দাম বাড়ার পরও প্রতি লিটার ডিজেলে ৭০ টাকা লোকসান গুণতে হবে: রিজভী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২১ ২১:৩১:২৩
দাম বাড়ার পরও প্রতি লিটার ডিজেলে ৭০ টাকা লোকসান গুণতে হবে: রিজভী
ছবি : সংগৃহীত

জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হলেও সরকারকে এখনো লিটারপ্রতি প্রায় ৭০ টাকা করে লোকসান গুনতে হবে বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রতি লিটার ডিজেল প্রায় ২০৫ টাকায় কিনতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, দাম বাড়ানোর আগে সরকারের লোকসান ছিল লিটারপ্রতি প্রায় ৯০ টাকা। বছরে দেশে প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে ডিজেলের পরিমাণ প্রায় ৪৫ লাখ টন। সাধারণ মানুষের ওপর এর চাপ বাড়ার কথা স্বীকার করলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালীর জটিল পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের বাধ্যবাধকতায় মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া সরকারের সামনে আপাতত কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে কম দামে জ্বালানি সরবরাহের উপায় নিয়ে বিরোধীদের সুনির্দিষ্ট বিকল্প প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানান রিজভী। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে গ্যাস ও জ্বালানি সংগ্রহ করে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলোকে পরিকল্পিত দাবি করে তিনি অভিযোগ করেন যে, নির্বাচিত সরকারের উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষামূলক কার্যক্রম থেকে জনগণের মনোযোগ সরাতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা তাদের সহযোগীরা এই নাশকতার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করে তাদের দ্রুত শনাক্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি। অপপ্রচার ও সহিংসতার প্রতিবাদে দলের অঙ্গ, সহযোগী ও পেশাজীবী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে মিছিল, সমাবেশ ও মানববন্ধনের মতো নানা কর্মসূচি পালন করার পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

/আশিক


জাতিসংঘের মঞ্চে জিয়া পরিবারের তৃতীয় উত্তরাধিকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২১ ২১:২৪:৪২
জাতিসংঘের মঞ্চে জিয়া পরিবারের তৃতীয় উত্তরাধিকার
ছবি : সংগৃহীত

১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মঞ্চে দাঁড়িয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বৈশ্বিক বৈষম্য ও দারিদ্র্যের স্থায়ী রূপ নিয়ে প্রশ্ন তুলে শান্তি, ন্যায়বিচার এবং পারস্পরিক দায়িত্ববোধের ওপর জোর দিয়েছিলেন। প্রায় ১৬,৮৩০ দিন পর, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁরই পুত্র এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিতে যাচ্ছেন, যা জিয়া পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

১৯৮০ সালের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে জিয়াউর রহমান যখন বিশ্ব বাণিজ্যের কাঠামোগত বৈষম্য, কমতে থাকা সাহায্য এবং তেলের সংকটে গরিব দেশের অসহায়ত্ব তুলে ধরে আত্মনির্ভরশীলতার ডাক দিয়েছিলেন, তখন সেটি আধুনিকায়ন তত্ত্বের নীরব অপেক্ষাকে চ্যালেঞ্জ করেছিল। এরপর ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন অধিবেশনে পাঁচবার বিশ্বমঞ্চে বক্তব্য রেখে বাংলাদেশের উপস্থিতি ও মর্যাদা নিয়মিতভাবে তুলে ধরেছিলেন। আজকের প্রেক্ষাপটে সেই পুরোনো প্রশ্নটি নতুন রূপ নিয়েছে, যেখানে পণ্য বা জ্বালানির পাশাপাশি কার্বন, পানি, প্রযুক্তি এবং জলবায়ু অর্থায়ন একবিংশ শতাব্দীর নতুন অর্থনৈতিক ন্যায়ের প্রশ্ন হিসেবে সামনে এসেছে।

নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত অস্তিত্বসংকট। ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের ‘Climate Action and the Just Transition’ বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরদিন তিনি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকি নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করবেন।

বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান নামমাত্র প্রায় শূন্য দশমিক তিন শতাংশ হলেও, ২৪০৪ সালের ওয়ার্ল্ড রিস্ক ইনডেক্স অনুযায়ী দেশটি জলবায়ু ঝুঁকিতে নবম অবস্থানে রয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলের এক-তৃতীয়াংশ মানুষের বসতি এবং ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের কারণে প্রতিবছর প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বা জিডিপির প্রায় শূন্য দশমিক সাত শতাংশ অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হওয়া বাংলাদেশকে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের জোরালো দাবি বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে বাধ্য করছে।

জলবায়ুসংকটের পাশাপাশি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে রোহিঙ্গা সংকট। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে মিয়ানমারের সহিংসতা এড়িয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১ দশমিক ২ মিলিয়ন রোহিঙ্গার বর্তমান মানবিক পরিস্থিতি ও এর বহুমুখী প্রভাব দেশের অর্থনীতি, পরিবেশ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে।

২০২৬ সালে জাতিসংঘ ও সহযোগী সংস্থাগুলো রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ৭১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের তহবিল আবেদন করলেও বিগত বছরের তুলনায় তা ২৬ শতাংশ কম, অথচ সংকটটি ইতিমধ্যেই নবম বছরে পদার্পণ করেছে। বাংলাদেশ সরকারের স্পষ্ট অবস্থান হলো, যেহেতু এই সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে, তাই এর টেকসই সমাধান ও নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনও সেই দেশেই নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রধানমন্ত্রী এই আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বার্তাটিই বিশ্বনেতাদের সামনে জোরালোভাবে তুলে ধরবেন।

এবারের জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য একটি বিশেষ কূটনৈতিক গৌরব বয়ে এনেছে, কারণ বর্তমানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ১৯০টি ভোটের মধ্যে ৯৯টি ভোট পেয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৮৬-৮৭ সালে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এই সর্বোচ্চ আসনে বাংলাদেশ আসীন হওয়ার পাশাপাশি একই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিনিধিত্ব করায় এটি এক বিরল ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

১৯৮০ সালে শহীদ জিয়ার ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সূচনা, পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার বৈশ্বিক সরব উপস্থিতি এবং বর্তমান বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র, জলবায়ু ন্যায়বিচার, প্রযুক্তিগত অধিকার ও অর্থনৈতিক নিশ্চয়তার লড়াই এক সুতোয় গাঁথা হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বরের এই ঐতিহাসিক ভাষণ কেবল একটি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির উপস্থাপন নয়, বরং চার দশক আগের সেই আত্মমর্যাদাশীল কণ্ঠেরই নতুন রূপ, যা বিশ্বকে জানিয়ে দেবে বাংলাদেশ তার ইতিহাসকে ধারণ করে নিজস্ব ভবিষ্যৎ নিজেরা নির্মাণ করতে প্রস্তুত।

/আশিক


সাইবার অপরাধ দমনে চীনের সঙ্গে নতুন সহযোগিতার ঘোষণা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২১ ১৮:৩৫:০৯
সাইবার অপরাধ দমনে চীনের সঙ্গে নতুন সহযোগিতার ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে সাইবার অপরাধ দমন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে সিআইডির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল চীনে পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের কার্যালয়ে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ ঘোষণা দেন তিনি।

বৈঠকে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাইবার অপরাধ দমন ও প্রশিক্ষণ বিনিময় নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূতের মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে তিনি চীনের মিনিস্টার অব পাবলিক সিকিউরিটির পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে জানানো হয়, গত দুই বছরে চীন বাংলাদেশের একশতের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে সাইবার ক্রাইম, ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ সরকার পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষায়িত সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন ও অবকাঠামো তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। দেশজুড়ে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চীনের সাইবার ল্যাব ও প্রযুক্তি পরিদর্শনের পর এই প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশে ফরেনসিক ল্যাব ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থাপনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তৈরি করবে। এছাড়া বৈঠকে বাংলাদেশে কর্মরত চীনা নাগরিক, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

/আশিক


দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে নতুন মৃত্যুর পরিসংখ্যান সামনে এল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২১ ১৮:০৮:৪৫
দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে নতুন মৃত্যুর পরিসংখ্যান সামনে এল
ছবি : সংগৃহীত

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল আটটা থেকে সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত) হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ১ হাজার ২২১ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন এবং নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৮৪ জন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশজুড়ে সন্দেহজনক হামে মোট ৯৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিশ্চিতভাবে হামে মারা গেছেন ১০১ জন। এই একই সময়ের মধ্যে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ৩৫ জনে এবং নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৬৪৬ জন। এছাড়া ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৮৯ জন রোগী এবং চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ২২৫ জন। অন্যদিকে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮০৪ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪৮ জন।

/আশিক


জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে ইতালীয়দূতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২০ ২১:৫৩:৩৭
জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে ইতালীয়দূতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। স্পিকার বলেন, ১৯৭২ সালে ইতালির স্বীকৃতিদানের মাধ্যমেই দুই দেশের সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল এবং তখন থেকেই বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে অকৃত্রিম সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ইতালি বাংলাদেশি পণ্যের অন্যতম বড় রপ্তানি গন্তব্য এবং অভিবাসীদের জন্য দেশটি সবসময় উদারতা দেখিয়ে আসছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রা শুরুর বিষয়টি তুলে ধরে স্পিকার জানান, সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রসারের ফলে বিশ্বের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এছাড়া বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ, এবং রোহিঙ্গা সংকটে ইতালির আর্থিক সহায়তার কথা তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে ইতালির বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান স্পিকার।

ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, বাংলাদেশ ইতালির দীর্ঘদিনের পুরোনো বন্ধু এবং দেশটির গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ইতালি সবসময় শক্ত অবস্থান বজায় রাখবে। সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন এবং প্রতিনিধি দল বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সংসদীয় কূটনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে তারা আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও সিরামিকপণ্য রপ্তানির বিষয়টি উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত জানান, সংসদীয় কূটনীতি জোরদার করার পাশাপাশি জ্বালানি সংকট নিরসন এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে। বৈঠকে উভয় দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধি ও সংসদ সচিবালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবন থেকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২০ ২০:৫৯:০৯
শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবন থেকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ছবি : সংগৃহীত

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে তার গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ পাওয়া যায়। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তেজগাঁও অঞ্চলের ডিসি ইবনে মিজান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন এবং সিআইডির ফরেনসিক দল আসার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত জুলাই মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় নৈতিক স্খলনের দায়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

/আশিক


বৈশ্বিক মঞ্চে নতুন সরকারের অভিষেক: জাতিসংঘ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২০ ১৭:০৩:১২
বৈশ্বিক মঞ্চে নতুন সরকারের অভিষেক: জাতিসংঘ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল সোমবার ঢাকা ত্যাগ করে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হবেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি সাধারণ পরিষদের মূল অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এ সফরের বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন এবং কর্মসূচি শেষে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে দেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মঞ্চে এটিই প্রথম অংশগ্রহণ। অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন, যা বাংলাদেশের কূটনীতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। সাধারণ পরিষদের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, বিশ্বশান্তি, টেকসই উন্নয়ন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং বৈশ্বিক বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করবেন।

নিউইয়র্কে ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতঃরাশ ও উদ্বোধনী অধিবেশনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে; সন্ধ্যায় তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি বৈশ্বিক বৈষম্য ও জলবায়ু রূপান্তর বিষয়ক সভায় অংশ নেবেন এবং রোহিঙ্গা সংকট সংক্রান্ত সাইড ইভেন্টে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কার্যকর সহায়তা চাইবেন। ২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য, সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ এবং মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যবিষয়ক সাইড ইভেন্টে বক্তব্য রাখবেন তিনি।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট এবং ইউএনএইচসিআর প্রধানের পাশাপাশি পাকিস্তান, কুয়েত, থাইল্যান্ড, ভুটান, ক্রোয়েশিয়া ও হাইতির সরকারপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এ ছাড়া অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে ওয়াল স্ট্রিট ও মেটাসহ শীর্ষ বৈশ্বিক করপোরেট নির্বাহীদের সঙ্গে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে মতবিনিময় করবেন তিনি।

/আশিক


১২ ঘণ্টার অভিযানে ধরা পড়ল ৪ জন, অপ্রতিম হত্যায় যা জানাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২০ ১৬:৫৯:২২
১২ ঘণ্টার অভিযানে ধরা পড়ল ৪ জন, অপ্রতিম হত্যায় যা জানাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ছবি : সংগৃহীত

কুমিল্লার ১৩ বছর বয়সি কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে দ্রুততম সময়ে চার আসামিকে গ্রেপ্তার এবং গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সমসাময়িক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কিশোরটি নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ উদ্ধার এবং পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যেই সন্দেহভাজন চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে এবং তাদের কাছ থেকে নিহত অপ্রতিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলামত জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আসামিদের বয়স ও ধরন সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, তাদের আচরণ অনেকটা কিশোর অপরাধী চক্রের মতো হলেও তাদের বয়স নিহত অপ্রতিমের চেয়ে ৫ থেকে ১০ বছর বেশি।

আসামিদের মধ্যে দুজনের বয়স ১৮ বছরের বেশি এবং একজনের বয়স ১৮-এর নিচে হতে পারে; তবে সঠিক বয়স নিশ্চিত হতে এনআইডিসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ে পুলিশি তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হবে এবং রামিসা হত্যাকাণ্ডের মতো এ মামলার বিচারকাজও সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্পন্ন করতে বিচার বিভাগকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান প্রশাসন প্রতিটি অপরাধের রহস্য দ্রুত উদ্ঘাটন ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অপরাধ বৃদ্ধির নেপথ্যে সামাজিক অবক্ষয়, সাইবার অপরাধ, মাদক, অনলাইন জুয়া এবং পর্নোগ্রাফির মতো অনুষঙ্গগুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায় থেকে ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও নৈতিক শিক্ষার চর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

/আশিক


মক্কা-মদিনায় হামলার চেষ্টা হলে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়বে মুসলমানরা: ধর্মমন্ত্রী 

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৯ ১৯:৩১:৪২
মক্কা-মদিনায় হামলার চেষ্টা হলে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়বে মুসলমানরা: ধর্মমন্ত্রী 
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র মক্কা মুকাররমা ও মদিনা মুনাওয়ারার নিরাপত্তার প্রতি কোনো ধরনের হুমকি বা হামলার অপচেষ্টা চালানো হলে বিশ্বের মুসলমানেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তা প্রতিরোধ করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন (কায়কোবাদ)। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে ধর্মমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মক্কা ও মদিনা বিশ্ব মুসলিমের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ ইবাদতের স্থান এবং গোটা মুসলিম উম্মাহর আবেগ, বিশ্বাস ও ভালোবাসার মূল কেন্দ্র। ফলে এই দুই পবিত্র নগরীতে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন, হামলা কিংবা নিরাপত্তার প্রতি হুমকি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। হারামাইনের (মক্কা ও মদিনা) দুই প্রধান ইমামের বক্তব্যের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়ে তিনি বলেন, পবিত্র এই ভূমির মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা বিশ্বের প্রতিটি মুসলিমের সম্মিলিত দায়িত্ব; প্রয়োজনে লাখো মুসলমান জীবন দিয়ে হলেও পবিত্র ভূমির সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

ধর্মমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন, মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে বাংলাদেশের জনগণ সম্পূর্ণ আপসহীন। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষাপটে পবিত্র দুই নগরীর বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও হামলার অপচেষ্টা নস্যাৎ করতে তিনি সব ভেদাভেদ ভুলে বিশ্বের মুসলিম দেশ ও জনগোষ্ঠীকে এক কাতারে শামিল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি পবিত্র দুই নগরীর স্থায়ী নিরাপত্তা এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সংহতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করেন।

/আশিক


প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে শুরু, সরকারি দপ্তরগুলোতে আসছে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুতের বিপ্লব

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৯ ১৯:০৫:০৭
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে শুরু, সরকারি দপ্তরগুলোতে আসছে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুতের বিপ্লব
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজ বাসভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে আগামী ৬ মাসের মধ্যে দেশের সব প্রস্তুত ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর এলজিইডি ভবনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন দিয়ে শুরু করে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ সচিবালয়, জাতীয় সংসদ ভবন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সৌরবিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনার জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার ঘটাতে দেশের প্রস্তুত থাকা ৩ হাজার ৪১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি পরিষদ কমপ্লেক্সে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে মোট ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।

সরকারের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে তিনি আরও জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এসব ইউনিয়ন পরিষদ সৌরশক্তির মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ 'নেট মিটারিং' ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করার সুযোগও বিস্তৃত করা হবে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: