ইফতারে চাই নতুন কিছু? ঝটপট বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে চিকেন চিজ বল

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১২:৫৬:০৭
ইফতারে চাই নতুন কিছু? ঝটপট বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে চিকেন চিজ বল
ছবি : সংগৃহীত

ইফতারের দস্তরখানে প্রতিদিনের চেনা খাবারের ভিড়ে একটু ভিন্নতা আনতে অনেকেই নতুন কিছু খোঁজেন। স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে এবার আপনি ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন মুচমুচে ও সুস্বাদু 'চিকেন চিজ বল'। খুব সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে ঝটপট তৈরি করা যায় এই পদটি, যা ছোট-বড় সবারই পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নেবে। বিশেষ করে রমজানের এই সময়ে ইফতারে ভিন্ন আমেজ দিতে চিকেনের এই আইটেমটি দারুণ একটি সংযোজন হতে পারে।

এই সুস্বাদু খাবারটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ২ কাপ মুরগির কিমা, ১ কাপ কুঁচি করা পনির, ২ টেবিল চামচ মিহি করে কাটা ধনেপাতা, আধা চা চামচ শুকনো ওরিগানো, আধা চা চামচ লাল মরিচের গুঁড়ো এবং স্বাদমতো লবণ। কোটিং বা বলগুলো মুচমুচে করার জন্য লাগবে ১ কাপ ব্রেডক্রাম্বস, ৪ টেবিল চামচ ময়দা এবং ভাজার জন্য পরিমাণমতো সয়াবিন তেল। সব উপকরণ হাতের কাছে থাকলে খুব সহজেই আপনি রান্না শুরু করতে পারেন।

প্রস্তুত প্রণালি অত্যন্ত সহজ। প্রথমে একটি বড় পাত্রে মুরগির কিমার সঙ্গে পনির, ধনেপাতা, ওরিগানো, মরিচ গুঁড়ো এবং লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মসৃণ হয়ে এলে ছোট ছোট বলের আকার দিন। এরপর দুটি আলাদা পাত্রে ২ টেবিল চামচ করে ময়দা নিন। একটি পাত্রের ময়দায় সামান্য জল মিশিয়ে পাতলা পেস্ট তৈরি করুন এবং অন্যটিতে শুকনো ময়দা রাখুন। এখন প্রতিটি চিকেন বল প্রথমে শুকনো ময়দায় গড়িয়ে নিয়ে পাতলা পেস্টের মিশ্রণে ডুবিয়ে নিন এবং সবশেষে ব্রেডক্রাম্বসে ভালো করে মাখিয়ে নিন।

সবগুলো বল তৈরি হয়ে গেলে চুলায় একটি কড়াইয়ে পর্যাপ্ত তেল গরম করুন। তেল গরম হলে সাবধানে চিকেন বলগুলো ছেড়ে দিন এবং সোনালি রঙ ধারণ না করা পর্যন্ত ডুবো তেলে মাঝারি আঁচে ভাজতে থাকুন। ভাজা হয়ে গেলে কিচেন টিস্যুর ওপর তুলে অতিরিক্ত তেল ছেঁকে নিন। গরম গরম সস বা চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার চিকেন চিজ বল। স্বাস্থ্যকর উপায়ে বাড়িতে তৈরি এই খাবারটি আপনার ইফতারের টেবিলকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।

/আশিক


ইফতারে চাই মচমচে বুন্দিয়া? জেনে নিন ঘরে তৈরির সবথেকে সহজ রেসিপি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১২:৩৮:৫১
ইফতারে চাই মচমচে বুন্দিয়া? জেনে নিন ঘরে তৈরির সবথেকে সহজ রেসিপি
ছবি : সংগৃহীত

ইফতারে মিষ্টি খাবারের তালিকায় জিলাপির পাশাপাশি বুন্দিয়া অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাম। স্বাদে ভিন্নতা আনতে এবং বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলতে খুব অল্প সময়ে আপনি ঘরেই তৈরি করে ফেলতে পারেন মচমচে ও রসালো বুন্দিয়া। এটি তৈরি করা যেমন সহজ, খেতেও তেমনি সুস্বাদু। নিচে বুন্দিয়া তৈরির পূর্ণাঙ্গ রেসিপি ও প্রস্তুত প্রণালি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।

সুস্বাদু এই বুন্দিয়া তৈরির জন্য আপনার প্রয়োজন হবে ১ কাপ বেসন, এক চিমটি বেকিং সোডা, সামান্য পরিমাণ পানি (আধা কাপের মতো), এবং ভাজার জন্য পর্যাপ্ত সয়াবিন তেল। বুন্দিয়াকে আকর্ষণীয় করতে আপনি চাইলে এক চিমটি হলুদ এবং এক চিমটি কমলা খাবার রঙ ব্যবহার করতে পারেন, তবে এটি সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। শিরার জন্য আপনার লাগবে পৌনে এক কাপ (এক কাপের চার-তৃতীয়াংশ) চিনি এবং পরিমাণমতো পানি ও সুগন্ধির জন্য এলাচ গুঁড়ো।

প্রস্তুত প্রণালির শুরুতে একটি চালুনির সাহায্যে বেসন ভালো করে চেলে নিতে হবে যাতে কোনো দলা না থাকে। এরপর একটি মিক্সিং বাটিতে বেসন, বেকিং সোডা এবং পানি মিশিয়ে একটি ব্যাটার তৈরি করুন। খেয়াল রাখতে হবে ব্যাটারটি যেন একটু ঘন বা পুরু হয়। এবার আলাদা দুটি ছোট পাত্রে সামান্য ব্যাটার নিয়ে একটিতে কমলা রঙ এবং অন্যটিতে হলুদ রঙ মিশিয়ে নিন। আপনি চাইলে রঙ ছাড়াও সাধারণ বুন্দিয়া তৈরি করতে পারেন। এরপর চুলায় প্যান বসিয়ে তেল গরম হতে দিন। তেল ঠিকঠাক গরম হয়েছে কি না তা বোঝার জন্য এক ফোঁটা ব্যাটার তেলের ওপর ছেড়ে দিন; যদি সেটি দ্রুত উপরে ভেসে ওঠে তবে বুঝবেন তেল প্রস্তুত।

এখন একটি ছিদ্রযুক্ত চামচ বা বাটি তেলের ওপর প্রায় ছয় থেকে সাত ইঞ্চি উঁচুতে ধরে তাতে ব্যাটার ঢেলে দিন। চামচটি ঝাঁকানোর প্রয়োজন নেই, ব্যাটার নিজে থেকেই ফোঁটায় ফোঁটায় তেলের ওপর পড়তে থাকবে। যদি ব্যাটার তেলের ওপর চ্যাপ্টা হয়ে যায় বা একটির সঙ্গে অন্যটি লেগে যায়, তবে বুঝতে হবে তেল পর্যাপ্ত গরম হয়নি। মাঝারি আঁচে এক মিনিট সময় নিয়ে বুন্দিয়াগুলো হালকা মচমচে বা ক্রিস্পি হওয়া পর্যন্ত ভেজে তুলে নিন। মনে রাখবেন, প্রতিবার নতুন করে ব্যাটার ঢালার আগে চামচ বা বাটিটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে যাতে ছিদ্রগুলো বন্ধ না থাকে।

সবগুলো বুন্দিয়া ভাজা হয়ে গেলে অন্য একটি পাত্রে চিনি, পানি এবং এলাচ গুঁড়ো দিয়ে জ্বাল দিয়ে সিরা তৈরি করে নিন। সিরা ফুটে উঠলে তাতে আগে থেকে ভেজে রাখা রঙিন বুন্দিয়াগুলো ছেড়ে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে ১ থেকে ২ ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন যাতে বুন্দিয়াগুলো সিরা শোষণ করে রসালো হয়ে ওঠে। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল আপনার পছন্দের ইফতারি আইটেম মজাদার বুন্দিয়া।

/আশিক


ইফতারে পুষ্টিকর ও মুখরোচক ভেজিটেবল কাটলেট: সহজ রেসিপি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১৬:৩৬:০৮
ইফতারে পুষ্টিকর ও মুখরোচক ভেজিটেবল কাটলেট: সহজ রেসিপি
ছবি : সংগৃহীত

দেখতে দেখতে রমজানের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গিয়েছে। ইফতারের টেবিলে ভাজাপোড়া খাবারের তালিকায় একটু ভিন্নতা ও পুষ্টি যোগ করতে চাইলে ঝটপট তৈরি করে নিতে পারেন সুস্বাদু 'ভেজিটেবল কাটলেট'। সবজি ও মশলার দারুণ সমন্বয়ে তৈরি এই খাবারটি যেমন মুখরোচক, তেমনি তৈরি করাও বেশ সহজ।

প্রয়োজনীয় উপকরণ

এই কাটলেট তৈরিতে আপনার লাগবে আধা কেজি সিদ্ধ আলু, ১ কাপ সিদ্ধ মটরশুঁটি এবং ১/৪ কাপ গাজর কুঁচি। ঝাল ও স্বাদের জন্য ৩-৪টি কাঁচা মরিচ কুঁচি, স্বাদমতো লবণ, ১ চামচ গোল মরিচের গুঁড়া, আধা চা চামচ শুকনো মরিচের গুঁড়া, ১ চা চামচ ধনিয়ার গুঁড়া, আধা চা চামচ গরম মসলার গুঁড়া এবং ১ চা চামচ জিরার গুঁড়া নিতে হবে। এছাড়া ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল এবং মণ্ড তৈরির জন্য আধা কাপ ব্রেড ক্রাম্ব প্রয়োজন। কাটলেটগুলো মুচমুচে করার জন্য কোটিং হিসেবে আরও ২ কাপ ব্রেড ক্রাম্ব এবং ৪টি ফেটানো ডিম আলাদা করে রাখতে হবে।

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে একটি বড় পাত্রে সিদ্ধ করা আলুগুলো ভালো করে চটকিয়ে নিন। এবার তার সঙ্গে সিদ্ধ মটরশুঁটি, গাজর কুঁচি, কাঁচা মরিচ এবং সব ধরনের গুঁড়া মশলা ও লবণ দিয়ে খুব ভালোভাবে মাখিয়ে একটি মণ্ড তৈরি করুন। মিশ্রণটি তৈরি হয়ে গেলে হাত দিয়ে পছন্দমতো গোল অথবা বর্গাকার শেপ দিয়ে কাটলেটের আকার দিন। এরপর প্রতিটি কাটলেট প্রথমে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে নিন এবং পরে ব্রেড ক্রাম্বে ভালোভাবে গড়িয়ে নিন যাতে চারপাশ সমানভাবে কোটিং হয়। সবশেষে কড়াইয়ে তেল গরম করে কাটলেটগুলো মাঝারি আঁচে ডুবো তেলে ভাজুন। সোনালি বাদামি রঙ ধারণ করলে নামিয়ে নিন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল গরম গরম মুচমুচে ভেজিটেবল কাটলেট। ইফতারে সস বা পুদিনার চাটনির সঙ্গে এটি পরিবেশন করলে পরিবারের সবাই তৃপ্তি সহকারে উপভোগ করবে।

/আশিক


স্বাস্থ্যকর ইফতারের নিশ্চয়তা: ঘরেই তৈরি করুন দোকানের মতো মুচমুচে জিলাপি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ১১:৫৯:৩০
স্বাস্থ্যকর ইফতারের নিশ্চয়তা: ঘরেই তৈরি করুন দোকানের মতো মুচমুচে জিলাপি
ছবি : সংগৃহীত

রমজান মাসে ইফতারে অনেকের জিলাপি ছাড়া চলে না। কিন্তু বাইরের জিলাপি নিয়ে এখন সাধারণ মানুষের মনে নানা দুশ্চিন্তা। মুচমুচে করতে অনেক ক্ষেত্রে জিলাপিতে হাইড্রোজেনের মতো ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের জন্য বড় হুমকি। স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে আপনি খুব সহজেই ঘরে তৈরি করতে পারেন দোকানের মতো মচমচে জিলাপি।

চলুন, জেনে নিই কিভাবে বানাবেন।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

গোলা তৈরির জন্য: ১ কাপ ময়দা, ২ টেবিল চামচ চালের গুঁড়া (মুচমুচে করতে), ১ টেবিল চামচ বেসন, ১ টেবিল চামচ চিনি, ১ টেবিল চামচ ইস্ট, দেড় টেবিল চামচ টক দই, সামান্য ফুড কালার ও তেল।

সিরার জন্য: ১ কাপ চিনি, ১ কাপের কম পানি, ১ চা চামচ লেবুর রস ও কয়েকটি এলাচ।

প্রস্তুত প্রণালি:

ধাপ ১: পারফেক্ট ব্যাটার বা গোলা তৈরিএকটি বড় বাটিতে ময়দা, চালের গুঁড়া, বেসন, চিনি, ইস্ট ও ফুড কালার মিশিয়ে নিন।

এরপর এতে টক দই ও ২ টেবিল চামচ তেল দিন। এবার ধীরে ধীরে কুসুম গরম পানি মিশিয়ে একটি মাঝারি ঘনত্বের গোলা তৈরি করুন। গোলাটি ১৫-২০ মিনিট কোনো গরম জায়গায় ঢেকে রাখুন।

ধাপ ২: চিনির সিরা প্রস্তুতপ্যানে চিনি, পানি ও এলাচ দিয়ে জ্বাল দিন।

/আশিক


ইফতারে তুরস্কের জনপ্রিয় স্বাদ: খুব সহজেই বানান দই গাজরের ট্যারেটর

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৪ ১৭:২০:৫৭
ইফতারে তুরস্কের জনপ্রিয় স্বাদ: খুব সহজেই বানান দই গাজরের ট্যারেটর
ছবি : সংগৃহীত

রমজানের ইফতারে টেবিলের একঘেয়েমি কাটাতে এবং ভাজাপোড়া খাবারের পাশাপাশি সতেজতা আনতে পাতে রাখতে পারেন ‘দই গাজরের ট্যারেটর’। তুরস্কের অত্যন্ত জনপ্রিয় এই খাবারটি একদিকে যেমন সুস্বাদু, অন্যদিকে স্বাস্থ্যকর একটি সাইড ডিশ হিসেবেও স্বীকৃত। এটি শুধু রসনাতৃপ্তিই মেটায় না, বরং সারাদিন রোজা রাখার পর পাকস্থলীকে আরাম দেয় এবং হজম প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করে তোলে। রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা ইফতারের জন্য এই বিশেষ রেসিপিটি শেয়ার করেছেন।

এই তুর্কি ডেজার্ট বা সাইড ডিশটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ৩টি কুচি করা গাজর, ১ কাপ ছাঁকা দই (হাং কার্ড), ১ কোয়া মিহি কুচি করা রসুন, ২ টেবিল চামচ জলপাই তেল বা অলিভ অয়েল, ২ টেবিল চামচ চিনি এবং স্বাদমতো লবণ। যারা খাবারে একটু বাড়তি কামড় বা ‘ক্রাঞ্চ’ পছন্দ করেন, তারা চাইলে সাজানোর জন্য ১ টেবিল চামচ আখরোট চূর্ণ ব্যবহার করতে পারেন।

প্রস্তুত প্রণালি অত্যন্ত সহজ ও ঝটপট। প্রথমে একটি প্যানে জলপাই তেল গরম করে তাতে গাজর কুচিগুলো দিয়ে হালকা আঁচে ভাজতে হবে। গাজরগুলো যখন নরম হয়ে আসবে, তখন নামিয়ে পুরোপুরি ঠান্ডা করে নিতে হবে। এরপর একটি পাত্রে ছাঁকা দই নিয়ে তার সঙ্গে রসুন কুচি, চিনি এবং লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। দইয়ের এই মিশ্রণের সঙ্গে আগে থেকে ভেজে রাখা গাজরগুলো যোগ করে খুব ভালো করে মেখে নিতে হবে।

সবশেষে পরিবেশনের আগে উপরে চূর্ণ করা আখরোট ছিটিয়ে সাজিয়ে দিতে পারেন। গাজরের প্রাকৃতিক মিষ্টতা আর দইয়ের হালকা টক স্বাদের এই সংমিশ্রণটি ইফতারের টেবিলে নতুনত্ব যোগ করবে। বিশেষ করে ভারী বা তৈলাক্ত খাবারের পর এটি খেলে শরীরে সতেজ ভাব ফিরে আসে।

/আশিক


স্বাদ ও পুষ্টির মেলবন্ধন: ঘরেই তৈরি করুন দারুণ মজার খেজুরের হালুয়া

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৪ ১২:৪০:৪৭
স্বাদ ও পুষ্টির মেলবন্ধন: ঘরেই তৈরি করুন দারুণ মজার খেজুরের হালুয়া
খেজুরের হালুয়া/ছবি : সংগৃহীত

সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের হারানো শক্তি ফিরে পেতে এবং ক্লান্তি দূর করতে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। ইফতারের তালিকায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফল হিসেবে ধরা হয় খেজুরকে। আকারে ছোট হলেও এই ফলটি পুষ্টিগুণে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। খেজুরে থাকা প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম এবং ডায়েটরি ফাইবার শরীরকে খুব দ্রুত চনমনে করে তোলে এবং তাৎক্ষণিক শক্তির জোগান দেয়। সাধারণ ইফতারিতে ভিন্নতা আনতে এবং পুষ্টির চাহিদা মেটাতে আপনি চাইলে খুব সহজেই তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খেজুরের হালুয়া।

বাড়িতে এই হালুয়া তৈরির জন্য আপনার প্রয়োজন হবে এক কাপ খেজুর, আধা কাপ দুধ, এক চতুর্থাংশ কাপ ঘি, পরিমাণমতো কুচি করে কাটা ড্রাই ফ্রুটস এবং সামান্য এলাচ গুঁড়ো। অল্প কিছু উপাদানে তৈরি এই খাবারটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি শুধু বড়দের নয়, শিশুদের শরীরের বিকাশেও দারুণ ভূমিকা পালন করে।

প্রস্তুত প্রণালি অনুযায়ী, প্রথমে একটি প্যানে খেজুর ও দুধ মিশিয়ে মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ জ্বাল দিতে হবে। খেজুরগুলো পুরোপুরি নরম না হওয়া পর্যন্ত এভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে। যখন খেজুরগুলো নরম হয়ে আসবে, তখন চুলা থেকে নামিয়ে ব্লেন্ডারে ভালো করে পিষে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। দুধে ভেজানো এই খেজুরের পেস্টই হালুয়ার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

এরপর অন্য একটি পাত্রে ঘি গরম করে তাতে আগে থেকে তৈরি করে রাখা খেজুরের পেস্টটি দিয়ে দিতে হবে। মাঝারি আঁচে মিশ্রণটি ভাজতে থাকতে হবে যতক্ষণ না এর রঙ সোনালী আভা ধারণ করে। এরপর এতে কুচি করা ড্রাই ফ্রুটস এবং এলাচ গুঁড়ো দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। পুরো মিশ্রণটি মৃদু আঁচে অন্তত ৫ থেকে ৭ মিনিট রান্না করতে হবে। যখন হালুয়াটি বেশ ঘন হয়ে আসবে, তখন নামিয়ে নিতে হবে। ইফতারের টেবিলে পরিবেশন করার আগে উপরে আরও কিছু ড্রাই ফ্রুটস ছিটিয়ে সাজিয়ে নিতে পারেন। মজাদার এই হালুয়াটি আপনি চাইলে গরম বা ঠান্ডা—উভয়ভাবেই উপভোগ করতে পারেন।

/আশিক


ইফতারে আনুন নতুন স্বাদ: বানিয়ে ফেলুন মচমচে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পেঁয়াজু

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৩ ১২:২৯:৫৬
ইফতারে আনুন নতুন স্বাদ: বানিয়ে ফেলুন মচমচে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পেঁয়াজু
ছবি : সংগৃহীত

রোজায় ইফতারের টেবিলে পেঁয়াজু যেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, তবে প্রতিদিন একই স্বাদের পেঁয়াজু খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়েমি চলে আসে। তাই চেনা স্বাদের ভেতরেই ভিন্নতা আনতে মচমচে আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আর ঝাল-মসলাদার পেঁয়াজুর দারুণ মেলবন্ধনে তৈরি করা যায় একেবারে নতুন স্বাদের ‘ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পেঁয়াজু’। বাইরে ক্রিসপি আর ভেতরে নরম এই অভিনব পদটি ইফতারের প্লেটে স্বাদের চমক এনে দিতে পারে। এটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ১ কাপ ডাল (মসুর, খেসারি বা বুট), আধা চা-চামচ আদাবাটা, আধা চা-চামচ হলুদ গুঁড়ো, আধা চা-চামচ মরিচ গুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ কাঁচামরিচ কুচি এবং স্বাদমতো লবণ। এছাড়া বাড়তি স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য ১ টেবিল চামচ রোস্টেড তিল এবং ২-৩টি বড় সাইজের আলু ব্যবহার করতে হবে।

প্রস্তুত প্রণালির শুরুতে ডাল ভালোভাবে ধুয়ে অন্তত ২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। ডাল ফুলে উঠলে পানি ঝরিয়ে বেটে নিন অথবা ব্লেন্ড করে নিতে পারেন, তবে খেয়াল রাখতে হবে ডাল বাটা যেন একদম মিহি না হয়। এরপর ডাল বাটার সঙ্গে আদাবাটা, হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, কাঁচামরিচ কুচি, লবণ এবং রোস্টেড তিল দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিতে হবে। অন্যদিকে আলুর খোসা ছাড়িয়ে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো চিকন লম্বা করে কেটে নিতে হবে। কাটা আলুগুলো সামান্য লবণ দিয়ে হালকা ভাপিয়ে বা অল্প সেদ্ধ করে নিলে ভেতরে কাঁচা থাকার ভয় থাকে না।

সবশেষে সেদ্ধ করে রাখা প্রতিটি আলুর টুকরো ডালের মিশ্রণ দিয়ে সুন্দরভাবে মুড়িয়ে নিতে হবে। চুলায় একটি প্যানে পর্যাপ্ত তেল গরম করে ডাল মাখানো আলুর টুকরোগুলো ডুবো তেলে ছেড়ে দিন। মাঝারি আঁচে উল্টেপাল্টে সোনালি ও মচমচে করে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে দারুণ সুস্বাদু ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পেঁয়াজু। গরম গরম এই পেঁয়াজু ইফতারের টেবিলে টমেটো সস বা পুদিনার চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করলে ছোট-বড় সবার কাছেই এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হবে।

/আশিক


ইফতারে স্বাদ বাড়াতে ঘরেই বানান ক্রিস্পি কাবাব স্টিকস

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৩ ১২:২৪:১৬
ইফতারে স্বাদ বাড়াতে ঘরেই বানান ক্রিস্পি কাবাব স্টিকস
ছবি : সংগৃহীত

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের টেবিলে একটু মুখরোচক খাবার থাকলে ছোট-বড় সবারই মন ভালো হয়ে যায়। ইফতারে স্বাদের ভিন্নতা আনতে এবং পরিবারের সদস্যদের চমকে দিতে আপনি ঘরেই খুব সহজে তৈরি করতে পারেন ক্রিস্পি কাবাব স্টিকস। মজাদার এই আইটেমটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ১ কেজি মুরগির মাংসের কিমা, ৫০০ গ্রাম ডাল বাটা, ১ কাপ পেঁয়াজ কুচি, ১ টেবিল চামচ লাল মরিচের গুঁড়ো, ১ টেবিল চামচ ধনিয়া গুঁড়ো এবং ১ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো। এছাড়া স্বাদমতো লবণ, ১ টেবিল চামচ আদা-রসুনের বাটা, ৫ থেকে ৬ কাপ পানি, ১ কাপ ধনিয়া পাতা কুচি এবং কাবাব তৈরির জন্য ৮টি কাঠি সংগ্রহ করে রাখতে হবে। কাবাবগুলো ক্রিস্পি করার জন্য আলাদাভাবে প্রয়োজন হবে ২ টি ফেটানো ডিম, পরিমাণমতো ব্রেডক্রাম্ব এবং ভাজার জন্য সয়াবিন তেল।

মজাদার এই ক্রিস্পি কাবাব স্টিকস তৈরির জন্য প্রথমে একটি বড় পাত্রে মুরগির মাংসের কিমা, ডাল বাটা, পেঁয়াজ কুচি, লাল মরিচের গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো, হলুদের গুঁড়ো, লবণ এবং আদা-রসুনের বাটা দিয়ে খুব ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। মাখানো হয়ে গেলে একটি কড়াইতে সামান্য তেল দিয়ে মিশ্রণটি কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন এবং পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। ২০ থেকে ২৫ মিনিট বা মাংস ও ডালের মিশ্রণ থেকে পানি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর মিশ্রণটি চুলা থেকে নামিয়ে কিছুটা ঠান্ডা করে একটি চপারে দিয়ে মিহি করে নিন এবং এর সাথে ধনিয়া পাতা কুচি ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এখন কাবাবের এই কিমা হাতের তালুতে নিয়ে পছন্দমতো আকারে গড়ে প্রতিটি কাবাব কাঠির দুইপাশে শক্ত করে লাগিয়ে নিতে হবে।

রান্নার শেষ ধাপে তৈরি করে রাখা স্টিকগুলো একে একে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে নিন এবং ওপর থেকে ব্রেডক্রাম্ব দিয়ে ভালোভাবে কোট করে নিন যাতে চারপাশ সমানভাবে ক্রিস্পি হয়। একটি প্যানে ডুবো তেল গরম করে কাবাব স্টিকগুলো মাঝারি আঁচে লালচে এবং মুচমুচে করে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে কিচেন টিস্যুর ওপর তুলে রাখুন যাতে বাড়তি তেল শুষে নেয়। ব্যস, এভাবেই তৈরি হয়ে গেল গরম গরম ক্রিস্পি কাবাব স্টিকস, যা ইফতারের টেবিলে টমেটো সস বা পুদিনার চাটনির সাথে পরিবেশন করলে আপনার ইফতার হবে দারুণ তৃপ্তিদায়ক।

/আশিক


রুই মাছের ফিশ ফিঙ্গার: ইফতারের আড্ডায় আনবে নতুন চমক

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১২:৪৮:২৯
রুই মাছের ফিশ ফিঙ্গার: ইফতারের আড্ডায় আনবে নতুন চমক
ছবি : সংগৃহীত

ইফতারের চিরাচরিত ছোলা, পেঁয়াজু আর বেগুনির তালিকায় ভিন্নতা আনতে ঘরোয়া আয়োজনেই তৈরি করা যায় রাজকীয় স্বাদের ফিশ ফিঙ্গার ও গ্রিন চিকেন কাবাব। সাধারণ ইফতারকে বিশেষ করে তুলতে এই দুটি পদের সহজ রেসিপি দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মোস্তারিনা পারভীন রুনি।

ফিশ ফিঙ্গার তৈরির নিয়ম

সুস্বাদু ফিশ ফিঙ্গার তৈরির জন্য প্রয়োজন ২৫০ গ্রাম রুই মাছ, ১টি বড় সেদ্ধ আলু, ১ টেবিল চামচ মটরশুঁটি এবং ১ টেবিল চামচ করে পেঁয়াজ বেরেস্তা, কাঁচামরিচ কুচি, লেবুর রস ও ধনেপাতা কুচি। মসলার জন্য লাগবে ১ চা চামচ করে আদা-রসুন বাটা, জিরা ও গরম মসলা গুঁড়া। এছাড়া বাইন্ডিংয়ের জন্য ডিম, কর্নফ্লাওয়ার ও ব্রেডক্রাম্ব প্রয়োজন।

প্রথমে মাছ সামান্য পানি, আদা-রসুন বাটা ও হলুদ দিয়ে সেদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিন। সেদ্ধ করা মটরশুঁটি ও আলু ভালো করে চটকে মাছের সাথে মিশিয়ে নিন। এরপর ডিম ও ব্রেডক্রাম্ব বাদে বাকি সব উপকরণ দিয়ে মিশ্রণটি মেখে লম্বাটে ফিঙ্গার শেপ তৈরি করুন। শেষে প্রতিটি ফিঙ্গার ডিমের গোলায় ডুবিয়ে ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে ডুবো তেলে সোনালি করে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে মচমচে ফিশ ফিঙ্গার।

গ্রিন চিকেন কাবাব তৈরির নিয়ম

গ্রিন চিকেন কাবাবের জন্য লাগবে ৫০০ গ্রাম হাড়ছাড়া মুরগির মাংস (বুকের অংশ), আধা কাপ ধনেপাতা বাটা, ২ টেবিল চামচ পুদিনা পাতা বাটা ও আদা-রসুন বাটা। ম্যারিনেশনের জন্য আধা কাপ টক দই, ২ টেবিল চামচ সরিষার তেল এবং ১ চা চামচ করে কাবাব মসলা, জিরা, হলুদ ও গোলমরিচ গুঁড়া প্রয়োজন। সাথে স্বাদমতো লবণ ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস নিতে হবে।

প্রথমে মুরগির মাংস কিউব করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। লেবুর রস ও সাদা তেল বাদে সব উপকরণ দিয়ে মাংস ভালো করে মেখে ১ থেকে ২ ঘণ্টা নরমাল ফ্রিজে ম্যারিনেট করে রাখুন। রান্নার আগে ফ্রিজ থেকে বের করে লেবুর রস মিশিয়ে মাংসের টুকরোগুলো সাসলিকের কাঠিতে গেঁথে নিন। এরপর ননস্টিক প্যানে অল্প আঁচে এপিঠ-ওপিঠ বাদামি করে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে সুগন্ধি গ্রিন চিকেন কাবাব।

/আশিক


ইফতারে ভিন্ন স্বাদ: জেনে নিন টমেটো দিয়ে আলুর চপের রেসিপি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১২:৪১:৫৭
ইফতারে ভিন্ন স্বাদ: জেনে নিন টমেটো দিয়ে আলুর চপের রেসিপি
ছবি : সংগৃহীত

ইফতারের দস্তরখানে আলুর চপ ছাড়া যেন আড্ডাটা ঠিক জমে ওঠে না। তবে প্রতিদিনের একঘেয়ে আলুর চপে ভিন্নতা আনতে রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা দিয়েছেন এক চমৎকার ও মুখরোচক রেসিপি। সাধারণ উপাদানে তৈরি হলেও টমেটোর ব্যবহারে এই চপটি হবে অন্য যেকোনো চপের চেয়ে আলাদা ও সুস্বাদু।

এই বিশেষ আলুর চপ তৈরির জন্য আপনার প্রয়োজন হবে ২৫০ গ্রাম সেদ্ধ আলু, ২ টেবিল চামচ মিহি পেঁয়াজ কুচি, ১ টেবিল চামচ ভাজা মরিচ গুঁড়া, ২ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি, স্বাদমতো লবণ এবং ১ টেবিল চামচ পাঁচফোড়ন। এছাড়া প্রধান আকর্ষণ হিসেবে লাগবে ৩টি বড় টমেটো এবং ভাজার জন্য সয়াবিন তেল। চপটি মুচমুচে করতে ব্যাটার তৈরিতে লাগবে আধা কাপ করে বেসন ও কর্নফ্লাওয়ার, ১ চা চামচ করে আদা-রসুন বাটা, হলুদ, মরিচ, ধনে ও জিরা গুঁড়া এবং ১ চা চামচ গরম মসলা। বাড়তি স্বাদের জন্য ১টি ডিম, ২ চা চামচ বেকিং পাউডার, সামান্য হিং ও কালোজিরা এবং স্বাদমতো লবণ-চিনি ও ১ কাপের একটু বেশি পানি প্রয়োজন হবে।

প্রস্তুত প্রণালি অত্যন্ত সহজ। প্রথমে ব্যাটার তৈরির জন্য নির্ধারিত সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ১ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। এরপর সেদ্ধ আলু ও মসলাগুলো মেখে ভর্তা তৈরি করে ছোট ছোট চপের আকৃতি দিন। টমেটো গোল ও পাতলা স্লাইস করে কেটে নিয়ে প্রতিটি আলুর চপের দুই পাশে টমেটোর টুকরো বসিয়ে একটি টুথপিক দিয়ে গেঁথে দিন। সবশেষে ডুবো তেলে সোনালি করে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে জিভে জল আনা টমেটো-আলুর চপ। এবারের ইফতারে ভিন্নধর্মী এই রেসিপিটি আপনার প্রিয়জনদের চমকে দিতে পারে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: