জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফল কবে? দিনক্ষণ জানালেন ইসি আনোয়ারুল সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৯ ১১:১৫:০৫
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফল কবে? দিনক্ষণ জানালেন ইসি আনোয়ারুল সরকার
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আশাবাদী বার্তা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি দাবি করেন, অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এবার নির্বাচনী পরিবেশ অনেক বেশি চমৎকার ও শান্তিপূর্ণ রয়েছে। বড় কোনো শঙ্কা ছাড়াই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, নির্বাচন নিয়ে তৈরি হওয়া সকল শঙ্কা ইতোমধ্যে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও অটোমেশন সিস্টেম ব্যবহারের ফলে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল পেতে খুব বেশি বিলম্ব হবে না। তাঁর দাবি অনুযায়ী, কোনোভাবেই তিন দিন নয়, বরং ভোটের পরের দিন অর্থাৎ শুক্রবারের (১৩ ফেব্রুয়ারি) মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব হবে। তবে ভৌগোলিক কারণে কিছু দুর্গম কেন্দ্রের ফলাফল আসতে সামান্য দেরি হতে পারে।

নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। অতীতের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করবে। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে

যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে সেখানে সিসিটিভি থাকবে এবং দায়িত্বরত সদস্যদের ‘বডি-ওর্ন’ ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি আসনে একাধিক মনিটরিং টিম থাকবে, যারা প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর তথ্য পাঠাবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তি ঠেকাতে একটি বিশেষ ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং সেল’ কাজ করবে।

ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, কমিশনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে একটি স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।


১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৭ ১০:০৩:৪৩
১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
ছবি: সংগৃহীত

দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নতুন করে আরও একটি তেলবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চীনের প্রতিষ্ঠান ইউনিপেকের সঙ্গে চুক্তির আওতায় ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের জাহাজটি বৃহস্পতিবার বন্দরে পৌঁছায়, যাতে করে ১০ হাজার টন ডিজেল এবং ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল আনা হয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার থেকে এই জ্বালানি খালাস কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নতুন এই চালান দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিপিসির জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ হোসেন ভুঁইয়া জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ২ লাখ টন ডিজেল মজুত রয়েছে। নতুন আমদানিকৃত ডিজেল এই মজুতের সঙ্গে যুক্ত হলে পরিবহন ও শিল্প খাতে সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আমদানি করা জেট ফুয়েল দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সরবরাহ করা হবে, যা বিমান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিপিসি নিয়মিতভাবে ডিজেল, পেট্রল, অকটেন, জেট ফুয়েলসহ মোট পাঁচ ধরনের জ্বালানি আমদানি ও সরবরাহ করে থাকে। সংস্থাটির দাবি অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন ডিপোতে মজুত তেল এবং পাইপলাইনে থাকা জ্বালানির মাধ্যমে অন্তত এপ্রিল মাস পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।

তবে বাস্তব চিত্র কিছুটা ভিন্ন বলে অভিযোগ উঠেছে ব্যবহারকারী মহল থেকে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলে লাইটার জাহাজ এবং মাছ ধরার ট্রলারে ডিজেল সরবরাহ সীমিত করে রেশনিং পদ্ধতিতে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে করে এসব খাতে কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এছাড়া অনেক পেট্রল পাম্পেও চাহিদামতো জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, সরবরাহ ব্যবস্থায় অসামঞ্জস্যের কারণে বাজারে কৃত্রিম চাপ তৈরি হচ্ছে, যা স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। ফলে মজুত পর্যাপ্ত থাকলেও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সার্বিকভাবে, নতুন তেলবাহী জাহাজ আগমনে সাময়িক স্বস্তি তৈরি হলেও মাঠপর্যায়ের সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নত না হলে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা পুরোপুরি কাটবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

-রাফসান


কালবৈশাখীর সাথে ধেয়ে আসছে শিলাবৃষ্টি: কোন অঞ্চলে কবে ঝড় জেনে নিন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ২০:৫১:২০
কালবৈশাখীর সাথে ধেয়ে আসছে শিলাবৃষ্টি: কোন অঞ্চলে কবে ঝড় জেনে নিন
ছবি : সংগৃহীত

চৈত্র মাসের শুরুতেই প্রকৃতির রুদ্ররূপ দেখছে দেশবাসী। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখী ও ভারী বৃষ্টির খবরের মাঝেই আগামী ৫ দিনের বিশেষ পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) প্রকাশিত এই পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির তীব্র সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে বৃষ্টির দাপট বাড়ার পাশাপাশি তাপমাত্রাও কিছুটা কমতে পারে।

আগামী ৫ দিনের আবহাওয়ার বিস্তারিত চিত্র

শুক্রবার (২৭ মার্চ): প্রথম ২৪ ঘণ্টায় খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়া বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। দেশের বাকি অংশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে।

শনিবার (২৮ মার্চ): রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেটে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন সারা দেশে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

রবিবার (২৯ মার্চ): এই দিন থেকে বৃষ্টির দাপট বাড়বে। রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও বরিশালের দু-এক জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আশঙ্কা আছে। অনেক এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে এবং তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে।

সোমবার (৩০ মার্চ): বৃষ্টির এই ধারা অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে শিলাবৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ): সপ্তাহের শেষ দিকেও চট্টগ্রাম ও সিলেটে বৃষ্টির দাপট দেখা যাবে। তবে এর পরবর্তী পাঁচ দিনে তাপমাত্রা আবারও বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আকস্মিক ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের সময় জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কৃষি সংশ্লিষ্টদের শিলাবৃষ্টির হাত থেকে ফসল রক্ষায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানিয়েছে অধিদপ্তর।

/আশিক


দৌলতদিয়া বাস ট্র্যাজেডি: নিহতদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের লিগ্যাল নোটিশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ১৭:৪৬:২২
দৌলতদিয়া বাস ট্র্যাজেডি: নিহতদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের লিগ্যাল নোটিশ
ছবি : সংগৃহীত

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মায় তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে জনপ্রতি ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবিতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) জনস্বার্থে এই নোটিশটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী—অ্যাডভোকেট নেওয়াজুল আসিফ সাদ, ব্যারিস্টার রাফি জি রহমান ও অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন নাসের। নোটিশে নিহতদের ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি আহতদের উন্নত চিকিৎসা ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের যথাযথ পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী, নৌপরিবহনমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবদের এই নোটিশে বিবাদী করা হয়েছে। আইনজীবীরা উল্লেখ করেছেন, এটি কেবল একটি সাধারণ দুর্ঘটনা নয়; বরং ফেরিঘাট ব্যবস্থাপনা এবং পরিবহন কর্তৃপক্ষের অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা জরুরি। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে উচ্চ আদালতে রিট দায়েরসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

অ্যাডভোকেট নেওয়াজুল আসিফ সাদ জানান, সময় স্বল্পতার কারণে নোটিশটি আপাতত ই-মেইলে পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তী কর্মদিবসেই এটি ডাকযোগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে। উল্লেখ্য, কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ‘সৌহার্দ্য’ পরিবহনের বাসটি বুধবার বিকেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গেলে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের দাবিও জানানো হয়েছে নোটিশে।

/আশিক


আমরা এখন সম্পূর্ণ মুক্ত: সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মির্জা ফখরুল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ১২:০৯:২৪
আমরা এখন সম্পূর্ণ মুক্ত: সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মির্জা ফখরুল
ছবি : সংগৃহীত

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) সকালে শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এবারের স্বাধীনতা দিবস দেশবাসী এক সম্পূর্ণ ভিন্ন ও মুক্ত পরিবেশে উদযাপন করছে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় পর একটি ‘ফ্যাসিস্টমুক্ত’ পরিবেশে জাতি এই দিনটি পালন করার সুযোগ পেয়েছে।

মির্জা ফখরুল তাঁর বক্তব্যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “জাতি আজ নতুন একটি বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়েছে। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করব, যাতে বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে একটি সুখী, সাম্য ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হয়।” তবে এই আনন্দের দিনেও দলীয় প্রধান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি নিয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, “স্বাধীনতার এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমাদের অন্যতম সংগ্রামী নেত্রী আমাদের মাঝে নেই, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টের এবং বেদনার।”

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, শহিদ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সমগ্র জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিলেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে দেশ কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার জুলাই গণআকাঙ্ক্ষা ও স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

/আশিক


সাভার থেকে প্যারেড স্কয়ার: মহান স্বাধীনতা দিবসে উৎসবমুখর পুরো বাংলাদেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ১১:৫৭:১৭
সাভার থেকে প্যারেড স্কয়ার: মহান স্বাধীনতা দিবসে উৎসবমুখর পুরো বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০শে মার্চ ২০২৬ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত হয়েছে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অভিবাদন গ্রহণ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং তাঁর সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম ২৬শে মার্চে এত বড় পরিসরে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

অনুষ্ঠানে তিন বাহিনীর প্রধানগণ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত রয়েছেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের অনুষ্ঠানটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে এবং দর্শনার্থীদের প্রবেশের জন্য সুনির্দিষ্ট কয়েকটি গেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে দর্শকদের কোনো ধরনের ব্যাগ বহন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের তত্ত্বাবধানে নবম পদাতিক ডিভিশন এই বিশাল আয়োজনটি সফলভাবে সম্পন্ন করছে।

এর আগে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভোর ৬টায় তাঁরা স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং একাত্তরের বীর সন্তানদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন প্রদান করে। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে আলাদাভাবে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। দীর্ঘ বিরতির পর প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত এই কুচকাওয়াজ ও বীর শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন মহান স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

/আশিক


দেশে এক মাসের জ্বালানি মজুত, বাড়ানোর পরিকল্পনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ১০:০৫:৪৫
দেশে এক মাসের জ্বালানি মজুত, বাড়ানোর পরিকল্পনা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও সরকার আশ্বস্ত করেছে যে, বর্তমানে দেশের জ্বালানি তেলের মজুত পর্যাপ্ত রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, বিদ্যমান মজুত দিয়ে অন্তত এক মাসের জ্বালানি চাহিদা নির্বিঘ্নে পূরণ করা সম্ভব। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মোকাবিলায় এই রিজার্ভ আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। সন্ধ্যায় তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ওই ব্রিফিংয়ে জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থা এবং সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দেশের জ্বালানি তেলের রিজার্ভ বর্তমানে ‘সাফিসিয়েন্ট’ বা পর্যাপ্ত পর্যায়ে রয়েছে, যা স্বল্পমেয়াদে কোনো ধরনের জ্বালানি সংকটের সম্ভাবনা কমিয়ে দিয়েছে। তবে সরকার কেবল বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েই সন্তুষ্ট নয়; বরং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলায় আরও শক্তিশালী প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তা এই তিনটি প্রধান কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকারের রিজার্ভ বাড়ানোর উদ্যোগকে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কেবল স্বল্পমেয়াদি মজুত নয়, বরং মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রিজার্ভ সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এর মধ্যে থাকতে পারে অতিরিক্ত সংরক্ষণাগার নির্মাণ, আমদানি ব্যবস্থার বহুমুখীকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বিত কৌশল গ্রহণ।

-রফিক


দেশের ৭ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ০৯:৫০:০৯
দেশের ৭ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ৭টি জেলায় দুপুরের মধ্যে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) আবহাওয়া অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা এবং নোয়াখালী অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সিনপটিক অবস্থায় দেখা যায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে এবং মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা রেকর্ড করা হয়েছে ৯৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য জানানো হয়েছে যে, আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিটে।

/আশিক


দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরিঘাটের ৫ জরুরি নির্দেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ০৯:৩৪:৩৪
দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরিঘাটের ৫ জরুরি নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

দেশের গুরুত্বপূর্ণ ফেরিঘাটগুলোতে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ দ্রুত বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ফেরিতে ওঠানামার ক্ষেত্রে একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। বিশেষ করে বাস বা ব্যক্তিগত গাড়িতে বসে না থেকে যাত্রীদের নামিয়ে আলাদাভাবে পায়ে হেঁটে ফেরিতে ওঠার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের মতে, ফেরিতে ওঠার সময় গাড়ির ভেতরে অবস্থান করা যাত্রীদের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করে। ফেরিতে যানবাহন ওঠানোর সময় ভারসাম্য, ঢাল বা আকস্মিক নড়াচড়ার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অতীতে একাধিক দুর্ঘটনায় দেখা গেছে, গাড়ির ভেতরে থাকা যাত্রীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই বাস্তবতার আলোকে নিরাপত্তা জোরদারে নতুন নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ফেরিতে গাড়ি ওঠানোর আগে সব যাত্রীকে অবশ্যই গাড়ি থেকে নেমে যেতে হবে। যাত্রীরা আগে নিরাপদভাবে ফেরিতে উঠবেন এবং নির্ধারিত স্থানে অবস্থান নেবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে যানবাহনগুলো ফেরিতে তোলা হবে। এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে বিশৃঙ্খলা কমবে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

ফেরিঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আগে আসা যাত্রীদের আগে ওঠার সুযোগ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ধাক্কাধাক্কি, হুড়োহুড়ি বা অনিয়ন্ত্রিত ভিড় পরিস্থিতিকে বিপজ্জনক করে তোলে, যা মুহূর্তেই বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেরিঘাটে অধিকাংশ দুর্ঘটনার মূল কারণ হলো অব্যবস্থাপনা ও যাত্রীদের অসচেতন আচরণ। তাই যাত্রীদের আচরণগত পরিবর্তনই নিরাপদ যাত্রার প্রধান শর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং নির্দেশনা অনুসরণই এখানে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

এছাড়া ফেরিতে ওঠা বা নামার সময় বাস বা গাড়ির ভেতরে অবস্থান করা যে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, তা নিয়ে বারবার সতর্ক করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফেরি চলাচলের সময় যানবাহনের অবস্থান পরিবর্তন, ঢেউয়ের প্রভাব কিংবা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হঠাৎ ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। এই অবস্থায় গাড়ির ভেতরে থাকা যাত্রীরা গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে পড়েন।

ফেরিঘাটে দায়িত্বরত পুলিশ, নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক সংস্থার নির্দেশনা মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করলে তা আইনগত জটিলতাও তৈরি করতে পারে বলে জানা গেছে।

ঈদ মৌসুমে যাত্রীচাপ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় ফেরিঘাটগুলোতে পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। এই সময়ে সামান্য অসতর্কতা বড় ধরনের প্রাণহানির কারণ হতে পারে। তাই প্রশাসন যেমন তৎপর, তেমনি যাত্রীদেরও সচেতন ভূমিকা পালন করা জরুরি।

পরিবহন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপদ ফেরি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়, বরং যাত্রীদের আচরণগত পরিবর্তন, নিয়ম মেনে চলা এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

সার্বিকভাবে বলা যায়, ফেরিতে ওঠার সময় নির্ধারিত নিয়মাবলী কঠোরভাবে অনুসরণ করা গেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে ঈদের মতো ব্যস্ত সময়ে এই নির্দেশনাগুলোই হতে পারে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রার প্রধান ভিত্তি।

-রাফসান


বীর শহিদদের স্মরণে সাভারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ০৯:২২:০৬
বীর শহিদদের স্মরণে সাভারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) ভোরে স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি এই সম্মান জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।

রাষ্ট্রপতির আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁরা দুজনেই পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং সেখানে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বের কথা স্মরণ করে পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকায় এক ভাবগম্ভীর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিরাও জাতির সূর্য সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এরপর তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরাও এদিন স্মৃতিসৌধে উপস্থিত হয়ে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও বিদেশি কূটনীতিকদের ফুলেল শ্রদ্ধায় ভরে ওঠে স্মৃতিসৌধের বেদি।

/আশিক

পাঠকের মতামত: