আওয়ামী লীগ ছাড়া গোপালগঞ্জে ভোটের নতুন হিসাব

বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের দৃশ্য এক কথায় ব্যতিক্রমী। বিভিন্ন প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার মাইকিং শোনা গেলেও সড়কের দুই পাশে ব্যানার ও ফেস্টুনের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো নয়। অতীতে নির্বাচন এলেই পোস্টারে ঢেকে যেত শহর ও গ্রাম। এবার আচরণবিধির কড়াকড়িতে সেই চিত্র প্রায় অনুপস্থিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার বড় পরিবর্তনের কারণে গোপালগঞ্জের ভোটের মাঠও এবার ভিন্ন রূপ নিয়েছে।
আওয়ামী লীগবিহীন গোপালগঞ্জে নতুন সমীকরণ
একসময় যে গোপালগঞ্জকে নিরঙ্কুশভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর ঘাঁটি হিসেবে ধরা হতো, সেখানে এবার দলটি নির্বাচনের বাইরে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি এবং একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী।
এই পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে ভোটের হিসাব কীভাবে দাঁড়াচ্ছে, তা বুঝতে শহর ও গ্রামের বিভিন্ন মহল্লা ঘুরে অন্তত ৪০ জন ভোটারের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রতিবেদক। মতামতগুলোতে স্পষ্ট বিভাজন। কেউ বলছেন তিন আসনের মধ্যে একটিতে বিএনপি এগিয়ে থাকতে পারে, অন্য দুইটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সম্ভাবনা বেশি। কেউ আবার মনে করছেন, আওয়ামী লীগ সমর্থক ভোটাররা কেন্দ্রে না গেলে পুরো হিসাবই বদলে যেতে পারে। অনেকেই প্রকাশ্যে কোন প্রতীকে ভোট দেবেন তা বলতে অনীহা প্রকাশ করছেন।
ভয়, অনিশ্চয়তা ও ভোটার উপস্থিতির প্রশ্ন
স্থানীয়দের মতে, ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা সরকারের পতন, গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনীর ওপর হামলার ঘটনা এবং পরে জাতীয় নাগরিক পার্টি–এর সমাবেশ ঘিরে সহিংসতা ও মামলার পর অনেকেই গ্রেপ্তার বা এলাকাছাড়া হয়েছেন। এসব ঘটনার স্মৃতি ভোটারদের মধ্যে ভয় তৈরি করেছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন, ভোটকেন্দ্রে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে নতুন করে মামলা ও হয়রানির শিকার হতে পারেন। ফলে নিরিবিলি থাকাই নিরাপদ মনে করছেন একাংশ ভোটার।
ভোটারদের মনস্তত্ত্বে পরিবর্তন
তবে একই সঙ্গে ভিন্ন চিত্রও রয়েছে। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে দীর্ঘদিন ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারা অনেক ভোটার এবার সুযোগ দেখছেন। তরুণদের মধ্যে এই আগ্রহ বেশি। গোপালগঞ্জ প্রেস ক্লাবের পাশে এক চায়ের দোকানে লুডু খেলতে থাকা কয়েকজন তরুণের একজন বললেন, বহু বছর ভোটার হলেও কখনো ভোট দিতে পারেননি, কারণ ফল আগে থেকেই নির্ধারিত থাকত। এবার অন্তত নিজের ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি কেন্দ্রে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
‘দল নয়, মানুষ’ বনাম দলীয় স্মৃতি
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের কাজীর বাজারে চায়ের আড্ডায় এক মধ্যবয়সী ভোটার বললেন, দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ করলেও স্থানীয় এমপিকে কখনো এলাকায় দেখেননি। এবার বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সরাসরি ভোট চাইছেন, সেটাই বড় পরিবর্তন। আবার ষাটোর্ধ্ব এক ভোটার স্পষ্ট করে বলেন, এবার স্থানীয় মানুষ ছাড়া কাউকে ভোট দেবেন না।
অন্যদিকে, হরিদাসপুর ফেরিঘাট এলাকায় এক মুক্তিযোদ্ধা নেতা মনে করেন, আওয়ামী লীগ না থাকলেও ভোটকেন্দ্রে যাওয়া জরুরি। তার যুক্তি, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি জয়ী হলে ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন তারা।
তিন আসনের আলাদা আলাদা বাস্তবতা
গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী আংশিক)এই আসনে অতীতে আওয়ামী লীগের প্রভাব থাকলেও বিএনপি দুইবার জয় পেয়েছিল। এবার ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। মোট ভোটার প্রায় ৩ লাখ ৯৯ হাজার। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি তিন আসনের মধ্যে সবচেয়ে খোলা প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র।
গোপালগঞ্জ-২ (সদর ও কাশিয়ানী আংশিক)এ আসনটি দীর্ঘদিন শেখ ফজলুল করিম সেলিম–এর একক আধিপত্যে ছিল। এবার ১৩ জন প্রার্থী মাঠে। ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৪ হাজারের বেশি। এত প্রার্থী আগে কখনো দেখেননি বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়রা।
গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালিপাড়া)এই আসন ঐতিহাসিকভাবে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি, যেখানে একাধিকবার শেখ হাসিনা নির্বাচিত হয়েছেন। এবার ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। মোট ভোটার প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার।
নিরাপত্তা ও প্রশাসনের ভূমিকা
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার আশঙ্কার কথা উঠে আসায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নজরদারি চলছে। সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড ও পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি শহরের প্রবেশপথে চেকপোস্ট বাড়ানো হয়েছে এবং এলাকাভিত্তিক ঝুঁকি মূল্যায়ন করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা পাঠানো হয়েছে পুলিশ সদর দপ্তরে।
গোপালগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. জুবায়ের হোসেন মনে করেন, ভোটার উপস্থিতি ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে। তার ধারণা, তিন আসনের একটিতে দলীয় প্রতীকে জয় আসতে পারে, বাকি দুটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সম্ভাবনা বেশি।
রাজনৈতিক গুরুত্ব কোথায়
সব মিলিয়ে আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে গোপালগঞ্জের এবারের নির্বাচন শুধু ফলাফলের জন্য নয়, রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ। ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতিই নির্ধারণ করবে ভোটের শেষ চিত্র। এই নতুন সমীকরণ ভবিষ্যতে গোপালগঞ্জের রাজনীতিকে কোন পথে নিয়ে যায়, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের পর্যবেক্ষকরা।
সূত্র: জাগো নিউজ
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ফলাফল ও পরবর্তী পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই স্মৃতি হলে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় হলেও সেখানে কয়েক লাখ মুসলমান ও মতুয়া সম্প্রদায়ের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া এবং তাদের ভোটদান থেকে বিরত রাখার বিষয়টি উদ্বেগজনক। নির্বাচনে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সেখানে মুসলিম, দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যে নির্যাতনের খবর আসছে, তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য বাংলাদেশকেই সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি দেশবিরোধী শক্তির উসকানি ও সাম্প্রদায়িক প্রোপাগান্ডা বিষয়ে দেশবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে চট্টগ্রামে এনসিপিতে নতুন যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে দলের ভেতরে সব ধরনের দ্বন্দ পরিহার করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবার নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে এখনকার প্রধান জাতীয় দায়িত্ব।
/আশিক
লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন! ভাইরাল ছবিতে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন—বিসিবির সাবেক সভাপতির এই ছবি এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। দেশের ক্রিকেটের এক সময়কার প্রতাপশালী নিয়ন্ত্রক নাজমুল হাসান পাপনের এমন 'ভবঘুরে' এবং সাধারণ রূপ দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে আলোচনার ঝড়। বুধবার (৬ মে) সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানের পোস্ট করা এই ছবিটি মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কেড়েছে।
ছবিতে দেখা যায়, লন্ডনের এক ব্যস্ত রাস্তার ধারে অত্যন্ত সাধারণ ভঙ্গিতে বসে আইসক্রিম উপভোগ করছেন পাপন। প্রায় দুই বছর ধরে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের বাইরে থাকলেও তাকে নিয়ে আমজনতার কৌতূহল যে বিন্দুমাত্র কমেনি, এই ছবির নিচে জমা হওয়া হাজার হাজার কমেন্টই তার প্রমাণ। কেউ ক্ষমতার এই চরম পালাবদল দেখে বিস্ময় প্রকাশ করছেন, কেউবা হয়েছেন নস্টালজিক। আবার সমালোচকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন তার দাপুটে সময়ের কথা।
প্রবাস জীবনে পাপনের এমন সাধারণ দৃশ্য এবারই প্রথম নয়। এর আগে লন্ডনের সুপারশপে কেনাকাটা করা বা নিরিবিলি রাস্তায় হাঁটার ছবিও সামনে এসেছিল। তবে রাস্তার ধারে বসে আইসক্রিম খাওয়ার এই দৃশ্যটি যেন সময়ের ব্যবধান এবং জীবনের অনিশ্চয়তাকে আরও প্রকটভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে আজ সুদূর প্রবাসে এক নিভৃত জীবন—পাপনের এই ছবিটি যেন সেই পরিবর্তনেরই এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।
/আশিক
অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে অপরাধ বেড়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ
দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালের তুলনায় বর্তমানে অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যকে আন্তর্জাতিক মহলে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে, যা যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে। বাংলাদেশ যে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ এবং শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি, তা বিশ্ববাসীর কাছে জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে এই এনসিপি নেতা দাবি করেন, পর্যাপ্ত পূর্বপ্রস্তুতির অভাবেই মূলত দেশে ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার নতুনভাবে গঠিত হওয়ার পর প্রস্তুতির এই ঘাটতিকে কাজে লাগিয়ে একটি অসাধু সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই সংকটের পেছনে প্রস্তুতির অভাব এবং সিন্ডিকেটের কারসাজিই মূল কারণ বলে তিনি মনে করেন।
সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, প্রতিটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে প্রকৃত অর্থে জনগণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে। সেবাগ্রহীতা এবং সেবাদাতার মাঝখানে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের অস্তিত্ব থাকা উচিত নয়। প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে—এমনটাই তাঁর প্রত্যাশা।
দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় স্থানীয় সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইদুল রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
/আশিক
শাপলা চত্বর অভিযান ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায: জামায়াত আমির
রাজধানীর শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে সংঘটিত ঘটনার প্রকৃত সত্য উন্মোচনে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (৫ মে) দলটির প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন।
বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, ওই দিনের ঘটনাটি দেশের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। ঘটনার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার সম্পন্ন না হওয়াকে তিনি অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন। তিনি মনে করেন, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং এই ঘটনার পেছনে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য একটি গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিশন গঠন করা এখন সময়ের দাবি।
বিগত ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের সেই অভিযানকে ধর্মপ্রাণ মানুষের ওপর পরিচালিত এক নৃশংসতা হিসেবে বর্ণনা করে জামায়াতের আমির বলেন, সেই রাতের ঘটনা জাতির বিবেককে স্তম্ভিত করেছিল। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানবতার পরিপন্থি এমন কর্মকাণ্ড একটি সভ্য রাষ্ট্রে কখনোই কাম্য নয় বলে তিনি তার বিবৃতিতে জোর দিয়ে জানান। তিনি আরও বলেন, বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বছরের পর বছর ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করছে।
বিবৃতিতে দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং নিজস্ব মত প্রকাশের অধিকার স্বীকৃত। কিন্তু সেই অধিকারকে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করা গণতান্ত্রিক রীতির সম্পূর্ণ বিরোধী। ভবিষ্যতের যেকোনো সময়ে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এবং সত্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
বিবৃতির শেষ দিকে তিনি দেশের শান্তি, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। জাতীয় সংসদ থেকে পাঠানো এই বিবৃতিতে তিনি দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এই তদন্তের গুরুত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
/আশিক
এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে: শাহরিয়ার কবির
দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে এনসিপি-র ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির। রোববার গভীর রাতে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি ছোট কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। তিনি ইংরেজিতে লিখেছেন— “It’s time to say goodbye to NCP. All the best.” (এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে। শুভকামনা সবার জন্য।)
শাহরিয়ার কবিরের এই বক্তব্যের নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এনসিপি-র সাম্প্রতিক কিছু কার্যক্রম বা রাজনৈতিক অবস্থানের সাথে তাঁর মতপার্থক্য তৈরি হয়ে থাকতে পারে। সিনিয়র এই আইনজীবীর এমন সরাসরি ও কঠোর মন্তব্য দলটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কোনো সংকটের দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক জল্পনা।
এনসিপি যখন বিভিন্ন সংস্কার ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের দাবিতে রাজপথে সরব, ঠিক তখনই দলের ভেতরে থাকা বা ঘনিষ্ঠজনদের এমন 'বিদায়ী' সুর দলটির জন্য বড় ধরনের অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। শাহরিয়ার কবিরের এই পোস্টের পর এনসিপি’র পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
/আশিক
ছোটবেলার পরীক্ষার দিনের মতো পাশে ছিল নাহিদ: ডা. মিতু
জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, তাঁর জীবনের এক নতুন ও দায়িত্বশীল অধ্যায় শুরু হয়েছে। এই যাত্রায় তিনি এনসিপি’র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে একজন অভিভাবক এবং পথপ্রদর্শক হিসেবে পাশে পেয়েছেন বলে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
ডা. মিতু তাঁর পোস্টে নাহিদ ইসলামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে লেখেন, "পার্টির আহ্বায়কের বাইরে নাহিদ ইসলাম আমার ছোট ভাইয়ের মতো। সে আমার জন্য অভিভাবক হিসেবে পাশে ছিল।" সংসদের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি শৈশবের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ছোটবেলায় প্রথম পরীক্ষার দিন মা-বাবা বা বড় ভাই যেভাবে পথ দেখিয়ে নিয়ে যান, নাহিদ ইসলামও তাঁকে সেভাবেই সংসদে নিয়ে গেছেন এবং বিভিন্ন জায়গার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।
নাহিদ ইসলামের এই দায়িত্ববোধ তাঁকে ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান ডা. মিতু। তিনি লেখেন, "নাহিদ ইসলামের এই দায়িত্ববোধ আমাকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। ভীষণ ভালো লাগাও কাজ করছিল, সত্যি বলতে সাহসও পেয়েছি।" সবশেষে তিনি দেশ ও জনগণের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার তৌফিক কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
/আশিক
সংস্কারের বদলে নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত সরকার: হাসনাত আবদুল্লাহ
রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘জ্বালানি নিরাপত্তা: বর্তমান সংকট এবং ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সরকারের বর্তমান কার্যক্রমের কঠোর সমালোচনা করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, জনমানুষের কাঙ্ক্ষিত ‘প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার’ এখন কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমাদের জুডিশিয়ারি বা বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ার কথা ছিল, আমলাতন্ত্রে বড় ধরনের পুনর্গঠন এবং পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এসব ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত কোনো অগ্রগতিই চোখে পড়ছে না।”
সরকারের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “সরকার এখনো সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখার পুরনো প্রবণতা থেকে বের হতে পারছে না। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সবকিছু নিজেদের কবজায় রাখতে হবে—এই মানসিকতাই মূলত সংস্কারের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” তিনি মনে করেন, এই নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে তৈরি হওয়া পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
সেমিনারের মূল বিষয় ‘জ্বালানি নিরাপত্তা’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ দেশের শিল্প ও বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “জ্বালানিতে স্বনির্ভরতা অর্জন করতে না পারলে আমাদের শিল্প খাত মুখ থুবড়ে পড়বে।
ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।” তিনি অভিযোগ করেন যে, অতিরিক্ত আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার কারণে দেশের অর্থনীতি এখন চরম চাপের মধ্যে রয়েছে।
প্রতিবেশী দেশগুলোর উদাহরণ টেনে এই এনসিপি নেতা বলেন, “ভারত ও পাকিস্তান ইতিমধ্যে জ্বালানি উৎস বৈচিত্র্যকরণের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দিয়েছে। ফলে বৈশ্বিক অস্থিরতা সত্ত্বেও তাদের ওপর প্রভাব কম পড়ছে।
অথচ আমরা এখনো আমদানিনির্ভরতা থেকে বের হতে পারছি না।” তিনি অবিলম্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি জানান এবং সতর্ক করেন যে, এই পথে না হাঁটলে আগামীতে জ্বালানি সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করবে। কনভেনশনে এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁরা দেশের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে সোচ্চার হন।
/আশিক
ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে পারবে না বিএনপি: সারোয়ার তুষার
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জাতীয় কনভেনশনে বিএনপির তীব্র সমালোচনা করেছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি দাবি করেছেন, বর্তমান সরকার বিশেষ করে বিএনপি তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছে। তুষার বলেন, “জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যে এটি পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, বিএনপি আর ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করবে না।”
তাঁর মতে, বিএনপি ইতিমধ্যেই তাদের নির্বাচনী ইশতেহার লঙ্ঘন করে কার্যক্রম শুরু করেছে, যার ফলে এই ইশতেহার পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা তাদের পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব হবে না।
সারোয়ার তুষার কেবল অভিযোগ তুলেই ক্ষান্ত হননি, বরং দেশের প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম নিয়েও কথা বলেছেন। তিনি মনে করেন, কেবল রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে বসে থাকলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না; বরং জনগণের নিজেদের অধিকার আদায়ে সরাসরি সোচ্চার হওয়া জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলো যখন তাদের প্রতিশ্রুতি থেকে বিচ্যুত হয়, তখন সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংস্কার আদায় করে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এনসিপির এই নেতা ইঙ্গিত দেন যে, সরকার যদি জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনা বা ইশতেহার বাস্তবায়নে অবহেলা করে, তবে তারা মাঠ পর্যায়ে কঠোর অবস্থান নেবে। অনুষ্ঠানে এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁরা দেশের চলমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের দাবি জানান।
/আশিক
মেয়র হলে লাগবে না ময়লার বিল: আসিফ মাহমুদ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন এক চমক দিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, “আমি নির্বাচিত হলে, ঢাকা দক্ষিণের বাসিন্দাদের আর ময়লার বিল দিতে হবে না।” নাগরিক সেবা আরও সহজলভ্য এবং খরচমুক্ত করার লক্ষ্যেই তিনি এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, বিল না দিলে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন বা ময়লা অপসারণের খরচ কীভাবে মিটবে? এই বিষয়েও আসিফ মাহমুদ আগাম ধারণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, এমন একটি বিশেষ পদ্ধতিতে এটি বাস্তবায়ন করা হবে যাতে সাধারণ মানুষের পকেট থেকে টাকা যাবে না, আবার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও কোনো ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন না।
অর্থাৎ, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা বা বিশেষ তহবিলের মাধ্যমে এই সেবামূলক কাজ পরিচালনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। আসিফ মাহমুদের এই ঘোষণাটি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম
- ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী
- বগুড়া এখন সিটি করপোরেশন! তালিকায় যুক্ত হলো ৫টি নতুন উপজেলা
- ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা: মমতার দীর্ঘ শাসনের অবসান
- কোচ হতে কত বেতন চেয়েছেন নেইমারের গুরু? বিস্তারিত জানাল বাফুফে
- সততা ও নিরপেক্ষতার ‘মূল্য’! বারবার বদলি ও বিতর্কে ডিআইজি গোলাম রউফ খান
- বিপিএল ফিক্সিং কেলেঙ্কারি: ক্রিকেটার ও মালিকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে বিসিবির ব্যবস্থা
- বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়: বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে বেইজিংয়ে বড় অঙ্গীকার
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ চূড়ায়
- জমি কেনার আগে জানুন জরুরি পরিভাষা: প্রতারণা এড়াতে বিশেষ টিপস
- খামেনি-পেজেশকিয়ান আড়াই ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক: বড় কোনো সিদ্ধান্তের পথে ইরান?
- শিক্ষার্থীদের রিডিং পড়াতে ব্যর্থ হলে বেতন মিলবে না শিক্ষকদের
- বেইজিং সফরের আগেই হার মানলেন ট্রাম্প? হরমুজ প্রণালি নিয়ে পিছু হটল ওয়াশিংটন
- কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের এমপির সাথে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর: কৃষি পুনর্বাসনে আসছে বড় ঘোষণা
- দেশে হামের তাণ্ডব: ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, দিশেহারা অভিভাবকরা
- ৭ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৭ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৭ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত ইরান: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
- ওয়াকফ সম্পত্তির উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে বিশেষ বৈঠক
- ঘরোয়া টোটকা বনাম বাস্তবতা: চুল পড়া কমাতে পেঁয়াজের রস ব্যবহারের সুবিধা ও ঝুঁকি
- কার হাতে উঠছে ব্যালন ডি’অর? সেরা পাঁচের লড়াইয়ে বড় চমক
- ২০৩০ সালের টার্গেট ২০%: সৌরবিদ্যুতের হাত ধরে জ্বালানি বিপ্লবের পথে বাংলাদেশ
- তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: থালাপতি বিজয়ের সরকার গঠন নিয়ে বড় সংকট
- ট্রাম্পের শান্তি প্রচেষ্টায় বড় ধাক্কা: ইসরায়েলি হামলায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য
- মৃত্যুর ৭ বছর পর সামনে এল এপস্টেইনের রহস্যময় সুইসাইড নোট
- দুপুরের মধ্যে বৃষ্টি ও বজ্রসহ ঝড়ের হানা: আবহাওয়া দপ্তরের জরুরি বার্তা
- আজ বৃহস্পতিবারের ব্যস্ত সূচি: জেনে নিন রাজধানীর প্রধান কর্মসূচিগুলো
- সব রেকর্ড চুরমার! স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ
- আজ বৃহস্পতিবার: বের হওয়ার আগে জেনে নিন রাজধানীর কোন কোন মার্কেট বন্ধ
- আজ বৃহস্পতিবারের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার তথ্য
- টানা ১৩ দিন বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- দ্রুতই শেষ হবে যুদ্ধ: ইরানের সঙ্গে সমঝোতার বড় ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
- হয়রানি করলে ছাড় নয়! জনবান্ধব প্রশাসন গড়ার রোডম্যাপ ঘোষণা সরকারের
- ৪৮ দলের মেগা বিশ্বকাপ: সব ম্যাচ দেখার বিনিময়ে লাখপতি হওয়ার সুযোগ
- কুয়ালালামপুরে চিকিৎসায় বড় উন্নতি, দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মির্জা আব্বাস
- ২৭ না কি ২৮ মে? কোরবানির ঈদ নিয়ে যা জানাল বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া দপ্তর
- মৃত্যুর ১৭ বছর পরও বিশ্ব সংগীতের রাজা মাইকেল জ্যাকসনই!
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন! ভাইরাল ছবিতে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
- ৬০০ বার হামলা চালায় ইরান ইরাকে মার্কিন স্থাপনায়
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- মৌলভীবাজারে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- পায়ে ধরে ইজ্জত ভিক্ষা চেয়েও রক্ষা পাইনি: কুমিল্লায় গৃহবধূর পৈশাচিক আর্তনাদ
- পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের পর সীমান্ত সিল! বিজিবি-কে কড়া নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- তেলের পর বিদ্যুৎ! ভর্তুকি সামাল দিতে নতুন করে দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি
- ফের ৯ শতাংশ পার মূল্যস্ফীতি, দিশেহারা মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ
- একনেকে উঠছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প, বড় সুখবর দিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী
- মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে শান্তি! ইরান-আমেরিকার আলোচনায় বড় মোড়
- ৬ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নাটকীয় মোড়: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ল দাম
- সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন
- বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- যুদ্ধবিরতিতে গোপনে অস্ত্র উদ্ধার করছে ইরান?
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- যুদ্ধ শেষ নয়, ইরান হামলার ছক এখনো টেবিলে
- ক্রিকেটে ঠাসা সূচি; বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ও আইপিএলের উত্তাপ আজ
- ৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার








