জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ; জারি হলো ১২ দফার নতুন গাইডলাইন

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সব প্রতিষ্ঠানের জন্য ১২টি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি জরুরি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
উপসচিব তানিয়া আফরোজের সই করা এই নির্দেশনায় কর্মকর্তাদের জন্য ১২টি বিশেষ করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হলো
১. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং জানালা ও দরজা কিংবা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
২. বিদ্যমান ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইটের ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
৩. অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে।
৪. এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা অবশ্যই ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখতে হবে।
৫. অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
৬. অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
৭. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হবে।
৮. অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন: লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
৯. যাবতীয় আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে।
১০. সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে।
১১. জ্বালানি তেল ও গ্যাস ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী ও মিতব্যয়ী হতে হবে।
১২. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, বৈশ্বিক এই পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
/আশিক
জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান: এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন যারা
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছর ২০ জন স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবিরের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নিম্নবর্ণিত ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্ব স্ব নামের পার্শ্বে উল্লিখিত ক্ষেত্রে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন যারা—
১. বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদান
২. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, মুক্তিযুদ্ধ
৩. মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ
অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
৫. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চিকিৎসাবিদ্যা
৬.ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সাহিত্য
৭. এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), সংস্কৃতি
৮. বশির আহমেদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতি
৯. জোবেরা রহমান (লিনু), ক্রীড়া
১০. পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), পল্লী উন্নয়ন
১১. ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (মরণোত্তর), সমাজসেবা/ জনসেবা
১২. এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সমাজসেবা/ জনসেবা
১৩. মো. সাইদুল হক, সমাজসেবা/ জনসেবা
১৪. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, সমাজসেবা/ জনসেবা
১৫. মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), সমাজসেবা/ জনসেবা
১৬. কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), জনপ্রশাসন
১৭. মোহাম্মদ আবদুল বাকী, পি এইচ ডি, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ
১৮. অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ
১৯. অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ
২০. আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু), পরিবেশ সংরক্ষণ
/আশিক
ঈদযাত্রায় বিশেষ স্বস্তি: ছুটির ক্যালেন্ডারে নতুন পরিবর্তন আনল সরকার
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে নির্বাহী অদেশে আরও একদিন ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাহী আদেশে আগামী ১৮ মার্চও ছুটি থাকবে। এর ফলে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা ৭ দিন ছুটি থাকবে।
সভা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৮ মার্চও ছুটি থাকবে।
/আশিক
কৃষি খাতে ডিজিটাল বিপ্লব: দেশের ৯টি উপজেলায় চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’
দেশের আট বিভাগের নয়টি উপজেলায় প্রাথমিককভাবে চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি। এ উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের একটি সমন্বিত তথ্যভান্ডার তৈরি করা হবে এবং বিভিন্ন সরকারি সেবা ও সহায়তা সহজে পৌঁছে দেওয়া হবে।
বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাক-পাইলট পর্যায়ে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর দেশের আট বিভাগের নয়টি উপজেলার নির্বাচিত নয়টি ব্লকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হবে।
নির্বাচিত উপজেলাগুলো হলো— টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর ও কক্সবাজারের টেকনাফ।
তিনি আরও জানান, প্রাক-পাইলট ও পাইলট পর্যায় শেষ করে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
আগামী ১৪ এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
/আশিক
স্বাস্থ্য খাতে প্রযুক্তির বিপ্লব: এক কার্ডেই মিলবে নাগরিকের সব চিকিৎসাতথ্য
দেশের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞ মহলের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের জানান, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ডিজিটাইজড করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী এই কার্ড চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের নাগালে নিয়ে আসা সরকারের অন্যতম প্রধান নীতি উল্লেখ করে তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার তাগিদ দেন।
ই-হেলথ কার্ড মূলত একটি ডিজিটাল ডাটাবেস হিসেবে কাজ করবে। এর আওতায় প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি নির্দিষ্ট কার্ড থাকবে, যেখানে তাদের যাবতীয় মেডিকেল রেকর্ড বা চিকিৎসার ইতিহাস সংরক্ষিত থাকবে। ফলে কোনো রোগী দেশের যেকোনো প্রান্তে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিকভাবে তার পূর্বের শারীরিক অবস্থা ও রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।
প্রাথমিকভাবে একটি জেলাকে 'পাইলট প্রকল্প' হিসেবে বেছে নিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করা হবে। তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে জেলা সদর ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত একটি সমন্বিত ‘রেফারেল নেটওয়ার্ক’ তৈরি করা হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।
বৈঠকে বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নারী ও পুরুষের অনুপাত হবে ৮০:২০। এছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বর্তমান শূন্য পদগুলোতে দ্রুত চিকিৎসক ও কর্মী নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বিশেষ করে দুর্গম ও প্রান্তিক এলাকায় চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে কঠোর তদারকির নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ডিজিটাল পদ্ধতির কোনো বিকল্প নেই। সরকার আশা করছে, এই ই-হেলথ কার্ড চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।
/আশিক
যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফিরলেন ১৮৯ বাংলাদেশি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আটকেপড়া ১৮৯ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।
এর আগে এক বিজ্ঞপ্তিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়াতে এবং মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে থাকা বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম-আবুধাবী-ঢাকা রুটে একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আটকা পড়েন তারা।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের পরিবার-স্বজনদের অনেকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের এই ফ্লাইটের কথা জানতে পেরে গভীর রাতেই বিমানবন্দরে চলে আসেন। এখানেই সারেন সেহরি।
বিমান অবতরণের খবরে সবাই সন্তুষ্ট। প্রিয়জনকে নিরাপদে ফেরত পাচ্ছেন, এটাই তাদের বড় স্বস্তি।
/আশিক
জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে হাইকোর্টের রুল: রাজনীতির মাঠে নয়া উত্তাপ
দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক অঙ্গনে 'জুলাই সনদ' ও সংবিধান সংস্কারের আইনি বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল জারির পর এক নতুন মেরুকরণ ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন, সদস্যদের শপথ এবং গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতের এই হস্তক্ষেপ আগামী দিনে বড় ধরনের রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে এখন দেশজুড়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন বিএনপি এবং তাদের একসময়ের মিত্র জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির মধ্যেকার আদর্শিক ও কৌশলগত বিরোধ এই ইস্যুতে প্রকট হয়ে উঠেছে।
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কারের প্রশ্নে দেশজুড়ে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে বড় একটি অংশ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেননি। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করা বিএনপি এই শপথ প্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে জটিল রূপ নিয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের জোটের শরীক এনসিপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংসদ সদস্য পদের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছেন।
বিএনপির এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি। তারা মনে করছে, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে এটি একটি অন্তরায়। জামায়াত ও এনসিপির নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শপথ নিলেও বড় দল হিসেবে বিএনপির অনীহা পুরো সংবিধান সংস্কার পরিষদের কার্যক্রমকেই অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে এখন বড় প্রশ্ন হলো—প্রধান রাজনৈতিক দলটির অংশগ্রহণ ছাড়া এই সংস্কার পরিষদ কি আদৌ গঠন করা সম্ভব হবে, নাকি এটি কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
এই জটিল পরিস্থিতির মধ্যে বিষয়টি আদালতের কাঠগড়ায় ওঠায় রাজনীতির মাঠ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ প্রসঙ্গে তাঁর দলের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক ময়দানে নানা ধরনের বক্তব্য আসতে পারে, তবে যেহেতু বিষয়টি নিয়ে আদালতে রিট হয়েছে, তাই আদালত থেকে কী ধরনের নির্দেশনা আসে তা সংসদকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। বিশেষ করে আইন প্রণয়নের সময় আদালতের পর্যবেক্ষণ এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই সনদ ও গণভোটের বৈধতা নিয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায় এবং এই ইস্যুতে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত-এনসিপি জোটের রাজনৈতিক লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, তার ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনের রাজনীতির গতিপ্রকৃতি। যদি আইনি লড়াই ও রাজনৈতিক মতভেদ আরও দীর্ঘায়িত হয়, তবে সংবিধান সংস্কারের পুরো প্রক্রিয়াটি স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত আদালতের রায় এবং দলগুলোর কৌশলগত অবস্থানই ঠিক করে দেবে বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তনের ভবিষ্যৎ।
/আশিক
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে নতুন চিফ হুইপ ও হুইপদের শ্রদ্ধা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত চিফ হুইপ ও হুইপরা মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বুধবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত সমাধি প্রাঙ্গণে জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের নেতৃত্বে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে চিফ হুইপ ও হুইপরা দেশের এই দুই শীর্ষ নেতার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর তারা মরহুম নেতাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।
এ সময় চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নবনিযুক্ত হুইপ আলহাজ মো. জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এবং এ.বি.এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান)।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। নবনিযুক্ত সংসদীয় এই নেতৃত্ব দেশের গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখতে এবং সংসদীয় কার্যক্রমকে আরও প্রাণবন্ত করতে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
/আশিক
স্বাস্থ্য সেবায় বিপ্লব আনতে ই-হেলথ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও আধুনিক করতে সারা দেশে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তাঁর কার্যালয়ে স্বাস্থ্য খাতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন। বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টা এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বৈঠকের বিষয়ে জানান, ই-হেলথ কার্ড চালুর কার্যক্রম দ্রুততম সময়ের মধ্যে শুরু করতে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এই লক্ষ্য অর্জনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আগের চেয়ে আরও বেশি গতিশীল ও সক্রিয় হওয়ার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি উদ্ভাবনী প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অধীনে থাকা পরিত্যক্ত ভবনগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হাতে হস্তান্তরের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, এই ভবনগুলোকে সংস্কার করে দ্রুত সেগুলোতে ক্লিনিক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে। উদাহরণ হিসেবে জানানো হয়, শুধুমাত্র এলজিইডি-র অধীনেই ১৭০টি এমন পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে। এসব ভবনকে জনকল্যাণে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও এবারের সভায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর দেশে প্রায় ৩৪ লাখ নবজাতকের জন্ম হয়, যাকে উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করা হয়েছে। এই বিশাল জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং পরিকল্পিত পরিবার গঠনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আরও কার্যকরী ও দৃশ্যমান ভূমিকা পালনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে নারী ক্ষমতায়নকে প্রাধান্য দিয়ে ৮০ শতাংশ নারী ও ২০ শতাংশ পুরুষ স্বাস্থ্যকর্মী নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান শূন্য পদগুলোতে দ্রুততম সময়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করার কথা বলা হয়েছে। একই সাথে দুর্গম ও প্রান্তিক অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে কঠোর তদারকির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নিজ নিজ দপ্তরের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।
/আশিক
৮ প্রতিমন্ত্রীর দফতর পুনরবণ্টন: প্রশাসনে বড় রদবদল
প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আনতে এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধি সুনির্দিষ্ট করতে বর্তমান সরকারের ৮ জন প্রতিমন্ত্রীর দফতর পুনরবণ্টন করা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতিমন্ত্রীদের একাধিক মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে নির্দিষ্ট একটি বা দুটি বিভাগের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. শরীফুল আলম, যিনি ইতিপূর্বে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছিলেন, তাকে এখন থেকে শুধুমাত্র বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইভাবে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে শুধুমাত্র মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রশিদকে এখন থেকে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, মো. রাজিব আহসান, যিনি সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন, তাকে এখন থেকে শুধুমাত্র নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইভাবে সেতু বিভাগ, অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিকে শুধুমাত্র পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফারজানা শারমীনকে এখন থেকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকারী মো. নুরুল হককে এখন থেকে শুধুমাত্র প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ববি হাজ্জাজকে এখন থেকে শুধুমাত্র প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে হবে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে যে, মন্ত্রণালয়ের কাজের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতেই এই রদবদল করা হয়েছে। সরকারের এই নতুন বণ্টন আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ; জারি হলো ১২ দফার নতুন গাইডলাইন
- অটোচালকের ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু
- ইউরোপের রণপ্রস্তুতি ও শ্রীলঙ্কা সীমান্তে উত্তেজনা: ৬ষ্ঠ দিনে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের নতুন মোড়
- জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান: এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন যারা
- ৫ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৫ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ দরপতনের তালিকা প্রকাশ
- ৫ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘চোখ অন্ধ’ করে দিয়েছে ইরান
- টাকা ফেরতের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও: উত্তাল মতিঝিল
- মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ভয়াবহ বিস্তার: বিস্ফোরণে কাঁপল কাতার
- গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে পবিত্র রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন
- দীর্ঘ ৩ মাস পর কারামুক্তির পথে সাংবাদিক আনিস আলমগীর
- মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- ঈদযাত্রায় বিশেষ স্বস্তি: ছুটির ক্যালেন্ডারে নতুন পরিবর্তন আনল সরকার
- কৃষি খাতে ডিজিটাল বিপ্লব: দেশের ৯টি উপজেলায় চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’
- রোজা রেখে পেস্ট ছাড়া ব্রাশ ও কুলির সঠিক নিয়ম
- হঠাৎ বুক ধড়ফড় ও শ্বাসকষ্ট? প্যানিক অ্যাটাক চেনার ও নিয়ন্ত্রণের সহজ উপায়
- স্বাস্থ্যকর ইফতারের নিশ্চয়তা: ঘরেই তৈরি করুন দোকানের মতো মুচমুচে জিলাপি
- সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ইরানে কুর্দিদের অনুপ্রবেশ: তেহরান পতনের লক্ষ্যে শুরু হলো মহাযুদ্ধ
- স্বাস্থ্য খাতে প্রযুক্তির বিপ্লব: এক কার্ডেই মিলবে নাগরিকের সব চিকিৎসাতথ্য
- কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি: মিত্র চাকমা
- দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়; অর্থবছর জুড়ে বড় অর্জনের পথে বাংলাদেশ
- যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফিরলেন ১৮৯ বাংলাদেশি
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- কৃষি ঋন ও বীমা এখন আরও সহজ: কৃষক কার্ড নিয়ে সরকারের মাস্টারপ্ল্যান
- টানা ছয় দফা বৃদ্ধির পর স্বর্ণের দামে বড় স্বস্তি, নতুন দর কার্যকর আজ
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী? এক নজরে দেখে নিন কর্মসূচির তালিকা
- কুয়েত উপকূলে বিস্ফোরণে চুরমার তেলবাহী জাহাজ
- ইরানের মিসাইল কি ফুরিয়ে আসছে? পশ্চিমা গোয়েন্দাদের বিস্ফোরক দাবি
- আজকের নামাজের সময়সূচি: ৫ মার্চ ২০২৬
- ব্যাংক ব্যালেন্স ফাঁস! দুর্নীতির জবাবে সপরিবারে ওপেন চ্যালেঞ্জ আসিফ মাহমুদের
- মার্কিন গর্বের পতন: মধ্যপ্রাচ্যে ৭টি যুদ্ধঘাঁটি এখন ইরানি গোলার কবলে
- শেষ মুহূর্তে স্থগিত হলো খামেনির রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠান
- জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে হাইকোর্টের রুল: রাজনীতির মাঠে নয়া উত্তাপ
- বেসরকারি শিক্ষকদের বড় ধামাকা: পকেটে আসছে বাড়তি টাকা
- ইবিতে লোমহর্ষক কাণ্ড: শিক্ষক খুন, ঘাতকের আত্মহত্যার চেষ্টা
- লঙ্কান সাগরে রহস্যময় সাবমেরিন হামলা: ইরানি জাহাজডুবিতে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা
- সেহরিতে সুস্থ থাকতে যে ৩ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি
- ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সিলেট নগরীতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
- যেখানে-সেখানে ফেলা হচ্ছে ময়লা: চরভদ্রাসন উপজেলা সদরের বাজারে দুর্ভোগ চরমে
- ইফতারে তুরস্কের জনপ্রিয় স্বাদ: খুব সহজেই বানান দই গাজরের ট্যারেটর
- ভারত মহাসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে আইআরজিসি-র সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে নতুন চিফ হুইপ ও হুইপদের শ্রদ্ধা
- স্বাস্থ্য সেবায় বিপ্লব আনতে ই-হেলথ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
- ইরানে হামলা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী: কানাডার প্রধানমন্ত্রী
- প্রশাসনিক গতি বাড়াতে দুই প্রভাবশালী উপদেষ্টার কাঁধে নতুন দপ্তরের ভার
- ৮ প্রতিমন্ত্রীর দফতর পুনরবণ্টন: প্রশাসনে বড় রদবদল
- ৪ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৪ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ দরপতনের তালিকা প্রকাশ
- ৪ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- ইরান যুদ্ধ, পরিচয়ের রাজনীতি এবং বৈশ্বিক সংকটের নতুন সমীকরণ
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
- টানা ছয় দফা বৃদ্ধির পর স্বর্ণের দামে বড় স্বস্তি, নতুন দর কার্যকর আজ
- স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা; এক বছরে দাম বাড়ল ৬৪ শতাংশ
- ক্ষমতার লড়াইয়ে ইরান: খামেনির আসনে বসতে আইআরজিসি’র চাপ
- আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম! জানুন নতুন মূল্যতালিকা
- মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে স্বর্ণের বাজারে আগুন: এক লাফে বাড়ল ৩ হাজার টাকা
- শহীদ হলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি
- কালিগঞ্জে ঘেরের বাসায় আগুন, দখলচেষ্টা ও মাছ লুটের অভিযোগ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
- ২ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ইরানে সরাসরি হামলা চালাল ইসরায়েল: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের ভয়াবহ দামামা
- কেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানকে আক্রমণ করছে?
- নতুন বেতন কাঠামো ও পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা জানা গেল
- আজ নামাজের সময়সূচি জানুন
- রামাদান মাসে কোরানের হাফেজ দের নিয়ে মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের সেহেরি আয়োজন








