ট্রাম্পের শান্তি প্রচেষ্টায় বড় ধাক্কা: ইসরায়েলি হামলায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৭ ১১:১৯:৫৫
ট্রাম্পের শান্তি প্রচেষ্টায় বড় ধাক্কা: ইসরায়েলি হামলায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই আবারও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে লেবানন। বুধবার (৬ মে) রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলায় থমকে গেছে সব ধরনের শান্তি প্রক্রিয়া। এই হামলায় হিজবুল্লাহর অভিজাত রাদওয়ান ইউনিটের এক শীর্ষ কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে এই হামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের দাবি, নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে ওই কমান্ডারকে নির্মূল করা হয়েছে। তবে হিজবুল্লাহ বা লেবাননের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নিহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই হামলার পর লেবাননের রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম জানিয়েছেন, আপাতত ইসরায়েলের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের কোনো বৈঠকের সম্ভাবনা নেই। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, লেবানন কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের স্পষ্ট সময়সূচি চায়। অন্যদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হামলা বন্ধ না হলে আলোচনার কোনো পরিবেশ তৈরি হবে না।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বছরের শেষ নাগাদ একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তির যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন, বৈরুতে এই নতুন হামলার পর তা এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। ইসরায়েল তাদের উত্তরাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লেবাননের ভেতরে ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ‘নিরাপত্তা বলয়’ গড়ার দাবি করলেও বৈরুতের কেন্দ্রঘেঁষা এলাকায় হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের সংঘাতের কালো মেঘ জমছে।

সূত্র : রয়টার্স


মৃত্যুর ৭ বছর পর সামনে এল এপস্টেইনের রহস্যময় সুইসাইড নোট

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৭ ১১:০৩:৩৫
মৃত্যুর ৭ বছর পর সামনে এল এপস্টেইনের রহস্যময় সুইসাইড নোট
ছবি : সংগৃহীত

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের রহস্যময় মৃত্যুর প্রায় সাত বছর পর তার কথিত ‘সুইসাইড নোট’ বা আত্মহননের চিরকুট জনসমক্ষে এনেছেন মার্কিন এক ফেডারেল বিচারক। বুধবার (৬ মে) নিউ ইয়র্কের একটি আদালতের নির্দেশে এই চাঞ্চল্যকর নথিটি প্রকাশ করা হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইন লিখেছেন, পৃথিবীকে বিদায় জানানোর সময়টি নিজে বেছে নিতে পারা একটি ‘আনন্দের বিষয়’। হলুদ রঙের লিগ্যাল প্যাডে হাতে লেখা এই নোটে আরও বলা হয়েছে— "তারা আমার ব্যাপারে কয়েক মাস ধরে তদন্ত করেছে—কিন্তু কিছুই পায়নি! যার ফলাফল হলো ১৫ বছর আগের এই অভিযোগগুলো। তোমরা আমার কাছে কী চাও—আমি কি কান্নায় ভেঙে পড়ব! এতে কোনো মজা নেই—এটা এর যোগ্যও নয়!"

নোটটি প্রথম খুঁজে পেয়েছিলেন এপস্টেইনের সাবেক সেলমেট এবং খুনের দায়ে দণ্ডিত সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা নিকোলাস টারটাগ্লিওন। তার আইনজীবীরা এটি আদালতে জমা দিয়েছিলেন। মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট জজ কেনেথ কারাস গত সপ্তাহে নিউ ইয়র্ক টাইমসে এই নোট নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর এটি প্রকাশের নির্দেশ দেন। বিচারক জানান, এটি একটি ‘বিচার বিভাগীয় নথি’ এবং জনসাধারণের এটি দেখার অধিকার রয়েছে।

২০১৯ সালের জুলাই মাসে ম্যানহাটনের জেলে এপস্টেইনের সাথে প্রায় দুই সপ্তাহ একই সেলে ছিলেন টারটাগ্লিওন। তার দাবি, নোটটি তাদের কক্ষের একটি বইয়ের ভেতরে লুকানো ছিল। যদিও মার্কিন ফেডারেল তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, তারা এর আগে কখনও এই নোটটি দেখেননি এবং বিচার বিভাগ থেকে প্রকাশিত এপস্টেইন-সংক্রান্ত লাখ লাখ নথির মধ্যেও এটি ছিল না।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে ফ্লোরিডায় এক নাবালিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন এপস্টেইন। পরে ২০১৯ সালে আবারও নিউ ইয়র্ক ও ফ্লোরিডায় অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের সংগ্রহের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই বছরের ১০ আগস্ট ম্যানহাটনের জেল কক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, যা পরে আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। এই নতুন চিরকুটটি তার মৃত্যুকে ঘিরে থাকা রহস্যে নতুন মাত্রা যোগ করল।

সূত্র: রয়টার্স


দ্রুতই শেষ হবে যুদ্ধ: ইরানের সঙ্গে সমঝোতার বড় ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৭ ১০:১২:১০
দ্রুতই শেষ হবে যুদ্ধ: ইরানের সঙ্গে সমঝোতার বড় ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা অত্যন্ত ইতিবাচক এবং খুব দ্রুতই যুদ্ধ শেষ হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (৬ মে) হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চাইছে। সমঝোতা অনুযায়ী তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না—এমন শর্তেই আলোচনা এগোচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আলোচনার টেবিলে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, "খুব সম্ভবত আমরা একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব।"

মার্কিন সংবাদমাধ্যম পিবিএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহে তার নির্ধারিত চীন সফরের আগেই এই সমঝোতা সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে তার। তবে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, যদি কোনো কারণে আলোচনা ভেস্তে যায়, তবে আবারও বিধ্বংসী বোমা হামলা শুরু করা হবে।

এদিকে তেহরানের পক্ষ থেকে কিছুটা রক্ষণাত্মক অবস্থান দেখা গেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানিয়েছেন, তারা এখনো মার্কিন প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দেননি। তবে দুই পক্ষের মধ্যে আদান-প্রদান হওয়া নথিগুলোর চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই পক্ষ অনড় অবস্থানে ছিল। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়েই সরবরাহ হতো, যা এখন যুদ্ধের কারণে চরম সংকটে রয়েছে।

/আশিক


৬০০ বার হামলা চালায় ইরান ইরাকে মার্কিন স্থাপনায় 

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১৯:৩১:৫৯
৬০০ বার হামলা চালায় ইরান ইরাকে মার্কিন স্থাপনায় 
ছবি : সংগৃহীত

ইরাকে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে একের পর এক হামলার ঘটনায় ওয়াশিংটন ও বাগদাদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ইরান যুদ্ধ চলাকালে ইরাকে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ৬০০টিরও বেশি হামলার তথ্য দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস, ইউএস ডিপ্লোম্যাটিক সাপোর্ট সেন্টার এবং এরবিলে মার্কিন কনস্যুলেট লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ইরাকি মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো এই হামলাগুলোর পেছনে রয়েছে এবং তারা ভবিষ্যতে মার্কিন নাগরিক ও স্থাপনাগুলোতে আরও বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছে।

সবচেয়ে গুরুতর বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছে যে ইরাক সরকারের কিছু অংশ এসব মিলিশিয়া গোষ্ঠীকে রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা এখন শুধু কথা নয়, বরং মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে ‘কাজ’ দেখতে চায়।

মিলিশিয়াদের সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সরানো, তাদের অর্থায়ন বন্ধ করা এবং বেতন দেওয়া থামানোর জন্য ইরাক সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরাক সরকার ও এসব মিলিশিয়ার মধ্যের সীমারেখা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তাদের ওপর আস্থা রাখা কঠিন।

/আশিক


মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে শান্তি! ইরান-আমেরিকার আলোচনায় বড় মোড়

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১৭:২৯:৩৯
মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে শান্তি! ইরান-আমেরিকার আলোচনায় বড় মোড়
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে অবশেষে আলোর মুখ দেখছে বিশ্ব। দুদেশের মধ্যে যুদ্ধ বিরতির লক্ষ্যে একটি সংক্ষিপ্ত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক (মেমো) চূড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে। বুধবার (৬ মে) শান্তি প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত একটি পাকিস্তানি সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই পক্ষের দীর্ঘ আলোচনার পর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং দ্রুতই এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে। এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'অ্যাক্সিওস'ও একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছিল। একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, “আমরা চূড়ান্ত পর্যায়ের খুব কাছাকাছি আছি এবং শিগগিরই এই স্বাক্ষর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”

প্রকাশিত তথ্য মতে, এই ১৪ দফার মেমোটি মূলত যুদ্ধ অবসানের একটি প্রাথমিক কাঠামো বা ফ্রেমওয়ার্ক হিসেবে কাজ করবে। এটি কার্যকর হওয়ার পর দীর্ঘমেয়াদি সমাধান এবং বিস্তারিত শর্তাবলি নিয়ে পরবর্তী ধাপে আলোচনা চলবে। অ্যাক্সিওস আরও উল্লেখ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কয়েকটি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইরানের চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া আশা করছে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি সই হয়নি, তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটিই দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে ফলপ্রসূ এবং অগ্রসর পর্যায়ের আলোচনা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সমঝোতা যদি বাস্তবে রূপ নেয় তবে তা কেবল মধ্যপ্রাচ্যের ভয়াবহ উত্তেজনা কমাবে না, বরং অস্থিতিশীল বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে। এখন পুরো বিশ্বের নজর আগামী ৪৮ ঘণ্টার ওপর, যা নির্ধারণ করতে পারে এই অঞ্চলের ভবিষ্যতের শান্তি ও স্থিতিশীলতা।

/আশিক


অনুপ্রবেশ রুখতে 'অ্যাকশন মোডে' বিজেপি: ৪৫ দিনেই সীমান্তে জমি বরাদ্দের ঘোষণা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১২:২৮:০২
অনুপ্রবেশ রুখতে 'অ্যাকশন মোডে' বিজেপি: ৪৫ দিনেই সীমান্তে জমি বরাদ্দের ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর রাজ্য ও কেন্দ্রের দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। সরকার গঠনের মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দ দেবে নবগঠিত বিজেপি সরকার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজেপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বেড়া দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করতে চায়। মূলত সীমান্ত পার হয়ে অনুপ্রবেশ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনাই গেরুয়া শিবিরের প্রধান লক্ষ্য। বিজেপি নেতাদের মতে, রাজ্য সরকারের পূর্ণ সহযোগিতায় বিএসএফ এবং পুলিশ যৌথ অভিযান চালাতে সক্ষম হবে, যা সীমান্ত জেলাগুলোর জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন রোধে সহায়ক হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দলটি ‘শনাক্ত করো, নির্মূল করো এবং বিতাড়িত করো’ নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করার ঘোষণা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত এক দশকে পশ্চিমবঙ্গের শাসনভার নিয়ে তৃণমূল ও কেন্দ্রের মধ্যে তুমুল বিরোধ চলে আসছিল। ২০২১ সালে বিএসএফ-এর কার্যপরিধি বৃদ্ধি থেকে শুরু করে সিএএ (CAA) এবং এনআরসি (NRC) বাস্তবায়নে মমতা ব্যানার্জির সরকারের তীব্র বাধার মুখে পড়েছিল মোদি সরকার। এছাড়া খাগড়াগড় ও ভূপতিনগর বিস্ফোরণের মতো স্পর্শকাতর ঘটনাগুলোর তদন্তেও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের। বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের ফলে এখন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ রোধে দিল্লি-কলকাতা একযোগে কাজ করতে পারবে।

/আশিক


এরদোগানের বড় চমক: ইস্তাম্বুলে প্রকাশ্যে এলো দানবীয় ক্ষেপণাস্ত্র ‘ইলদিরিমহান’

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১১:৫৮:১৯
এরদোগানের বড় চমক: ইস্তাম্বুলে প্রকাশ্যে এলো দানবীয় ক্ষেপণাস্ত্র ‘ইলদিরিমহান’
ছবি : সংগৃহীত

আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে প্রথমবারের মতো নিজেদের তৈরি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) ‘ইলদিরিমহান’ উন্মোচন করেছে তুরস্ক। মঙ্গলবার (৫ মে) ইস্তাম্বুলে আয়োজিত ‘সাহা ২০২৬’ প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে এই শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রকাশ্যে আনা হয়। তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রটি দেশটির দূরপাল্লার আঘাত হানার সক্ষমতায় এক বিশাল মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি ‘ইলদিরিমহান’ ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার, যার ফলে এটি ইউরোপ, এশিয়া এবং আফ্রিকার বিশাল অংশ জুড়ে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এর গতিবেগ সর্বোচ্চ ম্যাক ২৫ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে যা একে বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্রে পরিণত করেছে।

চারটি রকেট ইঞ্জিন সম্বলিত এই প্ল্যাটফর্মে জ্বালানি হিসেবে তরল নাইট্রোজেন টেট্রঅক্সাইড ব্যবহৃত হয়েছে। প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াশার গুলারসহ দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে তুরস্কের এই প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রশংসা করেন।

তুরস্ক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ড্রোন, বিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে ব্যাপক বিনিয়োগ করে প্রতিরক্ষা খাতে অভাবনীয় স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে। ‘সাহা ২০২৬’ প্রদর্শনীর মাধ্যমে দেশটি বিশ্বের সামনে তাদের কারিগরি শ্রেষ্ঠত্ব এবং প্রতিরক্ষা রপ্তানি বৃদ্ধির উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যকেই তুলে ধরেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও সামরিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই আয়োজনটি মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের প্রতিরক্ষা শিল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টে পরিণত হয়েছে।

/আশিক


মধ্যপ্রাচ্যে নাটকীয় মোড়: পাকিস্তানের অনুরোধে কি নমনীয় হলেন ট্রাম্প?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১০:১১:৫৯
মধ্যপ্রাচ্যে নাটকীয় মোড়: পাকিস্তানের অনুরোধে কি নমনীয় হলেন ট্রাম্প?
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এবং একটি টেকসই সমঝোতার লক্ষ্যে হরমুজ প্রণালিতে চলমান সামরিক অভিযান 'প্রজেক্ট ফ্রিডম' স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আজ বুধবার (৬ মে) সকালে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আকস্মিক ঘোষণা দেন। ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, পাকিস্তানসহ কয়েকটি মিত্র দেশের বিশেষ অনুরোধ এবং ইরানের সঙ্গে একটি চূড়ান্ত চুক্তির পথে ইতিবাচক সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে তিনি এটিও স্পষ্ট করেছেন যে, প্রজেক্ট ফ্রিডম স্থগিত করা হলেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধ বা ব্লকড আগের মতোই পুরোপুরি কার্যকর থাকবে। মূলত প্রস্তাবিত চুক্তিটি চূড়ান্ত করা এবং এতে স্বাক্ষর করা সম্ভব কি না, তা যাচাই করার জন্য মার্কিন সেনাবাহিনী এই সামরিক বিরতি নিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার থেকে হরমুজে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে উদ্ধারে 'প্রজেক্ট ফ্রিডম' শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, যাকে ইরান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে কঠোর প্রতিরোধের হুমকি দিয়েছিল।

/আশিক


যুদ্ধের উসকানি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: আমিরাত সংকটে ইরানের বিস্ফোরক মন্তব্য

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৫ ১৭:২০:৩৯
যুদ্ধের উসকানি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: আমিরাত সংকটে ইরানের বিস্ফোরক মন্তব্য
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ চড়ে আকাশচুম্বী হয়েছে, যার ফলে পুরো অঞ্চলটি এখন এক ভয়াবহ যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশসীমায় ইরান থেকে ছোড়া বেশ কয়েকটি ব্যালেস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করার দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী। একই সময়ে আমিরাতের ফুজিরাহ বন্দরের একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে, যার ফলে সেখানে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। এই পাল্টাপাল্টি হামলা ও প্রতিরোধের ঘটনায় ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চরম হুমকির মুখে পড়েছে।

তেল শোধনাগারে হামলার অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে একজন সামরিক কর্মকর্তা দাবি করেন, কোনো জ্বালানি স্থাপনায় পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়নি। বরং বর্তমান এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য তিনি ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা ও তাদের ‘দুঃসাহসিক’ কর্মকাণ্ডকে দায়ী করেছেন। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে যে, এ ধরনের কোনো নাশকতামূলক ঘটনার সাথে তাদের সম্পৃক্ততা নেই।

এদিকে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে চলমান এই উত্তেজনার মধ্যে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, হরমুজ প্রণালিতে কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজের ওপর আক্রমণ চালানো হলে ইরানকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হবে। মার্কিন সামরিক বাহিনী বর্তমানে ওই পথে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে বিশেষ পাহারায় পার করে দিচ্ছে। এ সময় তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করায় বেশ কয়েকটি ইরানি ছোট নৌকা ডুবিয়ে দিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী।

পুরো মধ্যপ্রাচ্য যখন এক মহাযুদ্ধের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে, তখন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির কণ্ঠে কিছুটা নমনীয়তার সুর শোনা গেছে। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি প্রমাণ করে রাজনৈতিক সংকটের কোনো সামরিক সমাধান হতে পারে না। যুদ্ধ এড়িয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি আরও জানান যে, এই সংকট নিরসনে বর্তমানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছে এবং সেই আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা


ইরানকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা হবে: ট্রাম্পের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৫ ১১:৪৫:৩৩
ইরানকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা হবে: ট্রাম্পের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন স্বার্থে কোনো প্রকার আঘাত এলে ইরানকে চরম মূল্য দিতে হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি ফক্স নিউজের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই কড়া বার্তা প্রদান করেন। ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ওই অঞ্চলে চলমান মার্কিন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এর আওতাধীন কোনো জাহাজে হামলা চালানো হলে ইরানকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হবে। প্রেসিডেন্টের এমন আক্রমণাত্মক মন্তব্য বিশ্ব রাজনীতি ও জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।

সাক্ষাৎকার চলাকালীন ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সামরিক শক্তি ও সক্ষমতার বিষয়ে ব্যাপক আত্মবিশ্বাস প্রদর্শন করেন। তিনি দাবি করেন, বিগত কয়েক বছরে মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আমূল আধুনিকায়ন করা হয়েছে। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত এবং বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুত রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো এখন সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা বিশ্বের সেরা সক্ষমতার অধিকারী।

ইরান থেকে আসতে পারে এমন যেকোনো হুমকি রুখতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি মনে করেন, সাগরে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার একমাত্র পথ হলো শক্তিশালী সামরিক অবস্থান নিশ্চিত করা। প্রেসিডেন্ট জানান, মার্কিন রণতরি এবং কৌশলগত সামরিক সরঞ্জামগুলো ইতোমধ্যে নির্দিষ্ট অবস্থানে মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রয়োজন পড়লে এর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে। আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে এবং ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়াশিংটন যেকোনো চরম পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না।

কঠোর হুমকির পাশাপাশি ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও নিজ ধারণা ব্যক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের মতে, ক্রমাগত অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপের মুখে তেহরান এখন আগের তুলনায় কিছুটা নমনীয় মনোভাব দেখাচ্ছে। তিনি মনে করেন, এই চাপের কারণেই হয়তো ইরান এখন শান্তি আলোচনার বিষয়ে কিছুটা নমনীয় হতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আলোচনার পথ খোলা রাখার অর্থ এই নয় যে কোনো প্রকার উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বিশাল অংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও সরবরাহ নিয়ে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হোয়াইট হাউসের এই কঠোর অবস্থান তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধকে সরাসরি সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্পের এই প্রকাশ্য হুমকির জবাবে ইরান পাল্টা কোনো সামরিক মহড়া বা কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখায় কি না।

সূত্র: আলজাজিরা

পাঠকের মতামত:

৬ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

৬ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

সপ্তাহের মাঝামাঝি লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশ কয়েকটি শেয়ারে শক্তিশালী উত্থান দেখা গেছে। বিশেষ করে সিরামিক, টেক্সটাইল, ফার্মাসিউটিক্যালস ও... বিস্তারিত