দাম বাড়ার পরও প্রতি লিটার ডিজেলে ৭০ টাকা লোকসান গুণতে হবে: রিজভী

জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হলেও সরকারকে এখনো লিটারপ্রতি প্রায় ৭০ টাকা করে লোকসান গুনতে হবে বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রতি লিটার ডিজেল প্রায় ২০৫ টাকায় কিনতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, দাম বাড়ানোর আগে সরকারের লোকসান ছিল লিটারপ্রতি প্রায় ৯০ টাকা। বছরে দেশে প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে ডিজেলের পরিমাণ প্রায় ৪৫ লাখ টন। সাধারণ মানুষের ওপর এর চাপ বাড়ার কথা স্বীকার করলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালীর জটিল পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের বাধ্যবাধকতায় মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া সরকারের সামনে আপাতত কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে কম দামে জ্বালানি সরবরাহের উপায় নিয়ে বিরোধীদের সুনির্দিষ্ট বিকল্প প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানান রিজভী। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে গ্যাস ও জ্বালানি সংগ্রহ করে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলোকে পরিকল্পিত দাবি করে তিনি অভিযোগ করেন যে, নির্বাচিত সরকারের উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষামূলক কার্যক্রম থেকে জনগণের মনোযোগ সরাতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা তাদের সহযোগীরা এই নাশকতার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করে তাদের দ্রুত শনাক্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি। অপপ্রচার ও সহিংসতার প্রতিবাদে দলের অঙ্গ, সহযোগী ও পেশাজীবী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে মিছিল, সমাবেশ ও মানববন্ধনের মতো নানা কর্মসূচি পালন করার পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
/আশিক
পোশাক খাতের অস্থিরতা দমনে কঠোর পদক্ষেপ প্রশাসনের
পোশাক খাতের আন্দোলনে অর্থায়ন এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে ১২০ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। মন্ডল, এনভয় ও নিপা গ্রুপসহ সংশ্লিষ্ট এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টিতে ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রাজস্ব বোর্ডের সূত্র অনুযায়ী, ১২টি শিল্প গ্রুপের মালিকরা পোশাক খাতের এই আন্দোলনে অর্থায়ন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই তালিকার মধ্যে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও সিপাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা টিপু মুনশি, সাবেক সংসদ সদস্য ও এনভয় গ্রুপের এমডি সালাম মুর্শেদী, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও রেনেসাঁ গ্রুপের মালিক শাহরিয়ার আলম, সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু এবং সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম রয়েছেন।
এছাড়া অভিযুক্তদের তালিকায় আরও রয়েছেন তুসুকা গ্রুপের ফয়জুর রহমান বাদল, ওয়েল গ্রুপের আবদুস ছালাম, নিপা গ্রুপের খসরু চৌধুরী, অ্যাক্সিস নিটওয়্যারসের জাহিদ আহমেদ টুলু, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের একেএম মোশাররফ হোসেন ও গিভেন্সি গ্রুপের মাসুমা খাতুন লিপা। পাশাপাশি মিরপুর এলাকার আন্দোলনে অর্থ জোগানের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এস এম মান্নান কচি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর আলমের ব্যাংক হিসাবও তলব করা হয়েছে।
/আশিক
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিশ্বমানের করে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী
শিশুদের মেধা, সৃজনশীলতা ও বহুমুখী প্রতিভা বিকাশের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কেবল পড়ালেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি এবং বিদেশি ভাষা শিক্ষায় পারদর্শী হতে হবে। একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি উল্লেখ করেন, আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ এবং তারা প্রত্যেকেই একেকজন বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-২৭’ (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে তিনি এই প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং একই সঙ্গে অনলাইনে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় এর সূচনা করেন।
এবারের প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে ১০ থেকে মোট ১৬ লাখ ২৩ হাজারেরও বেশি শিশু-কিশোর অনলাইনে নিবন্ধন করেছে। ভলিবল ও টেবিল টেনিসসহ মোট ১০টি ক্রীড়া ইভেন্টে অংশ নিচ্ছে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সি প্রতিযোগীরা। আগামী বছরের জুন মাসে এর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে বিকেএসপির পরিবেশনা এবং চীনের শিক্ষার্থীদের ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স উপভোগের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে তিনি খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
শিশুদের তৃতীয় একটি বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরও কয়েকটি ভাষা থেকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দমতো একটি ভাষা বেছে নিতে পারবে। সরকার শিশুদের জন্য এমন একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে কাজ করছে, যেখানে তারা নির্বিঘ্নে নিজেদের প্রতিভা বিকশিত করতে পারে। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং জাতীয় সংসদের হুইপ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুলসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য এল নতুন ও জরুরি নির্দেশনা
ভারতীয় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ করতে নতুন একটি বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন। এখন থেকে যেকোনো ধরনের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরম্যাটের ‘Visa Undertaking Form’ বা ভিসা অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হাইকমিশনের ভিসা সংক্রান্ত পোর্টালে প্রকাশিত এক জরুরি অ্যাডভাইজরিতে এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীদের হাইকমিশনের নির্দিষ্ট লিংক থেকে ফরমটি ডাউনলোড করে তা সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। এরপর অনলাইন ভিসা আবেদন পোর্টালের সঙ্গে স্ক্যান করে সেই পূরণকৃত ফরম আপলোড করতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে, শুধু নির্ধারিত ফরম্যাটের ফরমটিই গ্রহণযোগ্য হবে; অন্য কোনো ফরম্যাটে জমা দিলে সেই আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।
এক পাতার এই অঙ্গীকারনামায় আবেদনকারীকে বেশ কিছু বিষয়ে তথ্য ও প্রতিশ্রুতি দিতে হয়। ফরমের শুরুতে নাম উল্লেখ করে ঘোষণা দিতে হবে যে, ভিসার আবেদনে উল্লেখিত উদ্দেশ্যেই কেবল ভারত সফর করা হবে এবং আবেদনকারী বর্তমানে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের অধিক্ষেত্রে বসবাস করছেন।
ফরমের প্রধান অংশগুলোতে যা যা পূরণ করতে হয়
ব্যক্তিগত তথ্য (Personal Details)
পাসপোর্ট অনুযায়ী নাম, পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয়তা, জন্মতারিখ এবং ঢাকার বর্তমান ঠিকানা।
ভ্রমণের উদ্দেশ্য (Purpose of Visit)
ট্যুরিজম, বিজনেস, মেডিকেল ট্রিটমেন্ট কিংবা কনফারেন্সের মতো ভ্রমণের সুনির্দিষ্ট কারণ।
অঙ্গীকারনামা
নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে নিজ দেশে ফিরে আসা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ভারতে অবস্থান না করা এবং দেশটির সব আইন ও সংস্কৃতি মেনে চলার প্রতিশ্রুতি। কোনো আইন লঙ্ঘিত হলে ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা হারাতে হবে বলেও এতে সতর্ক করা হয়েছে।
সর্বশেষে আবেদনকারীকে নিজের স্বাক্ষর, স্থান ও তারিখ উল্লেখ করে ফরমটি সম্পন্ন করতে হবে। তবে আবেদনকারী অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে ফরমটিতে বাবা-মা উভয়কেই স্বাক্ষর করতে হবে। ভিসা প্রত্যাশীদের দ্রুত ও সঠিকভাবে এই নিয়ম মেনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে হাইকমিশন।
/আশিক
সীমান্তের ওপার থেকে দেশের বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্র চলছে: প্রধানমন্ত্রী
গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া চক্রটি সীমান্তের ওপার থেকে কলকাঠি নেড়ে দেশের শিল্প খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবির আড়ালে একটি মহল গার্মেন্টেসের যন্ত্রপাতি ভাঙচুর ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংসের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়ে ওঠা এই গার্মেন্টস শিল্পে লাখ লাখ মানুষ কাজ করেন উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট জানান, সরকার কোনো অবস্থাতেই এই শিল্প ধ্বংস হতে দেবে না।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের কাটাখালী মোড়ে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শ্রমিকদের মজুরি প্রসঙ্গে তারেক রহমান জানান, তাদের দাবির বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে এবং এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ড তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে এবং আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই নতুন নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করা হবে, যাতে শ্রমিকরা ভালো থাকতে পারেন। বিগত ১৫-১৬ বছরে দেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া এবং সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করার জন্য ওই মহলটিকে দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির নেতা জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই পথসভায় রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাব সাইবার সুরক্ষা আইনে
সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষা এবং হয়রানি রোধে সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব আনা হয়েছে। এর মধ্যে সংবাদ প্রকাশের জেরে কোনো সাংবাদিক বা গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে গ্রেপ্তারের আগে আদালতের পূর্বানুমতি নেওয়ার বিধান রাখার বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্য হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির এক সভায় এই খসড়াটি পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম সভায় সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। খসড়া আইনটি যেন স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে কোনোভাবেই হয়রানির হাতিয়ার না হয়, সে বিষয়ে সভায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় আলোচনার ভিত্তিতে খসড়ায় বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সংশোধনী ও প্রস্তাব উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে মানহানি ও দণ্ডবিধির মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান, গুজব ও অপতথ্যের সংজ্ঞা আরও স্পষ্ট করা, মোবাইল কোর্টের বিধান বাদ দেওয়া এবং কনটেন্ট ব্লক করার ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করা। পাশাপাশি কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে লিখিত নোটিশ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রাখা এবং কনটেন্ট অবমুক্তির আবেদন নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ধারণের প্রস্তাবও করা হয়েছে। অংশীজনদের মতামত নিয়ে খসড়াটি পুনরায় পরিমার্জন করে ওয়েবসাইটে প্রকাশের মাধ্যমে জনসাধারণের মতামত নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হবে।
/আশিক
সবুজ জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ঢাকা ও বেইজিংয়ের
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির বা সিপিসির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। বুধবার (৪ নভেম্বর) বঙ্গভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার উল্লেখ করে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষর এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বা সিইআইজেড-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগগুলো বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থা, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। কুনমিং ও চট্টগ্রামকে সংযুক্ত করার প্রস্তাবিত করিডোর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোরসহ বহুমাত্রিক যোগাযোগব্যবস্থা সম্প্রসারণে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান এবং সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে সহায়ক খাতগুলোতে চীনের বিনিয়োগ দুই দেশের জন্যই অত্যন্ত লাভজনক হবে। চীনা মন্ত্রী লিউ হাইশিং সবুজ জ্বালানি, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জোরালো আশ্বাস দেন। এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতালের অর্থায়ন ও নির্মাণকাজে সহযোগিতার জন্য চীনকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে চীনের অব্যাহত সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেন তিনি, যার জবাবে চীনা মন্ত্রী এই বিষয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। এ ছাড়া চলমান জ্বালানি সংকটেও চীনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতি ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফরের কথা স্মরণ করে বলেন, ওই ঐতিহাসিক সফরগুলোই দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছিল। জবাবে লিউ হাইশিং বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলে এই সম্পর্ক আরও জোরদার হয়।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও বিস্তৃত হবে। চীনে নিজের সর্বশেষ সফরের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সফররত মন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠকগুলো অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। এ ছাড়া গত জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতি চীনা মন্ত্রী ও প্রতিনিধিদলের সদস্যদের বঙ্গভবন পরিদর্শন করান। এ সময় চীনা মন্ত্রীর বাবা ও সাবেক রাষ্ট্রদূত লিউ শুকিংয়ের ১৯৮০ সালে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের কাছে পরিচয়পত্র পেশের দুর্লভ ভিডিওচিত্র এবং তৎকালীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রপতির চীন সফরের বিভিন্ন ঐতিহাসিক আলোকচিত্র দেখানো হয়। এই সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, জন বিভাগের সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।
চীনা প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স লিউ ইউইন এবং সিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক পেং শিউবিন উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (সমন্বয়) সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এই বৈঠকে অংশ নেন।
/আশিক
পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও গ্যাসকূপ খননসহ নতুন ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বা একনেকের বৈঠকে তেরোটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি চারটি প্রকল্পের অনুমোদন স্থগিত রেখে সেগুলো আরও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেকের এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন তারেক রহমান। বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত পঁচিশ অক্টোবর একনেকের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা নির্ধারিত থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল।
বৈঠকে যেসব প্রকল্পের অনুমোদন স্থগিত করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সড়ক, নর্দমা ও ফুটপাত উন্নয়ন প্রকল্প। স্থগিত হওয়া অন্য দুটি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে প্রবৃদ্ধি-লোকাল ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট বা এলইডি ইন সিলেক্টেড মিউনিসিপ্যালিটিজ এবং মেট্রো ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন প্রকল্প। এই প্রকল্পগুলো আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
অন্যদিকে একনেক বৈঠকে যেসব গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিশেষায়িত ও অপারেশনাল যানবাহন ক্রয়। এ ছাড়া তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ নামে দুটি মূল্যায়ন ও উন্নয়ন গ্যাসকূপ খনন প্রকল্পও অনুমোদন লাভ করেছে।
অনুমোদিত অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ইনোভেশন ক্লাইমেট স্মার্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট, বরেন্দ্র অঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা, দেশের পাঁচটি মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিন সেন্টার স্থাপন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন খালের পাড় সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার ও পুনঃখনন প্রকল্পের প্রথম পর্ব। এ ছাড়া ঢাকা সেনানিবাসের মঈনুল রোড আবাসিক এলাকায় বি-টাইপ অফিসার্স বাসস্থান নির্মাণ, জিগাতলার গাবতলা কলোনিতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ এবং গ্রামীণ সড়কে পনেরো মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু বা কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পও অনুমোদিত হয়েছে।
বৈঠকে পঞ্চাশ কোটি টাকার কম ব্যয়ের কয়েকটি প্রকল্প অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অনুমোদন দিয়েছেন বলে অবহিত করা হয়। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এসব প্রকল্পের বিষয়ে একনেক বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের হৃদ্রোগ চিকিৎসাসেবার আধুনিকায়ন, শিশু-কিশোর ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ট্রাফিক অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ঢাকা কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন।
/আশিক
ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়ে দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে জানানো হয়েছে যে বর্তমানে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের জন্য বিস্তারিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই সমীক্ষা শেষ হলে সেতু দুটির ভৌগোলিক অবস্থান, নকশা ও প্রকল্প ব্যয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
বৈঠকে মূলত দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর জন্য ‘ওয়াই-আকৃতি’র সংযোগ ব্যবস্থা এবং দ্বিতীয় যমুনা সেতুর মাধ্যমে রংপুরসহ গোটা উত্তরাঞ্চলের সড়ক ও রেল যোগাযোগব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ কেবল দ্রুততরই হবে না, বরং মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরের মধ্যে সরাসরি বিকল্প উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
একই সঙ্গে বৈঠকে বহুমুখী পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। শুষ্ক মৌসুমে সারা দেশে পানির তীব্র সংকট মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদনে গতি আনা, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ব্যারেজের ওপর দিয়েই বিকল্প সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব আরও জানান, প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে অর্থায়নের উৎস, জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার করার বিষয়গুলোও আলোচনায় স্থান পেয়েছে।
উক্ত বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, রেলপথ ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান সহ অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, সেতু সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, পানিসম্পদ সচিব ড. এ. কে. এম. শাহাবুদ্দিন, মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি ও প্রকৌশলী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
ঢাকাকে না জানিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, জবাবের অপেক্ষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সৌদি আরবের মক্কায় এক মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও দেশটির সরকারের কাছ থেকে কোনো জবাব পায়নি ঢাকা। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে সৌদি কর্তৃপক্ষের পাঠানো চিঠির উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
সোমবার (২ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, সৌদি সরকারের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা এবং সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের মিশন যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এর আগে গত ১৪ অক্টোবর মক্কার একটি মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তথ্য জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে বিষয়টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে ঢাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশের পর গত ১৫ অক্টোবর জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট সৌদি আরবের পররাষ্ট্র দপ্তরে চিঠি পাঠিয়ে বিস্তারিত তথ্য চায়। পরবর্তীতে গত ১৮ অক্টোবর ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে পুনরায় একই চিঠি হস্তান্তর করা হয়। সোমবার পর্যন্ত সেসব চিঠির কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিউত্তর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন ১০০ লোকও জড়ো হবে না: রাশেদ খাঁন
- হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে ভারতসহ চার দেশকে বিশেষ ছাড় ইরানের
- মার্কিন রাজনীতিতে নতুন সংকটের আভাস ও ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি
- একাদশে বড় চমক নিয়ে মাঠে নামছে লাল-সবুজরা
- পোশাক খাতের অস্থিরতা দমনে কঠোর পদক্ষেপ প্রশাসনের
- জামায়াত জোটের বিরোধিতায় দল ছাড়লেন এনসিপি নেত্রী সামান্ত শারমিন
- রেকর্ড গড়ে বিশ্ব ও দেশীয় বাজারে বড় দরবৃদ্ধি
- সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী দিনে রোমাঞ্চকর লড়াই ও নাটকীয় ফিনিশ
- ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিশ্বমানের করে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- ইউক্রেন যুদ্ধের প্রযুক্তি এবার ইরানের হাতে তুলে দিচ্ছে রাশিয়া
- ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য এল নতুন ও জরুরি নির্দেশনা
- পবিত্র মদিনার দিকে ছোড়া হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করল সৌদি জোট
- সীমান্তের ওপার থেকে দেশের বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্র চলছে: প্রধানমন্ত্রী
- মার্কিন রাজনীতিতে ইতিহাস গড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নতুন সিনেটর
- বিশ্ব ফুটবলে এক যুগের অবসান ঘটিয়ে বিদায় নিলেন তারকা
- মার্কিন রাজনীতিতে বড় ধাক্কার মুখে ডোনাল্ড ট্রাম্প
- সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাব সাইবার সুরক্ষা আইনে
- সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ
- বড় ধরনের দুর্যোগের মুখে সৌদির বেশ কিছু অঞ্চল
- শীতে কি সত্যিই ফ্রিজের তাপমাত্রা কমানো উচিত?
- ট্রাম্পকে ডাস্টবিনে ফেলার এআই ভিডিও শেয়ার করল ইরানি দূতাবাস
- দীর্ঘ বিরতির পর রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি শুরু করায় মুদ্রাবাজারে আলোচনা
- মার্কিন নির্বাচনের ফল নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিক সতর্কবার্তা: ইয়াইর গোলান
- যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অচলাবস্থার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে ডলার ও তেলের দাম হ্রাস
- শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পেছনে পার্শ্ববর্তী দেশের ইন্ধন রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে একাধিক লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
- পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলেন আদালত
- আরও শক্তিশালী ইরান গড়ে তুলতে জাতীয় ঐক্যের ডাক ইরানি নেতার
- গাজীপুর ও সাভারে শ্রমিক আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না
- বিশ্ববাজারে বড় দরপতনের পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে মূল্যবান ধাতুর বাজার
- যুক্তরাষ্ট্রবাসী বিরক্ত হলে ইসরায়েলে চলে যাওয়ার ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্টের
- সবুজ জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ঢাকা ও বেইজিংয়ের
- শেনজেনে আসন্ন এপেক সম্মেলনে তিন বিশ্বনেতার বৈঠকের সম্ভাবনা
- পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও গ্যাসকূপ খননসহ নতুন ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন
- ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা, মধ্যবর্তী নির্বাচনে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: বদলে যাচ্ছে মার্কিন রাজনীতির সমীকরণ
- ‘ভুল করলে নতুন যুদ্ধক্ষেত্র দেখবে যুক্তরাষ্ট্র’: ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
- বাংলাদেশের পরিস্থিতি ও শ্রমিক বিক্ষোভের ওপর ভারত নজর রাখছে: রণধীর জয়সওয়াল
- শিল্পাঞ্চলের অস্থিতিশীলতার জন্য সরকারের অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত দায়ী: হান্নান মাসউদ
- ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে আরও দুটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি আইআরজিসির
- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ: ক্ষমা চাওয়ার জন্য সময় ১৫ দিন
- হুমকি পাওয়ার পর বুলগেরিয়ার সোফিয়া বিমানবন্দরে নামল ইসরায়েলি প্লেন
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনার জেরে ফের বাড়ল অপরিশোধিত তেলের দাম
- হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে তিনটি তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণ
- শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার নির্দেশ
- টয়লেটে ফোন ব্যবহার: ডেকে আনছেন কোন স্বাস্থ্যঝুঁকি?
- শ্রমিক আন্দোলনে আওয়ামী সহিংসতার দায় জামায়াত আমির এড়াতে পারেন না: রাশেদ খান
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা প্রচেষ্টার মাঝেই হরমুজ প্রণালিতে বড় ধাক্কা
- ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- বিএনপি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে পুষে রাখছে: নাহিদ ইসলাম
- তেলের বাজার চাঙ্গা হতেই বড় ধাক্কা খেলো মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের বাজার
- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অঙ্গীকার, গণভোট ও সাংবিধানিক বৈধতার জটিল সমীকরণ
- জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান দিবসে ডেঙ্গু সচেতনতা ও বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
- ১২৫তম প্রাইজবন্ড ড্র: বিজয়ী হলো যেসব নম্বর
- নতুন বেতনকাঠামো: কাল যারা টাকা পাচ্ছেন, যাদের অপেক্ষা করতে হবে
- বেতনের দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ: ৭ লাখের বেশি শ্রমিক কর্মবিরতিতে
- কালিয়াকৈর থানার ওসির হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক হলো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক
- চোখের নিচে কালো দাগের পেছনে লুকিয়ে থাকা কারণ
- ধানের শীষের প্রার্থীর কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন জামায়াত প্রার্থী
- সারাদেশের কোমর ভাঙা, তাই দেশ মেরামত করতে হবে: জামায়াত আমির
- জুমার খুতবায় শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় খতিবকে অব্যাহতি
- সারাদেশে তিন দিন গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকবে
- ই-রিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা জারি: মানতে হবে যেসব কড়া শর্ত
- মাত্র দশ মিনিটে কি ধ্বংস সম্ভব ইরানের পরমাণু শক্তি
- সরকার গঠন ব্যর্থ হলে ৯০ দিনের মধ্যে ইসরায়েলে নতুন নির্বাচনের হাঁকডাক
- শীতের সকালে ব্যায়ামের আগে কী খাবেন








