তারেক রহমানের নির্দেশে ফেনীতে যুবদলের বন্যার্ত সহায়তা অভিযান

ফেনী জেলার ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া এই তিনটি বন্যা কবলিত উপজেলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ফেনী জেলা যুবদল। সোমবার একাধিক স্থানে আয়োজিত কর্মসূচিতে বন্যার্তদের মাঝে উপহারসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণের মাধ্যমে শুধু সহমর্মিতা নয়, বরং রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা ও সচেতন প্রতিরোধের বার্তাও তুলে ধরেন নেতারা।
জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দীন খন্দকারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সদস্য সচিব নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরাতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই কার্যক্রমে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন ভূঁইয়া। আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক নুরুল ইমরান মজুমদার মিশু, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, আবদুল কুদ্দুস, শামসুল আলম রানা, ঢাকার যুবদল নেতা জুলহাস উদ্দিনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবদল সবসময় দেশের মানুষের পাশে থেকে সংকটে মানবিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। ফেনী-১ আসন দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনী এলাকা হওয়ায় এই অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে বিএনপির আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করেন বক্তারা।
তারা আরও বলেন, “দেশজুড়ে একটি ষড়যন্ত্র চলছে—বিএনপির জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক শক্তিকে ভয় পেয়ে একটি মহল নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। নির্বাচন বানচাল ও অরাজকতা তৈরির অপচেষ্টা চলছে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে যুবদলকে জনগণের পাশে আরও সক্রিয় হতে হবে।”
বক্তারা বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হিসেবে টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি তোলেন। তারা বলেন, “বিগত সরকার বন্যা প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়েছে বরং বাঁধ নিয়ে দুর্নীতিতে লিপ্ত থেকেছে। এখন সময় এসেছে টেকসই পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক জবাবদিহিতার। প্রতিটি দুর্যোগেই প্রমাণ হয়েছে—শুধু বিএনপি ও যুবদলই নয়, পুরো জাতীয়তাবাদী শক্তি মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত।”
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তিনটি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪৫০ জন পরিবারের মাঝে উপহারসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যাকবলিতদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মোট তিন লাখ টাকা নগদ সহায়তা।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পরশুরাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল হালিম, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ভিপি বেলাল, আমজাদ হোসেন সুমন, আতিকুর রহমান মামুন, ছাগলনাইয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী জসিম, পরশুরাম যুবদলের আহ্বায়ক শাকিল, জহিরুল ইসলাম জহিরসহ উপজেলার প্রতিটি ইউনিটের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা।
বক্তব্যে তারা বারবার উল্লেখ করেন, “জনগণের দুঃসময়ে পাশে থাকাটাই বিএনপির রাজনীতি”—এই নীতি অনুসরণ করেই তারা মাঠে রয়েছেন এবং থাকবেন।
-রাফসান, নিজস্ব প্রতিবেদক
আন্দোলনের হুমকি না দিয়ে গ্যাস-বিদ্যুতের বিকল্প পরিকল্পনা দিন: রিজভী
রাজপথে আন্দোলনের হুমকি না দিয়ে দেশে চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকারকে বাস্তবসম্মত বিকল্প পরিকল্পনা দেওয়ার জন্য বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শিল্পকলা অ্যাকাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রিজভী বলেন, সংকট নিয়ে বিরোধী দল লংমার্চ বা রাজনৈতিক কর্মসূচি দিতেই পারে, তবে শুধু কর্মসূচি না দিয়ে কীভাবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়, তার একটি বিকল্প রূপরেখা তাদের উপস্থাপন করা উচিত। তিনি দাবি করেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট সরকারের নিজস্ব কোনো ব্যর্থতার কারণে সৃষ্টি হয়নি; বরং আন্তর্জাতিক যুদ্ধাবস্থা ও বিগত সরকারের দীর্ঘদিনের ভুল পরিকল্পনার ফলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি পরিবহনে বাধার কারণে আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় যে বিঘ্ন ঘটেছে, তা বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে বড় চাপ তৈরি করেছে।
সংসদে বিরোধী দলের পর্যাপ্ত কথা বলার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সরকারের সমালোচনা করা কিংবা রাজপথে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করা গণতন্ত্রের স্বাভাবিক চর্চা হলেও জাতীয় সংকটে গঠনমূলক পরামর্শ দেওয়া প্রয়োজন। একটি পরিকল্পিত অচলাবস্থা তৈরি না করে সংকট উত্তরণের পথ খোঁজার তাগিদ দিয়ে তিনি সতর্ক করেন, অতীতের অন্ধ পুনরাবৃত্তি দেশকে আরও সংকটের দিকে ঠেলে দেবে। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রতিবাদী গান ও নৃত্যের অনুপ্রেরণাদায়ী ভূমিকার কথাও স্মরণ করেন তিনি। নৃত্যশিল্পী সংস্থার সভাপতি ফারহানা বেবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
দীর্ঘ বিরতির পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত শীর্ষ নেতা
দীর্ঘ প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকার পর জাতীয় সংসদে ফিরে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, মানুষের কাছে ফিরে এসে দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করাই এখন তাঁর জীবনের প্রধান ব্রত। দীর্ঘদিন গুরুতর অসুস্থতার কারণে সংসদীয় কার্যক্রমে অংশ নিতে না পারার প্রেক্ষাপটও বক্তব্যে তুলে ধরেন তিনি।
অধিবেশনে মির্জা আব্বাস স্মৃতিচারণ করে জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপরই একটি দলীয় সভায় তিনি গুরুতর ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এরপর থেকে তাঁকে দীর্ঘ সময় বিদেশে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় দীর্ঘ চিকিৎসাপর্ব শেষে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি দেশে ফেরেন। তবে তাঁর শারীরিক চিকিৎসা পুরোপুরি শেষ না হলেও মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আবেগের টানেই তিনি দ্রুত ফিরে এসেছেন বলে উল্লেখ করেন। কঠিন সংকটের দিনগুলোতে পাশে থাকা, নিয়মিত খোঁজখবর রাখা এবং সুস্থতার জন্য দোয়া করায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, সহকর্মী সংসদ সদস্যসহ সমগ্র দেশবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
২০০৬ সালের পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে পুনরায় জাতীয় সংসদে কথা বলার সুযোগ পাওয়াকে রাজনৈতিক জীবনের এক অত্যন্ত আবেগঘন এবং গর্বের মুহূর্ত হিসেবে অভিহিত করেন ঢাকা-৮ আসনের এই সংসদ সদস্য। তিনি উল্লেখ করেন, রাজনীতি কেবল পারস্পরিক মতপার্থক্য কিংবা বিতর্কের জায়গা নয়; রাজনীতি হলো মানুষের জন্য এবং সংসদ হলো সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত প্রতিফলন।
বক্তব্যের শেষভাগে নিজের নির্বাচনী এলাকার জনগণ এবং দেশের মানুষের স্বার্থে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যয় জানান মির্জা আব্বাস। মহান আল্লাহর দরবারে পূর্ণ সুস্থতা ও শক্তি কামনা করে তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চান, যাতে জীবনের বাকি সময়টুকু তিনি দেশ ও জাতির সেবায় নিবেদিত রাখতে পারেন।
/আশিক
সাবেক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের নজিরবিহীন পদক্ষেপ
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাঁদের মেয়াদকালের বিভিন্ন নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কেনাকাটা ও দরপত্র সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তলব করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুদকের বিশেষ তদন্ত বিভাগের অনুমোদন পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে চিঠি পাঠিয়ে এসব রেকর্ডপত্র চেয়েছে কমিশন। বিষয়টি তদন্তসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পাশাপাশি তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম-সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং যুব-১ শাখার উপ-সচিব মো. মাসুম আহমেদের বিরুদ্ধে সমন্বিতভাবে এই অনিয়মের অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগের নিরপেক্ষ অনুসন্ধানে দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে, যেখানে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সহকারী পরিচালক নাছরুল্লাহ হোসাইন, উপ-সহকারী পরিচালক ইমরান আকন এবং রোমান উদ্দিন।
আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মেয়াদকালের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির পূর্ণাঙ্গ ফাইল এবং ২০২৫ ও ২০২৬ সালের সংশ্লিষ্ট কয়েকটি স্মারকের সত্যায়িত ছায়ালিপি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা, বগুড়া, বরিশাল, পাবনা, ধামরাই ও নরসিংদীতে কর্মরত অন্তত ১২ জন মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথিও তলব করা হয়েছে।
দুদকে আসা অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, বদলি ও পদোন্নতিকে কেন্দ্র করে কোটি কোটি টাকার আর্থিক লেনদেন সংঘটিত হয়েছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৩৮ জন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও নতুন পদায়নের মাধ্যমে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতি বাবদ দেড় কোটি টাকা এবং পরবর্তীতে সুবিধাজনক স্থানে পদায়নের বিনিময়ে আরও দুই কোটি টাকাসহ মোট চার কোটি ২৬ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেনের সুনির্দিষ্ট দাবি করা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে পদোন্নতি ও বদলি বাণিজ্যের এসব তথ্যের ভিত্তিতেই পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক এই বাণিজ্যের বাইরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন কেনাকাটা ও টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলার অভিযোগও খতিয়ে দেখছে কমিশন। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র অনুযায়ী, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ লেনদেন, অর্থ পাচার, ক্রিপ্টোকারেন্সি বা বিটকয়েনে লেনদেন, চাঁদাবাজি এবং স্বজনপ্রীতির মতো গুরুতর বিষয়গুলোও অনুসন্ধানের আওতায় আনা হচ্ছে। এমনকি ক্রীড়া উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্রিকেট বোর্ডের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার এবং সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণের বিভিন্ন অভিযোগও পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা করছে অনুসন্ধান দল।
/আশিক
ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: পার্থ
বিগত সরকারের আমলে দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বর্তমান প্রশাসনকে গ্যাস ও বিদ্যুতের মতো গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৭ বছরের অপশাসনের ফলে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। এমন এক চরম অস্থিতিশীল ও দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রতিকূল মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকেই দেশকে পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে তিন দিনের সরকারি সফরের অংশ হিসেবে নিজের সংসদীয় এলাকা ভোলার নতুনবাজারে আয়োজিত এক জনসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ভোলার দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ‘ভোলা-বরিশাল সেতু’ নির্মাণ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দ্বীপজেলা ভোলার প্রতিটি নাগরিক এই সেতুর স্বপ্ন দেখছেন এবং এর বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষ আন্দোলন-সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। সরকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং সেতু নির্মাণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মহাসড়কের বিষয়টিও যথাযথভাবে বিবেচনা করছে। তিনি এই মেগা প্রকল্প ঘিরে কোনো ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য ভোলাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। জাতীয় সংসদে এই সেতুর পক্ষে জোরালো দাবি উত্থাপনের বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, ভোলা-বরিশাল সেতুর ডিপিপি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এর পাশাপাশি ভোলার সার্বিক উন্নয়নে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা, নদীভাঙন রোধে ৭০০ কোটি টাকা এবং সড়ক সংস্কারের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দেন তিনি।
নিজের রাজনৈতিক সততা ও অবস্থান তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্য হিসেবে গত ছয় মাসের দায়িত্ব পালনকালে তাঁর বিরুদ্ধে একটি টাকার দুর্নীতিরও কোনো নজির মেলেনি। এই সময়ে এলাকায় কোনো রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা, অহেতুক হয়রানি কিংবা চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেনি বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি স্পষ্ট জানান, কোনো অপরাধী, চোর কিংবা সন্ত্রাসী তাঁর দলের লোক হতে পারে না। দলের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ চাঁদাবাজি, ডাকাতি বা অপকর্মে জড়ালে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, টিআর, জিআর, ঠিকাদারি কমিশন কিংবা দুর্নীতির মানসিকতা তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আদর্শের পরিপন্থী। আল্লাহর রহমত ও সাধারণ ভোলাবাসীর নিঃস্বার্থ সমর্থনেই তিনি আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছেন বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এর আগে বুধবার সকালে সড়কপথে রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশাল নদী বন্দরে পৌঁছান তথ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে স্পিডবোটে করে দুপুরে ভোলার খেয়াঘাট লঞ্চঘাটে পৌঁছালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে ফুলেল অভ্যর্থনা জানান জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান এবং পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওছার। এ সময় ভোলা জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর, সদস্য সচিব রাইসুল আলম, জেলা বিজেপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক মোতাছিন বিল্লাহ, উপজেলা বিজেপির সভাপতি আব্দুল জলিল ও সম্পাদক বুলবুলসহ বিএনপি এবং বিজেপির বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
তদন্ত শুরুর আগেই সত্যতা পাওয়ার দাবিতে মানহানি হয়েছে: আসিফ মাহমুদ
দুর্নীতির অভিযোগে নিজের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরুর আগেই ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’ মর্মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেওয়া বক্তব্যে তাঁর মানহানি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই ক্ষোভ ও অভিযোগ প্রকাশ করেন।
ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ উল্লেখ করেন, দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার দাবি করেন, যার ভিত্তিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনুসন্ধান শুরুর আগেই প্রমাণ মেলার খবর প্রকাশিত হয়। এতে তাঁর ব্যক্তিগত ও সামাজিক মানহানি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, গণমাধ্যমে সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর দুদক মুখপাত্র সাংবাদিকদের মেসেজ দিয়ে ‘প্রাথমিক সত্যতা’ শব্দটি ব্যবহার না করার অনুরোধ জানান। এমন কাণ্ডের মাধ্যমে যে মানহানি ঘটানো হলো, সেজন্য কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইবে কি না—সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
এর আগে সাবেক এই উপদেষ্টাসহ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠনের কথা জানায় দুদক। এই তালিকায় থাকা বাকি তিন কর্মকর্তা হলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।
দুদকে জমা পড়া অভিযোগের বরাতে জানা যায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা থাকাকালে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে পদোন্নতি, বদলি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও নতুন পদায়নের বিনিময়ে ৭৬ লাখ টাকা এবং ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতি বাবদ দেড় কোটি টাকাসহ বদলি ও পদায়ন বাণিজ্যে মোট দুই কোটি টাকারও বেশি অর্থ লেনদেন হয়েছে।
অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, মন্ত্রণালয়ের উল্লিখিত তিন শীর্ষ কর্মকর্তা এবং মাঠ পর্যায়ের কয়েকজন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল। এই চক্রটি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন কেনাকাটা, দরপত্র ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় একচ্ছত্র প্রভাব খাটিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতি সংঘটিত করেছে।
/আশিক
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে: ডা. শফিকুর রহমান
গণভোটের মাধ্যমে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়িত না হলে দেশের রাজনীতিতে নতুন করে সংকট সৃষ্টি হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, জনগণের স্বার্থে নেওয়া যেকোনো ইতিবাচক পদক্ষেপে জামায়াত সংসদের ভেতরে ও বাইরে সরকারকে সর্বাত্মক সমর্থন দেবে। তবে সরকারের জনস্বার্থবিরোধী যেকোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অহিংস, দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক পন্থায় তারা রাজপথে জোরালো অবস্থান নেবেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, জনদুর্ভোগ এবং সংসদ ও রাজপথে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে বিশদ মতবিনিময় করেছেন জামায়াত আমির। গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সাধারণ মানুষ যে জনাদেশ দিয়েছে, তা কার্যকর না হলে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে সভায় মত প্রকাশ করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত গণমাধ্যমের শীর্ষ নির্বাহীরাও পরামর্শ দেন যে জুলাই সনদের আলোকে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় নিয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের ভিন্নমত থাকলে তা জনসমক্ষে পরিষ্কার করা উচিত এবং জনগণের রায় তারা মানবে কি না, সে বিষয়ে দলগুলোর অবস্থান সুস্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক নানা জনগুরুত্বপূর্ণ সংকট নিয়েও খোলামেলা আলোচনা হয়। নিত্যপণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চরম সংকট, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি, সন্ত্রাস এবং সংকীর্ণ দলীয়করণের বিষয়গুলো সভায় বিশেষভাবে উঠে আসে। জামায়াত আমিরের বরাতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, শুধু সংবাদ পরিবেশনই নয়, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা এবং একটি সুদৃঢ় জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের রয়েছে অপরিসীম ভূমিকা। বিরোধীদলীয় নেতা সাংবাদিকদের প্রতি জামায়াতের যেকোনো ভুলত্রুটি ও বিচ্যুতি খোলামেলা ও গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত টেলিভিশন চ্যানেলের শীর্ষ নির্বাহীরা তাঁদের পেশাগত নানা সীমাবদ্ধতা ও সংকটের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, প্রিন্ট মিডিয়ার কর্মীরা বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা ও ওয়েজ বোর্ডের আওতায় থাকলেও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কোনো স্থায়ী বেতন কাঠামো বা চাকরিগত নিরাপত্তা নেই। গণমাধ্যম নির্বাহীদের এসব উদ্বেগের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান আশ্বস্ত করেন যে একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে টেলিভিশন সাংবাদিকদের দাবি ও সংকট নিরসনে জামায়াত সংসদে এবং নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
উক্ত মতবিনিময় সভায় দেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের প্রধান নির্বাহী, সম্পাদক, বার্তা প্রধান ও প্রধান বার্তা সম্পাদকরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আবদুল হালিম এবং অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলালসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
/আশিক
ছয় মাসে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, লোডশেডিং ও বেকারত্ব বাড়ছে: চরমোনাই পীর
নির্বাচনের আগে বিএনপি নেতৃত্ব এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিলেও সরকার গঠনের ছয় মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও এর কোনো বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
তিনি বলেন, বিগত ছয় মাসে পরিস্থিতির উন্নয়ন তো দূরের কথা, বহু ক্ষেত্রে তা আরও অবনতিশীল হয়েছে। পোশাক শিল্পে প্রায় ২০ হাজার শ্রমিকের বেকার হয়ে পড়া, গড়ে প্রতিদিন ১০টি হত্যাকাণ্ড, অসহনীয় লোডশেডিং এবং তীব্র জ্বালানি সংকট সরকারের সামগ্রিক ব্যর্থতার স্পষ্ট প্রমাণ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে আয়োজিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি উল্লেখ করেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অপরাধীদের আটক করলেও পরবর্তীতে প্রকৃত বিচার নিশ্চিত হয় না। এমন কি নিম্ন আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় ঘোষণা হলেও তা কার্যকর করার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা দেখা যায়, যা বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে স্পষ্ট করে।
রেজাউল করীম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই পুলিশি তৎপরতার মাধ্যমে তা প্রতিহত করা হবে—এটাই ছিল সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। কিন্তু সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন তাদের বাহিনীকে কার্যকর ও সক্রিয় করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মানুষের জানমালের পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের টেকসই সমাধান এবং দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি সরকারের প্রতি জোরালো দাবি জানান। অন্যথায় জনঅসন্তোষ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
রাষ্ট্র সংস্কারের গতিপ্রকৃতি প্রসঙ্গে চরমোনাই পীর বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারের ব্যাপারে বারবার তাগিদ দেওয়া হলেও সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত হতাশাজনক। জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে উঠলেও সর্বশেষ নির্বাচনে সেই সমঝোতার তোয়াক্কা করা হয়নি। সংস্কারের অন্যান্য মূল বিষয়েও সরকার কার্যত বিরোধী অবস্থান নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংবিধানিক দুর্বলতা ও প্রাতিষ্ঠানিক ত্রুটির সুযোগ নিয়েই অতীতে দেশে স্বৈরশাসনের পথ সুগম হয়েছিল। তাই জুলাই সনদের আলোকে মৌলিক সংস্কার সম্পন্ন করে স্বৈরতন্ত্রের স্থায়ী অবসান ঘটাতে হবে; অন্যথায় উদ্ভূত যেকোনো মারাত্মক পরিণতির দায়ভার বর্তমান সরকারকেই বহন করতে হবে।
/আশিক
রয়্যাল রিসোর্টে আমাকে হত্যার নীলনকশা করেছিল আওয়ামী লীগ: মামুনুল হক
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক অভিযোগ করেছেন, ২০২১ সালে সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্টে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার নীলনকশা করেছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। তবে সেই ষড়যন্ত্রে তারাই শেষ পর্যন্ত ফেঁসে গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে মাওলানা ইকবাল হোসাইন স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এই সভার আয়োজন করে।
মামুনুল হক বলেন, ঘটনার দিন সাধারণ জনতার তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে আওয়ামী লীগের লোকজন জীবন বাঁচাতে অনুনয়-বিনয় করেছিল। পরিস্থিতি এমন রূপ নেয় যে, ঘটনার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রয়্যাল রিসোর্ট এলাকায় দলটির কাউকে পাওয়া যায়নি এবং তারা বাড়িঘর ফেলে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়।
বিগত সরকারের দায়ের করা বিভিন্ন মামলা ও নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ দমন করতেই ফ্যাসিবাদী সরকার সে সময় ঢালাওভাবে মিথ্যা মামলার কৌশল নিয়েছিল। তবে বর্তমান প্রশাসন সেই মিথ্যা মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এর ফলে ২০২১ সালের রয়্যাল রিসোর্টের ঘটনাসহ হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে হওয়া সব মামলা থেকেই অব্যাহতি মিলেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সে সময় রয়্যাল রিসোর্টের ঘটনায় হওয়া সাজানো মামলায় খেলাফত মজলিসের সোনারগাঁ থানা শাখার তৎকালীন সভাপতি মাওলানা ইকবাল হোসাইনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। সেখানে নির্মম ও অমানবিক নির্যাতনের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে, যা একটি হত্যাকাণ্ড।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল কাদের নদভী কাসেমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মোহাম্মদ উল্লাহ, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এবং জেলা হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দিন খান।
সভায় খেলাফত মজলিস ও হেফাজতে ইসলামের বিভিন্ন স্তরের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। স্মৃতিচারণা ও আলোচনা পর্ব শেষে মরহুম মাওলানা ইকবাল হোসাইনের মাগফিরাত ও রুহের শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
/আশিক
সংসদের অধিবেশন ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা
বেসরকারি দিবসে সরকারি বিল উত্থাপন, সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রক্রিয়াগত ত্রুটি এবং সংস্কারের মূল দাবিকে পাশ কাটিয়ে একতরফা সংসদ পরিচালনার অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৮টা ৭ মিনিটে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী জোটের সদস্যরা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে কার্যসূচি অনুযায়ী আইন প্রণয়ন কার্যাবলির অংশ হিসেবে তিনটি সরকারি বিল উত্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলে বিরোধীদলীয় নেতা ফ্লোর নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান। তিনি বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চরম সংকট এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার, গণভোট ও বিল পাসের প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারের একপেশে মনোভাবের কড়া সমালোচনা করেন।
বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বেসরকারি দিবসে সরকারি বিল চাপিয়ে দিয়ে সংসদের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করা হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কারের মূল দাবিকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত ‘বিশেষ কমিটি’ গঠনের আইনি ভিত্তি ও সংসদীয় বিধিবিধান মানা হয়নি দাবি করে তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ণাঙ্গ সংস্কার ও গণভোটের বাস্তবায়নের দাবিতে বিরোধী দল অনড়। কোনো নিয়মবহির্ভূত প্রক্রিয়ার অংশ না হওয়ার নীতিগত অবস্থান থেকেই তারা সংসদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন।
বিরোধীদলীয় সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ছাড়ার সময় সভাপতিমণ্ডলীর আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাঁদের ফিরে আসার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ওয়াকআউটের অধিকার থাকলেও সব বিষয়ে সংসদের ভেতর আলোচনা ও বিতর্কের মাধ্যমেই জাতিকে নেতৃত্ব দেওয়া উচিত। তবে বিরোধী দল অধিবেশন ত্যাগ করার পর স্পিকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে তেল আবিবের বড় লক্ষ্য প্রকাশ
- রাতে রাজধানীর আবহাওয়া নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
- আর্জেন্টিনার জার্সিতে আবারও দেখা যেতে পারে মেসিকে
- শেখ হাসিনার বক্তব্য ইস্যুতে ‘নো কমেন্ট’, তারেক রহমানের সফর নিয়ে যা বলল ভারত
- দেবিদ্বারে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল বল্লভপুর শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন
- নরসিংদীতে ছেলের হাতে বাবা খুন, আহত মা-ভাই
- নির্বাচনের আগে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা
- বিনা মূল্যে ২ লাখ টাকার আইটি প্রশিক্ষণ, রয়েছে চাকরির সুযোগ
- ‘চিকেনস নেক’-এ সমান্তরাল মহাসড়ক এনএইচ-৩২৭ বানাচ্ছে ভারত
- দলবদলের বাজারে নতুন চমক, ইউরোপ ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যে তরুণ উইঙ্গার
- লিপজিগে ড্রোন হামলা: রাশিয়ার বিরুদ্ধে ‘হাইব্রিড যুদ্ধের’ অভিযোগ জার্মানির
- কারণ ছাড়া ওজন কমছে বা ক্লান্ত লাগছে? ক্যানসারের ৫ সংকেত জানাল জনস হপকিন্স
- সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের আগে যেসব বিষয় জানা জরুরি
- ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ে দেশ গড়ে উঠবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ২৪ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক দখল: এস আলমের শেয়ার অবরুদ্ধ
- মধ্যপ্রাচ্যে সেনা নিরাপত্তা জোরদারে পেন্টাগনের নতুন পদক্ষেপ
- নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগ অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ
- আন্দোলনের হুমকি না দিয়ে গ্যাস-বিদ্যুতের বিকল্প পরিকল্পনা দিন: রিজভী
- সব সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন
- মামলার ৮ দিন পর মাদরাসায় অভিযান, কেন হয়নি কেউ গ্রেপ্তার
- তিন দফা পতনের পর স্বর্ণের দামে বড় লাফ
- অস্ত্রের মজুদ ফাঁকা হওয়ার খবর ‘শতভাগ ভুল’: ট্রাম্পের হুঙ্কার
- র্যাব বিলুপ্তির পথে, সংসদে নতুন বিল উত্থাপন
- জামানত ছাড়া সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার আর্থিক প্যাকেজ চালু
- ‘জি এম তো নাই’: স্পিকারের রসিকতায় সংসদে হাসির রোল
- সাত মাসে নিখোঁজ ১৫ হাজার শিশু: পুলিশ সদরদপ্তর
- লন্ডনের ইলফোর্ডে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
- সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহের রহস্য উন্মোচনে বড় মাইলফলকের সামনে বিজ্ঞানীরা
- নতুন সামরিক হামলায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ল ইরানে
- সৌদিতে সর্বোচ্চ রেড অ্যালার্ট জারি
- হতাশাজনক হারে এশিয়ান কাপ বাছাই থেকে বিদায় নিশ্চিত বাংলাদেশের
- টানা পতনের পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন
- ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় আর্থিক পরিবর্তনের ঘোষণা বিসিবি সভাপতির
- অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক মন্ত্রীর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
- বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চাপে বন্ধ হলো চার শতাধিক কারখানা
- দীর্ঘ বিরতির পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত শীর্ষ নেতা
- প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড ও শীর্ষে নতুন দেশ, সংসদে তথ্য উপস্থাপন
- কুয়েতে ইরানের ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- সাবেক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের নজিরবিহীন পদক্ষেপ
- লঘুচাপের প্রভাব: দেশজুড়ে আবহাওয়ার নতুন বার্তা
- ক্রিকেটের নতুন বিশ্বমঞ্চের দায়িত্ব পেল ভারত
- ইরানের পাশে পুতিন: ‘ক্ষুধার্ত হাঙরদের’ দাঁতভাঙা জবাবের হুঁশিয়ারি
- ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: পার্থ
- লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
- তদন্ত শুরুর আগেই সত্যতা পাওয়ার দাবিতে মানহানি হয়েছে: আসিফ মাহমুদ
- ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন থেকেই মধ্যপ্রাচ্য সংকটের শুরু: শাহবাজ শরিফ
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক সংঘাতের ধাক্কা লাগল বিশ্ববাজারে
- লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান
- গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে: ডা. শফিকুর রহমান
- প্রযুক্তিপ্রেমীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বড় চমক আনতে পারে অ্যাপল
- টানা পতনের পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন
- সেবা শেষে এবার বকশিশও দাবি করছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি
- আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় দায়িত্বের মুখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস
- এক সপ্তাহে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মামলার ঘটনায় বিজেপিসির তীব্র নিন্দা
- একীভূত ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য বড় ঘোষণা, অর্থ ফেরত শুরুর দিনক্ষণ চূড়ান্ত
- নবম পে-স্কেল অনুমোদনের আড়ালে দুঃসংবাদ: বাতিল হচ্ছে বিশেষ সুবিধা
- রাজধানীর ট্রাফিক ও পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ কঠোর সিদ্ধান্ত
- অস্ত্রের মজুদ ফাঁকা হওয়ার খবর ‘শতভাগ ভুল’: ট্রাম্পের হুঙ্কার
- আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে স্থানীয় জুয়েলারি খাতে বড় পরিবর্তন
- ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে বাদ পড়ছেন কারা, প্রকাশ পেল অযোগ্যতার তালিকা
- তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক করিডর নিয়ে চীন-বাংলাদেশ বৈঠক
- জ্বালানি সংকট বিগত ১৭ বছরের উত্তরাধিকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তিতুমীর
- নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে শত শত শ্রমিক নিখোঁজ, ২৭৯ জন উদ্ধার
- ইরানে পারমাণবিক হামলার পথ বেছে নিতে পারেন ট্রাম্প: জো কেন্ট
- তিস্তা পাড়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, স্থানীয় সংকট নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা








