বৃদ্ধ মায়ের অবহেলা, ইসলাম কী শিক্ষা দেয়?

পৃথিবীর সব ভাষা, সংস্কৃতি ও সভ্যতার মানুষ একটি বিষয়ে একমত। সেটি হলো, ‘মা’ শব্দের মতো মধুর, আবেগময় ও হৃদয়স্পর্শী আর কোনো শব্দ নেই। মানুষ জীবনের প্রথম ভালোবাসা, প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক এবং নিঃস্বার্থ স্নেহের উৎস হিসেবে মাকেই খুঁজে পায়। ইসলামও মায়ের এই অনন্য মর্যাদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং তাঁর অধিকারকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে।
মা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের জন্য এক অসামান্য নিয়ামত। একজন সন্তান পৃথিবীতে আসার আগেই মা তাকে নিজের শরীরের অংশ হিসেবে ধারণ করেন। গর্ভধারণের দীর্ঘ কষ্ট, সন্তান জন্মদানের যন্ত্রণা, নির্ঘুম রাত এবং জীবনের অসংখ্য ত্যাগের মাধ্যমে তিনি সন্তানকে বড় করে তোলেন। তাই ইসলামে মায়ের মর্যাদা শুধু পারিবারিক সম্পর্কের কারণে নয়, বরং তাঁর ত্যাগ, কষ্ট এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কারণেও অতুলনীয়।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা নিজের ইবাদতের নির্দেশের পাশাপাশি মা-বাবার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, তোমরা তাঁর ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করো না এবং মা-বাবার সঙ্গে উত্তম আচরণ করো। এমনকি তারা বার্ধক্যে উপনীত হলেও তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করা বা ‘উফ’ শব্দটুকু উচ্চারণ করতেও নিষেধ করা হয়েছে। (সুরা বনি ইসরাঈল: ২৩)
এটি ইসলামে মা-বাবার মর্যাদার সর্বোচ্চ স্বীকৃতির অন্যতম উদাহরণ। কারণ আল্লাহর ইবাদতের পরপরই মানুষের প্রতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে মা-বাবার প্রতি সদ্ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
কোরআনের আরেক স্থানে আল্লাহ বিশেষভাবে মায়ের কষ্টের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। সুরা লুকমানে বলা হয়েছে, মা কষ্টের পর কষ্ট সহ্য করে সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাকে লালন-পালন করেন। তাই আল্লাহর কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি মা-বাবার প্রতিও কৃতজ্ঞ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (সুরা লুকমান: ১৪)
ইসলামের ইতিহাসে মায়ের মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বহু হাদিস রয়েছে। সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হাদিসগুলোর একটি হলো সেই ঘটনা, যখন এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, তার উত্তম আচরণের সবচেয়ে বেশি হকদার কে?
রাসুল (সা.) প্রথমবার বললেন, ‘তোমার মা।’
লোকটি আবার জিজ্ঞেস করল, এরপর কে?
তিনি আবার বললেন, ‘তোমার মা।’
তৃতীয়বারও একই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন, ‘তোমার মা।’
চতুর্থবারে তিনি বললেন, ‘তোমার বাবা।’ (সহিহ বুখারি)
এই হাদিস থেকে স্পষ্ট হয় যে, সন্তানের ওপর মায়ের অধিকার কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং ইসলাম মায়ের সেবাকে কত উঁচু মর্যাদা দিয়েছে।
মায়ের খিদমতের গুরুত্ব শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ইতিহাসেও এর অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে। ইসলামের অন্যতম প্রসিদ্ধ তাবেঈ উওয়াইস আল-কারনী (রহ.)-এর জীবন তার অন্যতম উদাহরণ। তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে জীবিত ছিলেন, কিন্তু অসুস্থ মায়ের সেবায় নিয়োজিত থাকায় মদিনায় গিয়ে মহানবীর সাক্ষাৎ লাভ করতে পারেননি। তবুও তাঁর মাতৃসেবার কারণে তিনি এমন মর্যাদা লাভ করেন যে, রাসুল (সা.) সাহাবিদের তাঁর কাছে দোয়া চাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। (সহিহ মুসলিম)
এ ঘটনা প্রমাণ করে, মায়ের সেবা এমন একটি আমল যা একজন মানুষকে আল্লাহর কাছে অত্যন্ত মর্যাদাবান করে তুলতে পারে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, ‘মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।’ (নাসাঈ)
এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর অর্থবহ হাদিসটি মুসলিম সমাজে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মায়ের মর্যাদার প্রতীক হয়ে রয়েছে। এর অর্থ হলো, মায়ের সন্তুষ্টি অর্জনের মধ্য দিয়েই একজন মানুষ জান্নাতের পথে অগ্রসর হতে পারে।
মায়ের খিদমতের আরেকটি বড় ফজিলত হলো তাঁর দোয়া। ইসলামী শিক্ষায় মা-বাবার দোয়াকে অত্যন্ত মূল্যবান মনে করা হয়। একজন সন্তানের জন্য মায়ের আন্তরিক দোয়া জীবনের বহু বিপদ দূর করতে পারে এবং আল্লাহর রহমত লাভের মাধ্যম হতে পারে।
অন্যদিকে মাকে কষ্ট দেওয়া, তাঁর অবাধ্য হওয়া কিংবা তাঁর অধিকার নষ্ট করা ইসলামে গুরুতর গুনাহ হিসেবে বিবেচিত। বহু হাদিসে মা-বাবার অবাধ্যতাকে কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত বলা হয়েছে।
দুঃখজনকভাবে আধুনিক ব্যস্ত জীবন, ভোগবাদী মানসিকতা এবং পারিবারিক বন্ধনের দুর্বলতার কারণে অনেক বৃদ্ধ মা আজ অবহেলা ও একাকীত্বের শিকার হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে সন্তানরা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে মায়ের পাশে থাকেন না। এমনকি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এমন ঘটনাও ঘটেছে, যেখানে একাকী বসবাসরত বৃদ্ধা মায়ের মৃত্যুর খবর দীর্ঘদিন পর্যন্ত কেউ জানতে পারেনি। এসব ঘটনা মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে।
ইসলামের দৃষ্টিতে মায়ের খিদমত কেবল সামাজিক দায়িত্ব নয়; এটি একটি মহান ইবাদত। মায়ের সঙ্গে বিনয়ী আচরণ করা, তাঁর প্রয়োজন পূরণ করা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, তাঁর মানসিক প্রশান্তির খেয়াল রাখা এবং সম্মানের সঙ্গে তাঁর পাশে থাকা সবই নেক আমল হিসেবে গণ্য হয়।
মায়ের মৃত্যুর পরও সন্তানের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। তাঁর জন্য দোয়া করা, সদকা করা, তাঁর অসম্পূর্ণ নেক কাজগুলো সম্পন্ন করা এবং তাঁর আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ।
তাই একজন মুমিনের জন্য মায়ের খিদমত শুধু একটি পারিবারিক কর্তব্য নয়; এটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। যে ব্যক্তি মায়ের সেবা করে, আল্লাহ তার জীবনে বরকত দান করেন, মানুষের অন্তরে তার জন্য সম্মান সৃষ্টি করেন এবং আখিরাতে তার জন্য জান্নাতের সুসংবাদ রাখেন। সেই কারণেই ইসলাম বারবার আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, পৃথিবীতে যদি কোনো মানুষের প্রতি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও দায়িত্ব থাকে, তবে তিনি হলেন মা।
বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা ও সহিংসতার বিচার চেয়ে সাদপন্থিদের ৬ দফা দাবি
বিশ্ব ইজতেমার সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা, বিগত বছরগুলোতে ঘটে যাওয়া সহিংসতার বিচার এবং তাবলিগ জামাতের কার্যক্রমে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধসহ মোট ছয় দফা দাবি জানিয়েছে মাওলানা সাদপন্থি তাবলিগ জামাতের অনুসারীরা।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের (মাওলানা সাদ অনুসারী) মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েমের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাবিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে সম্প্রতি ‘ওলামা-মাশায়েখ বাংলাদেশ’ ব্যানারে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে তাবলিগ জামাতের অভ্যন্তরীণ বিষয়াদি নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। সাদপন্থিদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ওই সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিরা মূল তাবলিগ জামাতের প্রতিনিধিত্ব করেন না এবং তাদের উপস্থাপিত বক্তব্যগুলো সম্পূর্ণ অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানকে কেন্দ্র করে ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে সংঘটিত বিভিন্ন সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে। উভয় পক্ষের বক্তব্য এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
বিশেষ করে ২০১৮ সালে টঙ্গী ময়দানে ইসমাইল মণ্ডল ও শামসুদ্দিন বেলাল, ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর বেলাল হোসেন ও মিজানুর রহমান, ২০১৯ সালে কিশোরগঞ্জে আব্দুর রহিম রাজন এবং ২০২৩ সালে ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় শামসুল হকের মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে সংগঠনটি।
এ ছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় ইজতেমা ময়দান খালি করার বিষয়ে একটি লিখিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নের পাশাপাশি ১৭ ডিসেম্বর রাতে ডা. আসগরের নামে প্রচারিত কথিত অডিও রেকর্ডের সত্যতা ও প্রেক্ষাপট গভীরভাবে যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটির জোরালো অভিযোগ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মসজিদে তাবলিগের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে, মার্কাজ মসজিদ নিয়ে বিরোধ বাধানো হচ্ছে এবং এই বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে নানামুখী পাল্টাপাল্টি প্রচারণা চালানো হচ্ছে, যা সামগ্রিক ধর্মীয় পরিবেশ ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য মারাত্মক হুমকি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ধর্মীয় কার্যক্রমের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সব বিরোধ আইনানুগ উপায়ে নিষ্পত্তির দাবি জানানো হয়।
মাওলানা সাদপন্থিদের পেশ করা ছয় দফা দাবিগুলো হলো
১. বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা
টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মাওলানা সাদ সাহেবের অনুসারীদের উদ্যোগে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনের জন্য দ্রুত সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
২. সহিংসতার তদন্ত ও বিচার
২০১৮ ও ২০২৪ সালের সহিংসতা, প্রাণহানি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা।
৩. রাজনৈতিক ও বহিরাগত হস্তক্ষেপ বন্ধ
তাবলিগ জামাতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বহিরাগত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, ধর্মভিত্তিক দলের রাজনৈতিক নেতা এবং ধর্মীয়-রাজনৈতিক সংগঠনের অযাচিত হস্তক্ষেপ কঠোরভাবে বন্ধ করা।
৪. ইজতেমা ময়দানের ব্যবহার নিশ্চিত করা
টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দান ব্যবহারে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং ময়দান দখলসংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।
৫. মার্কাজ মসজিদ নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি
বিভিন্ন জেলা ও থানার মার্কাজ মসজিদ নিয়ে উদ্ভূত বিরোধ ও দখলসংক্রান্ত অভিযোগগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় দ্রুত নিষ্পত্তি করা।
৬. মসজিদে ধর্মীয় কার্যক্রমের নিরাপত্তা
‘তৌহিদি জনতা’ বা অন্য যে কোনো পরিচিতি ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে দেশের কোনো মসজিদে তাবলিগের নিয়মিত কার্যক্রমে বেআইনি বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, তার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া।
বিজ্ঞপ্তির শেষাংশে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, তাবলিগ জামাতের ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশাসনকে পুরোপুরি নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে, সব পক্ষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং উত্থাপিত দাবিগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। দেশের সার্বিক ধর্মীয় পরিবেশ, শান্তি, শৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে সংশ্লিষ্ট সব মহলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
/আশিক
২০২৭ সালে কবে শুরু রোজা? সম্ভাব্য তারিখ জানাল আমিরাত
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব ও চাঁদ দেখার সম্ভাব্য সময় অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালে পবিত্র রমজান মাস ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু হতে পারে। চাঁদের অবস্থানের ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ৮ ফেব্রুয়ারি এবং বাংলাদেশে ৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম রোজা পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বরাবরের মতোই রমজান শুরুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি নির্ভর করবে আকাশে নতুন চাঁদ দেখার ওপর।
ইসলামি চান্দ্রবর্ষ মূলত গ্রেগরিয়ান বা খ্রিষ্টীয় সৌরবর্ষের তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন ছোট হয়ে থাকে। চান্দ্রবছর সাধারণত ৩৫৪ বা ৩৫৫ দিনের হওয়ার কারণে প্রতি বছরই রমজান মাস আগের বছরের নির্ধারিত তারিখের চেয়ে প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে আসে। চক্রাকারে দিন এগিয়ে আসার এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই প্রতি কয়েক বছর পরপর ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি (রোববার) সন্ধ্যায় মধ্যপ্রাচ্যে পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। ওই দিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে সে রাতেই সেখানে প্রথম তারাবিহ নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা এবং পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) থেকে প্রথম রোজা রাখা শুরু হবে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও স্থানীয় পর্যবেক্ষণের পার্থক্যের কারণে বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের এক দিন পর রমজান শুরু হতে দেখা যায়। সেই হিসেবে, বাংলাদেশে আগামী ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) সন্ধ্যায় রমজান মাসের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই দিন চাঁদ দেখা গেলে রাতে প্রথম তারাবিহ আদায়ের মধ্য দিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে বাংলাদেশে রোজা শুরু হতে পারে।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস বলছে, ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাসটি ২৯ অথবা ৩০ দিনের হতে পারে। সেই গণনা অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে পারে আগামী ৯ অথবা ১০ মার্চ। অন্যদিকে বাংলাদেশে রোজা এক দিন পরে শুরু হলে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে ১০ অথবা ১১ মার্চ। তবে এই সমস্ত হিসাবই আগাম জ্যোতির্বিজ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে অনুমান করা হয়েছে; এর চূড়ান্ত তারিখ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপরই পুরোপুরি নির্ভর করবে।
ইসলাম ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী রমজান মাসের সূচনা ও ঈদুল ফিতর উদযাপনে প্রত্যক্ষ চাঁদ দেখার গুরুত্ব অপরিসীম। তাই জ্যোতির্বিজ্ঞানভিত্তিক পূর্বাভাস থেকে আগাম একটি ধারণা পাওয়া গেলেও, বাংলাদেশে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে রোজা ও ঈদের মূল তারিখ।
সূত্র: গালফ নিউজ
মধ্যপ্রাচ্যের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্যে জানা গেল রোজা শুরুর সম্ভাব্য সময়
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে আর মাত্র ১২১ দিন বাকি রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের প্রাক্কলন বলছে, ২০২৭ সালের আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার থেকে পবিত্র রোজা শুরু হতে পারে। একই সঙ্গে, চলতি বছরের আগামী ১২ অক্টোবর জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু হলে রমজানের আগমনী বার্তা হিসেবে বাকি থাকবে কেবল চারটি চন্দ্র মাস।
ইমেরিটাস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং আরব ইউনিয়ন ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড স্পেস সায়েন্সেসের সদস্য ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, শনিবার সূর্যাস্তের পর স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৭টা ৫০ মিনিটে নতুন চাঁদের জন্ম বা মহাজাগতিক সংযোগ ঘটেছে। ‘আল খালিজ’ পত্রিকার বরাতে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রোববার বা ১১ অক্টোবর সন্ধ্যায় খালি চোখে নতুন চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আগামী ১২ অক্টোবর সোমবার ১৪৪৮ হিজরির জমাদিউল আউয়াল মাসের প্রথম দিন গণনা শুরু হতে পারে।
ইসলামিক নতুন এই চন্দ্র মাসের সূচনার অর্থ দাঁড়ায় যে, পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে আর মাত্র চারটি চন্দ্র মাস বাকি আছে। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই পূর্বাভাস শেষ পর্যন্ত চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও সাক্ষ্যের ওপর নির্ভর করবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গণনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের রমজান মাসটি ২৯ অথবা ৩০ দিনের হতে পারে। সেই হিসাব অনুযায়ী, আগামী ৯ মার্চ মঙ্গলবার কিংবা ১০ মার্চ বুধবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
/আশিক
বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য আসছে পবিত্র রমজানের নতুন সময়সূচি
হিজরি সনের গণনায় সময় দ্রুত গড়াচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে আর মাত্র ১৪৭ দিন বাকি রয়েছে। সব হিসাব ঠিক থাকলে এবং চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার থেকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে সিয়াম সাধনার মাস রমজান শুরু হতে পারে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রোববার সন্ধ্যায় হিজরি ১৪৪৮ সনের রমজান মাসের নতুন চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক চেষ্টা চালানো হবে। ওই দিন সন্ধ্যায় আকাশে নতুন চাঁদ দেখা গেলে সে রাতেই প্রথম তারাবির সালাত আদায় এবং ভোররাতে সেহরি খাওয়ার মাধ্যমে পরদিন সোমবার প্রথম রোজা পালন করবেন বিশ্বের কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলমান। অন্যদিকে রমজানের ২৯ বা ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার ওপর ভিত্তি করে এবং শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০২৭ সালের ১০ মার্চ বুধবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে বলে ধারণা প্রকাশ করা হয়েছে।
ইসলামি বর্ষপঞ্জি বা হিজরি ক্যালেন্ডার সম্পূর্ণরূপে চান্দ্রবছরের গতিপথের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়। সৌরছক বা ইংরেজি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের তুলনায় চান্দ্রবছর সাধারণত ১০ থেকে ১১ দিন ছোট হয়। এই প্রাকৃতিক ব্যবধানের কারণে প্রতি বছরই ইংরেজি বর্ষপঞ্জিতে রমজান মাসের সূচনা ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে আসে। এর ফলে আনুমানিক ৩৩ বছরের এক পূর্ণ চক্র আবর্তনের মাধ্যমে বছরের প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে (গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, শীত) রোজা রাখার অনন্য ধর্মীয় সুযোগ পেয়ে থাকেন মুসলিমরা।
উল্লেখ্য, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের আধুনিক গাণিতিক হিসাব পূর্বধারণা প্রদান করলেও ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী রমজান মাসের চূড়ান্ত সূচনা ও ঈদুল ফিতরের দিনক্ষণ নির্ধারণ নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ও চাঁদ প্রত্যক্ষ করার ওপর।
সূত্র: গালফ নিউজ।
চব্বিশ ঘণ্টার রুটিনেই মিলবে অশেষ সওয়াব, জেনে নিন ৫টি ছোট দোয়া
দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কাজগুলোকে সহজেই পুণ্যে রূপান্তর করতে রাসুলুল্লাহ (সা.) বেশ কিছু সংক্ষিপ্ত অথচ অর্থবহ দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন। ঘর থেকে বের হওয়া, মসজিদে প্রবেশ, কিংবা যানবাহনে আরোহণের মতো প্রাত্যহিক অভ্যাসে এসব দোয়ার নিয়মিত চর্চা একজন মুমিনের জীবনে আল্লাহর রহমত ও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
দৈনন্দিন জীবনে আমল করার মতো পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়ার বিবরণ
যানবাহনে ওঠার দোয়া: সুরা যুখরুফের ১৩-১৪ নম্বর আয়াতের এই দোয়াটি বাহনে চড়ে আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া এবং তাঁর কাছে চূড়ান্ত প্রত্যাবর্তনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়—
আরবি: سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ، وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ
উচ্চারণ: সুবহানাল্লাজি সাখখারালানা হা-যা ওয়া মা কুন্না লাহু মুকরিনিন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনকালিবুন।
অর্থ: তিনি পূতপবিত্র, যিনি এ বাহনকে আমাদের অধীন করে দিয়েছেন। অথচ এটি আয়ত্তে আনার ক্ষমতা আমাদের ছিল না। আর নিশ্চয়ই আমরা আমাদের রবের কাছেই ফিরে যাব।
মসজিদে প্রবেশের দোয়া: আল্লাহর বিশেষ রহমত ও অনুগ্রহ কামনায় মসজিদে প্রবেশের সময় রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়াটি পাঠ করতেন (আবু দাউদ: ৪৬৬)—
আরবি: اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা রহমাতিক।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাগুলো খুলে দিন।
মসজিদ থেকে বের হওয়ার দোয়া: ইবাদত শেষে পার্থিব রিজিক ও জীবিকায় আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের উদ্দেশ্যে রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়াটি পড়তেন (আবু দাউদ: ১২৬)—
আরবি: اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদ্বলিক।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি।
ঘরে প্রবেশের দোয়া: ঘরে কল্যাণ ও বরকত নিশ্চিত করতে এবং পরিবারের নিরাপত্তায় আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল প্রকাশে এই দোয়াটি পাঠের বিধান রয়েছে (আবু দাউদ: ৫০৯৬)—
আরবি:اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ الْمَوْلِجِ وَخَيْرَ الْمَخْرَجِ، بِسْمِ اللَّهِ وَلَجْنَا، وَبِسْمِ اللَّهِ خَرَجْنَا، وَعَلَى اللَّهِ رَبِّنَا تَوَكَّلْنَا
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাল মাউলাজি, ওয়া খাইরাল মাখরাজি; বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা, ওয়া বিসমিল্লাহি খারাজনা; ওয়া আলাল্লাহি রাব্বিনা তাওয়াক্কালনা।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রবেশ ও প্রস্থানের কল্যাণ প্রার্থনা করছি। আল্লাহর নামে আমরা প্রবেশ করলাম এবং আল্লাহর নামেই বের হলাম। আর আমাদের রব আল্লাহর ওপরই আমরা ভরসা করলাম।
ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া: ঘর থেকে বাইরে যাওয়ার মুহূর্তে আল্লাহর ওপর পূর্ণ নির্ভরতা ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত পেতে রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়া শিখিয়েছেন (তিরমিজি: ৩৪২৬)—
আরবি: بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللهِ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
অর্থ: আল্লাহর নামে বের হলাম। আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।
/আশিক
বাড়বে না হজের নিবন্ধনের সময়, চূড়ান্ত সময়সীমা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
২০২৭ সালের পবিত্র হজে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটার বিপরীতে এখন পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন মাত্র ৩ হাজার ৭৪১ জন যাত্রী। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৬৭৬ জন নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন; ফলে নির্ধারিত জাতীয় কোটার একটি বড় অংশই এখনও ফাঁকা রয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর হজ নিবন্ধনের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে এবং এর পর আর কোনোভাবেই সময় বৃদ্ধি করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১। সার্কুলারে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সমস্ত নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। গত ২৭ জুলাই শুরু হওয়া এই নিবন্ধনের সময়সীমা পার হওয়ার পর সৌদি সরকারের কাছে হজযাত্রীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রেরণ করা হবে এবং সেই তালিকার ভিত্তিতেই সৌদি পর্বের যাবতীয় ব্যয় নির্বাহের অর্থ স্থানান্তর করা হবে। একই সাথে চূড়ান্ত তালিকার ওপর ভিত্তি করে শুরু হবে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ফিটনেস সনদ প্রদান, বাধ্যতামূলক টিকাদান ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত কোটা পূরণ হতে এখনও ৭৪ হাজার ৭৫৯ জনের নিবন্ধন বাকি রয়েছে।
/আশিক
২০২৭ সালের পবিত্র রমজান কবে শুরু? সামনে এলো সম্ভাব্য তারিখ
২০২৭ সাল শুরু হতে আর মাত্র তিন মাস বাকি থাকতেই মুসলিম বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে আসন্ন বছরের পবিত্র রমজান মাসের সম্ভাব্য সময় নিয়ে গভীর কৌতূহল দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব-নিকাশ বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে যে, আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। তবে চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী মাসের আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত সূচনা নির্ভর করবে সম্পূর্ণভাবে চাঁদ দেখা যাওয়ার ওপর।
এরই মধ্যে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে ১৪৪৮ হিজরি সনের রবিউস সানি মাস। এর ফলে হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী পবিত্র রমজান শুরুর অপেক্ষা এখন শেষ পাঁচটি চন্দ্রমাসে এসে ঠেকেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রবিউস সানি মাসের চতুর্থ দিন অতিবাহিত হচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে রমজানের নতুন চাঁদ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেই সন্ধ্যায় যদি আকাশে একফালি চাঁদের দেখা মেলে, তবে ওই রাতেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আদায় করবেন প্রথম তারাবির নামাজ এবং পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি পালন করবেন প্রথম রোজা।
তবে নির্ধারিত সন্ধ্যায় যদি নতুন চাঁদ দৃশ্যমান না হয়, সে ক্ষেত্রে রমজান শুরুর সম্ভাব্য এই তারিখ এক দিন পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। ইসলামিক চান্দ্র ক্যালেন্ডারের প্রতিটি মাস যেহেতু কেবলই চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল, তাই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবের সঙ্গে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সামান্য তারতম্য হওয়া স্বাভাবিক। একইভাবে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রমজান মাস ২৯ কিংবা ৩০ দিন স্থায়ী হতে পারে। সিয়াম সাধনার মাস শেষে শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদ দেখা সাপেক্ষে উদযাপিত হবে মুসলিমদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ২০২৭ সালের ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য দিন হিসেবে আগামী ১০ মার্চকে ধারণা করা হলেও সেই তারিখটিও পুরোপুরি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করছে।
/আশিক
আগামী বছরের হজ নিবন্ধন প্রক্রিয়া ও নির্ধারিত সময়সীমা নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি
২০২৭ সালের হজের আনুষ্ঠানিক নিবন্ধনপ্রক্রিয়া আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর শেষ হতে যাচ্ছে এবং নির্ধারিত এই সময়ের পর আর কোনোভাবেই সময় বাড়ানো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করার জরুরি তাগিদ দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সৌদি সরকারের দেওয়া কঠোর দিকনির্দেশনার আলোকে নিবন্ধন সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। এরপরই মূলত সৌদি পর্বের বাড়িভাড়া ও প্রয়োজনীয় অর্থ প্রেরণ, মেডিক্যাল চেকআপ, ফিটনেস সনদ ইস্যু, বাধ্যতামূলক টিকা প্রদান ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মতো সময়সাপেক্ষ কাজগুলো শুরু হবে। উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের জন্য বাংলাদেশের মোট হজযাত্রী কোটা নির্ধারিত রয়েছে ৭৮ হাজার ৫০০ জন। গত ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি মাধ্যমে ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে ২ হাজার ৬৭৬ জনসহ সর্বমোট ৩ হাজার ৭৪১ জন হজযাত্রী নিবন্ধন চূড়ান্ত করেছেন।
/আশিক
২০২৭ সালের হজ প্যাকেজে বড় ছাড়: প্যাকেজ-১ ও ২-এ যত টাকা সাশ্রয় হচ্ছে
হজযাত্রীদের সার্বিক অর্থনৈতিক বোঝা লাঘব করতে খাবারের ব্যয় যুক্ত করার পরও ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের খরচ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমানো হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে অবহিত করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরেন তিনি।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করে আগামী বছরের হজ প্যাকেজকে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য অধিকতর সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করতে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্যাকেজভিত্তিক বিস্তারিত খরচের হিসাব দিয়ে তিনি জানান, ২০২৬ সালে হজ প্যাকেজ-১-এর মূল্য যেখানে ছিল ৬ লাখ ৯০ হাজার ৫৭৭ টাকা, ২০২৭ সালে তা ৭৫ হাজার ৩৫৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২২৩ টাকায়। বিশেষ বিষয় হলো, নতুন এই প্যাকেজের মধ্যেই খাবার বাবদ ৩৯ হাজার ১৩৬ টাকার খরচটি আগে থেকেই অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে। একইভাবে হজ প্যাকেজ-২-এর ব্যয়ও ৫৩ হাজার ২৩৩ টাকা কমানো হয়েছে। পূর্ববর্তী বছরে এ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৮৮১ টাকা থাকলেও আগামী বছরের জন্য তা ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে খাবার বাবদ ২৯ হাজার টাকার ব্যয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্যাকেজের সামগ্রিক ব্যয়ের পাশাপাশি বিমান ভাড়ার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২৬ সালে হজের বিমান ভাড়া ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা, যা ২০২৭ সালের জন্য ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায়। সাধারণত সময়ের পরিক্রমায় নানা সেবামূলক খাতের ব্যয় ঊর্ধ্বমুখী হলেও হাজিদের সার্বিক কল্যাণ বিবেচনায় সরকার বিমান ভাড়া ও প্যাকেজের মূল্য কমিয়ে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
পূর্ববর্তী বছরের হিসাবের স্বচ্ছতা তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের সরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বমোট ৪ হাজার ৩৮১ জন ধর্মপ্রাণ মুসলমান সৌদি আরবে পবিত্র হজব্রত পালন করেছেন। বিভিন্ন খাতে নির্ধারিত বাজেটের তুলনায় ব্যয় সাশ্রয় হওয়ায় চূড়ান্ত হিসাব শেষে সরকারের কাছে ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা উদ্বৃত্ত থাকে। কোনো প্রকার মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই ব্যাংকিং লেনদেন ব্যবস্থার (বিএফটিএন) মাধ্যমে সেই বাড়তি অর্থ সরাসরি প্রত্যেক হাজির নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সরকারের কঠোর জবাবদিহিতা ও আর্থিক স্বচ্ছতার কারণেই এই পদক্ষেপ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে।
চলতি বছরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত সফল ও নির্বিঘ্ন ছিল দাবি করে তিনি বলেন, সরকারপ্রধানের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও নিবিড় তদারকির কারণে কোনো ধরনের সংকট ছাড়াই হাজিরা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পেরেছেন, যা খোদ সৌদি আরবের হজ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রশংসিত হয়েছে। আল্লাহর মেহমানদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদানই প্রশাসনের মূল ব্রত উল্লেখ করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে আগামী দিনগুলোতেও সততা, মানবিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই সেবামূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- সীমান্ত এলাকায় মাদক নিয়ে লেখালেখির জেরে সাংবাদিক খুন
- আসন্ন আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টের আগে বাংলাদেশ শিবির নিয়ে বড় আপডেট
- ২১টি ইউনিটের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এল টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন
- পর্যটকদের জন্য অবশেষে উন্মুক্ত হলো সাজেক ভ্যালি
- বৈশ্বিক এক মঞ্চে আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন রূপরেখা তুলে ধরল ঢাকা
- অস্ট্রেলিয়ান টি-টোয়েন্টি লিগে খেলার সুসংবাদ পেলেন বাংলাদেশি ক্রিকেটার
- দীর্ঘ কর্মঘণ্টা যেভাবে নিঃশব্দে ক্ষতি করছে আপনার হৃদযন্ত্রের
- আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনেই বাংলাদেশে আসছে অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্র ‘স্ট্রিট ফাইটার’
- দেবিদ্বারে জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজে নবীনবরণ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
- দেবিদ্বারে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক: তদন্তের দাবি ও বিএনপির বিক্ষোভ
- ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না যারা: জেনে নিন ৮টি বর্জনীয় শর্ত
- জাহাজে হামলার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বৃদ্ধি
- শেখ হাসিনা ও বেনজীর আহমেদের বিষয়ে যৌথ তদন্ত দলের কার্যক্রম অব্যাহত
- একটি চক্র সরকার ও দেশের ভাবমুর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে: রুহুল কবির রিজভী
- সিকা সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য বয়কট করল বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে প্রধান করে নতুন কমিটি গঠন সরকারের
- সিরিয়ার দারা প্রদেশে বাড়ি ও গুদামে ইসরায়েলি সেনাদের অগ্নিসংযোগ
- সৌদিগামী প্রবাসীদের জন্য বিকল্প যাত্রাপথের ব্যবস্থা করল বিমান কর্তৃপক্ষ
- নেপালি পর্যটকদের সরাসরি কক্সবাজার ভ্রমণে নতুন সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা
- দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: রুহুল কবির রিজভী
- নানিয়ারচর জোন কর্তৃক শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত
- টিকটকের মোহে নতুন জীবনের খোঁজে ঘর ছেড়েছিল চার স্কুলছাত্রী
- সৌদি আরবে হামলায় ইরাকি ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী
- সাভারের হেমায়েতপুরে মাদানী সুপার মার্কেটে ভয়াবহ আগুন
- সৌদি বিমানবন্দরে হামলার জেরে ঢাকা থেকে ১০০ ফ্লাইট বাতিল
- আগামীকাল আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
- ভিডিওর জন্য ঘরে বসেই এআই দিয়ে ভয়েসওভার তৈরির সহজ উপায়
- বিশ্ববাজারে টানা তৃতীয় সেশনে কমল স্বর্ণের দাম
- মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বড় যুদ্ধের আশঙ্কা দেখছে ইরান
- ইরানে নতুন করে হামলা চালানো এখন উপযুক্ত নয়: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
- প্রথম মাসে ফ্রিতে ব্যবহার করুন বাংলালিংকের স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল নেটওয়ার্ক
- সরকারি চাকরি ও ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টকে কেন্দ্র করে সারজিস-ফারুকের তীব্র বাকযুদ্ধ
- জ্বালানি সংকট নিরসনে জিটুজি চুক্তিতে ৯ কার্গো এলএনজি আনছে সরকার
- ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যুক্ত হচ্ছে জনপ্রিয় ট্রেন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’
- অপারেশন ক্লিন হার্ট বা বিশেষ কোনো যৌথ অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- লোকসভার বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধীর আমন্ত্রণে বিশেষ বৈঠকে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা
- ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় শেখ হাসিনাকে দায়ী করলেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান
- বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা ও সহিংসতার বিচার চেয়ে সাদপন্থিদের ৬ দফা দাবি
- জেএফকে বিমানবন্দরে হেনস্তার পর ড. ইউনূসকে নিয়ে বড় আপডেট দিলেন লামিয়া মোর্শেদ
- সানায় আক্রমণের পাল্টা জবাবে সৌদির ৩ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হুথিদের হামলার হুশিয়ারি
- আত্মপ্রকাশের দুই বছরে কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি
- বোলারদের ব্যর্থতা ও ক্যাচ মিসে জয় হাতছাড়া নাজমুল হোসেন শান্তদের
- প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যে ফলগুলো ভিটামিন সি-এর ঘাটতি মেটায়
- ২০২৭ সালে কবে শুরু রোজা? সম্ভাব্য তারিখ জানাল আমিরাত
- জনমতের আশঙ্কায় ইসরায়েলি সহায়তা নিতে নারাজ মোহাম্মদ বিন সালমান
- আর কখনো ক্যাম্পাসে না ফেরার শর্তে চুয়েট ছাড়লেন নতুন উপাচার্য
- রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা: মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপদ আশ্রয়ের ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা
- আবহাওয়ার নতুন বার্তায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস
- দিল্লিতে আটক নারী আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ
- মন ভালো রাখতে দৈনন্দিন জীবনে যে ছোট্ট পরিবর্তনগুলো আনা জরুরি
- মধ্যপ্রাচ্যের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্যে জানা গেল রোজা শুরুর সম্ভাব্য সময়
- ভোটাধিকার রক্ষায় দিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দিল ইন্ডিয়া জোট
- হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী সুপারট্যাংকারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও আগুন
- রাজশাহীর পুঠিয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে
- ‘মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি’: মোদির বিদায় নিয়ে আসিফ নজরুলের পোস্ট
- দিল্লিতে আটক তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে থানায় অনশন-ধরনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
- সাজেক পর্যটন কেন্দ্র অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা প্রশাসনের
- রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান দুর্বল করতে ষড়যন্ত্র চলছে: রুহুল কবির রিজভী
- পর্দার পেছনের অভিনব কায়দা নিয়ে এল নতুন প্ল্যাটফর্ম
- পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি
- ‘যত খুশি পুলিশ মোতায়েন করুন, আমরা পিছু হটব না’: মোদিকে রাহুল গান্ধীর চরম চ্যালেঞ্জ
- নরেন্দ্র মোদি জরুরি অবস্থাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন: অভিজিৎ দীপ
- রোমান সম্রাটের নতিস্বীকারের ইতিহাস টেনে যুক্তরাষ্ট্রকে চরম হুঁশিয়ারি ইরানের
- জুলাইয়ের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বিএনপি বেইমানি করেছে: আল্লামা মামুনুল হক








