এক সপ্তাহে বড় লাফ! রিজার্ভে নতুন চমক দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। আজ সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে যে, দেশের মোট বা গ্রস রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজ বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ (BPM6) হিসাব পদ্ধতি অনুসরণ করলে দেখা যায় যে, এই রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। উল্লেখ্য যে, আইএমএফের এই বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী মূলত দেশের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ হিসাব করা হয়।
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৮ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে গ্রস ও নিট—উভয় পদ্ধতিতেই রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির জন্য একটি স্বস্তিদায়ক খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আর্থিক বিশ্লেষকদের মতে, মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায়সমূহ বাদ দিলে যে অবশিষ্ট পরিমাণ পাওয়া যায়, সেটিই প্রকৃত নিট রিজার্ভ হিসেবে গণ্য হয়। রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক গতির কারণেই রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আকাশে আসছে নতুন অতিথি: দেখা মিলবে ধূমকেতু ভিয়ারজোসের
মহাকাশ বিজ্ঞানের এক অনন্য বিস্ময় নিয়ে পৃথিবীর আকাশের দিকে ধীরলয়ে এগিয়ে আসছে নতুন এক অতিথি, যার নাম ধূমকেতু ‘সি/২০২৪ ই১ (ভিয়ারজোস)’। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে প্রথম শনাক্ত হওয়া এই ধূমকেতুটি এখন সৌরজগতের সুদূর প্রান্ত থেকে সূর্যের দিকে যাত্রা শুরু করেছে, যা আগামী কয়েক দিন মহাকাশপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবে।
বিজ্ঞানীদের দেওয়া তথ্যমতে, এই ধূমকেতুটির আদি নিবাস সৌরজগতের একেবারে প্রান্তিক অঞ্চল ‘ওর্ট মেঘ’। বরফ ও ধূলিকণায় ভরা এই বিশাল অঞ্চল থেকেই এর জন্ম। বর্তমানে সূর্যের কাছাকাছি আসার ফলে এর ভেতরের বরফ গলতে শুরু করেছে, যা ধূমকেতুটির পেছনে একটি উজ্জ্বল ও দীর্ঘ লেজ তৈরি করেছে। এই লেজটিই মূলত ধূমকেতুটিকে রাতের আকাশে এক রহস্যময় ও আকর্ষণীয় রূপ দান করেছে।
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মহাকাশ টেলিস্কোপ ‘জেমস ওয়েব’ দিয়ে ইতিমধ্যে ধূমকেতুটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এই ধূমকেতুর আলোতে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের উপস্থিতি তুলনামূলক অনেক কম। এর থেকে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন যে, ধূমকেতুটি তৈরির সময়ই এই উপাদানের ঘাটতি ছিল অথবা দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার সময় এটি উপাদানটি হারিয়ে ফেলেছে।
দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোতে বসবাসকারীরা ইতিমধ্যে এই মহাজাগতিক দৃশ্যের দেখা পেয়েছেন এবং অনেক সৌখিন জ্যোতির্বিদ এর চমৎকার ছবিও তুলেছেন। এখন উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতেও এটি দেখার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ধূমকেতুটি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করবে। ফলে ওই সময়ের পর থেকে এটি আরও স্পষ্ট ও উজ্জ্বলভাবে দেখা যাবে।
বাংলাদেশের আকাশ থেকে এই ধূমকেতুটি দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো পূর্বাভাস পাওয়া যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, আকাশ যদি সম্পূর্ণ পরিষ্কার থাকে এবং কৃত্রিম আলোর প্রভাব মুক্ত থাকে, তবে গভীর রাতে বা খুব ভোর রাতে শক্তিশালী দূরবীন বা টেলিস্কোপ দিয়ে এটি দেখার চেষ্টা করা যেতে পারে। পরিবেশ অনুকূলে থাকলে কোথাও কোথাও খালি চোখেও হালকা আলোর আভা দেখা দেওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনা রয়েছে।
আকাশে দেখা যাবে দ্বিতীয় শুক্র! চাঁদের বুকে গ্রহাণুর আঘাত নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
মহাকাশ বিজ্ঞানের এক বিরল ও রোমাঞ্চকর ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। একটি বিশালাকৃতির গ্রহাণু, যার নাম ‘অ্যাস্টেরয়েড ২০২৪ ওয়াইআর৪’ (Asteroid 2024 YR4), দ্রুত গতিতে চাঁদের দিকে ধেয়ে আসছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, গ্রহাণুটি যদি শেষ পর্যন্ত চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ে, তবে পৃথিবী থেকে খালি চোখেই সেই অভাবনীয় মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যেতে পারে।
বিজ্ঞানীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই গ্রহাণুটির প্রস্থ প্রায় ৬০ মিটার, যা একটি বড় দালানের সমান। মহাকাশ গবেষণার বর্তমান হিসাব বলছে, ২০৩২ সালের ২২ ডিসেম্বর এই গ্রহাণুটির সঙ্গে চাঁদের সংঘর্ষ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে এই সংঘাতের গাণিতিক হার প্রায় ৪.৩ শতাংশ।
গবেষণায় দেখা গেছে, যদি এই সংঘর্ষটি ঘটে, তবে চাঁদের পৃষ্ঠে প্রায় ১ কিলোমিটার চওড়া একটি বিশাল গর্ত বা ‘ক্রেটার’ তৈরি হবে। আছড়ে পড়ার মুহূর্তে যে প্রচণ্ড আলোর বিচ্ছুরণ ঘটবে, তা শুক্র গ্রহের মতো উজ্জ্বল হয়ে রাতের আকাশে কয়েক মিনিট স্থায়ী হতে পারে। শুধু তাই নয়, এর ফলে নির্গত ইনফ্রারেড আলো বা তাপের সংকেত পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা ধরে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতিতে ধরা পড়বে। এই সংঘর্ষে যে বিপুল শক্তির উদ্ভব হবে, তা বড় কোনো বোমা বিস্ফোরণের চেয়েও শক্তিশালী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্বস্তির খবর হলো, এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর জন্য কোনো বিপদ বয়ে আনবে না। প্রাথমিক হিসেবে পৃথিবীতে আঘাত হানার আশঙ্কা থাকলেও, বর্তমান সূক্ষ্ম গণনায় দেখা গেছে আমাদের পৃথিবী পুরোপুরি নিরাপদ। তবে সংঘর্ষের ফলে চাঁদ থেকে ছিটকে আসা ধুলো ও পাথর মহাকাশে থাকা কৃত্রিম উপগ্রহগুলোর (স্যাটেলাইট) জন্য কিছুটা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বর্তমানে এই গ্রহাণুটির গতিবিধি ও গঠন প্রকৃতি আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপকে (James Webb Space Telescope) প্রস্তুত করা হচ্ছে। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের এক বিশেষ দিনে টেলিস্কোপটি এই গ্রহাণুর ওপর নজরদারি করবে, যা থেকে নিশ্চিত হওয়া যাবে—চাঁদে আঘাত হানার সম্ভাবনা আদতে বাড়ছে নাকি কমছে।
বৃহস্পতি কি ছোট হয়ে যাচ্ছে? নাসার মহাকাশযান ‘জুনো’র পাঠানো চাঞ্চল্যকর তথ্য
সৌরজগতের দানব গ্রহ হিসেবে পরিচিত বৃহস্পতি সম্পর্কে আমাদের এতদিনের ধারণা বদলে দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মহাকাশযান ‘জুনো’। নতুন বৈজ্ঞানিক তথ্য বলছে, বৃহস্পতি গ্রহটি আমরা এতদিন যতটা বড় মনে করতাম, আসলে তা কিছুটা ছোট। শুধু তাই নয়, এর গঠন নিখুঁত গোলকের মতো নয়, বরং অনেকটা চাপা আকৃতির।
নাসার পাঠানো মহাকাশযান ‘জুনো’ এখন পর্যন্ত বৃহস্পতিকে ঘিরে ১৩ বার প্রদক্ষিণ করেছে এবং গ্রহটির অত্যন্ত কাছ দিয়ে উড়ে গিয়ে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, বৃহস্পতির মধ্যভাগ বা ভূ-মধ্যরেখীয় অঞ্চল আগের হিসেবের চেয়ে প্রায় ৮ কিলোমিটার কম চওড়া। অন্যদিকে, গ্রহটির উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চল আগের ধারণার চেয়ে আরও ২৪ কিলোমিটার বেশি চাপা।
এই আকৃতি পরিবর্তনের একটি প্রধান কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা বৃহস্পতির প্রচণ্ড শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহকে চিহ্নিত করেছেন। গ্রহটিকে ঘিরে সারাক্ষণ আবর্তিত এই বাতাসের প্রভাব এবারই প্রথম গাণিতিক হিসেবের মধ্যে আনা হয়েছে।
বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’-তে প্রকাশিত এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ‘রেডিও সিগন্যাল পরীক্ষা’ পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। জুনো থেকে পাঠানো সিগন্যাল যখন বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের ভেতর দিয়ে পৃথিবীতে আসে, তখন এর গতি ও দিকের সূক্ষ্ম পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে গ্রহের ভেতরের তাপ, চাপ ও ঘনত্ব নির্ণয় করা হয়েছে। ইতিপূর্বে ১৯৭০-এর দশকের পুরনো তথ্যের ওপর ভিত্তি করে যে আকার নির্ধারণ করা হয়েছিল, জুনোর পাঠানো তথ্য তার চেয়ে অনেক বেশি নির্ভুল ও পরিষ্কার।
মহাকাশবিজ্ঞানীদের মতে, এই নতুন তথ্য কেবল বৃহস্পতিকে জানার জন্যই নয়, বরং মহাবিশ্বের অন্যান্য বিশাল গ্রহগুলোর আকার ও বৈশিষ্ট্য বোঝার ক্ষেত্রেও মানদণ্ড হিসেবে কাজ করবে।
মহাকাশ থেকে আসা ৪৪ মিনিটের সেই ছন্দ: নতুন কোনো গ্রহ না কি এলিয়েন সংকেত?
মহাকাশের গভীর থেকে আসা এক রহস্যময় সংকেত বিজ্ঞানীদের কৌতূহল ও বিস্ময়কে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের নিজস্ব গ্যালাক্সি মিল্কিওয়ের কেন্দ্রভাগ থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ছন্দময় কিছু সংকেত পৃথিবীতে এসে পৌঁছাচ্ছে। মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এই প্রথম এমন কোনো বস্তুর সন্ধান মিলল, যা ঠিক ৪৪ মিনিট পরপর নিয়ম করে রেডিও তরঙ্গ ও এক্স-রে বিকিরণ করছে।
বিজ্ঞানীরা এই রহস্যময় মহাজাগতিক বস্তুর নাম দিয়েছেন ‘এএসকেএপি জে১৮৩২০৯১১’ (ASKAP J18320911)। এটি আমাদের সৌরজগৎ থেকে অনেক দূরে, মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ভেতরের অংশে অবস্থিত। নাসার চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরি এবং অস্ট্রেলিয়ার এএসকেএপি রেডিও টেলিস্কোপ যৌথভাবে এই সংকেতটি শনাক্ত করেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বস্তুটির রেডিও তরঙ্গ যেভাবে নির্দিষ্ট সময় অন্তর বাড়ে ও কমে, এক্স-রের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ছন্দ অনুসরণ করা হচ্ছে। এর থেকে বিজ্ঞানীদের ধারণা, উভয় ধরনের সংকেতের উৎস সম্ভবত একই।
এই বস্তুটিকে ‘লং-পিরিয়ড রেডিও ট্রানজিয়েন্ট’ নামক একটি বিরল শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সাধারণত পালসার নক্ষত্রগুলো অত্যন্ত দ্রুত ঘোরে এবং সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের ব্যবধানে সংকেত পাঠায়। কিন্তু এই বস্তুটি সংকেত পাঠাতে দীর্ঘ ৪৪ মিনিট সময় নিচ্ছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর রেডিও অ্যাস্ট্রোনমি রিসার্চের বিজ্ঞানীদের মতে, এটি হয়তো কোনো বিবর্তিত ‘নিউট্রন স্টার’ (অত্যন্ত ঘন নক্ষত্রের অবশিষ্টাংশ) অথবা কোনো শক্তিশালী চুম্বকীয় ধ্বংসাবশেষ হতে পারে। এমনকি এটি সম্পূর্ণ নতুন কোনো মহাজাগতিক বস্তু হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না গবেষকরা। দূর মহাকাশের এই ছন্দময় বার্তা মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের প্রচলিত ধারণাগুলোকে নতুন করে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।
ব্যবহৃত ফোন হস্তান্তরের আগে জানুন ডি-রেজিস্ট্রেশন নিয়ম
নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নতুন এই নিয়ম না মানলে ভবিষ্যতে সিম ও হ্যান্ডসেট ব্যবহারে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম পুরোপুরি কার্যকর করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার আওতায় বর্তমানে দেশের নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধনের আওতায় এসেছে।
বিটিআরসি জানিয়েছে, এখন থেকে কোনো গ্রাহক যদি নিজের নামে নিবন্ধিত হ্যান্ডসেটে নতুন সিম ব্যবহার করতে চান, অন্য কাউকে ফোনটি দিতে চান কিংবা সেটি বিক্রি করতে চান, তাহলে আগে অবশ্যই ফোনটির নিবন্ধন বাতিল করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্ট হ্যান্ডসেটকে এনইআইআর সিস্টেম থেকে অবমুক্ত বা ডি-রেজিস্টার করতে হবে।
এই ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গ্রাহকের সিম কেনার সময় ব্যবহৃত জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে ব্যবহৃত বা পুরোনো মোবাইল ফোন বিক্রি কিংবা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই নিয়ম বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করতে হবে।
যেভাবে করবেন মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন
ডি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য গ্রাহকরা দুটি সহজ পদ্ধতির যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারবেন।
১. এনইআইআর সিটিজেন পোর্টাল ব্যবহার করে
গ্রাহককে neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করতে হবে। এরপর ড্যাশবোর্ড থেকে সংশ্লিষ্ট ডিভাইস নির্বাচন করে ‘ডি-রেজিস্টার’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করলে ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
২. ইউএসএসডি কোডের মাধ্যমে
মোবাইল ফোনের কল অপশনে গিয়ে *১৬১৬১# ডায়াল করতে হবে। এরপর নির্দেশনা অনুসরণ করে ডি-রেজিস্ট্রেশন অপশনে প্রবেশ করে প্রক্রিয়াটি শেষ করা যাবে।
বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, ডি-রেজিস্ট্রেশনের সময় গ্রাহকের ফোনে যে সিমটি ব্যবহৃত হচ্ছে, সেটি অবশ্যই তার নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। অন্যথায় ডি-রেজিস্ট্রেশন কার্যকর হবে না।
এ ছাড়া ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বরযুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা ও হালনাগাদ তথ্য জানতে বিটিআরসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বিটিআরসির কল সেন্টার নম্বর ১০০ অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।
বিটিআরসি বলছে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে অবৈধ ও চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার রোধ, গ্রাহকের পরিচয় সুরক্ষা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।
-রাফসান
চাঁদ জয় কি তবে স্বপ্নই থেকে যাচ্ছে? নাসার ঐতিহাসিক মিশনে আবারও বড় বাধা
চাঁদে মানুষ পাঠানোর ঐতিহাসিক লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তাদের বহুল আলোচিত আর্টেমিস–২ মিশনের উৎক্ষেপণ আবারও পিছিয়ে দিয়েছে। নাসার সাম্প্রতিক ঘোষণা অনুযায়ী, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মার্চ মাসে এই মিশনের রকেট উৎক্ষেপণ করা হতে পারে। এর আগে চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই এই ঐতিহাসিক যাত্রা শুরুর পরিকল্পনা ছিল। মূলত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি পরীক্ষার পর নাসা এই বিলম্বের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ‘ওয়েট ড্রেস রিহার্সাল’ নামক এই পরীক্ষায় রকেটটিতে জ্বালানি ভরে উৎক্ষেপণের ঠিক আগের মুহূর্ত পর্যন্ত কাউন্টডাউন চালিয়ে পুরো প্রক্রিয়াটি যাচাই করা হয়। এই মহড়া চলাকালীন ফ্লোরিডার চরম প্রতিকূল ও ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে কাজ বাধাগ্রস্ত হয় এবং রকেটে বিপজ্জনক হাইড্রোজেন গ্যাস লিক করার সমস্যা ধরা পড়ে।
নাসা জানিয়েছে, নভোচারীদের নিরাপত্তার খাতিরে এসব সূক্ষ্ম সমস্যা খতিয়ে দেখতেই উৎক্ষেপণের তারিখ পেছানো হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে বড় কোনো ঝুঁকি না থাকে, সেজন্য আবারও একটি চূড়ান্ত পরীক্ষা চালানো হবে। নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে বলেন, মহাকাশযাত্রার আগে এ ধরনের কারিগরি ত্রুটিগুলো আগেই ধরা পড়া এই পরীক্ষার মূল সার্থকতা। আর্টেমিস–২ মিশনের মাধ্যমে চারজন দক্ষ নভোচারী ১০ দিনের জন্য চাঁদের কক্ষপথে একটি রোমাঞ্চকর সফর করবেন। তাঁরা চাঁদের সেই ‘অন্ধকার অংশ’ বা উল্টো পিঠ পর্যন্ত ভ্রমণ করবেন, যা পৃথিবী থেকে কখনো দেখা যায় না। এই দলে রয়েছেন নাসার রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কখ এবং কানাডার নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন। যদি এই মিশন সফল হয়, তবে ১৯৭২ সালের অ্যাপোলো-১৭ মিশনের পর গত পাঁচ দশকের বেশি সময় পার করে মানুষ আবারও গভীর মহাকাশযাত্রার নতুন মাইলফলক স্পর্শ করবে।
সংস্থাটি আরও সতর্ক করে জানিয়েছে যে, যদি আগামী মার্চ মাসের নির্ধারিত তারিখেও উৎক্ষেপণ সম্ভব না হয়, তবে রকেটটিকে পুনরায় মেরামতের জন্য কারখানায় ফিরিয়ে নিতে হতে পারে। এতে মিশনের খরচ ও সময় উভয়ই বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত প্রকৌশলীরা পরীক্ষার সময় পাওয়া তথ্যগুলো নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করছেন এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ১৯শে ডিসেম্বর ১৯৭২ সালের পর থেকে মানুষ এখন পর্যন্ত চাঁদের এত কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ পায়নি, যা এই মিশনকে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক অভিযানে পরিণত করেছে।
অজানা মহাবিশ্বের সন্ধানে এআই: হাবল আর্কাইভে মিলল শত শত নতুন গ্যালাক্সি
মানুষের সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে আড়াই দিনের এক অভাবনীয় কর্মযজ্ঞে মহাবিশ্বের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপের দীর্ঘ ৩৫ বছরের সংগ্রহে থাকা প্রায় ১০ কোটি ছবি বিশ্লেষণ করে এআই ১ হাজার ৩০০–এর বেশি বিরল মহাজাগতিক বস্তু শনাক্ত করেছে। বিস্ময়কর বিষয় হলো, মানুষের পক্ষে এই বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ করতে বছরের পর বছর সময় লেগে যেত, যা এআই সম্পন্ন করেছে মাত্র ৬০ ঘণ্টায়। সোমবার ‘অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’ সাময়িকীতে এই যুগান্তকারী গবেষণার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার গবেষক ডেভিড ও’রায়ান ও পাবলো গোমেজ এই অসাধ্য সাধনের জন্য ‘অ্যানোমালিম্যাচ’ নামে একটি বিশেষ নিউরাল নেটওয়ার্ক তৈরি করেন। মানুষের মস্তিষ্কের কার্যপদ্ধতি অনুসরণ করে তৈরি এই এআই ব্যবস্থাটি হাবল লেগেসি আর্কাইভে প্রথমবারের মতো প্রয়োগ করা হয়। হাবল টেলিস্কোপের গত সাড়ে তিন দশকের তথ্য একসঙ্গে বিশ্লেষণ করে অস্বাভাবিক বা বিরল মহাজাগতিক বস্তু খোঁজার এটিই প্রথম কোনো বৃহৎ উদ্যোগ।
গবেষণায় দেখা গেছে, এআই শনাক্ত করা বস্তুগুলোর প্রায় ৬৫ শতাংশেরই আগে কোনো বৈজ্ঞানিক রেফারেন্স বা নথিপত্র নেই। অর্থাৎ এগুলো জ্যোতির্বিজ্ঞানের জন্য সম্পূর্ণ নতুন আবিষ্কার। চিহ্নিত বস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৩৮টি সম্ভাব্য গ্র্যাভিটেশনাল লেন্স, ৪১৭টি নতুন গ্যালাক্সি সংযুক্তির বিরল দৃশ্য, ১৮টি জেলিফিশ গ্যালাক্সি এবং দুটি সংঘর্ষজনিত রিং গ্যালাক্সি। এ ছাড়াও কিছু প্রোটোপ্ল্যানেটারি ডিস্ক বা নতুন গ্রহ তৈরির কক্ষপথ ধরা পড়েছে, যেগুলো দেখতে হ্যামবার্গার বা প্রজাপতির মতো অদ্ভুত আকৃতির।
গবেষকদের মতে, বিপুল পরিমাণ তথ্যের চাপ সামলাতে এআই এখন জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠছে। ভবিষ্যতে জেমস ওয়েব বা তার চেয়েও শক্তিশালী টেলিস্কোপগুলো যখন আরও জটিল ও বিপুল তথ্য পাঠাতে শুরু করবে, তখন এই ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি অজানা মহাবিশ্ব উন্মোচনে মুখ্য ভূমিকা রাখবে। মহাকাশ বিজ্ঞানে প্রযুক্তির এই জয়গান নতুন এক গাণিতিক ও দৃশ্যমান বিপ্লবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
অজানা মহাবিশ্বের সন্ধানে এআই: হাবল আর্কাইভে মিলল শত শত নতুন গ্যালাক্সি
মানুষের সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে আড়াই দিনের এক অভাবনীয় কর্মযজ্ঞে মহাবিশ্বের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপের দীর্ঘ ৩৫ বছরের সংগ্রহে থাকা প্রায় ১০ কোটি ছবি বিশ্লেষণ করে এআই ১ হাজার ৩০০–এর বেশি বিরল মহাজাগতিক বস্তু শনাক্ত করেছে। বিস্ময়কর বিষয় হলো, মানুষের পক্ষে এই বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ করতে বছরের পর বছর সময় লেগে যেত, যা এআই সম্পন্ন করেছে মাত্র ৬০ ঘণ্টায়। সোমবার ‘অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’ সাময়িকীতে এই যুগান্তকারী গবেষণার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার গবেষক ডেভিড ও’রায়ান ও পাবলো গোমেজ এই অসাধ্য সাধনের জন্য ‘অ্যানোমালিম্যাচ’ নামে একটি বিশেষ নিউরাল নেটওয়ার্ক তৈরি করেন। মানুষের মস্তিষ্কের কার্যপদ্ধতি অনুসরণ করে তৈরি এই এআই ব্যবস্থাটি হাবল লেগেসি আর্কাইভে প্রথমবারের মতো প্রয়োগ করা হয়। হাবল টেলিস্কোপের গত সাড়ে তিন দশকের তথ্য একসঙ্গে বিশ্লেষণ করে অস্বাভাবিক বা বিরল মহাজাগতিক বস্তু খোঁজার এটিই প্রথম কোনো বৃহৎ উদ্যোগ।
গবেষণায় দেখা গেছে, এআই শনাক্ত করা বস্তুগুলোর প্রায় ৬৫ শতাংশেরই আগে কোনো বৈজ্ঞানিক রেফারেন্স বা নথিপত্র নেই। অর্থাৎ এগুলো জ্যোতির্বিজ্ঞানের জন্য সম্পূর্ণ নতুন আবিষ্কার। চিহ্নিত বস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৩৮টি সম্ভাব্য গ্র্যাভিটেশনাল লেন্স, ৪১৭টি নতুন গ্যালাক্সি সংযুক্তির বিরল দৃশ্য, ১৮টি জেলিফিশ গ্যালাক্সি এবং দুটি সংঘর্ষজনিত রিং গ্যালাক্সি। এ ছাড়াও কিছু প্রোটোপ্ল্যানেটারি ডিস্ক বা নতুন গ্রহ তৈরির কক্ষপথ ধরা পড়েছে, যেগুলো দেখতে হ্যামবার্গার বা প্রজাপতির মতো অদ্ভুত আকৃতির।
গবেষকদের মতে, বিপুল পরিমাণ তথ্যের চাপ সামলাতে এআই এখন জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠছে। ভবিষ্যতে জেমস ওয়েব বা তার চেয়েও শক্তিশালী টেলিস্কোপগুলো যখন আরও জটিল ও বিপুল তথ্য পাঠাতে শুরু করবে, তখন এই ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি অজানা মহাবিশ্ব উন্মোচনে মুখ্য ভূমিকা রাখবে। মহাকাশ বিজ্ঞানে প্রযুক্তির এই জয়গান নতুন এক গাণিতিক ও দৃশ্যমান বিপ্লবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিটিআরসির নতুন বার্তা: পুরোনো মোবাইল ফোন বিক্রির আগে সাবধান!
পুরোনো বা ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কঠোর নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এখন থেকে যেকোনো সচল মোবাইল সেট অন্য কারো কাছে হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অবশ্যই সেটির নিবন্ধন বাতিল (ডি-রেজিস্ট্রেশন) করতে হবে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নিবন্ধন বাতিলের আবশ্যকতা বিটিআরসি জানিয়েছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে দেশে ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)’ সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়েছে। এই সিস্টেমের আওতায় সচল থাকা সব মোবাইল ফোন বর্তমানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে আছে। এখন থেকে সিমকার্ড পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে অথবা ফোনটি অন্য কারও ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর কিংবা বিক্রয়ের আগে হ্যান্ডসেটটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থেকে অবমুক্ত বা ডি-রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক।
যেভাবে করতে হবে ডি-রেজিস্ট্রেশন মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিলের জন্য ব্যবহারকারীর বেশ কিছু তথ্যের প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে সিম ক্রয়ের সময় ব্যবহৃত নথিপত্র হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত পদ্ধতি জানতে বিটিআরসির ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বিটিআরসির কল সেন্টার ১০০ নম্বরে ফোন করে অথবা মোবাইল অপারেটরদের কাস্টমার কেয়ার থেকেও সহায়তা পাওয়া যাবে।
নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ অবৈধ ও চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে এবং মোবাইল ফোন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এনইআইআর সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। বিটিআরসি আশা করছে, এই সিস্টেমের মাধ্যমে সিমের সাথে নির্দিষ্ট হ্যান্ডসেট ট্যাগ করা থাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। ফোন হস্তান্তরের সময় সঠিক নিয়ম মেনে ডি-রেজিস্ট্রেশন না করলে পরবর্তীতে ওই ফোন দিয়ে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে মূল নিবন্ধিত ব্যক্তি আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন।
পাঠকের মতামত:
- এক সপ্তাহে বড় লাফ! রিজার্ভে নতুন চমক দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
- আকাশে আসছে নতুন অতিথি: দেখা মিলবে ধূমকেতু ভিয়ারজোসের
- স্বনির্ভর বাংলাদেশের লক্ষ্যে বিটিভিতে তারেক রহমানের বিশেষ ভাষণ
- ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ লড়াই? লাহোরে আইসিসি ও বিসিবির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- বাইরে থেকে কেউ দেশ গড়ে দেবে না, দায়িত্ব আমাদেরই: তারেক রহমান
- এপস্টেইন মারা যাননি, তিনি বেঁচে আছেন: সাবেক প্রেমিকার চাঞ্চল্যকর দাবি!
- দাঁড়িপাল্লার প্রচারণায় নেমে সাইবার বুলিংয়ের শিকার ডা. মিতু
- ক্ষমতায় গেলে প্রথম দিনেই সংস্কার শুরু হবে: ডা. শফিকুর রহমান
- শেখ হাসিনার আসনে ধানের শীষ বনাম ঘোড়া: লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে
- স্কুলে রমজানের ছুটি নিয়ে সুখবর! মন্ত্রণালয়কে মাউশির চিঠি
- হারের ভয়ে ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছে একটি পক্ষ: শফিকুর রহমান
- আজই শেষ ব্রিফিং হতে পারে: শফিকুল আলম
- নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ইসি: সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ সুখবর
- ধর্মের নামে ভোট চাওয়া ইমান নষ্ট করার শামিল: মির্জা ফখরুল
- নিশ্চিন্তে চলাফেরার গ্যারান্টি দেবে বিএনপি: তারেক রহমান
- ৯ ফেব্রুয়ারি আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- ৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে আজ শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- নির্বাচন ও গণভোট: ফল প্রকাশের দিন জানাল নির্বাচন কমিশন
- রেকর্ড ভেঙে চূড়ায় রেমিট্যান্স: স্বস্তিতে দেশের অর্থনীতি
- গুঞ্জন না কি সত্যি? হানিয়া আমিরের বিয়ের খবর নিয়ে উত্তাল ভক্তকুল
- আজকের মুদ্রার রেট; ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর আপডেট একনজরে
- জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফল কবে? দিনক্ষণ জানালেন ইসি আনোয়ারুল সরকার
- ৬১৫০ কোটি টাকার ক্ষতি এড়াতে আইসিসির নতিস্বীকার! বড় জয় পেল বিসিবি
- মাথাব্যথা মানেই কি ব্রেন টিউমার? জেনে নিন লক্ষণ চেনার বৈজ্ঞানিক উপায়
- ট্রাম্পকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি কুখ্যাত এপস্টেইনের; ফাঁস হলো গোপন নথি
- প্রচারণার শেষলগ্নে মাঠে ডা. শফিকুর রহমান: আজ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বিশাল জনসভা
- ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ! ৪০০ গজের মধ্যে ফোন নিলেই ব্যবস্থা: ইসি
- আজ রাজধানীর ৮ স্থানে ভাষণ দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান
- স্বর্ণের বাজারে বড় দরপতন: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন দাম
- সোমবার ঢাকার কোন কোন মার্কেট বন্ধ? জেনে নিন বের হওয়ার আগেই
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী? বের হওয়ার আগে দেখে নিন কর্মসূচির তালিকা
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত
- পারিবারিক প্রচারণায় পাল্টে যাচ্ছে ভোটের চিত্র: কৌতূহলী ও আশাবাদী নারী ভোটাররা
- উত্তপ্ত চট্টগ্রাম বন্দর এলাকা: গ্রেপ্তার আতঙ্কে আত্মগোপনে শ্রমিক নেতারা
- আকাশে দেখা যাবে দ্বিতীয় শুক্র! চাঁদের বুকে গ্রহাণুর আঘাত নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
- ৩৬ বছর পর জাপানে শীতকালীন ভোট: বিরূপ আবহাওয়ায় তাকাইচির ওপর ভরসা জাপানিদের
- নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন অসম্ভব: ডা. জুবাইদা রহমান
- বিটিভিতে নাহিদ ইসলামের ভাষণ: ইনসাফভিত্তিক নতুন রাষ্ট্র গড়ার মেগা প্ল্যান
- ৯৬ ঘণ্টার জন্য বদলে গেল মোবাইল ব্যাংকিংয়ের নিয়ম: জেনে নিন বিস্তারিত
- দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ইসলামী আন্দোলনের ৩০ দফা: বিটিভিতে বিশেষ ভাষণ
- ২৪ কোটি ডলারের মেগা চুক্তি! চীনের সহায়তায় সমৃদ্ধ হচ্ছে বাংলাদেশের নৌবহর
- কালিগঞ্জে ধানের শীষের জনসমুদ্র: সাতক্ষীরা-৩ আসনে কাজী আলাউদ্দীনের হুঙ্কার
- কুমিল্লা-৭ রেদোয়ান-শাওনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস
- চাঁদ দেখা নিয়ে কাটছে ধোঁয়াশা; ২০২৬-এর ঈদ কি হবে বিশ্বজুড়ে একদিনে?
- অন্তর্বর্তী সরকারের দম ফুরিয়ে গেছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
- ভোট দিলেই জান্নাত? ধর্মের এমন অপব্যবহার দুঃখজনক: সালাহউদ্দিন আহমদ
- নারী নেতৃত্বের পাইপলাইন তৈরি করতে হবে: জাইমা রহমা
- শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড: জাতিসংঘের তদন্ত সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
- স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, ভরি মিলবে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকাতে
- বাজুসের নতুন রেকর্ড: ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দফায় বাড়ল স্বর্ণের দাম
- আবেগ নয়, অর্থনৈতিক বাস্তবতা: জামায়াতের নারী শ্রমনীতি কেন আত্মঘাতী
- স্বর্ণের দামে বড় ধস: আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন মূল্য তালিকা
- আইনের রক্ষক পুলিশ কেন ভয়ের প্রতীকে পরিণত হয়?
- কুখ্যাত জেফ্রি অ্যাপস্টেইন ফাইলে শেখ হাসিনা ও বিএনপি নেতার নাম
- ১৭ মিনিটের ব্যবধানে দুই দফা ভূমিকম্প: বড় কোনো বিপদের সংকেত দিচ্ছে প্রকৃতি?
- স্বর্ণের বাজারে বড় দরপতন: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন দাম
- পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে কে এগিয়ে? সোচ্চারের জরিপে চমক!
- কালিগঞ্জে ধানের শীষের জনসমুদ্র: সাতক্ষীরা-৩ আসনে কাজী আলাউদ্দীনের হুঙ্কার
- আজ টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- ৮ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- শীত নিয়ে বদলাচ্ছে পূর্বাভাস, জেনে নিন বিস্তারিত
- আজকের টাকার রেট: জেনে নিন বিদেশি মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার
- ডিএসইতে আজকার বাজারচিত্র এক নজরে








