বিকেলের নাস্তায় নতুন চমক: ঘরেই তৈরি করুন লাল টুকটুকে টার্কিশ ডিলাইট

বিকেলের নাস্তা কিংবা অতিথি আপ্যায়নে একটু ভিন্নধর্মী ও আভিজাত্যপূর্ণ মিষ্টান্ন যোগ করতে কার না ভালো লাগে। আন্তর্জাতিক স্বাদের মিষ্টান্নগুলোর মধ্যে ‘টার্কিশ ডিলাইট’ বা লোকুম বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। সাধারণত আমরা এটি দোকান থেকে কিনে আনলেও, খুব সাধারণ কিছু ঘরোয়া উপকরণ দিয়ে বাড়িতেই তৈরি করা সম্ভব এই মায়াবী লাল রঙের মিষ্টি। কর্নফ্লাওয়ার এবং চিনির বিশেষ এই মিশ্রণটি যেমন দেখতে চমৎকার, তেমনি এর স্বাদ ও সুগন্ধ দীর্ঘক্ষণ মুখে লেগে থাকে। আজ আমরা আপনাদের জানাব কীভাবে ঘরে থাকা সাধারণ উপাদানে নিখুঁতভাবে তৈরি করবেন এই শাহী ডেজার্ট।
এই বিশেষ মিষ্টান্নটি তৈরি করতে আপনার হাতের কাছে প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণ সংগ্রহ করে নিতে হবে। এর জন্য প্রধান উপাদান হিসেবে লাগবে আধা কাপ কর্নফ্লাওয়ার এবং দুই কাপ সাধারণ চিনি। স্বাদ ও টেক্সচারের ভারসাম্য আনতে ব্যবহার করতে হবে ২ চা-চামচ লেবুর রস এবং আধা চা-চামচ ক্রিম অব টারটার। মিষ্টির রঙটিকে আকর্ষণীয় করতে সামান্য লাল রঙ এবং রাজকীয় সুগন্ধের জন্য ১ টেবিল চামচ কেওড়াজল প্রয়োজন হবে। এছাড়া মিষ্টির গায়ে জড়িয়ে নেওয়ার জন্য ২ কাপ বা পরিমাণমতো গুঁড়া চিনি বা আইসিং সুগার এবং পুরো প্রক্রিয়ায় ব্যবহারের জন্য আধা কাপ পানি (শিরার জন্য) ও ১.৫ কাপ পানি (কর্নফ্লাওয়ারের জন্য) প্রস্তুত রাখতে হবে।
প্রস্তুত প্রণালীর শুরুতেই আপনাকে চিনির সিরা তৈরি করে নিতে হবে। এর জন্য চুলায় একটি পাত্রে ১ কাপ চিনি, আধা কাপ পানি এবং লেবুর রস দিয়ে নাড়তে থাকুন। শিরাটি যখন যথেষ্ট ঘন হয়ে আসবে, তখন এটি চুলা থেকে নামিয়ে একপাশে রেখে দিন। এরপর একটি পৃথক পাত্রে আধা কাপ কর্নফ্লাওয়ারের সঙ্গে দেড় কাপ পানি ও ক্রিম অব টারটার ভালো করে মিশিয়ে চুলায় দিন। মিশ্রণটি গরম হতে থাকলে ক্রমাগত নাড়াচাড়া করতে হবে যাতে কোনো দলা পেকে না যায়। যখন কর্নফ্লাওয়ারের মিশ্রণটি ঘন হয়ে আসবে, তখন আগে থেকে তৈরি করে রাখা চিনির শিরা অল্প অল্প করে ঢালতে হবে এবং নাড়তে থাকতে হবে। সবটুকু শিরা দেওয়ার পর পুরো মিশ্রণটি যখন আরও ঘন ও স্বচ্ছ হয়ে উঠবে, তখন এতে ১ টেবিল চামচ কেওড়া জল ও সামান্য লাল রঙ ভালোভাবে মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ জ্বাল দিন এবং নাড়াচাড়া করুন।
মিষ্টির মিশ্রণটি চূড়ান্তভাবে তৈরি হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। পরিবেশনের জন্য একটি ৬ ইঞ্চি বাই ৪ ইঞ্চি মাপের প্যানে সামান্য তেল লাগিয়ে নিতে হবে যাতে মিষ্টিটি আটকে না যায়। এবার গরম মিশ্রণটি প্যানে সমানভাবে ঢেলে দিন এবং স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা ও সেট হয়ে গেলে প্যান থেকে বের করে পছন্দমতো টুকরা করে কাটুন। পরিশেষে প্রতিটি টুকরা আইসিং সুগারে ভালোভাবে গড়িয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে চমৎকার টার্কিশ ডিলাইট। এই ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি মিষ্টান্নটি কেবল স্বাস্থ্যকরই নয়, বরং শিশুদের কাছেও এটি অত্যন্ত প্রিয় একটি খাবার হিসেবে সমাদৃত হবে।
শীতের দুপুরে খাবারের স্বাদ বাড়াতে ‘আচারি ফুলকপি’; জেনে নিন বিশেষ রেসিপি
শীতের এই মৌসুমে বাঙালির রান্নাঘরে ফুলকপির আধিপত্য চিরচেনা। ভাজি, তরকারি কিংবা ঝোলে ফুলকপি প্রায় প্রতিদিনই পাতে থাকে। তবে প্রতিদিনের একঘেয়েমি কাটাতে এবং পরিবারের স্বাদে নতুনত্ব আনতে ‘আচারি ফুলকপি’ একটি চমৎকার বিকল্প হতে পারে। টক, ঝাল এবং বাহারি মসলার এক অনন্য সংমিশ্রণে তৈরি এই পদটি ভাত বা রুটির সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। বিশেষ করে আমের আচারের ছোঁয়ায় এই রান্নাটি সাধারণ ঘরোয়া আমেজ ছাড়িয়ে এক ধরণের আভিজাত্য নিয়ে আসে যা মেহমানদারিতেও বেশ প্রশংসিত। ঘরোয়া উপাদানে কীভাবে এই সুস্বাদু পদটি তৈরি করবেন, তা নিয়ে আমাদের আজকের এই বিশেষ রন্ধন প্রতিবেদন।
এই সুস্বাদু পদটি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের মধ্যে প্রথমেই প্রয়োজন একটি মাঝারি আকারের ফুলকপি, যা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। এর পাশাপাশি স্বাদ ও বর্ণ বাড়াতে প্রয়োজন দুটি টুকরো করা টমেটো, দুই টেবিল চামচ কিউব করে কাটা পেঁয়াজ এবং এক চা-চামচ রসুন কুচি। মসলার মধ্যে এক চা-চামচ করে ধনেগুঁড়ো ও হলুদগুঁড়ো, আধা চা-চামচ আস্ত পাঁচফোড়ন, দুটি শুকনো মরিচ এবং চার থেকে পাঁচটি কাঁচামরিচ রাখা জরুরি। রান্নার মূল স্বাদ নিয়ে আসতে এক চা-চামচ আমের আচার, সামান্য চিনি, স্বাদমতো লবণ এবং দুই টেবিল চামচ ভোজ্য তেল সংগ্রহে রাখতে হবে।
রান্নার প্রাথমিক ধাপে একটি হাঁড়িতে পরিমাণমতো পানি গরম করে তাতে কেটে রাখা ফুলকপির টুকরোগুলো দিয়ে হালকা আধাসেদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ হয়ে গেলে পানি ঝরিয়ে কপিগুলো আলাদা করে সরিয়ে রাখতে হবে। এরপর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে আস্ত পাঁচফোড়ন ও শুকনো মরিচের ফোড়ন দিয়ে সুগন্ধ ছড়ানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ফোড়ন থেকে সুঘ্রাণ বের হলে পেঁয়াজ ও রসুন কুচি দিয়ে হালকা লালচে করে ভেজে নেওয়ার পর একে একে হলুদগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো এবং পরিমাণমতো লবণ দিয়ে মসলাটি ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। মসলা থেকে তেল ছেড়ে দিলে এতে আগে থেকে সেদ্ধ করে রাখা ফুলকপি এবং টমেটোর টুকরোগুলো যোগ করে দিতে হবে। এরপর সব উপকরণ ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে ঢাকনা দিয়ে অন্তত ১০ মিনিট রান্না করতে হবে। রান্নার শেষ পর্যায়ে যখন সবজিগুলো পুরোপুরি মজে আসবে, তখন এতে আমের আচার এবং সামান্য চিনি মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ নেড়ে নামিয়ে নিলেই প্রস্তুত হয়ে যাবে জিভে জল আনা আচারি ফুলকপি।
রেস্তোরাঁ স্টাইলে মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সহজ নিয়ম
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। রেস্তোরাঁয় গেলে ফ্রায়েড চিকেন, বার্গার কিংবা ফিশ ফ্রাইয়ের সঙ্গে এক থালা গরম গরম ফ্রেঞ্চ ফ্রাই না থাকলে যেন ভোজনবিলাস অপূর্ণই থেকে যায়। তবে প্রতিদিনের একঘেয়েমি কাটাতে এবং স্বাদে নতুনত্ব আনতে সাধারণ আলুর বদলে ‘মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই’ হতে পারে একটি চমৎকার বিকল্প।
বাইরে সোনালি ও মচমচে এবং ভেতরে নরম স্বাদের এই নতুন রূপটি মিষ্টি আলু খাওয়ার আগ্রহ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। অতিথি আপ্যায়ন কিংবা শীতের বিকেলের আড্ডায় ঘরোয়া উপকরণেই খুব সহজে স্ট্রিট-স্টাইল এই খাবারটি বানিয়ে নেওয়া সম্ভব।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
মিষ্টি আলু: ৫-৬ টি (মাঝারি সাইজ)
লবণ: স্বাদমতো
ভিনেগার: ১ চা চামচ
পানি: প্রয়োজনমতো
রান্নার তেল: প্রয়োজনমতো
প্রস্তুত প্রণালি
১. প্রথমে মিষ্টি আলুর খোসা ছাড়িয়ে দুই পাশ সামান্য ছেঁটে নিন। এরপর আলুগুলো লম্বা করে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের আকারে কেটে নিতে হবে। কাটার সময় যে বাড়তি অংশগুলো থেকে যাবে, সেগুলো ফেলে না দিয়ে চাটনি তৈরির জন্য আলাদা করে রাখুন।
২. একটি প্যানে পানি ফুটিয়ে তাতে কাটা আলু, লবণ ও সিরকা (ভিনেগার) দিয়ে প্রায় ৩ মিনিট সেদ্ধ করুন। খেয়াল রাখবেন যেন খুব বেশি সেদ্ধ না হয়, কারণ অতিরিক্ত সেদ্ধ হলে ভাজার সময় আলু ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৩.সেদ্ধ করা আলুগুলো পানি থেকে তুলে একটি ট্রের ওপর পরিষ্কার কাপড় বিছিয়ে ছড়িয়ে দিন। আলতোভাবে মুছে আলুর গায়ের অতিরিক্ত পানি শুকিয়ে নিতে হবে। এই ধাপটি আলু মচমচে করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪.এবার কড়াইয়ে পর্যাপ্ত তেল গরম করুন। তেল ভালোভাবে গরম হয়ে এলে আলুগুলো ধীরে ধীরে ছেড়ে দিন। চুলার আঁচ মাঝারি রেখে ভাজতে থাকুন। মাঝারি আঁচে ভাজলে আলু ভেতরে নরম এবং বাইরে সোনালি ও মচমচে হবে।
৫.আলুতে সুন্দর সোনালি রঙ ধরলে তেল ঝরিয়ে তুলে নিন। এরপর ঝাল-টক-মিষ্টি চাটনি কিংবা আপনার পছন্দের যেকোনো সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন মুখরোচক মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই।
শীতে পিঠার স্বাদে ভিন্নতা আনতে পাতে রাখুন ‘বাঁধাকপির পিঠা’: জেনে নিন রেসিপি
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে শীতকাল মানেই পিঠাপুলির উৎসব। তবে গতানুগতিক মিষ্টি পিঠার ভিড়ে নোনতা স্বাদের পিঠার কদরও এখন কম নয়। শীতের এই মৌসুমে টাটকা সবজি দিয়ে তৈরি পিঠা একদিকে যেমন মুখরোচক, অন্যদিকে স্বাস্থ্যকর। বিশেষ করে সুস্বাদু ও পুষ্টিকর বাঁধাকপি দিয়ে তৈরি পিঠা একবার খেলে এর স্বাদ মুখে লেগে থাকবে দীর্ঘদিন। বাড়িতে থাকা সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে খুব কম সময়েই তৈরি করা যায় এই ‘শীতকালীন স্পেশাল’ পিঠা।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
বাঁধাকপি: ১টি
পেঁয়াজ বাটা: ৩ টেবিল চামচ
রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ
আদাবাটা: ১ টেবিল চামচ
ডিম: ৩টি
চালের গুঁড়া: আড়াই টেবিল চামচ
জিরা গুঁড়া: ১ চা চামচ
হলুদ: আধা চা চামচ
লবণ: স্বাদমতো
সাদা তেল: ৩ টেবিল চামচ (ভাজার জন্য)
প্রস্তুত প্রণালি
১. প্রথমেই একটি আস্ত বাঁধাকপি ভালো করে কুচি করে কেটে নিন। এরপর কুচি করা বাঁধাকপিগুলো পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ভালোভাবে সেদ্ধ করে নিতে হবে।
২. সেদ্ধ করা বাঁধাকপি থেকে অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে নিয়ে তাতে পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা, জিরা গুঁড়া, হলুদ ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
৩. মসলার সঙ্গে বাঁধাকপি মেশানো হয়ে গেলে এতে একে একে তিনটি ডিম দিয়ে আবারও ভালোভাবে মাখাতে হবে। সবশেষে এতে আড়াই টেবিল চামচ চালের গুঁড়া মিশিয়ে একটি সুন্দর মন্ড বা ডো তৈরি করুন।
৪. এবার একটি ফ্রাইপ্যানে ৩ টেবিল চামচ সাদা তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে এলে তৈরি করা মন্ডটি নিজের পছন্দমতো সাইজ দিয়ে তেলের ওপর ছেড়ে দিন। খেয়াল রাখবেন যেন ফ্রাইপ্যানের তেল পিঠার সব জায়গায় সমানভাবে লাগে।
৫. চুলার আঁচ অল্প রেখে পিঠার দুই পাশ লালচে করে ভালোভাবে ভেজে নিন। পিঠা ভাজা হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে আপনার পছন্দমতো সস দিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম বাঁধাকপির পিঠা।
তেলহীন সয়া কাবাব ও টিক্কা তৈরির জাদুকরী রেসিপি জানুন
শিশুরা সাধারণত কম তেল বা মশলার খাবার খেতে পছন্দ করে না। তারা বড়দের জন্য রান্না করা ঝাল মাংস বা বাইরের চিপস ও ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে সয়াবিন হতে পারে আদর্শ একটি উপাদান। সয়াবিন পপকর্ন তৈরির জন্য প্রথমে সয়াবিন লবণ পানিতে সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর তাতে আদা রসুন বাটা ও ধনিয়া জিরার গুঁড়া মিশিয়ে নিন। মুচমুচে ভাব আনতে কর্নফ্লাওয়ার যোগ করে এয়ার ফ্রায়ারে সামান্য তেল ব্রাশ করে সেঁকে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে স্বাস্থ্যকর সয়াবিন পপকর্ন। স্বাদে ভিন্নতা আনতে চাইলে এতে ডিম ফেটিয়ে ময়দা ও কর্নফ্লাওয়ার মেখে ডুবো তেলেও ভেজে নেওয়া যেতে পারে।
সয়াবিন দিয়ে মাংসের মতো স্বাদের গ্রিলড কাবাব তৈরি করাও বেশ সহজ। পানি ঝরানো টক দইয়ের মধ্যে নানা রকম মশলা দিয়ে সয়াবিন ম্যারিনেট করে রাখতে হবে কিছুক্ষণ। এরপর কাঠির মধ্যে ডুমো করে কাটা পেঁয়াজ ও ক্যাপসিকামের সাথে ম্যারিনেট করা সয়াবিন সাজিয়ে নিতে হবে। সামান্য অলিভ অয়েল স্প্রে করে তাওয়ায় বা ওভেনে বেক করে নিলে দারুণ সুস্বাদু এই কাবাবটি শিশুদের নাস্তায় যোগ করবে বাড়তি পুষ্টি। বাড়িতে এয়ার ফ্রায়ার থাকলে কাজটা আরও সহজ ও দ্রুত হয়ে যায় যা শিশুদের জন্য বাইরে কেনা খাবারের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ।
টিক্কা প্রেমী শিশুদের জন্য সয়াবিনের টিক্কা হতে পারে বিকালের সেরা নাস্তা। সয়াবিন সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে মিক্সারে ভালো করে বেটে নিতে হবে। বাটা সয়াবিনের সাথে পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচ এবং লবণ ও হলুদের সাথে ধনিয়া জিরার গুঁড়া মেশাতে হবে। মিশ্রণটিকে ভালোভাবে জমাট বাঁধাতে কিছুটা বেসন যোগ করে টিকিয়ার আকার দিতে হবে। এরপর তাওয়ায় সামান্য তেল দিয়ে এপিঠ ওপিঠ করে সেঁকে নিলেই পরিবেশনের জন্য তৈরি হবে সয়াবিনের টিক্কা। এই প্রতিটি পদই একদিকে যেমন মুখরোচক অন্যদিকে শিশুর শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা পূরণে দারুণ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
সূত্র : আনন্দবাজার ডট কম
শীতের সবজিতে নাস্তায় বৈচিত্র্য: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল ললিপপ
স্বাস্থ্য সচেতন ভোজনরসিকদের জন্য ভেজিটেবল ললিপপ একটি আদর্শ নাস্তা। এটি তৈরি করতে প্রধান উপকরণ হিসেবে সেদ্ধ করা আলুভর্তা এক কাপ এবং পছন্দমতো এক কাপ সবজি ব্যবহার করা হয়। এর সঙ্গে রঙিন ক্যাপসিকাম কুচি, মিহি গাজর কুচি এবং বরবটি কুচি যুক্ত করলে খাবারটি যেমন দৃষ্টিনন্দন হয়, তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর হয়ে ওঠে। স্বাদের ভিন্নতা আনতে এতে পুদিনাপাতা ও ধনেপাতা কুচি ব্যবহার করা হয়, যা একটি সতেজ ঘ্রাণ যোগ করে। ঝাল ও মসলার ভারসাম্যের জন্য কাঁচা মরিচ কুচি, চিলি ফ্লেক্স এবং কারি পাউডার অত্যন্ত কার্যকর। এই রেসিপির বিশেষত্ব হলো এতে ব্যবহৃত আধা কাপ ঢাকাই পনির কুচি, যা ললিপপের ভেতরটা নরম ও স্বাদে অনন্য করে তোলে।
প্রস্তুত প্রণালির শুরুতে ব্রেডক্রাম্ব, ময়দা, ডিম এবং তেল বাদে বাকি সব উপকরণগুলো এক সঙ্গে ভালোভাবে মেখে নিতে হয়। মসৃণভাবে মাখা হয়ে গেলে হাতের তালুর সাহায্যে ছোট ছোট গোল করে ললিপপের আকার দিতে হবে। এরপর একটি পাত্রে একটি ডিমের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ পানি ও ময়দা দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। প্রতিটি ললিপপ প্রথমে এই ডিমের মিশ্রণে ডুবিয়ে নিয়ে তারপর ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে নিতে হবে যাতে ওপরের আবরণটি মচমচে হয়। এরপর ললিপপগুলো কাঠিতে বা স্টিকে গেঁথে নিতে হবে।
রান্নার চূড়ান্ত ধাপে যাওয়ার আগে ললিপপগুলো অন্তত এক ঘণ্টা রেফ্রিজারেটরে রেখে দেওয়া জরুরি। এতে ব্রেডক্রাম্ব ও মশলাগুলো ললিপপের গায়ে সুন্দরভাবে সেট হয়ে যায় এবং ভাজার সময় ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকে না। এরপর গভীর কড়াইতে গরম ডুবো তেলে সোনালি রং ধারণ করা পর্যন্ত সাবধানে ভেজে নিতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে কিচেন টাওয়েল বা টিস্যুর ওপর রেখে বাড়তি তেল ঝরিয়ে নিতে হবে। গরম গরম এই ভেজিটেবল ললি সস বা পছন্দের চাটনি দিয়ে পরিবেশন করলে ছোট-বড় সবাই তা পছন্দ করবে। ২০২৬ সালের এই শীতে বিকেলের আড্ডায় এটি হতে পারে পরিবারের সেরা নাস্তা।
চালের গুঁড়া ছাড়াই ঝটপট পাটিসাপটা তৈরির সহজ গোপন টিপস
ঐতিহ্যবাহী পাটিসাপটা তৈরির ক্ষেত্রে চালের গুঁড়া জোগাড় করা বা তা প্রক্রিয়াজাত করা অনেকের জন্যই বড় ধরণের এক বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যা সমাধানে রন্ধন বিশেষজ্ঞরা ময়দা ও সুজির এক অসাধারণ মিশ্রণের পরামর্শ দিয়েছেন। এই পদ্ধতিতে পিঠা তৈরির জন্য শুরুতে দুই কাপ ময়দার সঙ্গে এক কাপ মিহি দানা সুজি এবং এক চিমটি লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি তৈরি করতে পরিমাণমতো হালকা গরম দুধ ব্যবহার করা জরুরি। অল্প অল্প করে দুধ দিয়ে একটি মসৃণ গোলা বা ব্যাটার তৈরি করতে হবে যাতে কোনো ধরণের দলা পাকিয়ে না থাকে। মিষ্টির স্বাদের জন্য ব্যাটারে সামান্য চিনির গুঁড়া অথবা নলেন গুড় মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। চালের গুঁড়া ব্যবহার করা হয় না বলে এই পর্যায়ে ব্যাটারটিকে অন্তত ৩০ মিনিট ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। এতে সুজি ভিজে ফুলে উঠবে এবং পিঠার গঠন অনেক বেশি নমনীয় হবে।
ব্যাটারটি বিশ্রামে থাকার এই অবসরে পিঠার ভেতরের পুরটি তৈরি করে নেওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে স্বাদের ভিন্নতা অনুযায়ী ক্ষীর, সন্দেশ অথবা নারকেল ও গুড়ের পুর ব্যবহার করা যায়। যদি হাতে সময় একেবারেই কম থাকে তবে বাজার থেকে কেনা নরম পাকের সন্দেশও চমৎকার পুর হিসেবে কাজ করে। এরপর পিঠা ভাজার পালা শুরু হয়। একটি নন-স্টিক প্যানে সামান্য ঘি অথবা তেল ব্রাশ করে গরম করে নিতে হবে। প্যানটি পর্যাপ্ত গরম হলে এক হাতা গোলা দিয়ে চারদিকে পাতলা করে ছড়িয়ে দিতে হবে। রুটির ওপরের অংশটি শুকিয়ে এলে এক পাশে সুনিপুণভাবে পুর রেখে সাবধানে রোল করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে চমৎকার পাটিসাপটা।
বিশেষজ্ঞদের মতে চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি পাটিসাপটা অনেক সময় ঠাণ্ডা হয়ে গেলে শক্ত হয়ে খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কিন্তু ময়দা ও সুজির এই বিশেষ মিশ্রণে তৈরি পিঠা দীর্ঘক্ষণ নরম থাকে এবং ভাজার সময় প্যানে আটকে যাওয়ার ভয় থাকে না। তবে সঠিক ফলাফল পেতে কিছু ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কৌশল মনে রাখা জরুরি। যেমন ব্যাটারটি যদি খুব বেশি ঘন হয়ে যায় তবে ভাজার ঠিক আগে সামান্য দুধ মিশিয়ে তা পাতলা করে নিতে হবে। এছাড়া পিঠা ভাজার সময় আগুনের আঁচ সর্বদা মাঝারি বা লো রাখতে হবে যাতে পিঠাটি পুড়ে না গিয়ে সমানভাবে সিদ্ধ হয়। এই শীতে চালের গুঁড়ার ঝামেলা ছাড়াই বাড়ির ছোট-বড় সবার মুখে হাসি ফোটাতে এই মোলায়েম পাটিসাপটা হতে পারে এক আদর্শ আয়োজন।
সূত্র : টিভি৯ বাংলা
হাড়কাঁপানো শীতে গরম পিঠার স্বাদ: ঘরেই তৈরি করুন মজাদার দুধপুলি
শীতের আগমনে বাংলার ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে পিঠাপুলি তৈরির ধুম। এই ঋতুতে বিচিত্র ধরনের পিঠার ভিড়ে সবথেকে জনপ্রিয় এবং আভিজাত্যময় পিঠাগুলোর একটি হলো দুধপুলি। ব্যস্ততার মাঝেও প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটাতে ঘরেই তৈরি করতে পারেন এই সুস্বাদু পিঠা। রন্ধনশিল্পী কোহিনুর বেগমের দেওয়া বিশেষ রেসিপি অনুযায়ী, ৩০০ গ্রাম চালের গুঁড়া, এক কাপ কুরানো নারকেল, এক কাপ খেজুর গুড়, দুই কেজি তরল দুধ এবং সুগন্ধির জন্য এলাচ ও তেজপাতা ব্যবহার করে আপনিও ঘরে আনতে পারেন গ্রামবাংলার সেই ঐতিহ্যবাহী স্বাদ।
দুধপুলি তৈরির প্রথম ধাপে অর্ধেক কাপ গুড়, তেজপাতা ও এলাচ দিয়ে নারকেল জ্বাল দিয়ে মজাদার পুর তৈরি করে নিতে হবে। এরপর দুই কেজি দুধকে তেজপাতা ও এলাচ দিয়ে ঘন করে এক কেজিতে নামিয়ে আনতে হবে। পিঠা তৈরির প্রধান কারুকার্য লুকিয়ে আছে এর খামির বা ডো তৈরিতে। চালের গুঁড়া সেদ্ধ করে তৈরি করা ডো থেকে ছোট ছোট লুচির আকারের রুটি বানিয়ে ভেতরে নারকেলের পুর দিয়ে যত্ন সহকারে মুড়িয়ে পুলি পিঠার আকার দিতে হবে। সবশেষে ফুটন্ত ঘন দুধে পিঠাগুলো ছেড়ে দিয়ে অপেক্ষা করতে হবে যতক্ষণ না সেগুলো দুধের ওপর ভেসে উঠছে।
পিঠাগুলো যখন দুধে ভেসে উঠবে, তখনই বুঝতে হবে আপনার রান্না প্রায় শেষ। চুলা বন্ধ করে দিয়ে পিঠাগুলো কিছুটা ঠান্ডা করে পরিবেশন করলে এর স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। শীতের সন্ধ্যায় বা সকালে কুয়াশাভেজা প্রকৃতির সাথে এমন রসালো ও সুস্বাদু এক বাটি দুধপুলি কেবল রসনা মেটায় না, বরং মানসিক তৃপ্তিও দেয়। উৎসবের মৌসুমে মেহমানদারিতে এই পিঠা হতে পারে আপনার তুরুপের তাস।
হাড়কাঁপানো শীতে শরীর উষ্ণ রাখবে ৪ ধরনের খিচুড়ি
শীতের রুক্ষ আবহাওয়ায় শরীরকে ভেতর থেকে উষ্ণ রাখতে এবং সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে খিচুড়ির কোনো বিকল্প নেই। পুষ্টিবিদরা বলছেন, চাল, ডাল, ঘি এবং শীতের টাটকা সবজির মিশ্রণে তৈরি এই খাবারটি যেমন সহজপাচ্য, তেমনি এটি শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদানের ভারসাম্য বজায় রাখে। চাল থেকে পাওয়া শর্করা শক্তি জোগায় আর ডাল পূরণ করে প্রোটিনের চাহিদা। বিশেষ করে খিচুড়িতে ব্যবহৃত হলুদ ও আদা সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে।
শীতে তৃপ্তি ও পুষ্টি জোগাবে যে ৪ ধরনের খিচুড়ি
মুগ ডালের খিচুড়ি: চাল ও ভাজা মুগ ডালের এই সুগন্ধি খিচুড়ি অত্যন্ত সহজপাচ্য। হলুদ, জিরে ও সামান্য ঘিয়ে রান্না করা এই খাবারটি দীর্ঘক্ষণ শরীরে শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
সবজি খিচুড়ি: গাজর, মটরশুঁটি, ফুলকপি ও পালং শাকের মতো শীতের সবজি সমৃদ্ধ এই খিচুড়ি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে দারুণ কার্যকর। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণ আঁশ হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে।
তিল খিচুড়ি: পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচণ্ড শীত থেকে বাঁচতে তিল খিচুড়ি খুবই জনপ্রিয়। তিল থেকে পাওয়া স্বাস্থ্যকর চর্বি ও খনিজ উপাদান শরীরকে ভেতর থেকে গরম রাখে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।
আমলকী খিচুড়ি: একঘেয়েমি দূর করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতে আমলকী খিচুড়ি অনন্য। এটি শরীরকে ডিটক্স করতে, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমাতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে বিশেষভাবে সহায়ক।
বিশেষজ্ঞদের মতে, খিচুড়িতে সামান্য ঘি যোগ করলে তা কেবল স্বাদ বাড়ায় না, বরং পুষ্টি শোষণেও সহায়তা করে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবার জন্যই খিচুড়ি একটি আদর্শ ও আরামদায়ক খাবার। উপকরণ ও স্বাদের ভিন্নতায় প্রতিদিনের টেবিলে নতুনত্ব এনে শীতের দিনগুলোকে করা যেতে পারে আরও উপভোগ্য ও স্বাস্থ্যকর।
শীতের সন্ধ্যায় মচমচে পালং পাকোড়া: ঝটপট তৈরির সহজ রেসিপি
শীতের এই হিমেল সন্ধ্যায় গরম চায়ের কাপের পাশে যদি থাকে মচমচে পালং শাকের পাকোড়া, তবে আড্ডাটা জমে ওঠে বেশ। কেবল স্বাদের জন্যই নয়, পুষ্টিগুণের বিচারেও পালং শাককে বলা হয় 'সুপার ফুড'। এই শাকে থাকা প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন ‘ই’, এবং ভিটামিন ‘সি’ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অসামান্য ভূমিকা রাখে। এছাড়া এতে থাকা পটাশিয়াম ও আয়রন রক্তাল্পতা দূর করে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষের ক্ষয়রোধ করে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
সহজপ্রাপ্য উপকরণের মাধ্যমে বাড়িতেই তৈরি করা যায় এই সুস্বাদু পাকোড়া। দুই কাপ কুচানো পালং শাকের সঙ্গে বেসন, চালের গুঁড়া, পেঁয়াজ কুচি এবং আদা-রসুন বাটা মিশিয়ে নিলেই মূল মিশ্রণ তৈরি হয়ে যায়। স্বাদের বৈচিত্র্য আনতে এতে কাঁচা মরিচ, হলুদের গুঁড়া, জিরার গুঁড়া এবং সামান্য মরিচের গুঁড়া যোগ করা হয়। রান্নার বিশেষ টিপস হলো—শাকের নিজস্ব আর্দ্রতা ব্যবহার করে মাখানো, এতে আলাদা করে পানি যোগ করার প্রয়োজন পড়ে না।
প্রস্তুত প্রণালি অনুযায়ী, মাঝারি আঁচে ডুবো তেলে সোনালি বাদামি করে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যায় মচমচে পালং পাকোড়া। চালের গুঁড়া ব্যবহারের ফলে এটি দীর্ঘক্ষণ মুচমুচে থাকে। খেয়াল রাখতে হবে যেন ভাজার সময় ভেতরের অংশটিও ভালোভাবে সিদ্ধ হয়। পুষ্টিবিদদের মতে, শাক সবজি সরাসরি খেতে যারা অনীহা প্রকাশ করেন, বিশেষ করে শিশুদের জন্য এই পাকোড়া হতে পারে এক চমৎকার বিকল্প। শীতের আমেজে পরিবারের সবাইকে নিয়ে পুষ্টিকর ও সুস্বাদু এই খাবারটি উপভোগ করার এখনই সেরা সময়।
পাঠকের মতামত:
- বিকেলের নাস্তায় নতুন চমক: ঘরেই তৈরি করুন লাল টুকটুকে টার্কিশ ডিলাইট
- আমাকে স্বাধীনভাবে বাঁচতে দিন: ক্যামেরা ও গ্ল্যামার থেকে কেন দূরে সরছেন নেহা?
- নির্বাচনে জয়ী হলে বিশ্বস্ততার সাথে কাজ করবে জামায়াত: ডা. শফিক
- ২০ জানুয়ারি ২০২৬: মার্কিন ডলার থেকে রুপি, জানুন আজকের বিনিময় হার
- সুস্থ গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করতে ৫টি মারাত্মক ভুল এড়িয়ে চলুন
- ইসবগুল না কি চিয়া সিড? ফাইবারের ঘাটতি মেটাতে কোনটি বেশি কার্যকর?
- উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন; পুড়ে ছাই তিন শতাধিক ঘর
- লিটন না কি ওকস? এলিমিনেটরের মহাযুদ্ধে শেষ হাসি হাসবে কে?
- কুচক্রী মহল থেকে সাবধান: ফেসবুক পোস্টে জরুরি বার্তা দিলেন আজহারি
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- নামাজের সময়সূচি: ২০ জানুয়ারি ২০২৬
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- চাকুরিজীবীদের জন্য সুখবর: বৈশাখী ভাতায় বড় চমক দিচ্ছে পে কমিশন
- আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- ইতিহাসের সর্বোচ্চ শিখরে স্বর্ণের দাম: মঙ্গলবার থেকেই কার্যকর হচ্ছে নতুন মূল্য
- আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে
- নিরপেক্ষ সরকার কি ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইতে পারে? গণভোট ঘিরে আইনি জটিলতা
- পাহাড় খেকোদের প্রতিরোধে প্রাণ দিলেন র্যাব কর্মকর্তা
- ভোটে বাধা দিলে আপনি শেখ হাসিনা হয়ে যাবেন: আসিফ নজরুল
- এই প্রথম! উদ্ভিদের শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়া চর্মচক্ষে দেখল মানুষ
- এলপিজি সংকটে নাজেহাল সাধারণ মানুষ; রান্নায় গ্যাস বাঁচানোর উপায়
- গুড়ে মিশছে চিনি ও ক্ষতিকর রং; ভেজাল এড়িয়ে চলবেন যেভাবে
- নদী ভাঙন ও মানুষের দুর্ভোগ; তিস্তা প্রকল্পে নতুন আশার আলো দেখছে চীন
- পে স্কেল নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন অর্থ উপদেষ্টা
- নতুন বাংলাদেশ গড়তে ‘হ্যাঁ’ ভোট কেন জরুরি? জানালেন প্রধান উপদেষ্টা
- ড. ইউনূসের সঙ্গে নাহিদ-আসিফের সাক্ষাৎ; নির্বাচন নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা
- নানিয়ারচরের শীতার্তদের পাশে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন
- নলতায় পীরে কামেল আহ্ছানউল্লা (র.)- এর ৬২তম ওরছ শরীফ ২৬–২৮ মার্চ
- আগামীর রাজনীতি হবে মানুষের কল্যাণে: তারেক রহমান
- আচরণবিধি লঙ্ঘন নয়, ওটা ছিল প্রতিবাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি: রুমিন ফারহানা
- এক ব্যক্তির শাসন রুখতে ‘হ্যাঁ’ ভোট কেন জরুরি? জানালেন আলী রীয়াজ
- অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের পথ বন্ধ; চালু হচ্ছে ই-টিকিট
- সেনাবাহিনী থেকে কোস্ট গার্ড: শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কড়া বার্তা
- প্রধান বোর্ডে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা, লেনদেনে নতুন গতি
- ১৯ জানুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- ১৯ জানুয়ারি বাজারে দরপতনের ১০ শেয়ার
- শেয়ারবাজারে চাঙ্গাভাব: শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- আমিরাতের আকাশে শাবান মাসের চাঁদ, রমজান শুরু হতে আর কত দিন
- বাংলাদেশের পাশে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে চাপ বাড়ছে আইসিসির ওপর
- তিস্তা মহাপরিকল্পনা চলমান, তিন লক্ষ্য একসঙ্গে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা
- শহীদ জিয়ার ৯০তম জন্মদিনে সমাধিতে বিএনপির শ্রদ্ধা
- ২০২৬ হজে হজযাত্রী সেবায় নতুন নির্দেশনা
- নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতায় আস্থা রাখছে বিএনপি: ফখরুল
- মব সৃষ্টি ও ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকি: রুমিন ফারহানাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
- রাজনৈতিক ডামাডোল ও অর্থনৈতিক ভীতি: বিশ্ববাজারে রেকর্ড গড়ল সোনা ও রুপা
- সাভার পাচ্ছে সিটি করপোরেশন, কেরানীগঞ্জ হচ্ছে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভা
- সাভারে একের পর এক লাশ, সিরিয়াল কিলারের দাবি পুলিশের
- ১৯ জানুয়ারি ২০২৬: মার্কিন ডলার থেকে রুপি, জানুন আজকের বিনিময় হার
- ডেইলি এনএভিতে ধরা পড়ল মিউচুয়াল ফান্ড সংকেত
- খাঁটি না কি বিষ? সরিষার তেলের বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের ৫টি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি
- ঢাকায় ব্যারিস্টার নাজির আহমদ এর দুটি গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠিত
- বাহরাইনের মানামায় বিএনপির নতুন পথচলা: ঘটা করে ঘোষণা হলো নতুন কমিটি
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
- আজ থেকে টানা ৩ দিন বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ডিএসই পরিদর্শন/ডোমিনেজ চালু, অন্য চার কোম্পানির কারখানা বন্ধ
- বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ডিএসইর আইনি সতর্কতা
- সরকারি বন্ড বাজারে স্থগিতাদেশ ও ডিলিস্টিং একসঙ্গে
- ওষুধের বাজারে উত্তাপ: কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী বিপণনে লাগাম টানছে সরকার
- শহীদদের ভুলে যাওয়ার সুযোগ রাষ্ট্রের নেই: গুম–খুনের শিকার পরিবারদের পাশে দাঁড়িয়ে তারেক রহমানের অঙ্গীকার
- বিনিয়োগকারী অভিযোগে ডিজিটাল সমাধান জোরদার ডিএসইর
- ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের এনএভি প্রকাশ, কোথায় সুযোগ
- রেকর্ড ডেট শেষে সরকারি বন্ড ও দুই কোম্পানীর লেনদেন শুরু
- জেফার বললেন ‘জানি না’, অথচ আমিনবাজারে চলছে বিয়ের রাজকীয় প্রস্তুতি!
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে আইবিপির প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে বিদ্রোহী দমনে বড় জয়








