সকালে দুধ চা পানের আগে সাবধান: পাকস্থলীতে হতে পারে বড় ক্ষতি

চায়ের স্বাদ ও আভিজাত্য কম-বেশি সবারই পছন্দের, তবে দুধ চা পানের অভ্যাসে নিজের অজান্তেই শরীরের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে দুধ চা পান করা স্বাস্থ্যঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে চায়ের সঙ্গে দুধ ও চিনি মিশিয়ে পানের নানা নেতিবাচক দিক তুলে ধরা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে নাশতার আগে বা খালি পেটে দুধ চা পান করলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়, যা থেকে গ্যাসের সমস্যা ও হজমশক্তি ব্যাহত হতে পারে। যারা কড়া করে দুধ চা পান করতে পছন্দ করেন, তাদের ক্ষেত্রে ‘পেপটিক আলসার’-এর মতো জটিল রোগ হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। এছাড়া চায়ের অন্যতম উপাদান ‘ট্যানিন’ দুধের স্পর্শে এলে অধিকতর সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা দাঁতে হলদেটে দাগ সৃষ্টির অন্যতম কারণ।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, অতিরিক্ত দুধ চা পানের অভ্যাস পাকস্থলীতে বিরূপ প্রভাব ফেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তৈরি করতে পারে। অনেক সময় পেট ফাঁপা বা ‘ব্লোটিং’-এর অস্বস্তিও দেখা দেয়। যারা দিনে চার থেকে পাঁচ বার বা তার বেশি দুধ চা পান করেন, তাদের ক্ষেত্রে অনিদ্রার সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। এসব শারীরিক বিড়ম্বনা থেকে বাঁচতে দুধ চায়ের পরিবর্তে লিকার চা, মধু বা লেবু চা পানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, খালি পেটে চা পানের অভ্যাস পরিহার করে তার আগে সামান্য বিস্কুট, মুড়ি বা চিড়া খেয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
সামাজিক কুসংস্কার ছাপিয়ে গবেষণায় পিরিয়ড: জরায়ুর ক্যানসার প্রতিরোধে নতুন হাতিয়ার
নারীদের মাসিক বা পিরিয়ডকে দীর্ঘকাল ধরে কেবল একটি স্বাভাবিক প্রজনন প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হলেও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান এখন একে শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যের এক অনন্য বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে যে প্রতি মাসে নির্গত এই রক্ত আসলে প্রজননতন্ত্রের বাইরেও শরীরের অন্যান্য অঙ্গের অবস্থা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন পিরিয়ডের রক্তে এমন অনেক জৈবিক তথ্য সংরক্ষিত থাকে যা সাধারণ রক্ত বা লালার পরীক্ষায় সহজে ধরা পড়ে না।
এই রক্তে জরায়ু, ডিম্বাশয় এবং ফ্যালোপিয়ান টিউব থেকে আসা বিভিন্ন কোষ, হরমোন, প্রোটিন ও ব্যাকটেরিয়া মিশে থাকে যা নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা দিতে সক্ষম। গবেষকরা একে এক ধরনের প্রাকৃতিক বায়োপসি হিসেবে অভিহিত করছেন যা ভবিষ্যতের রোগ নির্ণয় পদ্ধতিকে আমূল বদলে দিতে পারে।
বিশেষ করে এন্ডোমেট্রিওসিসের মতো জটিল রোগ শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে পিরিয়ডের রক্ত এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। বর্তমানে এই রোগটি নির্ণয় করতে ল্যাপারোস্কোপির মতো ছোটখাটো অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় যেখানে পেটের ভেতর ক্যামেরা ঢুকিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এটি যেমন সময়সাপেক্ষ তেমনি রোগীর জন্য বেশ কষ্টকর। ‘নেক্সটজেন জেন’-এর প্রধান নির্বাহী রিধি তারিয়াল জানান যে পিরিয়ডের রক্ত বিশ্লেষণ করেই ভবিষ্যতে কোনো রকম অস্ত্রোপচার ছাড়াই এন্ডোমেট্রিওসিস শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
এছাড়া জরায়ুর ক্যানসার, অ্যাডেনোমায়োসিস এবং বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ প্রদাহজনিত সমস্যার ইঙ্গিতও এই রক্ত থেকে পাওয়া যেতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে পিরিয়ডের রক্তে শত শত প্রোটিন ও জৈবিক উপাদান থাকে যা শরীরের ভেতরের সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো স্পষ্ট করে তোলে। এমনকি থাইরয়েডের সমস্যা বা হরমোনের ভারসাম্যহীনতার মতো বিষয়গুলোও এই রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা সম্ভব।
সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো পিরিয়ডের রক্ত দিয়ে এখন ডায়াবেটিস শনাক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে কাজ চলছে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে মাসিকের রক্তে শর্করার মাত্রা শরীরের মূল রক্তপ্রবাহের শর্করার মাত্রারই সঠিক প্রতিফলন ঘটায়। একইভাবে শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব বা কোনো বিষাক্ত পদার্থের উপস্থিতিও এই রক্তের মাধ্যমে নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যেতে পারে। এছাড়া যৌনবাহিত রোগ যেমন এইচপিভি বা ক্ল্যামাইডিয়ার মতো সংক্রমণ শনাক্ত করতেও পিরিয়ডের রক্ত ব্যবহারের ওপর ব্যাপক গবেষণা চলছে যা প্রচলিত প্যাপ স্মিয়ার পদ্ধতির চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে।
এতদিন সামাজিক কুসংস্কার ও অবহেলার কারণে এই ক্ষেত্রটি গবেষণার বাইরে থাকলেও এখন বিভিন্ন বায়োটেক কোম্পানি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কাজ করছে। আশা করা হচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে নারীরা ঘরে বসেই নিজেদের পিরিয়ড রক্ত পরীক্ষা করে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সম্পর্কে সব জরুরি তথ্য জানতে পারবেন যা দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে এবং দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা দূর করতে সাহায্য করবে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
গ্যাস্ট্রিকমুক্ত থাকতে চাইলে বদলান ৫টি অভ্যাস
ভাজাপোড়া খাবার আর অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে গ্যাস্ট্রিক এখন আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। বুক জ্বালাপোড়া করলেই আমরা টপাটপ গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে ফেলি, যা দীর্ঘমেয়াদে লিভার বা কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
অথচ পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্ল্যান্ড থেকে অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণ কমানোর জন্য কেবল জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনাই যথেষ্ট। দীর্ঘ সময় খালি পেটে না থাকা, অতিরিক্ত চা-কফি বর্জন এবং পর্যাপ্ত ঘুম এই সমস্যা থেকে মুক্তির মূল চাবিকাঠি। এছাড়া রাতের খাবার দ্রুত শেষ করা এবং খাওয়ার পরপরই শুয়ে না পড়ার অভ্যাস গড়লে গ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রণা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
প্রাকৃতিক উপায়ে গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে পুদিনা পাতা, মৌরি এবং টকদই জাদুকরী ভূমিকা পালন করে। পুদিনা পাতা হজম শক্তি বাড়িয়ে বুক জ্বালাপোড়া কমায়, আর খাওয়ার পর মৌরি চিবিয়ে খেলে পেট ফাঁপা দূর হয়। টকদইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড হজম প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে পাকস্থলীতে অ্যাসিড জমতে বাধা দেয়।
এই সামান্য কিছু সচেতনতা আর ঘরোয়া টোটকা মেনে চললে ওষুধের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব। নিজেকে সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার ও ধূমপান থেকে দূরে থাকার কোনো বিকল্প নেই।
/আশিক
ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে একবেলার প্রশান্তি: ঢাকার কাছেই সেরা ৫টি পিকনিক স্পট
রোজার সংযম শেষে ঈদ মানেই পুনর্মিলন। আর এই আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে ঢাকার চারপাশেই গড়ে উঠেছে অসাধারণ সব পর্যটন কেন্দ্র। এবারের ঈদে দর্শনার্থীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকা স্থানগুলো হলো
গাজীপুরের নুহাশ পল্লী ও সাফারি পার্ক
প্রকৃতি ও সাহিত্যের মেলবন্ধন যারা খুঁজছেন, তাদের প্রথম পছন্দ প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের নুহাশ পল্লী। এখানে কৃত্রিমতাহীন গ্রামীণ স্নিগ্ধতা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। অন্যদিকে, অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক অন্যতম আকর্ষণ। উন্মুক্ত পরিবেশে বাঘ, সিংহ ও বন্যপ্রাণী দেখার সুযোগ শিশুদের জন্য এটি একটি বড় শিক্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে।
বিলাসবহুল রিসোর্ট (সারাহ ও ড্রিম স্কয়ার)
গাজীপুরেই অবস্থিত সারাহ রিসোর্ট তার অত্যাধুনিক সুইমিং পুল ও সবুজ বাগানের জন্য পরিচিত। এছাড়া স্থাপত্য ও প্রকৃতির অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায় ড্রিম স্কয়ার রিসোর্টে। নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটাতে চাইলে জল ও জঙ্গলের কাব্য একটি অনন্য কাব্যিক গন্তব্য।
জিন্দা পার্ক, রূপগঞ্জ
পরিবেশবান্ধব ভ্রমণের জন্য নারায়ণগঞ্জের জিন্দা পার্ক একটি আদর্শ উদাহরণ। সুপরিকল্পিত লেক, শত প্রজাতির গাছ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে এটি বর্তমানে ঢাকার অন্যতম জনপ্রিয় পিকনিক স্পট।
ঐতিহাসিক সোনারগাঁও ও পানাম সিটি
ইতিহাস প্রেমীদের জন্য পানাম সিটি যেন টাইম মেশিনে অতীতে ফিরে যাওয়া। সারি সারি প্রাচীন ভবন আর তার পাশেই বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর বাংলার লোকজ ঐতিহ্যকে জীবন্ত করে রেখেছে।
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি, মানিকগঞ্জ
স্থাপত্যশৈলী ও ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদার বাড়ি। বিশাল দালান আর স্মৃতিময় পরিবেশ পর্যটকদের দারুণভাবে টানে।
ঢাকার ভেতরে বিনোদন কেন্দ্র
শহরের ভেতরে হাতিরঝিল এখন আধুনিক আড্ডার কেন্দ্রবিন্দু। সন্ধ্যার আলোকসজ্জা ও ওয়াটার বাস ভ্রমণ ঈদের আনন্দকে রাঙিয়ে দেয়। এছাড়া প্রাতঃভ্রমণকারীদের প্রিয় রমনা পার্ক এবং তরুণদের নতুন আড্ডাস্থল বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্ক এখন উৎসবমুখর।
ঈদের স্পেশাল রসনাবিলাস
ঘোরার পাশাপাশি খাওয়া-দাওয়ায় ঐতিহ্য ধরে রেখেছে পুরান ঢাকার হাজীর বিরিয়ানি। তবে আধুনিক রুচির তরুণদের ভিড় দেখা যাচ্ছে বনানীর যাত্রা বিরতি, টাগোর টেরেস কিংবা টেরাকোটা টেইলস-এর মতো নান্দনিক রেস্তোরাঁগুলোতে।
/আশিক
পেট ফাঁপা ও বুক ভার ভাব; ঈদের খাবারের পর অস্বস্তি দূর করার সহজ উপায়
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর মানেই বাহারি সব খাবারের আয়োজন। সেমাই, পোলাও, রোস্ট থেকে শুরু করে খাসির রেজালা—কি নেই মেন্যুতে! তবে এই খুশির জোয়ারে নিজের ঘরের পাশাপাশি আত্মীয়র বাড়িতেও কবজি ডুবিয়ে খাওয়ার পর শুরু হয় আসল বিপত্তি।
অনেকেরই বুক ভার লাগা, পেট ফাঁপা বা হাঁসফাঁস অনুভূতির মতো অস্বস্তিকর সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘ বিরতির পর অতিরিক্ত খাবার খেলে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যাওয়ায় এমনটা হওয়া খুবই স্বাভাবিক।
তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, এই অস্বস্তি থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে আপনি কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করতে পারেন। খাওয়ার পর পেটে গ্যাস বা ভারী ভাব অনুভূত হলে সাথে সাথেই শুয়ে না পড়ে ১০-১৫ মিনিট হালকা পায়চারি করুন।
এতে হজম প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়। টাইট পোশাক এড়িয়ে ঢিলেঢালা পোশাক পরলে পেটের ওপর চাপ কমবে এবং স্বস্তি মিলবে। এছাড়া আদা চা বা পুদিনা পাতা কুচি চিবিয়ে খেলে প্রাকৃতিক উপায়ে গ্যাসের সমস্যা দূর হয়। মনে রাখবেন, অতিরিক্ত ঠান্ডা পানীয় বা কার্বোনেটেড ড্রিংক সাময়িক আরাম দিলেও দীর্ঘমেয়াদে তা হজমের ক্ষতি করতে পারে।
/আশিক
মস্তিষ্কের জন্য ‘স্লো পয়জন’ এই ১১ অভ্যাস! আজই সতর্ক না হলে বিপদ
বাইরে না গিয়ে অন্ধকার ঘরে একা থাকা কিংবা সারাক্ষণ কানে হেডফোন গুঁজে রাখা—শুনতে আরামদায়ক মনে হলেও এগুলো আপনার মস্তিষ্কের জন্য এক ধরনের স্লো পয়জন। হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলসহ বিভিন্ন নামী প্রতিষ্ঠানের গবেষণা বলছে, আমাদের দৈনন্দিন কিছু অনিয়মিত অভ্যাস তিলে তিলে ব্রেনকে অকেজো করে দিচ্ছে। আপনার মস্তিষ্ককে রক্ষা করতে এবং এর কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে যে ১১টি অভ্যাস দ্রুত বদলানো প্রয়োজন, তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো
ঘুমের অভাব
২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম মস্তিষ্কের জন্য বাধ্যতামূলক। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক নিজের বিষাক্ত পদার্থ পরিষ্কার করে নতুন কোষ তৈরি করে। কম ঘুমালে স্মৃতিশক্তি কমে যায় এবং ভবিষ্যতে অ্যালঝেইমার্স বা স্মৃতিভ্রমের ঝুঁকি বাড়ে। তাই ঘুমানোর ১ ঘণ্টা আগে সব গ্যাজেট বন্ধ রাখুন এবং অন্ধকার ও আরামদায়ক পরিবেশে ঘুমানোর অভ্যাস করুন।
সকালের নাস্তা না খাওয়া
সারা রাত না খেয়ে থাকার পর মস্তিষ্ক চালানোর প্রধান জ্বালানি আসে সকালের নাস্তা থেকে। এটি বাদ দিলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়, যা দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের কোষের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
পর্যাপ্ত পানি পান না করা
আমাদের মস্তিষ্কের ৭৫ শতাংশই পানি। শরীরে পানি কম হলে মস্তিষ্কের টিস্যু সংকুচিত হয়ে যায়, যা আপনার চিন্তা করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই সারাদিনে অন্তত ২ লিটার পানি পান নিশ্চিত করুন।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও বিশ্রামহীনতা
অসুস্থ অবস্থায় কাজ করা বা সারাক্ষণ স্ট্রেসের মধ্যে থাকলে মস্তিষ্কের কোষ মারা যায়। যারা সব কাজ নিখুঁত করতে চান বা কাউকে 'না' বলতে পারেন না, তারা এই ঝুঁকিতে বেশি থাকেন। শরীর খারাপ থাকলে জোর করে কাজ না করে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেওয়া উচিত।
অলস জীবনযাপন
সারাদিন শুয়ে-বসে থাকলে শুধু শরীর নয়, মস্তিষ্কও স্থবির হয়ে পড়ে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। তাই সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ৩০ মিনিট করে হাঁটার অভ্যাস করুন।
প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা
ছোটখাটো হিসাব বা সাধারণ তথ্যের জন্য সবসময় গুগলের ওপর নির্ভর করবেন না। এতে ব্রেনের নিজস্ব ক্ষমতা কমে যায়। স্মৃতিশক্তি ধারালো রাখতে ধাঁধা মেলানো, বই পড়া বা ফোন নম্বর মুখস্থ রাখার চেষ্টা করুন।
হেডফোনে উচ্চশব্দে গান শোনা
হেডফোনে ৩০ মিনিটের বেশি জোরে গান শুনলে শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর শ্রবণশক্তি কমলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কের টিস্যুর ওপর। ভলিউম সবসময় ৬০ শতাংশের নিচে রাখার চেষ্টা করুন।
একাকীত্ব ও অসামাজিক হওয়া
মানুষের সাথে মেলামেশা মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত রাখে। দীর্ঘ সময় একা থাকলে বিষণ্নতা বাড়ে এবং ব্রেন দ্রুত বুড়িয়ে যায়। তাই প্রিয়জন ও ইতিবাচক মানুষের সাথে সময় কাটান।
নেতিবাচক চিন্তা
"আমাকে দিয়ে কিছু হবে না"—এমন চিন্তা মস্তিষ্কে ক্ষতিকর প্রোটিন জমা করে, যা ডিমেনশিয়ার কারণ হতে পারে। নেতিবাচক খবর বা মানুষ এড়িয়ে ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করুন।
অন্ধকার ঘরে থাকা
মস্তিষ্কের জন্য সূর্যের আলো ও প্রাকৃতিক বাতাস খুব জরুরি। দীর্ঘ সময় অন্ধকার বা বদ্ধ ঘরে থাকলে ডিপ্রেশন বাড়ে। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় রোদে যান বা ঘরের জানালা খোলা রাখুন।
ভুল খাদ্যাভ্যাস ও অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম
অতিরিক্ত চিনি, জাঙ্ক ফুড এবং মদ্যপান মস্তিষ্কের স্নায়ু সংকুচিত করে দেয়। এছাড়া মোবাইল বা ল্যাপটপের অতিরিক্ত ব্যবহার (বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে) মস্তিষ্কের গঠন পাতলা করে দেয়। ঘুমানোর সময় ফোন মাথা থেকে দূরে রাখুন এবং পরিমিত পুষ্টিকর খাবার খান।
সূত্র : বিবিসি বাংলা
ঈদ শপিংয়ে অনলাইন জালিয়াতি থেকে বাঁচবেন যেভাবে; ৬টি জরুরি টিপস
অনলাইন কেনাকাটার জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রতারক চক্রের দৌরাত্ম্য। বিশেষ করে ঈদকে সামনে রেখে ফেসবুক বা বিভিন্ন ভুয়া ওয়েবসাইটে আকর্ষণীয় অফারের আড়ালে ওত পেতে থাকে জালিয়াতরা। একটু অসতর্ক হলেই শখের কেনাকাটা পরিণত হতে পারে দুঃস্বপ্নে। অনলাইন শপিংয়ে প্রতারণা এড়াতে এবং আপনার শপিংকে নিরাপদ করতে বিশেষজ্ঞরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রথমেই ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে ‘https’ এবং একটি লক (Lock) আইকন আছে কি না তা দেখে নিন। ভুয়া বা ফিশিং সাইটে সাধারণত এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে না। এছাড়া অপরিচিত কোনো পেজ বা সাইট থেকে অর্ডারের আগে অবশ্যই তাদের কাস্টমার রিভিউ ও রেটিং যাচাই করে নেওয়া উচিত। অনেক সময় অবিশ্বাস্য ছাড়ের (যেমন: ৮০-৯০ শতাংশ ডিসকাউন্ট) প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করা হয়, যা আসলে একটি বড় ফাঁদ।
লেনদেনের ক্ষেত্রেও বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। যেকোনো সাইটে নিজের কার্ডের তথ্য বা পিন নম্বর দেওয়ার আগে তার বিশ্বস্ততা যাচাই করুন। সম্ভব হলে ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ বা পণ্য হাতে পেয়ে টাকা দেওয়ার অপশনটি বেছে নিন। ডেলিভারি ও রিটার্ন পলিসি আগেভাগেই পড়ে রাখা ভালো, যাতে পণ্য পছন্দ না হলে বা ভুল পণ্য এলে ফেরত দেওয়া সহজ হয়। মনে রাখবেন, ই-মেইল বা মেসেজে আসা অজানা কোনো লিংকে ক্লিক করে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা মানেই নিজেকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া।
/আশিক
দৃষ্টিহীনের চোখে ফিরবে আলো! লিকুইড কর্নিয়ায় বিজ্ঞানের অবিশ্বাস্য সাফল্য
দৃষ্টিহীনের চোখের আলো ফেরাতে এবার বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার হিসেবে হাজির হয়েছে ‘লিকুইড কর্নিয়া’। বয়সজনিত কারণে বা কোনো দুর্ঘটনায় যাদের দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে গেছে কিংবা যারা পুরোপুরি অন্ধত্বের শিকার, তাদের জন্য এটি হতে পারে এক নতুন আশার আলো। এতদিন এই সমস্যার একমাত্র সমাধান ছিল কর্নিয়া প্রতিস্থাপন, যা অত্যন্ত জটিল, সময়সাপেক্ষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু বেঙ্গালুরুর বিজ্ঞানীদের তৈরি এই বায়ো-পলিমার চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিতে যাচ্ছে।
লিকুইড কর্নিয়া মূলত হাইড্রোজেল দিয়ে তৈরি এক ধরনের বিশেষ বায়ো-পলিমার। এতে কোলাজেন, ফাইব্রিনোজোন এবং স্টেম কোষের মিশ্রণ থাকে, যা চোখের ভেতরে নতুন কোষ তৈরি করতে সক্ষম। এটি ইনজেকশনের মাধ্যমে চোখে প্রবেশ করানো হবে এবং কর্নিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে গিয়ে তা ধীরে ধীরে আসল কর্নিয়ার মতোই একটি স্বচ্ছ স্তর গঠন করবে। এর মধ্য দিয়ে আলোকরশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করতে পারবে, ফলে দৃষ্টিহীন ব্যক্তি ফিরে পাবেন তাঁর স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি।
যাদের কর্নিয়া অস্বচ্ছ হয়ে গেছে, কর্নিয়াল আলসার হয়েছে কিংবা সংক্রমণের কারণে চোখে স্থায়ী দাগ পড়ে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে গেছে, তাদের ক্ষেত্রে এই লিকুইড কর্নিয়া জাদুর মতো কাজ করবে। প্রচলিত কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে মৃত দাতার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা এবং নিখুঁত অস্ত্রোপচারের যে ঝুঁকি থাকে, লিকুইড কর্নিয়ার ক্ষেত্রে সেই ভয় নেই। বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, এটি অবিকল আসল কর্নিয়ার মতোই আচরণ করবে এবং কোনো জটিলতা ছাড়াই চোখের ভেতরেই নতুন কর্নিয়া তৈরি হবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই অভাবনীয় সাফল্য অন্ধত্ব নিবারণে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
/আশিক
ঈদের আগে চুলের জেল্লা ফেরাতে টক দই; ট্রাই করুন এই ৪টি জাদুকরী মাস্ক
সামনেই খুশির ঈদ। উৎসবের এই দিনটিতে নিজেকে সতেজ ও প্রাণবন্ত দেখাতে ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্ন নেওয়া খুবই প্রয়োজন। ঈদের আগে চুলের হারানো স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে রান্নাঘরের সাধারণ উপকরণ টক দই হতে পারে আপনার সেরা সমাধান। টক দই দিয়ে তৈরি করা যায় এমন ৪টি কার্যকরী হেয়ার মাস্কের বিস্তারিত দেওয়া হলো
১. উজ্জ্বলতা ও আর্দ্রতা ফেরাতে দই-মধু-অলিভ অয়েল
দইয়ের সঙ্গে মধু ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে একটি মাস্ক তৈরি করুন। এটি চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দই ও মধু চুলকে প্রাকৃতিকভাবে ময়েশ্চারাইজ করে, আর অলিভ অয়েল চুলের গভীরে গিয়ে আর্দ্রতা ধরে রাখে। এটি চুলকে কন্ডিশনড এবং চকচকে করে তোলে।
২. ভঙ্গুর চুলের যত্নে দই ও ডিম
দুর্বল ও ভেঙে যাওয়া চুলের জন্য প্রোটিন মাস্ক অত্যন্ত জরুরি। একটি আস্ত ডিমের সঙ্গে চার চামচ দই ভালো করে ফেটিয়ে নিন। চুলের ডগা বেশি শুষ্ক হলে শুধু ডিমের কুসুম ব্যবহার করা ভালো। মিশ্রণটি চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। ডিমের ন্যাচারাল পেপটাইড চুলের ক্ষতি পূরণ করে চুলকে মজবুত করে। মনে রাখবেন, এই মাস্ক ব্যবহারের পর চুল অবশ্যই ঠান্ডা পানি দিয়ে ধোবেন।
৩. মাথার ত্বকের অস্বস্তি কমাতে দই ও অ্যালোভেরা
গরমের ঘাম থেকে হওয়া মাথার ত্বকের চুলকানি বা ফোলা ভাব কমাতে ৩ চামচ দইয়ের সঙ্গে ২ চামচ তাজা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। অ্যালোভেরার এনজাইম মাথার ত্বকের মৃত কোষ মেরামত করে এবং দইয়ের সাথে মিলে ত্বককে ঠান্ডা রাখে। মিশ্রণটি ৩০-৪৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন।
৪. চুল পড়া বন্ধ করতে দই ও মেথি
যাদের অতিরিক্ত চুল পড়ছে বা চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য মেথি ও দইয়ের মিশ্রণ আদর্শ। মেথিতে থাকা নিকোটিনিক অ্যাসিড ও প্রোটিন চুল পড়া আটকায়। ১ চামচ মেথি গুঁড়ো বা বাটা মেথির সঙ্গে ৩ চামচ দই মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর এটি মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করে ৪০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
/আশিক
মাস শেষে বিল দেখে কপালে ভাঁজ? জেনে নিন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সাশ্রয়ের ৭টি ম্যাজিক টিপস!
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের এই সময়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল কমানো মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো জনবহুল শহরগুলোতে যেখানে জীবনযাত্রার খরচ আকাশচুম্বী, সেখানে কিছু ছোট কিন্তু কার্যকর অভ্যাস আপনার মাসিক খরচ অনেকাংশেই কমিয়ে দিতে পারে। জীবনযাত্রায় সামান্য সচেতনতা ফিরিয়ে আনলে কীভাবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল সাশ্রয় করা সম্ভব, তার ৭টি কার্যকরী কৌশল নিচে আলোচনা করা হলো।
১. বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী অভ্যাস গড়ে তোলা
ঘর থেকে বের হওয়ার আগে লাইট, ফ্যান এবং এয়ার কন্ডিশনারের সুইচ বন্ধ করার অভ্যাস করা সবচেয়ে প্রাথমিক পদক্ষেপ। দিনের বেলা যতটা সম্ভব জানালা খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের চেষ্টা করুন। প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টার সচেতনতা মাস শেষে আপনার বিলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।
২. এনার্জি সেভিং বা এলইডি বাল্বের ব্যবহার
পুরনো ফিলামেন্ট বাল্ব বা সাধারণ টিউবলাইটের তুলনায় এলইডি (LED) বাল্ব ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ। প্রযুক্তিবিদদের মতে, এলইডি বাল্বগুলো সাধারণ বাল্বের চেয়ে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে। দীর্ঘস্থায়ী এবং সাশ্রয়ী হওয়ায় ঘরের সব লাইট পর্যায়ক্রমে এলইডিতে রূপান্তর করা উচিত।
৩. ফ্রিজ ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার
ফ্রিজের দরজা বারবার খোলা বা দীর্ঘক্ষণ খোলা রাখলে ভেতরে ঠান্ডা বজায় রাখতে কম্প্রেসরকে বেশি কাজ করতে হয়, যা বিল বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া ফ্রিজে গরম খাবার সরাসরি রাখা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, মাইক্রোওভেন বা কম্পিউটার ব্যবহার শেষে শুধু রিমোট দিয়ে বন্ধ না করে সরাসরি প্লাগ পয়েন্ট থেকে সুইচ বন্ধ করা ভালো, কারণ স্ট্যান্ডবাই মোডেও সামান্য বিদ্যুৎ খরচ হয়।
৪. এসির তাপমাত্রা ও রক্ষণাবেক্ষণ
গরমের দিনে এসি চালানোর সময় তাপমাত্রা সর্বদা ২৪ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট করে রাখুন। এর ফলে কম্প্রেসরের ওপর চাপ কম পড়ে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। পাশাপাশি এসির ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার রাখলে এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ বিল কম আসে।
৫. গ্যাসের চুলা ও আগুনের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার
রান্নার ক্ষেত্রে পাত্রের আকার অনুযায়ী আগুনের শিখা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। ছোট পাত্রে অতিরিক্ত আগুন দিলে তা হাঁড়ির পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায় এবং গ্যাসের অপচয় হয়। এ ছাড়া রান্নার আগে সব মসলা ও সবজি গুছিয়ে নিয়ে চুলা জ্বালালে গ্যাস সাশ্রয় হয়। রান্না শেষে চুলা পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা নিরাপত্তার জন্যও জরুরি।
৬. প্রেসার কুকার ও ঢাকনা ব্যবহার
ডাল বা মাংসের মতো শক্ত খাবার দ্রুত সেদ্ধ করার জন্য প্রেসার কুকার ব্যবহার করা সবচেয়ে সেরা উপায়। এটি রান্নার সময় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমিয়ে দেয়, ফলে গ্যাস খরচও কমে। এ ছাড়া সাধারণ হাঁড়িতে রান্না করার সময় সব সময় ঢাকনা ব্যবহার করুন, এতে খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয়।
৭. নিয়মিত সার্ভিসিং ও সচেতনতা
বৈদ্যুতিক লাইনে কোনো লিকেজ বা পুরনো ওয়্যারিং থাকলে বিদ্যুৎ অপচয় বেশি হয়। তাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর দক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে ঘরের ওয়্যারিং পরীক্ষা করা উচিত। গ্যাস লাইনের লিকেজ রোধে নিয়মিত পরীক্ষা করা শুধু বিল নয়, জীবন রক্ষার জন্যও প্রয়োজন।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সাশ্রয় কেবল আপনার ব্যক্তিগত সঞ্চয় বাড়ায় না, এটি জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখে। এই ছোট ছোট পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করলে আপনি মাস শেষে সাশ্রয়ী ও নিশ্চিন্ত জীবন উপভোগ করতে পারবেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- এক-এগারোর দাপুটে কর্মকর্তা এখন রিমান্ডে: মাসুদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলার পাহাড়
- জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করেই বাস্তবায়িত হবে মার্কিন চুক্তি: শামা ওবায়েদ
- ইসরায়েলের হৃদপিণ্ডে আঘাত: বিমানবন্দরের জ্বালানি বিমানে ড্রোন হামলা চালাল ইরান
- ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর মেগা প্ল্যান: ১২০ সিগন্যাল হচ্ছে অটোমেশন
- যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া রোনানের কাঁধে চড়ে জয়: সাফে বাংলাদেশের দাপুটে পারফরম্যান্স
- নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে পিএসএল মাতাতে ঢাকা ছাড়লেন তানজিদ-রিশাদ
- সামাজিক কুসংস্কার ছাপিয়ে গবেষণায় পিরিয়ড: জরায়ুর ক্যানসার প্রতিরোধে নতুন হাতিয়ার
- খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আইআরজিসি: ৭ রাউন্ডের হামলায় তছনছ ইসরায়েল
- আকাশচুম্বী দামে বিক্রি হল রাজস্থান রয়্যালস
- ধন্যবাদ বিএনপি সরকারকে: আসিফ নজরুল
- আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস, দেশে কমলো কত
- ইলন মাস্কের স্টারলিংক-এর বিকল্প আনছে রাশিয়া: ৯০০ স্যাটেলাইটের মেগা প্রজেক্ট
- যুক্তরাষ্ট্রের সামনে নতি স্বীকার নয়: ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ না হওয়া পর্যন্ত লড়বে ইরান
- ঢাকার যানজট নিরসনে নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ১০ ঘণ্টায় ইরানের ৭ দফা হামলা: তেল আবিব ও ডিমোনায় মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র
- ২৪ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৪ মার্চ ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ২৪ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- সাকিবকে ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত পেতে চান হাবিবুল বাশার: শুরু হলো নতুন মিশন
- শত কেজি বিস্ফোরকের সফল আঘাত: ইসরায়েলের হৃদপিণ্ডে ক্ষত সৃষ্টি করল ইরান
- জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিচ্ছে সরকার: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বড় ঘোষণা
- বিমানের জ্বালানিতে রেকর্ড লাফ: এক ঝটকায় ৮০% দাম বাড়াল সরকার
- লেবানন-গাজায় হামলা হলে পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের
- ইরান যুদ্ধে কোন দেশে কতজন মানুষ নিহত হয়েছে?
- ইরানের ‘নতুন চমক’ আসছে, দাবি আইআরজিসির
- যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলায় বিধ্বস্ত ইরান: নিহত ৬, আহত ৯
- ‘ইরানের অপরাধমূলক আগ্রাসনের কারণে স্থাপনায় আগুন লেগেছে’- বাহরাইন
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় রাষ্ট্র পরিচালনার ঘোষণা
- ২৫ মার্চ: ১০:৩০–১০:৩১, থমকে যাবে পুরো দেশ
- ২৫ দিনে ইরান যুদ্ধ: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার সর্বশেষ চিত্র
- বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস হলেও দ্রুত পুনর্গঠনের দাবি ইরানের
- পাকিস্তানে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান?
- আজকের বৈদেশিক মুদ্রার রেট কত, জানুন সর্বশেষ আপডেট
- ইরান যুদ্ধ থেকে মার্কিন রণতরি ‘ফোর্ড’ সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- সক্ষমতার বাইরে সেবা দিলে হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
- শাওয়ালের ৬ রোজা: ফজিলত ও করণীয় জানুন
- ইরানিদের পাশে কাশ্মীরি জনতা: নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কারের সাথে দান করছেন পশুও
- বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ফাটল? আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব নেই দেশের শেয়ারবাজারে
- সংকটে নয়, আতঙ্কেই পাম্পে লম্বা লাইন: প্রকৃত সত্য জানালেন জ্বালানি মন্ত্রী
- ইরানের সঙ্গে আলোচনার দাবি ট্রাম্পের, অস্বীকার তেহরানের
- গ্যাস্ট্রিকমুক্ত থাকতে চাইলে বদলান ৫টি অভ্যাস
- ক্লাস্টার মিসাইলে কাঁপছে উত্তর ইসরাইল: আহতদের উদ্ধারে রেড ক্রিসেন্ট
- যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে তেল শোধনাগারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: আকাশজুড়ে কালো ধোঁয়া
- ৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পেলাম না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- জেরুজালেমে বিকট বিস্ফোরণ; ইরান থেকে ধেয়ে আসছে একের পর এক মিসাইল
- লঘুচাপের প্রভাবে বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া: উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ সতর্কতা
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস: গত বছরের রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬-এর স্বর্ণের বাজার
- সৌদি আরবের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি ও ইরান প্রেম: ভারসাম্যের রাজনীতিতে শেহবাজ শরিফ
- যাকাতের টাকায় চলছে দল ও নির্বাচন: নাম না নিয়ে জামায়াতকে এ্যানির তোপ
- ইসরায়েলে ইরানের মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: জেরুজালেম-তেল আবিবে মহ আতঙ্ক
- সৌদিতে আজ কি দেখা যাবে ঈদের চাঁদ? সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে
- ট্রাম্পের যুদ্ধ স্থগিতের ঘোষণায় সোনার বাজারে ধস: ১০ শতাংশ কমল দাম
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস: গত বছরের রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬-এর স্বর্ণের বাজার
- বিলাসবহুল ধাতু স্বর্ণ এখন আরও সস্তা: বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ
- তেজাবি স্বর্ণের বাজারে ধস: ঈদের কেনাকাটায় স্বস্তি নিয়ে এল নতুন দাম
- ঈদ কি তবে শুক্রবার? সৌদি আরবের চাঁদ দেখা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটল!
- কালিগঞ্জের পল্লীতে ইজিবাইক চালককে কুপিয়ে জখম, টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ
- ইরানকে সৌদি আরবের শেষ হুঁশিয়ারি: এবার কি শুরু হচ্ছে সরাসরি যুদ্ধ?
- আগুনে পুড়ছে যানবাহন, ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছে পুলিশ: বুধবার ভোরে উত্তপ্ত ইসরায়েল
- নিজের রক্ষকই যখন ভক্ষক: বাহরাইনে মার্কিন প্যাট্রিয়ট বিপর্যয়ের গোপন খবর ফাঁস
- ‘আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে’: ইরানকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী
- ক্যাম্পাসের ব্যস্ততা পেরিয়ে ঈদের ছুটিতে কুবি শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরার আনন্দ
- অমাবস্যা পেরিয়ে প্রতিপদ শুরু: আজ চাঁদ দেখার সম্ভাবনা নিয়ে যা জানালো জ্যোতির্বিজ্ঞান
- ইসরায়েলের আকাশ এখন ইরানের নিয়ন্ত্রণে? যুদ্ধবিরতিতে ৬ কঠিন শর্ত তেহরানের
- ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে চরম দুর্ভিক্ষ? ডব্লিউএফপির ভয়াবহ সতর্কবার্তা








