কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার সহজ উপায়: সুস্থ থাকবে আপনার হৃদয়

কোলেস্টেরলের সমস্যা বর্তমানে অনেকের জন্যই একটি বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সরাসরি হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রা পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। নিয়মিত কিছু ব্যায়াম এবং সঠিক খাবারের নিয়ম মেনে চললে খুব সহজেই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, যা একই সাথে শরীরের হজমশক্তি বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আমাদের অন্ত্রের স্বাস্থ্য। সুস্থ অন্ত্র নিশ্চিত করতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার বেশি করে রাখা প্রয়োজন, যা হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করার পাশাপাশি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল শুষে নিতে বাধা দেয়।
খাবারের গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের ওপর নজর দেওয়া কোলেস্টেরল কমানোর আরেকটি কার্যকর উপায়। যেসব খাবারের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম, সেগুলো গ্রহণ করলে রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক থাকে এবং পরোক্ষভাবে তা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। এছাড়া প্রতিদিনের ডায়েটে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার রাখা জরুরি। নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে শরীরে জমে থাকা টক্সিন বের হয়ে যায় এবং কোলেস্টেরল কমাতে দারুণ ভূমিকা রাখে। মূল খাবার খাওয়ার আগে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খাওয়ার অভ্যাস করলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে আসে। এক্ষেত্রে ভাজাপোড়া বাদ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের বাদাম, তাজা ফল বা দই স্ন্যাকস হিসেবে বেছে নেওয়া যেতে পারে।
সবুজ শাকসবজি এবং ভেষজ উপাদানের ব্যবহার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে জাদুর মতো কাজ করে। প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি রাখা শরীরের জন্য অপরিহার্য, কারণ এটি প্রাকৃতিক উপায়ে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে আনে। এর পাশাপাশি রান্নায় আদা ও রসুনের ব্যবহার বাড়ানো উচিত। আদা ও রসুনে এমন কিছু প্রাকৃতিক ওষুধি গুণ এবং যৌগ রয়েছে যা সরাসরি রক্তে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে এবং হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে বিশেষ অবদান রাখে। নিয়মিত এই নিয়মগুলো মেনে চললে হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে একটি সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপন করা সম্ভব।
/আশিক
ডায়াবেটিস কি তবে শেষ? ছোলার পানির জাদুকরী ক্ষমতা!
ডায়াবেটিস বর্তমানে একটি দুরারোগ্য ব্যাধি হিসেবে দেখা দিলেও জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন এবং ঘরোয়া অভ্যাসের মাধ্যমে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতের কাছে থাকা সাধারণ ছোলাই হতে পারে এই সমস্যার দারুণ সমাধান। বিশেষ করে ছোলা ভেজানো পানি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অবিশ্বাস্য ভূমিকা পালন করে।
ছোলার মধ্যে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয়। প্রতিদিন রাতে দুই মুঠো ছোলা পরিমাণমতো পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে সেই পানি পান করলে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। ভেজানো ছোলার পানি নিয়মিত পান করলে পেটের মেদ কমার পাশাপাশি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ছোলার পানির পাশাপাশি মেথি ভেজানো পানিও অত্যন্ত কার্যকর। মেথিতে থাকা ফাইবার কার্বোহাইড্রেট এবং চিনি শোষণের গতি কমিয়ে দেয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বাড়তে দেয় না। এ ছাড়া দারুচিনির ব্যবহার ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন চায়ের সঙ্গে বা রান্নায় সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
অন্যদিকে, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য করলার রস একটি ‘ট্রাম্প কার্ড’ হিসেবে কাজ করে। করলার মধ্যে থাকা চারাটিন এবং মোমর্ডিসিন উপাদান সরাসরি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে আধা কাপ করলার রস পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
তবে এসব ঘরোয়া উপাদানের পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা ব্যায়াম করা জরুরি, কারণ শারীরিক পরিশ্রম পেশিকে রক্ত থেকে চিনি ব্যবহার করতে সাহায্য করে। যেকোনো ঘরোয়া পদ্ধতি শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং নিয়মিত ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ।
/আশিক
কিডনিতে পাথর কেন হয়? খাবারের এই ভুলগুলো আজই শুধরে নিন
কিডনিতে পাথর হওয়া বর্তমানে একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার পেছনে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ক্যালসিয়াম অক্সালেট নামক পাথরের ক্ষেত্রে অক্সালেটযুক্ত খাবারগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পালং শাক, বিট, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, চকোলেট, চা এবং সয়া জাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট থাকে।
এই খাবারগুলো অতিরিক্ত গ্রহণ করলে শরীরে অক্সালেটের মাত্রা বেড়ে যায় এবং তা মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হওয়ার সময় ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিশে স্ফটিক তৈরি করে, যা ধীরে ধীরে বড় পাথরে পরিণত হয়। তবে এসব খাবার খাদ্যতালিকা থেকে পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বরং পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে, অক্সালেটযুক্ত খাবারের সঙ্গে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার একসঙ্গে খেলে অন্ত্রে অক্সালেটের শোষণ কমে যায়, যা পাথর তৈরির ঝুঁকি হ্রাস করে।
কিডনি সুস্থ রাখতে শুধুমাত্র অক্সালেট নিয়ন্ত্রণই যথেষ্ট নয় বরং সামগ্রিক জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা কিডনি পাথর প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এছাড়া খাবারে অতিরিক্ত লবণ ও প্রাণিজ প্রোটিন কমিয়ে সুষম ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত। ফলমূল ও শাকসবজির মতো ক্ষারধর্মী খাবার মূত্রের স্বাভাবিক পিএইচ মান ধরে রাখতে এবং সাইট্রেটের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা পাথর গঠন প্রতিরোধে সহায়ক।
পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণ ও শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ স্থূলতা ও ইনসুলিন প্রতিরোধের সঙ্গে কিডনি পাথরের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সুতরাং সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে পারলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
/আশিক
হাম হলে কী করবেন? জরুরি নির্দেশনা জানুন
দেশে সংক্রামক রোগ হিসেবে হাম এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামে আক্রান্ত হলে দ্রুত সঠিক চিকিৎসা এবং পরিচর্যা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ অবহেলা করলে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, হাম ধরা পড়লে রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। একই সঙ্গে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্তত ৪ থেকে ৭ দিন আলাদা ঘরে আইসোলেশনে রাখা প্রয়োজন।
রোগীর শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা ডাবের পানি, ফলের রস এবং স্যুপের মতো সহজপাচ্য তরল খাবার বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ দেন, যাতে শরীরে পানিশূন্যতা না দেখা দেয়।
হামের কারণে জ্বর ও শরীর ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোনো ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়।
এছাড়া রোগীর ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, ব্যবহৃত জিনিসপত্র আলাদা রাখা এবং মাস্ক ব্যবহার করলে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
হামের সময় চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা কষ জমা একটি সাধারণ উপসর্গ। এ ক্ষেত্রে ফুটিয়ে ঠান্ডা করা পরিষ্কার পানি ও তুলা দিয়ে আলতোভাবে চোখ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দিলে রোগীর আরাম পেতে সহায়তা করে।
চিকিৎসাবিদরা আরও বলেন, হাম হলে রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রামে রাখা এবং পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা উচিত। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং দ্রুত সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
তবে কিছু উপসর্গ দেখা দিলে বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। যেমন শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, অতিরিক্ত জ্বর বা অস্বাভাবিক দুর্বলতা দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ হলো টিকাদান। শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হাম প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিত করা গেলে এই রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
সামগ্রিকভাবে, সচেতনতা, সময়মতো চিকিৎসা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই হামকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
দেশে হামের মহামারি আতঙ্ক: আক্রান্ত ১১ হাজার ছাড়াল, বাড়ছে লাশের মিছিল
দেশে হামের প্রকোপ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে এবং আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৮ জনে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা দেশজুড়ে অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ১৩৩ জনে। এর মধ্যে শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৪৮ জন সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৫৭৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৯ জন। তবে আশার কথা হলো, আক্রান্তদের মধ্যে ৫ হাজার ২৪১ জন শিশু চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হঠাৎ জ্বরের সাথে শরীরে লালচে র্যাশ বা দানা দেখা দিলে সেটিকে অবহেলা করা একদমই উচিত নয়। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি চললেও পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত তরল নিশ্চিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করছে।
/আশিক
হাম নাকি সাধারণ র্যাশ? চেনার উপায় ও চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ
তীব্র গরমে শিশুদের মধ্যে জ্বর, ডায়রিয়া ও শরীরে র্যাশের মতো উপসর্গের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এই লক্ষণগুলোর অনেকটাই হামের মতো মনে হলেও সব ক্ষেত্রে পরীক্ষা করে হাম শনাক্ত হচ্ছে না। বিশেষ করে নবজাতক থেকে ৬ মাস বয়সি শিশুরা এই সময়ে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। রাজধানীর শিশু হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের আলাদা ওয়ার্ডে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে অনেক শিশু হাসপাতালে আসার পাশাপাশি কিছু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে, যা অভিভাবকদের জন্য চরম সতর্কবার্তাস্বরূপ। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বরের সঙ্গে পাতলা পায়খানা বা শরীরে লালচে দানা দেখা দিলে সেটিকে সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করা প্রাণঘাতী হতে পারে।
শিশুর যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি শিশুর অতিরিক্ত দুর্বলতা বা পাতলা পায়খানা শুরু হয়, তবে তাকে পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। এছাড়া সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখা এবং ঘরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি।
বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। সরকারি টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, সঠিক সময়ে টিকা প্রদান এবং প্রাথমিক লক্ষণ দেখামাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে শিশুদের বড় ধরনের বিপদ থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।
/আশিক
সতর্ক হোন! ডায়াবেটিসের এই লক্ষণগুলো অবহেলা করলে বাড়ছে বড় ঝুঁকি
ডায়াবেটিস বর্তমানে অনেকের কাছেই এক সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে। তবে কেবল নিয়মিত ওষুধ সেবন বা খাবার নিয়ন্ত্রণ করলেই এই রোগ পুরোপুরি আয়ত্তে রাখা সম্ভব হয় না। অনেক সময় রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক থাকলেও শরীরের অভ্যন্তরে এমন কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন ঘটতে থাকে, যা শুরুতে আমাদের নজরে আসে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল ল্যাবরেটরির রিপোর্টের ওপর নির্ভর না করে নিজের শরীরের ছোট ছোট পরিবর্তনগুলোর দিকে নিয়মিত নজর রাখা জরুরি। কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষণ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসজনিত বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা আগেভাগেই শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।
রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে শরীর কিছু প্রাথমিক সংকেত দেয়, যার মধ্যে অন্যতম হলো ঘনঘন তৃষ্ণা পাওয়া এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি প্রস্রাব হওয়া। এছাড়া পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও যদি শরীর সারাদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগে, তবে বুঝতে হবে রক্তে শর্করার ওঠানামা আপনার জীবনীশক্তি কমিয়ে দিচ্ছে।
খাদ্যাভ্যাসে কোনো পরিবর্তন না আনা সত্ত্বেও যদি শরীরের ওজন হঠাৎ কমে যায় বা বেড়ে যায়, তবে সেটিকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে আসা ডায়াবেটিসের একটি গুরুতর লক্ষণ, কারণ উচ্চ শর্করা সরাসরি চোখের লেন্সের ওপর প্রভাব ফেলে।
শরীরের কোনো অংশে ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়া বা ঘা যদি সহজে শুকাতে না চায়, তবে তা ডায়াবেটিসের জটিলতার স্পষ্ট ইঙ্গিত হতে পারে। অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ শর্করার ফলে স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে হাত-পা ঝিনঝিনি করা, জ্বালাপোড়া বা অবশ হওয়ার মতো অনুভূতি তৈরি হয়। এছাড়া ত্বকের অস্বাভাবিক শুষ্কতা, বারবার সংক্রমণ হওয়া বা চুলকানিও এই রোগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। এমনকি হঠাৎ খুব বেশি ক্ষুধা পাওয়া কিংবা খাওয়ার রুচি একেবারে চলে যাওয়াও রক্তে শর্করার ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ হতে পারে।
ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্থ জীবনযাপন করতে হলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি শরীরের এই ভাষাহীন সংকেতগুলো বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উল্লিখিত লক্ষণগুলোর কোনোটি যদি দীর্ঘসময় ধরে স্থায়ী হয়, তবে কালক্ষেপণ না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। মনে রাখতে হবে, প্রাত্যহিক জীবনের ছোট ছোট শারীরিক পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকলেই ভবিষ্যতে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়িয়ে চলা সম্ভব।
সূত্র: আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন, মায়ো ক্লিনিক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
যেসব শিশুকে দেওয়া যাবে না হামের টিকা! স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সতর্কতা
অসুস্থ বা জ্বর থাকা শিশুদের এই মুহূর্তে হাম-রুবেলার (এমআর) টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। আজ রোববার (৫ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ৯টা থেকে জরুরি ভিত্তিতে এই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় টিকা দেওয়া হবে। তবে যেসব শিশু বর্তমানে উচ্চ জ্বর, তীব্র সংক্রমণ বা শ্বাসকষ্টের মতো গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছে, তাদের সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত টিকা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
এছাড়া আগে হামের টিকা নিয়ে যাদের মারাত্মক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া হয়েছিল বা যারা ক্যানসারের চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি স্টেরয়েড সেবনের কারণে দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতায় ভুগছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া টিকা না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের জটিলতা কমাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে। যারা সম্প্রতি রক্ত বা রক্তজাত পণ্য গ্রহণ করেছে, তাদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টিকা স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে।
এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে আগে হামের টিকা নেওয়া শিশুরাও অংশ নিতে পারবে। প্রথম ধাপে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী ২১ মে ২০২৬-এর মধ্যে, অর্থাৎ পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই এই বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
/আশিক
ক্যানসার দমনে নিমের অবিশ্বাস্য শক্তি! গবেষণায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
নিমগাছের ভেষজ গুণাবলি এবার অগ্ন্যাশয়ের (প্যানক্রিয়াটিক) ক্যানসার মোকাবিলায় নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিমের মধ্যে থাকা 'গেডুনিন' এবং 'নিম্বোলাইড' নামক দুটি প্রাকৃতিক যৌগ ক্যানসার কোষ ধ্বংস করতে অত্যন্ত কার্যকর। টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটি হেলথ সায়েন্সেস সেন্টারের গবেষকদের মতে, গেডুনিন যৌগটি ক্যানসার কোষের বৃদ্ধির জন্য দায়ী 'সনিক হেজহগ' নামক সিগন্যালিং পাথওয়েকে বাধা দেয়, যা অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ কেমোথেরাপির তুলনায় বেশি কার্যকর এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও অনেক কম।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নিমের উপাদান ইঁদুর ও কোষের ওপর পরীক্ষায় ক্যানসার কোষের বিস্তার প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। এটি সুস্থ কোষের ক্ষতি না করেই টিউমার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং শরীরের এক অংশ থেকে অন্য অংশে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়া রোধ করে। তবে গবেষকরা সতর্ক করেছেন যে, এই গবেষণাটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তাই ক্যানসারের বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে শুধু নিমের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মূলধারার চিকিৎসা (সার্জারি বা কেমোথেরাপি) চালিয়ে যাওয়া অপরিহার্য। ভবিষ্যতে ক্যানসারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন নতুন ওষুধ তৈরিতে নিমের এই গুণাবলি বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ক্যানসার ছাড়াও নিমের আরও বহুবিধ স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে। এটি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা দেয়। এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ ব্রণ ও এগজিমা সারাতে কার্যকর। এছাড়া রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও নিমের জুড়ি মেলা ভার। তবে নিমের নির্যাস বা ক্যাপসুল ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
/আশিক
টিকা নেওয়ার আগেই হামে আক্রান্ত বেশিরভাগ শিশু! কপালে চিন্তার ভাঁজ চিকিৎসকদের
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের প্রাদুর্ভাব এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, যা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া হাম আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ৬৫ শতাংশেরই বয়স ৯ মাসের কম। বাংলাদেশের প্রচলিত স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী, শিশুদের হামের প্রথম টিকা দেওয়া হয় ৯ মাস বয়সে। অর্থাৎ, টিকার আওতায় আসার আগেই এই বিপুল সংখ্যক শিশু প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য এক অশনিসংকেত।
সোমবার পর্যন্ত নতুন করে আরও ১০ শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০২ জনে। হাসপাতালের শিশু বিভাগের তথ্যমতে, গত তিন মাসে মোট ২৭০ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মাধ্যমে পরীক্ষা করা ৬৩টি নমুনার মধ্যে ৩৪টিই পজিটিভ এসেছে, যার অর্থ আক্রান্তের হার প্রায় ৫৪ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিশু এসেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে, এছাড়া পাবনা, রাজশাহী ও নওগাঁর শিশুদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে।
হাসপাতালের শিশু বিভাগীয় প্রধান ডা. সাহিদা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, বর্তমানে আইসিইউতে ১৬টি শিশু অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছে, যার মধ্যে ১০ জনই ৯ মাসের কম বয়সী। শিশুদের মধ্যে সাধারণত তীব্র জ্বর কমার পর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা হাম দেখা দিচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০ শয্যার একটি বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ড এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডে একটি ‘হাম কর্নার’ চালু করা হয়েছে। বর্তমানে বারান্দাতেও রোগী রেখে চিকিৎসা সেবা দিতে হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকার বয়সের আগেই শিশুদের আক্রান্ত হওয়া প্রমাণ করে যে ওই অঞ্চলে ভাইরাসের প্রকোপ অত্যন্ত বেশি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়ে জানানো হয়েছে, যেহেতু ৯ মাসের কম বয়সী শিশুরা এখনও টিকা পায়নি, তাই তাদের সুরক্ষায় অভিভাবকদের বাড়তি সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। বিশেষ করে কোনো শিশুর মধ্যে জ্বর বা কাশির লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পাঠকের মতামত:
- হরমুজ খুলে দিল তেহরান: যুদ্ধবিরতির মধ্যেও শক্ত বার্তা
- বুধ গ্রহ: ছোট হলেও বিস্ময়ে ভরা এক জগৎ
- যে ৬ শর্তে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে লেবানন-ইসরায়েল
- যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরই ভাঙন: লেবানন সীমান্তে ফের ইসরায়েলি হামলা
- তেলের দামে বড় পতন
- বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান আর নেই
- লেবানন যুদ্ধবিরতিতে ক্ষুব্ধ ইসরায়েল
- শনিবার যেসব এলাকায় থাকবে না বিদ্যুৎ
- ডিএসইতে সপ্তাহজুড়ে উত্থান-পতনের লড়াই
- সোনা-রুপার দামে নতুন রেকর্ড বাংলাদেশে
- আজকের লাইভ খেলা: কোথায় কিভাবে দেখবেন সব ম্যাচ
- আজ ঢাকার আবহাওয়া কেমন থাকবে? জেনে নিন
- আজ ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না, জানুন এলাকা
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ১৭ এপ্রিল মুদ্রা বাজারে টাকার বিপরীতে মুদ্রা রেট দেখুন
- আজ ঢাকার যেসব মার্কেট বন্ধ, বের হওয়ার আগে জানুন
- শুক্রবারের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- বিদায় বেলায় অশ্রুসিক্ত শিক্ষার্থীরা: মরিচা ছায়েদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে দোয়া মাহফিল
- চরভদ্রাসন উপজেলায় তীব্র লোডশেডিং, বিপর্যস্ত জনজীবন ও শিক্ষাকার্যক্রম
- অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করায়, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
- খুব শিগগিরই রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে কুমিল্লার আলোচনা
- সতর্কবার্তা: শুক্রবার ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়!
- বিরতির সময় গান? ২০২৬ বিশ্বকাপে ইনফান্তিনোর বিশাল চমক
- জুলাই সনদ ও ইশতেহার বাস্তবায়নই মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- বন্দর থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র, সব ধ্বংসের ছক আঁকলেন ট্রাম্পের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
- হরমুজে পা রাখলেই ধ্বংস হবে মার্কিন জাহাজ: মোহসেন রেজায়ির হুঁশিয়ারি
- পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে ‘বিশৃঙ্খলার দেবতা’! মহাকাশে টানটান উত্তেজনা
- বিচ্ছিন্ন দক্ষিণ লেবানন! বিমান হামলায় ধ্বংস হলো কৌশলগত সংযোগ পথ
- আমেরিকার চোখে ধুলা! রণতরী এড়িয়ে পারস্য উপসাগরে ইরানের সুপার ট্যাংকার
- যুদ্ধে ইতি টানার সময় কি তবে এল? রয়টার্সের চাঞ্চল্যকর তথ্য
- বিশ্ব তেলের বাজারে হাহাকার? হরমুজ সংকটে দুই পরাশক্তির চরম টক্কর
- ইতিহাসের সাক্ষী ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন: জাইমার হাতে দাদির স্বর্ণপদক
- ‘পিকচার আভি বাকি হ্যায়’ ট্রাম্পকে ইরানের বার্তা
- বৈশাখের তাণ্ডব শুরু? শিলাবৃষ্টির আশঙ্কায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কতা
- হাসিন আমলের হয়রানিমূলক মামলার দিন শেষ! শুরু হচ্ছে গণপ্রত্যহার
- টাকা পাঠানোর আগে দেখে নিন আজকের লেটেস্ট কারেন্সি রেট
- নিজেকে ‘যিশু’ দাবি করলেন ট্রাম্প! পোপকে আক্রমণে উত্তাল আমেরিকা
- জাহাজবাড়ি ‘জঙ্গি নাটক’ হত্যা মামলা: আজ কাঠগড়ায় শেখ হাসিনাসহ ৮ জন
- শেয়ারবাজারে সুবাতাস! শেষ কার্যদিবসে সাড়ে ৫ গুণ প্রতিষ্ঠানের দাম বৃদ্ধি
- এসএসসিতে ভয়ংকর সাইলেন্ট এক্সপেল: বুঝতেই পারবে না খাতা বাতিল!
- ইংল্যান্ডের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে টাইগাররা! ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে বড় পরিবর্তনের হাতছানি
- মহাকাশ থেকে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের থাবা! নেপথ্যে চীনের গোপন স্যাটেলাইট
- ডায়াবেটিস কি তবে শেষ? ছোলার পানির জাদুকরী ক্ষমতা!
- ৩৪ বছর পর মুখোমুখি! ট্রাম্পের জাদুতে সংলাপে ইসরায়েল-লেবানন
- যুদ্ধ না কি শান্তি? যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংকটের ৪টি ভয়ংকর দৃশ্যপট
- আমেরিকাকে চরম চাপে ফেলল ইরান! হরমুজ নিয়ে নতুন প্রস্তাব
- সর্বোচ্চ সম্মাননায় খালেদা জিয়া: আজ পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী
- এক লাফে ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি! স্বর্ণের বাজারে আগুন দেখছে বাংলাদেশ
- হরমুজে নতুন শর্ত, ইরানের প্রস্তাবে চমক
- ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলে ৩৯ হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
- এক লাফে ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি! স্বর্ণের বাজারে আগুন দেখছে বাংলাদেশ
- আদালতের আদেশ অমান্য! কালিগঞ্জে মসজিদের জমি দখলে নিতেই তুলকালাম
- আজকের নামাজের সময়সূচি, দেখে নিন সম্পূর্ণ তালিকা
- ১৪ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ডিএসই আপডেট, লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
- আজকের লাইভ খেলা, কখন কোথায় দেখবেন
- ইসরাইলে ১৩ লক্ষ্যবস্তুতে হিজবুল্লাহর হামলা
- শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ, জানুন এলাকা
- আজকের মুদ্রার রেট: জেনে নিন কোন দেশের কত টাকা
- তেলের দামে বড় পতন
- ২১ ঘণ্টার বৈঠক ব্যর্থ! কোনো চুক্তি ছাড়াই ইসলামাবাদ ছাড়ছে আমেরিকা
- "ইরানের কাছে হেরে গেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, মধ্যপ্রাচ্যে আর ফিরতে পারবে না আমেরিকা"
- মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিকল্প কর্মসংস্থানের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর
- ক্রেতাদের জন্য সুখবর, কমলো স্বর্ণের দর








