আখেরাতের সাফল্য: আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের ৯টি সহজ পথ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ অক্টোবর ১৫ ১৯:৩৬:৪৪
আখেরাতের সাফল্য: আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের ৯টি সহজ পথ
ছবি: পেক্সেলস

মুসলিম জীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। এটি এমন একটি জীবনব্যাপী সাধনা, যা বান্দার হৃদয়ে শান্তি, আত্মায় প্রশান্তি এবং জীবনে সুখ নিয়ে আসে। তবে এই পথে চলতে গিয়ে প্রায়ই মানুষের অসন্তুষ্টি, সমাজের চাপ এবং নিজের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষার মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে ছোট ছোট কাজে খাঁটি নিয়তের মাধ্যমেই অপার সাফল্যের দ্বার খুলে যায়।

আল্লাহর সন্তুষ্টি বনাম মানুষের সন্তুষ্টি

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে একজন মুসলিমকে প্রায়ই মানুষের অসন্তুষ্টির সম্মুখীন হতে হয়। রাসূল (সা.) বলেছেন:

“যে ব্যক্তি মানুষের অসন্তুষ্টির মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি তালাশ করে, আল্লাহ তাকে মানুষের বোঝা থেকে মুক্তি দেবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর অসন্তুষ্টির মাধ্যমে মানুষের সন্তুষ্টি তালাশ করে, আল্লাহ তাকে মানুষের ওপর ছেড়ে দেবেন।” (তিরমিজি, হাদিস: ২৪১৪)

মানুষের সন্তুষ্টি অস্থায়ী, কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টি চিরস্থায়ী ও সর্বোত্তম। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “দুনিয়ার জীবনের উপকরণ সামান্য, আর আখেরাত তাদের জন্য উত্তম যারা তাকওয়া অবলম্বন করে।” (সুরা নিসা, আয়াত: ৭৭)

ক্ষতিগ্রস্ত আমল: রাসূল (সা.) বলেছেন, কিয়ামতের দিন যে ব্যক্তি মানুষের প্রশংসা ও সম্মানের জন্য শহীদ হয়েছে, জ্ঞান অর্জন করেছে বা দান করেছে—তাদের আমল বাতিল বলে গণ্য হবে, কারণ নিয়ত খাঁটি ছিল না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯০৫)

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিম্নলিখিত উপায়গুলো আমাদের জীবনে প্রয়োগ করা উচিত:

১. খাঁটি নিয়ত: প্রতিটি কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করা অপরিহার্য। খাঁটি নিয়ত হৃদয়কে শক্তিশালী করে এবং আল্লাহর কাছ থেকে সাফল্য আকর্ষণ করে।

২. আল্লাহর আদেশে দ্রুত সাড়া: আল্লাহর আদেশ পালনে কোনো অলসতা বা বিলম্ব করা উচিত নয়। (সুরা তাহা, আয়াত: ৮৪)

৩. নিজেকে উৎসর্গ করা: জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর আনুগত্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া। (সুরা বাকারা, আয়াত: ২০৭)

৪. নেতিবাচক গুণাবলি পরিহার: রাগ, অহংকার, আত্মম্ভরিতা ও বড়াই পরিহার করা।

৫. সাধারণ নেয়ামতের শুকরিয়া: খাবার বা এক ঢোক পানি পানের জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭৩৪)

৬. অল্পে সন্তুষ্ট থাকা: জীবনের প্রাপ্তিতে আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকা।

৭. হালাল উপার্জন: হালাল উপার্জনের জন্য ক্লান্ত হয়ে রাত্রি যাপন করা।

৮. পিতামাতার সন্তুষ্টি: রাসূল (সা.) বলেছেন, “আল্লাহর সন্তুষ্টি পিতামাতার সন্তুষ্টির মধ্যে রয়েছে।” (বায়হাকি, শু’আবুল ঈমান)

৯. তকদিরের প্রতি সন্তুষ্টি: আল্লাহর ভাগ্যলিপির প্রতি সন্তুষ্ট থাকা।


ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৬ ১০:২৪:৪২
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

আজ শনিবার (৬ জুন) ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০১ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটে।

সন্ধ্যায় মাগরিবের আজান ও নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬টা ৪৭ মিনিটে। এরপর রাতের প্রধান জামাত অর্থাৎ এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ১৩ মিনিটে। অন্যদিকে, আগামী রোববার (৭ জুন) পবিত্র ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৬ মিনিটে।

আবহাওয়া ও জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত তথ্যানুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল ভোরে সূর্যোদয় হবে ৫টা ১১ মিনিটে। দূরত্বের তারতম্যের কারণে ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে এই সময়ের সাথে কয়েক মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে নামাজ আদায় করতে হবে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।


জেনে নিন আজ বৃহস্পতিবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৪ ১০:১০:৪৩
জেনে নিন আজ বৃহস্পতিবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়
ছবি : সংগৃহীত

আজ বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ (২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৭ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার জন্য আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি এবং সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় আবহাওয়া ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করার সুবিধার্থে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য এই সময়সূচি প্রযোজ্য হবে।

পবিত্র জোহরের নামাজের সময় আজ দুপুর ১২টা ০০ মিনিটে শুরু হচ্ছে।

এরপর বিকেলে পবিত্র আসরের নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ৩৬ মিনিটে।

আজ সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬টা ৪৭ মিনিটে।

রাতের শেষ ওয়াক্ত অর্থাৎ পবিত্র এশার নামাজের সময় শুরু হবে রাত ৮টা ১২ মিনিটে।

অন্যদিকে, আগামীকাল শুক্রবার ভোর ৫টা ১০ মিনিটে সূর্যোদয়ের আগে ফজর নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৭ মিনিটে।

আজকের দিনে রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সূর্যাস্তের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে। একই সাথে আগামীকাল শুক্রবার ভোরের সূর্যোদয় হবে ৫টা ১০ মিনিটে। উল্লেখ্য, স্থান ও দূরত্ব ভেদে ঢাকার সময়ের সাথে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার নামাজের সময় ১ থেকে সর্বোচ্চ ১১ মিনিট পর্যন্ত কম-বেশি হতে পারে। তাই ঢাকার সময়ের সাথে নিজ নিজ এলাকার সময় মিলিয়ে নামাজ আদায়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।


জেনে নিন আজকের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১০:০৭:৫৩
জেনে নিন আজকের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

আজ বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬ (২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

সময়সূচি অনুযায়ী আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০০ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটে। আজ সন্ধ্যায় মাগরিবের আজান ও ওয়াক্ত শুরু হবে ৬টা ৪৬ মিনিটে এবং এরপর রাতের এশা নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ৮টা ১২ মিনিটে।

পরদিন অর্থাৎ আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ফজর নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৭ মিনিটে। এছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫:১১ মিনিটে। তবে স্থান পরিবর্তনের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন জেলায় এই সময়ের সাথে কয়েক মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করে নিতে হবে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।


বৃদ্ধ মায়ের অবহেলা, ইসলাম কী শিক্ষা দেয়?

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ০৯:৩০:৫৯
বৃদ্ধ মায়ের অবহেলা, ইসলাম কী শিক্ষা দেয়?
ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীর সব ভাষা, সংস্কৃতি ও সভ্যতার মানুষ একটি বিষয়ে একমত। সেটি হলো, ‘মা’ শব্দের মতো মধুর, আবেগময় ও হৃদয়স্পর্শী আর কোনো শব্দ নেই। মানুষ জীবনের প্রথম ভালোবাসা, প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক এবং নিঃস্বার্থ স্নেহের উৎস হিসেবে মাকেই খুঁজে পায়। ইসলামও মায়ের এই অনন্য মর্যাদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং তাঁর অধিকারকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে।

মা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের জন্য এক অসামান্য নিয়ামত। একজন সন্তান পৃথিবীতে আসার আগেই মা তাকে নিজের শরীরের অংশ হিসেবে ধারণ করেন। গর্ভধারণের দীর্ঘ কষ্ট, সন্তান জন্মদানের যন্ত্রণা, নির্ঘুম রাত এবং জীবনের অসংখ্য ত্যাগের মাধ্যমে তিনি সন্তানকে বড় করে তোলেন। তাই ইসলামে মায়ের মর্যাদা শুধু পারিবারিক সম্পর্কের কারণে নয়, বরং তাঁর ত্যাগ, কষ্ট এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কারণেও অতুলনীয়।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা নিজের ইবাদতের নির্দেশের পাশাপাশি মা-বাবার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, তোমরা তাঁর ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করো না এবং মা-বাবার সঙ্গে উত্তম আচরণ করো। এমনকি তারা বার্ধক্যে উপনীত হলেও তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করা বা ‘উফ’ শব্দটুকু উচ্চারণ করতেও নিষেধ করা হয়েছে। (সুরা বনি ইসরাঈল: ২৩)

এটি ইসলামে মা-বাবার মর্যাদার সর্বোচ্চ স্বীকৃতির অন্যতম উদাহরণ। কারণ আল্লাহর ইবাদতের পরপরই মানুষের প্রতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে মা-বাবার প্রতি সদ্ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

কোরআনের আরেক স্থানে আল্লাহ বিশেষভাবে মায়ের কষ্টের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। সুরা লুকমানে বলা হয়েছে, মা কষ্টের পর কষ্ট সহ্য করে সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাকে লালন-পালন করেন। তাই আল্লাহর কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি মা-বাবার প্রতিও কৃতজ্ঞ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (সুরা লুকমান: ১৪)

ইসলামের ইতিহাসে মায়ের মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বহু হাদিস রয়েছে। সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হাদিসগুলোর একটি হলো সেই ঘটনা, যখন এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, তার উত্তম আচরণের সবচেয়ে বেশি হকদার কে?

রাসুল (সা.) প্রথমবার বললেন, ‘তোমার মা।’

লোকটি আবার জিজ্ঞেস করল, এরপর কে?

তিনি আবার বললেন, ‘তোমার মা।’

তৃতীয়বারও একই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন, ‘তোমার মা।’

চতুর্থবারে তিনি বললেন, ‘তোমার বাবা।’ (সহিহ বুখারি)

এই হাদিস থেকে স্পষ্ট হয় যে, সন্তানের ওপর মায়ের অধিকার কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং ইসলাম মায়ের সেবাকে কত উঁচু মর্যাদা দিয়েছে।

মায়ের খিদমতের গুরুত্ব শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ইতিহাসেও এর অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে। ইসলামের অন্যতম প্রসিদ্ধ তাবেঈ উওয়াইস আল-কারনী (রহ.)-এর জীবন তার অন্যতম উদাহরণ। তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে জীবিত ছিলেন, কিন্তু অসুস্থ মায়ের সেবায় নিয়োজিত থাকায় মদিনায় গিয়ে মহানবীর সাক্ষাৎ লাভ করতে পারেননি। তবুও তাঁর মাতৃসেবার কারণে তিনি এমন মর্যাদা লাভ করেন যে, রাসুল (সা.) সাহাবিদের তাঁর কাছে দোয়া চাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। (সহিহ মুসলিম)

এ ঘটনা প্রমাণ করে, মায়ের সেবা এমন একটি আমল যা একজন মানুষকে আল্লাহর কাছে অত্যন্ত মর্যাদাবান করে তুলতে পারে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, ‘মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।’ (নাসাঈ)

এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর অর্থবহ হাদিসটি মুসলিম সমাজে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মায়ের মর্যাদার প্রতীক হয়ে রয়েছে। এর অর্থ হলো, মায়ের সন্তুষ্টি অর্জনের মধ্য দিয়েই একজন মানুষ জান্নাতের পথে অগ্রসর হতে পারে।

মায়ের খিদমতের আরেকটি বড় ফজিলত হলো তাঁর দোয়া। ইসলামী শিক্ষায় মা-বাবার দোয়াকে অত্যন্ত মূল্যবান মনে করা হয়। একজন সন্তানের জন্য মায়ের আন্তরিক দোয়া জীবনের বহু বিপদ দূর করতে পারে এবং আল্লাহর রহমত লাভের মাধ্যম হতে পারে।

অন্যদিকে মাকে কষ্ট দেওয়া, তাঁর অবাধ্য হওয়া কিংবা তাঁর অধিকার নষ্ট করা ইসলামে গুরুতর গুনাহ হিসেবে বিবেচিত। বহু হাদিসে মা-বাবার অবাধ্যতাকে কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত বলা হয়েছে।

দুঃখজনকভাবে আধুনিক ব্যস্ত জীবন, ভোগবাদী মানসিকতা এবং পারিবারিক বন্ধনের দুর্বলতার কারণে অনেক বৃদ্ধ মা আজ অবহেলা ও একাকীত্বের শিকার হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে সন্তানরা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে মায়ের পাশে থাকেন না। এমনকি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এমন ঘটনাও ঘটেছে, যেখানে একাকী বসবাসরত বৃদ্ধা মায়ের মৃত্যুর খবর দীর্ঘদিন পর্যন্ত কেউ জানতে পারেনি। এসব ঘটনা মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে।

ইসলামের দৃষ্টিতে মায়ের খিদমত কেবল সামাজিক দায়িত্ব নয়; এটি একটি মহান ইবাদত। মায়ের সঙ্গে বিনয়ী আচরণ করা, তাঁর প্রয়োজন পূরণ করা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, তাঁর মানসিক প্রশান্তির খেয়াল রাখা এবং সম্মানের সঙ্গে তাঁর পাশে থাকা সবই নেক আমল হিসেবে গণ্য হয়।

মায়ের মৃত্যুর পরও সন্তানের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। তাঁর জন্য দোয়া করা, সদকা করা, তাঁর অসম্পূর্ণ নেক কাজগুলো সম্পন্ন করা এবং তাঁর আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ।

তাই একজন মুমিনের জন্য মায়ের খিদমত শুধু একটি পারিবারিক কর্তব্য নয়; এটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। যে ব্যক্তি মায়ের সেবা করে, আল্লাহ তার জীবনে বরকত দান করেন, মানুষের অন্তরে তার জন্য সম্মান সৃষ্টি করেন এবং আখিরাতে তার জন্য জান্নাতের সুসংবাদ রাখেন। সেই কারণেই ইসলাম বারবার আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, পৃথিবীতে যদি কোনো মানুষের প্রতি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও দায়িত্ব থাকে, তবে তিনি হলেন মা।


২ জুন ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০২ ১০:২৬:৩৮
২ জুন ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যার প্রতিটি বিধান মানুষের ইহকালীন কল্যাণ, সামাজিক শৃঙ্খলা ও আত্মিক প্রশান্তি নিশ্চিত করার জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কর্তৃক প্রণীত হয়েছে। ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে নামাজ ও রোজা ধনী-গরিব, স্বাধীন-দাস নির্বিশেষে সামর্থ্যবান সবার জন্য দৈনন্দিন ও বাৎসরিক ফরজ ইবাদত। তাই জীবনের কর্মব্যস্ততা বা জটিলতা যতই থাকুক না কেন, পবিত্র কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আবশ্যিক কর্তব্য।

আজ মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ইংরেজি (২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বাংলা, ১৫ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের অফিশিয়াল সময়সূচি দেওয়া হলো

জোহর: ১২টা ০০ মিনিট

আসর: ৪টা ৩৬ মিনিট

মাগরিব: ৬টা ৪৬ মিনিট

এশা: ৮টা ১০ মিনিট

ফজর (আগামীকাল বুধবার, ৩ জুন): ৩টা ৪৭ মিনিট

সূর্যোদয় (আগামীকাল বুধবার): ৫টা ২৭ মিনিট

বিভাগীয় শহরের জন্য সময় পরিবর্তন

বিয়োগ করতে হবে

সিলেট: -৬ মিনিট

চট্টগ্রাম: -৫ মিনিট

যোগ করতে হবে

রংপুর: +৮ মিনিট

রাজশাহী: +৭ মিনিট

খুলনা: +৩ মিনিট

বরিশাল: +১ মিনিট

/আশিক


ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ১ জুনের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০১ ১০:২৯:৩৪
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ১ জুনের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

আজ সোমবার (১ জুন, ২০২৬), ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ১৪ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি। রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার পবিত্র নামাজের সময়সূচি এবং সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ সোমবার জোহরের নামাজের ওয়াক্ত বা সময় শুরু হচ্ছে দুপুর ১২টা ০০ মিনিটে। বিকেলে আসরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ৪টা ৩৫ মিনিটে।

সন্ধ্যার পর মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে ৬টা ৪৬ মিনিটে এবং রাতে এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ৮টা ১১ মিনিটে। এছাড়া আগামীকাল মঙ্গলবার (২ জুন) পবিত্র ফজরের নামাজের ওয়াক্ত বা সময় শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৭ মিনিটে।

সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের তথ্য অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১১ মিনিটে। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঢাকার সময়ের সাথে ১ থেকে সর্বোচ্চ ১১ মিনিট পর্যন্ত সময় যোগ বা বিয়োগ করে নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে হবে।

/আশিক


ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ৩১ ১০:১৯:২১
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

চলতি জিলহজ মাসের পবিত্র দিনগুলোর মাঝেই আজ রবিবার (৩১ মে) ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হিসাব অনুযায়ী, আজ ও আগামীকালকের জন্য নির্ধারিত নামাজের সময় নিচে দেওয়া হলো।

আজ রবিবার দুপুরের জোহরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০০ মিনিটে।

বিকেল গড়ালে আসরের নামাজের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে।

সন্ধ্যায় মাগরিবের আজান ও নামাজের সময় নির্ধারিত হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে এবং রাতের সর্বশেষ ওয়াক্ত এশার নামাজ শুরু হবে রাত ৮টা ১০ মিনিটে।

অন্যদিকে, আগামীকাল সোমবার ভোররাতের ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৭ মিনিটে।

সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে সূর্যাস্ত হবে এবং আগামীকাল নতুন ভোরের সূর্য উদয় হবে সকাল ৫টা ১১ মিনিটে।

/আশিক


৩০ মে ২০২৬: ঢাকা ও দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের নামাজের সঠিক সময়ঘণ্টা

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ৩০ ১০:৩৯:০৪
৩০ মে ২০২৬: ঢাকা ও দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের নামাজের সঠিক সময়ঘণ্টা
ছবি : সংগৃহীত

মহান আল্লাহর অসীম সন্তুষ্টি, সান্নিধ্য ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তি অর্জনের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নিয়মিত নামাজের কোনো বিকল্প নেই। পবিত্র দ্বীন ইসলামের প্রতিটি সুনির্দিষ্ট বিধান, নিয়মকানুন ও আমলের মাঝেই নিহিত রয়েছে পরম যৌক্তিকতা এবং মানবকল্যাণের এক অপূর্ব সৌন্দর্য। ইসলামে এমন কোনো কঠিন আমল বা বিধান দেওয়া হয়নি, যা একজন সাধারণ মুসলমানের জন্য দৈনন্দিন জীবনে পালন করা কষ্টকর বা অসম্ভব হতে পারে।

ইসলাম ধর্মে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজের বাইরেও আত্মিক উন্নতির জন্য কিছু অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ নফল নামাজের বিধান রয়েছে। তবে শত ব্যস্ততা বা কর্মমুখর জীবনের মাঝেও, অন্তত ওয়াক্তমতো কেবল ফরজ নামাজটুকু হলেও সঠিক সময়ে আদায় করে নেওয়া প্রতিটি মুমিনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

আজ শনিবার, ৩০ মে ২০২৬ ইংরেজি; বাংলা ১৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৩ই জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি।

ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্যের আলোকে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো

জোহর: ১১:৫৯ মিনিট

আসর: ৪:৩৬ মিনিট

মাগরিব: ৬:৪১ মিনিট

এশা: ৮:০৭ মিনিট

ফজর (আগামীকাল রোববার, ৩১ মে): ৩:৪৬ মিনিট

বিভাগীয় শহরের জন্য সময়ের তারতম্য

ঢাকার সময়ের সাথে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের মুসল্লিদের নির্দিষ্ট কিছু সময় যোগ বা বিয়োগ করে নামাজের সঠিক ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে হবে।

উক্ত সময় থেকে যত মিনিট বিয়োগ করতে হবে

সিলেট: ০৬ মিনিট

চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট

উক্ত সময়ের সাথে যত মিনিট যোগ করতে হবে

রংপুর: ০৮ মিনিট

রাজশাহী: ০৭ মিনিট

খুলনা: ০৩ মিনিট

বরিশাল: ০১ মিনিট

/আশিক


আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আজহা: জেনে নিন ঈদের রাতের অপরিসীম গুরুত্ব ও ফজিলত

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২৭ ২০:২৬:৩০
আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আজহা: জেনে নিন ঈদের রাতের অপরিসীম গুরুত্ব ও ফজিলত
ছবি : সংগৃহীত

ইসলাম ধর্মে সর্বমোট দুটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব রয়েছে, যার একটি ঈদুল ফিতর এবং অপরটি ঈদুল আজহা। প্রতি হিজরি বছরের জিলহজ মাসের ১০ তারিখে বিশ্বজুড়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ১০ই জিলহজ সারা দেশে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ঈদের আগের এই রাতটি অত্যন্ত বরকতময়, পুণ্যময় ও ফজিলতপূর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে সঠিক তথ্য না জানার কারণে অনেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ রাতটি অবহেলা ও অলসতার মধ্য দিয়ে কাটিয়ে দেন। খ্যাতনামা ইসলামি ফকিহ ও পণ্ডিতরা দুই ঈদের রাতে জেগে থেকে মহান আল্লাহর ইবাদত করাকে সুন্নত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাই এই বিশেষ রাতের কদর করা এবং এর ফজিলত ও গুরুত্ব অনুধাবন করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

ইসলামি রেওয়ায়েত অনুযায়ী, ঈদুল আজহার রাতে আন্তরিক ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে বান্দার জন্য জান্নাত অবধারিত বা আবশ্যক হয়ে যায়। বিখ্যাত সাহাবি হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে উল্লেখ আছে, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি বিশেষ রাত ইবাদতের উদ্দেশ্যে জাগ্রত থাকবে, মহান আল্লাহ তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দেন। এই নির্দিষ্ট রাতগুলো হলো—জিলহজ মাসের ৮ তারিখের রাত, জিলহজ মাসের ৯ তারিখের রাত (আরাফাত দিবসের রাত), পবিত্র ঈদুল আজহার রাত, ঈদুল ফিতরের রাত এবং পবিত্র ১৫ই শাবানের রাত (শবে বরাত)। বিখ্যাত হাদিস গ্রন্থ আত তারগিব ওয়াত তারহিব-এর দ্বিতীয় খণ্ডের ১৬৫৬ নম্বর হাদিসে এই তথ্য বর্ণিত রয়েছে।

এর পাশাপাশি ঈদের রাতে বান্দার করা কোনো বৈধ দোয়া বা মোনাজাত মহান আল্লাহর দরবার থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় না বলেও হাদিসে স্পষ্ট প্রমাণ মেলে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমার রাত, পবিত্র রজব মাসের প্রথম রাত, অর্ধ শাবানের রাত (১৫ই শাবান) এবং দুই ঈদের রাত—এই পাঁচটি বিশেষ রাতে আল্লাহর কাছে কোনো প্রার্থনা বা দোয়া করে, সেই রাতে তার কোনো আবেদনই ফিরিয়ে দেওয়া হয় না, বরং তা কবুল করা হয়। মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক গ্রন্থের ৭৯২৭ নম্বর হাদিসে এই পবিত্র ক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

ইসলামি স্কলাররা আরও জানান, ঈদের রাতে ইবাদতকারীর অন্তরাত্মা বা কলব কিয়ামতের সেই কঠিন দিনেও পুনরুজ্জীবিত থাকবে, যেদিন অন্য সবার অন্তর ভীতি ও শঙ্কায় মৃতপ্রায় হয়ে পড়বে। বিখ্যাত সাহাবি হজরত আবু উমামা বাহেলি (রা.) থেকে বর্ণিত অপর একটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কেবলই আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকালীন সওয়াব অর্জনের খাঁটি নিয়তে দুই ঈদের রাতে জেগে ইবাদত করবে, তার হৃদয় ও মন সেই মহা বিপদের দিনেও জীবিত এবং সতেজ থাকবে, যেদিন পৃথিবীর অন্য সকল হৃদয়ের অবসান বা মৃত্যু ঘটবে। সুনানে ইবনে মাজাহ গ্রন্থের ১৭৮২ নম্বর হাদিসে এই বিশেষ পুরস্কারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাই উৎসবের আমেজের পাশাপাশি ঈদের এই পবিত্র রজনীকে ইবাদতের মাধ্যমে সার্থক করে তোলা প্রত্যেক মুমিনের কর্তব্য।

/আশিক

পাঠকের মতামত: