ধর্মের নামে ভোট চাওয়া ইমান নষ্ট করার শামিল: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন যে একটি রাজনৈতিক দল বর্তমানে ধর্মের দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আজ সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জামালপুর ইউনিয়নের ভগদগাজি বাজারে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল তাঁর বক্তব্যে অভিযোগ করেন যে একটি নির্দিষ্ট দল সাধারণ ভোটারদের মাঝে প্রচার করছে যে ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কায় ভোট দিলে নাকি বেহেশতে যাওয়া যাবে—নাউজুবিল্লাহ। এই দাবির তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন যে কোনো নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিলে কি কেউ বেহেশতে যেতে পারে? এটি ইমান নষ্ট করার মতো একটি অপপ্রচার।
বিএনপি মহাসচিব আরও উল্লেখ করেন যে দেশের প্রখ্যাত আলেমরাও এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি জানান যে বাবুনগরী সাহেব জামায়াতে ইসলামিকে ভোট দেওয়া নাজায়েজ বলেছেন এবং চরমোনাইয়ের পীর জামায়াতে ইসলামিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
ইমান রক্ষা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন যে এমন একটি দলকে ভোট দিয়ে আমরা আমাদের ইমান নষ্ট করতে পারি না। তাই তিনি এলাকার মা-বোন ও ভাইদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানান যেন কেউ বিভ্রান্ত না হন এবং ধর্মের নামে চলা এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সজাগ থাকেন।
হয়রানির ভয়ে মানুষ এখন পুলিশের কাছে যেতে চায় না: শিশির মনির
দেশের বর্তমান বিচারপ্রক্রিয়া ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার গভীর সংকট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং একটি মামলা নিষ্পত্তিতে বছরের পর বছর সময় লেগে যাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ এখন চরম হয়রানির আশঙ্কায় পুলিশের কাছে যেতে রীতিমতো ভয় পায়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে এক বিশেষ আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির তাঁর বক্তব্যে বলেন, কোনো ভদ্র ও সাধারণ মানুষ সহজে মামলা-মোকদ্দমার ঝামেলায় জড়াতে চান না। কারণ দেশের প্রচলিত ব্যবস্থায় একটি মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে যে বিপুল পরিমাণ সময় লাগে, সাধারণ একজন মানুষের পক্ষে ততটা ধৈর্য বা সামর্থ্য ধরে রাখা প্রায় অসম্ভব। এর ফলে মানুষ এখন আইনের আশ্রয় নিতে বা পুলিশের কাছে মামলা করতে এক ধরনের ভয় পায় এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত আস্থা খুঁজে পায় না।
দেশের সামগ্রিক বিচারব্যবস্থায় মামলার জট ক্রমেই পাহাড়সম হচ্ছে জানিয়ে তিনি এক উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগেই বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ২৩৬টি মৃত্যুদণ্ডের আপিল মামলা ঝুলে রয়েছে। দেশের আদালতগুলো প্রতিদিন নিয়মিত পরিচালিত হওয়ার পরও বর্তমান গতিতে আগামী ১০ বছরেও এই বিপুল সংখ্যক স্পর্শকাতর মামলার সম্পূর্ণ নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে না।
আইনজীবী শিশির মনির আরও যোগ করেন, দীর্ঘসূত্রতার কারণে বিচার পেতে অতিষ্ঠ হয়ে দেশের সাধারণ মানুষ এখন প্রায়ই সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করে। কিন্তু বাস্তবসম্মতভাবে বিচারিক কাজ পরিচালনা করা তো প্রধানমন্ত্রীর প্রধান কাজ নয়। জনগণ যখন প্রচলিত আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় আর কোনো সহজ উপায় বা আলোর মুখ খুঁজে পায় না, তখনই নিরুপায় হয়ে এমনটি করে থাকে।
সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারাও দেশে বছরের পর বছর ধরে চলা নির্যাতন, বিচারহীনতা এবং বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার নেতিবাচক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার তাগিদ দেন। একই সঙ্গে তারা একটি কার্যকর, স্বচ্ছ ও সম্পূর্ণ জনবান্ধব বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। রিমান্ড বা হেফাজতে নির্যাতনের মাধ্যমে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় বন্ধ করা এবং যেকোনো অপরাধের ভুক্তভোগীদের প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তারা।
উক্ত আলোচনা সভায় বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি, মানবাধিকারকর্মী, সংবাদকর্মী, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধিকার-এর পরিচালক (প্রোগ্রামস) মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং পুরো কর্মসূচিটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও অ্যাডভোকেসি) তাসকিন ফাহমিনা।
এছাড়া অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি বক্তা হিসেবে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) প্রতিনিধিদল, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর হাসান জোহা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ড. ফয়েজুল হাকিম, দ্য ডেইলি ওয়াদারের সম্পাদক-ইন-চিফ শফিকুল আলম, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল।
/আশিক
১ টাকার দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারলে সংসদ থেকে ইস্তফা দেব: হাসনাত আবদুল্লাহ
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে যেকোনো গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সব ধরনের রাষ্ট্রীয় বাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত করে যদি তাঁর বিরুদ্ধে মাত্র এক টাকার দুর্নীতির প্রমাণও কেউ দিতে পারে, তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় সংসদ থেকে ইস্তফা দেবেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে সংসদ অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনাকালে সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে তিনি এই কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।
এদিন জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা চলাকালীন কার্যপ্রণালী বিধির ২৭৪ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত কৈফিয়ত দেওয়ার জন্য ফ্লোর চেয়ে দাঁড়ান সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
এরপর ডেপুটি স্পিকার তাকে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য ১ মিনিট সময় বরাদ্দ দিলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তিনি অতীতে তাঁর দেওয়া বক্তব্যের কোথাও এমন কোনো শব্দ উচ্চারণ বা বাক্য ব্যবহার করেননি যে তাঁকে যেন সরকারি বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত না করা হয়। বরং তিনি এটি বলতে চেয়েছিলেন যে, তাঁর কোনো ব্যক্তিগত বক্তব্যের কারণে বা রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তাঁর নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষকে যেন কোনোভাবে সরকারি উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা না হয়।
সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, আজকেও এই সংসদে আমরা দেখেছি বিগত জুলাই বিপ্লব সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্য করে কিছু তির্যক কথা বলা হয়েছে যে, আমরা নাকি আগে রিকশায় চড়তাম এবং এখন বড় বড় গাড়িতে চড়ি। এই প্রসঙ্গে সংসদে উপস্থিত ক্ষমতাসীন দলের সদস্যদের বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে দেশের সব প্রধান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা যেমন ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশ ও মিলিটারি সম্পূর্ণরূপে আপনাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তাই আপনাদের মতো অত্যন্ত দায়িত্বশীল জায়গা থেকে স্রেফ মৌখিক অভিযোগের সুরে কোনো দোষারোপ না করে, এই সমস্ত রাষ্ট্রীয় সংস্থার মাধ্যমে সুক্ষ্ম তদন্ত পরিচালনা করুন। সেই নিরপেক্ষ তদন্তে যদি আমার বিরুদ্ধে ১ টাকার দুর্নীতি কিংবা কোনো প্রকার অসৎ উপায়ের বিন্দুমাত্র প্রমাণ কেউ দিতে পারে, তবে আমরা এই সংসদ থেকে সরাসরি পদত্যাগ করব।
/আশিক
বিএনপি ফ্যাসিবাদের রাজপথ ধরে হাঁটছে: জামায়াত আমির
গণহত্যার বিচারের নামে দীর্ঘসূত্রিতা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি বজায় রেখে বিএনপি সরকার ফ্যাসিবাদের পথ অনুসরণ করছে বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকাল ৫টায় রাজধানীর বিজয়নগরে ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের আমলে সংঘটিত গুম, খুন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে’ ১১ দলের এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি গুম, খুন ও নির্যাতনের বিচারের প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় বসার পর তাদের সুর পাল্টে গেছে।
এমনকি নিজেদের কর্মী খুনের ঘটনার প্রতিও দলটির কোনো দায় বা দরদ নেই উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যাদের নিজস্ব কর্মীদের প্রতি মমতা নেই, তারা দেশের ২০ কোটি মানুষের জন্য কী করবে? বিএনপিকে ‘ফ্যাসিবাদের রাজপথের অনুসারী’ আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, তারা এখন একদলীয় শাসন ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছে, যার ফলে দেশে আরেকটি বিপ্লব অনিবার্য হয়ে উঠছে।
সমাবেশে ১১ দলের শীর্ষ নেতারাও খুনিদের বিচারে দীর্ঘসূত্রিতার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চালানোর জন্য বর্তমান বিএনপি সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। মজলুম অবস্থায় আওয়ামী লীগের গণহত্যার বিচার চাইলেও ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপি বিচারহীনতার সংস্কৃতি টিকিয়ে রেখেছে বলে মন্তব্য করেন বিরোধীদলীয় নেতা। একই সমাবেশে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের পদত্যাগ দাবি করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দেন যে, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার দায় নিয়ে তাকে সরতে হবে এবং এসব অপরাধের সঠিক বিচার করতে না পারলে বর্তমান সরকার পাঁচ বছর টিকতে পারবে না।
/আশিক
নাম না নিয়ে সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির সংসদ সদস্য
সংসদে সরাসরি নাম উল্লেখ না করে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ঝালকাঠি-১ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই দাবি জানান।
রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, ‘এ দলটি ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল। যে দলটি বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরুদ্ধে ছিল, আমি মহান সংসদে দাবি করব— তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করতে পারবে না, তাদের রাজনীতিও ফ্যাসিস্টদের মতো নিষিদ্ধ করা হোক।’
বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইসলামের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন— নামের পরে ইসলাম থাকলেই ইসলাম হয় না। যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করেন, গত নির্বাচনে তারা ভোটের বিনিময়ে মানুষকে বেহেশত দিয়েছেন। আমরা দেখেছি, বিড়ির সুখটানের মধ্য দিয়েও তারা বলেছিল— সকল পাপ মওকুফ হয়ে যাবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, এভাবে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে যারা ইসলামের নামে রাজনীতি করছে এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তাদের এই দেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। তাই ফ্যাসিস্টদের মতো তাদের রাজনীতিও নিষিদ্ধ করা উচিত।
/আশিক
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অসত্য বক্তব্যের অভিযোগ, সংসদে মির্জা ফখরুল-নাহিদের বাগ্বিতণ্ডা
জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সংসদ অধিবেশনে তীব্র উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানকে নিয়ে হান্নান মাসউদের মন্তব্যকে ‘ভুল তথ্য’ ও ‘অসত্য’ আখ্যা দিয়ে তা সংসদের কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ (বাদ) করার দাবি জানিয়েছে সরকারি দল বিএনপি।
রোববার (২১ ২১ জুন) ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বাজেটের আলোচনা করতে গিয়ে বক্তব্যের একপর্যায়ে অনুপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেন নোয়াখালী-৬ আসনের এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এখানে নেই। কিন্তু উনি যখন বিভিন্ন ভাষণে গিয়ে অসত্য তথ্য দিয়ে বলেন বিরোধী দল মিছিল করতেছে মদের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বা সিগারেটের দাম বৃদ্ধি করার কারণে—এমন অসত্য তথ্য দিয়ে যখন প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেন আমরা খুবই আশাহত হই।”
ঋণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য টেনে তিনি আরও বলেন, “যখন ঋণ নিয়ে আমরা সংসদে কথা বলতে যাই, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কথা বলতে যাই, তখন প্রধানমন্ত্রী যদি বলে আপনারা সবাই জমিদার যারা ঋণ নেন নাই, এর মধ্য দিয়ে মূলত প্রধানমন্ত্রী ঋণখেলাপিদের উৎসাহিত করে।”
হান্নান মাসউদের এই মন্তব্যের পরপরই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন ফারুক। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে হান্নান মাসউদ ভুল তথ্য দিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন এবং এই বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। জবাবে বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম ফ্লোর নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, “এখানে সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন ফারুক দাঁড়িয়ে বলেছেন হান্নান মাসউদ ভুল তথ্য দিয়েছে।
কিন্তু কোন তথ্যটা ভুল ছিল, সেটা বলেনি।” নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, “আমরা দেখেছি প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে স্লিপ অব টাং ভুল বলেছেন, পরে সেটা তিনিই শুধরেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করার অধিকারও বিরোধী দলের আছে। ওনাকে আমরা সম্মান করি এর মানে এই না যে তার বক্তব্যের সমালোচনা করা যাবে না।”
নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের পরই তীব্র আপত্তি জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি হান্নান মাসউদের বক্তব্যের আপত্তিকর ও অসত্য অংশটুকু এক্সপাঞ্জ করতে স্পিকারের কাছে জোর দাবি জানিয়ে বলেন, “মাননীয় স্পিকার, সংসদ নেতাকে নিয়ে অসত্য বক্তব্য এখানে মেনে নেওয়া যাবে না।” মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের মাঝেই বিএনপি ও জামায়াত সদস্যদের মধ্যে তীব্র হট্টগোল ও উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে হান্নান মাসউদ আবার দাঁড়িয়ে কথা বলতে চাইলে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাকে থামানোর চেষ্টা করেন এবং কড়া ভাষায় তিরস্কার করে বলেন, “যখন খুশি দাঁড়াবেন এটা সংসদের রীতি না। আপনি বসেন। হান্নান মাসউদ, এটা শাহবাগ চত্বর নয়, এটা জাতীয় সংসদ।”
ডেপুটি স্পিকারের এই মন্তব্যের পরপরই পরিস্থিতি শান্ত করতে ফ্লোর নেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি সংসদের বাইরে কোনো অপ্রাসঙ্গিক বিতর্ক টেনে না আনার অনুরোধ জানিয়ে স্পিকারের উদ্দেশে বলেন, “এটা সত্য-এটা অসত্য এই ঝগড়ায় যদি যাই তাহলে অনেক কিছু আমাদের জন্য লজ্জাজনক হয়ে যাবে। আমি চাচ্ছি না কারো সম্মানের সাথে এই লজ্জাটা লেগে থাকুক। আমি অনুরোধ করবো এই বিষয়ের পুরাটাই আপনি এখান থেকে ইগনোর করুন, সেটাই কল্যাণকর হবে।” জামায়াত আমিরের এই ইগনোর (এড়িয়ে যাওয়া) করার পরামর্শ ও হস্তক্ষেপে বিষয়টি সেখানেই থেমে যায় এবং পরে এই ইস্যুটি নিয়ে সংসদে আর কোনো আলোচনা করা হয়নি।
/আশিক
সংসদ অধিবেশনে হঠাৎ উত্তাপ, হান্নান মাসুদের আচরণে ডেপুটি স্পিকারের কড়া হুঁশিয়ারি
জাতীয় সংসদ অধিবেশন চলাকালে স্পিকারের অনুমতি ছাড়া হঠাৎ দাঁড়িয়ে কথা বলা এবং হইচই করার অপরাধে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল হান্নান মাসউদকে কড়া ভাষায় সতর্ক করেছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। নোয়াখালীর এই তরুণ এমপির আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে স্পিকারের দায়িত্বে থাকা কায়সার কামাল স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “মাননীয় সংসদ সদস্য আপনি বসুন, এটা শাহবাগ চত্বর নয়, জাতীয় সংসদ।”
রোববার (২১ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এই নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সে সময় সংসদে বক্তব্য রাখছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হওয়ার আগেই হঠাৎ করে নিজ আসন থেকে দাঁড়িয়ে কথা বলার জন্য ডেপুটি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন হান্নান মাসুদ। সংসদীয় রীতিনীতি লঙ্ঘন করে হুট করে দাঁড়িয়ে পড়ায় তাকে বারবার বসার তাগিদ দেন ডেপুটি স্পিকার।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ক্ষুব্ধ কণ্ঠে হান্নান মাসুদের উদ্দেশে বলেন, “হান্নান মাসুদ আপনি বসুন। সংসদে কথা বলার জন্য আপনি যখন খুশি তখন দাঁড়াবেন, দিস ইস নট দ্য নর্ম (এটি নিয়ম নয়)। মাননীয় সদস্য দয়া করে আপনি বসুন।” কিন্তু স্পিকারের এই বারবার নির্দেশনা সত্ত্বেও হান্নান মাসুদ না বসে নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন এবং তাকে কথা বলার ফ্লোর দেওয়ার জন্য অনবরত দাবি জানাতে থাকেন।
একপর্যায়ে হান্নান মাসুদকে শান্ত করতে ব্যর্থ হয়ে ডেপুটি স্পিকার কঠোর ভাষায় বলেন, “হান্নান মাসুদ এটা শাহবাগ চত্বর নয়, জাতীয় সংসদ। আপনি আপনার সিটে বসুন।” স্পিকারের এই কঠোর মন্তব্যের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এমপি হান্নান মাসুদ তার আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে দুই হাত উঁচিয়ে সংসদের ভেতর চিৎকার-চেঁচামেচি করতে থাকেন। সংসদের এই হট্টগোলের জেরে অধিবেশনে উপস্থিত অন্য সদস্যদের মধ্যেও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে ফ্লোর নিয়ে বক্তব্য দেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
/আশিক
আপনাদের কথামতো ইলিয়াসকে গুম করলাম: ট্রাইব্যুনালে সাবেক বডিগার্ডের চাঞ্চল্যকর সাক্ষ্য
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যাকাণ্ডের মামলার প্রধান আসামি, সাবেক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আজ এক চাঞ্চল্যকর ও রোমহর্ষক সাক্ষ্য দিয়েছেন তাঁরই একসময়ের বডিগার্ড (রানার) ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস।
রোববার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে তাঁর এই জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণকালে অভিযুক্ত জিয়াউল আহসান ট্রাইব্যুনালে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
জবানবন্দিতে রংপুর সেনানিবাসের বর্তমান ওয়ারেন্ট অফিসার ইমরুল কায়েস ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে গুম করার নেপথ্য ঘটনা সবিস্তারে তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল তৎকালীন র্যাব ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক জিয়াউল আহসান, মেজর নওশাদ ও স্কোয়াড্রন লিডার সাইফসহ তাঁরা একটি মাইক্রোবাসে করে মহাখালী ফ্লাইওভারের কাছে যান।
সেখানে গাড়িতে বসে জিয়াউল আহসান বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে ‘টার্গেট’ কখন আসবে তা ট্র্যাকিং করছিলেন। সেদিনের মিশন ব্যর্থ হলেও, পরে ছুটিতে গিয়ে ইমরুল জানতে পারেন যে বনানী-মহাখালী এলাকা থেকেই ইলিয়াস আলীকে অপহরণ করা হয়েছে। ছুটি শেষে র্যাব সদর দপ্তরে ফিরে তিনি এক থমথমে পরিবেশ দেখতে পান এবং জানতে পারেন যে অস্ত্রের ইন-আউট রেজিস্টার ও সিসিটিভি ফুটেজ জিয়াউল আহসান নিজেই ধ্বংস করে ফেলেছেন।
জবানবন্দির সবচেয়ে বিস্ফোরক অংশে ইমরুল কায়েস জানান, একদিন জিয়াউল আহসানের কাছে শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকীর ফোন আসে। তখন ফোনে ক্ষুব্ধ জিয়াউল আহসানকে বলতে শোনা যায়, “স্যার, আপনাদের কথামতো ইলিয়াসকে গলফ (গুম) করলাম, এখন আপনারা এমন করলে হবে! এর চেয়ে আমি কমান্ডো মানুষ, আমাকে জঙ্গলে পোস্টিং দিয়ে পাঠায়ে দেন, এটাই আমার ভালো।” সাক্ষী আরও দাবি করেন, জিয়াউল আহসানের রানার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন তিনি তাঁকে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ মানুষকে বিভিন্নভাবে হত্যার সাথে জড়িত থাকতে দেখেছেন।
এদিকে, জবানবন্দি শেষে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। তিনি বলেন, তদন্ত ও সাক্ষ্যের ভিত্তিতে প্রমাণিত হয়েছে যে ইলিয়াস আলীকে জিয়াউল আহসানই অপহরণ করেছিলেন। শুধু তাই নয়, জিয়াউলের এই ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ বাংলাদেশ ও ভারতজুড়ে বিস্তৃত ছিল। সাক্ষীর বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, পিলখানা হত্যাকাণ্ড-পরবর্তী ‘অপারেশন রেবেল হান্ট’-এ প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্যকে ইনজেকশন পুশ করে অথবা মাথায় গুলি ঠেকিয়ে হত্যার পর বুড়িগঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
এছাড়া ভারত থেকে সাদা পোশাকে আসা ব্যক্তিদের মাধ্যমে জাফলং সীমান্তে আসামি এনে মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যার মতো ভয়ানক ‘জাফলং অপারেশন’ পরিচালনা করেছিলেন জিয়াউল। জবানবন্দি শেষে নিজের জীবনের চরম নিরাপত্তা হীনতার কথা উল্লেখ করে ট্রাইব্যুনালের কাছে বিশেষ সুরক্ষার আবেদন জানিয়েছেন সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস।
/আশিক
রাশেদ খাঁনকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ গরুর সাথে গল্পের পরামর্শ এমপি হানজালার
মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা এবং বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁনের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তীব্র ও ব্যঙ্গাত্মক বাক্যবিনিময় শুরু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁনের দেওয়া একটি আক্রমণাত্মক পোস্টের জবাবে আজ রোববার (২১ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি রসাত্মক ও কটাক্ষপূর্ণ স্ট্যাটাস দেন এমপি হানজালা।
কাউন্টার পোস্টে এমপি হানজালা লেখেন, "রাশেদ খাঁন আমাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে নিতে চায়। আমি তো যাবই, তবে থাকব বাঘের সাথে—বাঘ অন্তত নিজের পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত না!" রাশেদ খাঁনকে সরাসরি নিশানা করে তিনি আরও লেখেন, "আর রাশেদ খাঁনকে রেখে আসব ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামে এক গরুর পাশে। দেখি দুজন মিলে কতক্ষণ গল্প করতে পারে!" স্ট্যাটাসের শেষে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের প্রতি রসিকতা ছুঁড়ে দিয়ে এই সংসদ সদস্য লেখেন, "চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষকে শুধু একটা অনুরোধ—গরুটা যেন পরে নাম পরিবর্তনের আবেদন না করে!"
এর আগে শনিবার বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন তার ফেসবুক পোস্টে এমপি হানজালার তীব্র সমালোচনা করে তাকে ‘অদ্ভুত প্রাণী’ ও ‘ম্যানারলেস’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি দাবি করেন, এক বিএনপি নেতার সঙ্গে হানজালার আচরণ অত্যন্ত লজ্জাজনক ছিল এবং তাকে টিকিট কেটে চিড়িয়াখানায় দেখার ব্যবস্থা করা উচিত।
রাশেদ খাঁন তার পোস্টে উল্লেখ করেন, "এর আগে বিএনপিকে নিয়ে মন্তব্য করেছিলো, হানজালা খোঁচাখুঁচি করলে বিএনপি এই দেশে থাকতে পারবে না। আওয়ামী আমলে এদের এসব গর্জন তো দেখিনি। এরা তখন কোথায় ছিলো? আজকাল এসব লোকদের এতো বেশি ঔদ্ধত্য যে, সরকারি দলের লোকজনকে এরা আওয়ামী জামানার বিরোধীদলের মত ট্রিট করে।" রাজনৈতিক শূন্যতার কারণে বিএনপিকে এই আচরণ হজম করতে হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি আরও লেখেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ওই বিএনপি নেতা "এমপি নামক অদ্ভুত প্রাণীটাকে কানের নীচে দুই পাঁচটা লাগিয়ে দিতো।" দুই নেতার এই ফেসবুক যুদ্ধ এখন নেটদুনিয়ায় টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।
/আশিক
ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুর ও বেইজিং—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেগা সফরে যা কিছু থাকছে
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৬ জুনের এই দ্বৈত রাষ্ট্রীয় সফরটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। একদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম অর্থনৈতিক পরাশক্তি মালয়েশিয়া, অন্যদিকে বৈশ্বিক অর্থনীতির অন্যতম নিয়ন্ত্রক চীন। দুই দেশের এই শীর্ষ সফর কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বাংলাদেশের বাণিজ্য বহুমুখীকরণ, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বহুপক্ষীয় জোটে নিজেদের অবস্থান পাকা করার একটি কৌশলগত মিশন।
পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম স্পষ্ট করেছেন যে, এই সফরে সরকারি অপচয় রোধে সফরসঙ্গীর সংখ্যা মাত্র ২৮ জনে সীমিত রাখা হয়েছে, যা বৈদেশিক সফরের ক্ষেত্রে একটি নতুন ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।
মালয়েশিয়া মিশন (২১–২২ জুন): লক্ষ্য যখন শ্রমবাজার ও আসিয়ান
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে ২১ জুন (রোববার) দুপুরে কুয়ালালামপুর পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম এই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক মূলত রেমিট্যান্স এবং জনশক্তি কেন্দ্রিক হলেও, এবারের সফরে এজেন্ডার পরিধি অনেক বিস্তৃত।
প্রধান এজেন্ডা ও কৌশলগত আলোচনা:
জি-টু-জি (G2G) কর্মী নিয়োগের গতি বৃদ্ধি: মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট প্রথা দূর করে পরিচ্ছন্ন ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন শিল্প খাতে (বিশেষ করে ম্যানুফ্যাকচারিং ও কনস্ট্রাকশন) আরও বেশি নতুন বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
সেমিকন্ডাক্টর ও মাইক্রোচিপ শিল্পে অংশীদারিত্ব: মালয়েশিয়া বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিং হাব। বাংলাদেশ তার হাই-টেক পার্কগুলোর উন্নয়নে মালয়েশিয়ার কারিগরি সহযোগিতা এবং যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান জানাবে।
আসিয়ান (ASEAN) সদস্যপদ ও রোহিঙ্গা সংকট: ২০২৬ সাল নাগাদ আসিয়ানের কার্যকর অংশীদার হতে চায় বাংলাদেশ। জোটের অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য মালয়েশিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে চায়। একই সঙ্গে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সক্রিয় ভূমিকা দাবি করা হবে।
হালাল অর্থনীতি ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য: বিশ্বজুড়ে মালয়েশিয়ার হালাল সার্টিফিকেশন (JAKIM) অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য। বাংলাদেশের উদীয়মান খাদ্য ও ওষুধ শিল্পকে এই হালাল ইকোসিস্টেমে যুক্ত করার রোডম্যাপ তৈরি হবে।
চুক্তি ও দলিল সইয়ের সম্ভাবনা:
১. মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA): দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য শুল্ক কমাতে এফটিএ বা প্রিফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (PTA) এর প্রাথমিক খসড়া চূড়ান্ত হতে পারে।২. সাংস্কৃতিক বিনিময় প্রটোকল: পর্যটন ও দুই দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন দৃঢ় করতে একটি সমঝোতা স্মারক।
চীন মিশন (২৩–২৬ জুন): সামার দাভোস ও বেইজিংয়ের মেগা ডিল
২২ জুন রাতে মালয়েশিয়া থেকে সরাসরি চীনের উইন্ডো সিটি বা বন্দরনগরী দালিয়ানে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। চীনের এই পাঁচ দিনের সফরটি মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত—প্রথমটি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (WEF) মঞ্চে বাংলাদেশের বৈশ্বিক নেতৃত্ব উপস্থাপন এবং দ্বিতীয়টি বেইজিংয়ে শীর্ষ নেতাদের সাথে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক বোঝাপড়া।
২৩ জুন ২০২৬
সকাল (WEF শীর্ষ বৈঠক): বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও-র সাথে একান্ত বৈঠক। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব (4IR) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের তরুণদের যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা।
দুপুর (বহুপক্ষীয় কূটনীতি): সামার দাভোসে অংশ নেওয়া কাজাখস্তান, মঙ্গোলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সাইডলাইন দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।
বিকেল (মূল ভাষণ): 'ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন শিফটিং global ল্যান্ডস্কেপ' সেশনে প্রধান বক্তা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জন্য বৈশ্বিক তহবিল (Loss and Damage Fund) ছাড়ের দাবি তুলবেন তিনি।
সন্ধ্যা: চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং কর্তৃক আয়োজিত রাষ্ট্রীয় স্বাগত নৈশভোজে অংশগ্রহণ।
২৪ জুন ২০২৬
সকাল: 'ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল' প্রতিপাদ্যে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভার মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান।
দুপুর: চীনের দ্রুতগতির বুলেট ট্রেনে চেপে দালিয়ান থেকে বেইজিং যাত্রা। এর উদ্দেশ্য চীনের উন্নত যোগাযোগ অবকাঠামো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ। বেইজিংয়ে পৌঁছে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে অবস্থান।
২৫ জুন ২০২৬
সকাল (অর্থনৈতিক কূটনীতি): চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (CPC) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী এবং চীনের এক্সিম ব্যাংকের (Exim Bank) চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলাদা বৈঠক। বাংলাদেশের বড় অবকাঠামো প্রকল্পে সহজ শর্তে ঋণ ও রেয়াত সময় (Grace Period) বৃদ্ধির প্রস্তাব।
দুপুর (বিনিয়োগ সম্মেলন): বিডা (BIDA) আয়োজিত 'বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম'-এ চীনের শীর্ষ ৫০০টি কোম্পানির নির্বাহীদের সামনে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তুলে ধরে বক্তব্য।
বিকেল (আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক): গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক। দুই দেশের উপস্থিতিতে ১৫-১৭টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই।
২৬ জুন ২০২৬
সকাল: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাউ লেজির সাথে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা।
দুপুর (মাস্টার স্ট্রোক বৈঠক): চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। এই বৈঠকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চীনা সহায়তার (Currency Swap) মতো স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
বিকেল: তিয়েনআনমেন স্কয়ারে বীর যোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ঢাকার উদ্দেশ্যে বেইজিং ত্যাগ।
বেইজিংয়ে কী কী চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (MoU) হতে যাচ্ছে?
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চীন সফরে ১৫ থেকে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি চলছে। এর বিন্যাস নিচে দেওয়া হলো:
১৩টি সমঝোতা স্মারক (MoU): যার মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল ইকোনমি, গ্রিন ডেভেলপমেন্ট, কৃষি প্রযুক্তি স্থানান্তর, এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা।
২টি মূল চুক্তি: অবকাঠামো নির্মাণ এবং বাণিজ্য সহজীকরণ সংক্রান্ত।
১টি কর্মপরিকল্পনা (Action Plan): আগামী ৫ বছরের জন্য চীন-বাংলাদেশ কৌশলগত অংশীদারিত্বের রোডম্যাপ।
১টি প্রটোকল: বাংলাদেশ থেকে নির্দিষ্ট কিছু কৃষিপণ্য (যেমন আম, চামড়া ও পাটজাত পণ্য) চীনে শুল্কমুক্ত রপ্তানির প্রটোকল।
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অগ্রগতি ও বেসরকারি খাত
এই সফরের অন্যতম বড় ফোকাস হলো বাংলাদেশে প্রস্তাবিত "চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল" (Chinese Economic Zone)। আনোয়ারা বা পটুয়াখালীতে পরিকল্পিত এই বিশেষ জোনে চীনের হেভি ইন্ডাস্ট্রি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি (সোলার প্যানেল) এবং বৈদ্যুতিক যান (EV) প্রস্তুতকারকদের আনার জন্য চীনের বেসরকারি খাতের নেতাদের সাথে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি গোলটেবিল বৈঠক করবেন।
দীর্ঘমেয়াদী কূটনৈতিক প্রভাব (Analyst View):
বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভারসাম্য (Balancing Act) রক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি চীন ও মালয়েশিয়ার মতো পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করে বাংলাদেশ তার "সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়" ও "সবার আগে বাংলাদেশ" নীতিকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
পাঠকের মতামত:
- হয়রানির ভয়ে মানুষ এখন পুলিশের কাছে যেতে চায় না: শিশির মনির
- দেবিদ্বারে স্বপ্নসিঁড়ি ব্লাড ডোনার সোসাইটির নতুন কমিটি গঠন
- দেবিদ্বার নিউ মার্কেটে বাস পার্কিং করে যানজট: ৩ পরিবহনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা
- জাপান ও সুইডেনের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, কার মাথায় উঠবে নকআউটের মুকুট?
- ইসলামে বিভেদ ও হানাহানির কোনো স্থান নেই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- জর্ডান ম্যাচে আর্জেন্টিনা একাদশে বড় পরিবর্তনের আভাস, বিশ্রাম পেতে পারেন মেসি-মার্তিনেজ
- ডলার শক্তিশালী হওয়ায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
- ১ টাকার দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারলে সংসদ থেকে ইস্তফা দেব: হাসনাত আবদুল্লাহ
- প্রতিদিনের ১০ খাবার যা বাড়াবে আপনার শক্তি
- হালাল রিজিক ও বরকতের জন্য যে আমলগুলো গুরুত্বপূর্ণ
- ৪৮ দলের নতুন বিশ্বকাপে কঠিন সমীকরণের মুখে বিশ্বফুটবলের পরাশক্তিরা
- আজ রাতের মধ্যে দেশের ১৭ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস, ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
- ইরান যুদ্ধ নিয়ে নিজ দলের আইনপ্রণেতাদের তোপের মুখে ডোনাল্ড ট্রাম্প
- ২৮ জুন থেকে দেশের ৫টি কেন্দ্রে নেওয়া হবে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন
- অন্যায় ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে লড়তে শেখায় আশুরা: রাষ্ট্রপতি
- সীমান্ত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান হবে: আশাবাদ নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারের
- বেইজিংয়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক: ১৫টি সমঝোতা স্মারকে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়
- ২৫ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ২৫ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৫ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- তিস্তা নিয়ে চীনের সঙ্গে নতুন সমঝোতা, বৈঠকে তারেক রহমান
- যেদিন থেকে শুরু হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন
- নবম পে স্কেলে বড় অগ্রগতি, বৈঠকে নেওয়া যেসব সিদ্ধান্ত
- স্বস্তির খবর, সোনার দামে বড় পতন ঘোষণা বাজুসের
- বিজিবির কঠোর অবস্থানে ব্যর্থ বিএসএফের পুশইন চেষ্টা
- প্রথমবার এমওইউ সই করল বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টি
- বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন গতি, বেইজিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- আশুরার রোজা কেন এত ফজিলতপূর্ণ? জেনে নিন
- নকআউটে ব্রাজিল, কবে-কোথায় ম্যাচ? প্রতিপক্ষ কারা
- আজকের খেলা: বাংলাদেশ-ভারতসহ জমজমাট সূচি
- আজ যেসব এলাকায় ৮-৯ ঘণ্টা থাকবে না বিদ্যুৎ
- সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও আলোচনা সভা চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত
- দেবিদ্বারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও শিশু পরিবারের শিক্ষার্থীদের মাঝে ফল বিতরণ
- চরভদ্রাসনে বিএসটিআইয়ের মোবাইল কোর্ট: দুই বেকারিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা
- ২৫ লাখ কিলোমিটার দূর দিয়ে যাবে গ্রহাণু, বাইনোকুলারে দেখার সুযোগ
- দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে বাধা: ভারতের ব্যাখ্যা অসন্তোষজনক বলল ঢাকা
- রোনালদোর ‘ফিরে এসেছি’ হুংকার নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের তীব্র উপহাস
- রাউন্ড অব ৩২-এর আগে ব্রাজিলের একাদশে বড় রদবদলের আভাস
- সঞ্চয়পত্র নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনা, সব ব্যাংককে কড়া সতর্কবার্তা
- ১৭ বছর পর দেশ একটি কার্যকর সংসদ পেয়েছে: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ‘সবুজ পাতায়’ যুক্ত হচ্ছে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু প্রকল্প
- ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলবেন কি না, তা নিয়ে মুখ খুললেন লিওনেল মেসি
- করের নতুন নিয়ম ১ জুলাই থেকে, যেসব ফিতে বাড়ছে ২০ শতাংশ টিডিএস
- হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ থেকে টোল নিচ্ছে না ইরান: ট্রাম্প
- খামেনির দাফন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ইরানের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
- ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ভ্যাটের আওতায় আসছে নতুন ১৬ ব্যবসা খাত: অর্থমন্ত্রী
- চীনের ডালিয়ান থেকে বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
- ২৪ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ২৪ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৪ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- শিক্ষকের মর্যাদা ও প্রশাসনিক সংস্কৃতির সীমারেখা
- ইরান চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তোপ
- হরমুজে টোল নিলে যুক্তরাষ্ট্রই আদায় করবে: ট্রাম্প
- স্পেন-সৌদি আরবসহ আজ বিশ্বকাপের বড় ছয় লড়াই, এক নজরে পূর্ণ সূচি
- বিশ্বকাপে গোলযুদ্ধে ব্রাজিল-জার্মানির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
- ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬: টিভি ও মোবাইলে দেখার উপায়
- রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণের নতুন লাফ: দুদিনের মাথায় দামের এই রেকর্ড লাফের পেছনের রহস্য কী?
- নকআউটে ব্রাজিল, কবে-কোথায় ম্যাচ? প্রতিপক্ষ কারা
- সরকারি কর্মচারীদের জন্য যেসব সুবিধা বাড়ানো হয়েছে
- রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত
- ‘চল যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ নাজিরপুরে মাদক নির্মূলে মানববন্ধন
- অবসরের ১১ বছর পর ফুটবল মাঠে ফিরছেন কিংবদন্তি রোনালদিনহো
- ২১ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুর ও বেইজিং—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেগা সফরে যা কিছু থাকছে
- বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সাম্বা ঝড়, নকআউটে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র, মরক্কোর জয়








