তেল সংকটের গুজব নিয়ে সতর্কবার্তা: আতঙ্কে পাম্পে ভিড় না করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

সোহানুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে এবং আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ আসছে। তাই অযথা আতঙ্কিত হয়ে পেট্রোল পাম্পে ভিড় না করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর কয়েকটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং আগামীকাল থেকে তেল মজুত বা অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক উত্তেজনার কারণে মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধাবস্থার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই উদ্বেগের বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই।
তিনি বলেন, “যে সংশয়টি জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছে, আমরা সেটাকে অস্বাভাবিকভাবে দেখছি না। কারণ বিশ্ব পরিস্থিতিতে যুদ্ধের আবহ রয়েছে। কিন্তু আমি সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। অযথা লাইনে দাঁড়ানোরও প্রয়োজন নেই।”
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, গত কয়েকদিনে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। অনেক ক্রেতাই স্বীকার করেছেন যে তারা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন। এই প্রবণতা পরিস্থিতিকে অকারণে জটিল করে তুলতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি, কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত তেল মজুতের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্যই আগামীকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির দিকেও ইঙ্গিত করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের ওপরও চাপ সৃষ্টি করছে। তবে সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
তিনি আরও বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি আমাদের জন্য একটি চাপ তৈরি করছে। স্বাভাবিকভাবেই এ ক্ষেত্রে সমন্বয়ের প্রয়োজন হবে। তারপরও আমরা চেষ্টা করব যেন দেশের মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে এবং তেলের দাম বাড়াতে না হয়।”
শেষে প্রতিমন্ত্রী সাধারণ মানুষকে ধৈর্য ও সচেতনতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অযথা আতঙ্ক ছড়িয়ে পরিস্থিতি জটিল না করে স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি ব্যবহার করা উচিত। জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকার সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
গুপ্তদের আড়ালে স্বৈরাচার ফেরার শঙ্কা, অরাজকতা নিয়ে সতর্ক করলেন তারেক রহমান
দেশে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, স্বৈরাচারের সময়ে যারা গুপ্তবেশে স্বৈরাচারের ভেতরে লুকিয়ে ছিল, এখন সেই গুপ্তদের ভেতরেই স্বৈরাচারী শক্তি লুকিয়ে থেকে অরাজকতা উসকে দিচ্ছে কি না।
শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, কেআইবি মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে আয়োজিত সভায় তারেক রহমান বলেন, বেশ কিছু রাজনৈতিক দল বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেশে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। তাঁর ভাষায়, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে তিনি পরিষ্কারভাবে বলতে চান, প্রত্যেককে নিজের সীমার মধ্যে থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক ধারা ও নীতি-নৈতিকতা সমুন্নত রাখতে চায়। তবে কেউ যদি অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, তাহলে দেশের আইনে তা নিয়ন্ত্রণের বিধান রয়েছে। তিনি বলেন, সরকার শুধু প্রশাসনিক ক্ষমতার জায়গা থেকে নয়, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। তাই আইনশৃঙ্খলা, গণতন্ত্র ও জনস্বার্থ রক্ষায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
গুপ্ত রাজনীতির প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারের সময় একটি রাজনৈতিক দল গুপ্তবেশ ধারণ করে স্বৈরাচারের ভেতরে লুকিয়ে ছিল। পরে তাদের নিজেদের লোকজনই বেরিয়ে এসে বিষয়টি স্বীকার করেছে। এখন যদি সেই গুপ্ত শক্তিগুলো আবার স্বৈরাচারকে সামনে আনার কাজ করে, তাহলে বিষয়টি জনগণের সামনে পরিষ্কার করতে হবে। জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণকে সচেতন করতে হবে এবং কে কাকে আড়াল করছে, তা জনগণের সামনে উন্মুক্ত করে দিতে হবে।
তিনি দাবি করেন, ১৯৭১ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে এ ধরনের শক্তি একে অন্যকে আড়াল ও আশ্রয় দিয়ে এসেছে। ১৯৮৬, ১৯৯৬, গত এক যুগ এবং বর্তমান সময়েও তারা বিভিন্নভাবে একে অন্যকে রক্ষা করার রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। তারেক রহমানের মতে, এই রাজনীতি জনগণের সামনে তুলে ধরা জরুরি।
দেশের চলমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়েও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের মানুষ কষ্টে আছে, এটি সরকার অস্বীকার করছে না। এ জন্য দল ও সরকারের পক্ষ থেকে তিনি দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে শিল্পকারখানার মালিক এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে ভোগা সাধারণ মানুষের কাছেও ক্ষমা চান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, বিগত এক যুগের বেশি সময় দেশ কীভাবে পরিচালিত হয়েছে, তা দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা বাংলাদেশিরা দেখেছেন। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, কথা বলার অধিকার ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা কীভাবে কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং দেশকে কীভাবে আমদানিনির্ভর ও পঙ্গু করে ফেলা হয়েছে, জনগণ তা পর্যবেক্ষণ করেছে। তাঁর দাবি, সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই গত নির্বাচনে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।
সরকার গঠনের পর দেশের অবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। শুধু অর্থনীতি নয়, ভঙ্গুর স্বাস্থ্যব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বহুবিধ প্রশাসনিক সমস্যা নিয়েই সরকারকে যাত্রা শুরু করতে হয়েছে। এর ওপর দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সরকারকে যুদ্ধ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা জ্বালানি সংকট বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে এই সমস্যা সমাধানে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে দীর্ঘদিনের সংকট রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে বিশ্বে আবারও নানা ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। তাই বাংলাদেশ যেন দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতায় না পড়ে, সে লক্ষ্যে সরকার পরিকল্পনা করছে।
জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপসহ বিশ্বের প্রায় ৬৫টি দেশে জ্বালানির দাম বেড়েছে। সরকার দীর্ঘদিন পর্যন্ত দাম না বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে কিছুটা দাম বাড়াতে হয়েছে। তবে জনগণের ওপর চাপ কমানোর জন্য সাম্প্রতিক বাজেটে প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর বাড়ানো হয়নি। বরং কিছু পণ্যের কর কমানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চায়। এমন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যেখানে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ নিরপেক্ষ মানুষ, প্রত্যেকে নিজের মত প্রকাশ করতে পারবেন। কাউকে বক্তব্য প্রকাশে বাধা দেওয়া হবে না। তবে গণতন্ত্রের নামে অরাজকতা বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগও দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান।
বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, ছয় মাস আগে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি জনগণের সামনে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। নারীদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের জন্য সম্মানজনক ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, এসব প্রতিশ্রুতির প্রতিটিই বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে।
বিএনপিই জনগণের সামনে সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবভিত্তিক ম্যানিফেস্টো দিয়েছে দাবি করে তারেক রহমান বলেন, অন্য রাজনৈতিক দলগুলো নানা ধরনের গায়েবি প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু বিএনপি দেশের সংকট মোকাবিলায় কংক্রিট পরিকল্পনা দিয়েছে। তাঁর ভাষায়, দেশের প্রতিটি সংকটকালে জনগণ বিএনপিকে দায়িত্ব দিয়েছে এবং বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে সংকট থেকে বের করার চেষ্টা করেছে।
পরিবেশ রক্ষায় সরকারের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সরকার ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করতে চায়। বিএনপির লাখ লাখ নেতাকর্মী যদি প্রত্যেকে প্রতিবছর পাঁচটি করে গাছ লাগান, তাহলে শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় সরকারের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সেই কর্মসূচি আবার চালু করেছে। আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় খাল খনন কার্যক্রমে গর্ব ও দায়িত্ববোধ নিয়ে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে দলীয় নেতাকর্মীদের সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, তাঁতী দল, আইনজীবী দল, মৎস্যজীবী দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আছে। গ্রাম, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে দলের কমিটি রয়েছে। এসব সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব।
দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, কেউ যেন বিএনপির নাম ব্যবহার করে দলকে বিব্রত করতে না পারে। দলের নাম ব্যবহার করে এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যা সাধারণ মানুষের কষ্টের কারণ হয়। বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এটিকে দলীয় প্রতিজ্ঞা হিসেবে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারের সময়ে বিএনপির প্রায় ৫০ লাখ নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা ছিল। এত বড় একটি রাজনৈতিক দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর মধ্যে কেউ কেউ হয়তো কোথাও এমন কাজ করে থাকতে পারেন, যা দল ও দেশকে বিব্রত করেছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং দল ও দেশের স্বার্থকে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সবাইকে এমপি বা মন্ত্রী করা সম্ভব নয়। অধিকাংশ নেতাকর্মী দীর্ঘ সময় কর্মী হিসেবেই থাকেন। তবে যারা সত্যিকার অর্থে শহীদ জিয়াউর রহমানকে নেতা এবং খালেদা জিয়াকে মা হিসেবে মানেন, তাদের দেশ ও দল গঠনের কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে হবে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি ঘরে বিএনপির বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলেন। দলের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা শহীদ, আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। সভা পরিচালনা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ে দেশ গড়ে উঠবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ধর্ম বা জাতিগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাই সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক হিসেবে দেশে বসবাস করবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পলাশী মোড় থেকে শুরু হওয়া শুভ জন্মাষ্টমীর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সব নাগরিক—মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান বা নৃগোষ্ঠী—ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিকভাবে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্মাচার ও অনুষ্ঠান পালন করবেন, তবে জাতীয় পরিচয়ে সবাই হবেন শুধুই বাংলাদেশের নাগরিক। সংবিধানে সব নাগরিকের ধর্মাচরণের স্বাধীনতা, উপাসনালয় স্থাপন ও ধর্মীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে বিধান রয়েছে, তা শুধু সংবিধানে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে রূপ দিতে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। ধর্মের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বৈষম্যের সুযোগ নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকারের কথা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তি সনাতন ধর্মের মানুষদের কেবল নিজেদের ‘ভোট ব্যাংক’ বানিয়ে রেখেছিল, তবে সেই ভ্রান্ত ধারণা এখন ভেঙে গেছে। তিনি সবাইকে নিজেদের কখনো ‘সংখ্যালঘু’ হিসেবে বিবেচনা না করার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, সবার আগে বাংলাদেশ—তাই ধর্মীয় বা জাতিগত পরিচয়ের আগে প্রত্যেকের মূল পরিচয় হওয়া উচিত একজন স্বাধীন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে।
/আশিক
২৪ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক দখল: এস আলমের শেয়ার অবরুদ্ধ
২৪টি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার অবৈধভাবে একক নিয়ন্ত্রণ ও দখলে রাখার অভিযোগে বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের সংশ্লিষ্ট সব শেয়ার আগামী তিন মাসের জন্য অবরুদ্ধের (ফ্রিজ) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ লঙ্ঘন করে গড়ে তোলা এই আধিপত্য বন্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং আইন অনুযায়ী অতিরিক্ত শেয়ার বাজেয়াপ্তে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
একটি রিট পিটিশনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মো. লুৎফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ এই রুল ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রিটকারী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির আদালতের এই আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের অন্যতম উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডার ‘ইসলামিক ইকনোমিক রিসার্চ ব্যুরো’ (আইইআরবি) জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেছিল।
আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, বিদ্যমান ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর ১৪ক ও ১৪খ ধারা অনুযায়ী কোনো একক পরিবার বা গ্রুপ কোনো ব্যাংকের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না। অতিরিক্ত শেয়ার বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি বাজেয়াপ্ত করার আইনি বিধান রয়েছে। অথচ এস আলম গ্রুপ সংশ্লিষ্ট ২৪টি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডারের ছদ্মাবরণে ব্যাংকটির ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ারের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল। শুনানি শেষে আদালত ২৪ প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকা ওই বিপুল শেয়ার তিন মাসের জন্য অবরুদ্ধ করার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যর্থতা নিয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন।
/আশি
সব সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন
দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত করা হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতালগুলো পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যসেবার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার যাবতীয় সমস্যা আগামী সাত দিনের মধ্যে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে আসা সাধারণ রোগীদের মিথ্যা আশ্বাস ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার পেছনে একটি সংঘবদ্ধ দালাল চক্র কাজ করে। এই চক্রকে নির্মূল করতে ডিজিএফআই, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব ইউনিট একযোগে সমন্বিত অভিযান চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে বহু হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করায় এই উপদ্রব আগের চেয়ে অনেকটাই কমে এসেছে।
অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে চলমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন জানান, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জনদের নেতৃত্বে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠান জরিমানার পাশাপাশি সিলগালা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব বেসরকারি ক্লিনিকে ভুয়া সনদধারী চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ান দিয়ে অস্ত্রোপচার বা জটিল চিকিৎসা দেওয়া হয়, সেগুলো কোনোভাবেই ছাড় পাবে না। মন্ত্রী জানান, তিনি নিজে এ ধরনের অবৈধ প্রতিষ্ঠানের তালিকা সংগ্রহ করে সরাসরি অভিযানের তদারকি করছেন। এছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গত এক মাসে ২৫টিরও বেশি হাসপাতাল পরিদর্শন করে তিনি চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি পেয়েছেন এবং সেবার মান, খাবারের মান ও চিকিৎসকদের আচরণ আগের চেয়ে উল্লেখযোগ্য হারে উন্নত হয়েছে।
/আশিক
র্যাব বিলুপ্তির পথে, সংসদে নতুন বিল উত্থাপন
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশ বাহিনীর অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে সংসদে উত্থাপিত হয়েছে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’ বিল। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ কার্যদিবসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি সংসদে তোলেন। অধিবেশনটিতে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বিলটি উত্থাপনের পর বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বিলটি মূল্যায়নে সংসদীয় কমিটিকে আরও সময় দেওয়ার দাবি জানিয়ে আপত্তি তোলেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী চার কর্মদিবসের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে সংসদে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার শর্তে বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। প্রস্তাবিত আইনে জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, সাইবার ক্রাইম, গুম, মাদক ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি বাহিনীর ক্ষমতা প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিতের বিধান রাখা হয়েছে।
প্রস্তাবিত বিলের কাঠামো অনুযায়ী, ঢাকায় সদর দপ্তর রেখে পুলিশের আওতাধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে এসআরবি গঠিত হবে। ইউনিটের নেতৃত্বে থাকবেন অন্যূন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক, যিনি ইউনিটের প্রশাসনিক, অপারেশনাল ও আর্থিক ক্ষমতা পরিচালনা করবেন। সাব-ইন্সপেক্টর বা তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা ফৌজদারি কার্যবিধি মেনে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি বা জব্দ আলামত নিজেদের হেফাজতে আটকে না রেখে অনতিবিলম্বে নিকটবর্তী থানায় সোপর্দ করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।
সদস্যদের শৃঙ্খলা রক্ষায় বিলে কঠোর গুরুদণ্ড ও লঘুদণ্ডের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে বরখাস্ত, পদাবনতি কিংবা বাধ্যতামূলক অবসরের মতো দণ্ড দেওয়া যাবে, যার বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগ থাকবে। এছাড়া সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম, ব্যক্তিগত অভিযোগ ও অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ নিরসনে মানবাধিকারকর্মী ও বিচার বিভাগীয় প্রতিনিধির সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের ‘অভিযোগ প্রতিকার কমিটি’ গঠনের কথা বলা হয়েছে, যার অনুসন্ধানকালে দেওয়ানি আদালতের মতো এখতিয়ার থাকবে।
/আশিক
‘জি এম তো নাই’: স্পিকারের রসিকতায় সংসদে হাসির রোল
জাতীয় সংসদে তারকা চিহ্নিত প্রশ্নোত্তর পর্বে নির্ধারিত প্রশ্ন থাকা সত্ত্বেও অধিবেশনে অনুপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম (গাজী নজরুল ইসলাম)। সংসদ সদস্যের অনুপস্থিতির কারণে অধিবেশনের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী তাঁর লিখিত প্রশ্নটি বাতিল হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের বৈঠকে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে ৪০৮ নম্বর ক্রমিকে তাঁর এই প্রশ্নটি উত্থাপনের কথা ছিল।
লিখিত প্রশ্নে গাজী নজরুল ইসলাম জানতে চেয়েছিলেন, দেশে বর্তমানে শ্রম আদালতের মোট সংখ্যা কত, সেগুলো কোথায় কোথায় অবস্থিত এবং এসব আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা কত। একই সঙ্গে বিচারাধীন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কী কী বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা-ও তিনি মন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছিলেন।
অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্ব চলাকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রশ্নটি উত্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের নাম ঘোষণা করেন। তবে মাইকে নাম ডাকার পর স্পিকার ফ্লোরের দিকে তাকিয়ে দেখেন গাজী নজরুল ইসলাম নিজের আসনে উপস্থিত নেই। এ সময় স্পিকার হাস্যরসাত্মক কণ্ঠে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করে ওঠেন, ‘জি এম তো নাই’। স্পিকারের এই মন্তব্যে সংসদ কক্ষে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে হালকা হাসির রোল পড়ে যায়।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিতর্কিত ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনায় আসেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য। ওই ঘটনার জেরে গাজী নজরুল ইসলামকে ইতোমধ্যে দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পরবর্তী সময়ে সংসদীয় কমিটির বৈঠকেও তাঁকে আর আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
/আশিক
সাত মাসে নিখোঁজ ১৫ হাজার শিশু: পুলিশ সদরদপ্তর
চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে সারা দেশে ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশু নিখোঁজের ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে ইতোমধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে কিংবা তারা নিজ দায়িত্বে পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ জন, যা মোট নিখোঁজ শিশুর প্রায় ১৩ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদরদপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানান, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তবে ওই প্রতিবেদনগুলোতে কতজন শিশু উদ্ধার হয়েছে বা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে সেই তথ্য উল্লেখ না থাকায় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয় এবং বাস্তব চিত্র আড়ালে পড়ে। এই অস্পষ্টতা দূর করতে স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিটি থানার মাধ্যমে সার্বিক তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।
পুলিশের বিস্তারিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বছরের প্রথম সাত মাসে শূন্য থেকে নয় বছর বয়সী শিশুদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ৪৭৪টি জিডি নথিভুক্ত হয়। এর মধ্যে ৪০৬ জনকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৬৮ জন। অন্যদিকে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিখোঁজের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ১৫ হাজার ২৪৩টি জিডি হয়েছে। এই বয়সসীমার মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৩ জনকে উদ্ধার করা গেছে এবং এখনো সন্ধান মেলেনি ১ হাজার ৯৭০ জনের। সব মিলিয়ে নিখোঁজ হওয়া শিশুদের ৮৭ শতাংশকেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
পুলিশের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, শূন্য থেকে নয় বছর বয়সী শিশুরা সাধারণত পরিবারের সঙ্গে অপরিচিত স্থানে বেড়াতে গিয়ে পথ হারিয়ে ফেলা, নাম-ঠিকানা ঠিকমতো বলতে না পারা কিংবা একা বাড়ি ফেরার সময় ভুল পথে গিয়ে নিখোঁজ হয়। অন্যদিকে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে পরিবারের ওপর অভিমান, অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপ, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক লজ্জার ভয়, লাগামহীন স্বাধীন জীবনের প্রতি আকর্ষণ, পারিবারিক কলহ ও বন্ধুদের কুপ্রভাবের মতো কারণগুলো প্রধান ভূমিকা রেখেছে। পুলিশ সদরদপ্তর আরও জানিয়েছে, অনলাইন জিডি প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ হওয়ায় এখন নিখোঁজের তথ্য দ্রুত নথিভুক্ত হচ্ছে। অতীতের চিত্র তুলে ধরে পুলিশ জানায়, নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডির সংখ্যা ২০২৩ সালে ছিল ১৭ হাজার ৮০৮টি, ২০২৪ সালে ১৬ হাজার ৪১৪টি এবং ২০২৫ সালে ছিল ২২ হাজার ৫৫০টি।
/আশিক
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক মন্ত্রীর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হকের কুমিল্লার বিভিন্ন মৌজা ও দাগে অবস্থিত ১৮টি জমি এবং টয়োটা ব্র্যান্ডের দুটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দের (ক্রোক) আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁর নামে থাকা ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত এই আদেশ জারি করেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক পাপন কুমার সাহা আদালতে এই আবেদন দাখিল করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি মো. মুজিবুল হক রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে একজন সরকারি কর্মচারী (পাবলিক সার্ভেন্ট) হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। তিনি অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যদের সঙ্গে যোগসাজশ করে নিজ নামে ৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪১ হাজার ৩৫১ টাকার জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন। এই সুনির্দিষ্ট অপরাধে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
আদালতে জমা দেওয়া দুদকের নথিতে আরও বলা হয়, মামলাটির তদন্ত চলাকালে রেকর্ডপত্র যাচাই করে দেখা গেছে যে আসামি তাঁর এবং তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি গোপনে বিক্রি, স্থানান্তর বা বেহাত করার তৎপরতা চালাচ্ছেন। বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই এই বিপুল পরিমাণ সম্পদ হস্তান্তর বা অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হলে রাষ্ট্র মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। সেই যুক্তিতেই আসামির জমি, গাড়ি এবং ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বন্ধে অবিলম্বে আদালতের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করা হয়েছিল।
/আশিক
বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চাপে বন্ধ হলো চার শতাধিক কারখানা
২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছরে দেশে চার শতাধিক তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এর মধ্যে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) অন্তর্ভুক্ত ২৮২টি এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) ১২৩টি কারখানা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এই তথ্য প্রকাশ করেন।
পোশাক কারখানাগুলো বন্ধের পেছনের কারণ তুলে ধরতে গিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ একাধিক সংকটের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, করোনা মহামারির দীর্ঘমেয়াদি ধাক্কা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত এবং সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাব ছাড়াও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক মন্দা রপ্তানি খাতকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
এর পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং দেশ থেকে বিপুল অর্থ পাচারের কারণে সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকট কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া ইউরোপের বাজারে ভারত ও ভিয়েতনামের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং বিদেশি ক্রেতাদের নিজস্ব নজরদারি সুবিধার কারণে ছোট ও মাঝারি কারখানাগুলোতে কাজের ক্রয়াদেশ না দেওয়ার প্রবণতাও এই খাতের জন্য বড় আঘাত হয়ে এসেছে। বর্তমানে বন্ধ হয়ে যাওয়া সব কারখানার সুনির্দিষ্ট পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তৈরি পোশাকের বৈশ্বিক বাজার ধরে রাখতে সরকারের নেওয়া নীতিগত সহায়তার কথা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে ডিউটি ড্র-ব্যাক ও শুল্ক বন্ডের বিকল্প হিসেবে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ সহায়তা এবং ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান সহায়তার অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি তৈরি পোশাক খাতের নিট, ওভেন ও সোয়েটার শিল্পের ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অতিরিক্ত ৩ শতাংশ বিশেষ আর্থিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে এবং সামগ্রিক খাতে বিশেষ নগদ প্রণোদনা হিসেবে মিলছে শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ।
একই অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে জেলাভিত্তিক বিশেষ টাস্কফোর্স এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশজুড়ে কঠোর তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অতিরিক্ত দাম নেওয়া, মজুতদারি, কৃত্রিম সংকট তৈরি ও মূল্যতালিকা না টানানোর মতো অপরাধে নিয়মিত জরিমানা করা হচ্ছে। এছাড়া বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও কার্টেল বা যোগসাজশের বিরুদ্ধে সক্রিয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন। জনস্বার্থে বাজার মনিটরিং ও আইনি অভিযান আগামী দিনে আরও জোরদার করা হবে বলে সংসদে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- গুপ্তদের আড়ালে স্বৈরাচার ফেরার শঙ্কা, অরাজকতা নিয়ে সতর্ক করলেন তারেক রহমান
- মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে তেল আবিবের বড় লক্ষ্য প্রকাশ
- রাতে রাজধানীর আবহাওয়া নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
- আর্জেন্টিনার জার্সিতে আবারও দেখা যেতে পারে মেসিকে
- শেখ হাসিনার বক্তব্য ইস্যুতে ‘নো কমেন্ট’, তারেক রহমানের সফর নিয়ে যা বলল ভারত
- দেবিদ্বারে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল বল্লভপুর শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন
- নরসিংদীতে ছেলের হাতে বাবা খুন, আহত মা-ভাই
- নির্বাচনের আগে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা
- বিনা মূল্যে ২ লাখ টাকার আইটি প্রশিক্ষণ, রয়েছে চাকরির সুযোগ
- ‘চিকেনস নেক’-এ সমান্তরাল মহাসড়ক এনএইচ-৩২৭ বানাচ্ছে ভারত
- দলবদলের বাজারে নতুন চমক, ইউরোপ ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যে তরুণ উইঙ্গার
- লিপজিগে ড্রোন হামলা: রাশিয়ার বিরুদ্ধে ‘হাইব্রিড যুদ্ধের’ অভিযোগ জার্মানির
- কারণ ছাড়া ওজন কমছে বা ক্লান্ত লাগছে? ক্যানসারের ৫ সংকেত জানাল জনস হপকিন্স
- সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের আগে যেসব বিষয় জানা জরুরি
- ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ে দেশ গড়ে উঠবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ২৪ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক দখল: এস আলমের শেয়ার অবরুদ্ধ
- মধ্যপ্রাচ্যে সেনা নিরাপত্তা জোরদারে পেন্টাগনের নতুন পদক্ষেপ
- নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগ অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ
- আন্দোলনের হুমকি না দিয়ে গ্যাস-বিদ্যুতের বিকল্প পরিকল্পনা দিন: রিজভী
- সব সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন
- মামলার ৮ দিন পর মাদরাসায় অভিযান, কেন হয়নি কেউ গ্রেপ্তার
- তিন দফা পতনের পর স্বর্ণের দামে বড় লাফ
- অস্ত্রের মজুদ ফাঁকা হওয়ার খবর ‘শতভাগ ভুল’: ট্রাম্পের হুঙ্কার
- র্যাব বিলুপ্তির পথে, সংসদে নতুন বিল উত্থাপন
- জামানত ছাড়া সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার আর্থিক প্যাকেজ চালু
- ‘জি এম তো নাই’: স্পিকারের রসিকতায় সংসদে হাসির রোল
- সাত মাসে নিখোঁজ ১৫ হাজার শিশু: পুলিশ সদরদপ্তর
- লন্ডনের ইলফোর্ডে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
- সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহের রহস্য উন্মোচনে বড় মাইলফলকের সামনে বিজ্ঞানীরা
- নতুন সামরিক হামলায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ল ইরানে
- সৌদিতে সর্বোচ্চ রেড অ্যালার্ট জারি
- হতাশাজনক হারে এশিয়ান কাপ বাছাই থেকে বিদায় নিশ্চিত বাংলাদেশের
- টানা পতনের পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন
- ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় আর্থিক পরিবর্তনের ঘোষণা বিসিবি সভাপতির
- অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক মন্ত্রীর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
- বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চাপে বন্ধ হলো চার শতাধিক কারখানা
- দীর্ঘ বিরতির পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত শীর্ষ নেতা
- প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড ও শীর্ষে নতুন দেশ, সংসদে তথ্য উপস্থাপন
- কুয়েতে ইরানের ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- সাবেক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের নজিরবিহীন পদক্ষেপ
- লঘুচাপের প্রভাব: দেশজুড়ে আবহাওয়ার নতুন বার্তা
- ক্রিকেটের নতুন বিশ্বমঞ্চের দায়িত্ব পেল ভারত
- ইরানের পাশে পুতিন: ‘ক্ষুধার্ত হাঙরদের’ দাঁতভাঙা জবাবের হুঁশিয়ারি
- ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: পার্থ
- লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
- তদন্ত শুরুর আগেই সত্যতা পাওয়ার দাবিতে মানহানি হয়েছে: আসিফ মাহমুদ
- ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন থেকেই মধ্যপ্রাচ্য সংকটের শুরু: শাহবাজ শরিফ
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক সংঘাতের ধাক্কা লাগল বিশ্ববাজারে
- লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান
- গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে: ডা. শফিকুর রহমান
- এক সপ্তাহে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মামলার ঘটনায় বিজেপিসির তীব্র নিন্দা
- সেবা শেষে এবার বকশিশও দাবি করছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি
- টানা পতনের পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন
- ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে বাদ পড়ছেন কারা, প্রকাশ পেল অযোগ্যতার তালিকা
- আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় দায়িত্বের মুখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস
- একীভূত ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য বড় ঘোষণা, অর্থ ফেরত শুরুর দিনক্ষণ চূড়ান্ত
- তিস্তা পাড়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, স্থানীয় সংকট নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা
- ভূগর্ভস্থ টানেলে আটকা শত শত প্রাণ, ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান
- তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক করিডর নিয়ে চীন-বাংলাদেশ বৈঠক
- ইরানকে ‘ব্যর্থ ও মৃত রাষ্ট্র’ ঘোষণা করে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কড়া বার্তা
- নবম পে-স্কেল অনুমোদনের আড়ালে দুঃসংবাদ: বাতিল হচ্ছে বিশেষ সুবিধা
- দীর্ঘ এক দশকের প্রতীক্ষার অবসান, নতুন বেতন কাঠামোয় মন্ত্রিসভার সবুজ সংকেত
- আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে স্থানীয় জুয়েলারি খাতে বড় পরিবর্তন
- পেট ফাঁপা ও বদহজম রোধে হেঁশেলের প্রাচীন উপায়ের কার্যকারিতা
- ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ে দেশ গড়ে উঠবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী








