বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিদেশি মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ০৯ ১০:৩৩:৪৫
বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিদেশি মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো আজ শনিবার (৮ নভেম্বর ২০২৫) সর্বশেষ বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ করেছে। বৈশ্বিক বাজারে মার্কিন ডলার, ইউরো এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে এসব মুদ্রার দর বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, আন্তর্জাতিক বাজারে মুদ্রার দামের ওঠানামা, আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক রিজার্ভ এবং প্রবাসী আয়ের প্রভাবেই এ পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা, বৈশ্বিক তেলের দাম বৃদ্ধি এবং মার্কিন অর্থনীতির নীতিগত কড়াকড়ির কারণে ডলারের দাম বিশ্বজুড়ে ঊর্ধ্বমুখী। ফলে টাকার মান তুলনামূলকভাবে কিছুটা কমেছে। দেশের ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিদিনের ভিত্তিতে নিজেদের রেট সামঞ্জস্য করছে। তাই বিদেশ ভ্রমণ, বাণিজ্যিক লেনদেন বা রেমিট্যান্স গ্রহণের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের সর্বশেষ হার যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার (৮ নভেম্বর ২০২৫)

মুদ্রা নাম প্রতি ইউনিটে বিনিময় হার (৳)

USD মার্কিন ডলার ১২২.১২ টাকা

GBP ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬০.৫৮ টাকা

EUR ইউরো ১৪১.২৮ টাকা

SAR সৌদি রিয়াল ৩২.৫৬ টাকা

AED দুবাই দিরহাম ৩৩.২৫ টাকা

QAR কাতারি রিয়াল ৩৩.৫৪ টাকা

KWD কুয়েতি দিনার ৩৯৭.৬৬ টাকা

OMR ওমানি রিয়াল ৩১৭.৩৭ টাকা

BHD বাহরাইনি দিনার ৩২৪.৭৮ টাকা

MYR মালয়েশিয়ান রিংগিত ২৯.২৩ টাকা

SGD সিঙ্গাপুর ডলার ৯৩.৮৬ টাকা

BND ব্রুনাই ডলার ৯৩.৮৬ টাকা

CAD কানাডিয়ান ডলার ৮৬.৯৩ টাকা

AUD অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৭৯.২৬ টাকা

CNY চাইনিজ ইউয়ান (রেন্মিন্বি) ১৭.১৪ টাকা

JPY জাপানি ইয়েন ০.৭৯ টাকা

KRW দক্ষিণ কোরিয়ান ওন ০.০৮ টাকা

TRY তুর্কি লিরা ২.৮৯ টাকা

INR ভারতীয় রুপি ১.৩৭ টাকা

ZAR দক্ষিণ আফ্রিকান র‍্যান্ড ৭.০৭ টাকা

LYD লিবিয়ান দিনার ২২.৩৯ টাকা

MVR মালদ্বীপিয়ান রুফিয়া ৭.৯২ টাকা

IQD ইরাকি দিনার ০.০৯ টাকা


ডলার শক্তিশালী হওয়ায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২৫ ২০:২৫:৪০
ডলার শক্তিশালী হওয়ায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে টানা তৃতীয় দিনের মতো মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম কমেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে সুদের হার বৃদ্ধির জোরালো সম্ভাবনার কারণে বৈশ্বিক বাজারে ডলারের মান শক্তিশালী হচ্ছে। আর ডলারের এই ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফের ফলে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে পরিচিত স্বর্ণের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৫৪ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের আন্তর্জাতিক দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৮২ দশমিক ৪৯ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে আগামী আগস্ট মাসে ডেলিভারির চুক্তিতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের বাজারমূল্যও শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। ফলে প্রতি আউন্স গোল্ড ফিউচারসের দাম দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৯৭ দশমিক ৬০ ডলারে।

যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ট্রাডু ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবুরাস আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে এই দরপতনের নেপথ্য কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ বা ফেডের কড়া মুদ্রানীতিগত অবস্থান এবং এর ধারাবাহিকতায় সুদের হার আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনাই মূলত স্বর্ণের এই দরপতনের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে। গত সপ্তাহে ফেডের নীতি নির্ধারণী বৈঠকের পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম সামগ্রিকভাবে ৬ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে। সবশেষ বুধবার (২৪ জুন) এক ঐতিহাসিক পতনের মুখে গত বছরের নভেম্বরের পর এই প্রথম স্বর্ণের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে যায়।

স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর আন্তর্জাতিক বাজারেও মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। বিশ্ববাজারে রুপার দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৭ দশমিক ২৬ ডলারে নেমেছে। এর পাশাপাশি প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১ হাজার ৫৭১ দশমিক ৯৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে এর বিপরীতে প্যালাডিয়ামের বাজার দর ১ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ১ লাখ ১৮১ দশমিক ৪৬ ডলারে পৌঁছেছে।

এদিকে বিশ্ববাজারের এই দরপতনের আবহের মধ্যেই দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করা রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য মানদণ্ডের মধ্যে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯property ৪৭৪ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।

/আশিক


স্বস্তির খবর, সোনার দামে বড় পতন ঘোষণা বাজুসের

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২৫ ১০:২৯:৩৭
স্বস্তির খবর, সোনার দামে বড় পতন ঘোষণা বাজুসের
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পাকাসোনার দাম কমে যাওয়ায় সব ধরনের স্বর্ণের অলঙ্কারের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমানো হয়েছে।

বাজুসের ঘোষণার পর বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের অলঙ্কারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১০টা থেকে এই মূল্য কার্যকর হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেশের বিভিন্ন জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ করা হয়।

নতুন নির্ধারিত দামে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকায়। একই সঙ্গে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা।

এর মাত্র দুই দিন আগে, অর্থাৎ ২২ জুন বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ওঠানামা, ডলার বিনিময় হার এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের দামের পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি দেশের স্বর্ণবাজারে পড়ে। এসব বিষয় বিবেচনায় রেখেই সময়ে সময়েই বাজুস মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী কোনো ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব অনুমোদিত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন মূল্যই কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা, কারিগরি কাজ এবং ডিজাইনের ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত মজুরি আলাদাভাবে যোগ হবে, যা আগের নিয়মেই বহাল থাকবে।

সংস্থাটি আরও স্পষ্ট করেছে যে, ঘোষিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে নির্ধারিত মূল্যের বাইরে ভ্যাটের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। ক্রেতাদের কেনাকাটার সময় মূল্য তালিকা দেখে বিল গ্রহণ করার পরামর্শও দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

-রফিক


সঞ্চয়পত্র নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনা, সব ব্যাংককে কড়া সতর্কবার্তা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২৪ ২০:০৭:০৪
সঞ্চয়পত্র নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনা, সব ব্যাংককে কড়া সতর্কবার্তা
ছবি : সংগৃহীত

সঞ্চয়পত্র বিক্রির বৈধ ও তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও গ্রাহকদের বিভিন্ন অজুহাতে বিনিয়োগে বাধা বা নিরুৎসাহিত করার অভিযোগে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের সঞ্চয়পত্র ক্রয় প্রক্রিয়া ও এ সংক্রান্ত সেবা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে ব্যাংকগুলোকে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট (ডিএমডি) থেকে জারি করা এক বিশেষ সার্কুলারে এই জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়।

দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে পাঠানো ডিএমডি সার্কুলার লেটার নং- ০৯/২০২৬-এর মাধ্যমে এই সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। সার্কুলারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট উল্লেখ করেছে যে, সম্প্রতি বিভিন্ন স্তরের গ্রাহকদের কাছ থেকে এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে যে, তফসিলি ব্যাংকগুলো সঞ্চয়পত্র বিক্রির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকাভুক্ত থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষকে নানা প্রক্রিয়ায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে নিরুৎসাহিত করছে বা হয়রানি করছে।

সঞ্চয়পত্র রুলস, ১৯৭৭ এর অনুচ্ছেদ নম্বর-৩-এ বর্ণিত বিধিমালার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, সঞ্চয়পত্রের অনুমোদিত ইস্যু অফিস হিসেবে প্রতিটি ব্যাংকের প্রধান দায়িত্ব হলো বিনিয়োগকারীদের সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা এবং গ্রাহক সেবার সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করা। এর পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর প্রতিটি শাখায় সঞ্চয়পত্র সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম নিয়মিত ও কঠোরভাবে তদারকি করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে গ্রাহকদের যেকোনো তাৎক্ষণিক অভিযোগ গ্রহণের প্রক্রিয়াটি প্রতিটি শাখার সহজ ও দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করার এবং প্রাপ্ত অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ডিএমডি’র পরিচালক ইস্তেকমাল হোসেন স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনায় ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকদের সঞ্চয়পত্র সেবা শতভাগ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

/আশিক


বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ‘সবুজ পাতায়’ যুক্ত হচ্ছে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু প্রকল্প

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২৪ ১৯:৫২:৫২
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ‘সবুজ পাতায়’ যুক্ত হচ্ছে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু প্রকল্প
ছবি : সংগৃহীত

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া এবং মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটের মধ্যবর্তী স্থানে প্রস্তাবিত ‘দ্বিতীয় পদ্মা সেতু’ নির্মাণের প্রাথমিক সম্ভাব্যতা যাচাই বা সমীক্ষা পরিচালনার জন্য সাড়ে ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীরবিক্রম) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নিসা সিদ্দীকার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সংসদের টেবিল উত্থাপিত বক্তব্যে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া পয়েন্টে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রধান ও অন্যতম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি মেগা প্রকল্প। এই সেতুটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এখন সরকারের সেতু বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অধীনে একটি বিশদ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার কাজ চলছে, যার জন্য বর্তমানে যোগ্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সংসদে বাজেট ও উন্নয়ন বরাদ্দ সংক্রান্ত আলোচনায় আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও জানান, দেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) এই মূল সেতুটি সরাসরি নির্মাণের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো তহবিল বরাদ্দ না থাকলেও, এর প্রাথমিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বা ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বাজেট থেকে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা পুরোপুরি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর পাশাপাশি, গুরুত্বপূর্ণ এই মেগা প্রকল্পটিকে জাতীয় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় (যা সবুজ পাতা নামে পরিচিত) অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জোর সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত এই দ্বিতীয় পদ্মা সেতুটিকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং লাইফলাইন হিসেবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী জানান, পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের সমীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই সেতু নির্মাণের পরবর্তী মূল পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হবে। এটি বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক ও শীর্ষ উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

/আশিক


করের নতুন নিয়ম ১ জুলাই থেকে, যেসব ফিতে বাড়ছে ২০ শতাংশ টিডিএস

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২৪ ১৮:৪৩:২৫
করের নতুন নিয়ম ১ জুলাই থেকে, যেসব ফিতে বাড়ছে ২০ শতাংশ টিডিএস
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে বিভিন্ন ধরনের সেবামূলক খাতের বিপরীতে বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে উৎসে কর বা টিডিএস (Tax Deducted at Source) কর্তনের নিয়মে বড় ধরনের সংশোধন আসছে। নতুন অর্থবছর শুরু হওয়ার প্রথম দিন থেকেই আয়কর আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী এই পরিমার্জিত উৎসে করের নতুন হার কার্যকর করা হবে। নতুন এই নির্দেশনার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও বড় পরিবর্তনটি এসেছে মিটিং ফি, ট্রেনিং ফি এবং বিভিন্ন সেমিনারের সম্মানী বাবদ পাওয়া অর্থের ওপর, যেখানে এখন থেকে সরাসরি ২০ শতাংশ হারে উৎসে আয়কর কেটে রাখা হবে।

ফলে বিভিন্ন কোম্পানির বোর্ড সভা, সেমিনার, কর্মশালা কিংবা প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা আগের তুলনায় কম অর্থ হাতে পাবেন, কারণ তাদের বিলের বড় একটি অংশ কর হিসেবে কেটে নেওয়া হবে।

পরামর্শক, উপদেষ্টা ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের জন্য নতুন কর কাঠামোতে কিছুটা ভিন্নতা আনা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি এককভাবে উপদেষ্টা বা পরামর্শক ফি এবং পেশাদার কোনো সেবা প্রদান করেন, তবে তার ক্ষেত্রে উৎসে করের হার হবে ১৫ শতাংশ। কিন্তু কোনো নিবন্ধিত কোম্পানি বা প্রাতিষ্ঠানিক সত্তা যদি একই ধরনের সেবা দেয়, তবে সেটির জন্য করের হার অর্ধেক বা ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে কারিগরি সেবা বা কারিগরি সহায়তা ফি গ্রহণকারী ব্যক্তি হলে তাকে ১৫ শতাংশ হারে উৎসে কর দিতে হবে, আর সেবা প্রদানকারী পক্ষ যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি হয়, তবে করের হার হবে ১০ শতাংশ।

এছাড়া ক্যাটারিং, ক্রিয়েটিভ মিডিয়া, জনসংযোগ, ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা পরিচালনা, কুরিয়ার সার্ভিস, প্যাকিং ও শিফটিং, রিকভারি এজেন্সি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া এজেন্সির মতো সেবামূলক খাতের মোট বিলের ওপর ৮ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তন করা হবে। এর পাশাপাশি ইভেন্টিং কমিশনের ওপর করের হার পুনর্নির্ধারণ করে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

অন্যান্য সেবার ক্ষেত্রে করের হারে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, সে অনুযায়ী ক্লিনিং, নিরাপত্তা ও জনবল সরবরাহকারী সেবার কমিশনের ওপর ১০ শতাংশ এবং সামগ্রিক বা মোট বিলের ওপর ১ শতাংশ কর প্রযোজ্য হবে। মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের সেবা বিল এবং ক্রেডিট রেটিং এজেন্সির বিলের ওপর উৎসে কর নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ শতাংশ। এছাড়া মোটর গ্যারেজ ও ওয়ার্কশপ এবং ব্যক্তিগত কনটেইনার পোর্ট বা ডকইয়ার্ডের মোট বিলের ওপর ৫ শতাংশ হারে কর কাটা হবে এবং শিপিং এজেন্সির কমিশনের ওপর এই করের হার হবে ১০ শতাংশ।

নতুন অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই ২০২৬ থেকে দেশের সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য এই সংশোধিত উৎসে করের হার মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে এই নতুন নিয়ম মেনে বিল পরিশোধ এবং কর কাটার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কর বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন বিধান পুরোপুরি কার্যকর হলে দেশের সেবা খাতগুলো থেকে কর আদায়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং সামগ্রিক উৎসে কর ব্যবস্থাপনা আরও বেশি সুসংহত হবে।

/আশিক


আজ থেকেই নতুন দর, কত টাকায় মিলবে এক ভরি সোনা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২৪ ১১:৩৪:৪০
আজ থেকেই নতুন দর, কত টাকায় মিলবে এক ভরি সোনা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মাত্র দুই দিন আগে মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়ার পর এবার উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে সোনা ও রুপার দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা।

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই মূল্য কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির মূল্য ৫ হাজার ২৪৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ৪৯০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার মূল্য ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাত্র দুই দিন আগেই অর্থাৎ ২২ জুন বাজুস সোনার দাম বাড়িয়েছিল। সেদিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা করা হয়েছিল। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে আবারও মূল্য পরিবর্তন হওয়ায় বাজারে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।

২২ জুন ঘোষিত মূল্য অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার মূল্য ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকা। বুধবার সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত সেই দরেই বিক্রি হয়েছে সোনার গহনা।

শুধু সোনা নয়, রুপার দামেও বড় ধরনের সমন্বয় আনা হয়েছে। তবে রুপার ক্ষেত্রে আগের নিয়মই বহাল রয়েছে। অর্থাৎ নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে।

নতুন দরে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪০৮ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৮৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪০৯ টাকা কমে ৪ হাজার ৬০৭ টাকায় বিক্রি হবে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য ২৯১ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২৩৪ টাকা কমিয়ে ২ হাজার ৯৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ওঠানামা, ডলারের বিনিময় হার, স্থানীয় চাহিদা এবং তেজাবি সোনার দর পরিবর্তনের কারণে প্রায়ই মূল্য পুনর্নির্ধারণ করতে হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবও মূল্য পরিবর্তনের অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।

-রাফসান


ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম প্রকাশ, কত বাড়ল-কমল

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২৪ ১০:১২:৩৪
ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম প্রকাশ, কত বাড়ল-কমল
ছবি: সংগৃহীত

দেশের গহনার বাজারে উচ্চমূল্যের ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনা কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে দুই লাখ ২৬ হাজার টাকারও বেশি। একই সঙ্গে রুপার দামও উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে অবস্থান করছে, যেখানে উন্নত মানের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে পাঁচ হাজার টাকার বেশি দামে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত সর্বশেষ মূল্যতালিকা অনুযায়ী, গত ২০ জুন সকাল ১০টা থেকে নতুন দর কার্যকর রয়েছে। পরবর্তী কোনো ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্যই বহাল থাকবে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্যের পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি, ডলারের বিনিময় হার এবং সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের স্বর্ণ ও রুপার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমানে সবচেয়ে উন্নত মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকায়। এটি দেশের ইতিহাসে অন্যতম উচ্চমূল্যের পর্যায়ের মধ্যে রয়েছে।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা। যারা অপেক্ষাকৃত কম দামের গহনা কিনতে চান, তাদের জন্য ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার মূল্য রাখা হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা।

অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকায়। যদিও এটি তুলনামূলক কম দামের, তবুও সাধারণ ক্রেতাদের জন্য ব্যয় এখনও অনেক বেশি বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

শুধু স্বর্ণ নয়, রুপার বাজারেও উচ্চমূল্য বজায় রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা।

একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ১৬ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ২০৮ টাকা।

-রাফসান


১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২৩ ১৯:৫৭:২১
১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ ১১ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে কার্যকর হতে যাচ্ছে সরকারের নবম জাতীয় পে স্কেল। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় এবং বর্তমান লাগামহীন মূল্যস্ফীতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের জন্য আসন্ন বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাবদ মোট ৮৯ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

নতুন কাঠামোতে বর্তমানের ২০টি গ্রেডই বহাল রাখা হলেও সব পর্যায়ে মূল বেতন দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বেতন বৈষম্য কমাতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাত ১:৯.০৭৬ থেকে কমিয়ে ১:৮-এ নামিয়ে আনা হয়েছে।

প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুযায়ী, সরকারের সর্বোচ্চ বা ১ম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন বা ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে সর্বনিম্ন গ্রেডের একজন কর্মচারী বাড়ি ভাড়াসহ অন্যান্য সব সুবিধা মিলিয়ে মাসিক মোট ৪১ হাজার ৯০৮ টাকা বেতন পেতে পারেন।

নতুন পে স্কেল কার্যকরের ফলে চতুর্থ গ্রেডের অধ্যক্ষ, ষষ্ঠ গ্রেডের সহকারী অধ্যাপক, সপ্তম গ্রেডের প্রধান শিক্ষক ও নবম গ্রেডের প্রভাষকদের মূল বেতনে যেমন বড় পরিবর্তন আসবে, তেমনি ১১তম গ্রেডের শিক্ষক, ১৬তম গ্রেডের অফিস সহকারী এবং ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়কদের বেতনও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

নতুন পে স্কেলের আরেকটি মানবিক ও বড় দিক হলো অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন কাঠামোতে পরিবর্তন আনা। বর্তমানে যেসব সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পাচ্ছেন, তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে পেনশন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, যা অবসরপ্রাপ্তদের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর। সরকারি এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী আগস্ট বা সেপ্টেম্বর নাগাদ চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হতে পারে। তবে গেজেট প্রকাশে কিছুটা সময় লাগলেও নতুন এই বেতন কাঠামোর বকেয়াসহ বর্ধিত সকল সুবিধা আগামী ১ জুলাই থেকেই কার্যকর ধরা হবে।

সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হওয়ার পর দীর্ঘ এক দশকে খাদ্য, আবাসন ও পরিবহন খরচ কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এই নতুন পে স্কেল অত্যন্ত জরুরি ছিল, যেখানে বিশেষ করে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের আর্থিক চাপ কমানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


বাজারে অস্থিরতা, আবারও বাড়ল স্বর্ণের মূল্য

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২৩ ১০:৪৪:১৭
বাজারে অস্থিরতা, আবারও বাড়ল স্বর্ণের মূল্য
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। টানা দুই দফা মূল্যহ্রাসের পর এবার এক লাফে প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা বাড়ানো হয়েছে, ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম আবারও ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার ঘরে ফিরে এসেছে। নতুন এই দর সোমবার সকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে এবং মঙ্গলবারও একই দামে সারা দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, আমদানি ব্যয় এবং সামগ্রিক বাজার বিশ্লেষণ করে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ববাজারে মূল্য ওঠানামা এবং কাঁচামালের দামের পরিবর্তন দেশের বাজারেও সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানকে এই মূল্য অনুসরণ করতে হবে। ফলে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর ক্রেতাদের আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের স্বর্ণবাজারে অস্বাভাবিক ওঠানামা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দাম কমে যাওয়ার পর আবার বড় অঙ্কে বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিয়ে, সামাজিক অনুষ্ঠান এবং বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে স্বর্ণ কিনতে আগ্রহীদের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে।

এর আগে গত ২০ জুন বাজুস স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেদিন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে সেই মূল্য আবার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাজারে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।

-রফিক

পাঠকের মতামত: