নির্বাচনের দিনই গণভোট: গণভোটের প্রশ্নে যা থাকছে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ১৩ ১৫:১৬:১৯
নির্বাচনের দিনই গণভোট: গণভোটের প্রশ্নে যা থাকছে
ছবি: সংগৃহীত

জাতির উদ্দেশে বৃহস্পতিবার বিকেল আড়াইটায় দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা করেছেনআসন্ন জাতীয় নির্বাচনের দিনই দেশজুড়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। জুলাই সনদের আলোকে প্রস্তাবিত চারটি মৌলিক বিষয়ে জনগণের মতামত জানতে ব্যালটে থাকবে একটিমাত্র প্রশ্ন, যেখানে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন। গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ‘হ্যাঁ’ ভোট পেলে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হবে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ, যারা ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে জাতীয় সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই সনদে যে কাঠামোগত রাজনৈতিক সংস্কারের নকশা উপস্থাপিত হয়েছে, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সম্মতি দিলে সেই ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের রাষ্ট্রব্যবস্থা পুনর্গঠন করা হবে। তিনি জানান, গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনযোগ্য চারটি মূল বিষয়ের সারমর্ম হলো-

১. নির্বাচনকালীন সরকারের কাঠামো

তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদের প্রক্রিয়া অনুযায়ী গঠিত হবে। লক্ষ্য নির্বাচনকে পুরোপুরি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতার আওতায় আনা।

২. দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ

আগামী সংসদ দুই কক্ষ বিশিষ্ট হবে।

  • ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে।
  • সংবিধান সংশোধনে এই উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্মতি বাধ্যতামূলক হবে।এটি ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় নতুন রাজনৈতিক স্থাপত্যের ইঙ্গিত দেয়।

৩. জুলাই সনদের ৩০ দফা রাজনৈতিক সংস্কার বাধ্যতামূলক বাস্তবায়ন

নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যকাল সীমাবদ্ধকরণ, রাষ্ট্রপতির কিছু ক্ষমতা পুনঃনির্ধারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণসহ বিস্তৃত সংস্কারসমূহ বাস্তবায়ন করতে নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো আইনি বাধ্যবাধকতার আওতায় থাকবে।

৪. জুলাই সনদের অন্যান্য সংস্কারসমূহ বাস্তবায়ন

রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার অনুযায়ী জুলাই সনদে উল্লেখিত বাকি সংস্কারসমূহ ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের নির্দেশনা থাকবে।

প্রধান উপদেষ্টা আরও জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হলে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার পর ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যেই তারা সংবিধান পুনঃগঠনের কাজ সম্পন্ন করবেন।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ঘোষণা: রাতেই মিটছে ১৩৩ অধ্যাদেশের ভাগ্য

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৯ ২০:৫৪:৪৫
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ঘোষণা: রাতেই মিটছে ১৩৩ অধ্যাদেশের ভাগ্য
ছবি : সংগৃহীত

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে আজ রাতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে সরকারি দলের সংসদীয় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি নিশ্চিত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য গঠিত সংসদীয় বিশেষ কমিটির একটি বৈঠক আজ রাতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে এই বিপুল সংখ্যক অধ্যাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।

এদিকে, সংসদীয় বিশেষ কমিটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তথ্য দিয়েছেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২৪টি অধ্যাদেশের বিষয়ে এখনো সব পক্ষের মধ্যে পূর্ণ ঐকমত্য বা একমত হওয়া সম্ভব হয়নি। আজকের বিশেষ কমিটির বৈঠকে মূলত এই বিতর্কিত বা অমীমাংসিত ২৪টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে এবং একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারমূলক এসব পদক্ষেপের আইনি বৈধতা ও ধারাবাহিকতা রক্ষায় এই সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

/আশিক


ফ্যামিলি কার্ডে বড় পরিবর্তন: এখন ঘরে বসেই পাবেন সব সুবিধা?

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৯ ১৭:৫৯:১৬
ফ্যামিলি কার্ডে বড় পরিবর্তন: এখন ঘরে বসেই পাবেন সব সুবিধা?
ছবি : সংগৃহীত

নারীদের ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে বড় ধরনের সুখবর দিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬) সচিবালয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে এই কার্যক্রমকে ‘ইউনিভার্সাল ফ্যামিলি কার্ডে’ রূপান্তর করা হবে। এর ফলে দেশের প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের নামে একটি করে কার্ড ইস্যু করা হবে, যা নাগরিক হিসেবে তাঁদের এক অনন্য ও সম্মানজনক স্বীকৃতি দেবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম চলছে। মন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারের নারী প্রধানের নামে এই কার্ড ইস্যু করা হয়েছে এবং প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জঁ পেম (Jean Pesme) সরকারের এই উদ্যোগকে সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং এই কার্যক্রমের টেকসই বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

সাক্ষাৎকালে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ সামাজিক নিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। ইউনিভার্সাল ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে তা কেবল দরিদ্র পরিবার নয়, বরং সমাজের সব স্তরের নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

/আশিক


আট বছর টিকা দেয়নি কোনো সরকার; স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক তথ্য

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৯ ১৭:৪৪:৩৬
আট বছর টিকা দেয়নি কোনো সরকার; স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক তথ্য
ছবি : সংগৃহীত

দেশে দীর্ঘ ৮ বছর হামের (মিজেলস) টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। রোববার (২৯ মার্চ ২০২৬) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক ওষুধশিল্প মেলার উদ্বোধন শেষে তিনি জানান, দেশে হামের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার নতুন করে টিকা সংগ্রহের জন্য ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে এবং দ্রুতই দেশজুড়ে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সর্বশেষ আট বছর আগে হামের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল, এরপর আর কোনো সরকার এই কার্যক্রম পরিচালনা করেনি। বর্তমানে ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং পারচেজ কমিটির অনুমোদনও পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী শিশুদের ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ টিকা দেওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন এই স্থবিরতার কারণে চলতি বছরের শুরু থেকেই কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও রাজধানীর বস্তি এলাকাগুলোতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে বর্তমানে ধারণক্ষমতার চেয়েও বেশি হাম আক্রান্ত শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সংক্রমণ মোকাবিলায় ডিএনসিসির ওয়ার্ডগুলো প্রস্তুত করার পাশাপাশি ঢাকা মেডিকেল, শিশু হাসপাতাল ও সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর সুবিধা বাড়ানো হয়েছে।

সম্প্রতি রাজশাহী মেডিকেল কলেজে আইসিইউ সংকটে শিশুমৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষাপটে সরকার নতুন ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করছে। মন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে পাঁচটি ভেন্টিলেটর পাওয়া গেছে যার চারটি রাজশাহীতে পাঠানো হচ্ছে এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আরও ১২টির বেশি ভেন্টিলেটর দ্রুতই সরবরাহ করা হবে।

/আশিক


গুম ও ফাঁসির মঞ্চ পেরিয়ে আসা সদস্যদের সংসদ বিশ্বে বিরল: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৯ ১৭:২৩:২৩
গুম ও ফাঁসির মঞ্চ পেরিয়ে আসা সদস্যদের সংসদ বিশ্বে বিরল: ডেপুটি স্পিকার
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি বৈঠকে এক আবেগঘন ও ঐতিহাসিক বক্তব্য রেখেছেন নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬) বিকেলে সংসদ ভবনের অধিবেশনে সভাপতিত্বকালে তিনি মন্তব্য করেন যে, গুম ও ফাঁসির মঞ্চ পেরিয়ে এই সংসদে আসা সদস্যদের উপস্থিতি বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। তিনি বলেন, এই সংসদ হবে জাতির দর্পণ, যেখানে জেল-জুলুম ও দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে আসা প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের গণতন্ত্রের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে।

বক্তব্যের শুরুতে ডেপুটি স্পিকার সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীসহ সকল সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁর নির্বাচনী এলাকা নেত্রকোনা-১ আসনের জনগণের কথা স্মরণ করেন। তিনি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের পাশাপাশি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং 'মাদার অব ডেমোক্রেসি' খ্যাত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বৈরাচারবিরোধী ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরেন। কায়সার কামাল উল্লেখ করেন, ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই সংসদে অনেক সদস্য এসেছেন কারাগার ও নির্যাতনের পথ পাড়ি দিয়ে, যা এই সংসদকে এক অনন্য মর্যাদা দিয়েছে।

চব্বিশের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানকে গণতন্ত্রের নতুন দ্বার হিসেবে অভিহিত করে তিনি শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম আকরাম ও মুগ্ধসহ সকল বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে জনগণের শক্তিই গণতন্ত্রের প্রকৃত ভিত্তি। দীর্ঘ ১৩ দিনের বিরতি শেষে শুরু হওয়া এই অধিবেশনে তিনি ফ্যাসিবাদের পতন পরবর্তী সংসদীয় গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং যারা আন্দোলনে আহত হয়ে কষ্টকর জীবনযাপন করছেন তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

/আশিক


পে স্কেলসহ ১০ দফা দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৯ ১৪:২৭:৩২
পে স্কেলসহ ১০ দফা দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর্গঠনের দাবিতে নতুন করে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। এ লক্ষ্যে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলকে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনা, নীতি বাস্তবায়ন এবং জনসেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা সত্ত্বেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবিগুলো দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, পদোন্নতি বঞ্চনা এবং ব্লক পোস্ট সমস্যার কারণে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা ক্রমেই বাড়ছে। এতে প্রশাসনিক কার্যকারিতাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী, গত ১১ বছরে অন্তত দুটি পে স্কেল কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত একটি নতুন পে স্কেলও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে বিশেষ করে নিম্ন বেতনভুক্ত কর্মচারীরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

এই প্রেক্ষাপটে সংগঠনটি প্রশাসনের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও কর্মোদ্যম বৃদ্ধির জন্য ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেছে, যা নিম্নরূপ

উত্থাপিত ১০ দফা দাবি

১. অবিলম্বে নবম পে স্কেল ঘোষণা ও বাস্তবায়ন

২. সার্ভিস বেনিফিটসহ টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল

৩. ব্লক পোস্ট সমস্যা সমাধান করে পদোন্নতির পথ উন্মুক্ত করা

৪. কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের স্বাস্থ্য ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা

৫. কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও মানসিক কল্যাণ বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ

৬. প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে অযাচিত পোস্টিং ও পদোন্নতির বাধা দূর করা

৭. কার্যকর ও দ্রুত সমন্বিত অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালু করা

৮. কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নাগরিকদের খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবনমান নিশ্চিত করা

৯. প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কর্মসূচি জোরদার করে মানবসম্পদ উন্নয়ন

১০. স্থানান্তর ও পোস্টিং নীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা

সংগঠনটি মনে করছে, এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা হলে সরকারি প্রশাসনের দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মচারীদের মনোবলও পুনরুদ্ধার হবে।

-রফিক


নয়াপল্টনে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর: তারেক রহমানকে ঘিরে উৎসবের আমেজ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ২১:০০:৪৫
নয়াপল্টনে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর: তারেক রহমানকে ঘিরে উৎসবের আমেজ
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছালে সেখানে এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নয়াপল্টন এলাকায় হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ৭টার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে গাড়ির ভেতর থেকেই হাত নেড়ে উপস্থিত নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। তাঁর আগমনে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখরিত করে তোলেন। নেতাকর্মীদের হাতে ছিল রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই ঝটিকা সফরকে কেন্দ্র করে পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সড়কের ডিভাইডারের ওপর দাঁড়িয়েও অনেককে স্লোগান দিতে দেখা যায়।

নেতাকর্মীদের এই বিশাল জমায়েতের কারণে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং যানবাহন চলাচল কার্যত এক লাইনে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। নতুন সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের ব্যস্ততার মাঝেও নিজ দলীয় কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনে কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

/আশিক


আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও বাংলাদেশে বাড়ছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ২০:০২:১৪
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও বাংলাদেশে বাড়ছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বোরো মৌসুমে কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও দেশে দাম স্থিতিশীল রাখার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) রাতে সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, সরকার বিশাল অঙ্কের ভর্তুকি দিয়ে হলেও কৃষকদের স্বার্থে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেও বাংলাদেশে সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে তেমন কিছু ঘটেনি। বিদ্যুৎ ও সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রেখে কৃষি উৎপাদন সচল রাখাই এখন বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক বাজারের ঊর্ধ্বগতির মাঝেও দেশে তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা সরকারের একটি বড় সাফল্য বলে তিনি দাবি করেন।

বৈঠকে ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এ লক্ষে গঠিত বিশেষ কমিটি আগামীকাল রবিবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে পরবর্তী বৈঠকে বসবে এবং আগামী ২ এপ্রিল চূড়ান্ত রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

এছাড়া সরকারের প্রথম ৪০ দিনের কর্মকাণ্ডের ওপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি জনগণকে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন। যেকোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ সংসদীয় পদ্ধতিতে মোকাবিলা করে সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরার কৌশলও বাতলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

/আশিক


শিক্ষাবিদ দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক: জাতি হারাল এক নক্ষত্রকে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১৭:৪৯:৪৭
শিক্ষাবিদ দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক: জাতি হারাল এক নক্ষত্রকে
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিনের (বীর বিক্রম) সহধর্মিণী এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর শোকবার্তায় বলেন, দিলারা হাফিজ কেবল একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবী। তাঁর মৃত্যুতে জাতি একজন সজ্জন ও অভিজ্ঞ শিক্ষাবিদকে হারাল, যা দেশের শিক্ষা অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি। মরহুমা তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনে ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক হিসেবেও শিক্ষা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দিলারা হাফিজ শনিবার সিঙ্গাপুর স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। এর আগে তিনি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ঈদুল ফিতরের দিন দুপুরে তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছিল। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

/আশিক


নকল হলে ব্যবস্থা শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও: এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১০:১৩:৩৫
নকল হলে ব্যবস্থা শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও: এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নকল এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) এক বিশেষ সভায় তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা নকলের প্রমাণ পাওয়া গেলে শুধু সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীই নয়, বরং কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ পরীক্ষা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, এবার থেকে পরীক্ষার খাতায় কোনো ধরনের ‘গ্রেস মার্ক’ বা অলিখিত অনুকম্পা দেখানোর সুযোগ থাকবে না। ছাত্রছাত্রীরা তাদের মেধা ও লেখার ভিত্তিতেই প্রকৃত নম্বর পাবে। অযোগ্যদের দয়া-দাক্ষিণ্য দেখিয়ে পার করে দেওয়ার সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমরা আর কোনো ‘অটোপাস’ বা মেধার অবমূল্যায়ন দেখতে চাই না। দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রকৃত মেধার লড়াই নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।

পরীক্ষা চলাকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সরাসরি ‘লাইভ মনিটরিং’ করা হবে।

পর্যায়ক্রমে দেশের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে মন্ত্রণালয়ের। এছাড়া যেকোনো কেন্দ্রের পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে আগের মতো ‘হেলিকপ্টার মিশন’ সক্রিয় থাকবে। প্রয়োজনে শিক্ষামন্ত্রী নিজে অথবা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ টিম হেলিকপ্টার যোগে দেশের যেকোনো প্রান্তে ঝটিকা সফরে পৌঁছে যাবেন।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বিশেষ করে চরাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা এবং দুর্গম পাহাড়ঘেরা কেন্দ্রগুলোর ওপর গোয়েন্দা নজরদারি কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। প্রশ্নপত্র মুদ্রণ থেকে শুরু করে বিতরণের প্রতিটি ধাপে ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে যাতে কোনোভাবেই প্রশ্ন ফাঁসের গুজব বা ডিজিটাল জালিয়াতি না ঘটতে পারে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপরও বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের অধীনে আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে এক নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার জাল বিছিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

/আশিক

পাঠকের মতামত: