বিটকয়েনে বড় ধস: এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ডিজিটাল মুদ্রার দাম 

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ১১:১২:০৫
বিটকয়েনে বড় ধস: এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ডিজিটাল মুদ্রার দাম 
ছবি : সংগৃহীত

বিটকয়েনের বাজারে ধস নেমেছে। গত কয়েক মাস ধরে দ্রুত কমতে থাকা বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম চলতি সপ্তাহে এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। বর্তমানে এটি প্রায় ৬৩ হাজার ডলারের কাছাকাছি লেনদেন হচ্ছে, যা গত অক্টোবরের ১ লাখ ২৭ হাজার ডলারের তুলনায় প্রায় অর্ধেক। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিটকয়েনের এই পতনের পেছনে প্রধানত বৈশ্বিক শেয়ারবাজারের অস্থিরতা এবং স্বর্ণ ও রুপার দামের ওঠানামা দায়ী। বড় বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিটকয়েন এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ETF) থেকে গত কয়েক মাসে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার তুলে নেওয়া হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতারই বহিঃপ্রকাশ। বর্তমানে বাজার লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে, যাকে বিশেষজ্ঞরা ‘ক্রিপ্টো উইন্টার’ বা দীর্ঘমেয়াদী মন্দা হিসেবে অভিহিত করছেন।

বিটকয়েনের পাশাপাশি দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি ইথারের দামও এ সপ্তাহে প্রায় ১৯ শতাংশ কমেছে। ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ডলার শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনায় অনেক বিনিয়োগকারী ক্রিপ্টো সম্পদ বিক্রি করে দিচ্ছেন। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রিপ্টো-বান্ধব নীতি গ্রহণ এবং একটি জাতীয় ক্রিপ্টো রিজার্ভ তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন, তবুও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব কাটানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অতীতেও এমন মন্দা দেখা গেছে যা সাধারণত এক বছরের মতো স্থায়ী হয়, তাই ভবিষ্যতে বাজার আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে।


স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, ভরি মিলবে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকাতে

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৭ ০৮:৩৫:৪১
স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, ভরি মিলবে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকাতে
ছবি: সংগৃহীত

টানা দুই দফায় মূল্যবৃদ্ধির পর দেশের স্বর্ণবাজারে অবশেষে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলেছে। স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সর্বশেষ সমন্বয় অনুযায়ী, ভরিতে এক ধাক্কায় ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমানো হয়েছে, যার ফলে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা।

বাজুস জানায়, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশের সব জুয়েলারি দোকানে এই নতুন মূল্য কার্যকর হবে। সংগঠনটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দর পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল, তখন এক লাফে ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকায় উন্নীত করা হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শনিবার থেকে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকায়। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা। তবে এসব দামের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি আলাদাভাবে যোগ হবে।

উল্লেখ্য, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ২৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ১৬ বার দাম বাড়ানো হলেও ৯ বার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘন ঘন এই দর পরিবর্তন দেশের স্বর্ণবাজারে অস্থিরতা তৈরি করলেও সাম্প্রতিক এই মূল্যহ্রাসকে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা সাময়িক স্বস্তি হিসেবেই দেখছেন।

-রফিক


বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে টাকার নতুন বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৬ ১১:২৫:১৭
বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে টাকার নতুন বিনিময় হার
ছবি: সংগৃহীত

শ্ব অর্থনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ যত গভীর হচ্ছে, ততই বাড়ছে আমদানি–রপ্তানি ও বৈদেশিক লেনদেনের পরিমাণ। এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রেমিট্যান্স প্রবাহ নির্বিঘ্ন রাখতে প্রতিদিনই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্গে টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য উন্মুক্ত উৎস।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে আজকের বিনিময় হার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী আজকের সরকারি বিনিময় হার নিম্নরূপ—

ইউএস ডলার: ১২২ টাকা ৩০ পয়সা

ইউরোপীয় ইউরো: ১৪৪ টাকা ৪১ পয়সা

ব্রিটিশ পাউন্ড: ১৬৭ টাকা ৪ পয়সা

অস্ট্রেলিয়ান ডলার: ৮৫ টাকা ৫৯ পয়সা

জাপানি ইয়েন: ৭৭ পয়সা

কানাডিয়ান ডলার: ৮৯ টাকা ৫১ পয়সা

সুইডিশ ক্রোনা: ১৩ টাকা ৬২ পয়সা

সিঙ্গাপুর ডলার: ৯৬ টাকা ১৪ পয়সা

চীনা ইউয়ান (রেনমিনবি): ১৭ টাকা ৬২ পয়সা

ভারতীয় রুপি: ১ টাকা ৩৫ পয়সা

শ্রীলঙ্কান রুপি: ২ টাকা ৫৩ পয়সা

অন্যান্য উন্মুক্ত উৎস অনুযায়ী হার

আন্তর্জাতিক অনলাইন তথ্যসূত্রের (গুগল) হিসাবে কিছু মুদ্রার হার সামান্য ভিন্ন দেখা যাচ্ছে

সিঙ্গাপুর ডলার: ৯৬ টাকা ৮ পয়সা

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত: ৩০ টাকা ৯৫ পয়সা

সৌদি রিয়াল: ৩২ টাকা ৬৪ পয়সা

কুয়েতি দিনার: ৩৯৮ টাকা ২২ পয়সা

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে ডলারের শক্তি, সুদের হার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ঘাটতি ও রেমিট্যান্স প্রবাহের ওপর নির্ভর করে এসব বিনিময় হার প্রতিনিয়ত ওঠানামা করছে। বিশেষ করে আমদানি ব্যয়, প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে এই হার সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানানো হয়েছে, বাজার পরিস্থিতি ও চাহিদা–যোগানের ভিত্তিতে যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে ব্যবসায়ী, প্রবাসী ও সাধারণ গ্রাহকদের লেনদেনের আগে সর্বশেষ হালনাগাদ হার যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

-শরিফুল


টানা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৬ ১০:৫৯:২৪
টানা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন
ছবি: সংগৃহীত

টানা দুই দফা বড় মূল্যবৃদ্ধির পর দেশের স্বর্ণবাজারে এবার কিছুটা স্বস্তির খবর এলো। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দর কমে যাওয়ায় স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এই তথ্য জানিয়েছে। সংগঠনটি জানায়, আজ সকাল ১০টা থেকেই স্বর্ণের নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দেওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে টানা মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কার পর ক্রেতারা কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন বলে মনে করছে বাজার সংশ্লিষ্টরা।

স্বর্ণের নতুন দাম (৬ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর)

বাজুস ঘোষিত সংশোধিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী—

২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা

২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা

১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা

সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা

এর আগে সর্বশেষ গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বাজুস স্বর্ণের দাম বড় পরিসরে বাড়িয়েছিল। সে সময় ভরিতে ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা, যা সেদিন বিকেল ৪টা থেকে কার্যকর হয়েছিল।

চলতি বছরে কতবার বদলাল স্বর্ণের দাম

এই সর্বশেষ ঘোষণার মাধ্যমে চলতি বছরে দেশের বাজারে মোট ২৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ১৬ দফা দাম বেড়েছে, আর ৯ দফা কমানো হয়েছে। অপরদিকে ২০২৫ সালে দেশের স্বর্ণবাজারে মোট ৯৩ বার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল—যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।

রুপার দামেও কমতির প্রভাব

স্বর্ণের পাশাপাশি এবার রুপার দামও কমানো হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা।

নতুন দর অনুযায়ী—

২২ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা

২১ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা

১৮ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা

সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯০৭ টাকা

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ১৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছে এবং ৭ বার কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় হয়েছিল মোট ১৩ বার—এর মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল, কমেছিল মাত্র ৩ বার।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের ওঠানামা, ডলার বিনিময় হার এবং স্থানীয় চাহিদা মিলিয়েই দেশের বাজারে এ ধরনের ঘন ঘন মূল্য সমন্বয় হচ্ছে। সামনে বিয়ের মৌসুম ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা থাকায় মূল্য আরও ওঠানামা করতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

-রফিক


ফের রেকর্ড, দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় মূল্যবৃদ্ধি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৬ ১০:৪০:৪১
ফের রেকর্ড, দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় মূল্যবৃদ্ধি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি এসেছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই নতুন দর ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সর্বশেষ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) স্বর্ণের দাম ভরিতে এক ধাপে ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। তেজাবি স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি দেশের খুচরা স্বর্ণবাজারে পড়েছে, যার ফলে নতুন করে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন স্বর্ণের দাম (৬ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর)

বাজুস ঘোষিত সর্বশেষ দর অনুযায়ী-

২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা

২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা

১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা

সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৪ টাকা

এর আগে শুক্রবার সকালেই এক দফা দাম বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ভরিতে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তখন ভরিতে দাম বাড়ানো হয়েছিল ৫ হাজার ৪২৪ টাকা। সেই অনুযায়ী ২১ ক্যারেট ছিল ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা, যা সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কার্যকর ছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বড় সমন্বয় এনে নতুন রেকর্ড গড়া হলো।

ঘন ঘন দাম সমন্বয়ের পেছনে কী

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ২৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৮ দফা কমানো হয়েছে। অপরদিকে ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়, যেখানে ৬৪ বার মূল্য বৃদ্ধি এবং ২৯ বার মূল্য হ্রাস করা হয়েছিল।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের ঊর্ধ্বগতি, ডলার বিনিময় হার, স্থানীয় চাহিদা ও তেজাবি স্বর্ণের সরবরাহ সংকট মিলিয়েই দেশে স্বর্ণের দামে এমন অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। সামনে বিয়ের মৌসুম ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা থাকায় স্বর্ণবাজারে আরও ওঠানামার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

-রাফসান


অচল বন্দর, সচল ষড়যন্ত্র? পণ্যবাহী জাহাজের কবরে পরিণত হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৫ ১৯:১০:৩৮
অচল বন্দর, সচল ষড়যন্ত্র? পণ্যবাহী জাহাজের কবরে পরিণত হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান লাগাতার কর্মবিরতি ও জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষ ১০টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা। তাঁরা এই পরিস্থিতিকে জাতীয় অর্থনীতির জন্য একটি ‘মহাবিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সংকট নিরসনে সরকারের উচ্চপর্যায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়।

যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন, বিসিআই, এমসিসিআই, ডিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, বিটিটিএলএমইএ, বিজিএপিএমইএ ও বিজিবিএ। ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের ইতিহাসে এই প্রথম জাহাজ চলাচল পর্যন্ত সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতির হৃৎপিণ্ডকে কার্যত অচল করে দিয়েছে। তাঁরা সতর্ক করে বলেন, বন্দর একদিন বন্ধ থাকলেই অর্থনীতিতে কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রত্যক্ষ ক্ষতি হয়। চলমান অচলাবস্থার কারণে তৈরি পোশাকসহ সব রপ্তানিমুখী শিল্পের আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে, যা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের দেওয়া ‘ডেডলাইন’ রক্ষা করা অসম্ভব করে তুলছে। এর ফলে বড় ধরনের ক্রয়াদেশ বাতিলের পাশাপাশি বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে সোর্সিং প্রত্যাহারের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বৈশ্বিক চাহিদা হ্রাস ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির এই কঠিন সময়ে বন্দরের অচলাবস্থা নতুন সংকট তৈরি করেছে। বন্দরে কনটেইনার জট বাড়ার ফলে ডেমারেজ, পোর্ট চার্জ ও স্টোরেজ রেন্ট বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে রপ্তানি পণ্যের দামে। অন্যদিকে, আমদানিকৃত কাঁচামাল সময়মতো না পৌঁছানোয় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। সামনে পবিত্র রমজান মাস থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কৃত্রিম সংকট ও দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। শিপমেন্ট বিলম্বের কারণে ব্যাংক ঋণ ও এলসি পরিশোধে জটিলতা তৈরি হয়ে আর্থিক খাতে বড় ধরনের অস্থিরতার শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন উদ্যোক্তারা।

নেতৃবৃন্দ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এনসিটি ইজারা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা সরকার চাইলে পুনরায় পর্যালোচনা করতে পারে, কিন্তু তার জন্য বন্দর অচল রাখা গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে তাঁরা আন্দোলনরত শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া মানে নিজের ঘরকে ঝুঁকির মুখে ফেলা। দেশের অর্থনীতির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে এবং জনস্বার্থে অবিলম্বে আলোচনার টেবিলে বসে একটি টেকসই সমাধানে পৌঁছানোর জন্য সরকার ও আন্দোলনরত পক্ষগুলোর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় এই মহাবিপর্যয় থেকে উত্তরণ সম্ভব হবে না বলে তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।


 একদিনে ২ বার দাম বৃদ্ধি! নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল স্বর্ণের বাজার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৫ ০৯:৩৬:৪৩
 একদিনে ২ বার দাম বৃদ্ধি! নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল স্বর্ণের বাজার
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। গত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) একদিনে দুই দফা দাম বাড়িয়ে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সারাদেশে এই নতুন দামেই স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে।

বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক জরুরি সভায় স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার সকালে প্রথম দফায় দাম ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়ানো হয়, যার কয়েক ঘণ্টা পর বিকেলে দ্বিতীয় দফায় আরও ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বৃদ্ধি করা হয়। সব মিলিয়ে একদিনেই মূল্যবান এই ধাতুর দাম ভরিতে ১৬ হাজার ৩৩০ টাকা বেড়েছে।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা। চলতি ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত দেশে ২৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৬ বার বেড়েছে এবং ৮ বার কমেছে। উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল।

এদিকে স্বর্ণের দামের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। গত মঙ্গলবার রুপার দাম ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য ৬ হাজার ৫৩২ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট রুপা ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৪ হাজার ২৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশে জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই নতুন মূল্য তালিকা কার্যকর থাকবে।


আজকের টাকার রেট: জেনে নিন বিদেশি মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৪ ১১:৪১:২০
আজকের টাকার রেট: জেনে নিন বিদেশি মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক প্রসারের ফলে আন্তর্জাতিক লেনদেনের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বাণিজ্যিক কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনা এবং সাধারণ প্রবাসীদের সুবিধার্থে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি। আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জগুলোর লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে প্রধান প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজকের লেনদেনে দেখা গেছে, মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান ১২১ টাকা ৮১ পয়সায় স্থিতিশীল রয়েছে।

অন্যদিকে ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর মান দাঁড়িয়েছে ১৪৪ টাকা ৫ পয়সায় এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের দর রেকর্ড করা হয়েছে ১৬৬ টাকা ৯৬ পয়সা।

এশীয় দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের মান ৩১ টাকা ২ পয়সা এবং সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার ৩২ টাকা ৪৮ পয়সা।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মুদ্রার মধ্যে কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৬১ পয়সা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৬ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী মুদ্রা কুয়েতি দিনারের মান আজ ৩৯৮ টাকা ৬৬ পয়সা।

প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারতীয় রুপির বিনিময় হার আজ ১ টাকা ৩৫ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপির মান ২ টাকা ৫২ পয়সা।

এ ছাড়া সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৮৫ পয়সা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৫ টাকা ৫৯ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

জাপানি ইয়েন এবং চীনা ইউয়ানের মান যথাক্রমে ৭৮ পয়সা ও ১৭ টাকা ৫৬ পয়সা।

তবে উল্লেখ্য যে, এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তনশীল এবং ব্যাংকভেদে বা স্থানভেদে লেনদেনের সময় সামান্য তারতম্য হতে পারে। বিশেষ করে কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে ডলার ও অন্যান্য মুদ্রার দরে ব্যাংকিং রেটের তুলনায় কিছুটা ব্যবধান থাকতে পারে।

(সূত্র: গুগল)


বাজুসের নতুন রেকর্ড: ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দফায় বাড়ল স্বর্ণের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৪ ০৯:৩২:৩২
বাজুসের নতুন রেকর্ড: ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দফায় বাড়ল স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

একদিনে দুই দফা দাম বাড়িয়ে দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। গতকাল মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সমন্বিত হওয়া এই রেকর্ড দামেই আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশে স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে। বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে।

স্বর্ণের নতুন বাজারদর বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, আজ থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে এই সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির পরিসংখ্যান উল্লেখ্য যে, গতকাল মঙ্গলবার মাত্র ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুইবার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সকালে প্রথম দফায় ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং বিকেলে দ্বিতীয় দফায় আরও ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়ানো হয়। ফলে একদিনেই স্বর্ণের দাম ভরিতে ১৬ হাজার ৩৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ২৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৬ বার দাম বেড়েছে এবং ৮ বার কমেছে। গত ২০২৫ সালেও স্বর্ণের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা ছিল, যেখানে ৯৩ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল।

রুপার দামও ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দামের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। মঙ্গলবার বাজুসের ঘোষণায় রুপার দাম ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৫৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৪ হাজার ২৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।


স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন কাণ্ড! ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের বাড়ল দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৩ ১৭:১৫:১৪
স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন কাণ্ড! ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের বাড়ল দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে নজিরবিহীন অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে একবার দাম বাড়ানোর পর মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে বিকেলে দ্বিতীয় দফায় দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬২ হাজার ১৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ বিকেল ৪টা থেকেই এই নতুন দাম কার্যকর হবে।

এক দিনেই দুই দফায় বড় উল্লম্ফন আজ সকালে এক দফা দাম বাড়ানোর পর বিকেলের এই সিদ্ধান্ত স্বর্ণের বাজারে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই জরুরি সমন্বয় করা হয়েছে। আজ সকাল সাড়ে ১০টায় যখন প্রথম দফায় দাম বাড়ানো হয়েছিল, তখন ২২ ক্যারেটের ভরি ছিল ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। বিকেলের বৃদ্ধির ফলে তা এখন ২ লাখ ৬২ হাজার ছাড়িয়ে গেল।

স্বর্ণের নতুন নির্ধারিত মূল্য তালিকা (বিকাল ৪টা থেকে কার্যকর) বাজুসের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তির তথ্যানুযায়ী

২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ১৮৪ টাকা।

২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ টাকা।

১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা।

সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৪ টাকা।

রুপার দামেও পরিবর্তন স্বর্ণের দাম আকাশচুম্বী হলেও আজ রুপার দাম কিছুটা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস। ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা করা হয়েছে।

সমন্বয়ের পরিসংখ্যান চলতি ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত মোট ২৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো, যার মধ্যে ১৬ বার দাম বেড়েছে এবং ৮ বার কমেছে। অন্যদিকে রুপার দাম এ বছর ১৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম পরিবর্তন করা হয়েছিল। একদিনে দুই দফায় এমন বড় অংকের দাম বৃদ্ধিকে বাজার সংশ্লিষ্টরা নজিরবিহীন ও উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখছেন।

পাঠকের মতামত: