আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: জেনে নিন কোন দেশের মুদ্রার কত দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১০:৪৭:৩১
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: জেনে নিন কোন দেশের মুদ্রার কত দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক পরিধি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক লেনদেন পরিচালনার সুবিধার্থে বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্গে দেশীয় মুদ্রার বিনিময় হার জানা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে প্রবাসী আয় এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য এই হিসাব প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল।

আজ শনিবার (৭ মার্চ) আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার মূল্যে কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে। আজকের বাজার দর অনুযায়ী, মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর মান দাঁড়িয়েছে ১৪১ টাকা ৪১ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য ১৬২ টাকা ৯১ পয়সায় পৌঁছেছে।

এছাড়া এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৫৯ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সৌদি রিয়ালের মান আজ ৩২ টাকা ৫৯ পয়সা এবং কাতারি রিয়ালের মান ৩৩ টাকা ৫৯ পয়সা।

কুয়েতি দিনারের মান বরাবরের মতো বেশ চড়া, যা আজ ৩৯৬ টাকা ৪৯ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের মুদ্রা রুপির বিনিময় হার ১ টাকা ৩৩ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান ১৭ টাকা ৭৩ পয়সা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই মুদ্রার হারের সঠিক তথ্য জানা সংশ্লিষ্ট সবার জন্য অপরিহার্য।

/আশিক


মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা ও মার্কিন সুদের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় ধস

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৫ ১৫:৫৮:১৯
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা ও মার্কিন সুদের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় ধস

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আবারও নিম্নমুখী হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংকট ঘিরে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশায় পরিবর্তন এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়তে পারে এমন আশঙ্কার কারণে নিরাপদ বিনিয়োগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে পরিচিত স্বর্ণের বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে শুধু দৈনিক নয়, পুরো সপ্তাহজুড়েই উল্লেখযোগ্য লোকসানের মুখে পড়েছে মূল্যবান এই ধাতু।

শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৪৫.৫১ ডলারে নেমে আসে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় সাপ্তাহিক পতন।

একই সময়ে আগস্ট মাসে সরবরাহের চুক্তিতে মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দামও ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৭১.৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ফলে স্পট ও ফিউচার উভয় বাজারেই স্বর্ণের ওপর বিক্রির চাপ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বর্ণের দাম কমার পেছনে দুটি বড় কারণ কাজ করছে। প্রথমত, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ঘিরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে নিরাপদ সম্পদে বিনিয়োগের প্রবণতা তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা দুর্বল হয়েছে। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফেডারেল রিজার্ভ আবারও সুদের হার বাড়াতে পারে এমন ধারণা শক্তিশালী হচ্ছে।

এবিসি রিফাইনারির গ্লোবাল হেড অব ইনস্টিটিউশনাল মার্কেটস নিকোলাস ফ্রাপেল বলেন, ইরান-সংক্রান্ত সংকটকে কেন্দ্র করে বাজারে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই বদলে গেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে কঠোর মুদ্রানীতির সম্ভাবনা স্বর্ণের বাজারকে চাপে ফেলছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, স্বর্ণ সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু সুদের হার বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগকারীরা সুদবাহী সম্পদের দিকে ঝুঁকে পড়েন। ফলে স্বর্ণের মতো অনুৎপাদনশীল সম্পদের চাহিদা কমে যায় এবং দাম নিম্নমুখী হয়।

বাজার সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি এখন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের সর্বশেষ তথ্যের দিকে। বিশেষ করে মে মাসের ‘নন-ফার্ম পে-রোল’ বা কৃষিখাতের বাইরে কর্মসংস্থানের তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এই তথ্য থেকে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ সুদনীতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে।

শিকাগো মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জের (সিএমই) ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বাজারের অংশগ্রহণকারীরা এখন প্রায় ৫১ শতাংশ সম্ভাবনা দেখছেন যে চলতি বছরের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে আবারও সুদের হার বাড়ানো হতে পারে।

স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও ছিল মন্দাভাব। আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দাম ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭২.৩৬ ডলারে নেমে এসেছে। প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১,৮৮০.৪০ ডলারে। অন্যদিকে প্যালাডিয়ামের দাম ১.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১,২৯৮.৪৯ ডলারে নেমে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা একদিকে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সূচকগুলোও নিবিড়ভাবে অনুসরণ করছেন। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহে স্বর্ণবাজারের দিকনির্দেশনা অনেকটাই নির্ভর করবে ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।

স্বর্ণবাজারে এই দরপতন বাংলাদেশের বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণে আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি ডলার বিনিময় হার, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বিশ্ববাজারে দাম কমলেও দেশীয় বাজারে তার প্রতিফলন কতটা হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

-শিবলী_৮৮৭৬


জেনে নিন আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বাজার দর

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৫ ০৯:৪৪:৪৬
জেনে নিন আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বাজার দর

দেশের ব্যাংকিং চ্যানেল ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারে বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে প্রধান প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার দামে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রবাহ সচল রাখা এবং আমদানির ব্যয় মেটানোর সুবিধার্থে ক্রলিং পেগ পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত আজকের সর্বশেষ বাজারে মার্কিন ডলারের দাম কিছুটা উর্ধ্বমুখী। আজকের বাজারে প্রতি ১ ইউএস ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে ১২২.৯৩ টাকা। ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো বিক্রি হচ্ছে ১৪২.৭৬ টাকায় এবং যুক্তরাজ্যের পাউন্ডের মান ঠেকেছে ১৬৫.০২ টাকায়। এছাড়া প্রতি ভারতীয় রুপি লেনদেন হচ্ছে ১.২৮ টাকা দরে।

এদিকে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুদ্রা বরাবরের মতোই শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। আজকের দর অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে দামি মুদ্রা কুয়েতি দিনার লেনদেন হচ্ছে ৪০০ টাকার কাছাকাছি (৩৯৯.৯২ টাকা)। এছাড়া ওমানি রিয়াল ৩১৯.৩০ টাকা এবং বাহরাইনি দিনার ৩২৬.০৭ টাকার এক একটি বড় অঙ্কে কেনাবেচা হচ্ছে। প্রবাসীদের অন্যতম বড় শ্রমবাজার সৌদি আরবের রিয়াল প্রতি ৩২.৭৪ টাকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম ৩৩.৪৭ টাকায় থিতু হয়েছে। মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের দর আজ ৩০.৪৮ টাকা এবং কাতারি রিয়াল লেনদেন হচ্ছে ৩৩.৭৭ টাকায়।

ব্যাংকিং খাতের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা এবং অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স পলিসির কারণে এই দর প্রতিদিন ওঠানামা করে। তবে গ্রাহক পর্যায়ে ক্যাশ টাকা কেনাবেচা কিংবা মোবাইল ব্যাংকিং পার্টনারদের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জগুলো নিজস্ব সেবা মাশুল যুক্ত করায় এই সরকারি ও গড় রেট থেকে মূল দামে সামান্য কম-বেশি হতে পারে। তাই যেকোনো ধরনের বড় লেনদেনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের লাইভ বা তাৎক্ষণিক রেট যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।


স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দরপতন, নতুন দাম কার্যকর করল বাজুস

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৪ ১০:৫৬:০৪
স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দরপতন, নতুন দাম কার্যকর করল বাজুস
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে সবশেষ গত ২ জুন হ্রাস করা হয়েছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম। প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা, যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই দেশজুড়ে কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটে খাঁটি বা তেজাবি সোনার মূল্য হ্রাস পাওয়ার পরিপ্রক্ষিতেই সাধারণ ভোক্তাদের সুবিধার্থে নতুন এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এবং আজ বৃহস্পতিবারও দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে এই সবশেষ নির্ধারিত মূল্যেই স্বর্ণ কেনাবেচা চলছে।

বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে এখন থেকে প্রতিভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনা কিনতে গ্রাহকদের গুনতে হবে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা এবং ঐতিহ্যবাহী সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি সোনা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪Nz৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২৫ মে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী সমন্বয় করেছিল বাজুস, যখন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছিল ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়। এছাড়া তখন ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা ধার্য করা হয়েছিল।

স্বর্ণের বাজারমূল্য কমানোর ইতিবাচক সিদ্ধান্তের সমান্তরালে এবার দেশের বাজারে রুপার দামও কিছুটা কমিয়ে এনেছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ১১৭ টাকা হ্রাস পাওয়ায় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার বর্তমান বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা। এর বাইরে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা রূপার অলঙ্কার ক্রেতাদের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দেবে।

/আশিক


মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা ও কূটনীতির স্থবিরতায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১২:৫২:১৮
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা ও কূটনীতির স্থবিরতায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য আরও এক দফা বৃদ্ধি পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যকে কেন্দ্র করে নতুন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হওয়া এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার নেতিবাচক প্রভাবে বুধবার তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী তেলের দামের প্রধান মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৮১ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯৬ দশমিক ৮১ ডলারে এসে ঠেকেছে। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দামও ব্যারেলপ্রতি ৯১ সেন্ট বা ১ শতাংশ বেড়ে ৯৪ দশমিক ৬৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির ধারা স্পষ্ট হওয়ার আগে গত মঙ্গলবারও তেলের এই উভয় বেঞ্চমার্কই বিগত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যে কেনাবেচা হয়ে লেনদেন শেষ করেছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরান থেকে কুয়েত ও বাহরাইনের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবর প্রকাশ পাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এর সাথে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার চলমান কূটনৈতিক সংলাপে আশাব্যঞ্জক কোনো ফলাফল না আসায় বাজারে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা সচল থাকা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মনে বড় ধরনের সংশয় দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে—এমন আশঙ্কাই মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামকে ক্রমাগত ওপরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

/আশিক


জেনে নিন আজ কোন দেশের মুদ্রায় কত টাকা মিলছে

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১২:৪৩:১৫
জেনে নিন আজ কোন দেশের মুদ্রায় কত টাকা মিলছে
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সাথে যুক্ত ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে প্রতিদিনের মতো আজও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বুধবার (৩ জুন) লেনদেনের শুরুতেই বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মূল্যে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গেছে।

প্রবাসী আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে আজ সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৭৩ পয়সা।

এছাড়া দুবাই দিরহাম ৩৩ টাকা ৪২ পয়সা, ওমানি রিয়াল ৩১৮ টাকা ৯৫ পয়সা এবং কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৭২ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম চড়া মুদ্রা কুয়েতি দিনারের মূল্য আজ ৩৯৭ টাকা ৮২ পয়সা এবং বাহরাইনি দিনার ৩২৬ টাকা ৪৫ পয়সা।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান মুদ্রা মার্কিন ডলারের অফিসিয়াল রেট আজ ১২২ টাকা ৭৪ পয়সা।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর বিপরীতে মিলছে ১৪২ টাকা ৭৩ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৬৫ টাকা ২৫ পয়সা।

এশিয়ার অন্যতম প্রধান শ্রমবাজার মালয়েশিয়ান রিংগিতের দাম আজ ৩০ টাকা ৮৩ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ও ব্রুনাই ডলার—উভয়েরই মূল্য সমান অর্থাৎ ৯৫ টাকা ৯০ পয়সায় এসে ঠেকেছে।

অন্যান্য প্রধান মুদ্রাগুলোর মধ্যে কানাডিয়ান ডলার ৮৮ টাকা ৬৫ পয়সা, অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৮ টাকা ০৫ পয়সা এবং চীনা রেনমিনবি বা ইউয়ান ১৮ টাকা ১৪ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

এছাড়া ভারতীয় রুপি ১ টাকা ২৯ পয়সা, মালদ্বীপীয় রুফিয়া ৭ টাকা ৯৫ পয়সা, লিবিয়ান দিনার ১৯ টাকা ৩৬ পয়সা এবং তুর্কি লিরা ২ টাকা ৬৭ পয়সা। দূরপ্রাচ্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েন ০ টাকা ৭৭ পয়সা, দক্ষিণ কোরিয়ার উওন ০ টাকা ০৮ পয়সা এবং ইরাকি দিনার ০ টাকা ০৯ পয়সায় স্থিতি পেয়েছে।

অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকান র‌্যান্ডের মূল্য আজ ৭ টাকা ৫৫ পয়সা। তবে ব্যাংকিং চ্যানেল ও কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে যেকোনো মুহূর্তে এই আন্তর্জাতিক মুদ্রাগুলোর বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

/আশিক


ঈদের আমেজ কাটতেই ‘কারেন্ট’ শক: আজই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১০:২৭:০১
ঈদের আমেজ কাটতেই ‘কারেন্ট’ শক: আজই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহার আমেজ কাটতে না কাটতেই দেশের সাধারণ মানুষের ওপর আসছে বাড়তি খরচের এক তীব্র ধাক্কা। বহুল আলোচিত বিদ্যুতের নতুন মূল্য আজ বুধবার (৩ জুন) বিকেলেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কঠিন শর্ত পূরণ এবং বিদ্যুৎ খাতের বিশাল লোকসান সামাল দিতে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম এবার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে চরম অর্থনৈতিক সংকটে থাকা স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের জন্য চালু থাকা ‘লাইফ লাইন’ (০ থেকে ৫০ ইউনিট) সুবিধায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।

বিইআরসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আজ সকাল ১১টায় কমিশনের কারিগরি কমিটির রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির চূড়ান্ত হার নির্ধারণ করা হচ্ছে। এরপর বিকেলের দিকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করবে কমিশন, যা ১ জুন থেকে অর্থাৎ ভূতাপেক্ষভাবে কার্যকর করা হবে। বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদও গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কারিগরি কমিটি বিষয়টি নিয়ে শেষ মুহূর্তের কাজ করছে এবং আজই চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে।

সূত্র জানিয়েছে, ২ মাস আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত একটি বিশেষ মন্ত্রিসভা কমিটি ইউনিটপ্রতি ১ টাকা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। এছাড়া গত ২০ ও ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিইআরসির গণশুনানিতে দেশের ৬টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে বিপিডিবি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা বৃদ্ধির দাবি করে।

বিতরণ কোম্পানিগুলোর এই আকাশচুম্বী প্রস্তাবের বিপরীতে বিইআরসির কারিগরি দল গড়ে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা মূল্যবৃদ্ধির চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে। কর্মকর্তাদের মতে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে কোনোভাবেই ইউনিটপ্রতি ১ টাকার কম বাড়ছে না। তবে গ্রাহকদের ওপর চাপ কমাতে নতুন একটি কৌশল নেওয়া হচ্ছে। ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম হারে মূল্যবৃদ্ধি করা হতে পারে। এরপর ২০০ থেকে ৪০০ ইউনিট, ৪০০ থেকে ৬০০ ইউনিট এবং ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ধাপে ধাপে মূল্যবৃদ্ধির হার চড়া হবে। এই মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে বছরে সরকারের প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য রয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিপিডিবির কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার আরও অস্থির হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের চড়া বিনিময় হার এবং এলএনজি, কয়লা ও তেল আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

বিপিডিবি জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে কম দামে বিক্রির কারণে পিডিবির প্রাক্কলিত লোকসান হবে ৬৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ভর্তুকি দেবে সরকারি এই সংস্থা। বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে ১২ হাজার কোটি টাকা তোলা গেলেও বাকি বিশাল অঙ্কের টাকা ঘাটতি থেকেই যাবে।

অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে তার প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। শিল্প-কারখানা, সেচব্যবস্থা, কোল্ড স্টোরেজ ও বাণিজ্যিক খাতের উৎপাদন ব্যয় এক লাফে অনেক বেড়ে যাবে। এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়লে বাসাভাড়া ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার কারণে সীমিত আয়ের মধ্যবিত্ত, ছোট ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা সবচেয়ে বেশি পিষ্ট হবেন, যা দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে।

এদিকে বিইআরসির দুই দিনের শুনানিতে খুচরা পর্যায়ে ১৫ থেকে ২৯ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ১৭ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন ভোক্তা প্রতিনিধি, অর্থনীতিবিদ ও শিল্প মালিকরা। শুনানিতে অংশ নিয়ে কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন এবং প্রতিনিধিরা বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সুশাসন নিশ্চিত না করে এবং অপচয় ও অদক্ষতা না কমিয়ে কেবল মূল্যবৃদ্ধি কোনো সমাধান নয়। বিদ্যুৎ খাতের অদক্ষতা, দুর্নীতি, সিস্টেম লস এবং রেন্টাল-কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের ভূতুরে ‘ক্যাপাসিটি চার্জের’ দায় সাধারণ গ্রাহকদের ওপর চাপানো হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা প্রশ্ন তোলেন, প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হলেও এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কোনো স্বাধীন আর্থিক নিরীক্ষা কেন করা হচ্ছে না? তিনি দাম বাড়ানোর পরিবর্তে কিভাবে দাম কমানো যায়, সে বিষয়ে পৃথক গণশুনানির আহ্বান জানান।

সিনিয়র সাংবাদিক শুভ কিবরিয়া এবং সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর নতুন অর্থনৈতিক শোষণ চাপাতেই এই আইএমএফের শর্তপূরণের উদ্যোগ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক জেবুন্নেসা কড়া ভাষায় বলেন, বিতরণ কোম্পানিগুলোর অবৈধ সংযোগের কারণে যে সিস্টেম লস ও লোকসান হয়, তা সাধারণ গ্রাহক দেবে কেন? দুর্নীতি বন্ধ না হলে দাম এভাবে বাড়তেই থাকবে।

এমনকি খোদ বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদও শুনানিতে স্বীকার করেছেন যে, ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতের জন্য বড় বোঝায় পরিণত হয়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তবে সব বিরোধিতার মুখে দাঁড়িয়েও শেষ পর্যন্ত আজই কার্যকর হচ্ছে বিদ্যুতের নতুন বাড়তি মূল্য।

/আশিক


তারল্য সংকটে আমানতকারীদের হাহাকার: খেলাপি ঋণের করাল গ্রাসে দেশের ৬১ ব্যাংক

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১০:১৬:৪৫
তারল্য সংকটে আমানতকারীদের হাহাকার: খেলাপি ঋণের করাল গ্রাসে দেশের ৬১ ব্যাংক
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের স্তূপ আরও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। দেশের ইতিহাসে সব রেকর্ড ভেঙে এবার মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ শতাংশেরও বেশি ঋণখেলাপি হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে দেশের ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এর ফলে বর্তমানে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে রেকর্ড ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক পর্যন্ত হিসাব চূড়ান্ত করে এই উদ্বেগজনক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, বিপুল পরিমাণ ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে দেশের ব্যাংক খাতে তীব্র তারল্য সংকট (লিকুইডিটি ক্রাইসিস) দেখা দিয়েছে। এর ফলে অনেক ব্যাংক গ্রাহকের আমানতের টাকা সময়মতো ফেরত দিতে পারছে না এবং নতুন করে ঋণ দেওয়ার সক্ষমতাও হারিয়ে ফেলছে। এছাড়া খেলাপি ঋণের বিপরীতে বাধ্যতামূলক প্রভিশন বা সঞ্চিতি রাখতে গিয়ে ব্যাংকগুলোর মুনাফা ও মূলধন তলানিতে ঠেকেছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৭ কোটি টাকা। জানুয়ারি-মার্চ এই তিন মাসের ব্যবধানে তা ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা বেড়েছে। এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণ বিশেষ সুবিধায় নবায়ন (রিশিডিউল) করায় খেলাপি ঋণ সাময়িকভাবে কম দেখালেও, পরবর্তী প্রান্তিকে তা আবার বিশাল লাফে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। মার্চ মাস শেষে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকে মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ ঋণই এখন খেলাপি।

প্রতিবেদনে স্পষ্ট যে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। সরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের হার বিতরণ করা ঋণের প্রায় ৪৬ শতাংশ, যার মোট পরিমাণ ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের আমলেই মূলত এই খেলাপি ঋণের পাহাড় তৈরি হয়েছে। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে যখন আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেয়, তখন দেশে মোট খেলাপি ঋণ ছিল মাত্র ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা।

২০১৯ সালের মার্চে তা প্রথমবারের মতো লাখ কোটির ঘর ছাড়ায়। আর ২০২৪ সালের জুনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে সরকার খেলাপি ঋণের অঙ্ক ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকায় রেখে যায়। তবে তৎকালীন সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ব্যাংক খাতের প্রকৃত ও বাস্তব চিত্র এবং গোপন তথ্য বেরিয়ে আসতে শুরু করলে এই অঙ্ক হুহু করে বাড়তে থাকে।

ব্যাংকারদের মতে, বিগত সরকারের আমলে এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, বিসমিল্লাহ গ্রুপ ও হল-মার্ক গ্রুপসহ কয়েকটি নির্দিষ্ট শিল্পগোষ্ঠীর সীমাহীন লুটপাট, জালিয়াতি এবং ন্যাশনাল ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকে সংঘটিত নজিরবিহীন কেলেঙ্কারির কারণেই ব্যাংক খাত আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, বর্তমানে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি চরম হতাশাজনক। নতুন ঋণ বিতরণ না হওয়ায় আগের খেলাপি ঋণের ওপর চড়া সুদ যোগ হয়ে মোট খেলাপির পরিমাণ ও হার—দুটোই অনেক বেড়েছে। দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো আবার চালু করে অর্থনীতিকে সক্রিয় করতে এবং বাজারে ঋণের চাহিদা বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

/আশিক


স্বর্ণ কিনতে সুখবর, এক লাফে কমল স্বর্ণের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ০৯:২৭:১৩
স্বর্ণ কিনতে সুখবর, এক লাফে কমল স্বর্ণের দাম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক ধাক্কায় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে এবং বুধবারও একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। একইসঙ্গে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হবে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের ক্ষেত্রে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিপ্রতি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকা।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান ধাতুর দামের ওঠানামা, ডলারের বিনিময় হার এবং স্থানীয় কাঁচা স্বর্ণের সরবরাহ পরিস্থিতি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য কিছুটা নরম হওয়ায় তার প্রতিফলন স্থানীয় বাজারেও দেখা যাচ্ছে।

এর আগে গত ২৫ মে সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের সময় উল্টো চিত্র দেখা গিয়েছিল। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ফলে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে বাজারে উল্লেখযোগ্য মূল্যহ্রাস ঘটল।

শুধু স্বর্ণ নয়, রুপার বাজারেও এসেছে স্বস্তির খবর। বাজুসের নতুন ঘোষণায় রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার ভরিপ্রতি দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি বিক্রি হবে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায়। ১৮ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি বিক্রি হবে ৩ হাজার ৪৪১ টাকায়।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মতে, ঈদুল আজহার আগে সাধারণত অলংকার কেনাবেচা বৃদ্ধি পায়। এমন সময়ে মূল্য হ্রাস ভোক্তাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে বিয়ে, পারিবারিক অনুষ্ঠান ও ঈদ উপলক্ষে যারা স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনতে পারে।

-রাফসান


জুলাই থেকেই ভাগ্যবদল: নবম পে স্কেলে যুক্ত হচ্ছে নতুন যেসব সুযোগ-সুবিধা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০২ ১৮:০৩:২১
জুলাই থেকেই ভাগ্যবদল: নবম পে স্কেলে যুক্ত হচ্ছে নতুন যেসব সুযোগ-সুবিধা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের সরকারি চাকুরিজীবী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বহুল আলোচিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বা নতুন বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই (২০২৬) থেকে বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মূল্যস্ফীতির চাপ বিবেচনা করে সরকারি কোষাগারের ওপর থেকে বড় ধাক্কা এড়াতে পুরো পে-স্কেল একবারে কার্যকর না করে তিনটি ভিন্ন অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের একটি বিশেষ রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী ১ জুলাই থেকেই নতুন বেতন কাঠামো বা পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হবে। আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে এই বৃহৎ ব্যয়ের প্রাথমিক ধাক্কা সামলাতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পুরো কাঠামোটি চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়িত হলে সরকারের মোট সম্ভাব্য ব্যয় দাঁড়াতে পারে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।

তিন ধাপে যেভাবে বাস্তবায়িত হবে নতুন পে-স্কেল

প্রথম বছর (১ জুলাই ২০২৬ থেকে)

প্রাথমিক ধাপে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিচার বিভাগ ও বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত মূল বেতনের (Basic Pay) প্রথম ৫০ শতাংশ সুবিধা পাবেন।

দ্বিতীয় বছর (২০২৭-২০২৮ অর্থবছর)

এই অর্থবছরে মূল বেতনের বাকি ৫০ শতাংশ সুবিধা পুরোপুরি সমন্বয় করে কার্যকর করা হবে।

তৃতীয় বছর (২০২৮-২০২৯ অর্থবছর)

শেষ ধাপে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, শিক্ষা ও অন্যান্য সব ধরনের আনুষঙ্গিক ভাতা একযোগে কার্যকর করা হবে। (ততদিন পর্যন্ত অন্যান্য সব ভাতা ও সুবিধা বিদ্যমান পুরোনো নিয়মেই বহাল থাকবে)।

নতুন পে-স্কেলের সুপারিশেও বর্তমানে বিদ্যমান ২০টি গ্রেডের প্রশাসনিক কাঠামোটিই বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে নিম্ন ও উচ্চ পদের মধ্যে বেতনের বৈষম্য কমিয়ে আনতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৯.৪ থেকে কমিয়ে ১:৮-এ নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সর্বনিম্ন মূল বেতন (২০তম গ্রেড)

বর্তমানের ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে সরাসরি ২০,০০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সর্বোচ্চ মূল বেতন (১ম গ্রেড)

বর্তমানের ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৬০,০০০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

এই নতুন বিন্যাসের ফলে গ্রেডভেদে কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিম্ন আয়ের কর্মচারীরা এতে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন। পাশাপাশি ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য নতুন করে যাতায়াত ভাতা চালুর বিষয়টিও অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন রয়েছে।

নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে দেশের প্রায় ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগীদের জীবনেও বড় স্বস্তি আসছে। বিশেষ করে যারা অতীতে তুলনামূলকভাবে কম পেনশন পেতেন, তাদের ক্ষেত্রে পেনশন সুবিধা সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর একটি মানবিক প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কমিটি। এছাড়া ইতিমধ্যে সরকারি চাকরিজীবীরা যে ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছিলেন, নতুন স্কেলের মূল বেতন নির্ধারণের সময় সেটি কীভাবে সমন্বয় করা হবে, তা নির্ধারণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব কমিটি কাজ করছে।

এদিকে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্যও এই নতুন বেতন কাঠামো বড় ধরনের সুখবর বয়ে আনছে। বিশেষ করে ১০ম গ্রেডে কর্মরত শিক্ষকদের মূল বেতনে একটি বড় ধরনের উল্লম্ফন এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। সরকারের এই পর্যায়ক্রমিক বেতন বৃদ্ধির যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে বেসরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের আর্থিক অসচ্ছলতা ও জীবনযাত্রার সংকট অনেকাংশেই দূর হবে বলে মনে করছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা।

/আশিক

পাঠকের মতামত: