শেখ হাসিনা ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপকে ফেরাতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হচ্ছে দুদক

প্লট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বোন শেখ রেহানা ও রেহানার মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দীককে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফেরানো হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর বা পিপি খান মুহাম্মদ মইনুল হাসান। সোমবার ১ ডিসেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ ৪ এর বিচারক রবিউল আলম মামলার রায় ঘোষণা করলে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
রায়ে মামলার প্রধান আসামি শেখ রেহানার ৭ বছর দ্বিতীয় আসামি টিউলিপের ২ বছর ও তৃতীয় আসামি শেখ হাসিনার ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এই মামলায় জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদসহ আরও কয়েকজন আসামিকে ৫ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে আসামি খুরশীদ আলম কারাগারে আটক রয়েছেন এবং বাকিরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় দুদকের পিপি মইনুল হাসান বলেন এ রায় আমাদের প্রত্যাশা মতো হয়নি কারণ আমরা সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন চেয়েছিলাম। দুদকের সাথে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পিপি আরও বলেন যেসব দেশে শেখ হাসিনা শেখ রেহানা ও টিউলিপসহ অন্য আসামিরা পলাতক আছেন সেসব দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করা হবে। ইন্টারপোলের সহায়তায় তাঁদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। টিউলিপ সিদ্দীক একদিকে বাংলাদেশের নাগরিক আবার যুক্তরাজ্যের নাগরিক। তাই যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে টিউলিপের সাজার বিষয়টি অবহিত করা হবে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা করা হবে।
টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে পিপি জানান টিউলিপ কখনো ফোন কল আবার কখনো অ্যাপস ব্যবহার করে শেখ হাসিনাকে প্লট বরাদ্দের জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মচারীরা এসে এ বিষয়ে আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে গেছেন। চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে টিউলিপ যখন জানতে পারেন যে তাঁর খালা শেখ হাসিনা ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজের ও সন্তানদের নামে প্লট নিচ্ছেন তখন তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য হিসেবে বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহার করে তাঁর মা ও ভাইবোনের জন্য প্লট বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে খালা শেখ হাসিনার ওপর চাপ প্রয়োগ ও প্রভাব বিস্তার করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয় সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তাঁরা বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও গরিব দেখিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তার ৬টি প্লট নিজেদের নামে বরাদ্দ দেন। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছেন শেখ হাসিনা শেখ রেহানা ও তাঁর মেয়ে টিউলিপ সিদ্দীক পৃথিবীর যেখানেই অবস্থান করুক না কেন বিচার করতে কোনো বাধা নেই।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী গঠিত ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম প্রসিকিউটরের বিদায়
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন আইনজীবী সাইমুম রেজা তালুকদার। আজ সোমবার (৯ মার্চ) তিনি চিফ প্রসিকিউটর বরাবর নিজের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জমা দেন। চিফ প্রসিকিউটর তাঁর এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন।
ব্যক্তিগত কারণ এবং নিজের আগের পেশায় ফিরে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে সাইমুম রেজা তালুকদার বলেন, মূলত শিক্ষকতা বা পূর্বের পেশাগত জীবনে ফেরার লক্ষ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং এর পেছনে অন্য কোনো বিশেষ কারণ নেই। গত রবিবার ছিল ট্রাইব্যুনালে তাঁর শেষ কর্মদিবস। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সরকার পতনের পর ৮ অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। নিয়োগের আগে তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাইমুম রেজা তালুকদার রামপুরা, লক্ষ্মীপুর ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা করেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদায় এই পদে নিয়োগ দিয়েছিল, যার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে তিনি গত কয়েক মাস আইনি কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এদিকে সাইমুম রেজা তালুকদারের বিদায়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমে নতুন করে আরও দুইজন প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন মর্জিনা রায়হান মদিনা ও মোহাম্মদ জহিরুল আমিন। ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম গতিশীল রাখতে মন্ত্রণালয় এই নতুন নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।
/আশিক
মির্জা আব্বাসকে ‘গডফাদার’ বলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য এবং অপরাধমূলক ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। আজ রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালতে এই আবেদন জমা দেন রমনা থানা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম। বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম আমির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, মির্জা আব্বাসের রাজনৈতিক সম্মান ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যেই বিবাদী একের পর এক মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে আসছেন।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে মির্জা আব্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এবং সেই নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে পরাজিত হন। অভিযোগ রয়েছে যে, নির্বাচনের সময় থেকেই তিনি মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অবমাননাকর ও মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন।
তবে নির্বাচনে পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে তাঁর এই অপপ্রচার ও হুমকির মাত্রা আরও বৃদ্ধি পায়। সর্বশেষ গত ৫ মার্চ ফেসবুকে এবং বেশ কিছু অনলাইন নিউজ মিডিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর একটি বক্তব্য প্রকাশিত হয় যেখানে তিনি মির্জা আব্বাসকে 'বাংলাদেশের ক্রিমিনাল র্যাংকিংয়ে নাম্বার ওয়ান গডফাদার' হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
আবেদনে বাদী দাবি করেছেন যে, মির্জা আব্বাসের মতো একজন জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ ও নিন্দনীয় বক্তব্য তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের একটি সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা। এই বক্তব্যগুলো ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল হওয়ার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের কোটি কোটি মানুষের কাছে মির্জা আব্বাসের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অভিযুক্তের এমন আচরণ সব ধরনের শিষ্টাচার ও সভ্য সমাজের রীতিনীতি বহির্ভূত বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। মির্জা আব্বাস ও মামলার বাদী নিজে এই ঘটনায় বিস্মিত ও সংক্ষুব্ধ হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন যাতে ইচ্ছাকৃতভাবে মানহানি করার এই কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা যায়।
/আশিক
দীর্ঘ ৩ মাস পর কারামুক্তির পথে সাংবাদিক আনিস আলমগীর
সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এদিন, আদালতে জামিন আবেদনের ওপর শুনানির করেন আইনজীবী আসলাম মিয়া। পরে তিনি আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গত ২২ জানুয়ারি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নামঞ্জুর করেছিলেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গত বছরের ডিসেম্বর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমণ্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাবাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ১৫ ডিসেম্বর তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তোলা হয়। ওইদিন আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন করা হয়।আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পাঁচদিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।
রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
/আশিক
টিউলিপকে ধরতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আদেশ
ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি এবং ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই নজিরবিহীন আদেশ প্রদান করেন।
এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর শুনানিতে জানান যে, টিউলিপ সিদ্দিক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই আবাসন কোম্পানি ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের কাছ থেকে অবৈধ পারিতোষিক হিসেবে একটি ফ্ল্যাট গ্রহণ করেছেন। হস্তান্তরযোগ্য নয় এমন একটি প্লটে ওই কোম্পানিকে বহুতল ভবন নির্মাণের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে তিনি এই ঘুষ নিয়েছেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের আবেদনে আরও বলা হয় যে, টিউলিপ সিদ্দিক এই মামলার আইনি প্রক্রিয়া শুরুর আগেই দেশত্যাগ করেছেন এবং বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে ইন্টারপোলের ‘রেড নোটিশ’ জারি করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত বছরের ১৫ এপ্রিল টিউলিপ সিদ্দিকসহ রাজউকের সাবেক দুই আইন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে গুলশানের একটি সংরক্ষিত প্লট জালিয়াতি ও ফ্ল্যাট ঘুষ হিসেবে নেওয়ার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করে দুদক। ১৯৬৩ সালের সরকারি লিজ চুক্তি অনুযায়ী যে প্লটটি ৯৯ বছরের মধ্যে হস্তান্তর বা বিক্রি নিষিদ্ধ ছিল, সেই প্লটেই অবৈধ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে এই ব্রিটিশ এমপির বিরুদ্ধে এবার আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পথে হাঁটল আদালত।
/আশিক
১৭ বছর পর নতুন মোড়: বিডিআর মামলায় এবার আসামি শেখ হাসিনা
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত নারকীয় বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিস্ফোরক মামলায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। এবার এই মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং মির্জা আজমসহ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী একাধিক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যকে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি (স্পেশাল পিপি) বোরহান উদ্দিন গণমাধ্যমকে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্পেশাল পিপি বোরহান উদ্দিন জানান, বিস্ফোরক মামলার দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় ১ হাজার ২০০ সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৩০০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ একাধিক সাক্ষীর জবানবন্দিতে উঠে এসেছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তৎকালীন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল। তিনি আরও জানান, সাক্ষীদের দেওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
২০০৯ সালের সেই অভিশপ্ত দিনে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলাটি এখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। প্রায় ৮৫০ জন আসামির এই মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে আছে। উল্লেখ্য যে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই মামলার কয়েকশ আসামি ইতোমধ্যে জামিন পেয়েছেন। ১৭ বছর পর নতুন করে শীর্ষ নেতাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কুশীলবদের বিচার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
/আশিক
২১ ফেব্রুয়ারিতে ডিএমপির সড়ক নির্দেশনা, কোন পথ এড়াবেন
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছেন, ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগত দর্শনার্থীদের নির্দিষ্ট কয়েকটি সড়ক ব্যবহার করতে হবে এবং নিরাপত্তা বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানতে হবে।
শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য পলাশীর মোড়, জগন্নাথ হল ক্রসিং ও শহীদ মিনার রোড দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। অন্য কোনো পথ দিয়ে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর বা চাঁনখানপুল হয়ে বের হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে জনসমাগম সুশৃঙ্খল থাকে।
নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে শহীদ মিনার এলাকায় কোনো ধরনের ধারালো অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ বা সন্দেহজনক বস্তু বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার জানান, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও বিদেশি কূটনীতিকদের আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে সর্বসাধারণের জন্য শহীদ মিনার উন্মুক্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, দিবসটি ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নজরদারিতে থাকবেন। বিশেষায়িত ইউনিট যেমন সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।
ডিএমপি সূত্র জানায়, সিসিটিভি ক্যামেরা ও মোবাইল নজরদারি টিমের মাধ্যমে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে, যাতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগত মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন থাকে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।
প্রশাসন সকলকে নির্দেশনা মেনে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
-রফিক
আদালতে দেখা হবে! গণভোটের আইনি চ্যালেঞ্জ নিয়ে শিশির মনিরের হুঙ্কার
অ্যাডভোকেট শিশির মনির 'জুলাই জাতীয় সনদ' ও গণভোট সংক্রান্ত সম্ভাব্য আইনি চ্যালেঞ্জগুলো আদালতে মোকাবিলা করার ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এই জাতীয় সনদ কিংবা গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে যদি কোনো পক্ষ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে তিনি তাঁর আইনজীবী বন্ধুদের সাথে নিয়ে পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সাথে তা আইনি প্রক্রিয়ায় প্রতিহত করবেন।
ফেসবুক পোস্টে অ্যাডভোকেট শিশির মনির সংশ্লিষ্টদের আশ্বস্ত করে লিখেছেন, এই বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি ও তাঁর সহযোগীরা যেকোনো আইনি পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছেন। রাজনৈতিক ও আইনি মহলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত এই 'জুলাই জাতীয় সনদ' নিয়ে যখন নানা আলোচনা ও বিতর্ক চলছে, তখন এই আইনজীবীর এমন প্রকাশ্য ঘোষণা বিষয়টিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। তাঁর এই বার্তা মূলত গণভোট ও সনদের পক্ষশক্তিকে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
/আশিক
টয়লেটের পেস্ট ও টিস্যু খেয়ে বেঁচে ছিল শিশুটি
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সদ্য সাবেক এমডি সাফিকুর রহমানের বাসায় ১১ বছরের শিশু গৃহকর্মীর ওপর চালানো নির্যাতনের রোমহর্ষক ও লোমহর্ষক বর্ণনা উঠে এসেছে আদালতের শুনানিতে। পিঠে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা থেকে শুরু করে চোখে মরিচের গুঁড়া দেওয়া—এমন সব অমানবিক আচরণের তথ্য শুনে খোদ বিচারকও স্তম্ভিত হয়ে পড়েন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামিদের রিমান্ড শুনানির সময় এসব তথ্য তুলে ধরেন।
রিমান্ড শুনানির একপর্যায়ে বিচারক ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দির অংশবিশেষ পড়ে শোনান। সেখানে উঠে আসে যে, শিশুটিকে খাবার না দিয়ে বাথরুমে আটকে রাখা হতো। খিদের জ্বালায় সে টয়লেটের পেস্ট ও টিস্যু খেয়ে দিন পার করেছে। প্রচণ্ড শীতের মধ্যেও তাকে কোনো গরম কাপড় দেওয়া হয়নি এবং দীর্ঘক্ষণ পানিতে থাকতে বাধ্য করায় তার পায়ে পচন ধরেছে। শিশুটির শরীরে মুখ থেকে গলা পর্যন্ত লম্বা পোড়া দাগ, কপালে লাঠির আঘাত এবং উরুতে গরম খুন্তির ছ্যাঁকার অসংখ্য চিহ্ন পাওয়া গেছে। এমনকি তার মাথার চুল ধরে টানার কারণে শিশুটি প্রচণ্ড মাথাব্যথায় ভুগছে বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুনানি শেষে আদালত বিমান বাংলাদেশের সাবেক এমডি সাফিকুর রহমান ও গৃহকর্মী রূপালী খাতুনকে ৫ দিনের রিমান্ড এবং সাফিকুরের স্ত্রী বীথিকে ৭ দিন ও অপর গৃহকর্মী সুফিয়া বেগমের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানিতে অংশ নেওয়া আইনজীবীরা বলেন, সরকারি উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তার বাসায় এমন পাশবিক নির্যাতন দেশ ও জাতির জন্য চরম লজ্জাজনক।
আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করে দাবি করেন যে, সাফিকুর রহমান অফিসে ব্যস্ত থাকতেন এবং এসব বিষয়ে অবগত ছিলেন না। তবে শিশুটির বাবা, যিনি একজন হোটেল কর্মচারী, গত ১ ফেব্রুয়ারি চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করলে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গত ২ ফেব্রুয়ারি তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
ভোটের দুই দিন আগে সুসংবাদ: বিএনপির ৩ প্রার্থীর প্রার্থিতা নিয়ে জটিলতা শেষ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন বিএনপির তিন হেভিওয়েট প্রার্থী। ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে ঢাকা-১১, কুমিল্লা-৩ এবং বগুড়া-১ আসনের এই তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা নিয়ে করা লিভ টু আপিলের শুনানি আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই আদেশের ফলে তাঁদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চে এ সংক্রান্ত পৃথক তিনটি আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সোমবার আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত শুনানির জন্য আজকের দিনটি ধার্য করেছিলেন।
ঢাকা-১১ আসনের বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে গত ২ ফেব্রুয়ারি রিট করেছিলেন এনসিপি প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। আবেদনে দাবি করা হয়েছিল, কাইয়ুম ভানুয়াতো নামক দেশের নাগরিক। হাইকোর্ট গত ৩ ফেব্রুয়ারি ওই রিট সরাসরি খারিজ করে দিলে নাহিদ ইসলাম লিভ টু আপিল করেন। তবে আপিল বিভাগ আজ আদেশ দিয়েছেন যে, এই আপিলের শুনানি নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হবে। ফলে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে লড়তে কাইয়ুমের কোনো বাধা নেই।
কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেল উচ্চ আদালতে রিট ও পরবর্তীতে লিভ টু আপিল করেছিলেন। আদালত আজ ইউসুফ সোহেলের সেই আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন।
অন্যদিকে, বগুড়া-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছিলেন জামায়াত প্রার্থী সাহাবুদ্দিন। আদালত আজ এই মামলার শুনানিও নির্বাচনের পরে অনুষ্ঠিত হবে বলে আদেশ দেন। ফলে রফিকুল ইসলামের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ সুগম হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে উচ্চ আদালতের এই সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকাগুলোর বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পাঠকের মতামত:
- প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন থাবা: এবার তেলবাহী বিশাল জাহাজ জব্দ
- তীব্র গরমে হাঁসফাঁস দশা! কতদিন স্থায়ী হবে এই তাপপ্রবাহ?
- ডলার শক্তিশালী হওয়ায় বিপাকে স্বর্ণের বাজার! বাড়ছে দুশ্চিন্তা
- তাসকিন-মোস্তাফিজ ছাড়াই নিউজিল্যান্ড বধের পরিকল্পনা! বিসিবির চমক জাগানিয়া স্কোয়াড
- বুধবারের আগেই যুদ্ধের দামামা? ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানে দোদুল্যমান মধ্যপ্রাচ্য শান্তি
- হরমুজের চাবিকাঠি কি তবে ইরানের হাতেই? মার্কিন নৌ-অবরোধের মাঝেই পাল্টে গেল দৃশ্যপট
- জ্বালানির দাম কমান, মানুষ বাঁচান: আখতার হোসেন
- সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট! দুর্নীতির রহস্য উম্মোচনে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি
- বোমাবর্ষণের মানসিকতা নিয়েই এগোবো: ট্রাম্প
- বুধবার টানা ১২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- মার্কিন অবরোধ গুঁড়িয়ে ইরানি বন্দরে তেলের জাহাজ! সাগরে স্নায়ুযুদ্ধের নতুন মোড়
- বৈদেশিক ঋণের বোঝা কত? সংসদে ঋণের পাহাড়ের তথ্য দিলেন অর্থমন্ত্রী
- বিশ্ববাজারে কমছে তেলের দাম
- পৃথিবী: প্রাণ, পানি আর রহস্যের গল্প
- ২১ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২১ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২১ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- মসজিদ-গির্জা কিছুই বাদ যাচ্ছে না! সব ধর্ম অবমাননা করে প্রশ্নের মুখে ইসরায়েলি সেনারা
- অবরোধে ধ্বংস হচ্ছে ইরান, জয় আমাদেরই: ট্রাম্প
- বিএনপি জোট শরিকদের সাথে প্রতারণা করেছে: সারজিস আলম
- সন্ধ্যার আগেই বড় ঝড়ের আভাস! দেশের দুই অঞ্চলে আবহাওয়া অফিসের বিশেষ সতর্কতা
- ইসরায়েলি প্রভাবের খবর নাকচ! ইরানের বিষয়ে নিজের সিদ্ধান্তে অনড় ট্রাম্প
- টানা একদিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়!
- ভোরের আলো ফুটতেই কাঁপল রাজধানীসহ সারাদেশ!
- সারাদেশে এসএসসি’র ডামাডোল! শিক্ষা বোর্ডগুলোর কড়া নজরদারিতে পরীক্ষা শুরু
- সব রেকর্ড চুরমার: স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস, আজকের রেট জেনে নিন
- নামাজের সময়সূচি: ২১ এপ্রিল ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আপডেট জানুন
- যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন চমক দেখাবে ইরান: ট্রাম্পের চাপের মুখে গালিবাফের রহস্যময় পোস্ট
- লেবাননে যিশুর মূর্তি ভাঙচুর! উত্তাল মধ্যপ্রাচ্যে এবার ধর্মীয় আবেগে আঘাত
- আজই কি তবে বিশ্বশান্তির দিন? ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা ট্রাম্পের
- আওয়ামী লীগ নেত্রীর মেয়ে এখন বিএনপির সংরক্ষিত আসনে মনোনীত
- বিসিবি নির্বাচনের দিনক্ষণ জানালেন তামিম ইকবাল
- তাপপ্রবাহের দিন শেষ হচ্ছে! দেশের আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট দিল BWOT
- কুমিল্লাকে পাত্তাই দিল না বিএনপি: ২৯ প্রার্থী ফিরলেন খালি হাতে
- এক গ্রাম ইউরেনিয়ামও বিদেশে যাবে না: যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কড়া জবাব
- ট্রাম্পের সঙ্গে আসিম মুনির, পেজেশকিয়ানের সঙ্গে শেহবাজ: ইসলামাবাদে চরম নাটকীয়তা
- পাচার রোধেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বিদেশে কর্মী পাঠাতে ১৮ দেশের সাথে চুক্তি! সংসদে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী
- চীন থেকে আসা জাহাজ কেন আটকাল আমেরিকা? কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল বেইজিং
- জনগণের দাবিতে বেড়েছে তেলের দাম প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী : রিজভী
- পরিবারের কোটায় সংরক্ষিত আসন? বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক
- সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পাননি চমক! ফেসবুক পোস্টে যা লিখলেন অভিনেত্রী
- গাবতলীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ঐতিহাসিক সূচনা
- ২০ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২০ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২০ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে পরীক্ষার্থী চার বছর ধরে কমেছে
- আবারও বাড়ছে বিদ্যুতের দাম! আবাসিক গ্রাহকদের পকেটে বাড়তি চাপের আশঙ্কা
- বিচার বিভাগে ডিজিটাল বিপ্লব! বগুড়ায় ‘ই-বেইল বন্ড’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- টাকার মান আজ কত? ২০ এপ্রিলের সর্বশেষ মুদ্রা বিনিময় হার জেনে নিন
- সব রেকর্ড চুরমার: স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস, আজকের রেট জেনে নিন
- রেকর্ড গড়ল স্বর্ণ: স্বর্ণের বাজারে চরম অস্থিরতা
- দেশে স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ: নতুন উচ্চতায় মূল্যবান এই ধাতু
- স্বপ্ন না কি দুঃস্বপ্ন? সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এক ভরি স্বর্ণ
- আদালতের আদেশ অমান্য! কালিগঞ্জে মসজিদের জমি দখলে নিতেই তুলকালাম
- এক লাফে ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি! স্বর্ণের বাজারে আগুন দেখছে বাংলাদেশ
- আন্দামান সাগরে নৌকাডুবি, ২৫০ জন নিখোঁজ
- বুধ গ্রহ: ছোট হলেও বিস্ময়ে ভরা এক জগৎ
- ২১ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ইসরাইলে ১৩ লক্ষ্যবস্তুতে হিজবুল্লাহর হামলা
- ডিএসই আপডেট, লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আজ বুধবার: কেনাকাটার আগে জেনে নিন ঢাকার কোন কোন মার্কেট বন্ধ
- তেলের দামে বড় পতন
- ২০ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- পাঁচ জেলায় শুরু হবে ই-হেলথ সেবা কার্যক্রম, মিলবে যেসব সুবিধা








