মেয়র হলে লাগবে না ময়লার বিল: আসিফ মাহমুদ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন এক চমক দিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, “আমি নির্বাচিত হলে, ঢাকা দক্ষিণের বাসিন্দাদের আর ময়লার বিল দিতে হবে না।” নাগরিক সেবা আরও সহজলভ্য এবং খরচমুক্ত করার লক্ষ্যেই তিনি এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, বিল না দিলে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন বা ময়লা অপসারণের খরচ কীভাবে মিটবে? এই বিষয়েও আসিফ মাহমুদ আগাম ধারণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, এমন একটি বিশেষ পদ্ধতিতে এটি বাস্তবায়ন করা হবে যাতে সাধারণ মানুষের পকেট থেকে টাকা যাবে না, আবার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও কোনো ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন না।
অর্থাৎ, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা বা বিশেষ তহবিলের মাধ্যমে এই সেবামূলক কাজ পরিচালনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। আসিফ মাহমুদের এই ঘোষণাটি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
/আশিক
দেশি-বিদেশি মদদে আবারও মাথাচাড়া দিচ্ছে পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি: নাহিদ ইসলাম
দেশের অভ্যন্তরে এবং বিদেশি মদদে পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, এই চক্রটি জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের পরিকল্পিতভাবে হেনস্থা, নিপীড়ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের পথ বেছে নিয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
সাংসদ নাহিদ ইসলাম তাঁর পোস্টে বলেন, "এর মধ্য দিয়ে আবারও আওয়ামী সন্ত্রাসী রাজনীতির নির্মম, সহিংস ও পাশবিক চরিত্র জাতির সামনে উন্মোচিত হয়েছে। হিংস্রতা ও নিষ্ঠুরতায় তারা সভ্যতার সব সীমা অতিক্রম করেছে।" তিনি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তির এই বর্বরতায় উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে এমন কিছু কুশীলবকে, যারা দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের পক্ষে জনমত গঠনে সক্রিয় ছিল এবং গত ১৭ বছর ধরে গুম, খুন ও দমনের পক্ষে নির্লজ্জ সাফাই গেয়েছে।
গণমাধ্যমে ফ্যাসিবাদের অর্থায়নের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দেশ থেকে লুটপাট ও পাচার করা অর্থ এখন গণমাধ্যমে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। ফ্যাসিবাদী শক্তির প্রত্যক্ষ আর্থিক সহায়তায় ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম কার্যক্রম শুরু করেছে দাবি করে এ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট জবাব চান তিনি। একই সঙ্গে, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কিছু গণমাধ্যম সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে ঘিরে ধারাবাহিক সংবাদ প্রচার করে অপরাধ লঘু করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। আদালতের নির্দেশনার আলোকে গণমাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শক্তির প্রচার অবিলম্বে নিষিদ্ধ করার এবং ফ্যাসিবাদীদের পক্ষে সম্মতি তৈরিকারী তথাকথিত সুশীল ও দালালচক্রকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
নাহিদ ইসলাম বর্তমান সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, "পতিত সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর দুঃসাহসের দায় সরকার এড়াতে পারে না। নির্বাচনের পর জুলাই গণহত্যাসহ অন্যান্য গণহত্যায় অভিযুক্ত নেতাদের একের পর এক মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং সন্ত্রাসীদের প্রতি একধরনের প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। এর ফলেই তারা পুনরায় সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।" তিনি জুলাই গণহত্যাসহ সব রাজনৈতিক নিপীড়নে জড়িতদের বিচারের পাশাপাশি গণহত্যা ও সন্ত্রাসে সম্পৃক্ত সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার অবিলম্বে শুরু করার জোর দাবি জানান। পরিশেষে, দেশে-বিদেশে সক্রিয় আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে সর্বাত্মকভাবে প্রতিরোধ করতে তিনি দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
/আশিক
জুলাই সনদ সংসদে নিষ্পত্তি না হলে রাজপথে আদায়ের হুঁশিয়ারি ডা. শফিকুরের
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের রায় সংসদে নিষ্পত্তি না হলে তা রাজপথে আদায় করা হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে, জনগণের দাবি থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ তাদের নেই। তিনি বলেন, 'উই আর কমিটেড। আমরা আমাদের কমিটমেন্ট ভায়োলেট করতে পারি না। জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করব না। এই দাবি আজ হোক, কাল হোক আদায় হবে ইনশা-আল্লাহ।'
সংবিধান সংশোধনে সরকারি দলের প্রস্তাবিত কমিটিতে বিরোধী দল কোনো প্রতিনিধি দেবে না বলে স্পষ্ট ঘোষণা দেন জামায়াত আমির। তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের দাবি ছিল সংবিধান সংস্কার এবং সেই লক্ষ্যেই দেশে রেফারেন্ডাম বা গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের ৭২ শতাংশ মানুষ যেখানে ভোট দিয়েছে, সংসদের ভেতরে এসে সেই রায়কে তারা বদলাতে চান না। তিনি মনে করেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য কোনো বিশেষ কমিটির প্রয়োজন নেই, এটি একটি রুটিনওয়ার্ক যা ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে বিল আকারে এলে সংসদে আলোচনা হতে পারে। তবে সরকার যদি সংবিধান সংস্কারের জন্য কোনো প্রস্তাব দেয়, তখন তারা তা বিবেচনা করে দেখবেন।
সংসদের ভেতরে বিরোধী দলের বর্তমান কার্যক্রম ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নোটিশের প্রসঙ্গও সভায় তুলে ধরেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জানান, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি, মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়া স্টক মার্কেট এবং গুঁড়া হওয়ার উপক্রম হওয়া ব্যাংক খাত নিয়ে তারা সংসদে জনগণের পক্ষে কথা বলেছেন। প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে সুনির্দিষ্ট সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এছাড়া সীমান্তে পুশ-ইন নিয়ে বিরোধী দলের দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে তা কার্যসূচি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। সেনসিটিভ ইস্যু হলেও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের স্বার্থে তারা এ নিয়ে আলোচনা চেয়েছিলেন।
অতীতের সংসদীয় সংস্কৃতির বাইরে গিয়ে দেশের স্বার্থে একটি ভিন্নধর্মী ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি স্পষ্ট করেন যে, তারা কোনো 'বগলদাবা' বা সরকারি দলের আজ্ঞাবহ বিরোধী দল হবেন না। আবার একই সাথে তারা কোনো অনর্থক 'গরম' বিরোধী দলও হতে চান না, বরং একটি যৌক্তিক বিরোধী দল হিসেবে কাজ করতে চান। কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সুযোগ না পেলে তারা সাময়িক ওয়াক আউট করবেন, কিন্তু জনস্বার্থ ক্ষুণ্ন করে দীর্ঘমেয়াদে সংসদ বর্জন করবেন না। সংসদ অধিবেশন পরিচালনায় প্রতি মিনিটে এক লাখ ৭৬ হাজার টাকা খরচ হয় উল্লেখ করে তিনি স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানান, যেন সংসদে ব্যক্তিগত বা দলীয় চরিত্রহনন এবং কারও মনোরঞ্জন বা প্রশংসা করা বন্ধ করা হয়।
মতবিনিময় সভায় বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, বিরোধীদলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান এবং জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
বেনজীরকে ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ যেভাবে উঠল এমপি বন্ধুর বিরুদ্ধে
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমদকে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নয়, বরং তার বাসার কাছাকাছি একটি শপিং মল থেকে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার। একই সঙ্গে দুবাইয়ে সরকারি ছুটি শেষে মঙ্গলবার (১৬ জুন) তাকে আদালতে হাজির করা হতে পারে এবং সেদিনই তার জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
পরিবারের দাবি অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই বেনজীর আহমদ সংযুক্ত আরব আমিরাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসবাস করছেন। গত ১২ জুন বাসায় অবস্থান করার সময় চট্টগ্রাম অঞ্চলের এক সংসদ সদস্য, যিনি তার ব্যবসায়িক সহযোগী ও দীর্ঘদিনের পরিচিত হিসেবে পরিচিত, তাকে নিকটবর্তী একটি শপিং মলে দেখা করার জন্য ফোন করেন।
পরিবারের ভাষ্যমতে, নির্ধারিত স্থানে পৌঁছানোর পর আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া দুবাই পুলিশের সদস্যরা তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। তারা আরও অভিযোগ করেছেন, ওই সময় সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ব্যক্তিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তবে এই অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যও আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
পরিবারের দাবি, তারা দুবাই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পেরেছেন যে স্থানীয়ভাবে বেনজীর আহমদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তাদের মতে, বাংলাদেশ পুলিশের আবেদনের পর ইন্টারপোলের জারি করা রেড নোটিশের কারণেই তাকে আটক করা হয়েছে।
এছাড়া পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি ব্যক্তিগত উদ্যোগে রেড নোটিশসংক্রান্ত নথিপত্র দুবাই পুলিশের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। তবে এ অভিযোগেরও কোনো স্বাধীন যাচাই এখনো পাওয়া যায়নি।
বেনজীর আহমদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, আটকের পর দুবাই কর্তৃপক্ষ তার ভিসার বৈধতা, অবস্থানের উদ্দেশ্য এবং তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলোর প্রাথমিক যাচাই-বাছাই করেছে। পরে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক এবং তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নোটিশ কার্যকর রয়েছে এই তথ্য বাংলাদেশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) ও বাংলাদেশ পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
এদিকে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে তার পক্ষে দুবাইয়ে একজন স্থানীয় আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে চলমান মামলাগুলোর প্রয়োজনীয় নথিপত্রও আইনজীবীর কাছে পাঠানো হয়েছে বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে।
সূত্রগুলো বলছে, ১২ জুন সীমিত পরিসরে আদালতের কার্যক্রম চললেও সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক বন্ধের কারণে পরবর্তী কয়েকদিন স্বাভাবিক বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত ছিল। মঙ্গলবার থেকে নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর তাকে আদালতে হাজির করার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশের একাধিক সূত্রও নিশ্চিত করেছে যে বেনজীর আহমদ বর্তমানে দুবাই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন এবং ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতেই বিষয়টি বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে।
-রফিক
ব্যাংক ফাঁকা, আইএমএফের টাকা নাই, বাজেট কীভাবে হবে?: সংসদে রুমিন ফারহানা
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতের ভঙ্গুর দশা এবং ক্রমবর্ধমান ঋণনির্ভরতার তীব্র সমালোচনা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রস্তাবিত সম্পূরক বাজেটের বাস্তবায়নযোগ্যতা নিয়ে জাতীয় সংসদে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশে দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা ঘাটতি বাজেটের সংস্কৃতি এবং তা পূরণে চড়া সুদে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা সামষ্টিক অর্থনীতিকে এক অবর্ণনীয় চাপের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সোমবার স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা এসব তীক্ষ্ণ অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান ও নীতিগত প্রশ্ন উত্থাপন করেন।
সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা তাঁর বক্তব্যে দেশের বর্তমান অর্থনীতির যে ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন, তার পেছনে কিছু গভীর কাঠামোগত সংকট ও সরকারের নীতিগত অন্ধবিন্দু রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশের খেলাপি ঋণ মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা।
এর ফলে ব্যাংকিং খাতের মূলধনের পর্যাপ্ততা ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমে এসেছে। ব্যাংকিং খাতকে গত ১৫ বছর ধরে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দৃশ্যমান ব্যবসায়ী বহির্ভূত ও প্রভাবশালীদের হাতে ঋণ তুলে দেওয়ার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, দেশের অর্থনীতিকে এখন তার চরম খেসারত দিতে হচ্ছে। এই অবস্থায় সরকার যদি বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে আরও ঋণ নেয়, তবে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি পুরোপুরি শূন্যে মিলিয়ে যাবে এবং ব্যক্তিগত বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়বে, যা ইতিমধ্যে ২২ শতাংশ থেকে মাত্র ৫ শতাংশে নেমে এসেছে।
পুঁজি পাচার ও ডলার সংকটের অন্ধকার অধ্যায় তুলে ধরে তিনি জানান, শ্বেতপত্রের তথ্য অনুযায়ী বিগত ১৫ বছরে দেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে, যার বার্ষিক গড় ১৪ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার। গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির মতে, কেবল আন্ডার ও ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমেই বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে বাইরে গেছে। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে ডলারের দাম ধরে রাখার ভুল নীতির কারণে আরও ১৮ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার এই খাত থেকে চলে গেছে।
এই পুঁজি পাচার রোধ এবং কর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন না করে কেবল বাজেট সংশোধন করাকে তিনি জোড়াতালির অর্থনীতি বলে ইঙ্গিত করেন। এর ফলে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে, যা রপ্তানির হ্রাস এবং আমদানির আশঙ্কাজনক বৃদ্ধিকে নির্দেশ করে।
রুমিন ফারহানার বক্তব্যের সবচেয়ে আশঙ্কাজনক দিকটি ছিল বৈদেশিক অর্থায়নের উৎস। আইএমএফ সম্প্রতি জানিয়েছে যে তারা পূর্ববর্তী চুক্তির পরবর্তী কিস্তিগুলো বর্তমান সরকারকে আর দেবে না এবং নতুন করে চুক্তি করার তাগিদ দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এডিবি বা বিশ্বব্যাংকের বাইরে গিয়ে চীন বা সমগোত্রীয় কোনো দেশের দ্বিপাক্ষিক ঋণের দিকে ঝুঁকতে হবে সরকারকে।
এই ধরণের ঋণে সুদের হার অনেক বেশি থাকে এবং অত্যন্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে তা পরিশোধের কঠোর চাপ থাকে, যা দেশকে এক প্রকার ঋণের ফাঁদে ফেলতে পারে। জিডিপির আকার ৬৮ লাখ কোটি টাকা হলেও প্রবৃদ্ধি যেখানে মাত্র ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫ শতাংশ, সেখানে এই চড়া সুদের ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কোন জাদুমন্ত্রে এই বাজেট বাস্তবায়ন করবেন, সেই প্রশ্নটিই এখন দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সংশয় হিসেবে দাঁড়িয়েছে।
/আশিক
বেনজীরকে গ্রেপ্তারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ’ জানালেন বিরোধীদলীয় উপনেতা
দুর্নীতির মামলায় দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
রোববার (১৪ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের বিশেষ অনুমতিক্রমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেন যে, দুর্নীতির মামলার পরোয়ানাভুক্ত ও পলাতক আসামি সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার পর, স্পিকারের নির্ধারিত অনুমতি নিয়ে ফ্লোর পেয়ে নিজের বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় উপনেতা। তিনি তাঁর বক্তব্যে বেনজীর আহমেদের মতো হাই-প্রোফাইল আসামিকে আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সফলভাবে গ্রেপ্তারের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।
/আশিক
আদালতে আত্মসমর্পণ করছেন আমির হামজা
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে দায়ের করা মানহানি মামলায় আজ রোববার সিরাজগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা। রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে আলোচিত এই মামলাটি নতুন মোড়ে পৌঁছেছে তার আদালতে হাজিরার মধ্য দিয়ে।
আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পাওয়ার পর এবার নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে নিয়মিত জামিনের আবেদন করবেন তিনি। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন বিচারক।
সিরাজগঞ্জ জেলা জজ আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম মল্লিক জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মুফতি আমির হামজা নির্ধারিত সময়ে আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন প্রার্থনা করবেন। এরপর মামলার বর্তমান অবস্থা ও আইনি প্রক্রিয়া বিবেচনা করে আদালত পরবর্তী আদেশ দেবেন।
অন্যদিকে সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের নেতারাও নিশ্চিত করেছেন যে, সংসদ সদস্য আমির হামজা রোববার দুপুরে আদালতে হাজির হবেন। এ ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গত ২ এপ্রিল ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বিরুদ্ধে আপত্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, জনসমক্ষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বিদ্যুৎমন্ত্রীকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ বলে আখ্যায়িত করেছেন, যা তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে।
মামলা দায়েরের দিনই আদালত আমির হামজার বিরুদ্ধে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। তবে নির্ধারিত দিনে তিনি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
পরবর্তীতে একাধিকবার হাজিরার সুযোগ দেওয়া হলেও আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় মামলাটি আরও গুরুত্ব পায়। গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন, যা মামলাটিকে নতুন মাত্রা দেয়।
আইনজীবীরা বলছেন, আদালতের সমন ও পরবর্তী নির্দেশনা অমান্য করার বিষয়টি বিচারিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হতে পারে। তবে হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পাওয়ার ফলে এখন তার আত্মসমর্পণ ও জামিন আবেদনের ওপরই মামলার পরবর্তী গতিপথ নির্ভর করছে।
-রফিক
সরকার স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটলে জনগণ গণ-অভ্যুত্থান ঘটাবে: নাহিদ ইসলাম
বর্তমান সরকার যদি পুনরায় স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হয়, তবে দেশের সাধারণ মানুষকে আবারও গণ-অভ্যুত্থানের পথ বেছে নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম শহরের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে আয়োজিত ১১–দলীয় ঐক্যের এক বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সমাবেশে বাজেট প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, কক্সবাজারে এক অনুষ্ঠানে দেশের বিরোধী দলগুলো বাজেটের সমালোচনা করায় প্রধানমন্ত্রী ক্ষোভ ও মন খারাপ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এই বাজেটের প্রশংসা করার মতো কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের আর্থিক খাতের দুর্নীতি, অর্থ লুটপাট এবং ব্যাংক দখল প্রক্রিয়া বন্ধ করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা বা কার্যকর পদক্ষেপ রাখা হয়নি।
এই বাজেটের ঠিক কত অংশ সাধারণ মানুষের প্রকৃত কল্যাণে ও উন্নয়নে ব্যবহার করা হবে, আর কত অংশ সরকারি দলের নেতা-কর্মীদের ব্যক্তিগত স্বার্থে চলে যাবে, তার কোনো সঠিক ও স্বচ্ছ হিসাব নেই। এটি মূলত একটি বাস্তবতা-বিবর্জিত বাজেট, যা কার্যকর করতে সরকারকে বিভিন্ন বিদেশি উৎস থেকে কয়েক লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নিতে হবে। দেশে সামগ্রিক সুশাসন, কাজের স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক সংস্কার নিশ্চিত করা সম্ভব না হলে এই ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাট কখনোই বন্ধ করা যাবে না।
আর্থিক খাতের অস্থিতিশীলতার কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, দেশে বর্তমানে নতুন করে ব্যাংক দখলের সংস্কৃতি শুরু হয়েছে। একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও বন্দোবস্তের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংককে আবারও বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে তুলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। অতীতে এস আলমের গাড়িতে চড়ে কারা সংবর্ধনা গ্রহণ করেছিলেন এবং বর্তমানে কারা তাকে পেছন থেকে আইনি ও রাজনৈতিক সুরক্ষা দিচ্ছেন, সেই তথ্য বাংলাদেশের সচেতন জনগণের অজানা নয়। দেশের মানুষ ব্যাংকিং খাতের এই নগ্ন দখলদারি কোনোভাবেই বরদাশত করবে না।
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় নাঈম হাসানকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মারধরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের প্রকৃত উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হলে পূর্ববর্তী গণভোটের ম্যান্ডেট অনুযায়ী পুলিশ প্রশাসন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বিচার বিভাগের আমূল সংস্কার করতে হবে।
অতি সম্প্রতি চট্টগ্রামে একজন জাতীয় স্তরের ক্রিকেটারকে ডিবি পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেছে। পুলিশ বাহিনীর প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন না হওয়ার কারণেই সাধারণ মানুষের ওপর আবারও এই ধরণের রাষ্ট্রীয় জুলুম ও নির্যাতন শুরু হয়েছে। সরকার যদি এই ধারা অব্যাহত রেখে স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটে, তবে জনগণ রাজপথে নেমে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এর জবাব দেবে।
সীমান্ত পরিস্থিতি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক উল্লেখ করেন, ভারত থেকে নতুন হাইকমিশনার বাংলাদেশে আসার পরপরই মৌলভীবাজার সীমান্তে আবারও এক নিরীহ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এই বিষয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া আর বুলেটের আঘাত দিয়ে কখনো প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়ে উঠতে পারে না। বাংলাদেশ ও ভারতের ভৌগোলিক অবস্থান, আকাশ এবং মাটি সম্পূর্ণ আলাদা; যার চূড়ান্ত ফয়সালা ১৯৪৭ সালের দেশভাগের মাধ্যমেই হয়ে গেছে।
১৯৪৭, ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ঘটনাবলী বারবার এটিই প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশের মাটিতে কোনো ধরনের আধিপত্যবাদী শক্তি বা বহিরাগত প্রভাব কখনো টিকে থাকতে পারবে না।
/আশিক
সরকারকে বেশি দিন সময় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির
শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারের কঠোর সমালোচনা করে এক বড় ধরনের রাজনৈতিক আলটিমেটাম দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বর্তমান সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, সরকারকে বেশি দিন সময় দেওয়া হবে না এবং সময় অত্যন্ত সীমিত ও ফুরিয়ে আসছে।
এই সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শাসনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন না হলে সরকারকে যেকোনো পরিণতির জন্য প্রস্তুত হতে হবে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, তীব্র জনদুর্ভোগ নিরসন ও লাগামহীন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে আয়োজিত এই বিশাল সমাবেশে এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
সমাবেশে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকারকে অবিলম্বে গণভোটের রায় মেনে নিতে হবে। সরকার যদি স্বেচ্ছায় এই জনদাবি মেনে না নেয়, তবে দেশে ১৯৯৬ সালের মতো ভয়াবহ এক রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যখন তীব্র গণআন্দোলনের মুখে তৎকালীন সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল আনতে বাধ্য হয়েছিল।
এবারও জনমতের প্রচণ্ড চাপে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনকে সতর্ক করে বলেন, ভালোয় ভালোয় জনগণের দাবি মেনে নিন, দেশের মানুষকে অনর্থক রাজপথে ঠেলে দেবেন না। নেতা-কর্মীদের জেল-জুলুম ও ভয় দেখিয়ে আন্দোলন দমন করা যাবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে আমরা বারবার জেলে যেতে এবং জীবন দিতে প্রস্তুত, কারণ জেলের তালা বা চাবিওয়ালা কোনোটিই চিরস্থায়ী নয়।
সরকারপ্রধানের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, বর্তমান প্রশাসনে একজন ‘সর্ব বিষয় বিশারদ’ মন্ত্রী সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন জেলায় গিয়ে রাজনৈতিকভাবে ভুল ও অসত্য তথ্য দিচ্ছেন। বিশেষ করে কক্সবাজারের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বিরোধী দল বাজেটে মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল করেছে বলে প্রধানমন্ত্রী যে দাবি করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রধানমন্ত্রীর পদটি একটি সম্মানিত রাষ্ট্রীয় পদ এবং তাঁর মুখ দিয়ে বারবার এমন ভুল ও মিথ্যা তথ্য বের হওয়া পুরো জাতির জন্য লজ্জাজনক ও অত্যন্ত ক্ষতিকর।
বাজেটের সমালোচনা করাকে গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ উল্লেখ করে তিনি রাগ না করে সরকারকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন এবং দাবি করেন যে, জাতীয় সংসদে বিরোধী মতের জন্য পর্যাপ্ত পরিবেশ না থাকায় তাঁরা জনগণের আসল সংসদ অর্থাৎ রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, নতুন নির্বাচিত সরকার আসার পর মানুষ চাঁদাবাজি বন্ধের আশা করেছিল, কিন্তু বাস্তবে তা জ্যামিতিক হারে বেড়েছে এবং দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে জাতীয়করণ করা হয়েছে।
তবে জামায়াত আমিরের এই কড়া বক্তব্যকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা কেবলই রাজপথের শক্তির মহড়া হিসেবে দেখছেন। দেশের মানুষ যখন দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে একটি স্থিতিশীল অর্থনৈতিক সংস্কার চাইছে, তখন ১৯৯৬ সালের মতো আন্দোলনের ডাক দিয়ে "জনগণকে রাজপথে ঠেলে দেওয়ার" এই হুমকি সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ কতটা লাঘব করবে, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে।
নির্বাচিত সরকার আসার পর স্থানীয় পর্যায়ে চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের যে অভিযোগ উঠছে, তা বর্তমান প্রশাসনের জন্য বড় ব্যর্থতা হলেও, মাঠপর্যায়ে বিরোধী শিবিরের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের একাংশের জড়িত থাকার অভিযোগও সংবাদমাধ্যমে আসছে। ফলে এককভাবে দুর্নীতিকে ‘জাতীয়করণ’ করার দায় সরকারের ওপর চাপালেও, মাঠের বিশৃঙ্খলার দায় কোনো পক্ষই এড়াতে পারে না।
/আশিক
‘ভারত-বাংলাদেশ এক হওয়া’ বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াত আমির
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর একটি বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। ‘ভারত ও বাংলাদেশ এক হয়ে যাওয়া’ প্রসঙ্গে দেওয়া মন্তব্যের বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়ে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার মতে, প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে এমন মন্তব্যের অর্থ পরিষ্কার না হলে তা জনমনে বিভ্রান্তি ও নানা ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে দায়িত্ব নিতে আসা ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্য তার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ভারত-বাংলাদেশ এক হয়ে যাওয়ার’ মতো বক্তব্যের প্রকৃত অর্থ কী, সে বিষয়ে কূটনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে পরিষ্কার ব্যাখ্যা চাওয়া উচিত।
জামায়াত আমির তার বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়টিকেও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারত যেমন একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র রাষ্ট্র, বাংলাদেশও তেমনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। ফলে দুই দেশের সম্পর্ক যতই ঘনিষ্ঠ হোক না কেন, রাষ্ট্রীয় পরিচয় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের অস্পষ্টতা থাকা উচিত নয়।
তিনি আরও বলেন, বক্তব্যটি যদি শুধুমাত্র দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সহযোগিতা বা আঞ্চলিক অংশীদারিত্বের প্রতীকী অর্থে দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সেটি পরিষ্কারভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন। অন্যদিকে, যদি এর আক্ষরিক অর্থে অন্য কোনো বার্তা বোঝানো হয়ে থাকে, তাহলে তা অবশ্যই উদ্বেগজনক এবং গ্রহণযোগ্য নয়।
ডা. শফিকুর রহমানের মতে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং বহুমাত্রিক। বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাই এ ধরনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা না থাকলে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক সৃষ্টি হতে পারে এবং জনমনে ভুল বার্তা যেতে পারে।
তিনি সরকারের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিষয়টির সুরাহা হওয়া প্রয়োজন। জনগণের মধ্যে যেকোনো ধরনের বিভ্রান্তি দূর করতে সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের ব্যাখ্যা জনসম্মুখে উপস্থাপন করা উচিত।
বিরোধীদলীয় নেতা মনে করেন, কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বক্তব্য ও শব্দচয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে উচ্চপর্যায়ের কোনো মন্তব্য জনমনে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিতে পারে। সে কারণে সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট পরিষ্কার করা হলে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়ানো সম্ভব হবে।
-রফিক
পাঠকের মতামত:
- দেশি-বিদেশি মদদে আবারও মাথাচাড়া দিচ্ছে পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি: নাহিদ ইসলাম
- তীব্র সমালোচনার মুখে নতি স্বীকার করল ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা
- একজন মেসির জন্য পুরো দল প্রস্তুত করা অর্থহীন: হুঙ্কার আলজেরিয়া কোচের
- সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিন, ভালো কাজের পথ দেখান: প্রধানমন্ত্রী
- দেশের আকাশে মহররমের চাঁদ দেখা গেছে
- নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- মৌলভীবাজারবাসীর প্রাণের ১০ দফা দাবি: প্রধানমন্ত্রীর সফরের দিকে তাকিয়ে ২৫ লক্ষ মানুষ
- সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপ: আলজেরিয়া ম্যাচের আগে বাড়তি দায়িত্ব কাঁধে নিলেন মেসি
- আমি না থাকলে ইসরায়েল মানচিত্র থেকে মুছে যেত: ট্রাম্প
- চীনের কিনহাই প্রদেশে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত
- জুলাই সনদ সংসদে নিষ্পত্তি না হলে রাজপথে আদায়ের হুঁশিয়ারি ডা. শফিকুরের
- প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, কার পাল্লা ভারী?
- দিল্লি বিমানবন্দরে ঠিক কী ঘটেছিল? মুখ খুললেন তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ
- যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি: মধ্যপ্রাচ্যে কি আসলেই শান্তি ফিরবে নাকি নতুন সংকটের শুরু?
- ইইউর ‘রুশ সেনা প্রশিক্ষণ’ সংক্রান্ত বিস্ফোরক দাবি প্রত্যাখ্যান করল চীন
- স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে থেকে শুরু? সংসদে পরিকল্পনা জানালেন মির্জা ফখরুল
- ১৬ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ১৬ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৬ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- দিল্লি ঘটনার ব্যাখ্যায় মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান
- বাংলাদেশ সীমান্ত ঘিরে ভারতের বিশেষ কমিটি গঠনের নেপথ্যে কী
- যুদ্ধ থামলেও হরমুজ আর আগের অবস্থায় ফিরবে না
- মহররমের গুরুত্ব কী? জানুন আশুরার ফজিলত
- আজ যদি স্বর্ণ কিনতে যান, আপনার অতিরিক্ত কত টাকা লাগবে জানেন?
- আজ মাঠে ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা, জেনে নিন জমজমাট পূর্ণ সূচি
- চুক্তির মধ্যেও যুদ্ধপ্রস্তুতি জোরদারের ঘোষণা ইরানের
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে বড় সংকটে নেতানিয়াহু?
- আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, দেখে নিন বিস্তারিত
- বেনজীরকে ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ যেভাবে উঠল এমপি বন্ধুর বিরুদ্ধে
- পবিত্র আশুরা কবে
- আজ কোথায় কেনাকাটা করা যাবে না? দেখুন তালিকা
- রামিনের গোলে ম্যাচে ফিরল ইরান, জমে উঠল লড়াই
- ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা
- যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ৮ জনের
- টেকনাফে বোটসহ ৭ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি!
- ডি-বক্স থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে গোল, জাইমা রহমানের ফুটবল খেলার ভিডিও ভাইরাল!
- এই বিশ্বকাপেই সব সমালোচকদের মুখ বন্ধ করবে ভিনি: কিংবদন্তি রবের্তো কার্লোস
- সব হিসাব কষে এক দলের নাম জানাল ৪টি শীর্ষ এআই, চমকে গেছে ফুটবল বিশ্ব!
- অসংখ্য গুমের ঘটনার মাস্টারমাইন্ড বেনজীর: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
- দলীয় লেজুড়বৃত্তি নয়, সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
- মার্কিন-ইরান চুক্তি ঠেকাতে ইসরায়েল সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে: লেবাননের নেতা পলা ইয়াকুবিয়ান
- নতুন পে স্কেলে কার কত বাড়ছে? হিসাব জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
- ব্যাংক ফাঁকা, আইএমএফের টাকা নাই, বাজেট কীভাবে হবে?: সংসদে রুমিন ফারহানা
- মার্কিন-ইরান চুক্তির মাঝেই লেবানন না ছাড়ার ঘোষণা ইসরায়েলের!
- মরক্কোর সাথে ড্রয়ে ব্রাজিলের হোঁচট, তবে আর্জেন্টিনার উদাহরণ টেনে আশাবাদী কাকা
- কার্বন ডাই-অক্সাইডে কোনো শিশু মরেনি, মন্ত্রীর পেছনে ঘুষ নিয়ে ঘুরিনি: আদ্-দ্বীনের প্রধান
- নেতানিয়াহুকে লাঠি-পাথর মেরে ক্ষমতাচ্যুত করতে হবে: সাবেক প্রধানমন্ত্রী
- অর্থনীতি পুনর্গঠন ও মূল্যস্ফীতি মোকাবিলাই বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার
- জেনেভায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির মূল আয়োজক হচ্ছে পাকিস্তান
- ডা. জাহেদ ইস্যুতে ভারতীয় দূতকে ডেকে অসন্তোষ জানাল সরকার
- বিশ্বকাপ জিতলে চ্যাম্পিয়ন পাবে কত টাকা? জানুন প্রাইজমানির অঙ্ক
- প্রথম ম্যাচে নেইমার খেলবেন কি না, জানালেন কোচ
- বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক, সম্পদের পরিমান কত
- মোবাইলে বিশ্বকাপ দেখবেন? জেনে নিন সেরা ৪ প্ল্যাটফর্ম, খরচ কত
- সোনা কিনবেন? জেনে নিন আজকের নতুন দর
- পাকিস্তান-ভিয়েতনামের মত সৌরবিদ্যুতে বড় বিপ্লবের পথে বাংলাদেশ?
- ৪৮ দলের বিশ্বকাপ, জেনে নিন বিশ্বকাপ ২০২৬ এর পুরো সূচি
- স্বর্ণবাজারে বড় ধস, ৯ দিনে ভরিতে প্রায় ২০ হাজার টাকা কমেছে সোনার দাম
- ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা কি মুখোমুখি হবে? দেখে নিন দুই দলের বিশ্বকাপ সূচি
- ট্রাম্পের দাবিকে ‘কল্পনাপ্রসূত’ বলল ইরান
- আজ ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না, জানুন কোথায়
- সিঙ্গাপুর কিংবা কানাডা নয় ‘বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী
- ঋণখেলাপি বিতর্কে মুখ খুললেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর
- দুবাইয়ে আটক বেনজীর, মিলেছে তিন দেশের পাসপোর্ট!
- ব্র্যাকের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে ১ হাজার হাঁসের বাচ্চা বিতরণ








