স্কুলে রমজানের ছুটি নিয়ে সুখবর! মন্ত্রণালয়কে মাউশির চিঠি

পবিত্র রমজান মাসে মাদরাসাগুলোতে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ছুটি শুরু হতে চললেও স্কুলগুলো ১৫ রমজান পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্তে শিক্ষকদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্কুলগুলোতে রমজানের ছুটি সমন্বয় করার দাবিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) আবেদন জানিয়েছেন শিক্ষকদের একটি অংশ। মাউশি সূত্র জানিয়েছে যে শিক্ষকদের এই আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত বা সুখবর আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
গতকাল রোববার ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তিনি জানান যে রমজানের ছুটি সমন্বয় বা স্কুল বন্ধ রাখার ব্যাপারে ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। মাউশি মূলত শিক্ষকদের কাছ থেকে পাওয়া আবেদনটি ডি-নথির মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে ফরোয়ার্ড করে দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ওই কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন যে যেহেতু মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা রোজা রাখে এবং নামাজ পড়ে, তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বিশেষ করে রোজা রেখে ক্লাস নেওয়া এবং দীর্ঘ সময় পর তারাবির নামাজ আদায় করা শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ের জন্যই বেশ কষ্টকর। মাউশি আশা প্রকাশ করছে যে এই আবেদনটি কার্যকর হতে পারে, কারণ অতীতে সাধারণত রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার রেওয়াজই ছিল। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি এখন মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করছে।
জানা গেছে যে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের পক্ষ থেকে এই আবেদনটি করা হয়েছে। জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এই আবেদনের নেতৃত্ব দেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে গত ২৮ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বার্ষিক ছুটির তালিকায় ৫ মার্চ পর্যন্ত অর্থাৎ প্রায় ১৫ রমজান পর্যন্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আবেদনে শিক্ষকরা দাবি করেছেন যে তীব্র গরমের মধ্যে রোজা রেখে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ের জন্যই দুঃসাধ্য। বিশেষ করে সারাদিন রোজা পালনের পর সন্ধ্যায় দীর্ঘ সময় ধরে তারাবির নামাজ আদায় করা শারীরিকভাবে অত্যন্ত ক্লান্তিকর হয়ে পড়ে। এছাড়াও আবেদনে মার্চ, মে ও ডিসেম্বর মাসের মোট আট দিনের সাপ্তাহিক ছুটিকে বার্ষিক ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে, যা শিক্ষকদের মাঝে অসন্তোষ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
শিক্ষার্থীদের রিডিং পড়াতে ব্যর্থ হলে বেতন মিলবে না শিক্ষকদের
দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে নজিরবিহীন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। আগামী জুলাই মাসের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি সাবলীলভাবে পড়ার দক্ষতা এবং গণিতের মৌলিক চার নিয়ম (যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ) নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
গত ২৭ এপ্রিল ও ৫ মে দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে অনুষ্ঠিত দুটি পৃথক ভার্চুয়াল বৈঠকে এই কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন। সচিবের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী জুন মাসের মধ্যে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গণিতের চার নিয়ম এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে ৯০ শতাংশ দক্ষতা অর্জন করতে হবে। পরবর্তী এক মাস অর্থাৎ জুলাইয়ের মধ্যে এই দক্ষতার হার ১০০ শতাংশে উন্নীত করা বাধ্যতামূলক।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে নিজ নিজ এলাকার প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন বাংলা ও ইংরেজি বইয়ের অন্তত ৫ পৃষ্ঠা উচ্চস্বরে শব্দ করে পড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং তা আগামী ১০ মের মধ্যে ছক আকারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন জানান, বর্তমান সরকারের শিক্ষার লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের বুনিয়াদি শিক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। বাংলা ও ইংরেজি রিডিং পড়তে না পারা বা সাধারণ গণিত না জানা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোফাজ্জল হোসেন চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সচিব স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী সব জেলাতেই এই কঠোর বার্তা কার্যকর করা হচ্ছে। শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতেই বেতন বন্ধের মতো কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
/আশিক
মাধ্যমিক শিক্ষায় এআই বিপ্লব! চীন সরকারের সহায়তায় স্কুলে স্কুল বসছে ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’
দেশের মাধ্যমিক শিক্ষাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে একটি মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের মাধ্যমে নির্বাচিত ১৫০টি সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়ে মোট ৩০০টি অত্যাধুনিক ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ স্থাপন করা হবে।
প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) ইতিমধ্যে সফলভাবে শেষ হয়েছে। চীন সরকারের আর্থিক অনুদানে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এই প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের কাজ আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জানিয়েছেন, এই ক্লাসরুমগুলোতে বিশ্বমানের সব আধুনিক সুবিধা থাকবে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি বিদ্যালয়ে দুটি করে ‘ইন্টারেক্টিভ এডুকেশন প্যানেল’ (IEP) সরবরাহ করা হবে।
বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে এই ক্লাসরুমগুলোতে থাকবে স্বয়ংক্রিয় রেকর্ডিং ব্যবস্থা। অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পাঠদান ভিডিও আকারে সংরক্ষিত হবে, যা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্তের শিক্ষার্থীরা দেখার সুযোগ পাবে। এমনকি শিক্ষার্থীরা কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করেই মুহূর্তের মধ্যে ক্লাসের নোট ও কোর্সওয়্যার সংগ্রহ করতে পারবে।
প্রকল্পের অধীনে কেবল ক্লাসরুম নয়, মাউশি প্রাঙ্গণে একটি অত্যাধুনিক ক্লাউড বেইজড ডাটা সেন্টার স্থাপন করা হবে। এই ডাটা সেন্টারটি সারা দেশের স্মার্ট শিক্ষাদান কার্যক্রমকে কেন্দ্রীয়ভাবে সংযুক্ত করবে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় ১০টি আধুনিক রেকর্ডিং স্টুডিও এবং ৩০টি সরকারি শিক্ষা দপ্তরের জন্য বিশেষ মিটিং রুম স্থাপন করা হবে।
ইতিমধ্যে ডাটা সেন্টারের জায়গা নির্ধারণের বিষয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলকে (বিসিসি) পত্র দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই প্রকল্পের কাজ পূর্ণগতিতে শুরু হবে।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রস্তাবিত ‘এক শ্রেণিকক্ষ, এক স্মার্ট বোর্ড এবং এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে অনাপত্তি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে বগুড়া ও চাঁদপুরের দুটি বিদ্যালয়ে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এআই ও ক্লাউড প্রযুক্তির এই সংযোজন শিক্ষার্থীদের মুখস্থ নির্ভর শিক্ষার বদলে বিশ্লেষণধর্মী ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান আহরণে উৎসাহিত করবে। ডিজিটাল বিভাজন কমিয়ে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে এই প্রকল্প ‘আগামী বাংলাদেশ’ গড়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।
তথ্যসূত্র : বাসস
সারাদেশে এসএসসি’র ডামাডোল! শিক্ষা বোর্ডগুলোর কড়া নজরদারিতে পরীক্ষা শুরু
দেশজুড়ে আজ থেকে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এই মেগা পাবলিক পরীক্ষা শুরু হয়। এবারের পরীক্ষায় সারাদেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০ মে পর্যন্ত মূল পরীক্ষা চলবে এবং এরপর ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে প্রথমে ৩০ মিনিটের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের সৃজনশীল বা রচনামূলক পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বাদে সব বিষয়েই এই কাঠামো অনুসরণ করা হচ্ছে এবং দুই অংশের মাঝে কোনো বিরতি নেই।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবারের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। গত বছরের তুলনায় এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন কমেছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজারের বেশি, মাদ্রাসা বোর্ডে ৩ লাখের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এ বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
/আশিক
পরীক্ষার হলে এই ২০টি কাজ করলেই বহিষ্কার! এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য কড়া হুঁশিয়ারি
আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন কড়াকড়ি আরোপ করেছে শিক্ষা বোর্ড। প্রশ্ন ফাঁস রোধ, ডিজিটাল জালিয়াতি বন্ধ এবং নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতে এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ২০ ধরনের অপরাধের জন্য তিন স্তরের শাস্তির বিধানসহ পরীক্ষার আসন বিন্যাস ও সময়সূচিতেও আনা হয়েছে আমূল পরিবর্তন।
শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এবার সৃজনশীল (সিকিউ) ও বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না। ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৩০ নম্বরের এমসিকিউ-এর জন্য ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীলের জন্য ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় পাবেন শিক্ষার্থীরা।
নকল রোধে ৫-৬ ফুটের বেঞ্চে সর্বোচ্চ ২ জন এবং ৪ ফুটের বেঞ্চে মাত্র ১ জন পরীক্ষার্থী বসার নিয়ম করা হয়েছে। এছাড়া, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নিজস্ব কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পারবে না এবং একই স্কুলের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বসার সুযোগ থাকছে না।
সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে অপরাধের শাস্তির ক্ষেত্রে। ক্যালকুলেটরে তথ্য লুকানো বা মোবাইল রাখলে ওই বছরের পরীক্ষা বাতিল হবে। উত্তরপত্র পাচার বা শিক্ষককে হুমকি দিলে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হবে।
আর যদি কেউ অন্যের হয়ে পরীক্ষা দেয় (প্রক্সি) বা শারীরিক আক্রমণ ও অস্ত্র প্রদর্শন করে, তবে তাকে সরাসরি ২ বছরের জন্য বহিষ্কারসহ নিয়মিত ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হতে হবে। ডিজিটাল জালিয়াতি রুখতে মাঠে থাকছে বিশেষ ‘ভিজিল্যান্স টিম’, যারা যেকোনো সময় কেন্দ্রে ঝটিকা অভিযান চালানোর পূর্ণ ক্ষমতা রাখে।
/আশিক
এসএসসিতে ভয়ংকর সাইলেন্ট এক্সপেল: বুঝতেই পারবে না খাতা বাতিল!
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের পরীক্ষা পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ‘পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা-২০২৬’ প্রকাশ করেছে শিক্ষা বোর্ড, যেখানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা নীরবে বহিষ্কারের কঠোর বিধান। এই নতুন নিয়মের মূল লক্ষ্য হলো পরীক্ষার হলে সরাসরি নকল না করলেও যারা অন্যের উত্তর দেখে লেখে বা বারবার শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তাদের শাস্তির আওতায় আনা।
সাইলেন্ট এক্সপেল বা নীরব বহিষ্কার পদ্ধতিটি হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে কোনো পরীক্ষার্থী হলের নিয়ম ভাঙলে (যেমন: কথা বলা, এদিক-ওদিক তাকানো বা অন্যের খাতা দেখা) দায়িত্বরত পরিদর্শক তাকে তাৎক্ষণিকভাবে হল থেকে বের করে দেবেন না। ফলে পরীক্ষার্থী বুঝতেও পারবেন না যে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে বিধি অনুযায়ী, ওই পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ না ছিঁড়ে পরিদর্শকের প্রতিবেদনসহ সেটি আলাদা লাল কালিতে ‘রিপোর্টেড’ লিখে বোর্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে বোর্ড ওই পরীক্ষার্থীর খাতা বাতিল বলে গণ্য করবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থী একবার নীরব বহিষ্কৃত হলে তাকে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে সে কোনো অনিয়ম না করলেও তার প্রতিটি খাতা একই পদ্ধতিতে ‘রিপোর্টেড’ হিসেবে আলাদা প্যাকেটে বোর্ডে পাঠাতে হবে। প্রতিটি খাতার সাথে কেন তাকে নীরব বহিষ্কার করা হয়েছিল, তার সুস্পষ্ট কারণ সম্বলিত প্রতিবেদন থাকতে হবে। মূলত হলের পরিবেশ শান্ত রাখতে এবং অবাধ্য পরীক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতেই এই বিশেষ কৌশল গ্রহণ করেছে শিক্ষা বোর্ড।
/আশিক
বৃত্তি পরীক্ষা আগামীকাল: খুদে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি ‘লাইফ সেভিং’ টিপস
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছে খুদে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার ভয় কাটিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা।
প্রথমত, শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়ো এড়াতে আজ বিকেলের মধ্যেই প্রবেশপত্র, কলম, পেনসিল ও প্রয়োজনীয় জ্যামিতি বক্স একটি স্বচ্ছ ব্যাগে গুছিয়ে রাখা উচিত।
দ্বিতীয়ত, পরীক্ষার আগের রাতে অধিক পড়াশোনার চেয়ে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেওয়া জরুরি, তাই দ্রুত ঘুমিয়ে পড়লে পরীক্ষার হলে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।
তৃতীয়ত, যানজট কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে পরীক্ষা শুরুর অন্তত আধা ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে।
চতুর্থত, ওএমআর (OMR) ফরমে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর বৃত্ত ভরাট করার সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং কোনো ভুল হলে বিচলিত না হয়ে তাৎক্ষণিক দায়িত্বরত পরিদর্শককে জানাতে হবে।
পঞ্চমত, হাতে প্রশ্ন পাওয়ার পর অন্তত ৫ মিনিট মনোযোগ দিয়ে পুরোটা পড়ে নিলে উত্তরের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সহজ হয়।
ষষ্ঠত, যেসব প্রশ্নের উত্তর সবচেয়ে ভালো জানা আছে সেগুলো আগে লিখলে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তী কঠিন প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
সপ্তমত, প্রতিটি প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট সময় ভাগ করে নিতে হবে কারণ কোনো একটি কঠিন প্রশ্নে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে অন্য প্রশ্নের সুযোগ নষ্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
অষ্টমত, স্পষ্ট হাতের লেখা ও পরিচ্ছন্ন উত্তরপত্র পরীক্ষকের ইতিবাচক নজরে আসতে সাহায্য করে, তাই অপ্রয়োজনীয় কাটাকাটি বা ঘষামাজা বর্জন করা উচিত।
নবমত, কোনো প্রশ্নই পুরোপুরি ছেড়ে আসা উচিত নয় বরং পাসের জন্য ন্যূনতম নম্বর নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রশ্নের সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক উত্তর লিখে আসা জরুরি।
সবশেষে, পরীক্ষা শেষ হওয়ার অন্তত ১০ মিনিট আগে লেখা সম্পন্ন করে পুরো উত্তরপত্রটি পুনরায় যাচাই বা রিভিশন করে নিতে হবে যাতে রোল নম্বর ও ছোটখাটো বানান ভুলগুলো সংশোধন করে নেওয়া যায়।
/আশিক
শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সময়সূচি ঘোষণা
দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার, যেখানে সপ্তাহে ছয়দিন ক্লাস পরিচালনার নতুন কাঠামো ঘোষণা করা হয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থায় অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার সমন্বয়ে একটি হাইব্রিড মডেল চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের শেখার ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই নতুন সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
মন্ত্রী জানান, সপ্তাহের মোট ছয়দিন ক্লাস চলবে, যার মধ্যে তিনদিন শিক্ষার্থীদের সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে এবং বাকি তিনদিন অনলাইনের মাধ্যমে পাঠদান সম্পন্ন হবে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, শনিবার, সোমবার ও বুধবার সশরীরে ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইন ক্লাস পরিচালিত হবে।
এই নতুন কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, অনলাইন ক্লাস পরিচালনার সময়ও শিক্ষকরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পাঠদান করবেন। অর্থাৎ, শিক্ষকদের জন্য প্রতিষ্ঠানভিত্তিক উপস্থিতি বাধ্যতামূলক থাকছে, যদিও শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ করবে।
সরকারের এই উদ্যোগের পেছনে মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসার ঘটানো এবং একই সঙ্গে সরাসরি শিক্ষার কার্যকারিতা বজায় রাখা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হাইব্রিড পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষের সামাজিক ও পারস্পরিক শেখার পরিবেশও অক্ষুণ্ণ রাখবে।
তবে নতুন এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধার সীমাবদ্ধতা, ডিভাইসের প্রাপ্যতা এবং শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করা একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে।
-রাফসান
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র নিয়ে ঢাকা বোর্ডের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের বিষয়ে বিশেষ জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক আদেশে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৭ দিন আগেই সব পরীক্ষার্থীর হাতে প্রবেশপত্র পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ইতোমধ্যে বোর্ড থেকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের (প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ) তাঁদের নিজ নিজ কেন্দ্র সচিবের কাছ থেকে দ্রুত প্রবেশপত্র সংগ্রহ করার জন্য বলা হয়েছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এই আদেশে আরও উল্লেখ করা হয় যে, বিতরণ প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের সম্ভাব্য জটিলতা তৈরি না হয়, সেজন্য পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রবেশপত্র দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবে বিবেচনা করার জন্য দেশের সব মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে।
সঠিক সময়ে প্রবেশপত্র সংগ্রহ ও বিতরণে কোনো অবহেলা হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই বোর্ড এই ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
/আশিক
সশরীরে নাকি ভার্চুয়াল? জ্বালানি সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মোড়
জ্বালানি সংকটের এই কঠিন সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে এক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সকল মহানগরের স্কুল ও কলেজগুলোতে এখন থেকে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।
সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সপ্তাহে মোট ছয় দিনই সচল থাকবে। তবে এর মধ্যে তিন দিন শিক্ষার্থীরা সরাসরি সশরীরে (অফলাইন) ক্লাসে উপস্থিত হবে এবং বাকি তিন দিন নিজ নিজ বাসা থেকে অনলাইনে ক্লাসে অংশ নেবে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষকরা প্রতিদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে ক্লাস পরিচালনা করবেন। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ক্ষেত্রে জোড় ও বিজোড় রোল নম্বর বা দিন ভাগ করে এই অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বয় করা হবে।
জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম এবং বৈশ্বিক সংকটের কারণে পরিবহন খরচ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। যদিও শিক্ষামন্ত্রী এর আগে জানিয়েছিলেন যে, ৫৫ শতাংশ মানুষ অনলাইন ক্লাসের পক্ষে মত দিয়েছেন, তবে শিক্ষার্থীদের সামাজিকীকরণ বজায় রাখতে পুরোপুরি অনলাইনে না গিয়ে এই ‘হাইব্রিড’ বা সমন্বিত মডেলটি বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে উত্তাল তেল আবিব
- পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী
- বিশ্বজুড়ে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
- বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে লঘুচাপ: প্রভাব পড়বে সারা দেশের আবহাওয়ায়
- আইসিসি-তে জোট বাঁধছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান: ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর
- মধ্যপ্রাচ্যে কি তবে শান্তির সুবাতাস? ওয়াশিংটনে বার্তা পাঠাল ইরান
- হামে আরও ১১ শিশুর মৃ'ত্যু: ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে প্রাদুর্ভাব
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন
- শিকড় ভুলে যাওয়ার দিন নয় আজ: অস্তিত্বের টানে ফিরে আসুক ভালোবাসা
- ইরানি সামরিক কমান্ডারের সঙ্গে মোজতবা খামেনির বৈঠক: এল নতুন নির্দেশনা
- জনগণের একটি টাকাও স্পর্শ করব না: থালাপতি বিজয়
- যেখানে পাবে সোজা গুলি করবে: শেখ হাসিনার নির্দেশনার প্রমাণ পেল ট্রাইব্যুনাল
- আজ রাতেই দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এনসিপি মুখপাত্র
- পুলিশিং কার্যক্রম গতিশীল করতে একগুচ্ছ নতুন সুযোগ-সুবিধার ঘোষণা
- ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
- ১০ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১০ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১০ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- সোনার বাজারে নতুন উল্লম্ফন
- নীরব ঘাতক কিডনি রোগ: যেসব লক্ষণ অবহেলা করলে পস্তাতে হতে পারে
- অর্থনীতিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী
- প্রথম সেশনে দাপুটে বোলিংয়ে পাকিস্তানের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের
- পুলিশকে আর ফ্যাসিবাদীদের হাতিয়ার হতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ইউক্রেন যুদ্ধ শেষের দিকে: বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে পুতিনের বড় ঘোষণা
- কালিয়াকৈরে গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনি: তিনজনের মৃত্যু, পুড়ল পিকআপ
- তামিলনাড়ুতে ‘থালাপতি’ যুগের সূচনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়
- জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের মূল দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্কতা জারি
- স্বর্ণের দামে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি: আবারও ভরিতে বাড়ল বড় অঙ্কের টাকা
- জেনে নিন রাজধানীর আজকের উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির সূচি
- রোববার ঢাকার কোন কোন এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ? জেনে নিন তালিকা
- বৈশ্বিক পরমাণু রাজনীতিতে মোড়: ইরানের ইউরেনিয়াম নিজেদের ভূখণ্ডে নিতে চায় রাশিয়া
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ইতিহাসের বৃহত্তম বিশ্বকাপে বাংলাদেশি ছোঁয়া: দুই দেশের উদ্বোধনী মঞ্চে ডিজে সঞ্জয়
- আবারও ভেঙে গেল আবু ত্বহা আদনানের সংসার: ৪ মাসেই বিচ্ছেদ
- সীমান্তে ফের বিএসএফের গুলি: কসবায় দুই বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিল ভারত
- তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ঐতিহাসিক দিন: থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা
- দাউদকান্দিতে পুলিশের সফল অভিযান: ১৮ কেজি গাঁজাসহ ২ কারবারি গ্রেপ্তার
- গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দিনব্যাপী ফ্রি হেলথ ক্যাম্প
- কালিগঞ্জে ‘মব’ সৃষ্টি করে অধ্যাপিকার বাড়ি দখল ও উচ্ছেদের চেষ্টা
- গাজায় অলৌকিক ঘটনা: মৃত্যুসনদ হাতে পাওয়ার পর মিলল ছেলের জীবিত থাকার খবর
- স্বৈরাচারের অন্ধকারে আর ফিরবে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
- দেশের ৬ অঞ্চলে রাতের মধ্যে ঝড়ের পূর্বাভাস: ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- ধর্মীয় বৈষম্য ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে ভারত সরকারকে জামায়াত আমিরের কড়া বার্তা
- যুদ্ধ আর উত্তেজনার মাঝেও বিশ্বকাপে ইরান
- আহত হওয়ার পর রহস্যময় অবস্থানে খামেনি: কোথায় আছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা?
- মার্কিন বাধা উপেক্ষা করে চীনের সঙ্গে তেলের বাজার গড়ছে ইরান
- নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
- চট্টগ্রামে সফল দুই রত্নগর্ভা মাকে সম্মাননা জানাল সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশন
- কেন বাড়ছে সোনার দাম? রেকর্ড উচ্চতায় দাঁড়িয়ে দেশের জুয়েলারি বাজার
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- ৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- ৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ফজর থেকে এশা, আজকের পূর্ণ নামাজ সূচি
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
- প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: চরভদ্রাসনে খাল খনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন
- ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: ঢাকাসহ ৭ জেলায় ১ নম্বর সতর্কসংকেত








