বিকেলের নাস্তায় নতুন চমক: ঘরেই তৈরি করুন লাল টুকটুকে টার্কিশ ডিলাইট

বিকেলের নাস্তা কিংবা অতিথি আপ্যায়নে একটু ভিন্নধর্মী ও আভিজাত্যপূর্ণ মিষ্টান্ন যোগ করতে কার না ভালো লাগে। আন্তর্জাতিক স্বাদের মিষ্টান্নগুলোর মধ্যে ‘টার্কিশ ডিলাইট’ বা লোকুম বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। সাধারণত আমরা এটি দোকান থেকে কিনে আনলেও, খুব সাধারণ কিছু ঘরোয়া উপকরণ দিয়ে বাড়িতেই তৈরি করা সম্ভব এই মায়াবী লাল রঙের মিষ্টি। কর্নফ্লাওয়ার এবং চিনির বিশেষ এই মিশ্রণটি যেমন দেখতে চমৎকার, তেমনি এর স্বাদ ও সুগন্ধ দীর্ঘক্ষণ মুখে লেগে থাকে। আজ আমরা আপনাদের জানাব কীভাবে ঘরে থাকা সাধারণ উপাদানে নিখুঁতভাবে তৈরি করবেন এই শাহী ডেজার্ট।
এই বিশেষ মিষ্টান্নটি তৈরি করতে আপনার হাতের কাছে প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণ সংগ্রহ করে নিতে হবে। এর জন্য প্রধান উপাদান হিসেবে লাগবে আধা কাপ কর্নফ্লাওয়ার এবং দুই কাপ সাধারণ চিনি। স্বাদ ও টেক্সচারের ভারসাম্য আনতে ব্যবহার করতে হবে ২ চা-চামচ লেবুর রস এবং আধা চা-চামচ ক্রিম অব টারটার। মিষ্টির রঙটিকে আকর্ষণীয় করতে সামান্য লাল রঙ এবং রাজকীয় সুগন্ধের জন্য ১ টেবিল চামচ কেওড়াজল প্রয়োজন হবে। এছাড়া মিষ্টির গায়ে জড়িয়ে নেওয়ার জন্য ২ কাপ বা পরিমাণমতো গুঁড়া চিনি বা আইসিং সুগার এবং পুরো প্রক্রিয়ায় ব্যবহারের জন্য আধা কাপ পানি (শিরার জন্য) ও ১.৫ কাপ পানি (কর্নফ্লাওয়ারের জন্য) প্রস্তুত রাখতে হবে।
প্রস্তুত প্রণালীর শুরুতেই আপনাকে চিনির সিরা তৈরি করে নিতে হবে। এর জন্য চুলায় একটি পাত্রে ১ কাপ চিনি, আধা কাপ পানি এবং লেবুর রস দিয়ে নাড়তে থাকুন। শিরাটি যখন যথেষ্ট ঘন হয়ে আসবে, তখন এটি চুলা থেকে নামিয়ে একপাশে রেখে দিন। এরপর একটি পৃথক পাত্রে আধা কাপ কর্নফ্লাওয়ারের সঙ্গে দেড় কাপ পানি ও ক্রিম অব টারটার ভালো করে মিশিয়ে চুলায় দিন। মিশ্রণটি গরম হতে থাকলে ক্রমাগত নাড়াচাড়া করতে হবে যাতে কোনো দলা পেকে না যায়। যখন কর্নফ্লাওয়ারের মিশ্রণটি ঘন হয়ে আসবে, তখন আগে থেকে তৈরি করে রাখা চিনির শিরা অল্প অল্প করে ঢালতে হবে এবং নাড়তে থাকতে হবে। সবটুকু শিরা দেওয়ার পর পুরো মিশ্রণটি যখন আরও ঘন ও স্বচ্ছ হয়ে উঠবে, তখন এতে ১ টেবিল চামচ কেওড়া জল ও সামান্য লাল রঙ ভালোভাবে মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ জ্বাল দিন এবং নাড়াচাড়া করুন।
মিষ্টির মিশ্রণটি চূড়ান্তভাবে তৈরি হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। পরিবেশনের জন্য একটি ৬ ইঞ্চি বাই ৪ ইঞ্চি মাপের প্যানে সামান্য তেল লাগিয়ে নিতে হবে যাতে মিষ্টিটি আটকে না যায়। এবার গরম মিশ্রণটি প্যানে সমানভাবে ঢেলে দিন এবং স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা ও সেট হয়ে গেলে প্যান থেকে বের করে পছন্দমতো টুকরা করে কাটুন। পরিশেষে প্রতিটি টুকরা আইসিং সুগারে ভালোভাবে গড়িয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে চমৎকার টার্কিশ ডিলাইট। এই ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি মিষ্টান্নটি কেবল স্বাস্থ্যকরই নয়, বরং শিশুদের কাছেও এটি অত্যন্ত প্রিয় একটি খাবার হিসেবে সমাদৃত হবে।
স্বাস্থ্যকর ইফতারের নিশ্চয়তা: ঘরেই তৈরি করুন দোকানের মতো মুচমুচে জিলাপি
রমজান মাসে ইফতারে অনেকের জিলাপি ছাড়া চলে না। কিন্তু বাইরের জিলাপি নিয়ে এখন সাধারণ মানুষের মনে নানা দুশ্চিন্তা। মুচমুচে করতে অনেক ক্ষেত্রে জিলাপিতে হাইড্রোজেনের মতো ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের জন্য বড় হুমকি। স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে আপনি খুব সহজেই ঘরে তৈরি করতে পারেন দোকানের মতো মচমচে জিলাপি।
চলুন, জেনে নিই কিভাবে বানাবেন।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
গোলা তৈরির জন্য: ১ কাপ ময়দা, ২ টেবিল চামচ চালের গুঁড়া (মুচমুচে করতে), ১ টেবিল চামচ বেসন, ১ টেবিল চামচ চিনি, ১ টেবিল চামচ ইস্ট, দেড় টেবিল চামচ টক দই, সামান্য ফুড কালার ও তেল।
সিরার জন্য: ১ কাপ চিনি, ১ কাপের কম পানি, ১ চা চামচ লেবুর রস ও কয়েকটি এলাচ।
প্রস্তুত প্রণালি:
ধাপ ১: পারফেক্ট ব্যাটার বা গোলা তৈরিএকটি বড় বাটিতে ময়দা, চালের গুঁড়া, বেসন, চিনি, ইস্ট ও ফুড কালার মিশিয়ে নিন।
এরপর এতে টক দই ও ২ টেবিল চামচ তেল দিন। এবার ধীরে ধীরে কুসুম গরম পানি মিশিয়ে একটি মাঝারি ঘনত্বের গোলা তৈরি করুন। গোলাটি ১৫-২০ মিনিট কোনো গরম জায়গায় ঢেকে রাখুন।
ধাপ ২: চিনির সিরা প্রস্তুতপ্যানে চিনি, পানি ও এলাচ দিয়ে জ্বাল দিন।
/আশিক
ইফতারে তুরস্কের জনপ্রিয় স্বাদ: খুব সহজেই বানান দই গাজরের ট্যারেটর
রমজানের ইফতারে টেবিলের একঘেয়েমি কাটাতে এবং ভাজাপোড়া খাবারের পাশাপাশি সতেজতা আনতে পাতে রাখতে পারেন ‘দই গাজরের ট্যারেটর’। তুরস্কের অত্যন্ত জনপ্রিয় এই খাবারটি একদিকে যেমন সুস্বাদু, অন্যদিকে স্বাস্থ্যকর একটি সাইড ডিশ হিসেবেও স্বীকৃত। এটি শুধু রসনাতৃপ্তিই মেটায় না, বরং সারাদিন রোজা রাখার পর পাকস্থলীকে আরাম দেয় এবং হজম প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করে তোলে। রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা ইফতারের জন্য এই বিশেষ রেসিপিটি শেয়ার করেছেন।
এই তুর্কি ডেজার্ট বা সাইড ডিশটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ৩টি কুচি করা গাজর, ১ কাপ ছাঁকা দই (হাং কার্ড), ১ কোয়া মিহি কুচি করা রসুন, ২ টেবিল চামচ জলপাই তেল বা অলিভ অয়েল, ২ টেবিল চামচ চিনি এবং স্বাদমতো লবণ। যারা খাবারে একটু বাড়তি কামড় বা ‘ক্রাঞ্চ’ পছন্দ করেন, তারা চাইলে সাজানোর জন্য ১ টেবিল চামচ আখরোট চূর্ণ ব্যবহার করতে পারেন।
প্রস্তুত প্রণালি অত্যন্ত সহজ ও ঝটপট। প্রথমে একটি প্যানে জলপাই তেল গরম করে তাতে গাজর কুচিগুলো দিয়ে হালকা আঁচে ভাজতে হবে। গাজরগুলো যখন নরম হয়ে আসবে, তখন নামিয়ে পুরোপুরি ঠান্ডা করে নিতে হবে। এরপর একটি পাত্রে ছাঁকা দই নিয়ে তার সঙ্গে রসুন কুচি, চিনি এবং লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। দইয়ের এই মিশ্রণের সঙ্গে আগে থেকে ভেজে রাখা গাজরগুলো যোগ করে খুব ভালো করে মেখে নিতে হবে।
সবশেষে পরিবেশনের আগে উপরে চূর্ণ করা আখরোট ছিটিয়ে সাজিয়ে দিতে পারেন। গাজরের প্রাকৃতিক মিষ্টতা আর দইয়ের হালকা টক স্বাদের এই সংমিশ্রণটি ইফতারের টেবিলে নতুনত্ব যোগ করবে। বিশেষ করে ভারী বা তৈলাক্ত খাবারের পর এটি খেলে শরীরে সতেজ ভাব ফিরে আসে।
/আশিক
স্বাদ ও পুষ্টির মেলবন্ধন: ঘরেই তৈরি করুন দারুণ মজার খেজুরের হালুয়া
সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের হারানো শক্তি ফিরে পেতে এবং ক্লান্তি দূর করতে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। ইফতারের তালিকায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফল হিসেবে ধরা হয় খেজুরকে। আকারে ছোট হলেও এই ফলটি পুষ্টিগুণে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। খেজুরে থাকা প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম এবং ডায়েটরি ফাইবার শরীরকে খুব দ্রুত চনমনে করে তোলে এবং তাৎক্ষণিক শক্তির জোগান দেয়। সাধারণ ইফতারিতে ভিন্নতা আনতে এবং পুষ্টির চাহিদা মেটাতে আপনি চাইলে খুব সহজেই তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খেজুরের হালুয়া।
বাড়িতে এই হালুয়া তৈরির জন্য আপনার প্রয়োজন হবে এক কাপ খেজুর, আধা কাপ দুধ, এক চতুর্থাংশ কাপ ঘি, পরিমাণমতো কুচি করে কাটা ড্রাই ফ্রুটস এবং সামান্য এলাচ গুঁড়ো। অল্প কিছু উপাদানে তৈরি এই খাবারটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি শুধু বড়দের নয়, শিশুদের শরীরের বিকাশেও দারুণ ভূমিকা পালন করে।
প্রস্তুত প্রণালি অনুযায়ী, প্রথমে একটি প্যানে খেজুর ও দুধ মিশিয়ে মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ জ্বাল দিতে হবে। খেজুরগুলো পুরোপুরি নরম না হওয়া পর্যন্ত এভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে। যখন খেজুরগুলো নরম হয়ে আসবে, তখন চুলা থেকে নামিয়ে ব্লেন্ডারে ভালো করে পিষে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। দুধে ভেজানো এই খেজুরের পেস্টই হালুয়ার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
এরপর অন্য একটি পাত্রে ঘি গরম করে তাতে আগে থেকে তৈরি করে রাখা খেজুরের পেস্টটি দিয়ে দিতে হবে। মাঝারি আঁচে মিশ্রণটি ভাজতে থাকতে হবে যতক্ষণ না এর রঙ সোনালী আভা ধারণ করে। এরপর এতে কুচি করা ড্রাই ফ্রুটস এবং এলাচ গুঁড়ো দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। পুরো মিশ্রণটি মৃদু আঁচে অন্তত ৫ থেকে ৭ মিনিট রান্না করতে হবে। যখন হালুয়াটি বেশ ঘন হয়ে আসবে, তখন নামিয়ে নিতে হবে। ইফতারের টেবিলে পরিবেশন করার আগে উপরে আরও কিছু ড্রাই ফ্রুটস ছিটিয়ে সাজিয়ে নিতে পারেন। মজাদার এই হালুয়াটি আপনি চাইলে গরম বা ঠান্ডা—উভয়ভাবেই উপভোগ করতে পারেন।
/আশিক
ইফতারে আনুন নতুন স্বাদ: বানিয়ে ফেলুন মচমচে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পেঁয়াজু
রোজায় ইফতারের টেবিলে পেঁয়াজু যেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, তবে প্রতিদিন একই স্বাদের পেঁয়াজু খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়েমি চলে আসে। তাই চেনা স্বাদের ভেতরেই ভিন্নতা আনতে মচমচে আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আর ঝাল-মসলাদার পেঁয়াজুর দারুণ মেলবন্ধনে তৈরি করা যায় একেবারে নতুন স্বাদের ‘ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পেঁয়াজু’। বাইরে ক্রিসপি আর ভেতরে নরম এই অভিনব পদটি ইফতারের প্লেটে স্বাদের চমক এনে দিতে পারে। এটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ১ কাপ ডাল (মসুর, খেসারি বা বুট), আধা চা-চামচ আদাবাটা, আধা চা-চামচ হলুদ গুঁড়ো, আধা চা-চামচ মরিচ গুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ কাঁচামরিচ কুচি এবং স্বাদমতো লবণ। এছাড়া বাড়তি স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য ১ টেবিল চামচ রোস্টেড তিল এবং ২-৩টি বড় সাইজের আলু ব্যবহার করতে হবে।
প্রস্তুত প্রণালির শুরুতে ডাল ভালোভাবে ধুয়ে অন্তত ২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। ডাল ফুলে উঠলে পানি ঝরিয়ে বেটে নিন অথবা ব্লেন্ড করে নিতে পারেন, তবে খেয়াল রাখতে হবে ডাল বাটা যেন একদম মিহি না হয়। এরপর ডাল বাটার সঙ্গে আদাবাটা, হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, কাঁচামরিচ কুচি, লবণ এবং রোস্টেড তিল দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিতে হবে। অন্যদিকে আলুর খোসা ছাড়িয়ে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো চিকন লম্বা করে কেটে নিতে হবে। কাটা আলুগুলো সামান্য লবণ দিয়ে হালকা ভাপিয়ে বা অল্প সেদ্ধ করে নিলে ভেতরে কাঁচা থাকার ভয় থাকে না।
সবশেষে সেদ্ধ করে রাখা প্রতিটি আলুর টুকরো ডালের মিশ্রণ দিয়ে সুন্দরভাবে মুড়িয়ে নিতে হবে। চুলায় একটি প্যানে পর্যাপ্ত তেল গরম করে ডাল মাখানো আলুর টুকরোগুলো ডুবো তেলে ছেড়ে দিন। মাঝারি আঁচে উল্টেপাল্টে সোনালি ও মচমচে করে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে দারুণ সুস্বাদু ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পেঁয়াজু। গরম গরম এই পেঁয়াজু ইফতারের টেবিলে টমেটো সস বা পুদিনার চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করলে ছোট-বড় সবার কাছেই এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হবে।
/আশিক
ইফতারে স্বাদ বাড়াতে ঘরেই বানান ক্রিস্পি কাবাব স্টিকস
সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের টেবিলে একটু মুখরোচক খাবার থাকলে ছোট-বড় সবারই মন ভালো হয়ে যায়। ইফতারে স্বাদের ভিন্নতা আনতে এবং পরিবারের সদস্যদের চমকে দিতে আপনি ঘরেই খুব সহজে তৈরি করতে পারেন ক্রিস্পি কাবাব স্টিকস। মজাদার এই আইটেমটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ১ কেজি মুরগির মাংসের কিমা, ৫০০ গ্রাম ডাল বাটা, ১ কাপ পেঁয়াজ কুচি, ১ টেবিল চামচ লাল মরিচের গুঁড়ো, ১ টেবিল চামচ ধনিয়া গুঁড়ো এবং ১ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো। এছাড়া স্বাদমতো লবণ, ১ টেবিল চামচ আদা-রসুনের বাটা, ৫ থেকে ৬ কাপ পানি, ১ কাপ ধনিয়া পাতা কুচি এবং কাবাব তৈরির জন্য ৮টি কাঠি সংগ্রহ করে রাখতে হবে। কাবাবগুলো ক্রিস্পি করার জন্য আলাদাভাবে প্রয়োজন হবে ২ টি ফেটানো ডিম, পরিমাণমতো ব্রেডক্রাম্ব এবং ভাজার জন্য সয়াবিন তেল।
মজাদার এই ক্রিস্পি কাবাব স্টিকস তৈরির জন্য প্রথমে একটি বড় পাত্রে মুরগির মাংসের কিমা, ডাল বাটা, পেঁয়াজ কুচি, লাল মরিচের গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো, হলুদের গুঁড়ো, লবণ এবং আদা-রসুনের বাটা দিয়ে খুব ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। মাখানো হয়ে গেলে একটি কড়াইতে সামান্য তেল দিয়ে মিশ্রণটি কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন এবং পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। ২০ থেকে ২৫ মিনিট বা মাংস ও ডালের মিশ্রণ থেকে পানি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর মিশ্রণটি চুলা থেকে নামিয়ে কিছুটা ঠান্ডা করে একটি চপারে দিয়ে মিহি করে নিন এবং এর সাথে ধনিয়া পাতা কুচি ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এখন কাবাবের এই কিমা হাতের তালুতে নিয়ে পছন্দমতো আকারে গড়ে প্রতিটি কাবাব কাঠির দুইপাশে শক্ত করে লাগিয়ে নিতে হবে।
রান্নার শেষ ধাপে তৈরি করে রাখা স্টিকগুলো একে একে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে নিন এবং ওপর থেকে ব্রেডক্রাম্ব দিয়ে ভালোভাবে কোট করে নিন যাতে চারপাশ সমানভাবে ক্রিস্পি হয়। একটি প্যানে ডুবো তেল গরম করে কাবাব স্টিকগুলো মাঝারি আঁচে লালচে এবং মুচমুচে করে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে কিচেন টিস্যুর ওপর তুলে রাখুন যাতে বাড়তি তেল শুষে নেয়। ব্যস, এভাবেই তৈরি হয়ে গেল গরম গরম ক্রিস্পি কাবাব স্টিকস, যা ইফতারের টেবিলে টমেটো সস বা পুদিনার চাটনির সাথে পরিবেশন করলে আপনার ইফতার হবে দারুণ তৃপ্তিদায়ক।
/আশিক
রুই মাছের ফিশ ফিঙ্গার: ইফতারের আড্ডায় আনবে নতুন চমক
ইফতারের চিরাচরিত ছোলা, পেঁয়াজু আর বেগুনির তালিকায় ভিন্নতা আনতে ঘরোয়া আয়োজনেই তৈরি করা যায় রাজকীয় স্বাদের ফিশ ফিঙ্গার ও গ্রিন চিকেন কাবাব। সাধারণ ইফতারকে বিশেষ করে তুলতে এই দুটি পদের সহজ রেসিপি দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মোস্তারিনা পারভীন রুনি।
ফিশ ফিঙ্গার তৈরির নিয়ম
সুস্বাদু ফিশ ফিঙ্গার তৈরির জন্য প্রয়োজন ২৫০ গ্রাম রুই মাছ, ১টি বড় সেদ্ধ আলু, ১ টেবিল চামচ মটরশুঁটি এবং ১ টেবিল চামচ করে পেঁয়াজ বেরেস্তা, কাঁচামরিচ কুচি, লেবুর রস ও ধনেপাতা কুচি। মসলার জন্য লাগবে ১ চা চামচ করে আদা-রসুন বাটা, জিরা ও গরম মসলা গুঁড়া। এছাড়া বাইন্ডিংয়ের জন্য ডিম, কর্নফ্লাওয়ার ও ব্রেডক্রাম্ব প্রয়োজন।
প্রথমে মাছ সামান্য পানি, আদা-রসুন বাটা ও হলুদ দিয়ে সেদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিন। সেদ্ধ করা মটরশুঁটি ও আলু ভালো করে চটকে মাছের সাথে মিশিয়ে নিন। এরপর ডিম ও ব্রেডক্রাম্ব বাদে বাকি সব উপকরণ দিয়ে মিশ্রণটি মেখে লম্বাটে ফিঙ্গার শেপ তৈরি করুন। শেষে প্রতিটি ফিঙ্গার ডিমের গোলায় ডুবিয়ে ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে ডুবো তেলে সোনালি করে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে মচমচে ফিশ ফিঙ্গার।
গ্রিন চিকেন কাবাব তৈরির নিয়ম
গ্রিন চিকেন কাবাবের জন্য লাগবে ৫০০ গ্রাম হাড়ছাড়া মুরগির মাংস (বুকের অংশ), আধা কাপ ধনেপাতা বাটা, ২ টেবিল চামচ পুদিনা পাতা বাটা ও আদা-রসুন বাটা। ম্যারিনেশনের জন্য আধা কাপ টক দই, ২ টেবিল চামচ সরিষার তেল এবং ১ চা চামচ করে কাবাব মসলা, জিরা, হলুদ ও গোলমরিচ গুঁড়া প্রয়োজন। সাথে স্বাদমতো লবণ ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস নিতে হবে।
প্রথমে মুরগির মাংস কিউব করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। লেবুর রস ও সাদা তেল বাদে সব উপকরণ দিয়ে মাংস ভালো করে মেখে ১ থেকে ২ ঘণ্টা নরমাল ফ্রিজে ম্যারিনেট করে রাখুন। রান্নার আগে ফ্রিজ থেকে বের করে লেবুর রস মিশিয়ে মাংসের টুকরোগুলো সাসলিকের কাঠিতে গেঁথে নিন। এরপর ননস্টিক প্যানে অল্প আঁচে এপিঠ-ওপিঠ বাদামি করে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে সুগন্ধি গ্রিন চিকেন কাবাব।
/আশিক
ইফতারে ভিন্ন স্বাদ: জেনে নিন টমেটো দিয়ে আলুর চপের রেসিপি
ইফতারের দস্তরখানে আলুর চপ ছাড়া যেন আড্ডাটা ঠিক জমে ওঠে না। তবে প্রতিদিনের একঘেয়ে আলুর চপে ভিন্নতা আনতে রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা দিয়েছেন এক চমৎকার ও মুখরোচক রেসিপি। সাধারণ উপাদানে তৈরি হলেও টমেটোর ব্যবহারে এই চপটি হবে অন্য যেকোনো চপের চেয়ে আলাদা ও সুস্বাদু।
এই বিশেষ আলুর চপ তৈরির জন্য আপনার প্রয়োজন হবে ২৫০ গ্রাম সেদ্ধ আলু, ২ টেবিল চামচ মিহি পেঁয়াজ কুচি, ১ টেবিল চামচ ভাজা মরিচ গুঁড়া, ২ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি, স্বাদমতো লবণ এবং ১ টেবিল চামচ পাঁচফোড়ন। এছাড়া প্রধান আকর্ষণ হিসেবে লাগবে ৩টি বড় টমেটো এবং ভাজার জন্য সয়াবিন তেল। চপটি মুচমুচে করতে ব্যাটার তৈরিতে লাগবে আধা কাপ করে বেসন ও কর্নফ্লাওয়ার, ১ চা চামচ করে আদা-রসুন বাটা, হলুদ, মরিচ, ধনে ও জিরা গুঁড়া এবং ১ চা চামচ গরম মসলা। বাড়তি স্বাদের জন্য ১টি ডিম, ২ চা চামচ বেকিং পাউডার, সামান্য হিং ও কালোজিরা এবং স্বাদমতো লবণ-চিনি ও ১ কাপের একটু বেশি পানি প্রয়োজন হবে।
প্রস্তুত প্রণালি অত্যন্ত সহজ। প্রথমে ব্যাটার তৈরির জন্য নির্ধারিত সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ১ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। এরপর সেদ্ধ আলু ও মসলাগুলো মেখে ভর্তা তৈরি করে ছোট ছোট চপের আকৃতি দিন। টমেটো গোল ও পাতলা স্লাইস করে কেটে নিয়ে প্রতিটি আলুর চপের দুই পাশে টমেটোর টুকরো বসিয়ে একটি টুথপিক দিয়ে গেঁথে দিন। সবশেষে ডুবো তেলে সোনালি করে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে জিভে জল আনা টমেটো-আলুর চপ। এবারের ইফতারে ভিন্নধর্মী এই রেসিপিটি আপনার প্রিয়জনদের চমকে দিতে পারে।
/আশিক
ইফতারে প্রশান্তি পেতে ঝটপট তৈরি করুন স্বাস্থ্যকর ফ্রুট কাস্টার্ড
এবারের রমজানে সারা দিনের আবহাওয়া বেশ শুষ্ক থাকছে, যার ফলে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। শরীরকে চাঙা রাখতে এবং পানিশূন্যতা থেকে বাঁচাতে ইফতারে পানিজাতীয় খাবার, ফলমূল বা ঠান্ডা শরবত রাখা অত্যন্ত জরুরি। এক্ষেত্রে 'ফ্রুট কাস্টার্ড' হতে পারে একটি সেরা পছন্দ। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি হরেক রকমের ফলের উপস্থিতিতে এটি পুষ্টিগুণেও অনন্য। খুব সহজেই ঘরে বসে এটি তৈরি করা সম্ভব।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
১ লিটার দুধ, ১ কাপ চিনি, ২ টেবিল চামচ কাস্টার্ড পাউডার, সামান্য এলাচ গুঁড়ো ও জাফরান। ফলের মধ্যে পছন্দমতো আঙুর, কলা, আপেল ও ডালিম কুচি করে কেটে নিতে পারেন।
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে এক কাপ দুধ আলাদা রেখে বাকি দুধ জ্বাল দিতে দিন। দুধ ফুটে উঠলে তাতে চিনি, এলাচ গুঁড়ো ও জাফরান দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। আলাদা করে রাখা এক কাপ দুধে কাস্টার্ড পাউডার মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন এবং ফুটন্ত দুধে ধীরে ধীরে ঢেলে দিন। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে পুরোপুরি ঠান্ডা করে নিন। দুধ ঠান্ডা হয়ে গেলে এতে সব ফল মিশিয়ে অন্তত এক ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। ইফতারের সময় বের করে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন মজাদার ফ্রুট কাস্টার্ড।
/আশিক
ইফতারের আড্ডায় ভিন্ন মাত্রা: জিভে জল আনা ডিমের চপের সহজ রেসিপি
পবিত্র রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের টেবিলে ভাজাপোড়া বা মুখরোচক খাবারের কদর সব সময়ই বেশি। ইফতারে একঘেয়েমি দূর করতে এবং পরিবারের ছোট-বড় সবার পছন্দ মাথায় রেখে আপনি সহজেই তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু ‘ডিমের চপ’। বাইরের অস্বাস্থ্যকর তেলে ভাজা চপ না খেয়ে ঘরে থাকা সামান্য কিছু উপকরণ দিয়ে ঝটপট এই খাবারটি তৈরি করা সম্ভব। আলুর পুষ্টি আর ডিমের প্রোটিন মিলে এটি যেমন স্বাদে অতুলনীয়, তেমনি শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি যোগাতেও দারুণ কার্যকর। ইফতারের প্লেটে এক টুকরো ডিমের চপ আপনার রোজা ভাঙার আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
ডিমের চপ তৈরির জন্য খুব বেশি ঝামেলার প্রয়োজন নেই। প্রধান উপকরণ হিসেবে আপনার লাগবে ৪টি সেদ্ধ ডিম এবং ৩টি বড় সেদ্ধ আলু। ডিমগুলোকে মাঝামাঝি কেটে অর্ধেক করে নিতে হবে এবং আলুকে ভালোভাবে চটকিয়ে মেখে নিতে হবে। স্বাদে ভিন্নতা আনতে আদা, রসুন ও পেঁয়াজ বাটার পাশাপাশি ধনে, জিরা, মরিচ ও গরম মসলার গুঁড়ো ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে চপের উপরের অংশকে মুচমুচে করতে বেসন ও কর্ন ফ্লাওয়ারের একটি মসৃণ ব্যাটার তৈরি করে নেওয়া জরুরি। ঘরোয়া এসব মসলার সংমিশ্রণে তৈরি এই চপটি খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এর ঘ্রাণও হবে চমৎকার।
প্রস্তুত প্রণালিও অত্যন্ত সহজ। প্রথমে প্যানে তেল গরম করে সব বাটা ও গুঁড়ো মসলা দিয়ে ৫-৬ মিনিট কষিয়ে নিয়ে তাতে চটকানো আলু মিশিয়ে পুর তৈরি করতে হয়। এরপর আলুর সেই পুরের মাঝখানে অর্ধেক করা ডিম দিয়ে গোল বা চ্যাপ্টা করে চপ বানিয়ে নিতে হবে। সবশেষে চপগুলো বেসনের ব্যাটারে ডুবিয়ে ডুবো তেলে সোনালি করে ভাজলেই তৈরি হয়ে যাবে দারুণ লোভনীয় ডিমের চপ। গরম-গরম মুড়ি মাখানো বা সসের সাথে পরিবেশন করলে ইফতারের তৃপ্তি হবে ষোলোআনা। আজকের ইফতারে এই সহজ রেসিপিটি ট্রাই করে তাক লাগিয়ে দিতে পারেন সবাইকে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- কালিগঞ্জে লাইফ কেয়ার নলতা ডিজিটাল ল্যাব এন্ড কনসালটেশনের উদ্যোগে দোয়া-ইফতার মাহফিল
- সপ্তাহান্তে বৃষ্টির সম্ভাবনা: ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
- নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
- পার্লার ছাড়াই নিখুঁত রূপচর্চা: ঘরেই আসছে ‘এআই স্কিন অ্যানালাইজার’
- ইনফ্লুয়েন্সারদের ডায়েট ট্রেন্ড ও ভাইরাল ফুড চ্যালেঞ্জ: স্থূলতা সংকটে নতুন ঝুঁকি
- সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল গঠনে অবহেলার পথে সরকার: নাহিদ ইসলাম
- জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ; জারি হলো ১২ দফার নতুন গাইডলাইন
- অটোচালকের ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু
- ইউরোপের রণপ্রস্তুতি ও শ্রীলঙ্কা সীমান্তে উত্তেজনা: ৬ষ্ঠ দিনে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের নতুন মোড়
- জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান: এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন যারা
- ৫ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৫ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ দরপতনের তালিকা প্রকাশ
- ৫ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘চোখ অন্ধ’ করে দিয়েছে ইরান
- টাকা ফেরতের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও: উত্তাল মতিঝিল
- মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ভয়াবহ বিস্তার: বিস্ফোরণে কাঁপল কাতার
- গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে পবিত্র রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন
- দীর্ঘ ৩ মাস পর কারামুক্তির পথে সাংবাদিক আনিস আলমগীর
- মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- ঈদযাত্রায় বিশেষ স্বস্তি: ছুটির ক্যালেন্ডারে নতুন পরিবর্তন আনল সরকার
- কৃষি খাতে ডিজিটাল বিপ্লব: দেশের ৯টি উপজেলায় চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’
- রোজা রেখে পেস্ট ছাড়া ব্রাশ ও কুলির সঠিক নিয়ম
- হঠাৎ বুক ধড়ফড় ও শ্বাসকষ্ট? প্যানিক অ্যাটাক চেনার ও নিয়ন্ত্রণের সহজ উপায়
- স্বাস্থ্যকর ইফতারের নিশ্চয়তা: ঘরেই তৈরি করুন দোকানের মতো মুচমুচে জিলাপি
- সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ইরানে কুর্দিদের অনুপ্রবেশ: তেহরান পতনের লক্ষ্যে শুরু হলো মহাযুদ্ধ
- স্বাস্থ্য খাতে প্রযুক্তির বিপ্লব: এক কার্ডেই মিলবে নাগরিকের সব চিকিৎসাতথ্য
- কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি: মিত্র চাকমা
- দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়; অর্থবছর জুড়ে বড় অর্জনের পথে বাংলাদেশ
- যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফিরলেন ১৮৯ বাংলাদেশি
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- কৃষি ঋন ও বীমা এখন আরও সহজ: কৃষক কার্ড নিয়ে সরকারের মাস্টারপ্ল্যান
- টানা ছয় দফা বৃদ্ধির পর স্বর্ণের দামে বড় স্বস্তি, নতুন দর কার্যকর আজ
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী? এক নজরে দেখে নিন কর্মসূচির তালিকা
- কুয়েত উপকূলে বিস্ফোরণে চুরমার তেলবাহী জাহাজ
- ইরানের মিসাইল কি ফুরিয়ে আসছে? পশ্চিমা গোয়েন্দাদের বিস্ফোরক দাবি
- আজকের নামাজের সময়সূচি: ৫ মার্চ ২০২৬
- ব্যাংক ব্যালেন্স ফাঁস! দুর্নীতির জবাবে সপরিবারে ওপেন চ্যালেঞ্জ আসিফ মাহমুদের
- মার্কিন গর্বের পতন: মধ্যপ্রাচ্যে ৭টি যুদ্ধঘাঁটি এখন ইরানি গোলার কবলে
- শেষ মুহূর্তে স্থগিত হলো খামেনির রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠান
- জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে হাইকোর্টের রুল: রাজনীতির মাঠে নয়া উত্তাপ
- বেসরকারি শিক্ষকদের বড় ধামাকা: পকেটে আসছে বাড়তি টাকা
- ইবিতে লোমহর্ষক কাণ্ড: শিক্ষক খুন, ঘাতকের আত্মহত্যার চেষ্টা
- লঙ্কান সাগরে রহস্যময় সাবমেরিন হামলা: ইরানি জাহাজডুবিতে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা
- সেহরিতে সুস্থ থাকতে যে ৩ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি
- ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সিলেট নগরীতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
- যেখানে-সেখানে ফেলা হচ্ছে ময়লা: চরভদ্রাসন উপজেলা সদরের বাজারে দুর্ভোগ চরমে
- ইফতারে তুরস্কের জনপ্রিয় স্বাদ: খুব সহজেই বানান দই গাজরের ট্যারেটর
- ভারত মহাসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে আইআরজিসি-র সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে নতুন চিফ হুইপ ও হুইপদের শ্রদ্ধা
- স্বাস্থ্য সেবায় বিপ্লব আনতে ই-হেলথ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
- ইরান যুদ্ধ, পরিচয়ের রাজনীতি এবং বৈশ্বিক সংকটের নতুন সমীকরণ
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
- টানা ছয় দফা বৃদ্ধির পর স্বর্ণের দামে বড় স্বস্তি, নতুন দর কার্যকর আজ
- স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা; এক বছরে দাম বাড়ল ৬৪ শতাংশ
- ক্ষমতার লড়াইয়ে ইরান: খামেনির আসনে বসতে আইআরজিসি’র চাপ
- আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম! জানুন নতুন মূল্যতালিকা
- মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে স্বর্ণের বাজারে আগুন: এক লাফে বাড়ল ৩ হাজার টাকা
- শহীদ হলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি
- কালিগঞ্জে ঘেরের বাসায় আগুন, দখলচেষ্টা ও মাছ লুটের অভিযোগ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
- ২ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ইরানে সরাসরি হামলা চালাল ইসরায়েল: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের ভয়াবহ দামামা
- কেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানকে আক্রমণ করছে?
- নতুন বেতন কাঠামো ও পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা জানা গেল
- আজ নামাজের সময়সূচি জানুন
- রামাদান মাসে কোরানের হাফেজ দের নিয়ে মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের সেহেরি আয়োজন








