বিএনপির পক্ষ থেকে যুবদলের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৪ ১২:২১:৫২
বিএনপির পক্ষ থেকে যুবদলের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। এতে আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত ও প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি গঠনের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

অনুমোদিত এই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ৩০ জন সহ-সভাপতি, ৩০ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২৩ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন। এছাড়া কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মো. কামরুজ্জামান জুয়েল এবং প্রচার সম্পাদক হিসেবে আল মেহেদী তালুকদার দায়িত্ব পেয়েছেন। দপ্তরের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়াকে।

১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তালিকা তুলে ধরা হলো

সভাপতি ও সহ-সভাপতিবৃন্দ

১. সভাপতি: আবদুল মোনায়েম মুন্না

২. সিনিয়র সহ-সভাপতি: রেজাউল কবীর পল

৩. সহ-সভাপতি: জিয়াউর রহমান জিয়া

৪. সহ-সভাপতি: কামাল আনোয়ার আহাম্মদ

৫. সহ-সভাপতি: মাহফুজুর রহমান মাহফুজ

৬. সহ-সভাপতি: জাহাঙ্গীর আলম দুলাল

৭. সহ-সভাপতি: শাহ আলম চৌধুরী

৮. সহ-সভাপতি: সাইদুর রহমান

৯. সহ-সভাপতি: সাব্বির আহমেদ দিপু

১০. সহ-সভাপতি: আবদুল জব্বার খান

১১. সহ-সভাপতি: খন্দকার এনামুল হক এনাম

১২. সহ-সভাপতি: শরীফ উদ্দীন জুয়েল

১৩. সহ-সভাপতি: ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ

১৪. সহ-সভাপতি: রফিক আহমেদ ডলার

১৫. সহ-সভাপতি: সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু

১৬. সহ-সভাপতি: মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ

১৭. সহ-সভাপতি: মাহমুদুস সালেহীন

১৮. সহ-সভাপতি: আতিকুর রহমান আতিক

১৯. সহ-সভাপতি: জাকির হোসেন উজ্জল

২০. সহ-সভাপতি: এইচ এম তসলিম উদ্দিন

২১. সহ-সভাপতি: নাজমুল আলম নাজু

২২. সহ-সভাপতি: মো. আনোয়ারুল হক

২৩. সহ-সভাপতি: আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র)

২৪. সহ-সভাপতি: রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য)

২৫. সহ-সভাপতি: ফেরদৌস আহমেদ মুন্না

২৬. সহ-সভাপতি: তরিকুল ইসলাম টিটু

২৭. সহ-সভাপতি: ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম

২৮. সহ-সভাপতি: মঞ্জুরুল আজিম সুমন

২৯. সহ-সভাপতি: আজিজুর রহমান আকন্দ

৩০. সহ-সভাপতি: নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)

সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ

৩১. সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন

৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: বিল্লাল হোসেন তারেক

৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: ্মোহাম্মদ কামরুজ্জামান

৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মনিরুল ইসলাম সোহাগ

৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আবু আতিক আল হাসান মিন্টু

৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শাহ নাসির উদ্দিন রুমন

৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: কফিল উদ্দিন ভূইয়া

৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মঈনুদ্দীন রুবেল

৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আজহারুল ইসলাম মিলন

৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: এজমল হোসেন পাইলট

৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: ইখতিয়ার রহমান কবির

৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: রবিউল ইসলাম নয়ন

৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: সাজ্জাদুল মিরাজ

৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মিঞা মোহাম্মদ রাসেল

৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আবদুল করিম সরকার

৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শফিকুল ইসলাম shafik

৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা

৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আবুল মনসুর খান দীপক

৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: খন্দকার আল আশরাফ মামুন

৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আইয়ুব খান

৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শামসুজ্জোহা সুমন

৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: তারেক উজ জামান তারেক

৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শোয়াইব খন্দকার

৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আশরাফুর রহমান বাবু

৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আসাদুজ্জামান আসাদ

৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মো. আবদুল ওয়াহাব

৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব)

৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: এম তমাল আহমেদ

৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: সাজেদুল ইসলাম

৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)

সহ-সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ

৬১. সহ-সাধারণ সম্পাদক: হাসান আল মামুন লিমন

৬২. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মাসুদ খান পারভেজ

৬৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক: এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল

৬৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ

৬৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক: গিয়াসউদ্দিন মামুন

৬৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মামুন হোসেন ভূইয়া

৬৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক: রাহাদুল আলম khan

৬৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক: রুহুল ইসলাম মনি

৬৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক: জাহিদ হাসান

৭০. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আবু বকর সিদ্দিক পাভেল

৭১. সহ-সাধারণ সম্পাদক: খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন

৭২. সহ-সাধারণ সম্পাদক: সাখাওয়াত হোসেন চয়ন

৭৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মাহবুবুর রহমান পলাশ

৭৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আরিফুল হক আরিফ

৭৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক: প্রকৌ: কামরুল হাসান khan সাইফুল

৭৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মাহবুবুর রহমান

৭৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আলমগীর কবির সেলিম

৭৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ

৭৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক: এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল

৮০. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মো. মাসুদুল হক

৮১. সহ-সাধারণ সম্পাদক: সাহাবুদ্দিন মুন্না

৮২. সহ-সাধারণ সম্পাদক: সামসুল আলম রানা

৮৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আবুল বাসার সিদ্দিকী

সাংগঠনিক ও অন্যান্য সম্পাদকীয় পদসমূহ

৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. কামরুজ্জামান জুয়েল

৮৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: এম এ গাফফার

৮৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: আশরাফ ফারুকী হীরা

৮৭. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মিজানুর রহমান সুমন

৮৮. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: হাবিবুর রহমান হাবিব

৮৯. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: সোহেল আলম

৯০. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন

৯১. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: সাইদুর রহমান শামীম

৯২. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: রবিউল ইসলাম রবি

৯৩. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: আরিফুর রহমান সোহেল

৯৪. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মাইনুল ইসলাম

৯৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: খন্দকার রিয়াজ

৯৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. রাশেদুল ইসলাম রিপন

৯৭. প্রচার সম্পাদক: আল মেহেদী তালুকদার

৯৮. সহ-প্রচার সম্পাদক: তারেকুর রহমান

৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: আশরাফ জালাল খান মনন

১০০. সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: সাইদুর রহমান সোহেল

১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: আমিনুর রহমান আমিন

১০২. কোষাধ্যক্ষ: রোকনুজ্জামান রোকন

বিষয়ক ও সহ-বিষয়ক সম্পাদকবৃন্দ

১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক

১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. ইউনুস আলী রবি

১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ

১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল

১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. গাজী মো. মাসকুরুল আলম সৌরভ

১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক: কৃষিবিদ সানোয়ার আলম

১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন

১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক: পার্থ দেব মন্ডল

১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক: কারীমুল হাই নাঈম

১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক: সাজিদ হাসান বাবু

১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক: আনোয়ার হোসেন জনি

১১৪. সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক: মো. মেজবাহউদ্দিন মেজু

১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক: মাজেদুল ইসলাম রুমন

১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: মহিন উদ্দিন রাজু

১১৭. সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: সাইদুর রহমান রয়েল

১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: মাহমুদুল হাসান বাপ্পী

১১৯. সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: খোরশেদ আলম

১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক: মোস্তাফিজুর রহমান

১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক: কামরুজ্জামান নান্নু

১২২. ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক: সৈয়দ মাহমুদ

১২৩. সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক: আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার

১২৪. সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক: খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী

১২৫. সহ-জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক: মো. বেলাল হোসেন

১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: কে এস এম মুসাব্বির শাফী

১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: ইমরান আহমেদ প্রিন্স

১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক: শাহজাহান রনি

১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. গালিব হাসান

১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. বেলাল হোসেন নাজিম

১৩১. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন

১৩২. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল

১৩৩. সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক: মো. জাহিদ হাসান

১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা): খায়রুজ্জামান লিঙ্কন

১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): এ আর মামুন খান

১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ

১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার

১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক: আরাফাত বিল্লাহ খান

১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক: হেদায়েত হোসেন ভূইয়া

১৪০. সহ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক: রাশেদ আল আমিন শুভ

নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ

১৪১. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): আমিনুল ইসলাম khan

১৪২. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): মাহবুব শিকদার

১৪৩. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): মহসীন বিশ্বাস

১৪৪. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): জহিরুল ইসলাম বিপ্লব

১৪৫. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু

১৪৬. সদস্য: আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ

১৪৭. সদস্য: নাজিম উদ্দিন মিঠু

১৪৮. সদস্য: মাহমুদুল করিম সজল

১৪৯. সদস্য: সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন

১৫০. সদস্য: মো. এমরান হোসেন শাহীন

১৫১. সদস্য: ফখরুল বিন খালেক।

/আশিক


ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় সবার আগে আমি বুক পেতে দেবো: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ২১:৪৪:৩৬
ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় সবার আগে আমি বুক পেতে দেবো: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় প্রয়োজনে নিজে রাজপথে নেমে সবার আগে বুক পেতে দেওয়ার তীব্র প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (৩ জুন) রাতে জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

জামায়াত আমির তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, ইসলামী ব্যাংক কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, বরং এটি দেশের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের একটি প্রতিষ্ঠান। যারা এই ব্যাংকে নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ আমানত হিসেবে রেখেছেন, প্রকৃত অর্থে এটি তাদেরই ব্যাংক। তিনি আমানতকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে বলেন, ব্যাংকের গ্রাহক ও আমানতকারীদের ওপর যদি কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনা ঘটে বা গুলি চালানো হয়, তবে তিনি নিজে সবার আগে সামনে এসে বুক পেতে দেবেন এবং নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়ে গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। এই ব্যাংকটিকে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকারের প্রতীক হিসেবেও তিনি উল্লেখ করেন।

বক্তব্যের শেষ অংশে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের একজন চিহ্নিত দোসরকে অন্যায্যভাবে ইসলামী ব্যাংকের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের শীর্ষ পদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি তীব্র সমালোচনা করে বলেন, একজন কুখ্যাত ঋণখেলাপির স্বামী কোনোভাবেই ইসলামী ব্যাংকের মতো একটি মর্যাদাপূর্ণ ও জনগুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হতে পারেন না।

/আশিক


ভারত খুনি রাষ্ট্র, বিএসএফ খুনি বাহিনী, বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১৮:১৬:৩৫
ভারত খুনি রাষ্ট্র, বিএসএফ খুনি বাহিনী, বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জানতে চেয়েছেন, অপরাধ বা হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর খুনিরা কীভাবে দেশের সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে যশোরের বেনাপোল সংলগ্ন সাদিপুর সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। মূলত সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক নাটকীয়তা কিংবা বিতর্কিত ‘জজ মিয়া’ নাটকের মতো তদন্ত পদ্ধতির তীব্র বিরোধিতা করে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান। তিনি প্রশাসনকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, অতীতে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের বিচার যেভাবে বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার যেন কোনোভাবেই সেই পথে না হাঁটে এবং স্থবির হয়ে না পড়ে।

বেনাপোল সীমান্তে স্থানীয় শত শত সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই পরিদর্শনে এনসিপির এই শীর্ষ নেতা ভারতের সীমান্ত নীতি ও দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি ভারতকে ‘খুনি রাষ্ট্র’ এবং বিএসএফকে ‘খুনি বাহিনী’ হিসেবে সম্বোধন করে দীর্ঘদিন ধরে চলা সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের আন্তর্জাতিক ও আইনি বিচার দাবি করেন। একই সাথে গত ৩১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত বেনাপোলের বিপরীত পাশে অবস্থিত ভারতের হরিদাসপুর সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ কর্তৃক জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার করুণ চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের চরম অভাব থাকায় এই এলাকার মানুষ জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। দেশের ভৌগোলিক ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) নতুন করে ঢেলে সাজানোর দাবি উত্থাপন করেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতে, বিজিবিকে কেবল নামমাত্র হালকা অস্ত্রে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের আধুনিক ও ভারী সামরিক সরঞ্জাম, পেট্রোলিং যান এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করা উচিত।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিগত দিনের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি স্পষ্ট করেন যে, কেউ অপরাধী হলেও তাকে কোনো ধরনের বিচার ছাড়া সীমান্তে গুলি করে হত্যা করা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের চরম লঙ্ঘন। সীমান্ত হত্যার প্রতিটি ঘটনার বিচার নিশ্চিতে ভারতকে আন্তর্জাতিক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর জন্য তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান। সবশেষে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে হলেও দেশের এক ইঞ্চি ভূখণ্ড বা সার্বভৌমত্বের ওপর কোনো আঘাত মেনে নেওয়া হবে না।

/আশিক


আওয়ামী লীগ নেতাকে পালাতে ৪ কোটির চুক্তি! এমপি মাসউদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১১:৫৯:২৬
আওয়ামী লীগ নেতাকে পালাতে ৪ কোটির চুক্তি! এমপি মাসউদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য
ছবি : সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শীর্ষ মুখ এবং বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ও বিস্ফোরক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। আজ বুধবার (৩ জুন) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি এবং বেপরোয়া আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিরাপদ প্রস্থান সুবিধা দেওয়া এবং হাতিয়ার স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে কোটি কোটি টাকার গোপন চুক্তি ও অর্থ আত্মসাতের বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য তিনি এই পোস্টে ফাঁস করেছেন।

বিএনপি নেতা রাশেদ খানের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে থাকা দলটির একাধিক প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে হান্নান মাসউদের একাধিক গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকের সিংহভাগই হতো রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি নির্দিষ্ট অভিজাত হোটেলে। এমন একটি বৈঠকের উদাহরণ টেনে রাশেদ খান লেখেন, এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের একজন সাবেক সংসদ সদস্যকে দেশত্যাগে সহযোগিতা করতে এবং নিরাপদে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার বিনিময়ে ৪ কোটি টাকার একটি বিশাল অঙ্কের সমঝোতার আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষ করে এসে হান্নান মাসউদ তাঁর বিশ্বস্ত সহযোগী আব্দুল গাফফার জিসানকে বলেন—সংশ্লিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা তাৎক্ষণিকভাবে ১ কোটি টাকা দিতে রাজি হয়েছেন, তবে চুক্তিটি যেন অন্তত ৩ কোটি টাকায় চূড়ান্ত করা যায় সেই চেষ্টা করতে হবে। সে সময় মাসউদ মন্তব্য করেছিলেন যে, ওইসব নেতাদের কাছে প্রচুর নগদ অর্থ অলস পড়ে রয়েছে এবং এই মুহূর্তে নিজেদেরও বিপুল অর্থের প্রয়োজন আছে।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, হান্নান মাসউদের এই সব অন্ধকার লেনদেন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অকাট্য ও প্রত্যক্ষ সাক্ষী হলেন হাতিয়ার স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গাফফার জিসান। গণঅভ্যুত্থানের ক্রান্তিলগ্নে অর্থাৎ গত বছরের ২৭ জুলাইয়ের পর যখন সমন্বয়করা আত্মগোপনে ছিলেন, তখন রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আব্দুল গাফফার জিসানের সঙ্গে হান্নান মাসউদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

জিসান মূলত আন্দোলন ও পরবর্তী সময়ে সমন্বয়কদের বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট, ছবি ও ভিডিও ধারণের কাজ করতেন। শুধু তাই নয়, গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান সার্বক্ষণিকভাবে হান্নান মাসউদের দেহরক্ষী বা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। তবে অর্জিত ক্ষমতার পর হান্নান মাসউদের রাতারাতি নৈতিক স্খলন, অর্থের প্রতি অতিরিক্ত লোভ এবং প্রশ্নবিদ্ধ আচরণগত পরিবর্তনের কারণে পরবর্তীতে জিসান নিজেই তাঁর কাছ থেকে দূরে সরে যান।

পোস্টে নোয়াখালীর হাতিয়া আসনের সাবেক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীকে নিয়েও গুরুতর রাজনৈতিক অভিযোগ তুলেছেন রাশেদ খান। তাঁর দাবি, সংসদ সদস্য হওয়ার পর আব্দুল হান্নান মাসউদ মনে করতেন হাতিয়ার রাজনীতিতে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলেন মোহাম্মদ আলী।

এই কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রভাব খাটিয়ে মোহাম্মদ আলীকে দ্রুত গ্রেফতারের পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেন হান্নান মাসউদ। ব্যক্তিগত একাধিক ঘরোয়া আলোচনায় হান্নান মাসউদ নাকি জিসানদের বলেছিলেন যে, নোয়াখালীর অন্য কোনো আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো দ্বন্দ্ব নেই, কেবল মোহাম্মদ আলীর সঙ্গেই তাঁর মূল বিরোধ।

একই সঙ্গে নোয়াখালীর আঞ্চলিক রাজনীতিতে একক সম্রাট বা প্রভাবশালী হতে হলে মোহাম্মদ আলীর মতোই বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার বিকল্প নেই—এমন উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথাও তিনি বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী আলোচনায় তুলে ধরতেন। গণঅভ্যুত্থানের এক অন্যতম শীর্ষ সমন্বয়ক ও বর্তমান তরুণ এমপির বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগের পর রাজনৈতিক অঙ্গন ও নেটদুনিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

/আশিক


জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি জনগণের ওপর চরম জুলুম: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০২ ১৯:৫৩:০৭
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি জনগণের ওপর চরম জুলুম: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

এলপিজি সিলিন্ডার ও অটোগ্যাসের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধিকে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত জুলুম এবং করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার শামিল বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে সিলেটে চাচার পৈশাচিক নির্যাতনে নিহত চার বছর বয়সী শিশু ফাহিমা আক্তারের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

একদিনেক সংক্ষিপ্ত সফরে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে সিলেটে অবস্থান করছেন জামায়াত আমির। সকালে তিনি সরাসরি চলে যান নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু ফাহিমার গ্রামের বাড়িতে। সেখানে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জ্বালানির দাম বৃদ্ধি মানে সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া। এটি জনগণের ওপর সরাসরি জুলুম করার শামিল।’

দেশের বর্তমান সার্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের বর্তমান অবস্থা কোনোভাবেই সাধারণ জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। জুলাই বিপ্লবের পর দেশের আপামর জনগণ যে ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন, ন্যায়বিচার ও সুশাসনের প্রত্যাশা করেছিল, বর্তমান প্রশাসনের কাজে বাস্তবে তার সঠিক প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।

এ সময় সিলেটে চাচার হাতে ফুটফুটে শিশু ফাহিমা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও শোক প্রকাশ করেন জামায়াত আমির। তিনি এই পৈশাচিক ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। একই সাথে নিহত শিশুর শোকসন্তপ্ত বাবা-মায়ের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

সফরকালে আমিরে জামায়াতের সাথে দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ সিলেটের স্থানীয় দায়িত্বশীল ও শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


ভারতের পুশইন চেষ্টার বিরুদ্ধে মাঠে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০২ ১৯:৩৭:১৩
ভারতের পুশইন চেষ্টার বিরুদ্ধে মাঠে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন
ছবি : সংগৃহীত

সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ বা ‘পুশইনের’ অভিযোগের প্রতিবাদে এবং সরেজমিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সীমান্ত সফরের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই বিশেষ সফরের ঘোষণা দেন।

ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং স্থানীয় সীমান্ত এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করাই তাঁর এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।

তিনি লেখেন, "ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (বুধবার, ৩ জুন) যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পরিদর্শনে যাব। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ (পুশ-ইন) করানোর অভিযোগের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় পরিস্থিতি সম্পর্কে সরেজমিন অবগত হওয়ার চেষ্টা করব। এ উপলক্ষে স্থানীয় গ্রামবাসী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, শিক্ষক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করব।"

জাতীয় নাগরিক পার্টির এই শীর্ষ নেতা সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের ওপর জোর দিয়ে আরও বলেন, "বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখে যেকোনো সীমান্ত-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।"

ঘোষিত সফরসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যশোর ও বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় পৌঁছাবেন। এরপর বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে তিনি সাদিপুর সীমান্ত এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় শেষে দুপুর ১টায় বেনাপোলের পর্যটন হোটেলের লবিতে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে তিনি সফরের অভিজ্ঞতা এবং অনুপ্রবেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে দলের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তুলে ধরবেন।

/আশিক


আসিফ ও হাসনাতকে চিটার-বাটপাড় ও অমানুষ আখ্যা দিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফজলুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০১ ২১:৪০:৫২
আসিফ ও হাসনাতকে চিটার-বাটপাড় ও অমানুষ আখ্যা দিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফজলুর রহমান
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য (এমপি) হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদা দাবি ও অর্থ পাচারের এক গুরুতর বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। এই দুই তরুণ নেতাকে ‘চিটার-বাটপাড় ও অমানুষ’ হিসেবে অভিহিত করে প্রবীণ এই রাজনীতিকের দেওয়া এমন আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র তোলপাড়ের সৃষ্টি করেছে।

আজ সোমবার (১ জুন) সকালে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল অষ্টগ্রামে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হাজারো জনতার উদ্দেশ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বিগত গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ের কথিত ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন,

"৫ আগস্টের পর দুজন লোক লাইমলাইটে আসে। এর মধ্যে সাবেক এক উপদেষ্টা সরাসরি কুমিল্লার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে গিয়ে ধমকের সুরে বলেছেন—আমাকে অনতিবিলম্বে ১৫ কোটি টাকা দাও, রাজস্ব ভাণ্ডারের টাকা না দিয়ে তোমার কোনো উপায় নাই। আর অন্যজন হাসনাত আব্দুল্লাহ, যিনি এখন ক্ষমতার জোরে এমপি হয়েছেন। তিনি নিজে গিয়ে ডিসিকে বলেছেন—আমার ব্যক্তিগত ফাণ্ডে ১০ কোটি টাকা দিয়ে দাও।"

উপস্থিত জনতার দিকে ইঙ্গিত করে চরম ক্ষোভের সাথে তিনি বলেন, "এরা আসলে চরম অমানুষ, চিটার ও বাটপাড়। এদের মতো ভণ্ড মানুষকে সোজা করার মতো কোনো আধুনিক মেশিন এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে আবিষ্কার হয়নি।"

বক্তব্যের এক পর্যায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করে ফজলুর রহমান দাবি করেন, ওই সরকার সুপরিকল্পিতভাবে দেশের চারটি প্রজন্মকে চিরতরে ধ্বংস করে দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, যাদের এখনো ৩০ বছর বয়স পার হয়নি, এমন অনভিজ্ঞ তরুণরা উপদেষ্টা হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে এবং দেশ-বিদেশে শত শত কোটি টাকা অবৈধভাবে পাচার করেছে।

প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ আক্ষেপ করে বলেন, এ দেশে একটি সুদূরপ্রসারী আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মাধ্যমে অত্যন্ত গোপন বা গুপ্ত সংগঠন তৈরি করে পরবর্তীতে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল (এনসিপি) গঠন করা হয়েছে। তরুণদের বিপথগামী করার পেছনে এনসিপির শীর্ষ নেতাদের দায়ী করে ফজলুর রহমান আরও বলেন, "তাদের একমাত্র মূল কাজই হলো কীভাবে চক্রান্ত আর গভীর ষড়যন্ত্রের জাল বুনে সাধারণ ছাত্রসমাজকে আবেগ দিয়ে ধোঁকা দিয়ে, বোকা বানিয়ে রাজপথের মিছিলে নামানো যায়।

এই নিরীহ তরুণদের জীবনকে এভাবে অন্ধকারের মুখে ঠেলে দিয়ে তারা মূলত পর্দার আড়ালে নিজেদের আখের গুছিয়েছে এবং বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছে।" দেশের সার্বিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও তরুণদের সুন্দর ভবিষ্যৎ ফিরিয়ে আনতে এই ধরণের সুবিধাবাদী ও চক্রান্তকারী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

/আশিক


বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণেই দেশে অপরাধ বাড়ছে: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০১ ১৯:৩৭:৩৬
বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণেই দেশে অপরাধ বাড়ছে: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

বিচারের নামে অবিচার এবং বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার কারণেই মূলত দেশে জঘন্য অপরাধের গ্রাফ ক্রমাগত বাড়ছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। আজ সোমবার (১ জুন) বিকেলে পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরেই বিমানবন্দর থেকে সরাসরি রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ছুটে যান তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন পল্লবীতে নির্মমভাবে নিহত শিশু রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার শারীরিক খোঁজখবর নেন এবং শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

হাসপাতাল থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জামায়াত আমির বলেন,

"বিচারের নামে অবিচার ও দীর্ঘসূত্রিতাই অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করে দেয়। শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি শতভাগ বাস্তবায়িত হবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশা করি। সরকারের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা থাকলে এই নরপিশাচদের দ্রুততম সময়ে ফাঁসি দেওয়া সম্ভব।"

এদিকে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এই লোমহর্ষক মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলো। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে এই চার্জ গঠন করেন।

এর আগে গত ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট জমা দিলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত তা গ্রহণ করে দ্রুত বিচারের জন্য মামলাটি শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথি ও আদালতে দেওয়া ঘাতক সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে জানা গেছে, গত ১৯ মে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা ঘর থেকে বের হলে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের ফ্ল্যাটের ভেতর ডেকে নেয়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ইয়াবাসক্ত সোহেল রানা ছোট্ট শিশুটিকে নির্মমভাবে ধর্ষণ করে, যার ফলে রামিসা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

ঠিক ওই মুহূর্তে রামিসার মা বাইরে থেকে দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে জানোয়ার সোহেল রানা রামিসার গলা কেটে হত্যা করে। এরপর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে ধারালো ছুরি দিয়ে মাথা কেটে শরীর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে বাথরুমের বালতিতে লুকিয়ে রাখে এবং যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে মস্তকহীন দেহটি খাটের নিচে ঠেলে দেয়। পরবর্তীতে রামিসার বাবা-মা প্রতিবেশীদের নিয়ে দরজা ভেঙে ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত দেহ এবং বালতিতে কাটা মাথা উদ্ধার করেন। ঘটনার পরপরই জানালার গ্রিল কেটে প্রধান আসামি সোহেল রানা পালালেও নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে এবং ফ্ল্যাট থেকে তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মাদক সেবন করে এই বিকৃত যৌনকর্ম ও হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে আদালতে স্পষ্ট স্বীকার করেছে এই খুনি।

/আশিক


জেলা পরিষদের ১০ কোটি নিয়ে অপপ্রচারের জবাবে যে ব্যাখ্যা দিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০১ ১৮:০৭:০৮
জেলা পরিষদের ১০ কোটি নিয়ে অপপ্রচারের জবাবে যে ব্যাখ্যা দিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ দুই নেতা কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন—জেলা পরিষদ প্রশাসকের এমন এক বিস্ফোরক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তোলপাড় ও তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই বরাদ্দের মধ্যে ১০ কোটি টাকা পকেটে পুরেছেন বলে সরাসরি অভিযোগ উঠেছে দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই মেগা দুর্নীতির অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর আনুষ্ঠানিক ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।

গতকাল রোববার (৩১ মে) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে এবং একটি তথ্যবহুল ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে দেবিদ্বার উপজেলার সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দের পুঙ্খানুপুঙ্খ খতিয়ান তুলে ধরেন এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ।

ভিডিও বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ জোর দিয়ে বলেন, সম্প্রতি দেশের কিছু নির্দিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে জেলা পরিষদের ১০ কোটি টাকা ব্যক্তিগতভাবে নেওয়ার যে দাবি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি স্পষ্ট করেন, কোনো ব্যক্তি বা নেতার পকেটে এই টাকা যায়নি। প্রকৃতপক্ষে, দেবিদ্বার উপজেলার সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য সম্পূর্ণ সরকারি ও আইনি নিয়ম মেনে ২০২৪–২৫ এবং ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন খাতে এই নির্দিষ্ট সরকারি বরাদ্দ পাওয়া গেছে, যা সরাসরি সরকারি তদারকিতেই প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে।

নিজের দাবির সপক্ষে বরাদ্দের স্বচ্ছতা প্রমাণ করতে হাসনাত আবদুল্লাহ ভিডিওতে সরাসরি সরকারি একটি ওয়েবসাইট থেকে লাইভ বরাদ্দের অফিশিয়াল তালিকাও জনসমক্ষে প্রকাশ করেন। প্রদর্শিত সেই সরকারি তালিকা অনুযায়ী দেখা যায়, গত দুটি অর্থবছরে দেবিদ্বারের মোট ১৪৮টি দৃশ্যমান উন্নয়ন প্রকল্পের বিপরীতে সর্বমোট ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।

২০২৪–২৫ অর্থবছর

দেবিদ্বারে এডিপি (ADP) সাধারণ খাতে ৪টি প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ ২৩ লাখ টাকা, এডিপি বিশেষ খাতে সবচেয়ে বেশি ৭৬টি প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ ৬ কোটি ২ লাখ টাকা এবং জেলা পরিষদের রাজস্ব/নিজস্ব খাতে ২৩টি প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৮১ লাখ টাকা।

২০২৫–২৬ অর্থবছর

এডিপি সাধারণ খাতে ১২টি প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ ৩৭ লাখ টাকা এবং এডিপি বিশেষ খাতে ৩৩টি প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৯৯ লাখ টাকা।

জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া এই ভিডিও বার্তার শেষাংশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, "জনগণের পবিত্র আমানত রক্ষা করা একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে আমার প্রধান ও নৈতিক দায়িত্ব। কোনো ধরনের নোংরা অপপ্রচার বা কুৎসা রটিয়ে দেবিদ্বারের চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে কোনোভাবেই ব্যাহত করা যাবে না।" এই বরাদ্দের শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বা সরকারের যেকোনো উচ্চপর্যায়ের তদন্ত ও যাচাই-বাছাইকে স্বাগত জানান এবং সাধারণ মানুষকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সস্তা গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।

/আশিক


উন্নয়ন বরাদ্দের টাকায় ৭৭টি আসন কিনেছে জামায়াত-এনসিপি: রাশেদ খান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০১ ১২:১২:০৬
উন্নয়ন বরাদ্দের টাকায় ৭৭টি আসন কিনেছে জামায়াত-এনসিপি: রাশেদ খান
ছবি : সংগৃহীত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৈষম্য ও নির্বাচনী সুযোগ সুবিধা দেওয়ার এক গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তাঁর দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উন্নয়ন বরাদ্দের নামে দেওয়া বিপুল অর্থ অবৈধভাবে ব্যবহার করে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচনে অনৈতিক সুবিধা নিয়েছে এবং এই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমেই তারা ৭৭টি আসন পেতে সক্ষম হয়েছে। আজ সোমবার (১ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন তুলে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জেলা পরিষদের তহবিল থেকে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার উন্নয়নের জন্য কেন এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ এককভাবে ১০ কোটি টাকা পেয়েছিলেন? সে সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো উপদেষ্টা বা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বশীল পদে ছিলেন কিনা, তা জানতে চান তিনি। রাশেদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্বে থাকাকালে দেশের সব উপজেলায় সমানভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব ছিল। কিন্তু তা না করে নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়ার এই গোপন সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হলো, সেটি এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

বিএনপির এই নেতার ভাষ্য, যদি রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমেই উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়ে থাকে, তবে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি বা গণঅধিকার পরিষদের নেতারা কেন সেই রাষ্ট্রীয় সুবিধা থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হলেন?

নিজের দাবির সপক্ষে প্রমাণ টেনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি জামায়াত নেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের একটি প্রকাশ্য বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে যে—তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিজের নির্বাচনি এলাকার জন্য একাই ১২০ কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দ এনেছিলেন। রাশেদ খানের অভিযোগ, ঠিক একইভাবে জামায়াত ও এনসিপির নেতাদের নির্বাচনি সুবিধা পাইয়ে দিতে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ ভাগাভাগি করে দেওয়া হয়েছিল।

ফেসবুক পোস্টে তিনি সরাসরি প্রধান উপদেষ্টাকে দায়ী করে বলেন, ‘ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াত-এনসিপিকে জেতাতে উন্নয়ন বরাদ্দের নামে সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন। তাহের ও হাসনাত সাহেবরা এসব সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পকে নিজেদের নির্বাচনি প্রচারণায় অবাধে ব্যবহার করতে পেরেছেন, কিন্তু অন্য দলের প্রার্থীরা সেই সমান সুযোগ পাননি।’

তিনি দাবি করেন, অতীতে বাংলাদেশের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১৮টি আসন পাওয়া একটি দল এবার রাতারাতি ৭৭টি আসন পেয়েছে মূলত অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের এই বিপুল অর্থ ও প্রভাব ব্যবহার করে। অন্য সব উপজেলাকে সম্পূর্ণ উন্নয়ন বঞ্চিত করে নির্দিষ্ট কিছু ভিআইপি এলাকায় অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার বড় ধরনের রাষ্ট্রীয় বৈষম্য, দুর্নীতি ও চরম অনিয়ম করেছে।

রাশেদ খান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তাহের, হাসনাত ও আসিফ মাহমুদ সাহেবরা শুধুমাত্র নিজেদের এলাকায় উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়ে গিয়ে দেশে নতুন করে বৈষম্য ও দুর্নীতির জন্ম দিয়েছেন। বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে এটি কোনোভাবেই ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।’ একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব স্পর্শকাতর বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের পকেটে এ ধরনের উন্নয়ন বরাদ্দ দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ অন্যায় ও পক্ষপাতিত্ব করেছে। তিনি সদ্য সমাপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের দীর্ঘ ১৮ মাসের সব ধরনের আর্থিক কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং এর কঠোর বিচার দাবি করেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: