যুদ্ধ কৌশল ফাঁস: বিশ্ব অর্থনীতিতে আঘাত হেনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পেরে উঠবে কি ইরান?

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্রে ইরানের কৌশল নিয়ে সম্প্রতি তেহরান-ভিত্তিক তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণ আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ এই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সরাসরি সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করা সম্ভব না হলেও, দীর্ঘমেয়াদি ও বহুমুখী সংঘাতের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতাকে চরম সংকটে ফেলতে সক্ষম ইরান।
প্রতিবেদনটি বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের এই সমরকৌশল নতুন না হলেও এতে আত্মবিশ্বাসের মাত্রা লক্ষণীয়। তেহরানের লক্ষ্য সরাসরি সামরিক বিজয় নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য যুদ্ধের ব্যয়ভারকে ‘অসহনীয়’ করে তোলা। ইরানের এই কৌশলের মূল ভিত্তি হলো ‘সহনশীলতা ও বিঘ্ন সৃষ্টি’। এর অর্থ হলো, যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি আঘাত সহ্য করেও আঞ্চলিক সংঘাত ছড়িয়ে দেওয়া এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অস্থিরতা তৈরি করা।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান রাষ্ট্রব্যবস্থার টিকে থাকাকেই ‘বিজয়’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটনের যুদ্ধলক্ষ্য সাধারণত প্রতিপক্ষের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং পারমাণবিক বিস্তার ঠেকানো। এই ভিন্নধর্মী মানদণ্ডের কারণে এমন এক অদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে, যেখানে ইরান অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং সামরিকভাবে পঙ্গু হয়েও অভ্যন্তরীণভাবে নিজেদের বিজয়ী দাবি করতে পারবে। তবে আন্তর্জাতিক বাস্তবতায় এ ধরনের ঘোষণার কোনো ভিত্তি থাকবে না বলে মনে করা হচ্ছে। মূলত অভ্যন্তরীণ জনমত এবং শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতেই ইরান এমন বয়ান তৈরি করছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে হারাতে না পারলেও মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটাতে পারে। ইরানের প্রক্সি সংঘাত এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত করার ক্ষমতা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বড় ঝুঁকি। এই সক্ষমতাই ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী দরকষাকষির অবস্থানে রেখেছে, যা গোটা বিশ্বের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রযুক্তি এবার ইরানের হাতে তুলে দিচ্ছে রাশিয়া
রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হওয়ার তথ্য সামনে এসেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ‘এপিইউ-এল’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা বিক্রির চুক্তিতে সম্মতি দিয়েছে রাশিয়া। হেলিকপ্টার থেকে পরিচালিত এসব লঞ্চার নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম, যা বর্তমানে রুশ বাহিনী ইউক্রেন যুদ্ধেও ব্যবহার করছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা খাতের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের উৎপাদন নথিতে অস্ত্র রপ্তানির এই তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে ক্রেতার নাম গোপন রাখতে ‘কে-১০’ সাংকেতিক পরিচয় ব্যবহার করা হলেও রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নথিতে এটি ইরানকে নির্দেশ করে। রাশিয়ার এমআই-২৮ আক্রমণকারী হেলিকপ্টারে স্থাপনযোগ্য এই প্রতিটি লঞ্চার দুটি করে ‘এলএমইউআর’ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে, যার গতিপথ উড্ডয়নকালেও পরিবর্তন করা সম্ভব। তবে অস্ত্রগুলো ইতোমধ্যে তেহরানের হাতে পৌঁছেছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কিছু জানানো হয়নি।
এছাড়াও, ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের তথ্যানুযায়ী, ‘সি৪৩০এল’ নামক একটি গোপন প্রকল্পের মাধ্যমে ইরানের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়নেও রুশ প্রকৌশলীরা কারিগরি সহায়তা দিয়েছেন। এর আগে রাশিয়া ইরান থেকে শাহেদ ড্রোন সংগ্রহ করলেও বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি জড়ানোর ঝুঁকি এড়াতে ক্রেমলিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য শক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রেখেই এগোচ্ছে। ফলে এই সামরিক লেনদেন দুই দেশের সম্পর্ক গভীর করলেও আঞ্চলিক সংঘাতে কতটুকু প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
/আশিক
পবিত্র মদিনার দিকে ছোড়া হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করল সৌদি জোট
ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের নিক্ষিপ্ত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ধ্বংস করার দাবি জানিয়েছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। পবিত্র মদিনার দিকে তাক করে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে জোট কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেন সৌদি জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালিকি। তিনি জানান, মদিনা অঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসা হুথিদের ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি সময়মতো প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে।
এদিকে এই ঘটনার আগে সৌদি আরবের মদিনা প্রদেশের লোহিত সাগর উপকূলবর্তী ইয়ানবু গভর্নরেট এলাকায় দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে স্বল্প সময়ের জন্য একটি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।
সূত্র: মিডল-ইস্ট আই
মার্কিন রাজনীতিতে ইতিহাস গড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নতুন সিনেটর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে জয়লাভ করে দেশটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন আবদুল এল-সাইয়েদ। বুধবার (৪ নভেম্বর) রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে এই ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেন মিশরীয় অভিবাসী পরিবারের এই সন্তান। এই বিজয়ের পর তার ব্যক্তিগত জীবন ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্ত্রী ডা. সারা জুকাকুকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
চলতি বছরের আগস্টে প্রকাশিত ‘মিট দ্য রিয়েল আবদুল এল-সাইয়েদ’ পডকাস্টে তাদের দাম্পত্য জীবনের মজার একটি স্মৃতি শেয়ার করেছিলেন এল-সাইয়েদ। তিনি জানান, ২০০৬ সালে সারার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর মিশর থেকে আসা তার এক চাচা রসিকতা করে বলেছিলেন, আট কোটি মিশরীয় বাদ দিয়ে তিনি কেন ভারতীয় নারীকে বিয়ে করলেন? জবাবে এল-সাইয়েদ মজা করে বলেছিলেন, ভারতীয়দের সংখ্যা যেহেতু শ কোটির বেশি, তাই পরিসংখ্যানের হিসাবে এমন কাউকে বেছে নেওয়ার সম্ভাবনাই তার বেশি ছিল। দুই দশকের এই সম্পর্কে তিনি নিজেকে অনেকখানি ভারতীয় বলেও রসিকতা করেছেন।
ডা. সারা জুকাকুর পরিবারের পৈত্রিক শিকড় ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের উপকূলীয় শহর ভাটকালে। তার দাদা জুকাকু শামসুদ্দিন তৎকালীন মহীশূর রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বিডি জাট্টির অধীনে অর্থবিষয়ক উপমন্ত্রী এবং ভাটকালের প্রথম আইনজীবী ছিলেন। সারার বাবা ডা. তাইয়েব জুকাকু বেঙ্গালুরু থেকে চিকিৎসাশাস্ত্র শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে থিতু হন। ব্যক্তিগত জীবনে এল-সাইয়েদ ও সারা দম্পতির এমালি ও সেরিন নামের দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। এক নির্বাচনী প্রচারে স্বামীকে নিয়ে রসিকতা করে সারা মন্তব্য করেছিলেন যে, তাকে কেউ কোনো আদেশ দিতে পারে না, কেবল তিনি ছাড়া।
সূত্র: এনডিটিভি
মার্কিন রাজনীতিতে বড় ধাক্কার মুখে ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব অনেকটাই সংকুচিত হয়ে পড়েছে। বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের পাশাপাশি সিনেটেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তাকে ঘিরে নতুন করে অভিশংসন ও নানা তদন্তের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন রাজনীতিতে এই পরিস্থিতিকে ট্রাম্পের ক্ষমতার শেষের শুরু বা ‘লেম ডাক’ পর্যায় হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক ব্যবস্থা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ বা অসদাচরণের অভিযোগ আনার প্রক্রিয়া হলো অভিশংসন। প্রতিনিধি পরিষদে অভিযোগ পাস হওয়ার পর উচ্চকক্ষ সিনেটে তার বিচার হয়। ডেমোক্র্যাটরা চাইলে তৃতীয়বারের মতো ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব আনতে পারেন, যা নিয়ে খোদ ট্রাম্পের মধ্যেও আশঙ্কা রয়েছে। এর আগে নিজের প্রথম মেয়াদে ইউক্রেন ইস্যু এবং ক্যাপিটল ভবনে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ডেমোক্র্যাটদের উদ্যোগে দুইবার প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসিত হয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে সে সময় সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তিনি রক্ষা পান।
বর্তমানে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ট্রাম্পকে সিনেটে দোষী সাব্যস্ত করা অত্যন্ত দুরূহ। মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, সিনেটে কোনো অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে পদ থেকে সরাতে উপস্থিত সিনেটরদের দুই-তৃতীয়াংশ বা ৬৭ জনের সমর্থন প্রয়োজন হয়। সাম্প্রতিক নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা সিনেটে পর্যাপ্ত আসন পেলেও তা ৬৭-এর কোটা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। তাছাড়া রিপাবলিকান সিনেটরদের ভোট পাওয়ার সম্ভাবনাও অত্যন্ত কম। ফলে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস হলেও সিনেটের বাধায় ট্রাম্পের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা বাস্তবে খুবই কম। মার্কিন ইতিহাসে এ পর্যন্ত অ্যান্ড্রু জনসন ও বিল ক্লিনটন অভিশংসিত হলেও কোনো প্রেসিডেন্টকে এই প্রক্রিয়ায় ক্ষমতাচ্যুত করা সম্ভব হয়নি।
/আশিক
বড় ধরনের দুর্যোগের মুখে সৌদির বেশ কিছু অঞ্চল
সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী শনিবার পর্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দেশটির ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিওরোলজি (এনসিএম) জানিয়েছে, এই সময়ে ভারি বজ্রসহ বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও শিলাবৃষ্টি আঘাত হানতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, জাজান, আসির, আল বাহা ও মক্কা অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি মদিনা, তাবুক, আল জউফ, হাইল, নাজরানসহ রিয়াদের বিভিন্ন অংশেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে মক্কা, তায়েফ এবং এর আশেপাশের গভর্নরেটগুলোতে শনিবারেও ভারী বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া জেদ্দা ও রাবিঘের মতো উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
প্রতিকূল এই আবহাওয়ায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে এনসিএম। এর ফলে তীব্র ধূলিঝড়, সড়কে দৃশ্যমানতা হ্রাস, উপকূলীয় অঞ্চলে বড় ঢেউ এবং কিছু এলাকায় টর্নেডো বা জলস্তম্ভ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভাব্য এই দুর্যোগ এড়াতে স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে এনসিএমের ওয়েবসাইট ও অ্যাপ নিয়মিত ফলো করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ।
ট্রাম্পকে ডাস্টবিনে ফেলার এআই ভিডিও শেয়ার করল ইরানি দূতাবাস
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধরণের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টিকে পরাজিত করে কংগ্রেসের দুই কক্ষ—সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ—উভয়টিরই একক নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বিরোধী ডেমোক্র্যাট দল।
এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরই ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাসের পক্ষ থেকে একটি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। দূতাবাসের ভেরিফাইড সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’ (টুইটার) অ্যাকাউন্টে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি করা একটি অ্যানিমেশন ভিডিও প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি মিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জোর করে তুলে নিয়ে একটি বড় ময়লার পাত্রের ভেতর ফেলে দিচ্ছেন। ওই ময়লার পাত্রটির গায়ে ইংরেজিতে ‘বিপজ্জনক বর্জ্য’ কথাটি লেখা ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের প্রতিক্রিয়ায় মূলত এই ভিডিওটি শেয়ার করে ইরানি দূতাবাস। ভিডিওটির সঙ্গে যুক্ত করা ক্যাপশনে কেবল ‘যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন’ কথাটি লেখা হয়েছে এবং এর সঙ্গে একটি হাসিমুখের ইমোজি ব্যবহার করা হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের এই জোরালো সাফল্যের পরই মূলত ইরানি দূতাবাসের পক্ষ থেকে এই ব্যঙ্গাত্মক পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
মার্কিন নির্বাচনের ফল নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিক সতর্কবার্তা: ইয়াইর গোলান
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির পরাজয় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্যও একটি বড় রাজনৈতিক সতর্কবার্তা—এমন মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের বামপন্থী ডেমোক্র্যাটস দলের নেতা ইয়াইর গোলান। তাঁর দাবি, মার্কিন নির্বাচনের এই ফলাফল থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় প্রধান দলের কাছেই নেতানিয়াহুর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান অত্যন্ত অস্বস্তিকর। তাঁর মতে, নেতানিয়াহু এবং দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ক্ষমতায় বহাল থাকলে ইসরায়েল মারাত্মক আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুতর সংঘাতে লিপ্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে এই কঠোর মন্তব্য করেন বিরোধীদলীয় এই নেতা। ইসরায়েলের ক্ষতিগ্রস্ত আন্তর্জাতিক অবস্থান পুনরুদ্ধারের জন্য দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক পথের কথা তুলে ধরে গোলান লেখেন, ‘হয় নেতানিয়াহুর ইসরায়েল—যা বিশ্বজুড়ে বয়কটের শিকার, পশ্চাৎপদ ও বিচ্ছিন্ন এক সুপার-স্পার্টা; অথবা একটি শক্তিশালী, প্রগতিশীল, মুক্ত ও নিরাপদ ইসরায়েল। নেতানিয়াহু রাজনৈতিকভাবে হেরে গেছেন। তিনি বর্তমান ইসরায়েলের জন্য একটি বড় বিপদ।’
তাঁর মূল্যায়ন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু সরকারের বর্তমান অতি-ডানপন্থী নীতির কারণে ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও গভীর সংকটের মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সুসম্পর্কের অবনতি দেশটির সামগ্রিক কূটনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে অত্যন্ত দুর্বল করে তুলতে পারে বলে জোরালো সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন তিনি।
ইয়াইর গোলানের ডেমোক্র্যাটস দল মূলত ইহুদি-নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরোধী জোটের অন্যতম প্রধান একটি অংশ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে এই জোট সচল থেকে আটচল্লিশটি আসন অর্জন করেছে। অন্যদিকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে তিপ্পান্নটি আসন। এ ছাড়া আরব-নেতৃত্বাধীন দুটি দল রেকর্ড উনিশটি আসন নিজেদের দখলে নিয়েছে। নির্বাচনের এই ফলাফল দেশটিতে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে নতুন এক জটিল রাজনৈতিক সমীকরণের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ছোট ও মাঝারি দলের মধ্যে জোট গঠন এবং পারস্পরিক সমর্থন আদায়ের বিষয়টি এখন ইসরায়েলি রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি সাতাশ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে। নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না পাওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। নির্বাচন প্রক্রিয়া ও ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তোলার নেতানিয়াহুর দীর্ঘ প্রচেষ্টার জন্য একে একটি বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
সরকার গঠনের পরবর্তী ধাপে দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দুই দিনব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু করবেন। এসব ধারাবাহিক আলোচনা শেষে তিনি জোট সরকার গঠনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থীকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। নতুন সরকার গঠনের এই জটিল প্রক্রিয়ার পাশাপাশি নেতানিয়াহুর দীর্ঘ রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেল আবিবের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত কোন মোড় নেয়, তা নিয়ে গোটা ইসরায়েলি রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র জল্পনা-কল্পনা অব্যাহত রয়েছে।
/আশিক
আরও শক্তিশালী ইরান গড়ে তুলতে জাতীয় ঐক্যের ডাক ইরানি নেতার
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে ওয়াশিংটনের নীতিতে পরিবর্তন আসবে—এমন আশা করাকে বড় ভুল বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতাবা হোসেইনি খামেনেয়ী। একই সঙ্গে সর্বাত্মক প্রতিরোধ সক্ষমতা অর্জনে জাতীয় ঐক্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামগ্রিক অগ্রগতির মাধ্যমে একটি ‘আরও শক্তিশালী ইরান’ গড়ে তোলার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। দেশের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণ ও সরকারের পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সমর্থন অবিচল রাখা জরুরি বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।
ইরানের জাতীয় সাম্রাজ্যবাদবিরোধী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় এসব কথা বলেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪ নভেম্বর বা তেরো অবন উপলক্ষে দেওয়া ওই বার্তায় দিনটিকে ‘সত্যের পক্ষের শক্তির সঙ্গে অসত্যের পক্ষের শক্তির মুখোমুখি অবস্থানের প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করেন মুজতাবা খামেনেয়ী।
বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সময়ে ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক দশকের প্রকাশ্য শত্রুতার ইতিহাস পর্যালোচনা করলেই দুই দেশের মধ্যকার বিরোধের মূল প্রকৃতি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাঁর মতে, এখন কেবল তেরো অবন নয়, বরং প্রতিটি দিন ও প্রতিটি ঘণ্টাই ‘মহাশয়তান’-এর বিরুদ্ধে ইরানি জনগণের অবিরাম প্রতিরোধ ও সংগ্রামের সময়। যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যবাদী নীতির প্রতিটি পদক্ষেপই ইরানের জনগণের দৃঢ় সংকল্প ও বাস্তবতার মুখে বারবার বাধার সম্মুখীন হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বার্তায় ১৯৫৩ সালের আটাশ মোরদদ অভ্যুত্থান থেকে শুরু করে ইসলামি বিপ্লবের আগের ও পরের বিভিন্ন ঘটনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নানা নেতিবাচক ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। মুজতাবা খামেনেয়ীর অভিযোগ, ইরানের তেলসহ জাতীয় সম্পদের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বজায় রাখতেই যুক্তরাষ্ট্র অতীতে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা সমর্থিত সাভাক প্রতিষ্ঠা, স্বৈরশাসনের প্রতি সহযোগিতা এবং ইসলামি বিপ্লব ঠেকানোর নানা কৌশল গ্রহণ করেছিল ওয়াশিংটন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী, অভ্যুত্থানকারী ও মোনাফেকিনদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে। পাশাপাশি ইরাকের বাথ সরকারকে সহযোগিতা প্রদান, ইরানের যাত্রীবাহী বিমান ধ্বংস, দীর্ঘমেয়াদি ও দমনমূলক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ, দেশে অস্থিরতা সৃষ্টিতে সহায়তা এবং জেনারেল কাসেম সোলায়মানিকে হত্যার মতো ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও ওয়াশিংটন সরাসরি জড়িত ছিল।
তাঁর দাবি, পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে সরাসরি সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বহু বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, সামরিক কমান্ডার ও সাধারণ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। পারস্য উপসাগর, বিশেষ করে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত ‘অপরাজেয় শক্তির’ ধারণাকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে বাইরের শক্তির ওপর নির্ভরশীল আঞ্চলিক সরকারগুলোর সামরিক দুর্বলতাও এর মাধ্যমে উন্মোচিত হয়েছে বলে জানান সর্বোচ্চ নেতা।
তাঁর দাবি অনুযায়ী, তৃতীয় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে মার্কিন আগ্রাসন ও অপরাধের জোরালো জবাবে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো ধরনের আগ্রাসন চালানো হলে সংঘাতের পরিধি আরও বহুগুণ বিস্তৃত হতে পারে বলেও মার্কিন প্রশাসনকে কঠোর সতর্কবার্তা দেন তিনি। এ ছাড়া ফিলিস্তিন, লেবানন, ইরাক ও ইয়েমেনসহ অঞ্চলের বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর পারস্পরিক ঐক্য ও কার্যক্রমকে নতুন বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার একটি আশাব্যঞ্জক সূচনা হিসেবে উল্লেখ করেন মুজতাবা খামেনেয়ী।
মুজতাবা খামেনেয়ী দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, যারা মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের আচরণে কখনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে, মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে দলীয় ক্ষমতার পালাবদলের মাধ্যমে তাদের নীতি বদলে যাবে কিংবা ওয়াশিংটনকে কিছু ছাড় দিয়ে ইরানের প্রতি দীর্ঘদিনের শত্রুতা বন্ধ করা সম্ভব—তারা সম্পূর্ণ ভুল ধারণার মধ্যে রয়েছেন। এই লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও সামাজিক সমন্বয়ই সাফল্যের প্রধান ভিত্তি বলে মনে করেন তিনি। জনগণের প্রতি সরকারের সমর্থন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতকরণ, বস্তুগত ও নৈতিক অগ্রগতি সাধন এবং দেশের মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষায় সরকারের আরও অনেক বেশি আন্তরিক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।
ইরানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠনে দেশের তরুণ সমাজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্কুলপড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান মুজতাবা খামেনেয়ী। তাঁর মতে, সব ধরনের হতাশা ও অসম্ভবের ধারণাকে পেছনে ফেলে তরুণদের মাঝে ‘আশা ও আমরা পারব’—এই অদম্য বিশ্বাস মনে প্রাণে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এ জন্য সঠিক জ্ঞানার্জন, তাকওয়া, কর্মদক্ষতা, নৈতিক মূল্যবোধ, সুদৃঢ় সংকল্প এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের পরিপূর্ণভাবে প্রস্তুত করার তাগিদ দেন তিনি।
বার্তার একেবারে শেষাংশে মহান আল্লাহর অনুগ্রহে ইরানের জনগণ খুব দ্রুত বিজয়, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সর্বাত্মক উন্নয়ন অর্জন করবে এবং ‘মহাশয়তান’-এর দাম্ভিক আধিপত্যের পতন ত্বরান্বিত হবে বলে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতাবা হোসেইনি খামেনেয়ী।
পার্সটুডে
যুক্তরাষ্ট্রবাসী বিরক্ত হলে ইসরায়েলে চলে যাওয়ার ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্টের
যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ তাঁর ওপর বিরক্ত হয়ে গেলে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা ভাবতে পারেন—এমন মন্তব্য করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েলে নিজের বিপুল জনপ্রিয়তার দাবি করার পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিলেও নিজের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগে পিছপা হবেন না। প্রয়োজনে ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করে বিরোধী দলের আইনগত উদ্যোগ আটকে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ফক্স নিউজের ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে ফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ কোনোদিন আমাকে নিয়ে বিরক্ত হয়ে গেলে আমি ইসরায়েলে চলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়ে যাব।’ ইসরায়েলে নিজের জনপ্রিয়তা নিয়ে গর্ব করতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইসরায়েলে তাঁর সমর্থনের হার নিরানব্বই শতাংশ, যা ইতিহাসে যেকোনো ব্যক্তির মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগেও গত মে মাসে একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন তিনি। তখনও ইসরায়েলিদের মধ্যে নিজের জনপ্রিয়তা নিরানব্বই শতাংশ বলে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে তাঁর জনপ্রিয়তার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। তেরো থেকে ছাব্বিশ অক্টোবর পরিচালিত সিএনএনের এক জরিপে ট্রাম্পের সামগ্রিক অনুমোদনের হার ছিল চৌত্রিশ শতাংশ। বিপরীতে চৌষট্টি শতাংশ উত্তরদাতা তাঁর কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইসরায়েলকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক সামরিক সহায়তা বন্ধ করা হবে। তাঁর দাবি, ইসরায়েল এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম এবং দেশটির আর এই অর্থের প্রয়োজন নেই।
ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এ বিষয়ে তাঁর একটি চুক্তি হয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী, বছরের শেষ নাগাদ ইসরায়েলকে বছরে চারশ কোটি ডলারের মার্কিন সহায়তা দেওয়া বন্ধ করা হবে। তবে প্রয়োজন দেখা দিলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইসরায়েলকে সহায়তা করতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের মতে, ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন সামরিক সহায়তার বিষয়টি ব্যবহার করে ডেমোক্র্যাট ও বামপন্থি রাজনীতিকদের একটি অংশ রিপাবলিকানদের সমালোচনা করছেন।
এদিকে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগেই সিবিএস নিউজকে দেওয়া পৃথক এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের এক বা উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেলে তিনি ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করে তাদের আইন প্রণয়নের উদ্যোগ আটকে দিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, আমার হাতে চূড়ান্ত ক্ষমতা আছে, তার নাম ভেটো। ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে ‘মিস্টার ভেটো’ নামে পরিচিত হওয়ার সম্ভাবনাকেও স্বাগত জানান ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, কংগ্রেসে বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলেও নিজের নীতিগত কর্মসূচি বাস্তবায়নে নির্বাহী ক্ষমতার ওপর নির্ভর করতে চান তিনি।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টের ‘ট্রাম্প বনাম স্লটার’ মামলার রায়ের কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এই রায়ের ফলে ফেডারেল সংস্থাগুলোর ওপর প্রেসিডেন্টের কর্তৃত্ব বেড়েছে। ট্রাম্পের যুক্তি, ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেলেও সুপ্রিম কোর্টের এই রায় তাঁকে নিজের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেবে। সিবিএসকে তিনি বলেন, আমরা স্লটার মামলায় জিতেছি, আর এই মামলা প্রেসিডেন্টকে এমন বিশাল ক্ষমতা দিয়েছে, যা আগে কখনো ছিল না।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালিয়েছেন ট্রাম্প। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে জনসভা ও নির্বাচনী কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে ভোটারদের আহ্বান জানান তিনি। নিজের প্রচারণার পক্ষে সাফাই গেয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর জনসভাগুলো রিপাবলিকানদের নির্বাচনী সম্ভাবনা বাড়িয়েছে।
তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফল রিপাবলিকানদের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে। ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেছে। নির্বাচনে ট্রাম্পের শাসন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও নীতিগত সিদ্ধান্তগুলো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় ছিল। এখন কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার মুখে ট্রাম্প প্রশাসন কীভাবে নিজের রাজনৈতিক কর্মসূচি এগিয়ে নেয়, সেটিই হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
পার্সটুডে
পাঠকের মতামত:
- ইউক্রেন যুদ্ধের প্রযুক্তি এবার ইরানের হাতে তুলে দিচ্ছে রাশিয়া
- ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য এল নতুন ও জরুরি নির্দেশনা
- পবিত্র মদিনার দিকে ছোড়া হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করল সৌদি জোট
- সীমান্তের ওপার থেকে দেশের বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্র চলছে: প্রধানমন্ত্রী
- মার্কিন রাজনীতিতে ইতিহাস গড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নতুন সিনেটর
- বিশ্ব ফুটবলে এক যুগের অবসান ঘটিয়ে বিদায় নিলেন তারকা
- মার্কিন রাজনীতিতে বড় ধাক্কার মুখে ডোনাল্ড ট্রাম্প
- সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাব সাইবার সুরক্ষা আইনে
- সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ
- বড় ধরনের দুর্যোগের মুখে সৌদির বেশ কিছু অঞ্চল
- শীতে কি সত্যিই ফ্রিজের তাপমাত্রা কমানো উচিত?
- ট্রাম্পকে ডাস্টবিনে ফেলার এআই ভিডিও শেয়ার করল ইরানি দূতাবাস
- দীর্ঘ বিরতির পর রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি শুরু করায় মুদ্রাবাজারে আলোচনা
- মার্কিন নির্বাচনের ফল নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিক সতর্কবার্তা: ইয়াইর গোলান
- যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অচলাবস্থার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে ডলার ও তেলের দাম হ্রাস
- শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পেছনে পার্শ্ববর্তী দেশের ইন্ধন রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে একাধিক লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
- পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলেন আদালত
- আরও শক্তিশালী ইরান গড়ে তুলতে জাতীয় ঐক্যের ডাক ইরানি নেতার
- গাজীপুর ও সাভারে শ্রমিক আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না
- বিশ্ববাজারে বড় দরপতনের পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে মূল্যবান ধাতুর বাজার
- যুক্তরাষ্ট্রবাসী বিরক্ত হলে ইসরায়েলে চলে যাওয়ার ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্টের
- সবুজ জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ঢাকা ও বেইজিংয়ের
- শেনজেনে আসন্ন এপেক সম্মেলনে তিন বিশ্বনেতার বৈঠকের সম্ভাবনা
- পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও গ্যাসকূপ খননসহ নতুন ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন
- ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা, মধ্যবর্তী নির্বাচনে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: বদলে যাচ্ছে মার্কিন রাজনীতির সমীকরণ
- ‘ভুল করলে নতুন যুদ্ধক্ষেত্র দেখবে যুক্তরাষ্ট্র’: ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
- বাংলাদেশের পরিস্থিতি ও শ্রমিক বিক্ষোভের ওপর ভারত নজর রাখছে: রণধীর জয়সওয়াল
- শিল্পাঞ্চলের অস্থিতিশীলতার জন্য সরকারের অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত দায়ী: হান্নান মাসউদ
- ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে আরও দুটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি আইআরজিসির
- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ: ক্ষমা চাওয়ার জন্য সময় ১৫ দিন
- হুমকি পাওয়ার পর বুলগেরিয়ার সোফিয়া বিমানবন্দরে নামল ইসরায়েলি প্লেন
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনার জেরে ফের বাড়ল অপরিশোধিত তেলের দাম
- হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে তিনটি তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণ
- শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার নির্দেশ
- টয়লেটে ফোন ব্যবহার: ডেকে আনছেন কোন স্বাস্থ্যঝুঁকি?
- শ্রমিক আন্দোলনে আওয়ামী সহিংসতার দায় জামায়াত আমির এড়াতে পারেন না: রাশেদ খান
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা প্রচেষ্টার মাঝেই হরমুজ প্রণালিতে বড় ধাক্কা
- ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- বিএনপি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে পুষে রাখছে: নাহিদ ইসলাম
- তেলের বাজার চাঙ্গা হতেই বড় ধাক্কা খেলো মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের বাজার
- আন্তর্জাতিক ফুটবলে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন ক্রিশ্চিয়ানো পুত্র
- পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ, অচল শিল্পাঞ্চল
- শত্রুর দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সব ঘাঁটি এখন ইরানি বাহিনীর নাগালে: জেনারেল আবদুল্লাহি
- হরমুজ প্রণালিতে নতুন উত্তেজনা, ইরানের দ্বীপে মার্কিন হামলা: বড় যুদ্ধের পূর্বাভাস?
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের শঙ্কা, পুতিনকে ফোন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধানের: কী বার্তা দিল মস্কো?
- ইরানের পাশে চীন, তবে যুদ্ধ নয়: মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে বেইজিংয়ের নতুন কূটনৈতিক বার্তা
- ৯ মাসের ব্যবধানে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৭১৯ টাকা
- অ্যাম্বুলেন্সে পাওয়া গেল ৬৭২ বোতল ভারতীয় সিরাপ
- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলে দেশে ছাগল-ল্যাপটপ চুরি বাড়বে: রাশেদ খাঁন
- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অঙ্গীকার, গণভোট ও সাংবিধানিক বৈধতার জটিল সমীকরণ
- জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান দিবসে ডেঙ্গু সচেতনতা ও বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
- নভেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন মূল্যতালিকা প্রকাশ
- ১২৫তম প্রাইজবন্ড ড্র: বিজয়ী হলো যেসব নম্বর
- বেতনের দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ: ৭ লাখের বেশি শ্রমিক কর্মবিরতিতে
- নতুন বেতনকাঠামো: কাল যারা টাকা পাচ্ছেন, যাদের অপেক্ষা করতে হবে
- কালিয়াকৈর থানার ওসির হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক হলো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক
- যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- চোখের নিচে কালো দাগের পেছনে লুকিয়ে থাকা কারণ
- ধানের শীষের প্রার্থীর কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন জামায়াত প্রার্থী
- সারাদেশের কোমর ভাঙা, তাই দেশ মেরামত করতে হবে: জামায়াত আমির
- জুমার খুতবায় শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় খতিবকে অব্যাহতি
- রূপপুর প্রজেক্টের ঐতিহাসিক মাইলফলক: মিলল বায়েরার অনুমোদন
- সারাদেশে তিন দিন গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকবে
- টাকার বিনিময়ে ভোট ও কারচুপির অভিযোগে বিতর্কিত রোনালদোর ‘ব্যালন ডি’অর অব অল টাইম’ জয়








