নারী নেতৃত্বের পাইপলাইন তৈরি করতে হবে: জাইমা রহমা

দেশ গঠনে তরুণদের মেধার মেলবন্ধনের পাশাপাশি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারী নেতৃত্বের একটি শক্তিশালী ‘পাইপলাইন’ বা ধারাবাহিকতা তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর বিআইআইএসএস (BIISS) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
‘উইমেন ইন ডেমোক্রেসির’ উদ্যোগে আয়োজিত ‘গণতন্ত্রের সংগ্রামে নারী: অবদান, দায় ও দায়িত্ব’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় জাইমা রহমান তাঁর আগামীর স্বপ্নের বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা একটি অন্য রকম ও বৈষম্যহীন দেশ গড়তে চাই। আর সেই পরিবর্তনের জন্য সর্বাগ্রে মানুষের চিন্তা জগতে পরিবর্তন আনা জরুরি।” তিনি মনে করেন, কেবল সংখ্যাতাত্ত্বিক অংশগ্রহণ নয়, বরং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ‘পলিসি মেকিং’ বা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীদের সরাসরি অংশগ্রহণ বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।
নারী নেতৃত্বের সংকট ও উত্তরণের পথ বাতলে দিতে গিয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেন, “ছাত্র নেতৃত্ব থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকার পর্যায় পর্যন্ত নারী নেতৃত্বের একটি নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতা বা পাইপলাইন সৃষ্টি করতে হবে এবং তা ধরে রাখতে হবে। নতুবা যোগ্য নারী নেত্রীদের আমরা বড় পরিসরে সুযোগ দিতে পারব না।” তিনি অভিযোগ করেন যে, পুরুষদের জন্য রাজনীতি ও সামাজিক ক্ষেত্রে নানা সুযোগ-সুবিধা থাকলেও নারীদের ক্ষেত্রে তা অত্যন্ত সীমিত। এই বৈষম্য দূর করতে নারীদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
নারীদের নিরাপত্তার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জাইমা রহমান বলেন, “নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রাথমিক দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোকেই নিতে হবে।” তিনি রূপক উদাহরণ টেনে বলেন, ছোট চারাগাছ যেমন বড় গাছের ছায়ায় বেড়ে ওঠে, নারীদের রাজনৈতিক বিকাশেও তেমনই অনুকূল পরিবেশ ও সুযোগ প্রয়োজন। কেবল পুরুষরাই সবকিছুর নেতৃত্বে থাকবে—এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে রাজনীতি ও নাগরিক দায়িত্বে নারীদের সমান অংশীদার করার ওপর তিনি জোর দেন।
রোববারের এই আকস্মিক মৃত্যু নিয়ে যা জানা যাচ্ছে
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জিএম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহটি পাওয়া যায়। শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন।
এর আগে সম্প্রতি এই সংসদ সদস্যের সাথে একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে ভিডিওর ওই তরুণী মরিয়ম খাতুন হিসেবে শনাক্ত হন এবং জিএম নজরুল ইসলাম তাকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে স্বীকার করেন। এই ঘটনার জেরে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ এনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিল।
/আশিক
ভরদুপুরে সেলুনে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ও কোপ, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল রোমহর্ষক দৃশ্য
ঢাকার কেরানীগঞ্জের আরশিনগরে সেলুনে চুল কাটানোর সময় ফরহাদ হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে গুলি ছুড়ে ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। স্বজনদের অভিযোগ, ফুটপাতে ব্যবসার জন্য চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা তিনটার দিকে আরশিনগর এলাকার ‘রাজ সেলুন’-এ এই রোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে। নিহত ফরহাদ কেরানীগঞ্জের মেম্বার গলিতে সপরিবারে বসবাস করতেন; তার গ্রামের বাড়ি ভোলার দৌলতখান উপজেলার নুরাবাদ গ্রামে।
ফরহাদের স্বজন ও বন্ধুদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, তিনি মোহাম্মদপুরের মহিরগোলা এলাকায় ফুটপাতে মাছের ব্যবসা করতেন। সেখানে আরমান, সোহেল, কাল্লু ও সাব্বিরসহ স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের ৭-৮ জন সদস্য ব্যবসা চালানোর শর্ত হিসেবে এককালীন ৫০ হাজার টাকা এবং নিয়মিত দৈনিক চাঁদা দাবি করে আসছিল। ফরহাদ চাঁদা প্রদানে অস্বীকৃতি জানানোয় গ্যাংটির সঙ্গে তার তীব্র বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং এর জেরেই এই প্রাণঘাতী আক্রমণ চালানো হয়।
ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বেলা ৩টা ৭ মিনিটের দিকে তিনজন যুবক সেলুনটির সামনে আসে। তাদের মধ্যে দুজনের মাথায় ক্যাপ পরা ছিল। সেলুনে প্রবেশের পূর্বেই একজন পকেট থেকে পিস্তল বের করে ভেতরের দিকে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে, যার ফলে ভেতরে থাকা অন্যরা প্রাণভয়ে দিগ্বিদিক ছুটে বের হয়ে যান। এরপর বাকি দুজন ধারালো চাপাতি নিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে খালি গায়ে লুঙ্গি পরা অবস্থায় ফরহাদ সেলুন থেকে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পেছন থেকে একজন তার লুঙ্গি টেনে ধরে আটকে ফেলে এবং অন্যজন চাপাতি দিয়ে উপর্যুপরি কোপাতে থাকে। আশঙ্কাজনক জখম অবস্থায় তাকে ফেলে দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে ঘটনার ভিন্ন প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ফরহাদ নিজেও স্থানীয় অপরাধ চক্র ‘পাটালি গ্রুপ’-এর সদস্য ছিলেন। মোহাম্মদপুরের বোটঘাট ও ময়ূরভিলা এলাকায় ছিনতাই এবং চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল কুদ্দুস জানান, জড়িত দুই পক্ষই মূলত মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকার সন্ত্রাসী চক্র। পূর্ববিরোধের প্রতিশোধ নিতেই তারা কেরানীগঞ্জের আরশিনগরে এসে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। পুলিশ অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
/আশিক
আগারগাঁওয়ে পুলিশের অভিযান: গ্রেপ্তার হলেন সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত ব্যবসায়ী
ঢাকার আগারগাঁও ফুটপাতের আলোচিত ‘১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত’ বিক্রির দোকানদার মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে কাফরুল থানা-পুলিশ। পরবর্তীতে সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ একাধিক অভিযোগে মামলা দায়েরের পর তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়।
কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, রোববার নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ বিভাগের একটি দল ফুটপাত ও আশপাশের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ অভিযান পরিচালনা করছিল। এ সময় আগারগাঁও এলাকায় মিজানের ভাতের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ কাটতে যান সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্যোগ নিলে মিজান তাঁদের ওপর চড়াও হন এবং একপর্যায়ে সিটি করপোরেশনের কর্মী ও সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যদের ওপর চড়থাপ্পড় ও আঘাত করেন।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় এবং সরকারি ডিউটিতে বাধা প্রদান ও হামলার অপরাধে মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। উল্লেখ্য, আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে ১০০ টাকায় সুস্বাদু খাবার বিক্রি করে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ নাম কুড়িয়েছিলেন এই হোটেল ব্যবসায়ী।
/আশিক
মিরপুরে টিসিবির লাইনে মর্মান্তিক দেয়াল ধস, প্রাণ হারালেন ২ জন
রাজধানীর মিরপুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় টিসিবির পণ্য কিনতে এসে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবির) সুলভ মূল্যের পণ্য সংগ্রহের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় নিকটস্থ একটি পুরোনো দেয়াল ধসে পড়ে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ছয়জন গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের পেছনের সীমানা প্রাচীর ধসে পড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মিরপুর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতোই ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য কেনার জন্য বহু সাধারণ মানুষ মিরপুর কলেজের পেছনের স্থানে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন। দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে হঠাৎ করেই কলেজের পুরোনো ও জরাজীর্ণ সীমানা প্রাচীরটি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা উৎসুক ও অপেক্ষমাণ লোকজনের ওপর ভেঙে পড়ে। মুহূর্তে কয়েকজন দেয়ালের নিচে চাপা পড়েন। ঘটনার পরপরই উপস্থিত অন্যান্য লোকজনের সহায়তায় প্রাচীরের ইট-কংক্রিট সরিয়ে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করা হয়।
মিরপুর থানার ওসি হাফিজুর রহমান জানান, দেয়াল ধসে পড়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার হওয়া আটজনকে চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে নাসিমা বেগম নামে এক নারীকে পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে আরও এক পুরুষকে চিকিৎসকরা মৃত বলে নিশ্চিত করেন।
বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলে গুরুতর আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও এক নারী। বাকি আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। পুলিশ জানিয়েছে, স্থানটি পরিদর্শনের পাশাপাশি সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
/আশিক
যুদ্ধবিধ্বস্ত কিয়েভের চেয়েও পিছিয়ে: বিশ্বের অন্যতম কম বাসযোগ্য শহর হিসেবে ঢাকার রেকর্ড
ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) সর্বশেষ ‘গ্লোবাল লাইভেবিলিটি ইনডেক্স ২০২৬’ অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহরগুলোর তালিকায় টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ১৭১তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। বিশ্বের ১৭৩টি শহরের স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, অবকাঠামো এবং সংস্কৃতি ও পরিবেশ—এই ৫টি সূচক মূল্যায়ন করে তৈরি করা এবারের তালিকায় ঢাকার মোট স্কোর ১০০-এর মধ্যে মাত্র ৪২।
ঢাকার নিচে রয়েছে কেবল লিবিয়ার ত্রিপোলি (১৭২তম) এবং গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তালিকার সর্বনিম্নে থাকা যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক (১৭৩তম)। প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এমনকি যুদ্ধকবলিত ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভও বাসযোগ্যতার বিচারে ঢাকার চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে রয়েছে।
অন্যদিকে, ৯৮ স্কোর নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন। শহরটি স্থিতিশীলতা, শিক্ষা ও অবকাঠামো খাতে পূর্ণ ১০০ নম্বর পেয়েছে। তালিকার শীর্ষ পাঁচে থাকা বাকি শহরগুলো হলো যথাক্রমে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, সিডনি এবং সুইজারল্যান্ডের জুরিখ।
উত্তর আমেরিকার একমাত্র শহর হিসেবে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার নবম স্থানে রয়েছে এবং বিশ্বের বৃহৎ মেগাসিটিগুলোর মধ্যে একমাত্র জাপানের টোকিও শীর্ষ দশে জায়গা করে নিতে পেরেছে। ইআইইউর মতে, অতিরিক্ত জনঘনত্ব, যানজট ও অপরাধপ্রবণতার কারণে সাধারণত বড় শহরগুলোর বাসযোগ্যতার স্কোর কমে যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ড্রোন হামলার প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের ওমানের রাজধানী মাস্কাট ১৪ ধাপ পিছিয়ে ১২৩তম স্থানে নেমে গেছে এবং কাতার, দুবাই ও আবুধাবির অবস্থানও কিছুটা নিচে নেমেছে। তবে সার্বিকভাবে চীন ও জাপানের শহরগুলোর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কারণে এশিয়ার গড় স্কোর কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ৭৩ দশমিক ৯-এ দাঁড়িয়েছে, যা পূর্ব ইউরোপের চেয়েও বেশি।
বিশেষ করে চীনের শহরগুলো স্বাস্থ্যসেবা খাতে অভাবনীয় উন্নতি করলেও কঠোর নজরদারি ও গণতান্ত্রিক ঘাটতির কারণে র্যাংকিংয়ে খুব বেশি এগোতে পারেনি। বিপরীতে, পাকিস্তানের করাচিসহ (১৭০তম) ঢাকার মতো ‘সবচেয়ে অনুন্নত শহরগুলোর’ ধারাবাহিক খারাপ পারফরম্যান্স এশিয়ার সামগ্রিক গড়কে নিচের দিকে টেনে ধরেছে।
/আশিক
আভিজাত্যের তকমা হারাচ্ছে ধানমন্ডি: ৩১ বছর পর কোন বড় অ্যাকশনে সরকার?
রাজধানীর অন্যতম সুপরিকল্পিত ও অভিজাত আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত ধানমন্ডি এখন তার চিরচেনা রূপ হারাতে বসেছে। অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা রেস্তোরাঁ, হাসপাতাল, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং নানাবিধ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কারণে পুরো এলাকাটি এখন তীব্র যানজট, পার্কিং সংকট, শব্দদূষণ এবং পরিবেশগত বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এই চেনা অবক্ষয় থেকে ধানমন্ডিকে বাঁচাতে এবং এর আবাসিক বৈশিষ্ট্য ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ ৩১ বছর পর ১৯৯৫ সালের ‘বাণিজ্যিক ব্যবহার নীতিমালা’ আমূল সংশোধন, পরিমার্জন ও যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ বিষয়ে একাধিক কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত পুরোনো নিয়মই বলবৎ থাকবে, তবে বর্তমান নিয়মের তোয়াক্কা না করে যারা অবৈধভাবে ব্যবসা চালাচ্ছেন, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি ক্র্যাকডাউনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, একটি আদর্শ নগরীর প্রধান শর্ত হলো আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার সুস্পষ্ট বিভাজন। কিন্তু ধানমন্ডি ও গুলশানের মতো ভিআইপি এলাকায় সেই নকশা এখন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। এক মাঠপর্যায়ের জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ধানমন্ডির প্রায় ৪৮ শতাংশ ভবনই এখন কোনো না কোনোভাবে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এলাকার ১,৫৯২টি ভবনের মধ্যে মাত্র ৮২৩টি পুরোপুরি আবাসিক রয়েছে; বাকি ৫৩২টি মিশ্র এবং ২৩৭টি ভবন সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে। অথচ, ১৯৯৫ সালের মূল নীতিমালায় কেবল মিরপুর রোড, সাতমসজিদ রোড, গ্রিন রোড এবং পুরাতন ২ ও ২৭ নম্বর সড়কের পাশে সীমিত পরিসরে ব্যবসার অনুমতি ছিল। গত তিন দশকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রশাসনিক নজরদারির শিথিলতার সুযোগ নিয়ে পুরো ধানমন্ডিকে একটি ঘিঞ্জি বাণিজ্যিক জোনে পরিণত করা হয়েছে, যা বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মানকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।
"ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় নিয়ম ভেঙে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অনেকেই কোনো নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা করছেন না। এভাবে আর কতদিন চলবে! সরকার এগুলোকে একটা শৃঙ্খলায় আনার চেষ্টা করছে এবং নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে শিগগিরই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
— মো. মনিরুজ্জামান মিঞা, অতিরিক্ত সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার এখন নজিরবিহীন কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকা শহরের যেকোনো আবাসিক প্লটের মূল মাস্টারপ্ল্যান পরিবর্তন বা বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজউক (RAJUK)-কে অবশ্যই গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। এছাড়া, অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে গঠিত একটি বিশেষ কমিটিকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে অংশীজনদের সাথে আলোচনা করে নতুন নীতিমালার খসড়া জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ও রাজউকের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ভবিষ্যৎ নীতিমালায় ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তা, অগ্নিনিরাপত্তা ও পর্যাপ্ত নিজস্ব পার্কিং সুবিধা থাকাকে বাধ্যতামূলক শর্ত হিসেবে জুড়ে দেওয়া হবে, যাতে গ্রাহকদের গাড়ি রাস্তার ওপর পার্কিং করে আর কৃত্রিম যানজট ও জনদুর্ভোগ তৈরি করতে না পারে।
কাঁটাবনে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ হারালেন দুই আইনজীবীর সহকারী, নেপথ্যে কী?
রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের কাঁটাবন এলাকায় অবস্থিত ‘আল বারাকা টাওয়ার’ নামের একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনে মধ্যরাতে এক ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৬ জুন) দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটের দিকে বহুতল এই ভবনটির ১২ তলার দুটি ফ্ল্যাটে হঠাৎ করেই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া ভবনের ১১ ও ১৩ তলাসহ চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। গভীর ঘুমে মগ্ন থাকা ভবনের বাসিন্দারা প্রাণভয়ে দিগ্বিদিক ছুটতে শুরু করেন এবং অনেকেই জীবন বাঁচাতে ভবনের ছাদে গিয়ে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পলাশী ও সিদ্দিকবাজার স্টেশন থেকে একে একে ৬টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে রাত ৩টা ৮ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
দুর্ভাগ্যবশত, এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ ও মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়ে দুই তরুণের অকালমৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন— মো. জনি (২৪) এবং মো. আবদুস সালাম (২০)। তারা দুজনই পেশাগতভাবে আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সহকারী বা ক্লার্ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর মধ্যে আবদুস সালাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমানের ক্লার্ক হিসেবে কাজ করতেন; তাঁর বাড়ি বগুড়ার কাহালু উপজেলায়। অন্যদিকে, মো. জনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের ছেলে ব্যারিস্টার মোয়াজের ক্লার্ক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন; তাঁর বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায়। জানা গেছে, ভবনটির ওই নির্দিষ্ট ফ্লোরটিতে আইনজীবীদের চেম্বার ছিল। আগুন লাগার পর তারা ভেতরে আটকে পড়ে মোবাইল ফোনে বাইরে থাকা পরিচিতদের কাছে বাঁচার আকুতি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধোঁয়ার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় একপর্যায়ে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অচেতন ও মুমূর্ষু অবস্থায় ওই দুজনকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ এবং জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান। সেখানে রাত সাড়ে ৩টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁদের দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিউমার্কেট থানার পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বহুতল এই ভবনটিতে কোনো কার্যকর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না এবং বিল্ডিং কোডও যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি, যার ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং উদ্ধার অভিযান চালাতে ফায়ার ফাইটারদের চরম বেগ পেতে হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
SEO Keywords:
ধানমন্ডির বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস
রাজধানীর ধানমন্ডির সাত মসজিদ রোডে একটি বহুতল ভবনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কাজ করছে।
বুধবার (১০ জুন) বিকেল পৌনে ৬টার দিকে ভবনটিতে আগুন লাগে। খবর পাওয়ার পর মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম শুরু করে।
ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার ফরিদা ইয়াসমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাত মসজিদ রোডের একটি পাঁচতলা ভবনের ছাদের ওপর থাকা একটি কক্ষে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন।
জানা গেছে, ভবনটিতে বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস পণ্যের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং কয়েকটি ট্রাভেল এজেন্সির অফিস রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়েও এখন পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো তথ্য জানায়নি ফায়ার সার্ভিস।
/আশিক
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু: ভরিপ্রতি ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে রিট
রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত মাসের শেষভাগে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের জন্য এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। আজ রবিবার (৭ জুন) সকালে হাইকোর্টের বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চে জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ। রিটে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
দায়েরকৃত এই রিট আবেদনে ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের আবেদন জানানো হয়েছে। রিটকারী আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ অভিযোগ করে বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির মাধ্যমে মূলত এই নির্মম ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।
পুরো ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা ও গাফিলতি ছিল বলে দাবি করেন তিনি। একই সাথে রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত এই হাসপাতাল ভবনটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) যথাযথ নিয়ম ও বিল্ডিং কোড মেনে নির্মাণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও তীব্র সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এই আইনজীবী। তিনি আরও জানান, চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন আসার পূর্বেই অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে জরুরি ভিত্তিতে ২০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও রিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার (৮ জুন) হাইকোর্টের এই দ্বৈত বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ মে ভোরে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভর্তি থাকা ছয়টি নবজাতক শিশু মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একে একে মারা যায়। এই রহস্যজনক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির অভিযোগ তুলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষে এখন আদালতের দ্বারস্থ হলেন এই আইনজীবী।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- পাসপোর্ট খোয়া গেলে বা নষ্ট হলে যেসব নিয়ম মানতে হবে
- বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক প্রসার নিয়ে চীন সরকারের নতুন ভাবনা
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে জ্বালানি খাতে বড় আর্থিক চাপ
- সামরিক ক্ষয়ক্ষতির জল্পনায় জল: যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে ট্রাম্পের বড় দাবি
- জাতিসংঘের অধিবেশনে বিশ্ব নেতাদের সামনে জলবায়ু সংকট নিয়ে কড়া বার্তা
- দল থেকে বহিষ্কৃত তবুও এমপি! গাজী নজরুলের ঘটনায় সংসদে নতুন আইনের দাবি
- দ্রুত উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে নতুন আবহাওয়া দুর্যোগ
- অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ৭টি নীরব লক্ষণ যা সাধারণ ভেবে ভুল করেন অনেকেই
- নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে যুক্ত হলেন জাতীয় দলের তারকা পেসার
- মার্কিন ডুবোজাহাজ দখলের দাবি ইরানের, শুরু হচ্ছে ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক সূচনা
- হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাব
- 'হাসিনার সময় পদত্যাগ চাইতাম, এখন চাওয়া ঠিক হবে না': জাহেদ উর রহমান
- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে রিমান্ডে নিলেই বের হবে বাসে আগুনের রহস্য: রাশেদ খাঁন
- ইরানের বিষয়ে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিল ওয়াশিংটন
- দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার নিয়োগে ভারতের সবুজ সংকেত
- চরম উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের আকাশে উড়ন্ত রহস্যময় বস্তু
- পাইপলাইন মেরামতের জন্য যেসব এলাকায় মঙ্গলবার গ্যাস থাকবে না
- তেহরানের আকাশে রহস্যময় আলোর পিণ্ড: নতুন করে জল্পনা শুরু
- নতুন সামরিক সক্ষমতা দেখে বিশ্ব চমকে যাবে: আইআরজিসির চরম হুঁশিয়ারি
- দাম বাড়ার পরও প্রতি লিটার ডিজেলে ৭০ টাকা লোকসান গুণতে হবে: রিজভী
- জাতিসংঘের মঞ্চে জিয়া পরিবারের তৃতীয় উত্তরাধিকার
- দেবিদ্বারে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের তাণ্ডব: প্রাণ গেল মা ও শিশুর
- কম বয়সে চুল পড়ার প্রধান তিনটি কারণ ও এর প্রতিকার
- পুরোনো সহযোগীকে পাশে নিয়ে নতুন মিশনে নামছেন ধোনি
- আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা দাবি করলেন এমপি নজরুল
- শিশুদের কল্যাণে অনন্য নজির স্থাপন করলেন আর্জেন্টাইন তারকা
- আন্তর্জাতিক মহলের সমালোচনার মধ্যেই রাশিয়ার নির্বাচন সম্পন্ন
- অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচনে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
- লংমার্চকে কেন্দ্র করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হলে মেনে নেবে না বিএনপি: রিজভী
- সাইবার অপরাধ দমনে চীনের সঙ্গে নতুন সহযোগিতার ঘোষণা
- সরকারের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভূত চেপে বসেছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার
- দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে নতুন মৃত্যুর পরিসংখ্যান সামনে এল
- আলোচিত সংসদ সদস্য ও তাঁর স্ত্রীর রিমান্ড মঞ্জুর
- জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে ইতালীয়দূতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ক্ষণ ঘনিয়ে আসছে মেসির
- যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য বিশ্বাস করে না বিশ্ব, মন্তব্য ইরানি মুখপাত্রের
- রোববারের এই আকস্মিক মৃত্যু নিয়ে যা জানা যাচ্ছে
- শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবন থেকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- দুর্দান্ত জয়ের পরও বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বড় ছন্দপতন
- বিরলে পুষ্টি সংবেদনশীল হর্টিকালচার নার্সারি বিষয়ে প্রশিক্ষণ
- খাওয়ার টেবিলে শিশুর স্ক্রিন আসক্তি কি আসলেই ক্ষতিকর?
- প্রচারচিত্রে বুক চেপে লুটিয়ে পড়লেন ভাইজান! হঠাৎ কী ঘটল ‘বিগ বস’-এর মঞ্চে?
- ধারণাকেও ছাড়িয়ে গেল খরচ! ইরান যুদ্ধে কত ব্যয় হলো যুক্তরাষ্ট্রের?
- ২৭ সেপ্টেম্বরের মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা, গ্রেপ্তার ইমরান খানের বোন
- ডিজিটাল অভিজ্ঞতায় বড় চমক, দেশজুড়ে নতুন ইন্টারনেট ব্যবস্থা আনল গ্রামীণফোন
- বন্ধুত্বের আড়ালে চরম বিশ্বাসঘাতকতা! আইফোনের লোভে অপ্রতিমকে যেভাবে হত্যা করা হয়
- পল্লবীতে সরকারি কলেজের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন
- রাজধানী রিয়াদের আকাশে আগুনের শিখা! কী ঘটেছে আরামকো ও বিমানবন্দরে?
- বৈশ্বিক মঞ্চে নতুন সরকারের অভিষেক: জাতিসংঘ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- অপ্রতিমের মৃত্যু যে প্রশ্ন রেখে গেল: নিরাপত্তা, জনআস্থা ও আইনশৃঙ্খলার নতুন পরীক্ষা
- বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের গর্জন, আইসিসির নতুন র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের চমক
- গেজেট প্রকাশের আগেই সামনে এলো নতুন পে-স্কেলের বিস্তারিত, কার কত বাড়ছে?
- ভারত ও চীনসহ ১০ দেশকে নিশানা করে মার্কিন কংগ্রেসে নতুন বিল
- ভরদুপুরে সেলুনে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ও কোপ, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল রোমহর্ষক দৃশ্য
- মক্কার ড্রোন হামলার ভিডিও নিয়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া, যা জানা গেল ফ্যাক্ট চেকে
- ২০৩১ সালের মধ্যে চালু হচ্ছে নতুন ইলেকট্রিক ট্রেন, মেগা বরাদ্দ একনেকে
- সুন্দরবনে ফাইভ-স্টার ‘ট্রি-হাউস’ ও আকাশপথে বাঘ দর্শনের মেগা পরিকল্পনা
- বিরলে পুষ্টি সংবেদনশীল হর্টিকালচার নার্সারি বিষয়ে প্রশিক্ষণ
- তাপপ্রবাহের মাঝে বৃষ্টির পূর্বাভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা
- রাজধানীতে আধুনিক যোগাযোগের মহাবিপ্লব, একনেক সভায় বিপুল অর্থ বরাদ্দ
- নিম্নমুখী প্রবণতার পরেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় লাফ, বাড়ল রুপার দামও
- ১ মিনিটের বিজ্ঞাপনে তোলপাড় নেটদুনিয়া, তীব্র সমালোচনার মুখে তারকা অভিনেত্রী
- মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণে বড় মোড়, হুতি ঠেকাতে এক টেবিলে সৌদি ও ইসরায়েল?
- এলএনজি, জ্বালানি তেল ও টিসিবির পণ্য কেনায় সরকারের মেগা অনুমোদন






.jpg)

