ঈদ শপিংয়ে অনলাইন জালিয়াতি থেকে বাঁচবেন যেভাবে; ৬টি জরুরি টিপস

অনলাইন কেনাকাটার জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রতারক চক্রের দৌরাত্ম্য। বিশেষ করে ঈদকে সামনে রেখে ফেসবুক বা বিভিন্ন ভুয়া ওয়েবসাইটে আকর্ষণীয় অফারের আড়ালে ওত পেতে থাকে জালিয়াতরা। একটু অসতর্ক হলেই শখের কেনাকাটা পরিণত হতে পারে দুঃস্বপ্নে। অনলাইন শপিংয়ে প্রতারণা এড়াতে এবং আপনার শপিংকে নিরাপদ করতে বিশেষজ্ঞরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রথমেই ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে ‘https’ এবং একটি লক (Lock) আইকন আছে কি না তা দেখে নিন। ভুয়া বা ফিশিং সাইটে সাধারণত এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে না। এছাড়া অপরিচিত কোনো পেজ বা সাইট থেকে অর্ডারের আগে অবশ্যই তাদের কাস্টমার রিভিউ ও রেটিং যাচাই করে নেওয়া উচিত। অনেক সময় অবিশ্বাস্য ছাড়ের (যেমন: ৮০-৯০ শতাংশ ডিসকাউন্ট) প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করা হয়, যা আসলে একটি বড় ফাঁদ।
লেনদেনের ক্ষেত্রেও বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। যেকোনো সাইটে নিজের কার্ডের তথ্য বা পিন নম্বর দেওয়ার আগে তার বিশ্বস্ততা যাচাই করুন। সম্ভব হলে ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ বা পণ্য হাতে পেয়ে টাকা দেওয়ার অপশনটি বেছে নিন। ডেলিভারি ও রিটার্ন পলিসি আগেভাগেই পড়ে রাখা ভালো, যাতে পণ্য পছন্দ না হলে বা ভুল পণ্য এলে ফেরত দেওয়া সহজ হয়। মনে রাখবেন, ই-মেইল বা মেসেজে আসা অজানা কোনো লিংকে ক্লিক করে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা মানেই নিজেকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া।
/আশিক
দৃষ্টিহীনের চোখে ফিরবে আলো! লিকুইড কর্নিয়ায় বিজ্ঞানের অবিশ্বাস্য সাফল্য
দৃষ্টিহীনের চোখের আলো ফেরাতে এবার বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার হিসেবে হাজির হয়েছে ‘লিকুইড কর্নিয়া’। বয়সজনিত কারণে বা কোনো দুর্ঘটনায় যাদের দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে গেছে কিংবা যারা পুরোপুরি অন্ধত্বের শিকার, তাদের জন্য এটি হতে পারে এক নতুন আশার আলো। এতদিন এই সমস্যার একমাত্র সমাধান ছিল কর্নিয়া প্রতিস্থাপন, যা অত্যন্ত জটিল, সময়সাপেক্ষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু বেঙ্গালুরুর বিজ্ঞানীদের তৈরি এই বায়ো-পলিমার চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিতে যাচ্ছে।
লিকুইড কর্নিয়া মূলত হাইড্রোজেল দিয়ে তৈরি এক ধরনের বিশেষ বায়ো-পলিমার। এতে কোলাজেন, ফাইব্রিনোজোন এবং স্টেম কোষের মিশ্রণ থাকে, যা চোখের ভেতরে নতুন কোষ তৈরি করতে সক্ষম। এটি ইনজেকশনের মাধ্যমে চোখে প্রবেশ করানো হবে এবং কর্নিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে গিয়ে তা ধীরে ধীরে আসল কর্নিয়ার মতোই একটি স্বচ্ছ স্তর গঠন করবে। এর মধ্য দিয়ে আলোকরশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করতে পারবে, ফলে দৃষ্টিহীন ব্যক্তি ফিরে পাবেন তাঁর স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি।
যাদের কর্নিয়া অস্বচ্ছ হয়ে গেছে, কর্নিয়াল আলসার হয়েছে কিংবা সংক্রমণের কারণে চোখে স্থায়ী দাগ পড়ে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে গেছে, তাদের ক্ষেত্রে এই লিকুইড কর্নিয়া জাদুর মতো কাজ করবে। প্রচলিত কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে মৃত দাতার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা এবং নিখুঁত অস্ত্রোপচারের যে ঝুঁকি থাকে, লিকুইড কর্নিয়ার ক্ষেত্রে সেই ভয় নেই। বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, এটি অবিকল আসল কর্নিয়ার মতোই আচরণ করবে এবং কোনো জটিলতা ছাড়াই চোখের ভেতরেই নতুন কর্নিয়া তৈরি হবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই অভাবনীয় সাফল্য অন্ধত্ব নিবারণে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
/আশিক
ঈদের আগে চুলের জেল্লা ফেরাতে টক দই; ট্রাই করুন এই ৪টি জাদুকরী মাস্ক
সামনেই খুশির ঈদ। উৎসবের এই দিনটিতে নিজেকে সতেজ ও প্রাণবন্ত দেখাতে ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্ন নেওয়া খুবই প্রয়োজন। ঈদের আগে চুলের হারানো স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে রান্নাঘরের সাধারণ উপকরণ টক দই হতে পারে আপনার সেরা সমাধান। টক দই দিয়ে তৈরি করা যায় এমন ৪টি কার্যকরী হেয়ার মাস্কের বিস্তারিত দেওয়া হলো
১. উজ্জ্বলতা ও আর্দ্রতা ফেরাতে দই-মধু-অলিভ অয়েল
দইয়ের সঙ্গে মধু ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে একটি মাস্ক তৈরি করুন। এটি চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দই ও মধু চুলকে প্রাকৃতিকভাবে ময়েশ্চারাইজ করে, আর অলিভ অয়েল চুলের গভীরে গিয়ে আর্দ্রতা ধরে রাখে। এটি চুলকে কন্ডিশনড এবং চকচকে করে তোলে।
২. ভঙ্গুর চুলের যত্নে দই ও ডিম
দুর্বল ও ভেঙে যাওয়া চুলের জন্য প্রোটিন মাস্ক অত্যন্ত জরুরি। একটি আস্ত ডিমের সঙ্গে চার চামচ দই ভালো করে ফেটিয়ে নিন। চুলের ডগা বেশি শুষ্ক হলে শুধু ডিমের কুসুম ব্যবহার করা ভালো। মিশ্রণটি চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। ডিমের ন্যাচারাল পেপটাইড চুলের ক্ষতি পূরণ করে চুলকে মজবুত করে। মনে রাখবেন, এই মাস্ক ব্যবহারের পর চুল অবশ্যই ঠান্ডা পানি দিয়ে ধোবেন।
৩. মাথার ত্বকের অস্বস্তি কমাতে দই ও অ্যালোভেরা
গরমের ঘাম থেকে হওয়া মাথার ত্বকের চুলকানি বা ফোলা ভাব কমাতে ৩ চামচ দইয়ের সঙ্গে ২ চামচ তাজা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। অ্যালোভেরার এনজাইম মাথার ত্বকের মৃত কোষ মেরামত করে এবং দইয়ের সাথে মিলে ত্বককে ঠান্ডা রাখে। মিশ্রণটি ৩০-৪৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন।
৪. চুল পড়া বন্ধ করতে দই ও মেথি
যাদের অতিরিক্ত চুল পড়ছে বা চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য মেথি ও দইয়ের মিশ্রণ আদর্শ। মেথিতে থাকা নিকোটিনিক অ্যাসিড ও প্রোটিন চুল পড়া আটকায়। ১ চামচ মেথি গুঁড়ো বা বাটা মেথির সঙ্গে ৩ চামচ দই মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর এটি মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করে ৪০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
/আশিক
মাস শেষে বিল দেখে কপালে ভাঁজ? জেনে নিন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সাশ্রয়ের ৭টি ম্যাজিক টিপস!
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের এই সময়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল কমানো মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো জনবহুল শহরগুলোতে যেখানে জীবনযাত্রার খরচ আকাশচুম্বী, সেখানে কিছু ছোট কিন্তু কার্যকর অভ্যাস আপনার মাসিক খরচ অনেকাংশেই কমিয়ে দিতে পারে। জীবনযাত্রায় সামান্য সচেতনতা ফিরিয়ে আনলে কীভাবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল সাশ্রয় করা সম্ভব, তার ৭টি কার্যকরী কৌশল নিচে আলোচনা করা হলো।
১. বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী অভ্যাস গড়ে তোলা
ঘর থেকে বের হওয়ার আগে লাইট, ফ্যান এবং এয়ার কন্ডিশনারের সুইচ বন্ধ করার অভ্যাস করা সবচেয়ে প্রাথমিক পদক্ষেপ। দিনের বেলা যতটা সম্ভব জানালা খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের চেষ্টা করুন। প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টার সচেতনতা মাস শেষে আপনার বিলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।
২. এনার্জি সেভিং বা এলইডি বাল্বের ব্যবহার
পুরনো ফিলামেন্ট বাল্ব বা সাধারণ টিউবলাইটের তুলনায় এলইডি (LED) বাল্ব ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ। প্রযুক্তিবিদদের মতে, এলইডি বাল্বগুলো সাধারণ বাল্বের চেয়ে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে। দীর্ঘস্থায়ী এবং সাশ্রয়ী হওয়ায় ঘরের সব লাইট পর্যায়ক্রমে এলইডিতে রূপান্তর করা উচিত।
৩. ফ্রিজ ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার
ফ্রিজের দরজা বারবার খোলা বা দীর্ঘক্ষণ খোলা রাখলে ভেতরে ঠান্ডা বজায় রাখতে কম্প্রেসরকে বেশি কাজ করতে হয়, যা বিল বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া ফ্রিজে গরম খাবার সরাসরি রাখা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, মাইক্রোওভেন বা কম্পিউটার ব্যবহার শেষে শুধু রিমোট দিয়ে বন্ধ না করে সরাসরি প্লাগ পয়েন্ট থেকে সুইচ বন্ধ করা ভালো, কারণ স্ট্যান্ডবাই মোডেও সামান্য বিদ্যুৎ খরচ হয়।
৪. এসির তাপমাত্রা ও রক্ষণাবেক্ষণ
গরমের দিনে এসি চালানোর সময় তাপমাত্রা সর্বদা ২৪ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট করে রাখুন। এর ফলে কম্প্রেসরের ওপর চাপ কম পড়ে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। পাশাপাশি এসির ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার রাখলে এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ বিল কম আসে।
৫. গ্যাসের চুলা ও আগুনের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার
রান্নার ক্ষেত্রে পাত্রের আকার অনুযায়ী আগুনের শিখা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। ছোট পাত্রে অতিরিক্ত আগুন দিলে তা হাঁড়ির পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায় এবং গ্যাসের অপচয় হয়। এ ছাড়া রান্নার আগে সব মসলা ও সবজি গুছিয়ে নিয়ে চুলা জ্বালালে গ্যাস সাশ্রয় হয়। রান্না শেষে চুলা পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা নিরাপত্তার জন্যও জরুরি।
৬. প্রেসার কুকার ও ঢাকনা ব্যবহার
ডাল বা মাংসের মতো শক্ত খাবার দ্রুত সেদ্ধ করার জন্য প্রেসার কুকার ব্যবহার করা সবচেয়ে সেরা উপায়। এটি রান্নার সময় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমিয়ে দেয়, ফলে গ্যাস খরচও কমে। এ ছাড়া সাধারণ হাঁড়িতে রান্না করার সময় সব সময় ঢাকনা ব্যবহার করুন, এতে খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয়।
৭. নিয়মিত সার্ভিসিং ও সচেতনতা
বৈদ্যুতিক লাইনে কোনো লিকেজ বা পুরনো ওয়্যারিং থাকলে বিদ্যুৎ অপচয় বেশি হয়। তাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর দক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে ঘরের ওয়্যারিং পরীক্ষা করা উচিত। গ্যাস লাইনের লিকেজ রোধে নিয়মিত পরীক্ষা করা শুধু বিল নয়, জীবন রক্ষার জন্যও প্রয়োজন।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সাশ্রয় কেবল আপনার ব্যক্তিগত সঞ্চয় বাড়ায় না, এটি জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখে। এই ছোট ছোট পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করলে আপনি মাস শেষে সাশ্রয়ী ও নিশ্চিন্ত জীবন উপভোগ করতে পারবেন।
/আশিক
অতিরিক্ত ওজন কি আপনার সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য কেড়ে নিচ্ছে? জেনে নিন বাঁচার উপায়
বর্তমান বিশ্বে স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন কেবল একটি শারীরিক গঠনগত সমস্যা নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি আসক্তি এবং অলস জীবনযাপন এই সমস্যার প্রধান কারণ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, সময়মতো স্থূলতা নিয়ন্ত্রণ না করলে এটি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো প্রাণঘাতী রোগের পথ প্রশস্ত করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থূলতা প্রতিরোধের প্রধান হাতিয়ার হলো সচেতনতা। প্রাকৃতিক ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার গ্রহণ এবং অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার বর্জন করার মাধ্যমেই ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। সুষম খাদ্যাভ্যাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতা নিশ্চিত করে। খাবারের পাশাপাশি শারীরিক পরিশ্রমের গুরুত্বও অপরিসীম। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করলে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি পুড়ে যায় এবং হৃদযন্ত্র সচল থাকে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে ঘুমের ভূমিকাও অনস্বীকার্য। আধুনিক জীবনে ঘুমের স্বল্পতা স্থূলতার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই একটি সুস্থ ও রোগমুক্ত জীবন পেতে হলে পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। স্থূলতাকে জয় করতে হলে আজই জীবনধারায় পরিবর্তন আনা জরুরি।
তথ্যসূত্র: সামাটিভি।
ঝাল মাংস তো অনেক হলো, এবার ঈদে পাতে থাকুক জিভে জল আনা সাদা কোরমা
আসন্ন ঈদুল ফিতরের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে খাবারের মেনুতে থাকা চাই রাজকীয় ছোঁয়া। ঈদের সকালে বা দুপুরের পোলাওয়ের সাথে যদি থাকে সুস্বাদু চিকেন কোরমা, তবে তো কথাই নেই। ঝাল মাংসের পাশাপাশি এবার রান্নায় ভিন্নতা আনতে আপনি সহজেই তৈরি করতে পারেন এই পদটি। আপনার দেওয়া রেসিপি অনুযায়ী সাদা পোলাওয়ের সাথে খাওয়ার উপযোগী করে নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:
শাহী চিকেন কোরমা তৈরির উপকরণ
মুরগি: ১টি (মাঝারি সাইজ)
আলু: ২টি (টুকরো করে কাটা)
বাটা মসলা: পেঁয়াজ বাটা ১/৪ কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ।
আস্ত মসলা ও ফোড়ন: দারুচিনি ২টি, এলাচ ৪টি, তেজপাতা ২টি, কাঁচামরিচ ৪টি।
রান্নার বিশেষ উপকরণ: টক দই বা দুধ ১/২ কাপ, চিনি ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, কিশমিশ ৭/৮টি, গরম মসলা গুঁড়া ১/২ চা চামচ।
তেল ও ঘি: তেল ১ কাপ, ঘি ১ টেবিল চামচ।
লবণ: পরিমাণমতো।
রান্নার সঠিক প্রস্তুতি ও ধাপসমূহ
প্রথমে মুরগির মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এখন আলু, কাঁচামরিচ, কিশমিশ, লেবুর রস, চিনি, দুধ/দই ও ঘি বাদে বাকি সব বাটা মসলা ও লবণ দিয়ে মাংসটি মেখে ৩০ মিনিট রেখে দিন। এতে মাংসের ভেতর পর্যন্ত মসলার স্বাদ পৌঁছাবে।
কড়াইতে তেল গরম করে প্রথমে আলুগুলো হালকা লাল করে ভেজে তুলে রাখুন। এরপর সেই তেলেই ম্যারিনেট করা মাংস দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করুন। এবার আস্ত গরম মসলা (এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা) ও ভাজা আলু দিয়ে ২৫-৩০ মিনিট সময় নিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন।
মাংস কষানো হয়ে গেলে পরিমাণমতো গরম পানি দিন। ঝোল ফুটে উঠলে চুলার আঁচ কমিয়ে ঢেকে রান্না করুন। ঝোল ঘন হয়ে এলে ওপর থেকে টক দই বা দুধ দিয়ে দিন। নামানোর ঠিক আগ মুহূর্তে দুধ দিলে কোরমার রঙ সাদাটে ও শাহী ভাব বজায় থাকে।
রান্না প্রায় শেষ পর্যায়ে এলে কিশমিশ, লেবুর রস, চিনি, কাঁচামরিচ ও ঘি ছড়িয়ে দিন। এরপর ৫ মিনিটের জন্য দমে রাখুন। যখন মাংসের ওপর তেল ভেসে উঠবে, তখন চুলা বন্ধ করে দিন।
বিনা জামানতে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অভিবাসী ঋণ; জেনে নিন সহজ আবেদন পদ্ধতি
বিদেশে কাজের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিতে ইচ্ছুক অনেক মানুষের কাছেই প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান। এই সমস্যা সমাধানে এবং প্রবাসীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নতুন ও পুনরায় বিদেশগামীদের জন্য বিশেষ অভিবাসী ঋণ সুবিধা প্রদান করছে। এই প্রকল্পের আওতায় একজন বিদেশগামী কর্মী জামানতবিহীন সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারেন।
এই ঋণের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ রাখা হয়েছে। আগ্রহী ব্যক্তিকে প্রথমে তাঁর নিকটস্থ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগ করে বিনামূল্যে একটি আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হবে। ফরমটি যথাযথভাবে পূরণ করার পর প্রয়োজনীয় নথিসহ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে আবেদনকারীর চার কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও পাসপোর্টের ফটোকপি এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসার কপি। এছাড়াও ম্যানপাওয়ার স্মার্ট কার্ডের ফটোকপি এবং সম্ভব হলে লেবার কন্ট্রাক্ট পেপার জমা দিতে হবে। ঋণের জন্য একজন জামিনদার থাকা আবশ্যক, যাঁর ছবি, এনআইডি এবং তিনটি খালি চেকের পাতা প্রয়োজন হবে। একইসাথে ঋণগ্রহীতাকে ওই ব্যাংক শাখায় একটি সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে হবে।
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের এই ঋণের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত, যা নতুন কর্মী এবং রি-এন্ট্রি ভিসাধারী—উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ঋণের মেয়াদকাল নতুন ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ বছর এবং পুনরায় বিদেশগামীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত হতে পারে। এই ঋণের অন্যতম বড় সুবিধা হলো এর 'গ্রেস পিরিয়ড'। অর্থাৎ ঋণ গ্রহণের পর প্রথম দুই মাস কর্মীকে কোনো কিস্তি পরিশোধ করতে হবে না। পরবর্তী মাসগুলো থেকে নির্ধারিত মেয়াদে কিস্তির মাধ্যমে ঋণ শোধ করা যাবে। এই ঋণের ওপর বর্তমানে ৮ শতাংশ হারে সরল সুদ প্রযোজ্য।
সাধারণত সকল কাগজপত্র ও শর্ত পূরণ করা থাকলে মাত্র সাত কার্যদিবসের মধ্যেই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ঋণ অনুমোদন করে থাকে। বিশেষ বিষয় হলো, এই ঋণের জন্য ব্যাংক থেকে কোনো বাড়তি সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করা হয় না। ঋণের কিস্তির হিসাবও বেশ সহজ; যেমন কোনো ব্যক্তি ২ বছর মেয়াদে ৩ লাখ টাকা ঋণ নিলে তাঁকে মাসে প্রায় ১৩,৫৬৯ টাকা পরিশোধ করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে ঋণ পাওয়া নিয়ে নেতিবাচক ধারণা থাকলেও প্রয়োজনীয় শর্ত ও নথিপত্র সঠিকভাবে উপস্থাপন করলে এ সুবিধা পাওয়া সহজ হয়। তাই বিস্তারিত জানতে এবং সফলভাবে ঋণের আবেদন করতে আগ্রহী ব্যক্তিদের সরাসরি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের নিকটতম শাখায় যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
বাড়িতেই হবে ফলের সমারোহ: আপনার বারান্দার টবে যে ৩টি ফল সহজে ফলবে
বাড়ির বারান্দা কিংবা ছাদে ফলের বাগান করার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। যদিও টবে ফলের গাছ লাগানো কিছুটা চ্যালেঞ্জিং, তবে সঠিক যত্ন আর ধৈর্য থাকলে আপনার শখের টবেই ফলবে সুস্বাদু সব ফল। মূলত যাদের গাছ সম্পর্কে নূন্যতম ধারণা আছে, তারা সহজেই টবকে এক টুকরো বাগানে পরিণত করতে পারেন।
টবে চাষ উপযোগী ৩টি জনপ্রিয় ফলের গাছের যত্ন ও চাষ পদ্ধতি তুলে ধরা হলো
১. কামরাঙা
কামরাঙা প্রেমীদের জন্য সুখবর হলো, এটি টবে বেশ ভালো জন্মায়। এর জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত রোদ আসে এমন একটি স্থান। কামরাঙা গাছে প্রতিদিন পানি দিতে হয়, তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন গাছের গোড়ায় পানি জমে না থাকে। গাছ যখন ফল দেওয়ার উপযোগী হয়, তখন নিয়মিত এর ডাল ছেঁটে দিলে ফলন অনেক ভালো হয়।
২. আম
ফলের রাজা আম আপনার বারান্দার টবেও বড় হতে পারে। আম খাওয়ার পর এর আঁটি বা বীজ টবের মাটিতে পুঁতে দিলেই কিছুদিনের মধ্যে চারা গজাবে। আমের চারার জন্য পর্যাপ্ত রোদ ও পরিমিত পানি প্রয়োজন। তবে একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে—আম গাছে যেন উত্তরের ঠান্ডা হাওয়া সরাসরি না লাগে, কারণ এটি গাছের বৃদ্ধির ক্ষতি করতে পারে।
৩. ড্রাগন ফল
ছাদবাগানীদের জন্য ড্রাগন ফল বর্তমানে সবচেয়ে প্রিয় একটি নাম। ড্রাগন গাছ খুব সহজেই টবে বা ড্রামে মানিয়ে নেয়। এর জন্য প্রচুর রোদ এবং গাছটি বেড়ে ওঠার জন্য একটি দেয়াল বা শক্ত খুঁটির অবলম্বন প্রয়োজন। নিয়মিত পানি দিলেও ড্রাগন গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকা একদমই চলবে না, কারণ অতিরিক্ত পানিতে এর শিকড় পচে যাওয়ার ভয় থাকে।
/আশিক
কম্পিউটার স্ক্রিনে ক্লান্তি? চোখের আরাম পেতে জাদুর মতো কাজ করবে এই ব্যায়াম
চোখের ক্লান্তি দূর করতে বা সাময়িক স্বস্তি পেতে চোখের ব্যায়াম কার্যকর হলেও এটি কখনোই চশমা বা কন্টাক্ট লেন্সের স্থায়ী বিকল্প নয় বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি চোখের যত্নে ব্যায়ামের জনপ্রিয়তা বাড়লেও, দৃষ্টিশক্তির ত্রুটি সারিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এর সীমাবদ্ধতা নিয়ে বাস্তববাদী হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে 'চোখের পুশ-আপস' বা নির্দিষ্ট কোনো বস্তুর ওপর ফোকাস করার ব্যায়াম বেশ পরিচিতি পেয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত একটি আঙুল ধীরে ধীরে চোখের কাছে এনে ফোকাস করার ক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। এতে চোখের 'সাইলিয়ারি মাসল' বা পেশিগুলো সক্রিয় হয়, যা কাছে বা দূরের বস্তুর ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে সহায়তা করে। তবে বিজ্ঞানসম্মতভাবে এটি এখনো প্রমাণিত নয় যে, এই ব্যায়ামগুলো মায়োপিয়া (দূরদৃষ্টির সমস্যা) বা হাইপারমেট্রোপিয়া স্থায়ীভাবে নিরাময় করতে সক্ষম।
বিশেষ করে যারা দীর্ঘ সময় কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের পর্দার সামনে থাকেন, তাদের জন্য চোখের ব্যায়াম বেশ উপকারী। এটি চোখের ক্লান্তি, শুষ্কতা এবং জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। তবে স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি উন্নতির আশায় চশমা ছেড়ে ব্যায়ামের ওপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। চোখের দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষায় পর্যাপ্ত আলোতে কাজ করা, স্ক্রিন ব্যবহারের মাঝে বিরতি নেওয়া (যেমন ২০-২০-২০ নিয়ম), সঠিক ভঙ্গিমা বজায় রাখা এবং ভিটামিন-যুক্ত সুষম খাবার খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিশেষে, চোখের যেকোনো সমস্যায় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও সঠিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
/আশিক
না খেয়ে থাকা মানেই কি ওজন কমানো? ডায়েটের ভুল ধারণা ভাঙুন আজই
ওজন কমানোর কথা ভাবলেই অনেকে মনে করেন না খেয়ে থাকলেই দ্রুত ফল মিলবে। কিন্তু বাস্তবে এটি শরীরের জন্য উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে। খাবার হঠাৎ বন্ধ করে দিলে মেটাবলিজম বা হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং শরীর দুর্বল হয়ে নানা রোগের সৃষ্টি করে। ওজন কমানোর যাত্রায় সাধারণত যে ৩টি ভুল আমরা সবচেয়ে বেশি করি, তা এড়িয়ে চলা সুস্থ থাকার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
প্রথম বড় ভুলটি হলো খাবার একদম বন্ধ করে দেওয়া বা ক্যালরি অতিরিক্ত কমিয়ে ফেলা। ডায়েট মানে না খেয়ে থাকা নয়, বরং সঠিক খাবার সঠিক পরিমাণে খাওয়া। ব্রেকফাস্ট বা ডিনার বাদ দিলে শরীরে রক্তে শর্করার মাত্রা এলোমেলো হয়ে যায় এবং শরীরচর্চা করার মতো প্রয়োজনীয় শক্তি থাকে না। দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত প্রোটিন না খাওয়া ওজন কমানোর পথে বড় বাধা। প্রোটিন হজম প্রক্রিয়া উন্নত করার পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। তাই ডাল, ডিম, পনির বা মুরগির মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিনের তালিকায় রাখা উচিত। তৃতীয় ভুলটি হলো বাজারের চটকদার বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ হয়ে প্যাকেটজাত ‘ডায়েট ফুড’ বেছে নেওয়া। লো-ক্যালরি বা ডায়েট বারের নামে এসব খাবারে প্রচুর লুকানো চিনি ও প্রিজারভেটিভ থাকে, যা কোলেস্টেরল ও সুগারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই কৃত্রিম খাবারের বদলে তাজা ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস করা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর।
সূত্র : এই সময়
পাঠকের মতামত:
- ঈদ শপিংয়ে অনলাইন জালিয়াতি থেকে বাঁচবেন যেভাবে; ৬টি জরুরি টিপস
- দুবাই বিমানবন্দরে আগুনের লেলিহান শিখা: ড্রোন হামলায় অচল আকাশপথ
- চীনের দেওয়া সহায়তা হাইজ্যাক করা হয়েছে! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জামায়াত আমিরের
- হরমুজ প্রণালিতে নতুন আতঙ্ক: আরব আমিরাতের তেল ট্যাংকারে ভয়াবহ আঘাত
- ছুটির প্রথম দিনেই সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: কর্মব্যস্ততায় কাটছে ১৭ মার্চ
- কিউবা দখলের হুঙ্কার ট্রাম্পের! প্রতিবেশী দ্বীপরাষ্ট্র নিয়ে হোয়াইট হাউসে তোলপাড়
- ২০ না ২১ মার্চ ঈদ? জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের নতুন পূর্বাভাসে বড় সংকেত
- ঈদের খুশিতে যুদ্ধের বিষাদ: মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসীদের স্বজনদের চোখে কান্নার জল
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- স্বর্ণের দামে আরও এক দফা ধস: গত চার দিনে কত কমল ভরিতে?
- আজ রাজধানীজুড়ে বড় বড় কর্মসূচি: বের হওয়ার আগে দেখে নিন সড়কের আপডেট
- নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা: মঙ্গলবার ভোর থেকে কমলাপুরে তিল ধারণের ঠাঁই নেই
- ইরান যুদ্ধ শেষের শর্ত কী? ট্রাম্প, খামেনি ও নেতানিয়াহুর ভিন্ন ভিন্ন সমীকরণ
- পিতার আদর্শে পুত্রের হাতে নতুন কৃষি বিপ্লব: খাল খনন নিয়ে মাঠে তারেক রহমান
- কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানের বিমান হামলা! ৪০০ প্রাণহানির দাবি তালেবানের
- দুপুর ১টার মধ্যে ৬ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস! সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ৬০ কিমি
- আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মার্চ ২০২৬; জেনে নিন আপনার শহরের ওয়াক্ত
- কালিগঞ্জের ফরিদপুর একতা তরুণ ব্লাড ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- ১৪৪৭ হিজরির রমজান কি ২৯ দিনে শেষ হবে? সৌদি সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
- নানিয়ারচর জোন কর্তৃক ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ঈদ উপহার ও আর্থিক অনুদান প্রদান
- সাপ্তাহিক পত্রিকার সংবাদ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন! কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে ব্যবসায়ীর প্রতিবাদ
- কালিগঞ্জে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ:একই পরিবারের বিরুদ্ধে তিনটি সাধারণ ডায়েরি
- কালুরঘাট সেতুর কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারকলিপি প্রদান
- ইরানের ৩ শহরে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলা
- উত্তর ইসরায়েলে ‘বিশেষ হামলা’ চালানোর দাবি হিজবুল্লাহর
- ৪০% ক্ষমতা হারানোর আগে লক্ষণ মেলে না! কিডনি বাঁচাতে যা করবেন
- ১৬ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ইরান যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে: সোনার বাজার এখন নিম্নমুখী
- শেয়ারবাজারে দরপতনে এগিয়ে যেসব শেয়ার
- নেতানিয়াহুর ভিডিওটি ‘ডিপফেক’! এআই চ্যাটবটের দাবিতে বিশ্বজুড়ে তোলপাড়
- আজ ডিএসইর সেরা ১০ গেইনার কোনগুলো
- ইরান যুদ্ধে কোণঠাসা যুক্তরাষ্ট্র; সাহায্যের আবেদন ফিরিয়ে দিল ন্যাটো মিত্ররা
- শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় রদবদল! ৮ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ
- উত্তরাঞ্চলে গড়ে উঠবে কৃষিনির্ভর শিল্প: বেকারত্ব দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা
- লটারি প্রথা চূড়ান্ত বাতিল! স্কুলে ফিরছে ভর্তি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রীর বড় ঘোষণা
- শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের বিশেষ বার্তা: আমূল বদলে যাচ্ছে ভর্তি প্রক্রিয়া
- ৩১ হাজার কৃষকের মুখে হাসি ফোটাবে সাহাপাড়া খাল: প্রধানমন্ত্রী
- ইরান হামলার পেছনে সৌদির চাপ, নতুন তথ্য প্রকাশ
- কোদাল হাতে মাঠে প্রধানমন্ত্রী! ৫৪ জেলায় একযোগে শুরু হলো খাল খনন বিপ্লব
- শব্দের চেয়ে ১৩ গুণ গতি! ইসরায়েলে ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে বিশ্ব কাঁপাল ইরান
- ঈদের ভোজে ভিন্ন স্বাদ: গরুর কড়াই গোশতের সহজ রেসিপি দেখে নিন
- দৃষ্টিহীনের চোখে ফিরবে আলো! লিকুইড কর্নিয়ায় বিজ্ঞানের অবিশ্বাস্য সাফল্য
- সৈয়দপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: উত্তরবঙ্গে বইছে উৎসবের আমেজ
- ট্রাম্পকে খোলা চ্যালেঞ্জ ইরানের! ‘সাহস থাকলে’ পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠান
- ঈদুল ফিতর ২০২৬: প্রধান জামাতের সময় ও জাতীয় ঈদগাহের সুযোগ-সুবিধা জেনে নিন
- কয়েকদিনের জল্পনা শেষে সামনে এলেন নেতানিয়াহু
- ঈদের ছুটিতে ব্যাংকিং সেবা কীভাবে পাবেন, জানুন বিস্তারিত
- ঈদে কারাবন্দিদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন
- ছয় আঙুল না কি এআই ভিডিও? সব জল্পনার অবসান ঘটালেন স্বয়ং নেতানিয়াহু
- দায়িত্বের এক মাসেই একাধিক সিদ্ধান্তে আলোচনায় তারেক রহমান
- আমরা কি আবার সেই পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যাচ্ছি?
- ২৭ রমজানই কি কদরের রাত? মুসনাদে আহমাদ ও বুখারির হাদিস যা বলছে
- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে ঢাকায় যে ২৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
- ‘৫০তম অভিযান’ ঘোষণা ইরানের, রণক্ষেত্র চার দেশে
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- কথাবার্তায় সতর্ক থাকুন! মন্ত্রী-এমপিদের কঠোর নির্দেশনা দিলেন তারেক রহমান
- টানা দুই দফায় কমল দাম; স্বর্ণের বাজারে বড় ধসের ইঙ্গিত!
- আজ ২১ রমজান; জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময়সূচি
- কালিগঞ্জে ডেঙ্গু বিরোধী যুদ্ধ! মশা তাড়াতে রাস্তায় নামলেন চিকিৎসকরা
- আজ ডিএসইর সেরা ১০ গেইনার কোনগুলো
- স্বর্ণের দামে ফের লাফ! ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়াল বাজুস
- পবিত্র রমজানের ২৫তম দিন; ১৫ মার্চের নামাজের সঠিক সময়সূচি জানুন
- ১১ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- ১৬ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ কেন হলো না? রহস্য ভেদ করলেন চিফ হুইপ








