নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দিয়ে আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন: মির্জা আব্বাস 

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ১৭:২৮:৫৮
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দিয়ে আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন: মির্জা আব্বাস 
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-৮ (মতিঝিল-শাহবাগ) আসনের নির্বাচনী ময়দান এখন বেশ উত্তপ্ত। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও এই আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেছেন যে, তাঁর ধৈর্য পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন।

নির্বাচনী প্রচারণার শেষ লগ্নে এসে মির্জা আব্বাস তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমি যেন নির্বাচনের দিন ১২ তারিখ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে থাকতে পারি, আপনারা সেই দোয়া করবেন।” নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচনী প্রচারণায় নিয়মিত মির্জা আব্বাসকে নিয়ে বিভিন্ন ‘বেফাঁস’ মন্তব্য করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যার প্রেক্ষিতেই এই মন্তব্য করেন বিএনপির এই বর্ষীয়ান নেতা।

মির্জা আব্বাস আরও অভিযোগ করেন যে, একটি বিশেষ মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। তাঁর আশঙ্কা, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তনের অপচেষ্টা হতে পারে। তিনি দাবি করেন, প্রতিপক্ষ গোষ্ঠী নিজেরা যা করবে, তার দায় আগেভাগেই অন্য দলের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে, কারণ বর্তমানে তাদের সমর্থিত সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।

যাদের দেশ পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, তারা কীভাবে নির্বাচনের পর ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেয়—এমন প্রশ্ন তুলে মির্জা আব্বাস বলেন, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তাদের লোক বসানো আছে বলেই তারা এমন ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে। তাঁর মতে, প্রয়োজনে নির্বাচনের ফলাফল ম্যানিপুলেট বা প্রভাবিত করার জন্য এই অপশক্তি কাজ করছে। তবে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।


১৬ বিলিয়ন ডলার পাচারের হিসাব হবে, নিরাপদ হবে রাজধানী: তারেক রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ১৭:১৪:১৭
১৬ বিলিয়ন ডলার পাচারের হিসাব হবে, নিরাপদ হবে রাজধানী: তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকাকে একটি আধুনিক ও নিরাপদ মেগাসিটি হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তারেক রহমান। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান।

নির্বাচনী প্রচারণার শেষ লগ্নে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ঢাকা শহরকে একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ শহরে পরিণত করা হবে। বিশেষ করে শিশু-কিশোর ও তরুণদের জন্য ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি নতুন খেলার মাঠ তৈরি করা হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন। বিগত ১৬ বছরের শাসনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "গত দেড় দশকে মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি, হয়েছে শুধু মেগা দুর্নীতি। স্বৈরাচারী সরকার দেশ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে, যা যেকোনো মূল্যে বন্ধ করা হবে।"

জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারী সরকার এই আন্দোলনে ১৪০০ মানুষকে হত্যা করেছে এবং ২০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। তাঁদের এই মহান আত্মত্যাগ কোনোভাবেই বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। ক্ষমতায় গেলে কৃষকদের উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করলে কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ দেওয়া হবে এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে।

নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ সম্পর্কে আবেগঘন বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, "আমি এই এলাকারই সন্তান, এখানেই বড় হয়েছি। এই এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের আবাসন সমস্যা সমাধানে স্থায়ী বাসস্থান তৈরি করে দেওয়া হবে।" তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমৃত্যু জনসেবার কথা স্মরণ করে ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, "আগামী ১২ তারিখে আপনাদের বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজনদের ধানের শীষের পক্ষে ভোট দিতে অনুরোধ করবেন। আমাকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন।"


জিয়ার সেই ভুলের খেসারত দিচ্ছে জাতি, একই পথে তারেক: আসিফ মাহমুদ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ১১:৪৯:৩১
জিয়ার সেই ভুলের খেসারত দিচ্ছে জাতি, একই পথে তারেক: আসিফ মাহমুদ
ছবি: ইত্তেফাক কোলাজ

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক এক বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আওয়ামী লীগকে পুনরায় রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার চিন্তা হবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের করা ‘ঐতিহাসিক ভুলের’ পুনরাবৃত্তি। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেছেন—‘জনগণ চাইলে শেখ হাসিনার সন্তানরা রাজনীতিতে ফিরতে পারে’। এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, যদি দেশের মানুষ শেখ হাসিনা বা তাঁর সন্তানদের রাজনীতিতে দেখতে চাইত, তবে ২০২৪ সালের রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের প্রয়োজন হতো না। হাজারো মানুষের প্রাণহানির বিনিময়ে যে ফ্যাসিবাদকে বিদায় করা হয়েছে, তাদের আবার স্বাগত জানানো শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের উদাহরণ টেনে বলেন, "জিয়াউর রহমান তাঁর জীবনে একটি বড় ভুল করেছিলেন—তিনি বাকশাল প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যাকে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দিয়েছিলেন। সেই ভুলের খেসারত জাতিকে দীর্ঘ তিন যুগ ধরে দিতে হয়েছে। এর ফলেই দেশে গুম, খুন এবং জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।" তিনি আরও যোগ করেন, এই ভুলের কারণেই বেগম খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জনিং’-এর শিকার হতে হয়েছে এবং তারেক রহমানকে বছরের পর বছর নির্বাসনে থাকতে হয়েছে।

তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে আসিফ মাহমুদ প্রশ্ন তোলেন, নিজের পরিবার ও দেশের এত ত্যাগের পর তিনি কীভাবে একই ভুলের পথে হাঁটতে চাইছেন? তিনি স্পষ্ট জানান, জুলাই বিপ্লবের চেতনা হলো ফ্যাসিবাদকে সমূলে উৎপাটন করা, তাদের পুনর্বাসন করা নয়। তারেক রহমানের এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।


১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আখতার হোসেনকে হত্যার হুমকি

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ১১:১৫:৫৩
১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আখতার হোসেনকে হত্যার হুমকি
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের নির্বাচনী মাঠ। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব এবং ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী আখতার হোসেনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে নির্বাচনী প্রচারণার সময় একটি অপরিচিত মুঠোফোন নম্বর থেকে এই হুমকি পাওয়ার পর রাতেই তিনি পীরগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

পীরগাছা থানায় দায়ের করা জিডি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে আখতার হোসেন পীরগাছা থানার ছাওলা ইউনিয়নের কিশামত গ্রামে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একটি কল আসে এবং অপর প্রান্ত থেকে তাঁকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

শনিবার রাত ১১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় আখতার হোসেন বলেন, "সারা দেশের মতো আমার আসনেও শাপলা কলি প্রতীকের নেতাকর্মীদের নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয় দেখিয়ে বা উড়ো কথা বলে আমাদের এই জয়যাত্রাকে থামানো যাবে না।" তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, তাঁর প্রতিপক্ষ নির্বাচনে জেতার জন্য কালোটাকা ও পেশিশক্তি ব্যবহার করছে এবং প্রশাসনকে এ বিষয়ে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান।

পীরগাছা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুলিশ অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে এবং প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আজ ঢাকার রাজপথে তারেক রহমান: ৬টি আসনে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী ঝটিকা সফর!

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ০৯:৪৮:৪১
আজ ঢাকার রাজপথে তারেক রহমান: ৬টি আসনে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী ঝটিকা সফর!
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে আজ রাজধানী ঢাকার রাজপথে নামছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তারেক রহমান। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকা মহানগর উত্তরের গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি আসনে পৃথক নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেবেন তিনি।

গত শনিবার গুলশানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এই কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জনসভার সময়সূচি ও স্থান: বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ দুপুর ২টায় তারেক রহমান নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের ইসিবি চত্বরে প্রথম জনসভায় বক্তব্য দেবেন। এরপর অত্যন্ত ব্যস্ত এক সময়সূচি অনুযায়ী তিনি রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে যাবেন

বেলা ২টা ৪০ মিনিট: ঢাকা-১৬ আসনের পল্লবী ২ নম্বর ওয়ার্ডের লাল মাঠ।

বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট: ঢাকা-১৫ আসনের মিরপুর-১০ গোলচত্বর সংলগ্ন সেনপাড়া আদর্শ সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠ।

বিকেল ৪টা ২০ মিনিট: ঢাকা-১৪ আসনের ন্যাশনাল বাংলা উচ্চবিদ্যালয় গেট।

বিকেল ৫টা ১০ মিনিট: ঢাকা-১৩ আসনের শ্যামলী সিনেমা হলের পশ্চিম পাশে শ্যামলী ক্লাব মাঠ।

সন্ধ্যা ৬টা: ঢাকা-১১ আসনের বাড্ডা সাঁতারকুলের সানভ্যালি মাঠ।

নির্বাচনের ঠিক আগে তারেক রহমানের এই ঝটিকা সফর এবং ছয়টি জনসভায় সশরীরে অংশগ্রহণ রাজধানীর নির্বাচনী সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে মিরপুর, পল্লবী এবং বাড্ডা এলাকার জনসভাগুলোকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।


ক্ষমতায় গেলে সেনাবাহিনীকে রাজনীতিতে জড়াবে না বিএনপি: তারেক রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ০৯:০৬:২৭
ক্ষমতায় গেলে সেনাবাহিনীকে রাজনীতিতে জড়াবে না বিএনপি: তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে সশস্ত্র বাহিনীকে কোনোভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাতে রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহতদের পরিবার এবং অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি দেন।

সভায় তারেক রহমান সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা পুনরুদ্ধারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সেনাবাহিনীর সম্মান রক্ষার প্রাথমিক দায়িত্ব সেনাসদস্যদের নিজেদেরই নিতে হবে। তিনি মন্তব্য করেন, "সেনাবাহিনী রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন থাকবে, কিন্তু রাজনীতিতে বিলীন হবে না।" পেশাদারিত্ব যেন রাজনীতির আড়ালে ঢাকা না পড়ে, সে বিষয়ে তিনি বাহিনীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, বিএনপি অতীতে কখনো সেনাবাহিনীর গৌরব ক্ষুণ্ণ করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তাঁর মতে, বিএনপি রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী থাকা মানেই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত থাকা।

পিলখানা ট্র্যাজেডি প্রসঙ্গে তারেক রহমান অভিযোগ করেন যে, গত দেড় দশকে পরিকল্পিত ওই হত্যাযজ্ঞের দিনটিকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে পালন করতে দেওয়া হয়নি। তিনি ঘোষণা করেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের দিনটিকে ‘শহীদ সেনা দিবস’, ‘সেনা হত্যাযজ্ঞ দিবস’ অথবা ‘জাতীয় শোক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া, গত দেড় দশকে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সদস্যদের নিজেদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করার আহ্বান জানান তিনি।

তারেক রহমান জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ গঠন এবং সেনাবাহিনীর বিধিমালা সংস্কারের বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সুপারিশ আমলে নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে সংস্কার কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।


ভয় দেখালে আস্ত রাখব না: রুমিন ফারহানা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ২১:৪৭:০৪
ভয় দেখালে আস্ত রাখব না: রুমিন ফারহানা
ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেছেন যে, নির্বাচনী মাঠে তাঁকে নানাভাবে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা গ্রামে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই গুরুতর অভিযোগ আনেন।

জনসভায় ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা প্রতিপক্ষকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমি হুমকিতে এতটুকু টলার মানুষ না। আমি কাউকে হুমকি দিই না, তবে কেউ যদি আমার নেতাকর্মী বা আমাকে ভয় দেখানোর দুঃসাহস করে, তাকে আমি আস্ত রাখি না।” তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, সীমানা সংক্রান্ত জটিলতা থাকা সত্ত্বেও লড়াই করে তিনি বিজয়নগরের দুটি ইউনিয়নকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

স্থানীয় ভোটারদের সাহস জুগিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, এই নির্বাচন সাধারণ মানুষের মুক্তির লড়াই। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৮ মাসে এলাকায় ব্যাপক হারে মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজি এবং মানুষকে জিম্মি করে রাখার ঘটনা ঘটেছে। তিনি অঙ্গীকার করেন যে, বিজয়ী হলে এসব অরাজকতা থেকে জনগণকে মুক্তি দেবেন এবং যারা মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তাঁদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করবেন। একই সাথে ভোটকেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মাঠ না ছাড়ার কড়া নির্দেশ দেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।


পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে কে এগিয়ে? সোচ্চারের জরিপে চমক!

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ১৯:০২:৩৩
পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে কে এগিয়ে? সোচ্চারের জরিপে চমক!
তারেক রহমান, ডা. শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলাম/ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ও পরবর্তী সরকার গঠন নিয়ে জনমনে যখন প্রবল কৌতূহল, ঠিক তখনই এক চাঞ্চল্যকর জনমত জরিপের ফল প্রকাশ করেছে বেসরকারি সংস্থা ‘সোচ্চার’। জরিপে উঠে এসেছে এক চমকপ্রদ তথ্য—দেশের সিংহভাগ ভোটার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। তবে তাঁর ঠিক পরেই জনপ্রিয়তার দৌড়ে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত বিডিবিএল ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই জরিপের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। জরিপটি পরিচালনার জন্য ঢাকার চারটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী এলাকা—ঢাকা-১৭, ঢাকা-১৫, ঢাকা-১১ ও ঢাকা-১৩ আসনের মোট ২ হাজার ২৪১ জন ভোটারের সরাসরি মতামত নেওয়া হয়। ভোটারদের কাছে প্রশ্ন ছিল, “আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পর গঠিত সরকারে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনি কাকে দেখতে চান?”

জরিপে অংশ নেওয়া ভোটারদের মধ্যে ৪২ দশমিক ১ শতাংশ সরাসরি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মত দিয়েছেন। অন্যদিকে, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন বলে বিশ্বাস করেন ৩৪ দশমিক ৯ শতাংশ ভোটার। জরিপের এই ফলাফল ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পরবর্তী সরকার প্রধান নির্বাচনের ক্ষেত্রে তারেক রহমান এবং ডা. শফিকের মধ্যে একটি বড় ধরনের জনপ্রিয়তার লড়াই দৃশ্যমান।

অন্যান্যদের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন মাত্র ১ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ। তবে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অর্থাৎ ১৬ দশমিক ২ শতাংশ ভোটার এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি এবং ৪ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তারেক রহমানের প্রতি পুরুষ ভোটারদের সমর্থন ৪২ দশমিক ৪ শতাংশ এবং নারী ভোটারদের সমর্থন ৪১ দশমিক ৭ শতাংশ। অন্যদিকে, ডা. শফিকুর রহমানের প্রতি পুরুষদের সমর্থন ৩৪ দশমিক ৩ শতাংশ হলেও নারীদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা কিছুটা বেশি (৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ)। বিশ্লেষকদের মতে, এই জরিপের ফলাফল আসন্ন নির্বাচনে বড় দলগুলোর ভোটের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।


দাঁড়িপাল্লার এক পাল্লায় আমেরিকা, অন্য পাল্লায় ভারত: চরমোনাই পীর

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ১৮:৫০:১৪
দাঁড়িপাল্লার এক পাল্লায় আমেরিকা, অন্য পাল্লায় ভারত: চরমোনাই পীর
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জোট ও প্রতীকের রাজনীতি নিয়ে এক তীক্ষ্ণ ও সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে পটুয়াখালীর বাউফল ও জেলা শহরের পৃথক দুটি নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, বর্তমান রাজনীতির সমীকরণে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের এক পাল্লায় আমেরিকা এবং অন্য পাল্লায় ভারত অবস্থান করছে।

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় চরমোনাই পীর জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’র সমালোচনা করে বলেন, “তারা বলেন দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক, ন্যায়ের প্রতীক। এ কোন ইনসাফ? এখন তো দেখি দাঁড়িপাল্লার এক পাল্লায় গোপনে আমেরিকা, আরেক পাল্লায় গোপনে ভারত।” তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আমেরিকা বা ভারতের ইনসাফ দেখতে চায় না, তারা চায় ‘ইসলামের ইনসাফ’।

রাষ্ট্র পরিচালনা ও দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে রেজাউল করীম বলেন, বিগত ৫৪ বছর ধরে প্রচলিত আইন দিয়ে দেশ চললেও সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। বরং এক দল ক্ষমতায় আসলে অন্য দল দেশ ছেড়ে পালানোর সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, ইসলামী আন্দোলন ক্ষমতায় আসলে কোনো নিরপরাধ মানুষকে দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী আকাঙ্ক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষ জুলুম ও নির্যাতনমুক্ত একটি সোনার দেশ চেয়েছিল, কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহলের নীল-নকশার কারণে সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। এ সময় তিনি হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, প্রতিটি ভোট ইসলামের শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। বাউফল উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


বংশানুক্রমিক রাজার ছেলে রাজা হওয়ার প্রথা বদলাতে চাই: জামায়াত আমির 

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ১৭:৫৪:২৬
বংশানুক্রমিক রাজার ছেলে রাজা হওয়ার প্রথা বদলাতে চাই: জামায়াত আমির 
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, জামায়াত রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জনগণের সম্পদের পাহারাদার হিসেবে কাজ করবে এবং জনগণের তহবিলের কোনো অপব্যবহার হতে দেবে না। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, জামায়াতের প্রত্যেক সংসদ সদস্য প্রতি বছর নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব দিতে বাধ্য থাকবেন।

জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান এক ব্যতিক্রমী রাজনীতির রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, “আমরা ক্ষমতায় গেলে সরকারি প্লট কিংবা ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ির সুবিধা গ্রহণ করব না; প্রয়োজনে রিকশায় চড়ব অথবা পায়ে হেঁটে জনগণের সেবা করব।” রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নয় বরং পবিত্র কর্তব্য হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা রাজনীতিকে পেশা বানিয়েছে তারাই দেশে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও লুণ্ঠন চালিয়েছে। বিগত ১৫ বছরে দেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই বিপুল অর্থের প্রকৃত মালিক এ দেশের সাধারণ মানুষ।

দুর্নীতি ও দুঃশাসনের জন্য বিগত শাসকগোষ্ঠীকে দায়ী করে জামায়াত আমির বলেন, অসৎ নেতৃত্বের কারণেই এ দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী সুবাতাস উপভোগ করতে অনেকে ‘বসন্তের কোকিল’ সেজে জনগণের কাছে পীর-দরবেশের মতো হাজির হন এবং উন্নয়নের মিথ্যা আশ্বাস দেন, কিন্তু ভোট শেষ হলে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। জামায়াত এই ‘বংশানুক্রমিক রাজা হওয়ার’ প্রথা পরিবর্তন করে যোগ্য ও সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তিনি আরও প্রতিশ্রুতি দেন যে, জামায়াত ক্ষমতায় আসলে ব্যবসায়ীদের রাতের ঘুম হারাম হবে না এবং ফুটপাতের হকারদেরও আর চোখের পানি ফেলতে হবে না।

জেলা জামায়াতের আমির মখলিছুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, কাজী মহসিন আহমেদ ও ড. আহমদ আব্দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

পাঠকের মতামত: