বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ঢলের ৯ বছর: প্রত্যাবাসন কেন এখনো অনিশ্চিত

মিয়ানমারে হত্যা, নিপীড়ন ও ব্যাপক সহিংসতা থেকে প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার বড় ঢলের নয় বছর পূর্ণ হলো আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট)। ২০১৭ সালের এই দিনে রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত অতিক্রম করে কক্সবাজারে প্রবেশ করতে শুরু করেন। নয় বছর পেরিয়ে গেলেও নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি এখনো বাস্তবে রূপ নেয়নি। বরং মিয়ানমারের চলমান সংঘাত, রাখাইনে ক্ষমতার নতুন সমীকরণ, নাগরিকত্বের অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সংকোচন পুরো সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সর্বশেষ উপলভ্য তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন শেষে বাংলাদেশে রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ। এর মধ্যে কক্সবাজারে প্রায় ১১ লাখ ৬৬ হাজার এবং ভাসানচরে প্রায় ৩৩ হাজার ৮০০ রোহিঙ্গা রয়েছেন। নতুন করে বাংলাদেশে আসা ১ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকেও বায়োমেট্রিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।
২৫ আগস্টকে রোহিঙ্গারা গণহত্যা স্মরণ দিবস হিসেবে পালন করে থাকেন। দিনটি উপলক্ষে কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের সমবেত হয়ে ২০১৭ সালের সহিংসতার বিচার দাবি এবং নিজ ভূমি আরাকানে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরার কর্মসূচি রয়েছে। তবে তাদের বক্তব্যের কেন্দ্রে এবারও একই প্রশ্ন—নয় বছর পরও কেন নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পথ তৈরি হলো না।
প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক একটি অগ্রগতি হলো, বাংলাদেশ থেকে পাঠানো তালিকার মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে যাচাই করেছে মিয়ানমার। তবে একই সঙ্গে দেশটি জানিয়েছে, রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যাবাসন শুরু করা সম্ভব নয়। ফলে যাচাই প্রক্রিয়ার অগ্রগতি হলেও বাস্তবে কবে একজন রোহিঙ্গাও ফিরে যেতে পারবেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত সময়সীমা নেই।
রোহিঙ্গাদের বড় উদ্বেগ নাগরিকত্ব ও জাতিগত পরিচয়ের স্বীকৃতি নিয়েও। ইউএনএইচসিআর বলছে, মিয়ানমারে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হওয়ায় রোহিঙ্গারা বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্রহীন জনগোষ্ঠীগুলোর একটি। সংস্থাটির অবস্থান হলো, মিয়ানমারে অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলেই কেবল নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ, স্বেচ্ছামূলক ও টেকসই প্রত্যাবর্তন সম্ভব।
এই বাস্তবতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রাহমান নাসির উদ্দিন মনে করেন, প্রত্যাবাসনই সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হলেও শুধু কূটনৈতিক ঘোষণা দিয়ে সেটি অর্জন করা সম্ভব নয়। তার মতে, মিয়ানমারের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি মাথায় রেখে একটি সুস্পষ্ট কৌশলগত পরিকল্পনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব, মর্যাদা এবং নিজ ভূমিতে অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়গুলো প্রত্যাবাসনের কাঠামোর কেন্দ্রে রাখতে হবে।
ইউনাইটেড কাউন্সিল অব রোহিঙ্গার সভাপতি সৈয়দ উল্লাহর বক্তব্যেও দীর্ঘদিনের হতাশা স্পষ্ট। তার মতে, ২০১৮ সাল থেকে প্রত্যাবাসনের সম্ভাব্য সময় নিয়ে বহু আলোচনা হলেও বাস্তব অগ্রগতি সামান্য। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের পাশাপাশি মিয়ানমার এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোকেও এই সংকটের দায় ও সমাধানের দায়িত্ব নিতে হবে। রোহিঙ্গাদের কোনো ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার উপাদান হিসেবে না দেখে অধিকারসম্পন্ন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বানও জানান তিনি।
রাখাইনের পরিবর্তিত সামরিক বাস্তবতাও এখন প্রত্যাবাসনের অন্যতম বড় বাধা। রোহিঙ্গা যুবনেতা ও আরাকান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মুজিবুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, রাখাইনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। ফলে কেবল মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমঝোতা করেই প্রত্যাবাসনের বাস্তব পরিবেশ তৈরি করা কঠিন হতে পারে। তার মতে, চীন ও ভারতের মতো প্রভাবশালী আঞ্চলিক শক্তির কার্যকর সম্পৃক্ততাও প্রয়োজন।
দীর্ঘায়িত সংকটের আরেকটি উদ্বেগজনক দিক হচ্ছে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের ঘাটতি। জাতিসংঘ ও সহযোগী সংস্থাগুলো ২০২৬ সালে রোহিঙ্গা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর জরুরি প্রয়োজন মেটাতে ৭১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা চেয়েছে। এই আবেদন ২০২৫ সালের তুলনায় ২৬ শতাংশ কম, এবং জাতিসংঘ বলছে এটি জীবনরক্ষাকারী ন্যূনতম প্রয়োজন মেটানোর জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিকভাবে সংকুচিত করা হয়েছে। পরিকল্পনাটির আওতায় রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী মিলিয়ে প্রায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার মানুষকে সহায়তার লক্ষ্য রয়েছে।
অর্থসংকট ইতোমধ্যেই মানবিক কার্যক্রমে চাপ তৈরি করেছে। ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ২০২৫ সালে মানবিক অর্থায়ন কমে যাওয়ায় জরুরি সেবার ক্ষেত্রেও কঠিন অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও কিছু কার্যক্রম সীমিত করতে হয়েছে। রোহিঙ্গাদের বড় অংশ খাদ্য, আশ্রয়, স্বাস্থ্য, পানি ও সুরক্ষাসহ মৌলিক প্রয়োজনের জন্য এখনো মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।
তবে আন্তর্জাতিক সহায়তা পুরোপুরি থেমে যায়নি। চলতি আগস্টেই অস্ট্রেলিয়া ২০২৬-২৮ মেয়াদি মানবিক সহায়তা প্যাকেজের আওতায় ২ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ইউএনএইচসিআরকে আরও ১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ায় কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপরও অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত চাপ বাড়ছে। স্থানীয় প্রতিনিধিদের মতে, দীর্ঘদিন পাশাপাশি বসবাসের ফলে রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের মধ্যে সম্পদ, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও সামাজিক সম্পর্ককে ঘিরে চাপ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে ক্যাম্পে অপরাধ, সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে অপরাধের সঙ্গে এক করে দেখলে সামাজিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে।
উন্নয়নকর্মী ফারিহা হোসাইন মনে করেন, নয় বছর ধরে চলা এই সংকটকে এখন আর শুধু জরুরি ত্রাণের সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের আলোচনায় তাদের নিজেদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, দক্ষতা ও দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা তৈরির বিষয়ও বিবেচনায় নিতে হবে।
ব্র্যাকের উপদেষ্টা সুব্রত চক্রবর্তীর মতে, শরণার্থী সংকটের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সমাধানের মধ্যে স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন, স্থানীয় একীভূতকরণ এবং তৃতীয় দেশে পুনর্বাসন রয়েছে। বাংলাদেশের বাস্তবতায় স্থানীয়ভাবে একীভূত করার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় প্রত্যাবাসনকে মূল লক্ষ্য রেখেই সীমিত পরিসরে তৃতীয় দেশে পুনর্বাসনের পথও খোলা রাখা যেতে পারে।
ইউএনএইচসিআরের বর্তমান অবস্থানও বলছে, প্রত্যাবাসনের আকাঙ্ক্ষা থাকলেও তার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও অধিকারভিত্তিক পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি। মিয়ানমারের সংঘাত আরও তীব্র হওয়ায় নতুন বাস্তুচ্যুতি ও সীমান্ত অতিক্রমের ঘটনাও ঘটছে। ফলে একদিকে পুরোনো শরণার্থীদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা, অন্যদিকে নতুন বাস্তুচ্যুত মানুষের আগমন দুই বাস্তবতাই বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।
নয় বছর পর তাই রোহিঙ্গা সংকটের সামনে মূল প্রশ্ন শুধু ‘কবে প্রত্যাবাসন হবে’ নয়; বরং কোথায়, কোন কর্তৃপক্ষের অধীনে, কী নাগরিক মর্যাদায় এবং কতটা নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নিয়ে তারা ফিরবেন এসব প্রশ্নের গ্রহণযোগ্য উত্তর পাওয়া জরুরি। প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের মানবিক মর্যাদা ও মৌলিক সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে সংকটের চাপ বহন করা কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও আন্তর্জাতিক সহায়তার কেন্দ্রে রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
-রফিক
গড়াই নদীতে আবরার ফাহাদের নামে সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নিহত শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের স্মরণে কুষ্টিয়ার গড়াই নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবরারের পরিবারের সাক্ষাৎকালে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সাক্ষাৎকালে আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ প্রধানমন্ত্রীকে জানান যে, তাদের এলাকার প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন, তাই সেখানে আবরারের নামে একটি সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সিদ্ধান্ত ব্যক্ত করেন।
পরিবারের সাথে এই বৈঠকে আবরার ফাহাদের স্মৃতি রক্ষা, স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মামলার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আবরারের বাবা স্থানীয় একটি মসজিদের কাজ অসম্পূর্ণ থাকার কথা জানালে প্রধানমন্ত্রী তা অবিলম্বে শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। এছাড়া, কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া আসামি সহ এই হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায় কার্যকরের দাবি জানানো হয়। উচ্চ আদালতে বিচারিক কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, আদালত সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং সরকারের পক্ষ থেকে পরিবারকে সব ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক সহযোগিতা দেওয়া হবে।
বৈঠকে আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ বুয়েট ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি কামনা করেন এবং আবরার ফাহাদের নামে একটি নতুন আবাসিক হল নির্মাণের জোরালো দাবি জানান। প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা সচিবের সঙ্গে কথা বলেন। এছাড়া নতুন প্রজন্মের কাছে আবরারের আত্মত্যাগের ইতিহাস তুলে ধরতে পাঠ্যপুস্তকে তা অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানান ফাইয়াজ। পাশাপাশি, জুলাই আন্দোলনের পূর্বে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি তালিকা তৈরির প্রস্তাব দিলে প্রধানমন্ত্রী জানান যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সাক্ষাৎকালে আবরারের মা রোকেয়া খাতুন আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয় এবং দেশের শিক্ষাঙ্গনগুলোতে নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। বৈঠকে আবরারের স্বজনদের পাশাপাশি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার পথে রূপপুরের প্রথম ইউনিট
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ বা প্রথম নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরুর অনুমোদন দিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগে রিঅ্যাক্টরে স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক প্রক্রিয়া চালুর এই ধাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করে বায়রার চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান জানান, প্রাথমিক এই প্রক্রিয়া শেষ করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত করার পূর্বে কেন্দ্রটিকে আরও দুটি ভিন্ন ধাপে বায়রার অনুমোদন নিতে হবে।
প্রকল্প কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ইউনিটের স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ব্যবস্থার সেফটি ভালভের (PORV/POSV) কিছু প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে এই অনুমোদনের বিষয়টি এতদিন আটকে ছিল। সম্প্রতি রাশিয়া থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দল কারিগরি কৌশলে সেই সমস্যার কার্যকর সমাধান করেন। পরবর্তীতে একাধিক পরীক্ষার মাধ্যমে সেফটি ভালভগুলোর নিরাপত্তা ও দক্ষতা নিশ্চিত হওয়ার পরই বায়রা ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক অনুমতি প্রদান করে। এর মাধ্যমে রূপপুরের রিঅ্যাক্টরটি নিষ্ক্রিয় অবস্থা থেকে প্রথমবারের মতো সক্রিয় পরিচালন ধাপে প্রবেশ করবে।
মূল প্রক্রিয়া শুরু হলে রিঅ্যাক্টরটিকে এর মোট নির্ধারিত তাপীয় ক্ষমতার ১ শতাংশেরও কম শক্তিমাত্রায় পরিচালনা করে ‘ইনিশিয়াল ক্রিটিক্যালিটি’ বা প্রাথমিক পর্যায়ে নেওয়া হবে। সেখানে প্রথম স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন চলাকালীন রিঅ্যাক্টরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামিতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জামগুলোর কার্যকারিতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এই ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ পর্যায়টি সম্পন্ন হতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে। প্রাথমিক এই পরীক্ষার সার্বিক ফলাফল সন্তোষজনক বিবেচিত হলে পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে রিঅ্যাক্টরের মূল উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।
/আশিক
শিশু-কিশোরদের স্বাস্থ্যে বড় পদক্ষেপ: দুই মাসে দেশজুড়ে ১ হাজার খেলার মাঠের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত একটি করে খেলার মাঠ গড়ে তুলে শিশু-কিশোর ও তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সুস্থ এবং ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে আগামী দুই মাসের মধ্যে সারা দেশে কমপক্ষে এক হাজার খেলার মাঠ স্থাপনের স্পষ্ট রূপরেখা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ইউনিয়নভিত্তিক খেলার মাঠ স্থাপন ও ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণসংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
বৈঠকে প্রান্তিক পর্যায়ের পাশাপাশি রাজধানী ঢাকার ক্রীড়া অবকাঠামো নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতি দুই থেকে তিনটি ওয়ার্ডের জন্য অন্তত একটি করে খেলার মাঠ সুনির্দিষ্ট করা হবে। এর অংশ হিসেবে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪০টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৯০টি মাঠকে সম্পূর্ণ খেলাধুলার উপযোগী করে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে মাঠ গড়ে তোলা হবে; যার প্রাথমিক অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ২৭টি জেলায় খেলার মাঠের জন্য ৪০৩টি খাসজমি চিহ্নিত করা হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি মাঠের আয়তন সর্বনিম্ন ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৮ বিঘা পর্যন্ত রাখা হবে। মাঠগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা তদারকির উদ্দেশ্যে প্রতিটি উপজেলায় একজন করে নতুন ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এছাড়া ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল ও ব্যাডমিন্টনসহ ১০টি প্রধান ক্রীড়া ইভেন্টে দেশজুড়ে প্রায় ১৪ লাখ কিশোর-কিশোরীকে সরাসরি সম্পৃক্ত করা হবে। আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় এই বিশাল ক্রীড়া কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
একই সঙ্গে বৈঠকে বিভিন্ন স্থানে দখল হয়ে যাওয়া খেলার মাঠগুলো দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশ দেওয়া হয়। বিদ্যমান উপজেলা স্টেডিয়ামগুলো সচল করা এবং দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্রীড়া ক্লাব ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম চালু রাখার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি সুস্থ ও সুন্দর নতুন প্রজন্ম গঠনে সকল মন্ত্রণালয়কে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
রমজানে পণ্য সংকটের আশঙ্কা নেই: পর্যাপ্ত আমদানির আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর
রমজানকে সামনে রেখে দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভোগ্যপণ্য আমদানির প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বাজারে পর্যাপ্ত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, আসন্ন রমজানে ভোগ্যপণ্যের কোনো ধরনের কৃত্রিম বা প্রাকৃতিক সংকট তৈরি হবে না।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সাথে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি একটি বৈশ্বিক বাস্তবতার অংশ এবং স্বাভাবিকভাবেই এর কিছুটা প্রভাব ভোগ্যপণ্যের সার্বিক উৎপাদন ও পরিবহন খরচে পড়েছে। তবে সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
ব্যবসায়ীদের জন্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করার আশ্বাস দিয়ে তিনি জানান, এখন থেকে দেশের যেকোনো স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা সহজে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ ও নবায়ন করতে পারবেন। এর পাশাপাশি সারা বছর জুড়েই যেন বাজারে দেশি ও বিদেশি ফলের সরবরাহ স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল থাকে, সে লক্ষ্যেও কাজ করছে সরকার। মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকেরা তাদের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক জটিলতার কথা তুলে ধরলে মন্ত্রী তা দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া প্রধান প্রধান ভোগ্যপণ্যের বাজার দর ও সরবরাহ পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখতে ব্যবসায়িক চেম্বারগুলোর সাথে নিয়মিত সমন্বয় সভা পরিচালনা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
/আশিক
ধর্ম-বর্ণ যেন নাগরিকের অধিকার ও সুযোগের বাধা না হয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ধর্ম-বর্ণ ও পরিচয় মানুষের অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।’ তিনি স্পষ্ট করেন যে, দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
বুধবার (০৭ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এক ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি বাড়ানোয় সরকারের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং উৎসবের আমেজ বৃদ্ধির কথা জানান। মতবিনিময়কালে দুই সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় প্রয়োজন ও যুক্তিসঙ্গত দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করলে প্রধানমন্ত্রী তা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
বৈঠক শেষে ধর্মীয় উৎসব পালনে বিশেষ আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে ৫ কোটি টাকা এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে ৩ কোটি টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। উল্লেখ্য, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট ৪ কোটি টাকা অনুদান চাইলে প্রধানমন্ত্রী তা বাড়িয়ে ৫ কোটি এবং বৌদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্ট ২ কোটি টাকা চাইলে তা বাড়িয়ে ৩ কোটি টাকা অনুদান দেন। এই বরাদ্দের অর্থ জেলা প্রশাসন ও ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে দেওয়া হবে। এ সময় উপস্থিত প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান। এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী শারদীয় দুর্গাপূজা ও বৌদ্ধদের কঠিন চীবর দান উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়সহ দেশের সকল নাগরিকের শান্তি, সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করেন।
উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, সংসদ সদস্য সুবর্ণ ঠাকুর শিকদার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহ-সভাপতি তপন চন্দ্র মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, বিএনপির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুশীল চন্দ্র বড়ুয়াসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বাসস
ঘরে ঘরে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী পৌঁছাবে সরকার: এক বছরব্যাপী ক্যাম্পেইনের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
মাঠ পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি সরাসরি প্রতিটি পরিবারে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও পরামর্শ পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আগামী ১ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বছরব্যাপী এই বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে, যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা জানান। তিনি বলেন, পরিবার পরিকল্পনা খাতকে পুনর্বিন্যস্ত ও শক্তিশালী করতে দেশব্যাপী এক বছরব্যাপী ব্যাপক প্রচারাভিযান পরিচালনা করা হবে। এই কর্মসূচির আওতায় শোভাযাত্রা, সচেতনতামূলক মেলা ও বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী প্রচারণার পাশাপাশি প্রতিটি ঘরে ঘরে প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার সামগ্রী সরবরাহ করা হবে। ‘দু’টির বেশি সন্তান নয়, একটি হলে ভালো’—এই প্রতিপাদ্যকে মূল ভিত্তি ধরে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ক্যানসার চিকিৎসার চিত্র ও নতুন যন্ত্র স্থাপন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে ক্যানসার রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য এই চিকিৎসা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির সরঞ্জাম অকেজো থাকায় রোগীরা সঠিক সেবা পাচ্ছেন না। এই সংকট কাটাতে ঢাকা শহর ও দেশের অন্যান্য জেলার বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে মোট ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৬টি ঢাকায় এবং ১১টি ঢাকার বাইরে বসানো হবে। একই সঙ্গে এসব আধুনিক যন্ত্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান ও জনবলের বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
দেশের বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুসরণ করেই ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসা ও স্যালাইন সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। ডেঙ্গুর ধরন বদলানো এবং সংক্রমণ পরবর্তী হৃদরোগজনিত জটিলতা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে চিকিৎসকদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এডিস মশার বিস্তার রোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখার গুরুত্বারোপ করেন তিনি। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
সরকারের ভুল নীতি ও সিন্ডিকেটের খেসারত দিচ্ছে নিম্নবিত্ত: নাহিদ ইসলাম
‘একটা ডিম ১৫ টাকা’—এই চার শব্দের বাক্যটিই এখন দেশের কোটি নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে চরম আতঙ্কের নাম বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। প্রোটিনের মূল ভরসা ডিমসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন দাম বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধির জন্য সরকারের ভুল নীতি, মেগা বাজেট, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক চাঁদাবাজিকে সরাসরি দায়ী করেন তিনি।
মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে নাহিদ ইসলাম এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, হলে থাকা ছাত্র বা নিম্ন আয়ের ব্যাচেলরদের মূল 'লাইফলাইন' ডিমের হালি এখন ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় ঠেকেছে। কেবল ডিমই নয়; চাল, আটা, তেল, চিনি, সবজি ও ব্রয়লার মুরগিসহ প্রতিটি মৌলিক খাবারের দর লাফিয়ে বাড়ায় মেহনতী মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক খরচ নাগালের বাইরে চলে গেছে।
নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার পেছনে তিনটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করে এনসিপির আহ্বায়ক লেখেন—প্রথমত, নির্বাচনের আগে বিএনপির শীর্ষনেতা তারেক রহমান মেগা প্রজেক্টের দুর্নীতি নিয়ে কথা বললেও ক্ষমতায় এসে সরকার মেগা প্রজেক্ট ও ফ্যামিলি কার্ডের অজুহাতে প্রায় ২০ শতাংশ বড় বাজেট তৈরি করেছে। ধনীদের কর ফাঁকি বন্ধ না করে ভ্যাট ও ঋণ বাড়ানোয় মূল্যস্ফীতি চড়েছে। দ্বিতীয়ত, সরকার হুট করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানোর ফলে উৎপাদন, সেচ ও পরিবহন খরচ বেড়েই চলেছে, যার চূড়ান্ত বোঝা বইতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাকে। এবং তৃতীয়ত, ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট ও রাজনৈতিক চাঁদাবাজির কারণে উৎপাদন খরচের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দামে জনগণকে পণ্য কিনতে হচ্ছে।
সরকারের বিদ্যমান নীতির তীব্র সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহার ও ছায়া বাজেটে ধনীদের কর ফাঁকি বন্ধ করে নিত্যপণ্যে ভ্যাট কমানো এবং জ্বালানিতে ভর্তুকি দেওয়ার বিকল্প নীতি দেখানো হলেও সরকার তা গ্রহণ করেনি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বা মেগা প্রজেক্টের ফিতা কেটে রাজনৈতিক ফুটেজ পাবেন, মন্ত্রী-এমপিদের পরিবার কমিশনে ভাগ বসাবে আর সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা সুযোগ সুবিধা পাবে; অন্যদিকে দেশের কোটি মা আজ রাতে ১৫ টাকার একটা ডিম ভেজে কয়েক ভাগ করে সন্তানদের পাতে তুলে দিতে বাধ্য হবেন।
/আশিক
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪২ ও তত্ত্বাবধায়ক কাঠামো নিয়ে সরকারের নয়া ঘোষণা
সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের পাশাপাশি ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক দল যেন একক সিদ্ধান্তে এই বিধান সংশোধন বা বাতিল করতে না পারে, সেজন্য গণভোটের বাধ্যবাধকতা ফিরিয়ে আনার রূপরেখা দিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত সংবিধান সংশোধনীতে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, অনুচ্ছেদ ১৪২-এর গণভোটের বিধান এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো স্থায়ীভাবে প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) জাতীয় সংসদে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের প্রতিনিধি ও ‘জুলাই যোদ্ধা’দের সঙ্গে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বেআইনিভাবে অনুচ্ছেদ ১৪২ থেকে গণভোটের বিধান এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়ে পঞ্চদশ সংশোধনীর মূল অংশগুলো অসাংবিধানিক ঘোষিত হওয়ায় আইনের ‘ডকট্রিন অব ইক্লিপস’ (Doctrine of Eclipse) নীতি অনুযায়ী বাদ পড়া বিধানগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। তবে বিচার বিভাগের রায়ের ভিত্তিতে যেকোনো আইনি অস্পষ্টতা কাটাতে আসন্ন সাংবিধানিক সংশোধনীতেই গণভোটের ধারা আনুষ্ঠানিকভাবে সংবিধানে পুনরায় ধারণ ও স্থায়ী করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, সংবিধানের প্রস্তাবনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নীতি এবং অনুচ্ছেদ ৪৮ ও ৫৬-এর অধীনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার কাঠামোর ওপর আনা প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলোতে জনগণের প্রত্যক্ষ সম্মতির প্রয়োজন রয়েছে। সংবিধানের অনাগত ভবিষ্যতে এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বজায় রাখতে এবং রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে যেকোনো বড় পরিবর্তন সাধনে জনগণের দ্বারস্থ হওয়া বা গণভোটের বিধান থাকা বাধ্যতামূলক থাকবে।
/আশিক
অনুশোচনা ছাড়া আওয়ামী লীগের সাথে মীমাংসা অসম্ভব: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক মীমাংসা বা ‘রেকনসিলিয়েশন’-এর প্রস্তাবে বিএনপি সরকারের পক্ষে সাড়া দেওয়া অত্যন্ত কঠিন বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, যেকোনো রাজনৈতিক জাতীয় মীমাংসা প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দলের যে ন্যূনতম অপরাধের স্বীকৃতি, অনুতাপ ও সদিচ্ছা থাকা প্রয়োজন, শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য ও দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের মনোভাবের মধ্যে তার বিন্দুমাত্র প্রতিফলন নেই।
মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতিবিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন।
উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান উল্লেখ করেন, পাঁচই আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশের একটি বিরাট জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় যুক্ত রাখার স্বার্থে রাজনৈতিক মীমাংসা একটি ইতিবাচক ধারণা হতে পারত। দক্ষিণ আফ্রিকার 'ট্রুথ অ্যান্ড রেকনসিলিয়েশন কমিশন'-এর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, যেকোনো সার্বজনীন জাতীয় মীমাংসার মৌলিক শর্ত হলো অপরাধের স্পষ্ট স্বীকৃতি দেওয়া ও অনুসূচনা প্রকাশ করা। কিন্তু ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ও তাঁর দলের শীর্ষ নেতারা ভুল স্বীকার বা অনুশোচনার বদলে প্রতিনিয়ত দেশের মানুষ ও সরকারকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন, যা মীমাংসার পথকে রুদ্ধ করে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন এবং তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা বর্তমান নির্বাচিত বিএনপি সরকারও বহাল রেখেছে। এমতাবস্থায় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অনুশোচনা না আসলে সরকারের পক্ষ থেকে এমন কোনো প্রস্তাব বিবেচনা করা সম্ভব নয়। যারা মধ্যস্থতা করতে চান, তাদের আগে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে গিয়ে অনুশোচনা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন তিনি।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- গড়াই নদীতে আবরার ফাহাদের নামে সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- চম্পাফুলে তরুণ দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও আমের চারা বিতরণ
- বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় অস্থিরতা: রেকর্ড বাড়ল তেলের দাম
- আমরা ভারতবিরোধী নই, আধিপত্যবাদের বিরোধী: আসিফ মাহমুদ
- জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার পথে রূপপুরের প্রথম ইউনিট
- রাজনৈতিক ভাষণে স্ত্রীর দেয়া বিশেষ বার্তার কথা ফাঁশ করলেন ট্রাম্প
- ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ও রিজভীউল হাসান মুন্সী
- ভারতীয় চলচ্চিত্রে গভীর শোকের ছায়া: হঠাৎ থমকে গেল এক রূপালী পথচলা
- বিশ্বজুড়ে মহাবিপর্যয়ের সংকেত: সতর্কবার্তা দিল জাতিসংঘ
- আবহাওয়া দপ্তরের নতুন পূর্বাভাস: বর্ষার শেষে বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটুকু?
- ইতালিয়ান ফুটবলে কিংবদন্তি তারকার নতুন অধ্যায়: সূচি নিয়ে জল্পনা
- এলপিজি আমদানিতে ফ্রেইট চার্জের নাটকীয়তা: বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ বিপিসি
- শিশু-কিশোরদের স্বাস্থ্যে বড় পদক্ষেপ: দুই মাসে দেশজুড়ে ১ হাজার খেলার মাঠের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- ঢাবিতে শান্তি বৈঠক রূপ নিল সংঘর্ষে: সূর্যসেন ও জহুরুল হক হলের ৪ জন গুরুতর আহত
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানোর নির্দেশ গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর
- আবরার হত্যার আসামিদের আইনজীবী শিশির মনিরকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাশেদ খাঁন
- রমজানে পণ্য সংকটের আশঙ্কা নেই: পর্যাপ্ত আমদানির আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ডের ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত
- বিশ্বসাহিত্যের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করল সুইডিশ একাডেমি
- ১১ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস: নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
- গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ও দ্বিপক্ষীয় ইস্যু নিয়ে ফোনালাপে মিলিত হলেন দুই বিশ্বনেতা
- ধর্ম-বর্ণ যেন নাগরিকের অধিকার ও সুযোগের বাধা না হয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ঘরে ঘরে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী পৌঁছাবে সরকার: এক বছরব্যাপী ক্যাম্পেইনের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
- উচ্চদক্ষ প্রবাসীদের জন্য বড় স্বস্তি: কাজের ভিসার সাথেই মিলবে সৌদি পরিবারের এন্ট্রি ভিসা
- আবরারের রক্তে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য ও গণপ্রতিরোধের জন্ম: রুহুল কবির রিজভী
- আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে এক যুগের অবসান ঘিরে দেশে দেশে আবেগের ঢল
- যন্তর মন্তরে তুলকালাম: পুলিশি বাধা ঠেলে রাজপথে ধর্নায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
- চিকিৎসা জার্নালে পুষ্টি ও লিভারের স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন গবেষণা প্রকাশ
- রিয়াল মাদ্রিদের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নিয়ে স্প্যানিশ গণমাধ্যমের নতুন খবর
- গুহাবাড়ির কঠিন লড়াই থেকে লাল চীনের মসনদ: শি জিনপিংয়ের ক্ষমতার রূপকথা
- জ্বালানি খাতে বিইআরসির নতুন দর পুনর্নির্ধারণের ঘোষণা
- জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন অগ্রগতি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ
- তিন বছর ধরে জ্বলছে গাজা: ৭ অক্টোবরের হামলার বার্ষিকীতে শোক ও অস্থিরতা
- ফেডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বিশ্ববাজার: দরপতনের মুখে স্বর্ণের দাম
- দেশে মূল্যস্ফীতি ও মজুরি হারের নতুন তথ্য প্রকাশ করল বিবিএস
- নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০২৬: মহাকাশ স্টেশন নাকি ট্রাম্প, আলোচনায় যাদের নাম
- শ্বাসনালির জমে থাকা মিউকাস দূর করতে পেঁয়াজ ও অলিভ অয়েলের জাদুকরী মিশ্রণ
- হামলা হলে আরও ভয়াবহ জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের, অস্ত্র উৎপাদন বাড়ল আড়াই গুণ
- সরকারের ভুল নীতি ও সিন্ডিকেটের খেসারত দিচ্ছে নিম্নবিত্ত: নাহিদ ইসলাম
- ইরানে নতুন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল, সাথে থাকছে মার্কিন বাহিনী
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪২ ও তত্ত্বাবধায়ক কাঠামো নিয়ে সরকারের নয়া ঘোষণা
- পাঁচ-ই লাগবে, নুরের নির্দেশ: ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় গ্রেপ্তার ফারুক হোসেন
- গ্রাহকদের জন্য জরুরি নোটিশ, সাময়িকভাবে মিলবে না একাধিক কার্ড সেবা
- বিশ্বমঞ্চে অনিয়ম ঢাকার অভিযোগ, তোপের মুখে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি
- অনুশোচনা ছাড়া আওয়ামী লীগের সাথে মীমাংসা অসম্ভব: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
- সৌদি আরবের দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা
- মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েল আগ্রাসন ও ইরানি উত্তেজনার মাঝে রিয়াদে নতুন কূটনৈতিক সেশন
- ছাত্রদলে ছাত্র নেই: সালমান মুক্তাদিরের মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন নাছির উদ্দীন নাছির
- ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অন্তিম পর্বে মেসি, প্রস্তুত ফুটবল বিশ্ব
- পাঁচ দিনের নতুন আবহাওয়া বুলেটিন প্রকাশ, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বর্ষণের আভাস
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সম্পদ ও মামলা নিয়ে এনসিপি নেতার বিস্ফোরক পোস্ট
- দলীয় পরিচয় নিয়ে স্পষ্ট বার্তা: আখতারুজ্জামানকে নেতা মানতে রাজি নয় জামায়াত
- এলপিজি আমদানি পর্যাপ্ত, তবু ১৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার ২৯০০: গ্যাস গেল কোথায়?
- ৩ মাসের মধ্যে দেশ থেকে কিশোর গ্যাং উৎখাতের ঘোষণা চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির
- ষড় ঋতুর পালাক্রমের ছোঁয়ায় কুবিতে শীতের আগমনী বার্তা
- বয়স বাড়লেই বাড়ে ঝুঁকি, জেনে নিন প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারার মূল কারণ ও প্রতিকার
- বিমানবন্দরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার
- মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মাঝে ইয়েমেনে নতুন করে বিমান হামলা শুরু
- ভারতের সাথে গঙ্গার পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ডিসেম্বরে, সিদ্ধান্ত নেবে ঢাকা
- ফেডের সিদ্ধান্তের আগে ডলারের সূচকে পতন, স্বর্ণের বাজারে নতুন মোড়
- প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে তোলপাড় দিল্লি, যন্তর মন্তরে বন্ধ ইন্টারনেট
- 'বিশ্বাসঘাতকতার প্রতিশোধ ঠান্ডা মাথায় ভালো': রোনালদোর ক্যাম্প ছাড়ার পর বোনের বিস্ফোরক মন্তব্য
- একদিনেই ৬১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি: ফের ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি ইলন মাস্ক
- ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে ৩৫ যাত্রীকে রক্ষা, প্রাণ গেল চালকের
- পূর্ণ ক্ষমতায় রামপালের দুই ইউনিট, জাতীয় গ্রিডে রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ








