিনিটে।

উল্লেখ্য যে, ঢাকার সময়ের সাথে দেশের বিভিন্ন বিভাগের সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট সময় বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে, খুলনার জন্য ৩ মিনিট, বরিশালের জন্য ১ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট এবং রংপুরের জন্য ৮ মিনিট সময় যোগ করে নিতে হবে।

সঠিক সময়ে নামাজ ও ইবাদত সম্পন্ন করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই হোক আমাদের আজকের লক্ষ্য।

/আশিক

পাঠকের মতামত: