মঙ্গলবার সকালে বিদ্যুৎহীন থাকছে যেসব এলাকা

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০৩ ২১:৩৫:১৯
মঙ্গলবার সকালে বিদ্যুৎহীন থাকছে যেসব এলাকা
ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ লাইনের আশপাশের গাছের ডালপালা ছাঁটাইয়ের কাজের জন্য গোপালগঞ্জের কয়েকটি নির্দিষ্ট এলাকায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল থেকে টানা সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সোমবার (৩ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে গোপালগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ (ওজোপাডিকো)।

ওজোপাডিকো কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও ঝড়-বৃষ্টির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করা এবং আকস্মিক বিদ্যুৎ বিভ্রাট এড়াতেই এই ডালপালা কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সংস্কারকাজের জন্য গোপালগঞ্জ পৌরসভা এলাকার ওজোপাডিকো দপ্তরের আওতাধীন ১১ কেভি ভার্সিটি ফিডারের অধীনস্থ এলাকাগুলোতে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার সম্ভাব্য এলাকাগুলো হলো—সোনাকুর, গোবরা, নীলার মাঠ, ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস, সার গোডাউন, ঘোনাপাড়া, পোদ্দারের চর, চর সোনাকুর এবং চাপাইল ব্রিজের সংলগ্ন এলাকা।

তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই ডালপালা ছাঁটাইয়ের কাজ সম্পন্ন হলে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ সচল করা হতে পারে, আবার কাজ শেষ হতে বিলম্ব হলে সময়ে কিছুটা পরিবর্তনও আসতে পারে। এই সাময়িক সাময়িক অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর সম্মানিত গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করে সহযোগিতা চেয়েছে স্থানীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।

/আশিক


উত্তপ্ত সাজেকে সশস্ত্র দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০১ ২০:১০:২১
উত্তপ্ত সাজেকে সশস্ত্র দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
ছবি : সংগৃহীত

সাজেক ভ্যালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে স্থানীয় পাহাড়ি সংগঠনগুলোর মধ্যকার দ্বন্দ্ব এবং অবরোধ-পাল্টা অবরোধের উত্তেজনার মধ্যেই সশস্ত্র দুই পক্ষের মধ্যে দেড় ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে সাজেক ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের লাঙ্গলমারা এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল পৌনে চারটা থেকে সোয়া পাঁচটা পর্যন্ত সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) এবং প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে এই গোলাগুলি হয়। এর আগে গত শনিবারও সাজেকের কলাবুনিয়া এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছিল। তবে পরপর দুদিন ধরে চলা এই গোলাগুলির ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং দুই সংগঠনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন গোলাগুলির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে সাজেক সড়কে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে রোববার সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টার জন্য অবরোধ শিথিল করা হয়েছিল। তবে সাজেক সড়ক এক দিনের জন্য না খুলে স্থায়ীভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবিতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা ধর্মঘট পালন করায় খাগড়াছড়ির সঙ্গে সাজেকের সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে যানবাহনের চালক ও শ্রমিকরা বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতেও কর্মবিরতি পালন করেছেন। যানবাহন চলাচল না করায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং কৃষকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সাজেক এলাকার জুমচাষ ও কৃষিকাজের উৎপাদিত কলা ও পেঁপেসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য পরিবহন করা সম্ভব না হওয়ায় তা খেতেই পেকে নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছে।

/আশিক


সারাদেশে তিন দিন গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকবে

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০১ ১৯:৩৫:১৯
সারাদেশে তিন দিন গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকবে
ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে টানা তিন দিন টার্মিনালটির কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ফলে এই সময়ে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে এবং সারা দেশে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করতে পারে।

আজ রোববার (১ নভেম্বর) পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের উদ্দেশ্যে আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত রিগ্যাসিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

দৈনিক সরবরাহ ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে রান্নাবান্না ও শিল্প কারখানায় গ্যাসের চাপ কমে ভোগান্তি তৈরি হতে পারে। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, বিগত বছরের ডিসেম্বরেও একইভাবে টার্মিনালটির অনুরূপ রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পাদন করা হয়েছিল। এই সাময়িক অসুবিধার জন্য দেশের সাধারণ গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ।

/আশিক


জুমার খুতবায় শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় খতিবকে অব্যাহতি

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০১ ১৯:১৫:৩২
জুমার খুতবায় শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় খতিবকে অব্যাহতি
ছবি : সংগৃহীত

ময়মনসিংহের নান্দাইলে জুমার খুতবায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দেওয়ার জেরে এক মসজিদের খতিবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ওই খতিবের নাম মাওলানা মোজাহিদুল ইসলাম। তিনি নান্দাইল পৌরসভার বেতাল মহফুজ পুরাবাড়িয়া মোড় জামে মসজিদে খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত ২৩ অক্টোবর জুমার খুতবায় দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তাকে এই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, গত ২৩ অক্টোবর জুমার নামাজের আগের বয়ানে খতিব মাওলানা মোজাহিদুল ইসলাম মূর্তি ও ভাস্কর্যের ইতিহাস এবং সে বিষয়ে ইসলামের অবস্থান নিয়ে আলোচনা করেন। একপর্যায়ে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের প্রসঙ্গ টেনে তার মেয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলে উল্লেখ করেন। এই বক্তব্যের জেরে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফেরদৌস ভূঁইয়া তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন বলে জানান ওই খতিব। এদিকে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। খতিব মাওলানা মোজাহিদুল ইসলামের দাবি, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত মসজিদ কমিটির সভাপতি তাকে অপসারিত করেছেন। অন্যদিকে, ঘটনাটি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানার পর ভারপ্রাপ্ত নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল হক তারেক স্থানীয় থানাকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

/আশিক


কালিয়াকৈর থানার ওসির হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক হলো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ৩১ ২৩:৪৪:৫১
কালিয়াকৈর থানার ওসির হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক হলো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক
বিক্ষোভকারীদের একাংশ মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। ছবি: কালবেলা

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকরা এই বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা মহাসড়ক অবরোধ করলে আন্দোলন চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাকসহ আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। শত শত শ্রমিক রাস্তায় নেমে স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি একপর্যায়ে সহিংস রূপ নেয়; বিক্ষোভকারীদের একাংশ মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এই অবরোধের ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুর থেকে বোর্ডঘর পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে নারী, শিশু ও যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে আশপাশের অন্তত ১৫টি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। শ্রমিকদের যুক্তি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চড়া দামের বাজারে বর্তমান আয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ায় তারা এই আন্দোলনে নেমেছেন।

পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রচেষ্টা ও শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে।

/আশিক


ই-রিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা জারি: মানতে হবে যেসব কড়া শর্ত

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৯ ২০:৫০:২৬
ই-রিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা জারি: মানতে হবে যেসব কড়া শর্ত

ঢাকাসহ দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ই-রিকশার চলাচল কঠোর শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে একটি নতুন বিধিমালা জারি করেছে সরকার। ‘সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ নামের এই প্রজ্ঞাপনটি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা হয় এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। নতুন এই বিধিমালার অধীনে প্রতিটি সিটি করপোরেশন নিজ নিজ ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ই-রিকশার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এবং নির্দিষ্ট জোন বা রুট নির্ধারণ করবে।

নতুন নিয়মের আওতায় যেকোনো ই-রিকশা সড়কে চলাচলের জন্য সরকারের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিবন্ধনের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর এবং একজন ব্যক্তি নিজ জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সব সিটি করপোরেশন মিলিয়ে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্য হবেন। তবে এক সিটিতে নিবন্ধিত যান অন্য সিটিতে বাণিজ্যিকভাবে চালানো যাবে না। নিবন্ধনের জন্য দুই যাত্রীক্ষমতার যানের ফি ৮ হাজার টাকা (বার্ষিক নবায়ন ৪ হাজার) এবং চার যাত্রীক্ষমতার যানের ফি ১০ হাজার টাকা (বার্ষিক নবায়ন ৫ হাজার) নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ফিটনেস সনদের ফি ১ হাজার টাকা এবং প্রতিটি যানের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল সর্বোচ্চ ১২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদন যাচাই-বাছাই করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নম্বর প্লেট ও ব্লু-বুক প্রদান করা হবে। বুয়েটের প্রযুক্তিগত মানদণ্ড অনুসরণ করে বর্তমানে চলাচলকারী পুরোনো ই-রিকশাগুলোকেও এই অনুমোদনের আওতায় আসতে হবে।

নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার। তবে হাসপাতাল, স্কুল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল এলাকায় তা সর্বোচ্চ ১৫ কিলোমিটারে সীমিত রাখতে হবে এবং প্রতিটি যানে স্পিডোমিটার বা ওডোমিটার থাকতে হবে। জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, প্রধান বাস করিডোর, প্রশাসনের নিষিদ্ধ সড়ক এবং ফুটপাতে এসব যান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। চালকদের কঠোরভাবে বাম লেন মেনে চলতে হবে এবং গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার বা নিয়মবহির্ভূত ওভারটেকিং করা যাবে না। এছাড়া আকারভেদে সর্বোচ্চ দুই বা চারজন যাত্রী বহন করা যাবে, যেখানে বাণিজ্যিক কোনো ভারী মালামাল পরিবহন করা নিষিদ্ধ এবং ৪০ ডেসিবেলের বেশি তীব্রতার হর্ন বাজানো দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

পরিবেশ রক্ষা ও চার্জিং ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত গ্যারেজ বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত চার্জিং পয়েন্ট ছাড়া অন্য কোথাও ব্যাটারি চার্জ দেওয়া যাবে না এবং অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরোনো বা অকার্যকর ব্যাটারি যত্রতত্র ফেলা বা পোড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ব্যাটারি ভাঙা বা গলানো যাবে না। নিবন্ধন ছাড়া গাড়ি চালানো, অতিরিক্ত গতি, নিষিদ্ধ সড়কে চলাচল, সিগন্যাল অমান্য বা দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধের বিরুদ্ধে ট্রাফিক বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা যৌথভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

/আশিক


বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত যেসব এলাকায় মিলবে না বিদ্যুৎ

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৮ ১৯:১৬:২২
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত যেসব এলাকায় মিলবে না বিদ্যুৎ
ছবি : সংগৃহীত

জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নকাজের জন্য বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত টানা সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে ঢাকার ধামরাইয়ের বেশ কয়েকটি এলাকায়। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর ধামরাই জোনাল অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বাড়াড়িয়া (একমি) ৩৩ কেভি লাইন ও ধামরাই উপকেন্দ্রের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকা এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে ছোট চন্দ্রাইল, বড়চন্দ্রাইল, খাত্রা, ছয়বাড়ীয়া, বাড়ীগাঁও, বাশাইল, কুল্লা, জলসীন, তালতলা, ইসলামপুর, কুমড়াইল, হাসপাতাল রোড, নতুন দক্ষিণপাড়া, থানা কমপ্লেক্স, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, আমিন মডেল টাউন, বরাতনগর, বরাত সেন্টার, ধানসিঁড়ি আবাসিক এলাকা এবং ঢুলিভিটা।

ধামরাই জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার লিপিয়া খাতুন জানান, ৩৩ কেভি লাইনের তার উন্নীতকরণ এবং জরুরি রক্ষণাবেক্ষণকাজের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।

/আশিক


খুলনার স্টেডিয়াম ও বিকেএসপির অবকাঠামোগত উন্নয়নের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৫ ২০:৫৯:৩৬
খুলনার স্টেডিয়াম ও বিকেএসপির অবকাঠামোগত উন্নয়নের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

তৃণমূল পর্যায় থেকে খুদে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও তাদের দক্ষ खिलाड़ी হিসেবে গড়ে তুলতে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর আয়োজিত হতে যাচ্ছে। আগামী ৫ নভেম্বর বিকেল ৩টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে সরাসরি যুক্ত হয়ে দেশের মোট ৫০৩টি উপজেলায় একযোগে এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই মহাযজ্ঞের প্রস্তুতি ও সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করতে এবং বিভাগীয় পর্যায়ে মতবিনিময় সভা করতে রোববার (২৫ অক্টোবর) খুলনায় আসেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

খুলনা জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী জানান, তৃণমূলের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা প্রতিভাবান শিশু-কিশোরদের খুঁজে বের করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। এর প্রথম আসর থেকে উঠে আসা অনেক তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড় বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) উন্নত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার কোনো প্রতিভাকে হারিয়ে যেতে দেবে না। খেলোয়াড় হিসেবে তাদের প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি তাদের পড়াশোনার যাবতীয় খরচ ও দায়িত্বও সরকার বহন করবে। এছাড়া বর্তমান প্রজন্মকে ডিজিটাল ডিভাইস ও মাদকের ভয়াল থাবা থেকে দূরে রেখে সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এবারের আসরের ব্যাপকতার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, অনলাইনে ইতিমধ্যে প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার তরুণ খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করেছে। দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠনের মাধ্যমে প্রায় ১৪ লাখ ক্রীড়াবিদ এতে সরাসরি অংশ নেবে। ইউনিয়ন, উপজেলা ও বিভাগীয় ধাপের প্রতিযোগিতাসমূহ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর আগামী বছরের মে অথবা জুনের দিকে চূড়ান্ত জাতীয় পর্যায়ের আসর অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া খুলনার ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়নে জেলা স্টেডিয়ামের অসমাপ্ত গ্যালারি নির্মাণ এবং স্থানীয় বিকেএসপির সংস্কারের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী জানুয়ারি মাস থেকেই খুলনার বিকেএসপির শিক্ষার্থীরা এই প্রাঙ্গণে পূর্ণাঙ্গ পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে।

এর আগে রোববার বিকেলে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনী প্রস্তুতি উপলক্ষে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানের সভাপতিত্বে উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী এবং জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। এছাড়া খুলনা বিভাগের ১০ জেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, ক্রীড়া সংগঠক ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন। এর আগে স্টেডিয়াম পরিদর্শনের সময় বিসিবি পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোল্লা খায়রুল ইসলামসহ স্থানীয় ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ কি আঘাত হানবে? যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৫ ২০:৪৯:৫১
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ কি আঘাত হানবে? যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
ছবি : সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি শক্তি সঞ্চয় করে ইতিমধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে এবং অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকলে এটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) একটি পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আবহাওয়াবিদরা পূর্বাভাস দিয়েছেন। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রস্তাবিত এই সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম হতে পারে ‘অর্ণব’, যার অর্থ সমুদ্র। এর পরবর্তী তালিকায় ভারতের প্রস্তাবিত নাম রয়েছে ‘মুরাসু’। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সিস্টেমটি বর্তমানে পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং আরও ঘনীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ নিয়ে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, ঝড়টি সরাসরি বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানার আশঙ্কা তুলনামূলক কম রয়েছে এবং এর ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। তবে সরাসরি আঘাত না হানলেও এর প্রভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবহাওয়া উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হতে পারে এবং বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে। এর ধারাবাহিকতায় আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্ভাব্য এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি এড়াতে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে না যাওয়ার জন্য কঠোর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের এই ঘূর্ণিঝড় নামকরণের ক্ষেত্রে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) আওতাধীন ১৩টি দেশের পূর্বনির্ধারিত তালিকা অনুসরণ করা হয়, তবে আরব সাগরে সমসাময়িক অন্য কোনো ঝড় আগে সৃষ্টি হলে এই নামের ক্রমানুসারে পরিবর্তন আসতে পারে।

/আশিক


প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিতের তাগিদ আসিফ নজরুলের

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১৯:১৬:২৮
প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিতের তাগিদ আসিফ নজরুলের
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা, বিচার বিভাগের সার্বিক স্বাধীনতা সুনিশ্চিতকরণ, জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলোকে কার্যকরকরণ এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়া বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

আজ শনিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মতামত তুলে ধরেন। ড. আসিফ নজরুল বলেন, সংবিধানে ইতিবাচক প্রতিটি পরিবর্তনই সংস্কার হিসেবে গণ্য হতে পারে; তবে যেকোনো সংশোধনের ক্ষেত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে হবে।

বৈঠকের সার্বিক পরিবেশ অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ছিল জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, সালাহউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আয়োজিত এ আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা স্বাধীনভাবে নিজেদের সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেছেন। ড. আসিফ নজরুল সংবিধানে অনুচ্ছেদ ৭৬-এর আলোকে সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলোকে শক্তিশালী করা এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির প্রধান পদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের রাখার আহ্বান জানান। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখার বিষয়ে আলোকপাত করতে গিয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও পৃথক সচিবালয় সংক্রান্ত আইনের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন, যার জবাবে বৈঠকে উপস্থিত আইনমন্ত্রী জানান বিষয়গুলো বাতিল হয়নি বরং পর্যায়ক্রমে আইনি কাঠামোর মধ্যে আনা হবে। এছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও ৭০ অনুচ্ছেদসহ নির্বাচনব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হলেও জুলাই সনদে উল্লিখিত প্রস্তাবনার বেশিরভাগ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত বলে তিনি জানান।

পরিশেষে নিজের বিগত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে সাবেক এই উপদেষ্টা সতর্ক করে বলেন, ২০১১ সালে সংবিধান সংশোধনের যে উদ্যোগ দেখা গিয়েছিল, এবার যেন জনগণের সঙ্গে তেমন কোনো হতাশার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। সংবিধান পরিবর্তনের প্রক্রিয়া যা-ই হোক না কেন, চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জিত হচ্ছে কি না এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাস্তবে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও শক্তিশালী হচ্ছে কি না—সেদিকেই সবার মনোযোগ থাকা প্রয়োজন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: