আওয়ামী লীগের নির্বাচন নিয়ে সরকারের ভেতরেই ভিন্নমত ও ধোঁয়াশা রয়েছে: আসিফ মাহমুদ

আওয়ামী লীগের সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম বর্তমানে আইনিভাবে নিষিদ্ধ থাকায় দলটির কোনো প্রার্থীই আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না বলে অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ফ্যাসিবাদের সহযোগী দল আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে খোদ বর্তমান সরকারের ভেতরেই তীব্র ভিন্নমত ও পরস্পরবিরোধী অবস্থান লক্ষ করা যাচ্ছে। সরকারের এক পক্ষ যেখানে দলটির অংশগ্রহণের সরাসরি বিরোধিতা করছে, সেখানে অন্য একজন উপদেষ্টা আবার শর্তসাপেক্ষে তাদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ওকালতি করছেন; যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে সরকার নিজেই দলটির পুনর্বাসন ও নির্বাচন নিয়ে সাধারণ জনগণের মাঝে একটি বড় ধরনের ‘ধোঁয়াশা’ ও সন্দেহের সৃষ্টি করেছে।
এনসিপির মুখপাত্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "একটি রাজনৈতিক দল যখন রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে অপরাধ করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ অবস্থায় থাকে, তখন তারা কোনোভাবেই দেশের কোনো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আইনি বা নৈতিক অধিকার রাখে না।" তিনি এই দ্বিধাদ্বন্দ্বের পেছনে গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়ে অভিযোগ করেন—বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের একটি গোপন অংশ এখনো বর্তমান সরকারের বিভিন্ন স্তরে ও প্রশাসনে ঘাপটি মেরে বসে আছে বলেই নির্বাচন নিয়ে সরকারের ভেতর এ ধরনের আপসকামিতা ও দ্বিধার সৃষ্টি হচ্ছে।
আসিফ মাহমুদ জানান, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বৈষম্যহীন করার লক্ষ্যে তাঁদের দল এনসিপির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে ইতিমধ্যে ‘পাঁচ দফা দাবি’ পেশ করা হয়েছে। এই পাঁচ দফার মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হলো—বর্তমানে সরকারি সিটি করপোরেশন বা পৌরসভায় ‘প্রশাসক’ পদে নিয়োজিত থাকা কোনো ব্যক্তি একই সংস্থায় মেয়র বা জনপ্রতিনিধি পদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তাঁর গুরুতর অভিযোগ, দলের এই যৌক্তিক শর্ত ও নির্বাচনী আচরণবিধি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেই অনেকে প্রশাসনের শীর্ষ পদে থেকে আগাম নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং সরকারি ক্ষমতা ও লোগো ব্যবহার করছেন।
তিনি সুনির্দিষ্টভাবে দুই সিটি করপোরেশনের বর্তমান প্রশাসকদের দিকে আঙুল তুলে বলেন, "তারা সরাসরি লাভজনক সরকারি পদে বহাল থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন, যা কোনো সুস্থ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গ্রহণযোগ্য নয়।" নির্বাচনকে প্রশ্নাতীত করতে তিনি অনতিবিলম্বে এসব প্রশাসককে পদত্যাগ করে তারপর সাধারণ প্রার্থীর মতো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জোর আহ্বান জানান।
এ ছাড়া আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা (কোরবানির ঈদ) উপলক্ষে রাজধানীর পশুর হাটগুলোর ইজারা প্রক্রিয়ায় চরম পক্ষপাতিত্ব, অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি সরকারকে অবিলম্বে পশুর হাটের ইজারা উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ করার আহ্বান জানান, যাতে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী এর সুফল লুটে নিতে না পারে।
/আশিক
৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বিকল্প ছায়া বাজেট দিল জামায়াত
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সরকারি বাজেট পেশের মাত্র দুই দিন আগে দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় চমক দিল প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আগামী অর্থবছরের জন্য সরকারের বিকল্প হিসেবে মোট ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার একটি বিশাল ও বিকল্প ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ পেশ করেছে দলটি। প্রস্তাবিত এই ছায়া বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।
আজ মঙ্গলবার (৯ জুন ২০২৬) রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই বিকল্প বাজেট ও রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা উপস্থাপন করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
ছায়া বাজেট উপস্থাপনের পাশাপাশি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা প্রকাশ করেন জামায়াতের আমির। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত গণভোটের আইনি জটিলতার দিকে ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "আমরা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েই দেশের স্বার্থে সংসদে গিয়েছিলাম। দুটি ভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু তারা (সরকার) নিজেদের স্বার্থে একটির শপথ নিলেন, আরেকটির শপথ নিলেন না। দেশের জনগণের দেওয়া গণভোটের রায়কে তারা সরাসরি অস্বীকার করলেন।
রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যদি এভাবে প্রকাশ্যে জনগণকে ধোঁকা দেয়, তাহলে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের আস্থা থাকবে কীভাবে?" তিনি সরকারকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, সংসদের দুই-তৃতীয়াংশের গায়ের জোরে সরকার বিরোধী দলের দাবি অগ্রাহ্য করে মূলত দেশের জনগণকে অপমান করেছে। দেশের ইতিহাসে গণভোটের রায় ব্যর্থ হওয়ার দলিল কোথাও নেই, কিন্তু এবারই প্রথম সেই নজিরবিহীন বিপত্তি ঘটলো। এর ফলে সমাজের আর্থিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক এমনকি সাংবাদিকতার সমস্ত জায়গায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও অবক্ষয় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং অপরাধী লোকদের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় জায়গায় বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বাজেটের লক্ষ্য ও গুণগত মান নিয়ে জামায়াতের আমির স্পষ্ট করে বলেন, "আমরা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের জন্য এই বাজেট দিচ্ছি না, এই বিকল্প বাজেট দেশের ১৮ বা ২০ কোটি মানুষের কল্যাণের জন্য। আমরা যে আর্থিক রূপরেখা জনগণের সামনে পেশ করছি, তা বাস্তবায়ন করার প্রধান শর্ত হলো—প্রশাসনিক সততা, স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা। সততা ও স্বচ্ছতা না থাকলে সরকার যে বাজেটই দিক না কেন, তা কস্মিনকালেও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।" এ সময় দেশের দীর্ঘদিনের প্রচলিত অর্থবছর (জুলাই-জুন) পরিবর্তনের এক বৈপ্লবিক প্রস্তাব এনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "আমাদের বর্তমান অর্থবছর জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত। জুন মাস সাধারণত দেশ বর্ষা, খরা ও সাইক্লোনে আক্রান্ত থাকে।
আমরা প্রতিবছর লক্ষ্য করি, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) একটা বিশাল অংশ বছরের শেষ দুই মাসে তাড়াহুড়ো করে নামমাত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়। এটি মূলত কোনো টেকসই বাস্তবায়ন নয়, এটি হচ্ছে সরকারি টাকার ‘গণ লুটপাট’, যার সুফল দেশের সাধারণ জনগণ কখনো পায় না।" এই লুটপাট বন্ধে তিনি সংসদে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের অর্থবছরকে প্রচলিত জুলাই-জুনের পরিবর্তে আন্তর্জাতিক ‘ক্যালেন্ডার ইয়ার’ বা জানুয়ারি-ডিসেম্বর মেয়াদের সঙ্গে মিলিয়ে করা হোক; তাহলে বর্ষার পানিতে দেশের জনগণের কষ্টের ট্যাক্সের টাকা প্রতিবছর ধুয়ে-মুছে সাফ হয়ে যাবে না।
/আশিক
‘মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকব’, বললেন শেখ হাসিনা
ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, একসময় সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ভেবেছিলেন তিনি। তবে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। তার ভাষায়, দেশের জনগণ, দলের নেতাকর্মী এবং গণতন্ত্রের প্রশ্নে এখন অবসর নেওয়ার সময় নয়। বরং মানুষের পাশে থাকাই তার দায়িত্ব।
মঙ্গলবার (৯ জুন) নয়াদিল্লি থেকে ভারতীয় বাংলা সংবাদমাধ্যম ‘এই সময়’-কে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে মানুষের দুর্দিনে তাদের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা দিয়ে গেছেন। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসার পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই তার পরিবারে পরিণত হয়েছিল। বর্তমানে সেই নেতাকর্মীদের অনেকেই নানা সংকটের মধ্যে রয়েছেন। তাই এমন সময়ে তাদের ছেড়ে ব্যক্তিগত বিশ্রামে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়।
রাজনীতি থেকে অবসরের প্রসঙ্গটি নতুন করে আলোচনায় আসে তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের এক বক্তব্যের পর। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, জয়ের বক্তব্য মূলত তার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রতিফলন। তিনি স্বীকার করেন যে নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার বিষয়ে তিনি বহুবার কথা বলেছেন। আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক কাউন্সিলগুলোতেও তিনি তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনার পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে বর্তমান বাস্তবতায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উপযুক্ত সময় এখনো আসেনি বলে তিনি মনে করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি স্বাভাবিক মনে করেন না। তার দাবি, গণতান্ত্রিক পরিবেশ চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ধরনের চাপের মধ্যে রয়েছেন এবং দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। এমন একটি সময়ে তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালে জনগণের প্রতি নিজের দায়িত্ব পালন করা হবে না বলে মনে করেন।
ক্ষমতার প্রতি ব্যক্তিগত কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার মূল লক্ষ্য জনগণের নিরাপত্তা, উন্নত জীবনমান, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা। এসব লক্ষ্য অর্জনের পর এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে প্রস্তুত করতে পারলেই তিনি অবসরের কথা বিবেচনা করবেন।
দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের সম্পত্তি নয়। দলের নেতৃত্ব কাউন্সিলের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে। যোগ্যতা, ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা, আদর্শিক দৃঢ়তা এবং কর্মীদের আস্থার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের অনেক প্রবীণ নেতা দীর্ঘদিন ধরে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং নানা নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করেছেন। তাদের অবদান যেমন মূল্যবান, তেমনি নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বও দলের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়েও অনেক তরুণ নেতা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দলীয় কার্যক্রম ধরে রেখেছেন এবং তারাই আগামী দিনের আওয়ামী লীগের শক্তি।
বাংলাদেশে ফেরার প্রসঙ্গেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে অতীতে কেউ মুছে ফেলতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। জনগণের সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি এবং সেই শক্তির ওপর আস্থা রেখেই তিনি দেশে ফিরবেন বলে বিশ্বাস করেন।
সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আপাতত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বে বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে ভবিষ্যতে দলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে নতুন প্রজন্মের দেশপ্রেমিক ও দক্ষ নেতাদের সামনে নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। তার মতে, দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর দলের সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং নেতৃত্বের নবায়ন প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে নেওয়া হবে।
-রাফসান
প্রধানমন্ত্রীকে আ. লীগ নেতার চিঠি: কী আছে সেই ভাইরাল চিঠিতে?
ক্ষমতাচ্যুত ও রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের পিরোজপুর ভান্ডারিয়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলামের একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হয়ে চরম তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। নিজের ঠিকাদারি ব্যবসা ও বিল টিকিয়ে রাখতে খোলস বদলে চিঠিটিতে তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘প্রাণঢালা অভিনন্দন’ জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক প্যাড এড়িয়ে নিজের মালিকানাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘ইফতি ইটিসিএল প্রাইভেট লিমিটেড’-এর প্যাডে লেখা এই চিঠিটি গত ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকে বিদেশে পলাতক থাকা এই নেতার এমন ‘পল্টি’ মারার ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।
ফাঁস হওয়া চিঠির বিবরণ অনুযায়ী, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান মিরাজুল। বর্তমান সরকারের ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা’ ও ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি চিঠিতে লেখেন, "জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি জনসমর্থন নিয়ে আপনার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হওয়ায় প্রাণঢালা অভিনন্দন।
আপনার রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্ব ইতোমধ্যে দেশের জনগণের কাছে সীমাহীন আশার সঞ্চার করেছে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির প্রধান হিসেবে আপনার এবার জনগণকে দেওয়ার পালা।" অথচ চিঠির আসল উদ্দেশ্য লুকিয়ে ছিল এর পরের অংশে। মূলত স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় পিরোজপুর জেলায় চলমান তাঁর প্রতিষ্ঠানের কোটি কোটি টাকার ঠিকাদারি প্রকল্পের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়ে নেওয়ার তদবির হিসেবেই এই স্তাবকতা করা হয়েছে।
দল নিষিদ্ধ এবং নিজে বিদেশে পলাতক থাকা অবস্থায় একজন শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতার এমন ভোলবদল ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো চিঠি ফাঁসের বিষয়ে ভান্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, ঠিকাদারি ব্যবসার লাইসেন্স বাতিল হওয়া ঠেকানো এবং এলজিইডির ঝুলে থাকা প্রকল্পের সময়সীমা বাড়াতেই এই আওয়ামী লীগ নেতা আদর্শ বিসর্জন দিয়ে রাতারাতি ভোল পাল্টেছেন।
/আশিক
মনুষ্যত্ব এখন টাকার কাছে বিক্রি হচ্ছে: রাশেদ খাঁন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণকে কেন্দ্র করে বিরিয়ানি ও উপহারের বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের বিবেক কেনা হচ্ছে এবং মনুষ্যত্ব এখন টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা ও ডাকসুর সাবেক ছাত্রনেতা রাশেদ খাঁন। আজ শনিবার (৬ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্ররাজনীতি ও একদল শিক্ষার্থীর আচরণ নিয়ে এই মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, “শিবির যেভাবে নবীনবরণে খাওয়াচ্ছে, আগামীর ডাকসু শিবিরের! ঠিক এভাবেই বলছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থী! আরও যারা বক্তব্য দিয়েছে, ঠিক একই রকম কথা। তারমানে বিরিয়ানির বিনিময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি অংশের বিবেক কেনা যাচ্ছে! সত্যিই অবাক হয়েছি।”
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন, “আমাদের সময়ও এত থার্ডক্লাশ মনুষ্যত্ব শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখি নাই। মনুষ্যত্ব এখন টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে! ঠিক গত ডাকসু নির্বাচনেও ওয়েলফেয়ার ম্যাকানিজমের নামে টাকা বিতরণ করে ও বিরিয়ানি খাওয়ায়ে শিক্ষার্থীদের একটি অংশের বিবেক কিনেছে শিবির! এ জন্যই ডাকসুর অতীত ঐতিহ্য ও গুরুত্ব আর নাই!” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেকে লজ্জিত ও ব্যথিত দাবি করে তিনি বলেন, যতদিন না বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্র হবে, ততদিন সামান্য টাকা ও বিরিয়ানি দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিবেক কেনাবেচা বন্ধ হবে না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালী অতীতের কথা স্মরণ করে এই ছাত্রনেতা লেখেন, একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় মাহমুদুর রহমান মান্না ভাইয়ের বক্তব্য শোনার জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ক্লাসরুম ছেড়ে বারান্দায় এসে দাঁড়িয়ে থাকত, আর এখন শিক্ষার্থীরা অপেক্ষা করে কোন সংগঠন নবীনবরণে সামান্য উপহার আর বিরিয়ানি খাওয়াবে।
ববি হাজ্জাজের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘কোচিং সেন্টার’ বলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, “আজকাল মনুষ্যত্ব চর্চার থেকে মনুষ্যত্ব বিক্রি বেশি হয়! এর হাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে রক্ষার জন্য মনুষ্যত্বসম্পন্ন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সক্রিয় হতে হবে।” পরিশেষে, ছাত্রশিবির কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের দলীয় কোচিং সেন্টারের মতো বানানোর অপচেষ্টা এবং নষ্ট ও বিবেক কেনার রাজনীতি থেকে ঢাবিকে বাঁচাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন।
/আশিক
আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে যেখানে গিয়েছিল, বিএনপি ৩ মাসেই সেখানে গেছে: আসিফ মাহমুদ
বিএনপি সরকার মাত্র তিন মাসের মাথায় এসে দেশের শাসন পরিচালনায় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে এবং ইতোমধ্যে একটি অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি মন্তব্য করেছেন, “প্রশাসন পরিচালনা এবং গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যর্থতাসহ সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে বিএনপি জনগণের আস্থা হারিয়েছে।
অতীতে আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে যে অবস্থায় পৌঁছেছিল, বিএনপি সরকার মাত্র তিন মাসেই সেই একই অবস্থানে পৌঁছে গেছে।” আজ শনিবার (৬ জুন) দুপুরে কুমিল্লার একটি পার্টি সেন্টারে আয়োজিত এক রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কড়া সমালোচনা করেন।
আসিফ মাহমুদ তাঁর বক্তব্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা তুলে ধরে বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ‘মব জাস্টিস’ বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া বন্ধের বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে দেশজুড়ে মব জাস্টিসের ঘটনা আরও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সরকারদলীয় লোকজনের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে বিএনপি বরাবরই অত্যন্ত দুর্বল পারফরম্যান্স করে। সরকার শুরুতে ঘোষণা দিয়েছিল যে আগামী দুই বছর বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না, অথচ মাত্র দুই মাসের মধ্যেই বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন জ্বালানির দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এর সরাসরি প্রভাবে দেশের জ্বালানিনির্ভর বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। আসিফ মাহমুদের দাবি, শেখ হাসিনা সরকারের দীর্ঘ ১৭ বছরের আমলে যে পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল, বর্তমান সরকার মাত্র তিন মাসেই সেই পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়ে সফল হয়েছে, যার চূড়ান্ত খেসারত ও ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষকে। উক্ত অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আসা শতাধিক নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগদান করেন এবং তাদেরকে ফুলের মালা পরিয়ে দলে বরণ করে নেন আসিফ মাহমুদ।
/আশিক
হাদি হত্যা মামলার বাদী জাবের কেন? প্রশ্ন তুললেন বোন মাসুমা হাদি
শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী হিসেবে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন নিহতের বোন মাসুমা হাদি। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে ‘মিথ্যাচার’ ও ‘নোংরা প্রচারণা’ চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
শুক্রবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি পুরো ঘটনার পটভূমি তুলে ধরেন এবং মামলার বাদী নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
মাসুমা হাদি লিখেছেন, ভাইয়ের হত্যা মামলার বাদী প্রসঙ্গে এতদিন তিনি কোনো কথা বলতে চাননি। কারণ, পরিবারের বিরুদ্ধে আরও বড় ষড়যন্ত্র হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে গত দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মামলার বাদী হওয়া নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য ও বিতর্ক তৈরি হওয়ায় তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করার প্রয়োজন অনুভব করেছেন।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর হাসপাতালেই ছিলেন
স্ট্যাটাসে ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার দিনের ঘটনাও তুলে ধরেন মাসুমা হাদি। তিনি জানান, ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়ার পরই তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছান।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে পৌঁছানোর পর থেকে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ভাইকে ছেড়ে কোথাও যাননি। এমনকি হাসপাতালের নিচতলাতেও নামেননি।
‘আমি উপস্থিত থাকাকালে জাবেরের স্বাক্ষর নেওয়া হলো কেন?’
মাসুমা হাদি প্রশ্ন তুলে বলেন, তিনি হাসপাতালে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের লোকজন কেন আব্দুল্লাহ আল জাবেরের কাছ থেকে মামলার কাগজে স্বাক্ষর নিলেন, সেটির ব্যাখ্যা প্রয়োজন।
তার দাবি, এ বিষয়ে তিনি একাধিকবার প্রশ্ন করেছেন। তাকে জানানো হয়েছিল যে, ওসমান হাদির ভাই ওমর ফারুকের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি তখন চিকিৎসা নিয়েই ব্যস্ত থাকার কথা বলেন এবং পরে আইনি বিষয় দেখার কথা উল্লেখ করেন।
মাসুমা হাদি বলেন, “ওই সময় ওমরের মানসিক অবস্থা কী ছিল, তা সবাই অনুভব করতে পারবেন। একই রিকশায় থাকা দুই ভাইয়ের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। আরেকটি গুলি বের হলে ওমরও হয়তো একই পরিণতির শিকার হতেন।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার পর ওমরের পোশাক, হাতের ঘড়ি এমনকি শরীরেও ওসমান হাদির রক্তের দাগ লেগে ছিল।
‘কার অনুমতিতে জাবের বাদী হলেন?’
মামলার বাদী নির্ধারণের বিষয়ে মাসুমা হাদি বলেন, “জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তাহলে হয়তো কোনো প্রশ্নই থাকত না। কিন্তু ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে, সেটা যারা তাকে চিনেন সবাই জানেন।”
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, পরিবারের সঙ্গে আলোচনা না করে কিংবা তার অনুমতি ছাড়া কীভাবে জাবের মামলার বাদী হলেন, সেটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
ওমরকে ঘিরে সমালোচনারও জবাব
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওসমান হাদির ভাই ওমর ফারুককে ঘিরে কিছু সমালোচনারও জবাব দেন মাসুমা হাদি।
তিনি জানান, ওমর যে ঘড়ি, ব্লেজার বা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, সেগুলো বহু বছর আগে কেনা। সাম্প্রতিক সময়ে অর্জিত কোনো বিলাসী সম্পদ নয়। এ নিয়ে ‘না জেনে নোংরামি না করার’ আহ্বান জানান তিনি।
চিকিৎসার উদ্যোগ প্রথমে নিয়েছিলেন ওমর
ওসমান হাদির চিকিৎসা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন মাসুমা হাদি। তার দাবি, এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চাইলেও পরিবার তখন তা গ্রহণ করেনি। প্রথম উদ্যোগটি নিয়েছিলেন ওমর ফারুক নিজেই।
মাসুমা হাদির ভাষ্যমতে, ওমর প্রথমে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠান। সেখান থেকে সাড়া না পাওয়ার পর থাইল্যান্ডে যোগাযোগ করেন এবং নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে চিকিৎসা ও যাতায়াতের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেন।
পরবর্তীতে সরকার বিষয়টি জানার পর চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং দ্বিতীয় দফায় সিঙ্গাপুরে কাগজপত্র পাঠালে সেখানকার হাসপাতাল রোগী গ্রহণে সম্মত হয়।
‘সম্মান করতে না পারলেও অসম্মান করবেন না’
দীর্ঘ পোস্টের শেষ অংশে মাসুমা হাদি বলেন, ভাইকে হারানোর শোক নিয়েই তিনি এতদিন নীরব ছিলেন। কিন্তু পরিবারের বিরুদ্ধে চলমান নানা অভিযোগ ও সমালোচনার কারণে এবার মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছেন।
তিনি বলেন, “একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকেও সম্মান করতে হবে। সম্মান করতে না পারলেও অন্তত কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কারও নেই।”
তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী নির্ধারণ এবং ঘটনার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া নিয়েও নতুন প্রশ্ন সামনে এসেছে।
এমপি হতে আওয়ামী লীগের সুবিধা নেন হান্নান মাসুদ: রাশেদ খান
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক এবং নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসুদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সুবিধা নিয়ে এমপি হওয়ার গুরুতর ও বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, ক্ষমতার লোভে কারা শহীদের রক্ত মাড়িয়ে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল।
রাশেদ খান তাঁর ফেসবুক পোস্টে সুনির্দিষ্ট তারিখ ও স্থান উল্লেখ করে দাবি করেন, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মাত্র দুই দিন পর, অর্থাৎ ৭ আগস্ট থেকেই আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন বৈঠক শুরু করেন সাবেক সমন্বয়ক হান্নান মাসুদ। পোস্টে বলা হয়, ৭ আগস্ট আনুমানিক রাত সাড়ে আটটায় বেইলি রোডের একটি কেএফসি আউটলেটে হাতিয়া অঞ্চলের আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে তাঁর প্রথম বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে জাহাজমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন ও তাঁর ভাতিজা রাজুসহ বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, বেইলি রোডের পর গত ১২ ও ১৫ আগস্ট রাজধানীর বাংলামোটরের ‘ওয়াটারফল রেস্টুরেন্ট’-এ দ্বিতীয় দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২২ আগস্ট ‘হোটেল ফার্স’-এ আরেকটি বৈঠক হয়, যার একটি ছবিও তিনি প্রকাশ করেছেন। রাশেদ খানের বিবরণ অনুযায়ী, ওই ছবিতে উপস্থিত ছিলেন চরঈশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম আজাদ ওরফে পিচ্চি আজাদ, সোনাদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়া, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেরাজ উদ্দিন, তমরদ্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন বাবু এবং যুবলীগ নেতা মাহতাব উদ্দিন রতনসহ স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান স্পষ্ট করে বলেন, এসব গোপন বৈঠকের মূল এজেন্ডা বা আলোচ্য বিষয়ই ছিল—কীভাবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সমর্থন ও সমঝোতা নিশ্চিত করে হান্নান মাসুদ হাতিয়ার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। অর্থাৎ, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্ত শুকানোর আগেই তিনি নিজের আখের গোছাতে আওয়ামী লীগের সাথে এই লিয়াজোঁর বন্দোবস্ত করেছিলেন। পোস্টের শেষাংশে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে রাশেদ খান বলেন, “এবার আমাকে কন—কারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য শহীদের রক্ত মাড়িয়ে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন শুরু করে?” এই বিস্ফোরক পোস্টের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
/আশিক
আওয়ামী লীগের ফাঁদে পা দিয়ে তাদের ফেরানোর পাঁয়তারা করছে সরকার: আসিফ মাহমুদ
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে ‘জাতীয় বাজেটে তারুণ্যের অংশীদারিত্ব: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তাঁরা সরকারের সাম্প্রতিক বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন।
সভায় আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, “সরকার প্রিপেইড মিটারের চার্জ কমানোর নামে আসলে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং এর মাধ্যমে দেশকে আরও বেশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।” দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “দেশ মারাত্মকভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির দিকে ধাবিত হচ্ছে।” এর পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনলাইন বেটিং (জুয়া) সংক্রান্ত নতুন আইন নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেন এনসিপির এই মুখপাত্র।
একই সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “জাতীয় বাজেটে যদি তরুণদের প্রকৃত অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা না যায়, তবে এই সরকারের পরিণতিও আওয়ামী লীগের মতোই হবে।” সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বলে আখ্যা দেন তিনি।
আলোচনা সভায় এনসিপি নেতারা অভিযোগ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এক প্রকার আওয়ামী লীগের পাতা ফাঁদে পা দিচ্ছে এবং তাদের পুনর্বাসন বা ফিরিয়ে আনার পাঁয়তারা করছে। সভা শেষে সরকারের এসব নীতির প্রতিবাদে এবং বিভিন্ন দাবিতে এনসিপি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মশাল মিছিল বের করে দলটির নেতাকর্মীরা।
/আশিক
বিএনপির পক্ষ থেকে যুবদলের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। এতে আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত ও প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি গঠনের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
অনুমোদিত এই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ৩০ জন সহ-সভাপতি, ৩০ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২৩ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন। এছাড়া কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মো. কামরুজ্জামান জুয়েল এবং প্রচার সম্পাদক হিসেবে আল মেহেদী তালুকদার দায়িত্ব পেয়েছেন। দপ্তরের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়াকে।
১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তালিকা তুলে ধরা হলো
সভাপতি ও সহ-সভাপতিবৃন্দ
১. সভাপতি: আবদুল মোনায়েম মুন্না
২. সিনিয়র সহ-সভাপতি: রেজাউল কবীর পল
৩. সহ-সভাপতি: জিয়াউর রহমান জিয়া
৪. সহ-সভাপতি: কামাল আনোয়ার আহাম্মদ
৫. সহ-সভাপতি: মাহফুজুর রহমান মাহফুজ
৬. সহ-সভাপতি: জাহাঙ্গীর আলম দুলাল
৭. সহ-সভাপতি: শাহ আলম চৌধুরী
৮. সহ-সভাপতি: সাইদুর রহমান
৯. সহ-সভাপতি: সাব্বির আহমেদ দিপু
১০. সহ-সভাপতি: আবদুল জব্বার খান
১১. সহ-সভাপতি: খন্দকার এনামুল হক এনাম
১২. সহ-সভাপতি: শরীফ উদ্দীন জুয়েল
১৩. সহ-সভাপতি: ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ
১৪. সহ-সভাপতি: রফিক আহমেদ ডলার
১৫. সহ-সভাপতি: সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু
১৬. সহ-সভাপতি: মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ
১৭. সহ-সভাপতি: মাহমুদুস সালেহীন
১৮. সহ-সভাপতি: আতিকুর রহমান আতিক
১৯. সহ-সভাপতি: জাকির হোসেন উজ্জল
২০. সহ-সভাপতি: এইচ এম তসলিম উদ্দিন
২১. সহ-সভাপতি: নাজমুল আলম নাজু
২২. সহ-সভাপতি: মো. আনোয়ারুল হক
২৩. সহ-সভাপতি: আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র)
২৪. সহ-সভাপতি: রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য)
২৫. সহ-সভাপতি: ফেরদৌস আহমেদ মুন্না
২৬. সহ-সভাপতি: তরিকুল ইসলাম টিটু
২৭. সহ-সভাপতি: ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
২৮. সহ-সভাপতি: মঞ্জুরুল আজিম সুমন
২৯. সহ-সভাপতি: আজিজুর রহমান আকন্দ
৩০. সহ-সভাপতি: নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)
সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ
৩১. সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন
৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: বিল্লাল হোসেন তারেক
৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: ্মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মনিরুল ইসলাম সোহাগ
৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আবু আতিক আল হাসান মিন্টু
৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শাহ নাসির উদ্দিন রুমন
৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: কফিল উদ্দিন ভূইয়া
৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মঈনুদ্দীন রুবেল
৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আজহারুল ইসলাম মিলন
৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: এজমল হোসেন পাইলট
৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: ইখতিয়ার রহমান কবির
৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: রবিউল ইসলাম নয়ন
৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: সাজ্জাদুল মিরাজ
৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মিঞা মোহাম্মদ রাসেল
৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আবদুল করিম সরকার
৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শফিকুল ইসলাম shafik
৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা
৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আবুল মনসুর খান দীপক
৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: খন্দকার আল আশরাফ মামুন
৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আইয়ুব খান
৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শামসুজ্জোহা সুমন
৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: তারেক উজ জামান তারেক
৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শোয়াইব খন্দকার
৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আশরাফুর রহমান বাবু
৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আসাদুজ্জামান আসাদ
৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মো. আবদুল ওয়াহাব
৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব)
৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: এম তমাল আহমেদ
৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: সাজেদুল ইসলাম
৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)
সহ-সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ
৬১. সহ-সাধারণ সম্পাদক: হাসান আল মামুন লিমন
৬২. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মাসুদ খান পারভেজ
৬৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক: এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল
৬৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ
৬৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক: গিয়াসউদ্দিন মামুন
৬৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মামুন হোসেন ভূইয়া
৬৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক: রাহাদুল আলম khan
৬৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক: রুহুল ইসলাম মনি
৬৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক: জাহিদ হাসান
৭০. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আবু বকর সিদ্দিক পাভেল
৭১. সহ-সাধারণ সম্পাদক: খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন
৭২. সহ-সাধারণ সম্পাদক: সাখাওয়াত হোসেন চয়ন
৭৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মাহবুবুর রহমান পলাশ
৭৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আরিফুল হক আরিফ
৭৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক: প্রকৌ: কামরুল হাসান khan সাইফুল
৭৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মাহবুবুর রহমান
৭৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আলমগীর কবির সেলিম
৭৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ
৭৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক: এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল
৮০. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মো. মাসুদুল হক
৮১. সহ-সাধারণ সম্পাদক: সাহাবুদ্দিন মুন্না
৮২. সহ-সাধারণ সম্পাদক: সামসুল আলম রানা
৮৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আবুল বাসার সিদ্দিকী
সাংগঠনিক ও অন্যান্য সম্পাদকীয় পদসমূহ
৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. কামরুজ্জামান জুয়েল
৮৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: এম এ গাফফার
৮৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: আশরাফ ফারুকী হীরা
৮৭. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মিজানুর রহমান সুমন
৮৮. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: হাবিবুর রহমান হাবিব
৮৯. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: সোহেল আলম
৯০. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন
৯১. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: সাইদুর রহমান শামীম
৯২. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: রবিউল ইসলাম রবি
৯৩. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: আরিফুর রহমান সোহেল
৯৪. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মাইনুল ইসলাম
৯৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: খন্দকার রিয়াজ
৯৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. রাশেদুল ইসলাম রিপন
৯৭. প্রচার সম্পাদক: আল মেহেদী তালুকদার
৯৮. সহ-প্রচার সম্পাদক: তারেকুর রহমান
৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: আশরাফ জালাল খান মনন
১০০. সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: সাইদুর রহমান সোহেল
১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: আমিনুর রহমান আমিন
১০২. কোষাধ্যক্ষ: রোকনুজ্জামান রোকন
বিষয়ক ও সহ-বিষয়ক সম্পাদকবৃন্দ
১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক
১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. ইউনুস আলী রবি
১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ
১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল
১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. গাজী মো. মাসকুরুল আলম সৌরভ
১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক: কৃষিবিদ সানোয়ার আলম
১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন
১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক: পার্থ দেব মন্ডল
১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক: কারীমুল হাই নাঈম
১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক: সাজিদ হাসান বাবু
১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক: আনোয়ার হোসেন জনি
১১৪. সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক: মো. মেজবাহউদ্দিন মেজু
১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক: মাজেদুল ইসলাম রুমন
১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: মহিন উদ্দিন রাজু
১১৭. সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: সাইদুর রহমান রয়েল
১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: মাহমুদুল হাসান বাপ্পী
১১৯. সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: খোরশেদ আলম
১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক: মোস্তাফিজুর রহমান
১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক: কামরুজ্জামান নান্নু
১২২. ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক: সৈয়দ মাহমুদ
১২৩. সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক: আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার
১২৪. সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক: খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী
১২৫. সহ-জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক: মো. বেলাল হোসেন
১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: কে এস এম মুসাব্বির শাফী
১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: ইমরান আহমেদ প্রিন্স
১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক: শাহজাহান রনি
১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. গালিব হাসান
১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. বেলাল হোসেন নাজিম
১৩১. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন
১৩২. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল
১৩৩. সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক: মো. জাহিদ হাসান
১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা): খায়রুজ্জামান লিঙ্কন
১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): এ আর মামুন খান
১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ
১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার
১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক: আরাফাত বিল্লাহ খান
১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক: হেদায়েত হোসেন ভূইয়া
১৪০. সহ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক: রাশেদ আল আমিন শুভ
নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ
১৪১. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): আমিনুল ইসলাম khan
১৪২. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): মাহবুব শিকদার
১৪৩. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): মহসীন বিশ্বাস
১৪৪. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): জহিরুল ইসলাম বিপ্লব
১৪৫. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু
১৪৬. সদস্য: আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ
১৪৭. সদস্য: নাজিম উদ্দিন মিঠু
১৪৮. সদস্য: মাহমুদুল করিম সজল
১৪৯. সদস্য: সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন
১৫০. সদস্য: মো. এমরান হোসেন শাহীন
১৫১. সদস্য: ফখরুল বিন খালেক।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- আওয়ামী লীগের নির্বাচন নিয়ে সরকারের ভেতরেই ভিন্নমত ও ধোঁয়াশা রয়েছে: আসিফ মাহমুদ
- খেলা আর না হলেও জিতবে বাংলাদেশ
- ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংসদে হট্টগোল: জামায়াতের তোপের মুখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বিপুল সংখ্যক নারী পুলিশ নিয়ে মমতার বাড়ির দপ্তরে হানা দিল সিআইডি
- ইরান ও ইসরায়েল বড় যুদ্ধ থামিয়ে বিষয়টি এখানেই চুকিয়ে দিয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- ইতিহাস গড়ে মেলবোর্নে তাসকিনের রাজকীয় শুরু
- উচ্চশিক্ষায় বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা; গণমাধ্যমের খবরের কড়া জবাব দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
- কম্পিউটার ও স্বর্ণালঙ্কারে সুখবর: বাজেটে দাম কমতে পারে যেসব পণ্যের
- ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বিকল্প ছায়া বাজেট দিল জামায়াত
- প্রত্যেক নাগরিককে বিবেচনায় রেখে নতুন বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু
- ভারতের পরমাণু নীতিতে ঐতিহাসিক বদল: প্রথমবারের মতো ১২টি ওয়ারহেড সরাসরি মোতায়েন
- ৯ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ৯ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৯ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- মাত্র ২০ মিনিটে তৈরি করুন সুস্বাদু আমের মালাই পুডিং
- ‘মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকব’, বললেন শেখ হাসিনা
- বৃষ্টি নামলেই কেন দোয়া করবেন? জানুন হাদিসের নির্দেশনা
- হরমুজের আকাশে মার্কিন হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, কী ঘটেছে?
- গ্রীষ্মের কালো রত্ন জাম, জানুন অবিশ্বাস্য উপকারিতা
- বাংলা ও দর্শন বিভাগ তুলে দেওয়ার খবর কি সত্য? যা জানাল মন্ত্রণালয়
- ডায়াবেটিস থাকলে কতটুকু আম খাওয়া নিরাপদ?
- টিভি ও মোবাইলে বিশ্বকাপ দেখার পূর্ণ গাইড
- অর্থনীতিতে নতুন গতি? একনেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব
- ডলারের নতুন দর কত? আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
- মেগা করছাড়ের বাজেট, কমবে-বাড়বে যেসব পণ্যের দাম
- আজ কোথায় শপিং করবেন, কোথায় নয়? নিন বন্ধের মার্কেট তালিকা
- এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা
- সোনার বড় মূল্যহ্রাস, জানুন আজকের দর
- বাজেটে করছাড়ের মহাপ্যাকেজ, কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম
- বাজেটে আসছে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বড় সুখবর
- ইউরেনিয়াম কর্মসূচিতে ছাড় নয়, ট্রাম্প হলেন ‘অবিশ্বস্ত’- ইরান
- আজকের নামাজের সময়সূচি, কখন কোন ওয়াক্ত?
- ১৬ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, ঢাকায় আবহাওয়া থাকবে যেমন
- বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে মিলবে রেকর্ড প্রাইজমানি, কত সেই টাকা
- দুই সপ্তাহে ‘চূড়ান্ত বিজয়’, নতুন বার্তা ট্রাম্পের
- বিদ্যুৎ বিভ্রাট, আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজকের খেলার সূচি, কখন কোথায় দেখবেন?
- নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের, ইরানে হামলা বন্ধের চাপ
- বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে বাধা: মেঘালয়ে ভারতীয় গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ
- আমূল বদলাচ্ছে কারিকুলাম: বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে আগামী বছর ব্যাপক পরিবর্তন
- ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানে বিমান হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করল ইসরায়েল
- স্বাধীনতার নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় নোংরামি বন্ধ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মাঝে আবারও অনিশ্চয়তা!
- বিশ্বের বুকে দক্ষ ও পেশাদার কর্মী পাঠাতে নিরলস কাজ করছে সরকার: নুরুল হক নুর
- ইসরায়েলে সামরিক অভিযান স্থগিত করল ইরান
- রাসিক প্রশাসকের ফ্রান্স সফর বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী: অপচয় রোধে কঠোর প্রশাসন
- ৮ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১১ জুন শুরু ফুটবল ইতিহাসের বৃহত্তম বিশ্বকাপ; জেনেনিন ৫টি মূল বৈশিষ্ট্য
- সাহারার মৃত্যুফাঁদে ৪৯ প্রাণ: বিকল ট্রাক, ফুরিয়ে যায় পানি, মরুভূমিতেই শেষ যাত্রা
- বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে মিলবে রেকর্ড প্রাইজমানি, কত সেই টাকা
- ৩ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- টিভি ও মোবাইলে বিশ্বকাপ দেখার পূর্ণ গাইড
- ৪ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ৩ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ৩ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের, ইরানে হামলা বন্ধের চাপ
- স্বর্ণ কিনতে সুখবর, এক লাফে কমল স্বর্ণের দাম
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
- ৮ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ৭ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- মেগা করছাড়ের বাজেট, কমবে-বাড়বে যেসব পণ্যের দাম
- নেপালকে বধ করে টানা তৃতীয়বার সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ








