গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান ড. মিজানুর রহমান আজহারীর

রাষ্ট্র গঠনে ভারসাম্য ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আসন্ন গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনপ্রিয় আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদ ড. মিজানুর রহমান আজহারী। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই দেশাত্মবোধক আহ্বান জানান।
নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে ড. আজহারী উল্লেখ করেন, একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে গণভোটে 'হ্যাঁ' দিন। তিনি ইংরেজি অক্ষরে লিখেছেন— "Say ‘YES’ for Future Bangladesh." তার এই আহ্বানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ করা গেছে। অনেকে তার এই অবস্থানকে রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এবারের ভোট উৎসবের ভিন্নতা হলো—সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি 'জুলাই সনদ' অনুযায়ী রাষ্ট্র সংস্কার প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, এদিন প্রত্যেক ভোটার দুটি পৃথক ব্যালটে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
১. সংসদীয় ব্যালট: এখানে ভোটাররা তাদের নিজ নিজ সংসদীয় আসনের পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে ভোট দেবেন।
২. গণভোট ব্যালট: এই ব্যালটটি হবে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত। সেখানে প্রস্তাবিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণের সমর্থন আছে কি না, সেই প্রশ্নে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ বক্সে সিল দেবেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ড. আজহারীর মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের এই আহ্বান সাধারণ ভোটারদের, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে গণভোটের গুরুত্ব বুঝতে এবং সংস্কার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে উৎসাহিত করবে।
এ দেশে দাম বাড়ে সবকিছুর, কমে শুধু মানুষের: মিজানুর রহমান আজহারি
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মায় তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারি। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের এক স্ট্যাটাসে কমেন্ট করে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। এ দেশে দাম বাড়ে সবকিছুর, কমে শুধু মানুষের।”
আজহারি তাঁর স্ট্যাটাসে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া একাধিক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কথা স্মরণ করেন। তিনি লেখেন, “ঈদের আগে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের পিষ্ট হওয়ার নির্মম দৃশ্য ও কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে প্রাণহানির দৃশ্য এখনো স্মৃতিতে ভাসছে। তার মধ্যে বুধবার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে সংঘটিত দুর্ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছেন অনেক যাত্রী।” তিনি আরও যোগ করেন যে, এই দৃশ্যগুলো এখন আর দেখা সম্ভব নয় এবং দেশে জীবনের যেন কোনো মূল্যই অবশিষ্ট নেই।
যোগাযোগ ব্যবস্থার নাজুক পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি প্রতিটি জেলায় নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি লেখেন, “দেশের প্রতিটি জেলায় নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিশ্চিত করতে হবে। সব অব্যবস্থাপনা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।” সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যায়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজদের সন্ধানে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে।
/আশিক
মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য মির্জা আব্বাস অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া চেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই শুভকামনা জানান।
ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘মির্জা আব্বাসের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’ তাঁর এই সহমর্মিতামূলক বার্তাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। ওই নির্বাচনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর মির্জা আব্বাস ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। অন্যদিকে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে অবস্থান করেন। ভোটের লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও অসুস্থতার এই সময়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এমন সৌজন্যবোধ রাজনৈতিক শিষ্টাচারের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমানে মির্জা আব্বাস এভারকেয়ার হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। তাঁর পারিবারিক সূত্র থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। সংসদীয় ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় দলের নেতা-কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিলেও চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
/আশিক
প্রশাসনে জামায়াত-এনসিপির দুর্গ চুরমার করে দিচ্ছে বিএনপি: রনি
বিএনপির বর্তমান সরকার ক্ষমতা লাভের পর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কাজ করে যাচ্ছে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তাদের দৃশ্যত তৎপরতা চোখে পড়ার মতো বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি। আজ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।
রনি বলেন যে গত ১৭ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন শাসন কিংবা দীর্ঘ সময়ের আওয়ামী লীগ আমলে মন্ত্রণালয়ের যে স্থবিরতা ছিল, বর্তমান মন্ত্রীরা তা কাটিয়ে উঠতে অত্যন্ত তৎপর। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে গত কয়েকদিনে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে একের পর এক চমক সৃষ্টি করে চলেছেন যা রাজনীতির মাঠে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
গোলাম মাওলা রনি আরও দাবি করেন যে গত ১৭ মাস ধরে প্রশাসনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় জামায়াত এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যে শক্তিশালী দুর্গগুলো তৈরি করেছিল, বর্তমান সরকার সেই দুর্গগুলো তছনছ করে দেওয়ার কাজ শুরু করেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যেখানেই জামায়াত-এনসিপির লোক ছিল, তাদের টার্গেট করে একটি বিরাট অংশকে ইতিমধ্যে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে এবং অনেকে আবার পরিস্থিতি বুঝে নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ করে চলে গেছেন।
তিনি মনে করেন যে গত মাত্র দুই দিনের মধ্যেই বিএনপি সরকার প্রশাসনিক ক্ষেত্রে মোটামুটি একটা ‘দফারফা’ করে দিয়েছে। বিশেষ করে পুলিশ বাহিনী এবং সিটি করপোরেশনের মতো জায়গাগুলোতে জামায়াত ও এনসিপির যে একক আধিপত্য তৈরি হয়েছিল, সেই আধিপত্য বর্তমানে পুরোপুরি চুরমার করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি তাঁর বিশ্লেষণে উল্লেখ করেন। সরকারের এই হার্ডলাইন অবস্থান এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বিএনপির প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মনে করেন।
/আশিক
‘সেলফি’ ভবিষ্যদ্বাণী মিলল বাস্তবের সঙ্গে
নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছে জুলকারনাইন সায়ের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস, যেখানে তিনি অতীতের একটি ব্যক্তিগত মুহূর্ত স্মরণ করেছেন।
নিজের পোস্টে তিনি লিখেছেন, শেষবার যখন তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা হয়েছিল, তখন মজা করে একটি সেলফি তোলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কারণ পরবর্তী সময়ে তিনি যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অতিক্রম করে এমন স্বতঃস্ফূর্ত ছবি তোলা কঠিন হয়ে যাবে। সময়ের ব্যবধানে সেই কথাই যেন বাস্তবে রূপ নিয়েছে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

তারেক রহমান মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রীয় পদে আসীন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তা ও প্রটোকলের বলয় স্বাভাবিকভাবেই কঠোর হয়ে ওঠে। ফলে ব্যক্তিগত ও অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।
-রাফসান
দেড় বছরের সাধনা ও অধ্যবসায়ের ফল নিয়ে হাজির শায়খ আহমাদুল্লাহ
দীর্ঘ দেড় বছরের নিরবচ্ছিন্ন সাধনা ও গভীর অধ্যবসায়ের পর নতুন একটি বই প্রকাশের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছেন জনপ্রিয় ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। ‘ঈমানের অপরিহার্য পাঠ’ শিরোনামের এই গ্রন্থে কোরআন ও হাদিসের আলোকে ঈমানের মৌলিক বিষয়গুলো অত্যন্ত সহজ ও সাবলীলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে শায়খ আহমাদুল্লাহ নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি তাঁর ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানান, একসময় বইয়ের প্রতি তাঁর গভীর নিমগ্নতা দেখে এক শিক্ষক তাঁকে মজা করে ‘জিন’ বলে ডাকতেন। নতুন এই বইটি রচনার সময় তিনি আবারও সেই পুরনো ‘বইপাগল’ ছাত্র হিসেবে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছেন। গত কয়েক মাস প্রায় গৃহবন্দি হয়ে নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি বইটির কাজ শেষ করেছেন। শুরুতে সামগ্রিক ইসলামকে এক মলাটে আনার পরিকল্পনা থাকলেও, বিষয়ের গভীরতা ও ব্যাপ্তির কারণে তিনি শুধু ঈমান নিয়ে এই আলাদা গ্রন্থটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেন।
বইটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এর নাম চূড়ান্ত করার আগে শায়খ আহমাদুল্লাহ পাঠকদের মতামত চেয়েছিলেন, যেখানে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ অংশ নেন। তাঁদের মতামতের ভিত্তিতেই ‘ঈমানের অপরিহার্য পাঠ’ নামটি নির্ধারণ করা হয়েছে। বইটিতে সমকালীন বিভিন্ন কুফর, নিফাকের লক্ষণ এবং বিশ্বাসগত সংকট থেকে উত্তরণের পথ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ঈমান বিষয়ক এই বইয়ের পর পর্যায়ক্রমে ইবাদত, আখলাক ও লেনদেন নিয়ে পৃথক গ্রন্থ প্রকাশের পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।
/আশিক
২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার নিয়ে প্রস্তুত শায়খ আহমাদুল্লাহ: এবার যুক্ত হচ্ছে বিশেষ উপহার
বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ দেশের দরিদ্র মানুষের কল্যাণে এক বিশাল উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন’ এবারের রমজানে ৩৩ হাজার ৩০০ দরিদ্র পরিবারের জন্য ২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত করছে। শনিবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান যে, নির্বাচনের ছুটির মাঝেও আস-সুন্নাহ স্কিলের শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দিনরাত এই ইফতার সামগ্রী প্যাকেজিংয়ের কাজ করে যাচ্ছেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪টি জেলার মোট ৬২৭টি নির্দিষ্ট স্পটে এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হবে। প্রতিটি পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত ইফতার প্যাকেজে থাকছে ২ কেজি ছোলা, ২ কেজি মসুর ডাল, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি উন্নত মানের খেজুর এবং ১ কেজি মুড়ি। এটি গত কয়েক বছরের তুলনায় বড় একটি আয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে এবারের আয়োজনে বড় চমক হিসেবে যুক্ত হয়েছে ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়টি। শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, কেবল খাদ্য সহায়তা নয়, বরং রমজানের আমলকে সমৃদ্ধ করতে এবারই প্রথম প্রতিটি ইফতার প্যাকেজের সঙ্গে 'মাহে রমজানের ২৭ আমল' নামক একটি বই উপহার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। এই মানবিক ও ধর্মীয় উদ্যোগের খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে এবং বহু মানুষ এই সেবামূলক কাজের সাথে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
/আশিক
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শায়খ আহমাদুল্লাহ: দিলেন বিশেষ বার্তা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে নিজের সুষ্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে যেকোনো ইতিবাচক সংস্কারে তাঁর সমর্থন রয়েছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে তাঁরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে। তবে এই সংস্কার কার্যক্রম অবশ্যই দেশের ধর্মীয় এবং সামাজিক মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অর্থ কেবল পরিবর্তন নয়, বরং মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি সুন্দর আগামীর অঙ্গীকার করা।
রাষ্ট্র ও নির্বাচিত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এই জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের বিচ্যুতি না ঘটে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের সম্পৃক্ত করারও দাবি জানান তিনি। তাঁর মতে, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলেমদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ধর্মীয় মূল্যবোধের সুরক্ষা দেওয়া সহজ হবে এবং জনমনে আস্থার জায়গা তৈরি হবে।
পিজ্জা ডেলিভারি করা তরুণকে স্কুলবন্ধুর তাচ্ছিল্য, ভিডিও ভাইরাল
জীবিকা নির্বাহের তাগিদে পিজ্জা ডেলিভারির কাজ করেন এক তরুণ। রাস্তায় হঠাৎ দেখা হয়ে যায় স্কুলজীবনের এক বান্ধবীর সঙ্গে। সেই মুহূর্তেই তার পেশাকে কেন্দ্র করে তাচ্ছিল্য ও বিদ্রুপের শিকার হতে হয় তরুণকে। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা।
যদিও ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং কোথায় বা কবে ঘটনাটি ঘটেছে সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি, তবুও ভিডিওটি ইতোমধ্যেই নেটদুনিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ব্যস্ত সড়কের সিগন্যালে স্কুটি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ওই তরুণ। পেছনে পিজ্জা রাখার ডেলিভারি বক্স। ঠিক তখনই সেখানে উপস্থিত হন তার স্কুলের বান্ধবী। তরুণকে দেখামাত্রই তিনি হাসতে শুরু করেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।
ভিডিওতে তরুণীকে তাচ্ছিল্যের সুরে বলতে শোনা যায়, স্কুলজীবনে ওই তরুণ নাকি বন্ধুদের অনুপ্রেরণামূলক ভিডিও পাঠাতেন। অথচ এখন ৩০ বছর বয়সে তিনি পিজ্জা ডেলিভারির কাজ করছেন। ভিডিওটি তিনি অন্যদেরও দেখাবেন বলেও মন্তব্য করেন। এসব কথা শুনে তরুণকে বিব্রত ও লজ্জিত অবস্থায় হাসতে দেখা যায়।
ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্ট তরুণ ও তরুণীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, পুরো ঘটনাটি সাজানো ছিল। তবে এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ নেটিজেনদের একটি বড় অংশ। তাদের মতে, জনমতের চাপে পড়েই বিষয়টিকে ‘স্ক্রিপ্টেড’ বলে চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে X–এর একটি অ্যাকাউন্ট থেকে, যার নাম ‘স্যাফরন চার্জার্স’। অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি বিপুল সংখ্যক দর্শক দেখেন। লাইক, শেয়ার ও মন্তব্যে ভরে ওঠে পোস্টটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশিরভাগ প্রতিক্রিয়াই তরুণের পক্ষে গেছে। বহু ব্যবহারকারী তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং তরুণীর আচরণকে নিন্দনীয় ও শিক্ষার অভাবের প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন।
একজন নেটিজেন লিখেছেন, “কোনও কাজই ছোট নয়। সংসার চালাতে অনেককেই ডেলিভারি বয়ের কাজ করতে হয়। কাউকে এভাবে অপমান করা মানসিক দীনতার পরিচয়।”
আরেকজন মন্তব্য করেন, “জীবন সব সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে না। কখনও দায়িত্ব হঠাৎ কাঁধে এসে পড়ে। তখন স্বপ্ন থেমে গেলেও দায়িত্ব পালন করাটাই আসল। এই তরুণ বাস্তব জীবনের নায়ক।”
অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন, সামাজিক মর্যাদা কি শুধু পেশার সঙ্গে যুক্ত? পড়াশোনা ও বাস্তব জীবনের সংগ্রামের মধ্যকার এই বৈপরীত্য সমাজের শ্রেণিভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিকেই সামনে এনেছে বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
এই ভাইরাল ভিডিওটি সত্য হোক বা সাজানো এটি একটাই প্রশ্ন সামনে এনেছে: জীবিকা নির্বাহের জন্য পরিশ্রম করা মানুষকে তাচ্ছিল্য করার অধিকার কারও আছে কি না?
সূত্র:আনন্দবাজার
কুচক্রী মহল থেকে সাবধান: ফেসবুক পোস্টে জরুরি বার্তা দিলেন আজহারি
বর্তমান সময়ের আলোচিত ও জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারি তাঁর নাম, ছবি এবং কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে চালানো সুসংগঠিত ডিজিটাল প্রতারণার বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর ও জরুরি এক সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দেশের ভেতরে ও দেশের বাইরে থেকে সক্রিয় থাকা বিভিন্ন কুচক্রী প্রতারক মহলের বিরুদ্ধে এই ‘ফাইনাল ওয়ার্নিং’ বা চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। আজহারি অভিযোগ করেছেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর কণ্ঠস্বর বা ‘ভয়েস ক্লোন’ (AI Voice Cloning) করা হচ্ছে এবং তাঁর ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নানা ধরণের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে মূলত সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে অনৈতিকভাবে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
ড. আজহারি তাঁর পোস্টে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, এই প্রতারক চক্রগুলো ওষুধি পণ্য এবং বিভিন্ন ধরণের ভুয়া বিউটি বা হেলথ প্রোডাক্ট প্রমোশনে তাঁর কৃত্রিমভাবে তৈরি কণ্ঠস্বর ও ছবি ব্যবহার করছে। বিশেষ করে চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত অবৈজ্ঞানিক ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনে তাঁর সম্পৃক্ততা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করা হচ্ছে। যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির এই অপব্যবহার সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন না, এমন অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষ এসব বিজ্ঞাপন দেখে আর্থিকভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। এর ফলে কেবল সাধারণ মানুষের ক্ষতিই হচ্ছে না, বরং এই ইসলামি বক্তার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং তাঁর প্রতি মানুষের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস ও আস্থাও চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে, এ ধরণের কোনো বাণিজ্যিক পণ্য বা ওষুধের প্রচারণার সঙ্গে তাঁর বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই।
এই জালিয়াতির প্রভাব ড. আজহারির প্রতিষ্ঠিত ‘হাসানাহ ফাউন্ডেশন’ (Hasanah Foundation)-এর ওপরও পড়েছে বলে জানা গেছে। আজহারি উল্লেখ করেছেন যে, এসব ভুয়া পণ্য বা ওষুধের ব্যাপারে খোঁজ নিতে প্রতিদিন অগণিত মানুষ ফাউন্ডেশনের অফিশিয়াল নাম্বারে ফোন করছেন। এর ফলে ফাউন্ডেশনের দৈনন্দিন দাপ্তরিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে চরম বিঘ্ন ঘটছে। তিনি অত্যন্ত জোর দিয়ে বলেন যে, তাঁর পরিচয় ব্যবহার করে কোনো পণ্য বিক্রির চেষ্টা করা হলে তা সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং এটি জালিয়াতির অংশ। ইতোমধ্যে তাঁর টিম এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বিভিন্ন মিডিয়া ও ফেসবুক পেজগুলোর একটি বিস্তারিত তালিকা প্রস্তুত করেছে। এই তালিকাটি অতি দ্রুত পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে পাঠানো হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দেশ বা বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
পরিশেষে, ড. মিজানুর রহমান আজহারি তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে তারা কোনো বিজ্ঞাপন দেখে সহজেই বিভ্রান্ত না হন। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে, যেকোনো প্রচারণার সত্যতা যাচাই করতে হলে যেন তাঁর অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া সোর্সগুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্রতারকদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, যদি অনতিবিলম্বে এসব কন্টেন্ট রিমুভ না করা হয়, তবে তিনি আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বাধ্য হবেন। তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, যারা এই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অনৈতিক উপায়ে অর্থ উপার্জন করছেন, আল্লাহ যেন তাদের মেধাকে হালাল ও পজিটিভ কাজে ব্যবহার করে রিজিক অন্বেষণের তাওফিক দান করেন। ভক্তদের সুবিধার্থে তিনি তাঁর পোস্টে সবকটি অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্মের লিংকও সংযুক্ত করে দিয়েছেন।
পাঠকের মতামত:
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- আজ রাজধানীর কোথায় কোন কর্মসূচি? বের হওয়ার আগে জেনে নিন জরুরি তথ্য
- সৌদি আরবে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা
- ২৮ মার্চ ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়
- ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্কতা
- হরমুজ প্রণালির নতুন নাম ‘ট্রাম্প প্রণালি’? মিয়ামিতে ট্রাম্পের বিদ্রূপাত্মক ঘোষণা
- কালিগঞ্জে চুরির ঘটনায় সংঘবদ্ধ হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- কালিগঞ্জের রতনপুরে জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- ইরান যুদ্ধে রাশিয়ার গোপন সহায়তার নতুন তথ্য
- ইসরায়েলে রাজনৈতিক সংকট, চাপ বাড়ছে নেতানিয়াহুর
- চীনের চিপ সরঞ্জাম যাচ্ছে ইরানে, অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের
- শাওয়ালের ৬ রোজায় এক বছরের সওয়াবসহ নানা ফজিলত
- খামেনির শেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করল ইরান
- আজকের বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার
- ইরানে ১২ বছর বয়সিদের যুদ্ধে যুক্ত করার ঘোষণা
- সৌদিতে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক বিস্ফোরণ
- যুদ্ধ থামাতে ইরানকেই এগোতে হবে: ট্রাম্প
- এবার ইরানে প্রকাশ্যেই উঠছে পারমাণবিক বোমা তৈরির জোর দাবি
- সূর্যাস্ত-সূর্যোদয়সহ আজকের নামাজের সময় এক নজরে
- রাতে বড় ম্যাচ, এক নজরে আজকের খেলার তালিকা
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- ইরানে ২৭ দিনের ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, বাড়ছে দুর্ভোগ
- ঢাকায় আজ আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানুন বিস্তারিত
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- ইরান বোকা নয়, কিছু ক্ষেত্রে খুবই বুদ্ধিমান: ট্রাম্প
- স্বাধীনতা দিবসের সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে লাশের মিছিল
- আকাশে মার্কিন এফ-১৮ যুদ্ধবিমানের চরম পরিণতি: চাবাহার উপকূলে বড় ধামাকা
- রিলস ভিডিওতে বৈপ্লবিক ফিচার আনছে মেটা; বদলে যাবে আপনার অভিজ্ঞতা
- কালবৈশাখীর সাথে ধেয়ে আসছে শিলাবৃষ্টি: কোন অঞ্চলে কবে ঝড় জেনে নিন
- হামজা-শমিতদের নিয়ে গড়া একাদশও ব্যর্থ: র্যাংকিংয়ের ব্যবধান ফুটে উঠল মাঠে
- ইসরায়েলের পরমাণু কেন্দ্র ও জেরুজালেম কমান্ড সেন্টারে ইরানের ভয়াবহ হামলা
- হরমুজ প্রণালির ‘মাস্টারমাইন্ড’ তাংসিরিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
- একবার সময় পেরিয়ে গেলে আর ফেরার পথ নেই: ট্রাম্প
- তারেক রহমানকে মাইনাস করার নীল নকশা দিয়েছিল এজেন্সিগুলো: আসিফ
- ভিয়েতনামের গতির কাছে অসহায় লাল-সবুজ: প্রথমার্ধে রক্ষণের বেহাল দশা
- হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশের জন্য সেফ প্যাসেজ: বিশেষ পাহারায় চলবে জাহাজ
- মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের উত্তাপ: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
- দৌলতদিয়া বাস ট্র্যাজেডি: নিহতদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের লিগ্যাল নোটিশ
- তেল আবিবের আকাশে হাজারো কাকের রহস্যময় মহড়া: ইসরায়েলজুড়ে মহাপ্রলয়ের আতঙ্ক
- ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র কোন কোন সেনা মোতায়েন করছে?
- ইসরায়েলের দুটি ট্যাংকে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
- সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে মিশন ভিয়েতনাম: কাবরেরার তুরুপের তাস কি আজ মাঠে নামবে?
- হরমুজ না খুললে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের
- আমরা এখন সম্পূর্ণ মুক্ত: সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মির্জা ফখরুল
- সাভার থেকে প্যারেড স্কয়ার: মহান স্বাধীনতা দিবসে উৎসবমুখর পুরো বাংলাদেশ
- বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে রাশিয়ার কড়া হুঁশিয়ারি
- ইসরায়েলের কেন্দ্রে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হতাহতের শঙ্কা
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- এ দেশে দাম বাড়ে সবকিছুর, কমে শুধু মানুষের: মিজানুর রহমান আজহারি
- প্রতিরোধ না কি আত্মসমর্পণ? ট্রাম্পের কঠোর হুমকির মুখে আব্বাস আরাগচির পালটা জবাব
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস: গত বছরের রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬-এর স্বর্ণের বাজার
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- ট্রাম্পের যুদ্ধ স্থগিতের ঘোষণায় সোনার বাজারে ধস: ১০ শতাংশ কমল দাম
- তেজাবি স্বর্ণের বাজারে ধস: ঈদের কেনাকাটায় স্বস্তি নিয়ে এল নতুন দাম
- পদ্মার গভীরে শনাক্ত ডুবে যাওয়া বাস: উদ্ধারে লড়ছে ‘হামজা’ ও ডুবুরি দল
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- নিজের রক্ষকই যখন ভক্ষক: বাহরাইনে মার্কিন প্যাট্রিয়ট বিপর্যয়ের গোপন খবর ফাঁস
- ইসরায়েলের আকাশ এখন ইরানের নিয়ন্ত্রণে? যুদ্ধবিরতিতে ৬ কঠিন শর্ত তেহরানের
- শাওয়ালের ৬ রোজা: ফজিলত ও করণীয় জানুন
- পদ্মার অতলে বাস ট্র্যাজেডি: ২৩ প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
- রমজানের পর কেন রাখবেন শাওয়ালের ৬ রোজা? হাদিসের আলোকে বিশেষ ফজিলত
- লেনদেন ছাড়াল ৬শ কোটি টাকা: উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
- ঈদ পরবর্তী বাজারে সোনার বড় ধস: ভরিতে বড় ছাড় দিয়ে সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ
- আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস, দেশে কমলো কত
- বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে রাশিয়ার কড়া হুঁশিয়ারি








