পাঁচ অধ্যায়ে বিএনপির ইশতেহার, ‘ফ্যামিলি কার্ড’সহ বিএনপির বড় ৯ অঙ্গীকার

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৬ ১৭:৫২:১৩
পাঁচ অধ্যায়ে বিএনপির ইশতেহার, ‘ফ্যামিলি কার্ড’সহ বিএনপির বড় ৯ অঙ্গীকার
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রদর্শন ও নীতিগত রোডম্যাপ উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। পাঁচটি সুসংগঠিত অধ্যায়ে বিভক্ত এই নির্বাচনী ইশতেহারে রাষ্ট্র সংস্কার, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সামাজিক ন্যায্যতা, অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন এবং ধর্ম–সংস্কৃতি–নৈতিকতার সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে। বিএনপির ভাষায়, এটি কেবল ভোটের প্রতিশ্রুতি নয়; বরং জনগণের সঙ্গে একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতার রাজনীতিতে নয়, অধিকার ও ন্যায়ের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। তার বক্তব্যে বারবার উঠে আসে একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার।

প্রথম অধ্যায়: রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণতন্ত্র পুনর্গঠন

ইশতেহারের সূচনাতেই রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এখানে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক তাৎপর্যকে রাষ্ট্রচিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে।সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, জাতীয় ঐক্য জোরদার, দলনিরপেক্ষ প্রশাসন, বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাঠামোগত সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলাকে গণতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় অধ্যায়: বৈষম্যহীন সমাজ ও মানবিক উন্নয়ন

এই অধ্যায়ে বিএনপি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থার রূপরেখা তুলে ধরেছে। দারিদ্র্য নিরসন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণ, নারী ক্ষমতায়ন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে মৌলিক অধিকার হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠার পাশাপাশি কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, শ্রমিক ও প্রবাসী কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত নীতির কথা বলা হয়েছে।

তৃতীয় অধ্যায়: ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন

ইশতেহারের তৃতীয় অধ্যায়টি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের কৌশল নিয়ে বিস্তৃত। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, ব্যাংক ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, খেলাপি ঋণ সংকট মোকাবিলা এবং স্বচ্ছ কর ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।শিল্প ও সেবা খাতের আধুনিকায়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রসার, পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সৃজনশীল অর্থনীতিকে জাতীয় প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

চতুর্থ অধ্যায়: অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন

এই অধ্যায়ে উন্নয়নের ভৌগোলিক বৈষম্য দূর করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা, হাওর–বাঁওড় ও উপকূলীয় অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ণ, আবাসন সংকট নিরসন এবং নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা গঠনের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।পর্যটন খাতকে কর্মসংস্থান ও আয়ের নতুন উৎস হিসেবে বিকাশের পরিকল্পনাও এখানে অন্তর্ভুক্ত।

পঞ্চম অধ্যায়: ধর্ম, সংস্কৃতি ও নৈতিক পুনর্জাগরণ

শেষ অধ্যায়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি, পাহাড় ও সমতলের জনগোষ্ঠীর অধিকার, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি চর্চা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সামাজিক নৈতিকতার পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করা হয়েছে। বিএনপি বলছে, বহুত্ববাদী সমাজে ধর্মীয় সহাবস্থান ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বিএনপির ৯টি মূল প্রতিশ্রুতি: মানুষের জীবনে সরাসরি প্রভাব

ইশতেহারে ঘোষিত নয়টি প্রধান প্রতিশ্রুতি সরাসরি জনগণের জীবনমানের সঙ্গে যুক্ত-

ফ্যামিলি কার্ড চালু করে নিম্ন আয়ের পরিবারকে মাসে ২,৫০০ টাকা বা সমমূল্যের নিত্যপণ্য।

কৃষক কার্ড–এর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বীমা ও রাষ্ট্রীয় বাজারজাতকরণ।

এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও জেলা–মহানগরে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ।

আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষা; প্রাথমিক শিক্ষায় অগ্রাধিকার ও মিড-ডে মিল।

যুব কর্মসংস্থান: দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ সহায়তা ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ।

ক্রীড়া অবকাঠামো: জেলা–উপজেলা পর্যায়ে বিস্তার।

পরিবেশ সুরক্ষা: ১০ হাজার কিমি নদী–খাল পুনঃখনন ও ১৫ কোটি বৃক্ষরোপণ।

ধর্মীয় সম্প্রীতি: সব ধর্মের উপাসনালয়ের নেতাদের কল্যাণ ও প্রশিক্ষণ।

ডিজিটাল অর্থনীতি: আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম (পেপাল) চালু ও ই-কমার্স হাব।

বিএনপির মতে, এই ইশতেহার ‘ভয় নয় অধিকার, বৈষম্য নয় ন্যায্যতা, লুটপাট নয় উৎপাদন’ এই নীতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার স্পষ্ট অঙ্গীকার। দলটি বিশ্বাস করে, জনগণের অংশগ্রহণ ও সম্মতির মাধ্যমেই একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

-রফিক


‘আওয়ামী লীগ টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন হাসনাত-সারজিস’

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৮ ১৩:৩০:০১
‘আওয়ামী লীগ টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন হাসনাত-সারজিস’
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, জুলাইয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম মূলত আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে।

টক শোতে রাশেদ খান বলেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম কোটা সংস্কার আন্দোলনের সফলতা চাইলেও সেটি যেন পূর্ণমাত্রার গণঅভ্যুত্থানে রূপ না নেয়, সেই অবস্থানেই ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই আন্দোলনের উত্তপ্ত সময়ে তাদের মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেওয়ার ঘটনাই সেই অবস্থানের বড় প্রমাণ।

তিনি আরও দাবি করেন, পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে যে আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছিল, সেটি মূলত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে থাকা দুর্বলতা আড়াল করার রাজনৈতিক কৌশল ছিল। রাশেদ খানের ভাষায়, আন্দোলনের ভেতরে যে প্রশ্ন ও বিতর্ক ছিল, পরবর্তীতে কঠোর অবস্থান নিয়ে তা চাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হাসনাত আব্দুল্লাহর ভূমিকা নিয়ে আসিফ মাহমুদের লেখা বইতেও বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই বইয়ে বলা হয়েছে যে, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম সেনাবাহিনীর গাড়িতে করে বঙ্গভবনের দিকে যাচ্ছিলেন। সে সময় আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে তাদের গাড়ি থেকে নেমে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

রাশেদ খান আরও বলেন, যদি তারা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে এসে অবস্থান না নিতেন, তাহলে তাদের ‘জাতীয় বেইমান’ আখ্যা দেওয়া হতো। তবে তিনি এটিও স্বীকার করেন যে, আন্দোলনের অভ্যন্তরীণ অনেক আলোচনা প্রকাশ্যে আনা রাজনৈতিকভাবে সবসময় সমীচীন নয়।

এনসিপির ভেতরেও হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমকে ঘিরে নানা ধরনের আলোচনা ও গুঞ্জন ছিল বলে দাবি করেন বিএনপির এই নেতা। যদিও বর্তমানে রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কৌশলগত কারণে সেসব আলোচনা প্রকাশ্যে খুব একটা আসে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

-রফিক


পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৭ ২১:৪৮:১৬
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম
ছবি : সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ফলাফল ও পরবর্তী পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই স্মৃতি হলে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় হলেও সেখানে কয়েক লাখ মুসলমান ও মতুয়া সম্প্রদায়ের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া এবং তাদের ভোটদান থেকে বিরত রাখার বিষয়টি উদ্বেগজনক। নির্বাচনে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সেখানে মুসলিম, দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যে নির্যাতনের খবর আসছে, তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য বাংলাদেশকেই সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি দেশবিরোধী শক্তির উসকানি ও সাম্প্রদায়িক প্রোপাগান্ডা বিষয়ে দেশবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে চট্টগ্রামে এনসিপিতে নতুন যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে দলের ভেতরে সব ধরনের দ্বন্দ পরিহার করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবার নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে এখনকার প্রধান জাতীয় দায়িত্ব।

/আশিক


লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন! ভাইরাল ছবিতে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১৯:৪৩:৪৯
লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন! ভাইরাল ছবিতে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
ছবি : সংগৃহীত

লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন—বিসিবির সাবেক সভাপতির এই ছবি এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। দেশের ক্রিকেটের এক সময়কার প্রতাপশালী নিয়ন্ত্রক নাজমুল হাসান পাপনের এমন 'ভবঘুরে' এবং সাধারণ রূপ দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে আলোচনার ঝড়। বুধবার (৬ মে) সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানের পোস্ট করা এই ছবিটি মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কেড়েছে।

ছবিতে দেখা যায়, লন্ডনের এক ব্যস্ত রাস্তার ধারে অত্যন্ত সাধারণ ভঙ্গিতে বসে আইসক্রিম উপভোগ করছেন পাপন। প্রায় দুই বছর ধরে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের বাইরে থাকলেও তাকে নিয়ে আমজনতার কৌতূহল যে বিন্দুমাত্র কমেনি, এই ছবির নিচে জমা হওয়া হাজার হাজার কমেন্টই তার প্রমাণ। কেউ ক্ষমতার এই চরম পালাবদল দেখে বিস্ময় প্রকাশ করছেন, কেউবা হয়েছেন নস্টালজিক। আবার সমালোচকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন তার দাপুটে সময়ের কথা।

প্রবাস জীবনে পাপনের এমন সাধারণ দৃশ্য এবারই প্রথম নয়। এর আগে লন্ডনের সুপারশপে কেনাকাটা করা বা নিরিবিলি রাস্তায় হাঁটার ছবিও সামনে এসেছিল। তবে রাস্তার ধারে বসে আইসক্রিম খাওয়ার এই দৃশ্যটি যেন সময়ের ব্যবধান এবং জীবনের অনিশ্চয়তাকে আরও প্রকটভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে আজ সুদূর প্রবাসে এক নিভৃত জীবন—পাপনের এই ছবিটি যেন সেই পরিবর্তনেরই এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

/আশিক


অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে অপরাধ বেড়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৫ ১৯:৪০:৩০
অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে অপরাধ বেড়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালের তুলনায় বর্তমানে অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যকে আন্তর্জাতিক মহলে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে, যা যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে। বাংলাদেশ যে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ এবং শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি, তা বিশ্ববাসীর কাছে জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে এই এনসিপি নেতা দাবি করেন, পর্যাপ্ত পূর্বপ্রস্তুতির অভাবেই মূলত দেশে ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার নতুনভাবে গঠিত হওয়ার পর প্রস্তুতির এই ঘাটতিকে কাজে লাগিয়ে একটি অসাধু সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই সংকটের পেছনে প্রস্তুতির অভাব এবং সিন্ডিকেটের কারসাজিই মূল কারণ বলে তিনি মনে করেন।

সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, প্রতিটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে প্রকৃত অর্থে জনগণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে। সেবাগ্রহীতা এবং সেবাদাতার মাঝখানে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের অস্তিত্ব থাকা উচিত নয়। প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে—এমনটাই তাঁর প্রত্যাশা।

দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় স্থানীয় সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইদুল রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

/আশিক


শাপলা চত্বর অভিযান ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৫ ১১:২৮:২৪
শাপলা চত্বর অভিযান ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে সংঘটিত ঘটনার প্রকৃত সত্য উন্মোচনে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (৫ মে) দলটির প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন।

বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, ওই দিনের ঘটনাটি দেশের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। ঘটনার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার সম্পন্ন না হওয়াকে তিনি অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন। তিনি মনে করেন, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং এই ঘটনার পেছনে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য একটি গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিশন গঠন করা এখন সময়ের দাবি।

বিগত ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের সেই অভিযানকে ধর্মপ্রাণ মানুষের ওপর পরিচালিত এক নৃশংসতা হিসেবে বর্ণনা করে জামায়াতের আমির বলেন, সেই রাতের ঘটনা জাতির বিবেককে স্তম্ভিত করেছিল। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানবতার পরিপন্থি এমন কর্মকাণ্ড একটি সভ্য রাষ্ট্রে কখনোই কাম্য নয় বলে তিনি তার বিবৃতিতে জোর দিয়ে জানান। তিনি আরও বলেন, বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বছরের পর বছর ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করছে।

বিবৃতিতে দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং নিজস্ব মত প্রকাশের অধিকার স্বীকৃত। কিন্তু সেই অধিকারকে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করা গণতান্ত্রিক রীতির সম্পূর্ণ বিরোধী। ভবিষ্যতের যেকোনো সময়ে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এবং সত্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

বিবৃতির শেষ দিকে তিনি দেশের শান্তি, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। জাতীয় সংসদ থেকে পাঠানো এই বিবৃতিতে তিনি দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এই তদন্তের গুরুত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

/আশিক


এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে: শাহরিয়ার কবির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৪ ১২:৪৮:৪৪
এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে: শাহরিয়ার কবির
ছবি : সংগৃহীত

দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে এনসিপি-র ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির। রোববার গভীর রাতে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি ছোট কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। তিনি ইংরেজিতে লিখেছেন— “It’s time to say goodbye to NCP. All the best.” (এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে। শুভকামনা সবার জন্য।)

শাহরিয়ার কবিরের এই বক্তব্যের নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এনসিপি-র সাম্প্রতিক কিছু কার্যক্রম বা রাজনৈতিক অবস্থানের সাথে তাঁর মতপার্থক্য তৈরি হয়ে থাকতে পারে। সিনিয়র এই আইনজীবীর এমন সরাসরি ও কঠোর মন্তব্য দলটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কোনো সংকটের দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক জল্পনা।

এনসিপি যখন বিভিন্ন সংস্কার ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের দাবিতে রাজপথে সরব, ঠিক তখনই দলের ভেতরে থাকা বা ঘনিষ্ঠজনদের এমন 'বিদায়ী' সুর দলটির জন্য বড় ধরনের অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। শাহরিয়ার কবিরের এই পোস্টের পর এনসিপি’র পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

/আশিক


ছোটবেলার পরীক্ষার দিনের মতো পাশে ছিল নাহিদ: ডা. মিতু

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৪ ১১:৪১:২২
ছোটবেলার পরীক্ষার দিনের মতো পাশে ছিল নাহিদ: ডা. মিতু
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, তাঁর জীবনের এক নতুন ও দায়িত্বশীল অধ্যায় শুরু হয়েছে। এই যাত্রায় তিনি এনসিপি’র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে একজন অভিভাবক এবং পথপ্রদর্শক হিসেবে পাশে পেয়েছেন বলে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

ডা. মিতু তাঁর পোস্টে নাহিদ ইসলামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে লেখেন, "পার্টির আহ্বায়কের বাইরে নাহিদ ইসলাম আমার ছোট ভাইয়ের মতো। সে আমার জন্য অভিভাবক হিসেবে পাশে ছিল।" সংসদের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি শৈশবের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ছোটবেলায় প্রথম পরীক্ষার দিন মা-বাবা বা বড় ভাই যেভাবে পথ দেখিয়ে নিয়ে যান, নাহিদ ইসলামও তাঁকে সেভাবেই সংসদে নিয়ে গেছেন এবং বিভিন্ন জায়গার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।

নাহিদ ইসলামের এই দায়িত্ববোধ তাঁকে ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান ডা. মিতু। তিনি লেখেন, "নাহিদ ইসলামের এই দায়িত্ববোধ আমাকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। ভীষণ ভালো লাগাও কাজ করছিল, সত্যি বলতে সাহসও পেয়েছি।" সবশেষে তিনি দেশ ও জনগণের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার তৌফিক কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

/আশিক


সংস্কারের বদলে নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত সরকার: হাসনাত আবদুল্লাহ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৩ ১৭:৩৯:২৩
সংস্কারের বদলে নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত সরকার: হাসনাত আবদুল্লাহ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘জ্বালানি নিরাপত্তা: বর্তমান সংকট এবং ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সরকারের বর্তমান কার্যক্রমের কঠোর সমালোচনা করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, জনমানুষের কাঙ্ক্ষিত ‘প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার’ এখন কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমাদের জুডিশিয়ারি বা বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ার কথা ছিল, আমলাতন্ত্রে বড় ধরনের পুনর্গঠন এবং পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এসব ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত কোনো অগ্রগতিই চোখে পড়ছে না।”

সরকারের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “সরকার এখনো সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখার পুরনো প্রবণতা থেকে বের হতে পারছে না। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সবকিছু নিজেদের কবজায় রাখতে হবে—এই মানসিকতাই মূলত সংস্কারের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” তিনি মনে করেন, এই নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে তৈরি হওয়া পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে বাধাগ্রস্ত করছে।

সেমিনারের মূল বিষয় ‘জ্বালানি নিরাপত্তা’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ দেশের শিল্প ও বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “জ্বালানিতে স্বনির্ভরতা অর্জন করতে না পারলে আমাদের শিল্প খাত মুখ থুবড়ে পড়বে।

ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।” তিনি অভিযোগ করেন যে, অতিরিক্ত আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার কারণে দেশের অর্থনীতি এখন চরম চাপের মধ্যে রয়েছে।

প্রতিবেশী দেশগুলোর উদাহরণ টেনে এই এনসিপি নেতা বলেন, “ভারত ও পাকিস্তান ইতিমধ্যে জ্বালানি উৎস বৈচিত্র্যকরণের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দিয়েছে। ফলে বৈশ্বিক অস্থিরতা সত্ত্বেও তাদের ওপর প্রভাব কম পড়ছে।

অথচ আমরা এখনো আমদানিনির্ভরতা থেকে বের হতে পারছি না।” তিনি অবিলম্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি জানান এবং সতর্ক করেন যে, এই পথে না হাঁটলে আগামীতে জ্বালানি সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করবে। কনভেনশনে এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁরা দেশের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে সোচ্চার হন।

/আশিক


ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে পারবে না বিএনপি: সারোয়ার তুষার

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৩ ১১:৩২:০৬
ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে পারবে না বিএনপি: সারোয়ার তুষার
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জাতীয় কনভেনশনে বিএনপির তীব্র সমালোচনা করেছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি দাবি করেছেন, বর্তমান সরকার বিশেষ করে বিএনপি তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছে। তুষার বলেন, “জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যে এটি পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, বিএনপি আর ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করবে না।”

তাঁর মতে, বিএনপি ইতিমধ্যেই তাদের নির্বাচনী ইশতেহার লঙ্ঘন করে কার্যক্রম শুরু করেছে, যার ফলে এই ইশতেহার পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা তাদের পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব হবে না।

সারোয়ার তুষার কেবল অভিযোগ তুলেই ক্ষান্ত হননি, বরং দেশের প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম নিয়েও কথা বলেছেন। তিনি মনে করেন, কেবল রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে বসে থাকলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না; বরং জনগণের নিজেদের অধিকার আদায়ে সরাসরি সোচ্চার হওয়া জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলো যখন তাদের প্রতিশ্রুতি থেকে বিচ্যুত হয়, তখন সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংস্কার আদায় করে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এনসিপির এই নেতা ইঙ্গিত দেন যে, সরকার যদি জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনা বা ইশতেহার বাস্তবায়নে অবহেলা করে, তবে তারা মাঠ পর্যায়ে কঠোর অবস্থান নেবে। অনুষ্ঠানে এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁরা দেশের চলমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের দাবি জানান।

/আশিক

পাঠকের মতামত: