নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ইসি: সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ সুখবর 

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৯ ১৭:৩৩:০১
নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ইসি: সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ সুখবর 
ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব.)। আজ সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেলে সাংবাদিকদের নির্বাচনী বুথ পরিদর্শনকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ইসি সানাউল্লাহ স্পষ্ট করে বলেন যে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করলে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়বেন না। তাঁর এই বক্তব্য সাংবাদিক মহলের মনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ নিরসনে বড় ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে গত রোববার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই নির্দেশনায় বলা হয়েছিল যে কেবল প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা এবং নির্দিষ্ট দুইজন আনসার সদস্য (অ্যাপ ব্যবহারের জন্য) মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

এই কঠোর নির্দেশনার ফলে প্রার্থী ও বিশেষ করে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় সাংবাদিক সমাজে তীব্র উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরে সাংবাদিক মহলের ব্যাপক সমালোচনা ও প্রতিবাদের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়।

উপস্থিত সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে ইসি সানাউল্লাহ আরও জানান যে মোবাইল ফোন বহনে যে নিষেধাজ্ঞার কথা আগে বলা হয়েছিল, তা সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে শিথিল করা হবে। দ্রুতই এই বিষয়ে একটি নতুন ও সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


নির্বাচন ও গণভোট: ফল প্রকাশের দিন জানাল নির্বাচন কমিশন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৯ ১২:২১:৫৭
নির্বাচন ও গণভোট: ফল প্রকাশের দিন জানাল নির্বাচন কমিশন
ফাইল ছবি

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ফলাফল প্রকাশের সময় নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ও গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই নাকচ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট বক্তব্য হলো—এবার ফল ঘোষণা নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা হবে না এবং নির্বাচনের পরদিন শুক্রবারের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে বর্তমান নির্বাচনী পরিস্থিতি, প্রস্তুতি এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেন, শুরুতে নির্বাচনকে ঘিরে যেসব শঙ্কা, প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা ছিল, তা সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় ধীরে ধীরে কাটিয়ে ওঠা গেছে। কমিশন এখন আত্মবিশ্বাসী যে নির্ধারিত দিনে একটি শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে।

একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় ফলাফল প্রকাশে তিন দিন বা তার বেশি সময় লাগতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই ধারণার বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই। আধুনিক অটোমেশন ব্যবস্থা, একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস এবং কেন্দ্র থেকে দ্রুত তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতার কারণে ফলাফল দ্রুত সমন্বয় ও ঘোষণা করা যাবে। তবে দেশের কিছু দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে কয়েকটি কেন্দ্রের ফল পেতে সামান্য বিলম্ব হতে পারে বলেও তিনি স্বীকার করেন। কিন্তু সেটি সামগ্রিক ফল ঘোষণায় বড় কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনার জানান, এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য মাঠে থাকবে। অতীতের তুলনায় বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক বেশি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে এবং নির্বাচন কমিশনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সমন্বিতভাবে পুরো নির্বাচন পরিচালিত হবে।

নির্বাচনের দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রতিটি আসনে একাধিক মনিটরিং টিম কাজ করবে বলে জানান তিনি। এসব টিম প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে পরিস্থিতির আপডেট পাঠাবে। যেসব ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে, সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে যেকোনো অভিযোগ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যায়।

এ ছাড়া নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ঠেকাতে একটি বিশেষ ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং সেল’ সক্রিয় থাকবে বলেও জানান নির্বাচন কমিশনার। এই সেল অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া তথ্য যাচাই করে দ্রুত সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ করবে এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-রফিক


জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফল কবে? দিনক্ষণ জানালেন ইসি আনোয়ারুল সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৯ ১১:১৫:০৫
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফল কবে? দিনক্ষণ জানালেন ইসি আনোয়ারুল সরকার
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আশাবাদী বার্তা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি দাবি করেন, অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এবার নির্বাচনী পরিবেশ অনেক বেশি চমৎকার ও শান্তিপূর্ণ রয়েছে। বড় কোনো শঙ্কা ছাড়াই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, নির্বাচন নিয়ে তৈরি হওয়া সকল শঙ্কা ইতোমধ্যে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও অটোমেশন সিস্টেম ব্যবহারের ফলে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল পেতে খুব বেশি বিলম্ব হবে না। তাঁর দাবি অনুযায়ী, কোনোভাবেই তিন দিন নয়, বরং ভোটের পরের দিন অর্থাৎ শুক্রবারের (১৩ ফেব্রুয়ারি) মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব হবে। তবে ভৌগোলিক কারণে কিছু দুর্গম কেন্দ্রের ফলাফল আসতে সামান্য দেরি হতে পারে।

নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। অতীতের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করবে। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে

যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে সেখানে সিসিটিভি থাকবে এবং দায়িত্বরত সদস্যদের ‘বডি-ওর্ন’ ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি আসনে একাধিক মনিটরিং টিম থাকবে, যারা প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর তথ্য পাঠাবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তি ঠেকাতে একটি বিশেষ ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং সেল’ কাজ করবে।

ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, কমিশনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে একটি স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।


ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ! ৪০০ গজের মধ্যে ফোন নিলেই ব্যবস্থা: ইসি 

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৯ ০৯:৪৯:২১
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ! ৪০০ গজের মধ্যে ফোন নিলেই ব্যবস্থা: ইসি 
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের দিন প্রিজাইডিং অফিসার এবং নির্দিষ্ট নিরাপত্তা কর্মী ব্যতীত অন্য সাধারণ ভোটার বা ব্যক্তিদের জন্য ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়-১ শাখার এক চিঠিতে এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। তবে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে শুধুমাত্র প্রিজাইডিং অফিসার, কেন্দ্রের পুলিশ ইনচার্জ এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট দুইজন আনসার সদস্য মোবাইল ফোন সাথে রাখতে পারবেন। এই নির্দেশনা ইতিমধ্যে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলবে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩৪ জন।

নির্বাচন কমিশন সারাদেশে মোট ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্র স্থাপনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে। ভোট গ্রহণের জন্য পুরুষদের জন্য ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি এবং নারীদের জন্য ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। যেহেতু একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটকেন্দ্রে গোপন বুথের সংখ্যা বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।


২৪ কোটি ডলারের মেগা চুক্তি! চীনের সহায়তায় সমৃদ্ধ হচ্ছে বাংলাদেশের নৌবহর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ২০:৪৬:১৯
২৪ কোটি ডলারের মেগা চুক্তি! চীনের সহায়তায় সমৃদ্ধ হচ্ছে বাংলাদেশের নৌবহর
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের নৌপরিবহন খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এক বড় মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। চীন থেকে চারটি বিশালাকৃতির অত্যাধুনিক জাহাজ কেনার লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চীন সরকারের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে সই করেন।

ঢাকার চীনা দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, এই চুক্তির আওতায় কেনা চারটি জাহাজের মধ্যে দুটি হবে ‘ক্রুড অয়েল মাদার ট্যাঙ্কার’ এবং বাকি দুটি ‘মাদার বাল্ক ক্যারিয়ার’। আধুনিক নৌ-বাণিজ্যের প্রসারে এই জাহাজগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই বিশাল প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার।

খরচের বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুটি ক্রুড অয়েল মাদার ট্যাঙ্কার কিনতে ব্যয় হবে ১৫ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, দুটি মাদার বাল্ক ক্যারিয়ার সংগ্রহের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৮ কোটি ৯৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের নৌপরিবহন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এটি কেবল বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়তা করবে না, বরং বাংলাদেশের সামুদ্রিক স্বায়ত্তশাসনকে আরও শক্তিশালী করবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, চীন বাংলাদেশের সাথে সুপ্রতিবেশী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই জাহাজগুলো যুক্ত হলে আন্তর্জাতিক রুটে পণ্য পরিবহনে বাংলাদেশের খরচ কমবে এবং রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী জাহাজের বহর আরও শক্তিশালী হবে।


অন্তর্বর্তী সরকারের দম ফুরিয়ে গেছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য 

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ১৮:৫৪:২৮
অন্তর্বর্তী সরকারের দম ফুরিয়ে গেছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য 
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার ও বিচার করার সক্ষমতা এখন শেষ সীমায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘অঙ্গীকার থেকে বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এই কড়া মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিল সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, “বর্তমান সরকারের যতটুকু সংস্কার করার সুযোগ ছিল, যেটুকু বিচার করার জায়গা ছিল—ওনাদের দম ফুরিয়ে গেছে।” তিনি মনে করেন, সরকারের সক্ষমতা ও সম্ভাবনা এখন প্রান্তিক পর্যায়ে চলে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের সামনে একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো একটি গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া।

নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ ও নিরাপত্তা নিয়ে সিজিএস-এর এক জরিপ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৫০ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু ভোটার ভোটদান প্রক্রিয়ায় উদ্বিগ্ন এবং ২৫ শতাংশের বেশি উত্তরদাতা নিজেকে চরম অনিরাপদ মনে করেন। এই প্রসঙ্ড়ে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, প্রধান উপদেষ্টার কথার সঙ্গে কাজের মিল নেই। তিনি আরও বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা বলেছিলেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এক ছাতার নিচে থাকবে। কিন্তু ছাতা তো খুললই না, বরং বাইরে বৃষ্টি পড়ে যাচ্ছে।”

আসন্ন নির্বাচন যথেষ্ট অন্তর্ভুক্তিমূলক নয় বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, অংশগ্রহণমূলক করার সুযোগ এখনো হাতছাড়া হয়নি। নারী, সংখ্যালঘু বা ভিন্নমতের রাজনৈতিক কর্মী—সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পিছিয়ে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের শেষ সুযোগ। যদি এই অন্তর্বর্তী সরকার সর্বশেষ এই ভালো কাজটি (একটি সুষ্ঠু নির্বাচন) করে যেতে পারে, তবেই ইতিহাসের পাতায় তাদের সামান্য কিছু জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

অনুষ্ঠানে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার এবং অর্থনীতিবিদ সেলিম জাহানও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিজিএস-এর সভাপতি জিল্লুর রহমান।


শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড: জাতিসংঘের তদন্ত সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ১৭:৫২:২৮
শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড: জাতিসংঘের তদন্ত সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সরকার। এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (OHCHR) কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা চেয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের এক স্ট্যাটাসে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। স্ট্যাটাসে জানানো হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী গত ৬ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় অবস্থিত বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক ‘নোট ভারবাল’ (Note Verbale) প্রেরণ করেছে।

ওই আনুষ্ঠানিক চিঠিতে শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের জন্য জাতিসংঘের প্রতি বিনীত আহ্বান জানানো হয়েছে। জেনেভাস্থ বাংলাদেশ মিশন জানিয়েছে, এই আবেদনের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর (OHCHR) থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া মাত্রই তা দ্রুততার সাথে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে।

বাংলাদেশ সরকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে সরকার সম্পূর্ণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রশাসন। জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম কারিগর শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল, যার প্রেক্ষিতে সরকার এখন আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইছে।


২ কার্যদিবসে চুক্তি সম্ভব নয়: ডিপি ওয়ার্ল্ড ইস্যুতে বিডা চেয়ারম্যানের বড় ঘোষণা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ১৭:২০:৩৩
২ কার্যদিবসে চুক্তি সম্ভব নয়: ডিপি ওয়ার্ল্ড ইস্যুতে বিডা চেয়ারম্যানের বড় ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের (DP World) সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি সম্পন্ন হচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। অন্যদিকে, ইজারা বাতিলের দাবিতে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে আজ সকাল থেকে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দর।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “চুক্তি সম্পন্ন করার জন্য ডিপি ওয়ার্ল্ড আমাদের কাছে কিছুটা সময় চেয়েছেন। কিন্তু বর্তমান সরকারের হাতে মাত্র ২ কার্যদিবস সময় বাকি আছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে এত বড় চুক্তি সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ২০১৯ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের চূড়ান্ত পর্যায়ের বোঝাপড়া গত এক মাস ধরে চললেও তা এখনো চলমান এবং এর সফল সমাপ্তির জন্য আরও সময়ের প্রয়োজন।

এদিকে, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রোববার সকাল ৮টা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে সর্বাত্মক ও অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে শ্রমিক-কর্মচারীরা। এর ফলে বন্দরের জেটি, ইয়ার্ড, টার্মিনাল, প্রশাসনিক ভবন এমনকি বহির্নোঙরেও পণ্য খালাস ও পরিবহনের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বন্দরের ৪ নম্বর গেটসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে থাকলেও ভেতরে যানবাহন চলাচল স্থবির হয়ে পড়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বন্দর কর্তৃপক্ষ আজ সকালে প্রায় ২০০ সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিককে নিয়ে জরুরি সভার আহ্বান করলেও আন্দোলনকারীরা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। বন্দর রক্ষা পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই লাগাতার কর্মবিরতি চলবে। ইজারা বাতিলের পাশাপাশি তাঁদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে—বন্দর চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানকে প্রত্যাহার এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মামলা ও আইনি হয়রানি বন্ধ করা।


আজ থেকে বদলে যাচ্ছে দেশের নিরাপত্তা চিত্র মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ১১:২৬:১৪
আজ থেকে বদলে যাচ্ছে দেশের নিরাপত্তা চিত্র মাঠে নামছে সেনাবাহিনী
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে দেশজুড়ে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) থেকে দেশজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামছেন সশস্ত্র বাহিনীসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা সাত দিন তাঁরা নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন।

নির্বাচন কমিশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ থেকেই সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের মাঠে তাদের কার্যক্রম শুরু করছে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ অনুকূলে রয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে ১ হাজার ৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আজ থেকে ভোটের পরবর্তী দুই দিন পর্যন্ত অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে সক্রিয় থাকবেন।

এবারের নির্বাচনে মোট ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি সশস্ত্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে

আনসার ও ভিডিপি: ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন (সর্বোচ্চ)।

সেনাবাহিনী: ১ লাখ ৩ হাজার জন।

পুলিশ: ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন।

বিজিবি: ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন।

র‌্যাব: ৯ হাজার ৩৪৯ জন।

অন্যান্য: নৌ-বাহিনী ৫ হাজার, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, বিমান বাহিনী ৩ হাজার ৭৩০ এবং ৪৫ হাজার ৮২০ জন চৌকিদার-দফাদার।

পরিপত্র অনুযায়ী, বিজিবি, র‌্যাব, এপিবিএন এবং আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা ও উপজেলা ভিত্তিক ‘মোবাইল’ এবং ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে কাজ করবে। উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ দায়িত্বে থাকবে কোস্ট গার্ড। সাধারণ কেন্দ্রে ১৫-১৬ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন সদস্য মোতায়েন থাকবেন। তবে মেট্রোপলিটন এলাকা ও দুর্গম অঞ্চলের কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অতিরিক্ত সদস্য নিয়োজিত করা হয়েছে। সকল বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ঐতিহাসিক এই নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।


সুষ্ঠু ভোটে কারো চাপ নেই, হবে না কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং: ইসি মাছউদ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ২০:৪৪:৫৯
সুষ্ঠু ভোটে কারো চাপ নেই, হবে না কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং: ইসি মাছউদ
ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও ভোটের পরিবেশে এক বড় ধরনের গুণগত পরিবর্তন এসেছে। তিনি দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেছেন যে, নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষের চাপের মুখে নেই এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপির সুযোগ নেই। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে রংপুর সার্কিট হাউজে নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “জাতিকে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা থেকে শুরু করে নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত ১৮ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও আনসার বাহিনীর সদস্যবৃন্দ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।” তিনি জানান, দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত সহায়ক এবং এ নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কার কারণ নেই।

রাজনৈতিক পরিবেশ সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করেন যে, বড় রাজনৈতিক দলগুলো সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মেনে চলছে। দলগুলো ইতোমধ্যেই পোস্টার অপসারণ এবং নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে সফর বাতিল করে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে নির্বাচনী জনসভায় একে অপরের বিরুদ্ধে কড়া বক্তব্য দেওয়াকে তিনি ‘ভোটযুদ্ধের অংশ’ এবং রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে অভিহিত করেন।

ইসি মাছউদ দেশের সকল প্রকার সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে সম্প্রতি নিহত শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট বার্তায় জানান, নির্বাচনের প্রতিকূলে যায় এমন যেকোনো মুভমেন্ট বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের বিরোধী কমিশন। এ সময় রংপুরের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মতামত: