রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ইসলামী ব্যাংক লুণ্ঠনের কারিগর: নাহিদ ইসলাম

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অবিলম্বে অপসারণ এবং তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে জাতীয় সংসদে এক বিস্ফোরক বক্তব্য দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।
নাহিদ ইসলাম স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে, ফ্যাসিবাদের দোসর এবং বিভিন্ন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে এই রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে থাকা বা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির অতীত কর্মকাণ্ড এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তাঁর ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করা হয়।
নাহিদ ইসলাম তাঁর বক্তব্যে রাষ্ট্রপতির পূর্ববর্তী বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু যখন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার ছিলেন, তখন তাঁকে তিনটি বিশেষ ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ দিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। যার মধ্যে অন্যতম ছিল খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে নিষ্কৃতি দেওয়া এবং শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলো বাতিল করা।
এ সময় তিনি ২০০১ সালের সংখ্যালঘু নির্যাতনের জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি কমিশনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এই সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর নেতৃত্বেই ২৬ হাজার বিএনপি নেতাকর্মীকে দায়ী করে একটি সাজানো প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছিল, যা ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ আন্তর্জাতিক মহলে ফায়দা লুটেছিল।
নাহিদ ইসলাম আরও অভিযোগ করেন যে, এই রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংকের দুই কোটি আমানতকারীকে পথে বসানোর জন্য দায়ী এবং জুলাই গণহত্যার সময় তিনি ফ্যাসিবাদের সরাসরি সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন। ছাত্র সমাজ গণঅভ্যুত্থানের পরপরই তাঁর অপসারণ চেয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তৎকালীন সময়ে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার দোহাই দিয়ে তাঁকে টিকিয়ে রাখা হলেও এখন নির্বাচিত সরকারের আমলে কেন তাঁকে পরিবর্তন করা হচ্ছে না, সেই প্রশ্নও তিনি তোলেন।
বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে ‘দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এবং মিথ্যুক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে নাহিদ ইসলাম সংসদকে জানান যে, এই গণহত্যার দোসরের বঙ্গভবনে অবস্থান করা বাংলাদেশের জন্য চরম দুর্ভাগ্যের বিষয়। তিনি অবিলম্বে রাষ্ট্রপতিকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
/আশিক
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি: শামা ওবায়েদ
জাতীয় সংসদে মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের লক্ষ্যে এক বিশেষ প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। বুধবার (২৯ এপ্রিল ২০২৬) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, সংসদে বর্তমানে যারা রয়েছেন, তারা কেউ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করেন না বরং তা হৃদয়ে ধারণ করেন। তিনি প্রস্তাব করেন যে, সংসদের ভেতরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে তাদের নামের আগে 'বীর মুক্তিযোদ্ধা' শব্দটি ব্যবহার করা উচিত, যাতে নতুন প্রজন্ম তাদের অবদান সম্পর্কে জানতে পারে।
শামা ওবায়েদ তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সংসদে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলেও অনেক মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। সংসদের ভেতরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে এই সম্মানসূচক পদবি ব্যবহার শুরু করলে সংসদের বাইরেও এর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষও মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান দিতে উৎসাহিত হবে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুঁজি করে ব্যবসা করার মানসিকতা বর্তমান সংসদ সদস্যদের নেই, বরং তারা এই চেতনাকে লালন করেই দেশ গঠনে কাজ করছেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এই প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেন। স্পিকার বলেন, ইতিমধ্যে সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সংজ্ঞায় কেবল যারা সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন তাদেরই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে এবং বাকিরা 'মুক্তিযোদ্ধা সহায়ক' হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। তিনি জানান যে, সংসদে বর্তমানে কতজন সদস্য সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন তা তাঁর সঠিক জানা নেই। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, যদি নিশ্চিত হওয়া যায় কোনো সদস্য প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞার মধ্যে পড়েন, তবে তাকে যথাযথভাবে উল্লেখ করার চেষ্টা করা হবে।
উল্লেখ্য যে, ২০২০ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে 'বীর' শব্দটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই বিধান বাতিলের একটি প্রস্তাবনা এসেছিল। বর্তমানে সংসদে শামা ওবায়েদের এই নতুন প্রস্তাবনা মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় ও সংসদীয় স্বীকৃতির প্রশ্নে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
/আশিক
আমরা কি হাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করেছি? রাজাকারের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি : পার্থ
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দাঁড়িয়ে নিজের চিরচেনা তপ্ত মেজাজে বক্তব্য দিলেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। অধিবেশনে মুক্তিযুদ্ধ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ে তাঁর স্পষ্ট ও আপসহীন অবস্থান সংসদ কক্ষের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দেয়।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ফ্লোর নিয়ে ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে অত্যন্ত কড়া বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানকে অস্বীকার বা অবমাননা করে বাংলাদেশে রাজনীতির কোনো স্থান নেই।
ব্যারিস্টার পার্থ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশকে হিন্দু-মুসলমানে ভাগ করা যাবে না। আমেরিকা-রাশিয়ায় ভাগ করা যাবে না। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যখন বলতে হবে, তখন প্রশ্ন জাগে—আমরা কার সঙ্গে যুদ্ধ করেছি? মুক্তিবাহিনী কি হাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করেছিল? না, আমরা রাজাকারের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি।” মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে পার্থ বলেন, “আমি একটা পরিষ্কার কথা বলে দিতে চাই—জুলাইকে অস্বীকার করে বাংলাদেশে কোনো রাজনীতি করার সুযোগ নাই। জুলাইয়ের আন্দোলনকে জঙ্গি আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশে রাজনীতি করা যাবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই গণহত্যার বিচার না হচ্ছে, ততক্ষণ এই দলের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।”
উল্লেখ্য, এদিন দুপুরে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সংসদে চরম হট্টগোল সৃষ্টি হয়। ফজলুর রহমান দাবি করেছিলেন, “মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না।” এর প্রতিবাদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমি কোন দল করব বা কোন আদর্শ অনুসরণ করব, সেটি কি উনাকে জিজ্ঞেস করে করা লাগবে? এটি আমার নাগরিক অধিকার এবং সংবিধানে এর পূর্ণ নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। আমার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা গুরুতর অপরাধ।”
ব্যারিস্টার পার্থের এই জোরালো বক্তব্য সংসদে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
/আশিক
সংসদে ডা. শফিকের হুঙ্কার: ‘দল করতে কি উনার অনুমতি লাগবে?
মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদে নজিরবিহীন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ফজলুর রহমান দাবি করেছিলেন যে, “মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না।” তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ফ্লোর নেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
জবাবে জামায়াত আমির অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলেন, “মাননীয় সংসদ সদস্য বয়সে আমার বড়, যুদ্ধে তাঁর অবদান নিয়ে কথা বলেছেন। কিন্তু নিজের অবদান বলতে গিয়ে আরেকজনের অবদানের ওপর হাতুড়ি পেটানোর অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি সরাসরি আমার আইডেন্টিটি (পরিচয়) নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, যা একটি গুরুতর অপরাধ। আমি কোন দল করব, কোন আদর্শ অনুসরণ করব—সেটির ওপর হস্তক্ষেপ করার ন্যূনতম অধিকার রাষ্ট্র বা সংবিধান কাউকে দেয়নি।”
ডা. শফিকুর রহমান স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ফজলুর রহমান তাঁর আদর্শ সিলেকশন নিয়ে কথা বলে বাড়তি অপরাধ করেছেন। তিনি এই অংশটি সংসদের কার্যবিবরণী থেকে ‘এক্সপাঞ্জ’ বা বাদ দেওয়ার দাবি জানান। তিনি আরও যোগ করেন, “সাধারণত যুক্তি যখন ফুরিয়ে যায়, মাথা তখন গরম হয়ে যায়। একটা প্রবাদ আছে—রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন। আমরা সবাই মিলে হারতে চাই না, জিততে চাই।”
সবশেষে জামায়াত আমির সংসদ সদস্যদের ঠান্ডা মাথায় যুক্তি ও সত্যনির্ভর কথা বলার আহ্বান জানান, যাতে সংসদ ও রাজনীতির প্রতি দেশবাসীর আস্থা তৈরি হয়। এর আগে ফজলুর রহমান সংসদে বলেছিলেন যে, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত করলে তিনি ‘দ্বিগুণ অপরাধ’ করছেন। এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে অধিবেশনজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করে।
/আশিক
ফেসবুকে হাসনাত আব্দুল্লাহর ‘লাল কার্ড’: কী বার্তা দিতে চাইলেন এনসিপি নেতা?
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অন্যতম প্রভাবশালী নেতা এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর একটি রহস্যময় ফেসবুক পোস্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) দিবাগত রাতে দেওয়া মাত্র দুই শব্দের এই পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।
নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন— ‘লাল কার্ড।’
নিটোল এই পোস্টটিতে তিনি কাউকে সরাসরি মেনশন না করলেও, এটি কাকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ব্যবহারকারীরা এই 'লাল কার্ড'-এর নানা ধরণের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। কেউ মনে করছেন এটি বর্তমান রাজনৈতিক কোনো পরিস্থিতির বহিঃপ্রকাশ, আবার কেউ মনে করছেন এটি প্রতিপক্ষ কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি হুঁশিয়ারি। পোস্টটির নিচে হাজার হাজার মন্তব্য ও রিয়েকশন জমা পড়ছে, যা বর্তমান রাজনৈতিক উত্তাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
/আশিক
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ফিরলেন নুসরাত তাবাসসুম: বড় ধাক্কা খেল ইসি
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে বড় জয় পেলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে তাঁর দাখিল করা মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।
গত ২২ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টা পর্যন্ত থাকলেও নুসরাত তাবাসসুম তাঁর মনোনয়নপত্রটি ৪টা ১৯ মিনিটে জমা দিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময়ের মাত্র ১৯ মিনিট বিলম্ব হওয়ায় নির্বাচন কমিশন তাঁর মনোনয়নপত্রটি বাতিল করে দিয়েছিল। ইসির এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন এনসিপি নেত্রী। আদালত শুনানি শেষে তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ দেওয়ায় আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে তাঁর অংশগ্রহণের পথ এখন সুগম হলো।
উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে গত ২২ এপ্রিল ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইসির কঠোর অবস্থানের কারণে প্রাথমিকভাবে নুসরাত তাবাসসুমের প্রার্থিতা বাতিলের তালিকায় থাকলেও আদালতের এই আদেশের ফলে তিনি এখন নির্বাচনের মূল লড়াইয়ে ফিরতে পারছেন।
/আশিক
ইন্টারনেট বন্ধ করে মানুষ খুনের হিসাব দিচ্ছে না কেউ: শফিকুর রহমান
জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদের সংখ্যা নিয়ে জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও পাল্টাপাল্টি যুক্তি উপস্থাপনের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) সন্ধ্যায় সংসদ অধিবেশনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজীব হাসানের এক সমালোচনার জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সরকারি দলের সদস্যদের দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান। মূলত শহীদের সংখ্যা এবং তাদের পরিবার পরিদর্শনের তথ্য নিয়ে এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়।
বিতর্কের শুরুতে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব হাসান প্রশ্ন তোলেন, সরকারি গেজেটে যেখানে শহীদের সংখ্যা ৮৪৪ জন এবং সর্বোচ্চ ১,৪০০ জনের কথা বলা হচ্ছে, সেখানে বিরোধীদলীয় নেতা কীভাবে ১,২০০ শহীদের বাড়িতে যাওয়ার দাবি করেন। তিনি একে ‘ইতিহাস বিকৃতি’ এবং ‘শহীদ ব্যবসা’র অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেন। এর জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি কোনো ভিত্তিহীন কথা বলেননি। প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরেই তিনি পাল্টা যুক্তি দেন যে, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলেরই যদি এক হাজারের বেশি শহীদ হয়ে থাকে, তবে ১,২০০ পরিবারের কাছে যাওয়ার হিসাবটি সেখানেই পরিষ্কার হয়ে যায়।
ডা. শফিকুর রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, জাতিসংঘের মানবাধিকার ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা ১,৪৫১ জন। তিনি দাবি করেন, তাদের কাছে প্রতিটি শহীদের পূর্ণাঙ্গ প্রোফাইল রয়েছে যা যাচাই-বাছাই করা এবং ওয়েবসাইটে সবার জন্য উন্মুক্ত। ইন্টারনেট বন্ধ রেখে মানুষ হত্যার পর গুম করার ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে কারণ অনেক পরিবার এখনো তাদের নিখোঁজ সদস্যদের খুঁজছে। পরিশেষে, তিনি সংসদ সদস্যদের আবেগপ্রবণ না হয়ে তথ্যের ভিত্তিতে দায়িত্বশীল বক্তব্য রাখার অনুরোধ জানান।
/আশিক
আমরা শুধু মত নয়, দ্বিমত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই: হাসনাত আবদুল্লাহ
জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং ‘দ্বিমত’ পোষণের অধিকার চেয়ে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। রবিবার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯টি এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে শুধুমাত্র মত প্রকাশের কারণে নাগরিকদের বাসা থেকে তুলে নিয়ে আসা হয়েছে।
হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে অতীতের আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, সেই সময় কেবল ‘সহমত’ প্রকাশের স্বাধীনতা ছিল। কিন্তু বর্তমান সংসদের কাছে তারা কেবল মত প্রকাশের নয়, বরং নির্ভয়ে ‘দ্বিমত’ প্রকাশের স্বাধীনতা চান।
তিনি বলেন, “আমরা এই সংসদে দাঁড়িয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করতে চাই। আমরা ফেসবুকে নির্ভয়ে লিখতে চাই, আমরা আর কোনো ভয়ের পরিবেশ বা ‘ব্যাক পেজ’ ব্যবহার করতে চাই না।” তিনি আরও সতর্ক করেন যে, সংসদ যেন আবার সেই পুরনো ‘দুষ্টচক্র’ বা ভিশিয়াস সাইকেলে ফিরে না যায় যেখানে বিরোধী মত দমনে মামলার ব্যবহার করা হতো।
শিক্ষাঙ্গনের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, ক্যাম্পাসগুলোতে আবারও গেস্টরুম ও গণরুমের অপসংস্কৃতি এবং বাধ্যতামূলক রাজনীতির ধারা ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা চলছে। তিনি মানবাধিকার কমিশনকে অকার্যকর করে রাখা এবং পুলিশ সংস্কার কমিশনের অর্ডিন্যান্স বাতিলেরও সমালোচনা করেন। হাসনাত আবদুল্লাহর মতে, বিভাজনের রাজনীতি করলে জুলাইয়ের আন্দোলনে পরাজিত শক্তিরাই লাভবান হবে। তাই জনগণের স্বপ্ন ও আশা পূরণে বৈষম্যহীন এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
/আশিক
শিক্ষামন্ত্রীকে সারজিস আলমের খোঁচা
এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর নকল বিরোধী অভিযানকে খোঁচা দিয়ে লেখেন, “নকল আর হবে না! কিন্তু পরীক্ষার আগের রাতে প্রশ্ন পাওয়া যাবে।”
সারজিস আলম তাঁর পোস্টের কমেন্টে একটি লিংক শেয়ার করে আরও দাবি করেন যে, বর্তমানে টেলিগ্রাম গ্রুপে টাকার বিনিময়ে এসএসসির প্রশ্নপত্র পাওয়া যাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এদিকে, প্রশ্নফাঁসের এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে এনসিপি। সময় টেলিভিশনের একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০ এপ্রিল থেকে অনলাইনে প্রশ্নপত্র ফাঁস হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার মানোন্নয়ন বা প্রশ্নফাঁস রোধের চেয়ে পরীক্ষার হলে গিয়ে ‘রিলস’ বানানো এবং সস্তা জনপ্রিয়তাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
এনসিপির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পরীক্ষার হলে তদারকির জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষক ও পরিদর্শক রয়েছেন; মন্ত্রীর প্রধান দায়িত্ব প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, যা পালনে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে দলটি প্রশ্ন তোলে যে, প্রশ্নফাঁসের সমাধান না করে এভাবে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া কতটা যৌক্তিক।
/আশিক
ফ্যাসিবাদের পথে আ.লীগ হতে পারবে না বিএনপি: শফিকুর রহমান
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত এক বিশাল জনসমাবেশে ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও হুঙ্কার ছেড়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সমাবেশে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি বর্তমানে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পথ অনুসরণ করছে এবং জাতির সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা করছে।
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ যেভাবে বিরোধীদলকে ব্যঙ্গ করত এবং লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে কর্তৃহাঁটছে। তিনি বিএনপিকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “হাজার চেত্ববাদ কায়েম করেছিল, বিএনপিও আজ সেই একই পথে ষ্টাতেও আপনারা আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না; বড়জোর দুর্বল আওয়ামী লীগ হতে পারবেন।” তিনি আরও দাবি করেন, রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলোর বিরোধিতা করে বিএনপি জনগণের সঙ্গে বেঈমানি করছে। জুলাইয়ের অভ্যুত্থান না হলে দেশে রাজনীতি করার পরিবেশ থাকত না এবং শহীদরা রক্ত না দিলে বিএনপি ক্ষমতায় বসতে পারত না বলেও তিনি মনে করিয়ে দেন।
সমাবেশে জামায়াত আমির বলেন, যখন শহীদ পরিবারগুলো শোকাহত ছিল, তখন বিএনপি তাদের পাশে না দাঁড়িয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত ছিল। তিনি বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, নেত্রকোণায় জামায়াত নেতার ওপর হামলা এবং শাহবাগ থানায় ডাকসু নেতাদের মারধরের ঘটনা প্রমাণ করে যে, জুলাইযোদ্ধারা যেমন বাংলাদেশ চেয়েছিল, তেমনটা অর্জিত হয়নি। প্রতিটি পরিবার এবং ব্যক্তির কাছে জুলাইয়ের আন্দোলনের দায়বদ্ধতা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত এই গণসমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিটির কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, মাওলানা মামুনুল হক এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে শহীদ জাবির ইবরাহিমের মা রোকেয়া বেগমসহ শহীদ পরিবারের সদস্যরা তাঁদের আবেগঘন বক্তব্য তুলে ধরেন এবং প্রায় দুই হাজারের বেশি আহত জুলাইযোদ্ধা এই সমাবেশে অংশ নিয়ে গণভোটের দাবি জানান।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ইসলামী ব্যাংক লুণ্ঠনের কারিগর: নাহিদ ইসলাম
- ৩০ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৩০ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৩০ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ওজন অনুযায়ী প্রোটিন মেপে ডায়েট: সুস্থ থাকার সঠিক গাইডলাইন
- ইরানের শান্তি প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন ট্রাম্প: আত্মসমর্পণ না করলে উঠবে না অবরোধ
- চ্যাটজিপিটি কি অপরাধ শেখায়? সাম্প্রতিক বিতর্ক ও আসল সত্য জেনে নিন
- সারাদিন পারফিউমের সুগন্ধ ধরে রাখার জাদুকরী কৌশল
- ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের পুরনো আইন সংস্কারের ঘোষণা দিলেন আইনমন্ত্রী
- হরমুজে আটকা ২০ হাজার নাবিক: বিশ্ব অর্থনীতিতে মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা
- হজ পালনের উদ্দেশ্যে ৯৮টি ফ্লাইটে সৌদি পৌঁছেছেন ৩৯ হাজারের বেশি হাজি
- সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার শেষ: নবম পে-স্কেল কার্যকর হচ্ছে শীঘ্রই
- শত্রুরা এই অস্ত্রকে ভয় পায়, রহস্যময় সমরাস্ত্র উন্মোচনের ঘোষণা ইরানের
- মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় কাঁপছে বিশ্ববাজার: টানা ৯ দিন বাড়ল তেলের দর
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ
- ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা: ৯ অঞ্চলের নদীবন্দরকে সতর্ক করল আবহাওয়া অফিস
- টানা দুই দিনে বড় দরপতন: স্বর্ণের বাজারে বাজুসের বড় মূল্য সমন্বয়
- নৌ-অবরোধ না তুললে নজিরবিহীন পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিল ইরান
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- চট্টগ্রাম ও ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে মেগা প্রজেক্টের ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- এখন থেকে এনআইডি আবেদনে যা যা লাগবে: নতুন নির্দেশনা জারি করল ইসি
- এটা বড় ব্লান্ডার, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলা নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর
- ইরানকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দিল পাকিস্তান: জারি হলো নতুন আদেশ
- নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে বুড়িঘাট ইয়ুথ ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
- ঝড়ের তাণ্ডবে কুমিল্লায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়: ৩৫ ট্রান্সফরমার নষ্ট, অন্ধকারে ২৭ হাজার গ্রাহক
- কুমিল্লায় প্রবেশমুখ এখন অনিরাপদ ও মরণফাঁদ
- মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের আল্টিমেটাম দিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার বক্তব্য
- পুলিশ-সাংবাদিক সুসম্পর্ক গড়তে ইউনেস্কোর নতুন প্রশিক্ষণ প্রকল্প
- যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালি! বিশ্ব বাণিজ্যে মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা
- অর্থনৈতিক যুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে ট্রাম্প: ইরান কি পারবে নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচতে?
- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি: শামা ওবায়েদ
- বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ নারী সংসদ সদস্য
- আলোচনার সময় শেষ! ইরানকে চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক পোস্ট
- বিশ্ববাজারের অজুহাতে সয়াবিন তেলের দাম বাড়াল সরকার
- ২৯ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- নারীর ক্ষমতায়নে নতুন দিগন্ত: ৩৭ হাজার পরিবার পাচ্ছে সরকারি নগদ সহায়তা
- কিডনিতে পাথর কেন হয়? প্রাণঘাতী এই ব্যথা থেকে বাঁচার ৫টি অব্যর্থ উপায়
- বৃষ্টির দিনে জম্পেশ আহার! জিভে জল আনা ‘আচারি মাংস খিচুড়ি’র সহজ রেসিপি
- দরুদ শরিফ কেন মুমিনের নিত্য আমল হওয়া উচিত?
- যুদ্ধ কি আবার শুরু হবে? ইরানি জেনারেলের বিস্ফোরক মন্তব্যে কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য
- টানা ৮ দিন বাড়ছে তেলের দাম: ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বিশ্ববাজারে তোলপাড়
- ঢাকায় নামছে ২৫০টি ইলেকট্রিক বাস! ক্লিন ও গ্রিন সিটির মেগা প্ল্যান জানালেন প্রধানমন্ত্রী
- ৩ বছর জ্বালানি দেবে রাশিয়া: রূপপুর প্রকল্পে ইউরেনিয়াম নিয়ে চিন্তা নেই
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- হামলা নয়, অবরোধ! ইরানকে কোণঠাসা করতে ট্রাম্পের ‘দীর্ঘমেয়াদী’ মাস্টারপ্ল্যান
- প্রতিদিন ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পড়লে মিলবে যে উপকার
- আজই সিরিজ নিশ্চিতের মিশন! কিউইদের হারিয়ে ইতিহাস গড়ার দোরগোড়ায় বাংলাদেশ
- সোনার বাজারে খুশির আমেজ; বাজুসের নতুন মূল্যে বড় ছাড়
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বনাম ডিজিটাল অসভ্যতা: গণতান্ত্রিক সংহতি রক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জ
- আবারও সস্তা হলো সোনা: আজ থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর
- রেকর্ড দামের পর এবার কি কমছে স্বর্ণ? একনজরে আজকের বাজার দর
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ১ম টি-টোয়েন্টি: সময়সূচি ও সরাসরি দেখার উপায় একনজরে
- আজ থেকেই আদানির বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমতে পারে লোডশেডিং
- ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য বন্ধ হলো আমেরিকার দুয়ার: তালিকায় বাংলাদেশও
- ঢাকার যে ১১ পাম্পে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ফুয়েল পাস
- ২৬ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৬ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ত্বক ও চুলে অ্যালোভেরার অবিশ্বাস্য উপকারিতা
- তাপদাহের পর এবার ঝড়-বৃষ্টির বড় পূর্বাভাস
- ২৬ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজ নামাজের সময়সূচি দেখে নিন
- তাপপ্রবাহের মধ্যেই ঝড়-বৃষ্টির নতুন সতর্কতা








