মার্কিন-ইরান সংঘাতের রেশ কাটতেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন

হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যেকার সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত বড় কোনো যুদ্ধের রূপ না নেওয়ায় এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা কেটে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় পতন ঘটেছে। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে বিশ্বজুড়ে তেলের প্রধান প্রধান বেঞ্চমার্কগুলোতে এই নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। মূলত শুক্রবারের (৫ জুন) সামরিক উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হবে না—বিনিয়োগকারীদের এমন ইতিবাচক মূল্যায়নের পরই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত কমতে শুরু করে।
জ্বালানি বিষয়ক আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ‘অয়েলপ্রাইজ ডটকম’-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ‘ব্রেন্ট ক্রুড’-এর দাম প্রতি ব্যারেলে ১.৯৪ ডলার বা ২.০৪ শতাংশ কমে ৯৩.০৯ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারের মানদণ্ড ‘ডব্লিউটিআই ক্রুড’ (WTI)-এর দাম ২.৬ শতাংশেরও বেশি কমে প্রতি ব্যারেল ৯০.৫৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এ ছাড়া ওমান ও মধ্যপ্রাচ্যের তেলের বেঞ্চমার্ক ‘মারবান ক্রুড’-এর দাম ৩.০২ শতাংশ কমে ৯০.৬৮ ডলার এবং ‘ওয়েস্টার্ন কানাডিয়ান সিলেক্ট’-এর দাম ৩.৫৬ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮০.৬৯ ডলারে নেমে এসেছে। অপরিশোধিত তেলের পাশাপাশি বিশ্ববাজারে প্রাকৃতিক গ্যাস ও হিটিং অয়েলের দামেও পতন দেখা গেছে, তবে ব্যতিক্রম হিসেবে মোটর জ্বালানি গ্যাসোলিনের দাম সামান্য (০.২৫ শতাংশ) বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার ভারত মহাসাগরে ইরান-সংশ্লিষ্ট একটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিতের স্বার্থে ইরানের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এই ড্রোন হামলার জবাবে ইরানের মূল ভূখণ্ড ও কেশম দ্বীপের উপকূলীয় সামরিক নজরদারি রাডার সাইটে মার্কিন বিমানবাহিনী বিমান হামলা চালায়।
একই দিনে মার্কিন ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞা তালিকায় থাকা ইরানের তথাকথিত ‘ঘোস্ট ফ্লিট’ বা গুপ্ত নৌবহরের অংশ ‘এমটি ডভিনা’ নামক একটি বিশাল সুপারট্যাংকার ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে জব্দ করে। মার্কিন বিচার বিভাগ নিশ্চিত করেছে, ২০২৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এই ট্যাংকারটি অবৈধভাবে ইরানি তেল চীনে পাচার করে আসছিল। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, শুক্র ও শনিবারের এই পুরো হাইপ্রোফাইল সামরিক অভিযানে কোনো পক্ষেরই হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের পর থেকেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও নৌচলাচল নিজেদের কব্জায় নেয় তেহরান। জবাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররাও ইরানি বন্দরগুলোতে নিজস্ব কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপ করে। বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপথে পরিবাহিত মোট জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০%) এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করায় দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে চরম অস্থিরতা চলছিল, যা বছরের শুরুতে তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণে বাড়িয়ে দিয়েছিল।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, পর্দার আড়ালে সাময়িক যুদ্ধবিরতি এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাঝে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে প্রায়ই এমন আকস্মিক উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। তবে শনিবারের এই নাটকীয় দরপতন প্রমাণ করে যে, শুক্রবারের মার্কিন-ইরান সামরিক সংঘাতটি বড় কোনো আঞ্চলিক যুদ্ধের দিকে মোড় নেয়নি এবং এর ফলে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ আপাতত ঝুঁকিতে পড়ছে না বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীরা।
সূত্র: গালফ নিউজ।
শনিবারের টাকার রেট: জেনে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে প্রতিদিনের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি। প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) দেশে পাঠানো এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক লেনদেনের সুবিধার্থে আজ শনিবার (৬ জুন) বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার নিচে তুলে ধরা হলো।
আজকের বাজার দর অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান মুদ্রা ইউএস ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা ইউরো কিনতে আজ খরচ হবে ১৪২ টাকা ৩২ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১৬৪ টাকা ৬৮ পয়সা।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা কুয়েতি দিনারের মূল্য আজ ৩৯৬ টাকা ৯৩ পয়সা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম প্রধান গন্তব্য সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২ টাকা ৭০ পয়সা।
এ ছাড়া এশিয়ার অন্যান্য দেশের মধ্যে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের বিনিময় হার আজ ৩০ টাকা ৪৮ পয়সা, সিঙ্গাপুরি ডলার ৯৫ টাকা ৫৮ পয়সা এবং পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের ১ রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ২৮ পয়সা।
অন্যদিকে ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্যতম শক্তিশালী মুদ্রা অস্ট্রেলিয়ান ডলারের আজকের বিনিময় হার ৮৭ টাকা ৪৯ পয়সা। উল্লেখ্য, ব্যাংকিং চ্যানেল ও খোলা বাজারের তারতম্য এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারের ওঠানামার কারণে যেকোনো সময় এই বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে।
/আশিক
ধোঁয়াশার মাঝেই নতুন পে-স্কেলে মিলল সুখবর
সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রত্যাশিত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে তৈরি হওয়া ধোঁয়াশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যেই অবশেষে কর্মচারীদের জন্য একটি বড় সুখবরের আভাস মিলেছে। আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার একটি প্রাথমিক রূপরেখা চূড়ান্ত করছে সরকার। তবে দেশের বর্তমান সামগ্রিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও বড় অঙ্কের বাজেট বরাদ্দের চাপ বিবেচনা করে এই কাঠামো একবারে নয়, বরং মোট তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নতুন এই বেতন কাঠামো কার্যকরের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল অঙ্কের আর্থিক সংস্থানের পরিকল্পনা রাখা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। যদিও নতুন পে-স্কেল নিয়ে সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহের পাশাপাশি একধরনের তীব্র প্রচ্ছন্ন উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। কর্মচারীদের একাংশের দাবি, নতুন বেতন কাঠামো সম্পর্কে এখন পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তার বেশিরভাগই গণমাধ্যমনির্ভর। অর্থ মন্ত্রণালয়, পে কমিশন কিংবা নীতিনির্ধারণী মহলের শীর্ষ স্তর থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়নি।
প্রস্তাবিত মহা-পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কর্মচারীদের মূল বেতনের একটি বড় অংশ, যা সম্ভাব্য ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে, তা বাড়িয়ে দেওয়া হবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি মূল বেতনটুকু সমন্বয় করা হবে। আর শেষ বা তৃতীয় ধাপে ২০২৮-২৯ অর্থবছরে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত ও অন্যান্য সব ধরনের ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় এনে পূর্ণতা দেওয়া হবে। নতুন পে-স্কেলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো, বর্তমানের ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই বৈষম্য কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান বর্তমানের ১:৯.৪ থেকে কমিয়ে ১:৮-এ নামিয়ে আনার জোরালো প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে এক লাফে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশ এসেছে। অন্যদিকে ১ম গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রেডভেদে কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য নতুন করে যাতায়াত ভাতা চালুর বিষয়টি এখন টেবিলের মূল আলোচনায় রয়েছে। নতুন পে-স্কেলের এই সুফল শুধু বর্তমানের সক্রিয় চাকরিজীবীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং দেশের প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগী প্রবীণ মানুষও এর আওতাভুক্ত হতে যাচ্ছেন। এর ফলে বিশেষ করে যারা অত্যন্ত স্বল্প পরিমাণ পেনশন পান, তাদের আর্থিক নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
এদিকে বর্তমানে চালু থাকা ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে কীভাবে এবং কতটুকু যৌক্তিকভাবে সমন্বয় করা হবে, সে বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের একটি বিশেষ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি এখন নিরলস কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট আর্থিক ও নীতি বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই নতুন পে-স্কেল চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবী, প্রবীণ পেনশনভোগী এবং মাঠপর্যায়ের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আর্থিক ও জীবনযাত্রার মানের একটি দৃশ্যমান উন্নতি ঘটতে যাচ্ছে।
/আশিক
বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে মন্দাভাবের জের ধরে দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপা উভয়ের দামই বড় অঙ্কে কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে পাকা বা তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ায় প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে, যা আজ সকাল ১০টা থেকেই দেশজুড়ে কার্যকর করা হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, এখন থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ কিনতে খরচ হবে ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ego হাজার ৮৫৭ টাকা।
এর আগে সবশেষ গত ২ জুন স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়েছিল বাজুস। উল্লেখ্য, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চলতি ২০২৬ বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রেকর্ড ৭১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো, যার মধ্যে ৩৭ বার দাম বাড়ানো হলেও কমানো হয়েছে ৩৪ বার।
স্বর্ণের পাশাপাশি এবার রুপার বাজারেও বড় পতন হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪০৮ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম পড়বে ৩ হাজার ২০৮ টাকা। এর আগে ২ জুন ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা করা হয়েছিল। রুপার বাজারে চলতি বছর এ নিয়ে মোট ৪২ বার দাম সমন্বয় করা হলো, যার মধ্যে ২২ বার বৃদ্ধি এবং ২০ বার দাম কমানোর রেকর্ড রয়েছে।
/আশিক
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা ও মার্কিন সুদের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় ধস
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আবারও নিম্নমুখী হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংকট ঘিরে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশায় পরিবর্তন এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়তে পারে এমন আশঙ্কার কারণে নিরাপদ বিনিয়োগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে পরিচিত স্বর্ণের বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে শুধু দৈনিক নয়, পুরো সপ্তাহজুড়েই উল্লেখযোগ্য লোকসানের মুখে পড়েছে মূল্যবান এই ধাতু।
শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৪৫.৫১ ডলারে নেমে আসে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় সাপ্তাহিক পতন।
একই সময়ে আগস্ট মাসে সরবরাহের চুক্তিতে মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দামও ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৭১.৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ফলে স্পট ও ফিউচার উভয় বাজারেই স্বর্ণের ওপর বিক্রির চাপ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বর্ণের দাম কমার পেছনে দুটি বড় কারণ কাজ করছে। প্রথমত, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ঘিরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে নিরাপদ সম্পদে বিনিয়োগের প্রবণতা তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা দুর্বল হয়েছে। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফেডারেল রিজার্ভ আবারও সুদের হার বাড়াতে পারে এমন ধারণা শক্তিশালী হচ্ছে।
এবিসি রিফাইনারির গ্লোবাল হেড অব ইনস্টিটিউশনাল মার্কেটস নিকোলাস ফ্রাপেল বলেন, ইরান-সংক্রান্ত সংকটকে কেন্দ্র করে বাজারে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই বদলে গেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে কঠোর মুদ্রানীতির সম্ভাবনা স্বর্ণের বাজারকে চাপে ফেলছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, স্বর্ণ সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু সুদের হার বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগকারীরা সুদবাহী সম্পদের দিকে ঝুঁকে পড়েন। ফলে স্বর্ণের মতো অনুৎপাদনশীল সম্পদের চাহিদা কমে যায় এবং দাম নিম্নমুখী হয়।
বাজার সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি এখন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের সর্বশেষ তথ্যের দিকে। বিশেষ করে মে মাসের ‘নন-ফার্ম পে-রোল’ বা কৃষিখাতের বাইরে কর্মসংস্থানের তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এই তথ্য থেকে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ সুদনীতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে।
শিকাগো মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জের (সিএমই) ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বাজারের অংশগ্রহণকারীরা এখন প্রায় ৫১ শতাংশ সম্ভাবনা দেখছেন যে চলতি বছরের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে আবারও সুদের হার বাড়ানো হতে পারে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও ছিল মন্দাভাব। আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দাম ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭২.৩৬ ডলারে নেমে এসেছে। প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১,৮৮০.৪০ ডলারে। অন্যদিকে প্যালাডিয়ামের দাম ১.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১,২৯৮.৪৯ ডলারে নেমে এসেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা একদিকে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সূচকগুলোও নিবিড়ভাবে অনুসরণ করছেন। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহে স্বর্ণবাজারের দিকনির্দেশনা অনেকটাই নির্ভর করবে ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।
স্বর্ণবাজারে এই দরপতন বাংলাদেশের বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণে আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি ডলার বিনিময় হার, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বিশ্ববাজারে দাম কমলেও দেশীয় বাজারে তার প্রতিফলন কতটা হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
-শিবলী_৮৮৭৬
জেনে নিন আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বাজার দর
দেশের ব্যাংকিং চ্যানেল ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারে বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে প্রধান প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার দামে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রবাহ সচল রাখা এবং আমদানির ব্যয় মেটানোর সুবিধার্থে ক্রলিং পেগ পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত আজকের সর্বশেষ বাজারে মার্কিন ডলারের দাম কিছুটা উর্ধ্বমুখী। আজকের বাজারে প্রতি ১ ইউএস ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে ১২২.৯৩ টাকা। ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো বিক্রি হচ্ছে ১৪২.৭৬ টাকায় এবং যুক্তরাজ্যের পাউন্ডের মান ঠেকেছে ১৬৫.০২ টাকায়। এছাড়া প্রতি ভারতীয় রুপি লেনদেন হচ্ছে ১.২৮ টাকা দরে।
এদিকে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুদ্রা বরাবরের মতোই শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। আজকের দর অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে দামি মুদ্রা কুয়েতি দিনার লেনদেন হচ্ছে ৪০০ টাকার কাছাকাছি (৩৯৯.৯২ টাকা)। এছাড়া ওমানি রিয়াল ৩১৯.৩০ টাকা এবং বাহরাইনি দিনার ৩২৬.০৭ টাকার এক একটি বড় অঙ্কে কেনাবেচা হচ্ছে। প্রবাসীদের অন্যতম বড় শ্রমবাজার সৌদি আরবের রিয়াল প্রতি ৩২.৭৪ টাকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম ৩৩.৪৭ টাকায় থিতু হয়েছে। মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের দর আজ ৩০.৪৮ টাকা এবং কাতারি রিয়াল লেনদেন হচ্ছে ৩৩.৭৭ টাকায়।
ব্যাংকিং খাতের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা এবং অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স পলিসির কারণে এই দর প্রতিদিন ওঠানামা করে। তবে গ্রাহক পর্যায়ে ক্যাশ টাকা কেনাবেচা কিংবা মোবাইল ব্যাংকিং পার্টনারদের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জগুলো নিজস্ব সেবা মাশুল যুক্ত করায় এই সরকারি ও গড় রেট থেকে মূল দামে সামান্য কম-বেশি হতে পারে। তাই যেকোনো ধরনের বড় লেনদেনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের লাইভ বা তাৎক্ষণিক রেট যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দরপতন, নতুন দাম কার্যকর করল বাজুস
দেশের বাজারে সবশেষ গত ২ জুন হ্রাস করা হয়েছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম। প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা, যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই দেশজুড়ে কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটে খাঁটি বা তেজাবি সোনার মূল্য হ্রাস পাওয়ার পরিপ্রক্ষিতেই সাধারণ ভোক্তাদের সুবিধার্থে নতুন এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এবং আজ বৃহস্পতিবারও দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে এই সবশেষ নির্ধারিত মূল্যেই স্বর্ণ কেনাবেচা চলছে।
বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে এখন থেকে প্রতিভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনা কিনতে গ্রাহকদের গুনতে হবে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা এবং ঐতিহ্যবাহী সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি সোনা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪Nz৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে, গত ২৫ মে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী সমন্বয় করেছিল বাজুস, যখন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছিল ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়। এছাড়া তখন ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা ধার্য করা হয়েছিল।
স্বর্ণের বাজারমূল্য কমানোর ইতিবাচক সিদ্ধান্তের সমান্তরালে এবার দেশের বাজারে রুপার দামও কিছুটা কমিয়ে এনেছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ১১৭ টাকা হ্রাস পাওয়ায় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার বর্তমান বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা। এর বাইরে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা রূপার অলঙ্কার ক্রেতাদের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দেবে।
/আশিক
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা ও কূটনীতির স্থবিরতায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী
বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য আরও এক দফা বৃদ্ধি পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যকে কেন্দ্র করে নতুন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হওয়া এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার নেতিবাচক প্রভাবে বুধবার তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী তেলের দামের প্রধান মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৮১ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯৬ দশমিক ৮১ ডলারে এসে ঠেকেছে। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দামও ব্যারেলপ্রতি ৯১ সেন্ট বা ১ শতাংশ বেড়ে ৯৪ দশমিক ৬৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির ধারা স্পষ্ট হওয়ার আগে গত মঙ্গলবারও তেলের এই উভয় বেঞ্চমার্কই বিগত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যে কেনাবেচা হয়ে লেনদেন শেষ করেছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে ইরান থেকে কুয়েত ও বাহরাইনের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবর প্রকাশ পাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এর সাথে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার চলমান কূটনৈতিক সংলাপে আশাব্যঞ্জক কোনো ফলাফল না আসায় বাজারে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা সচল থাকা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মনে বড় ধরনের সংশয় দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে—এমন আশঙ্কাই মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামকে ক্রমাগত ওপরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
/আশিক
জেনে নিন আজ কোন দেশের মুদ্রায় কত টাকা মিলছে
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সাথে যুক্ত ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে প্রতিদিনের মতো আজও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বুধবার (৩ জুন) লেনদেনের শুরুতেই বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মূল্যে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গেছে।
প্রবাসী আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে আজ সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৭৩ পয়সা।
এছাড়া দুবাই দিরহাম ৩৩ টাকা ৪২ পয়সা, ওমানি রিয়াল ৩১৮ টাকা ৯৫ পয়সা এবং কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৭২ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম চড়া মুদ্রা কুয়েতি দিনারের মূল্য আজ ৩৯৭ টাকা ৮২ পয়সা এবং বাহরাইনি দিনার ৩২৬ টাকা ৪৫ পয়সা।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান মুদ্রা মার্কিন ডলারের অফিসিয়াল রেট আজ ১২২ টাকা ৭৪ পয়সা।
ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর বিপরীতে মিলছে ১৪২ টাকা ৭৩ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৬৫ টাকা ২৫ পয়সা।
এশিয়ার অন্যতম প্রধান শ্রমবাজার মালয়েশিয়ান রিংগিতের দাম আজ ৩০ টাকা ৮৩ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ও ব্রুনাই ডলার—উভয়েরই মূল্য সমান অর্থাৎ ৯৫ টাকা ৯০ পয়সায় এসে ঠেকেছে।
অন্যান্য প্রধান মুদ্রাগুলোর মধ্যে কানাডিয়ান ডলার ৮৮ টাকা ৬৫ পয়সা, অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৮ টাকা ০৫ পয়সা এবং চীনা রেনমিনবি বা ইউয়ান ১৮ টাকা ১৪ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।
এছাড়া ভারতীয় রুপি ১ টাকা ২৯ পয়সা, মালদ্বীপীয় রুফিয়া ৭ টাকা ৯৫ পয়সা, লিবিয়ান দিনার ১৯ টাকা ৩৬ পয়সা এবং তুর্কি লিরা ২ টাকা ৬৭ পয়সা। দূরপ্রাচ্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েন ০ টাকা ৭৭ পয়সা, দক্ষিণ কোরিয়ার উওন ০ টাকা ০৮ পয়সা এবং ইরাকি দিনার ০ টাকা ০৯ পয়সায় স্থিতি পেয়েছে।
অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকান র্যান্ডের মূল্য আজ ৭ টাকা ৫৫ পয়সা। তবে ব্যাংকিং চ্যানেল ও কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে যেকোনো মুহূর্তে এই আন্তর্জাতিক মুদ্রাগুলোর বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
/আশিক
ঈদের আমেজ কাটতেই ‘কারেন্ট’ শক: আজই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম
পবিত্র ঈদুল আজহার আমেজ কাটতে না কাটতেই দেশের সাধারণ মানুষের ওপর আসছে বাড়তি খরচের এক তীব্র ধাক্কা। বহুল আলোচিত বিদ্যুতের নতুন মূল্য আজ বুধবার (৩ জুন) বিকেলেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কঠিন শর্ত পূরণ এবং বিদ্যুৎ খাতের বিশাল লোকসান সামাল দিতে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম এবার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে চরম অর্থনৈতিক সংকটে থাকা স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের জন্য চালু থাকা ‘লাইফ লাইন’ (০ থেকে ৫০ ইউনিট) সুবিধায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।
বিইআরসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আজ সকাল ১১টায় কমিশনের কারিগরি কমিটির রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির চূড়ান্ত হার নির্ধারণ করা হচ্ছে। এরপর বিকেলের দিকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করবে কমিশন, যা ১ জুন থেকে অর্থাৎ ভূতাপেক্ষভাবে কার্যকর করা হবে। বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদও গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কারিগরি কমিটি বিষয়টি নিয়ে শেষ মুহূর্তের কাজ করছে এবং আজই চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে।
সূত্র জানিয়েছে, ২ মাস আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত একটি বিশেষ মন্ত্রিসভা কমিটি ইউনিটপ্রতি ১ টাকা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। এছাড়া গত ২০ ও ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিইআরসির গণশুনানিতে দেশের ৬টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে বিপিডিবি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা বৃদ্ধির দাবি করে।
বিতরণ কোম্পানিগুলোর এই আকাশচুম্বী প্রস্তাবের বিপরীতে বিইআরসির কারিগরি দল গড়ে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা মূল্যবৃদ্ধির চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে। কর্মকর্তাদের মতে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে কোনোভাবেই ইউনিটপ্রতি ১ টাকার কম বাড়ছে না। তবে গ্রাহকদের ওপর চাপ কমাতে নতুন একটি কৌশল নেওয়া হচ্ছে। ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম হারে মূল্যবৃদ্ধি করা হতে পারে। এরপর ২০০ থেকে ৪০০ ইউনিট, ৪০০ থেকে ৬০০ ইউনিট এবং ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ধাপে ধাপে মূল্যবৃদ্ধির হার চড়া হবে। এই মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে বছরে সরকারের প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য রয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিপিডিবির কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার আরও অস্থির হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের চড়া বিনিময় হার এবং এলএনজি, কয়লা ও তেল আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
বিপিডিবি জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে কম দামে বিক্রির কারণে পিডিবির প্রাক্কলিত লোকসান হবে ৬৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ভর্তুকি দেবে সরকারি এই সংস্থা। বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে ১২ হাজার কোটি টাকা তোলা গেলেও বাকি বিশাল অঙ্কের টাকা ঘাটতি থেকেই যাবে।
অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে তার প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। শিল্প-কারখানা, সেচব্যবস্থা, কোল্ড স্টোরেজ ও বাণিজ্যিক খাতের উৎপাদন ব্যয় এক লাফে অনেক বেড়ে যাবে। এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়লে বাসাভাড়া ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার কারণে সীমিত আয়ের মধ্যবিত্ত, ছোট ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা সবচেয়ে বেশি পিষ্ট হবেন, যা দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে।
এদিকে বিইআরসির দুই দিনের শুনানিতে খুচরা পর্যায়ে ১৫ থেকে ২৯ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ১৭ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন ভোক্তা প্রতিনিধি, অর্থনীতিবিদ ও শিল্প মালিকরা। শুনানিতে অংশ নিয়ে কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন এবং প্রতিনিধিরা বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সুশাসন নিশ্চিত না করে এবং অপচয় ও অদক্ষতা না কমিয়ে কেবল মূল্যবৃদ্ধি কোনো সমাধান নয়। বিদ্যুৎ খাতের অদক্ষতা, দুর্নীতি, সিস্টেম লস এবং রেন্টাল-কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের ভূতুরে ‘ক্যাপাসিটি চার্জের’ দায় সাধারণ গ্রাহকদের ওপর চাপানো হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা প্রশ্ন তোলেন, প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হলেও এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কোনো স্বাধীন আর্থিক নিরীক্ষা কেন করা হচ্ছে না? তিনি দাম বাড়ানোর পরিবর্তে কিভাবে দাম কমানো যায়, সে বিষয়ে পৃথক গণশুনানির আহ্বান জানান।
সিনিয়র সাংবাদিক শুভ কিবরিয়া এবং সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর নতুন অর্থনৈতিক শোষণ চাপাতেই এই আইএমএফের শর্তপূরণের উদ্যোগ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক জেবুন্নেসা কড়া ভাষায় বলেন, বিতরণ কোম্পানিগুলোর অবৈধ সংযোগের কারণে যে সিস্টেম লস ও লোকসান হয়, তা সাধারণ গ্রাহক দেবে কেন? দুর্নীতি বন্ধ না হলে দাম এভাবে বাড়তেই থাকবে।
এমনকি খোদ বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদও শুনানিতে স্বীকার করেছেন যে, ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতের জন্য বড় বোঝায় পরিণত হয়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তবে সব বিরোধিতার মুখে দাঁড়িয়েও শেষ পর্যন্ত আজই কার্যকর হচ্ছে বিদ্যুতের নতুন বাড়তি মূল্য।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- মার্কিন-ইরান সংঘাতের রেশ কাটতেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন
- ফিলিস্তিনিদের বিয়ের অনুষ্ঠানে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানের বর্বরতা
- উদ্বোধনী আসরে জে বালভিন ও মানাসহ একঝাঁক তারকার মেলা
- গোয়ায় রানার্সআপ বাংলাদেশ: দীর্ঘ ৬ বছর পর আবারও সাফের মুকুট ভারতের ঘরে
- পাইপলাইনের জরুরি লিকেজ মেরামত: ১০ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না বেশ কিছু এলাকায়
- মিরপুরে চার দিন ১০ ঘণ্টা করে যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা
- একবার চার্জে ৬ ঘণ্টা চলবে বিশ্বকাপের বল, থাকছে হাইবারনেশন মোড
- ইরানের বেশিরভাগ ড্রোন ও মিসাইল কারখানা ধ্বংস করা হয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পানিতে ডুবে ৫ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
- মনুষ্যত্ব এখন টাকার কাছে বিক্রি হচ্ছে: রাশেদ খাঁন
- সাফের মুকুট ধরে রাখার লড়াই: মেগা ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত
- হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধের কড়া হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য
- আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে যেখানে গিয়েছিল, বিএনপি ৩ মাসেই সেখানে গেছে: আসিফ মাহমুদ
- ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৩২
- চোখের ক্লান্তি ও কালো দাগ দূর করতে আলু নাকি শসা, কোনটি সেরা?
- ৬৪ বছর আগের ব্রাজিলীয় ইতিহাস ছোঁয়ার হাতছানি আর্জেন্টিনার সামনে
- শনিবারের টাকার রেট: জেনে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
- শত উত্তেজনার মাঝেও বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণে মার্কিন সবুজ সংকেত
- বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে রেড অ্যালার্ট, সুরক্ষায় মোতায়েন সহস্রাধিক নিরাপত্তাকর্মী
- বিদ্যুতের দাম বাড়লেও রেহাই পাচ্ছেন ৬৫ শতাংশ গ্রাহক: ডা. জাহেদ উর রহমান
- ইরানের সাথে সংঘাত নিয়ে খুব দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- ধোঁয়াশার মাঝেই নতুন পে-স্কেলে মিলল সুখবর
- ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
- শনিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকার মার্কেট ও দোকান বন্ধ?
- শনিবারের ঢাকা: এক নজরে দেখে নিন আজকের সব কর্মসূচি
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- বিশ্বমঞ্চে বীরের সম্মান: ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে দাগ হ্যামারশোল্ড পদক
- হরমুজ প্রণালীতে রণক্ষেত্র: মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর পাল্টাপাল্টি হামলা
- হাদি হত্যা মামলার বাদী জাবের কেন? প্রশ্ন তুললেন বোন মাসুমা হাদি
- সাহারার মৃত্যুফাঁদে ৪৯ প্রাণ: বিকল ট্রাক, ফুরিয়ে যায় পানি, মরুভূমিতেই শেষ যাত্রা
- মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা ও মার্কিন সুদের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় ধস
- দৌলতদিয়ায় ফের নদীতে বাস দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ৩৭ যাত্রী
- জেনে নিন আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বাজার দর
- ঢাকাসহ ৮ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
- ইরান যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ভোট: ট্রাম্পকে কি সত্যিই ঠেকানো যাবে?
- পারকুল এলাকায় ৬ মাসের বেশি বিদ্যুৎ বিল বকেয়া, পুলিশের উপস্থিতিতে সংযোগ বিচ্ছিন্ন
- এমপি হতে আওয়ামী লীগের সুবিধা নেন হান্নান মাসুদ: রাশেদ খান
- আওয়ামী লীগের ফাঁদে পা দিয়ে তাদের ফেরানোর পাঁয়তারা করছে সরকার: আসিফ মাহমুদ
- বন্ধ ও অলাভজনক সরকারি কারখানা চালু করতে শিগগিরই সরকারের 'রোড শো'
- ঢাকাসহ ৪৮ জেলায় রেকর্ড তাপপ্রবাহ, তীব্র গরম কবে কমবে জানাল আবহাওয়া অফিস
- দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের রহস্যময় কাঠামো: হঠাৎ দেখা দিয়ে উধাও, তুঙ্গে উত্তেজনা
- ফুটবলের মহাবিশ্বকাপে বাংলাদেশের নাম, অফিশিয়াল অ্যালবামে ঠাঁই পেলেন ডিজে সঞ্জয়
- তীব্র প্রতিবাদের মুখে নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহার
- কাগজে-কলমে চুক্তি হলেও যুদ্ধবিরতি মানছে না ইসরাইল, লেবাননে ব্যাপক হামলা
- টাকা ছাড়াও শাহ সুলতান বলখীর (র.) মাজারে মিলল সোনা ও বিদেশি মুদ্রা
- কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক দেবিদ্বারের সড়ক আবারও রক্তাক্ত: বাস উল্টে নিহত ১, আহত ১৫
- হাদি খুন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য: মমতার বিরুদ্ধে ভারতে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি রয়েছে: মির্জা ফখরুল
- প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের 'লাল টেলিফোন'র তার চুরি: ২ চোর ও ভাঙারি ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
- সাহারার মৃত্যুফাঁদে ৪৯ প্রাণ: বিকল ট্রাক, ফুরিয়ে যায় পানি, মরুভূমিতেই শেষ যাত্রা
- বিশ্বকাপের মহড়ায় আজ রাতে মাঠে নামছে ব্রাজিল: প্রতিপক্ষ পানামা
- ৩ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ৩ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ৩ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর: এজেন্ডায় ৯ লাখ কর্মীর ভাগ্য ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি
- ৪ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- স্বর্ণ কিনতে সুখবর, এক লাফে কমল স্বর্ণের দাম
- ১ জুন ২০২৬: আজ দিনভর কেমন থাকবে রাজধানীসহ দেশের আবহাওয়া?
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
- জমি বিরোধের জেরে সাতক্ষীরার ঝায়ামারীতে গৃহবধূকে পথরোধ করে বর্বর হামলা
- আর্জেন্টিনার প্রস্তুতি ম্যাচের সূচি প্রকাশ: প্রতিপক্ষ হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ড








