ঈদের আমেজ কাটতেই ‘কারেন্ট’ শক: আজই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

পবিত্র ঈদুল আজহার আমেজ কাটতে না কাটতেই দেশের সাধারণ মানুষের ওপর আসছে বাড়তি খরচের এক তীব্র ধাক্কা। বহুল আলোচিত বিদ্যুতের নতুন মূল্য আজ বুধবার (৩ জুন) বিকেলেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কঠিন শর্ত পূরণ এবং বিদ্যুৎ খাতের বিশাল লোকসান সামাল দিতে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম এবার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে চরম অর্থনৈতিক সংকটে থাকা স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের জন্য চালু থাকা ‘লাইফ লাইন’ (০ থেকে ৫০ ইউনিট) সুবিধায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।
বিইআরসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আজ সকাল ১১টায় কমিশনের কারিগরি কমিটির রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির চূড়ান্ত হার নির্ধারণ করা হচ্ছে। এরপর বিকেলের দিকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করবে কমিশন, যা ১ জুন থেকে অর্থাৎ ভূতাপেক্ষভাবে কার্যকর করা হবে। বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদও গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কারিগরি কমিটি বিষয়টি নিয়ে শেষ মুহূর্তের কাজ করছে এবং আজই চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে।
সূত্র জানিয়েছে, ২ মাস আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত একটি বিশেষ মন্ত্রিসভা কমিটি ইউনিটপ্রতি ১ টাকা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। এছাড়া গত ২০ ও ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিইআরসির গণশুনানিতে দেশের ৬টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে বিপিডিবি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা বৃদ্ধির দাবি করে।
বিতরণ কোম্পানিগুলোর এই আকাশচুম্বী প্রস্তাবের বিপরীতে বিইআরসির কারিগরি দল গড়ে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা মূল্যবৃদ্ধির চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে। কর্মকর্তাদের মতে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে কোনোভাবেই ইউনিটপ্রতি ১ টাকার কম বাড়ছে না। তবে গ্রাহকদের ওপর চাপ কমাতে নতুন একটি কৌশল নেওয়া হচ্ছে। ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম হারে মূল্যবৃদ্ধি করা হতে পারে। এরপর ২০০ থেকে ৪০০ ইউনিট, ৪০০ থেকে ৬০০ ইউনিট এবং ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ধাপে ধাপে মূল্যবৃদ্ধির হার চড়া হবে। এই মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে বছরে সরকারের প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য রয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিপিডিবির কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার আরও অস্থির হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের চড়া বিনিময় হার এবং এলএনজি, কয়লা ও তেল আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
বিপিডিবি জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে কম দামে বিক্রির কারণে পিডিবির প্রাক্কলিত লোকসান হবে ৬৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ভর্তুকি দেবে সরকারি এই সংস্থা। বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে ১২ হাজার কোটি টাকা তোলা গেলেও বাকি বিশাল অঙ্কের টাকা ঘাটতি থেকেই যাবে।
অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে তার প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। শিল্প-কারখানা, সেচব্যবস্থা, কোল্ড স্টোরেজ ও বাণিজ্যিক খাতের উৎপাদন ব্যয় এক লাফে অনেক বেড়ে যাবে। এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়লে বাসাভাড়া ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার কারণে সীমিত আয়ের মধ্যবিত্ত, ছোট ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা সবচেয়ে বেশি পিষ্ট হবেন, যা দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে।
এদিকে বিইআরসির দুই দিনের শুনানিতে খুচরা পর্যায়ে ১৫ থেকে ২৯ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ১৭ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন ভোক্তা প্রতিনিধি, অর্থনীতিবিদ ও শিল্প মালিকরা। শুনানিতে অংশ নিয়ে কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন এবং প্রতিনিধিরা বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সুশাসন নিশ্চিত না করে এবং অপচয় ও অদক্ষতা না কমিয়ে কেবল মূল্যবৃদ্ধি কোনো সমাধান নয়। বিদ্যুৎ খাতের অদক্ষতা, দুর্নীতি, সিস্টেম লস এবং রেন্টাল-কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের ভূতুরে ‘ক্যাপাসিটি চার্জের’ দায় সাধারণ গ্রাহকদের ওপর চাপানো হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা প্রশ্ন তোলেন, প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হলেও এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কোনো স্বাধীন আর্থিক নিরীক্ষা কেন করা হচ্ছে না? তিনি দাম বাড়ানোর পরিবর্তে কিভাবে দাম কমানো যায়, সে বিষয়ে পৃথক গণশুনানির আহ্বান জানান।
সিনিয়র সাংবাদিক শুভ কিবরিয়া এবং সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর নতুন অর্থনৈতিক শোষণ চাপাতেই এই আইএমএফের শর্তপূরণের উদ্যোগ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক জেবুন্নেসা কড়া ভাষায় বলেন, বিতরণ কোম্পানিগুলোর অবৈধ সংযোগের কারণে যে সিস্টেম লস ও লোকসান হয়, তা সাধারণ গ্রাহক দেবে কেন? দুর্নীতি বন্ধ না হলে দাম এভাবে বাড়তেই থাকবে।
এমনকি খোদ বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদও শুনানিতে স্বীকার করেছেন যে, ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতের জন্য বড় বোঝায় পরিণত হয়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তবে সব বিরোধিতার মুখে দাঁড়িয়েও শেষ পর্যন্ত আজই কার্যকর হচ্ছে বিদ্যুতের নতুন বাড়তি মূল্য।
/আশিক
তারল্য সংকটে আমানতকারীদের হাহাকার: খেলাপি ঋণের করাল গ্রাসে দেশের ৬১ ব্যাংক
দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের স্তূপ আরও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। দেশের ইতিহাসে সব রেকর্ড ভেঙে এবার মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ শতাংশেরও বেশি ঋণখেলাপি হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে দেশের ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এর ফলে বর্তমানে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে রেকর্ড ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক পর্যন্ত হিসাব চূড়ান্ত করে এই উদ্বেগজনক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, বিপুল পরিমাণ ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে দেশের ব্যাংক খাতে তীব্র তারল্য সংকট (লিকুইডিটি ক্রাইসিস) দেখা দিয়েছে। এর ফলে অনেক ব্যাংক গ্রাহকের আমানতের টাকা সময়মতো ফেরত দিতে পারছে না এবং নতুন করে ঋণ দেওয়ার সক্ষমতাও হারিয়ে ফেলছে। এছাড়া খেলাপি ঋণের বিপরীতে বাধ্যতামূলক প্রভিশন বা সঞ্চিতি রাখতে গিয়ে ব্যাংকগুলোর মুনাফা ও মূলধন তলানিতে ঠেকেছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৭ কোটি টাকা। জানুয়ারি-মার্চ এই তিন মাসের ব্যবধানে তা ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা বেড়েছে। এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণ বিশেষ সুবিধায় নবায়ন (রিশিডিউল) করায় খেলাপি ঋণ সাময়িকভাবে কম দেখালেও, পরবর্তী প্রান্তিকে তা আবার বিশাল লাফে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। মার্চ মাস শেষে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকে মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ ঋণই এখন খেলাপি।
প্রতিবেদনে স্পষ্ট যে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। সরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের হার বিতরণ করা ঋণের প্রায় ৪৬ শতাংশ, যার মোট পরিমাণ ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের আমলেই মূলত এই খেলাপি ঋণের পাহাড় তৈরি হয়েছে। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে যখন আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেয়, তখন দেশে মোট খেলাপি ঋণ ছিল মাত্র ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা।
২০১৯ সালের মার্চে তা প্রথমবারের মতো লাখ কোটির ঘর ছাড়ায়। আর ২০২৪ সালের জুনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে সরকার খেলাপি ঋণের অঙ্ক ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকায় রেখে যায়। তবে তৎকালীন সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ব্যাংক খাতের প্রকৃত ও বাস্তব চিত্র এবং গোপন তথ্য বেরিয়ে আসতে শুরু করলে এই অঙ্ক হুহু করে বাড়তে থাকে।
ব্যাংকারদের মতে, বিগত সরকারের আমলে এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, বিসমিল্লাহ গ্রুপ ও হল-মার্ক গ্রুপসহ কয়েকটি নির্দিষ্ট শিল্পগোষ্ঠীর সীমাহীন লুটপাট, জালিয়াতি এবং ন্যাশনাল ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকে সংঘটিত নজিরবিহীন কেলেঙ্কারির কারণেই ব্যাংক খাত আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।
সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, বর্তমানে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি চরম হতাশাজনক। নতুন ঋণ বিতরণ না হওয়ায় আগের খেলাপি ঋণের ওপর চড়া সুদ যোগ হয়ে মোট খেলাপির পরিমাণ ও হার—দুটোই অনেক বেড়েছে। দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো আবার চালু করে অর্থনীতিকে সক্রিয় করতে এবং বাজারে ঋণের চাহিদা বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
/আশিক
স্বর্ণ কিনতে সুখবর, এক লাফে কমল স্বর্ণের দাম
দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক ধাক্কায় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে এবং বুধবারও একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। একইসঙ্গে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হবে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের ক্ষেত্রে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিপ্রতি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকা।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান ধাতুর দামের ওঠানামা, ডলারের বিনিময় হার এবং স্থানীয় কাঁচা স্বর্ণের সরবরাহ পরিস্থিতি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য কিছুটা নরম হওয়ায় তার প্রতিফলন স্থানীয় বাজারেও দেখা যাচ্ছে।
এর আগে গত ২৫ মে সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের সময় উল্টো চিত্র দেখা গিয়েছিল। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ফলে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে বাজারে উল্লেখযোগ্য মূল্যহ্রাস ঘটল।
শুধু স্বর্ণ নয়, রুপার বাজারেও এসেছে স্বস্তির খবর। বাজুসের নতুন ঘোষণায় রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার ভরিপ্রতি দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি বিক্রি হবে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায়। ১৮ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি বিক্রি হবে ৩ হাজার ৪৪১ টাকায়।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মতে, ঈদুল আজহার আগে সাধারণত অলংকার কেনাবেচা বৃদ্ধি পায়। এমন সময়ে মূল্য হ্রাস ভোক্তাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে বিয়ে, পারিবারিক অনুষ্ঠান ও ঈদ উপলক্ষে যারা স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনতে পারে।
-রাফসান
জুলাই থেকেই ভাগ্যবদল: নবম পে স্কেলে যুক্ত হচ্ছে নতুন যেসব সুযোগ-সুবিধা
দেশের সরকারি চাকুরিজীবী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বহুল আলোচিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বা নতুন বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই (২০২৬) থেকে বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মূল্যস্ফীতির চাপ বিবেচনা করে সরকারি কোষাগারের ওপর থেকে বড় ধাক্কা এড়াতে পুরো পে-স্কেল একবারে কার্যকর না করে তিনটি ভিন্ন অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের একটি বিশেষ রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী ১ জুলাই থেকেই নতুন বেতন কাঠামো বা পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হবে। আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে এই বৃহৎ ব্যয়ের প্রাথমিক ধাক্কা সামলাতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পুরো কাঠামোটি চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়িত হলে সরকারের মোট সম্ভাব্য ব্যয় দাঁড়াতে পারে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
তিন ধাপে যেভাবে বাস্তবায়িত হবে নতুন পে-স্কেল
প্রথম বছর (১ জুলাই ২০২৬ থেকে)
প্রাথমিক ধাপে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিচার বিভাগ ও বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত মূল বেতনের (Basic Pay) প্রথম ৫০ শতাংশ সুবিধা পাবেন।
দ্বিতীয় বছর (২০২৭-২০২৮ অর্থবছর)
এই অর্থবছরে মূল বেতনের বাকি ৫০ শতাংশ সুবিধা পুরোপুরি সমন্বয় করে কার্যকর করা হবে।
তৃতীয় বছর (২০২৮-২০২৯ অর্থবছর)
শেষ ধাপে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, শিক্ষা ও অন্যান্য সব ধরনের আনুষঙ্গিক ভাতা একযোগে কার্যকর করা হবে। (ততদিন পর্যন্ত অন্যান্য সব ভাতা ও সুবিধা বিদ্যমান পুরোনো নিয়মেই বহাল থাকবে)।
নতুন পে-স্কেলের সুপারিশেও বর্তমানে বিদ্যমান ২০টি গ্রেডের প্রশাসনিক কাঠামোটিই বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে নিম্ন ও উচ্চ পদের মধ্যে বেতনের বৈষম্য কমিয়ে আনতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৯.৪ থেকে কমিয়ে ১:৮-এ নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সর্বনিম্ন মূল বেতন (২০তম গ্রেড)
বর্তমানের ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে সরাসরি ২০,০০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সর্বোচ্চ মূল বেতন (১ম গ্রেড)
বর্তমানের ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৬০,০০০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
এই নতুন বিন্যাসের ফলে গ্রেডভেদে কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিম্ন আয়ের কর্মচারীরা এতে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন। পাশাপাশি ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য নতুন করে যাতায়াত ভাতা চালুর বিষয়টিও অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন রয়েছে।
নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে দেশের প্রায় ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগীদের জীবনেও বড় স্বস্তি আসছে। বিশেষ করে যারা অতীতে তুলনামূলকভাবে কম পেনশন পেতেন, তাদের ক্ষেত্রে পেনশন সুবিধা সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর একটি মানবিক প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কমিটি। এছাড়া ইতিমধ্যে সরকারি চাকরিজীবীরা যে ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছিলেন, নতুন স্কেলের মূল বেতন নির্ধারণের সময় সেটি কীভাবে সমন্বয় করা হবে, তা নির্ধারণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব কমিটি কাজ করছে।
এদিকে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্যও এই নতুন বেতন কাঠামো বড় ধরনের সুখবর বয়ে আনছে। বিশেষ করে ১০ম গ্রেডে কর্মরত শিক্ষকদের মূল বেতনে একটি বড় ধরনের উল্লম্ফন এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। সরকারের এই পর্যায়ক্রমিক বেতন বৃদ্ধির যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে বেসরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের আর্থিক অসচ্ছলতা ও জীবনযাত্রার সংকট অনেকাংশেই দূর হবে বলে মনে করছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা।
/আশিক
এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমাল সরকার
তীব্র মূল্যস্ফীতির বাজারে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর এসেছে। ভোক্তা-পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম এক ধাক্কায় কিছুটা কমিয়েছে সরকার। বহুল ব্যবহৃত প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই মূল্য তালিকা প্রকাশ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন নির্ধারিত এই দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই দেশজুড়ে কার্যকর হবে।
১২ কেজির সিলিন্ডারের পাশাপাশি যানবাহনে ব্যবহৃত প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দামও কমানো হয়েছে। আগের নির্ধারিত মূল্য ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫৭ পয়সা কমিয়ে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের নতুন দাম ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি।
এর আগে গত ১৯ এপ্রিল এক লাফে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১-২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তার মাত্র ১৭ দিন আগে, অর্থাৎ ২ এপ্রিল বিইআরসি এক ধাক্কায় ৩৮৭ টাকা বাড়িয়েছিল। ফলে এপ্রিল মাসে দুই দফায় ১২ কেজির সিলিন্ডারে মোট ৫৯৯ টাকা বাড়িয়ে গ্রাহকদের পকেট কাটা হয়েছিল। মে মাসজুড়ে সেই বাড়তি দাম বহাল থাকার পর, জুন মাসের শুরুতে এসে রান্নার গ্যাসের দাম কিছুটা কমাল নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
/আশিক
আজ মঙ্গলবার ডলার ও ইউরোর দাম কত? জেনে নিন আজকের টাকার রেট
বিশ্বায়নের এই যুগে আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রবাসী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থানের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশে মুদ্রা বিনিময়ের হার প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। বিভিন্ন দেশ থেকে টাকা পাঠানো বা বিদেশে লেনদেনের সুবিধার্থে আজ মঙ্গলবার (২ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশি টাকায় বৈদেশিক মুদ্রা কেনা-বেচার সর্বশেষ অফিশিয়াল রেট প্রকাশ করা হয়েছে।
আজকের অফিশিয়াল রেট অনুযায়ী, আমেরিকান ডলারের ক্রয় মূল্য ১২২ টাকা ২০ পয়সা এবং বিক্রয় মূল্য ১২৩ টাকা ২০ পয়সা। ইউরোপীয় ইউরো কেনা হচ্ছে ১৪০ টাকা ৩৬ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ টাকা ২৩ পয়সায়। ব্রিটেনের পাউন্ডের ক্রয় হার ১৬২ টাকা ৬৫ পয়সা এবং বিক্রয় হার ১৬৭ টাকা ৭২ পয়সা।
এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান শ্রমবাজার সৌদি আরবের রিয়াল আজ বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকা ৮৫ পয়সায় (ক্রয় মূল্য ৩২ টাকা ৫৪ পয়সা) এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম বিক্রি হচ্ছে ৩৩ টাকা ৫৫ পয়সায় (ক্রয় মূল্য ৩৩ টাকা ২৬ পয়সা)।
অন্যান্য প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রার মধ্যে সুইস ফ্রাঁ ১৫৩ টাকা ৯৮ পয়সায় কিনে ১৫৮ টাকা ১১ পয়সায় বিক্রি করা হচ্ছে। সিঙ্গাপুর ডলারের ক্রয় মূল্য ৯৫ টাকা ১৯ পয়সা এবং বিক্রয় মূল্য ৯৬ tactile ৭৬ পয়সা। অস্ট্রেলিয়ান ডলার কেনা হচ্ছে ৮৬ টাকা ৮৫ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৮ টাকা ৮৫ পয়সায়।
এশীয় অঞ্চলের মুদ্রার মধ্যে চাইনিজ ইউয়ানের দাম আজ ১৭ টাকা ৯৬ পয়সা (ক্রয়) ও ১৮ টাকা ৩৩ পয়সা (বিক্রয়)। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপির ক্রয় মূল্য ১ টাকা ২৮ পয়সা ও বিক্রয় মূল্য ১ টাকা ৩০ পয়সা। আর জাপানি ইয়েন লেনদেন হচ্ছে শূন্য দশমিক ৭৬ পয়সা (ক্রয়) এবং শূন্য দশমিক ৭৮ পয়সা (বিক্রয়) দরে।
তবে ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ ভেদে এবং প্রবাসী রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে এই বিনিময় হার সামান্য কম-বেশি হতে পারে।
(সূত্র: গুগল)
রুপার বাজারও আজ আকাশচুম্বী: চার মানের রুপার সর্বশেষ রেট এক নজরে
দেশের বাজারে আজ মঙ্গলবার (২ জুন) ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা রেকর্ড ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত ২৫ মে সর্বশেষ দাম বাড়ানোর পর থেকে আজ পর্যন্ত এই রেকর্ড মূল্যে স্থির রয়েছে দেশের সোনা ও রুপার বাজার।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, নতুন করে মূল্য সমন্বয় বা দাম নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এই ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকাতেই বিক্রি হবে। এছাড়া ক্রেতাদের জন্য অন্যান্য মান ও সনাতন পদ্ধতির সোনা এবং রুপার দামও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
বাজুসের নির্ধারিত বর্তমান মূল্যতালিকা অনুযায়ী দেশের বাজারে সোনা ও রুপার সর্বশেষ রেট দেওয়া হলো
সোনার বর্তমান বাজারদর (প্রতি ভরি)
২২ ক্যারেট: ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা
২১ ক্যারেট: ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা
১৮ ক্যারেট: ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা
সনাতন পদ্ধতি: ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা
রুপার বর্তমান বাজারদর (প্রতি ভরি)
২২ ক্যারেট: ৫ ,৭৭৪ টাকা
২১ ক্যারেট: ৫,৫৪০ টাকা
১৮ ক্যারেট: ৪,৭২৪ টাকা
সনাতন পদ্ধতি: ৩,৫৫৮ টাকা
/আশিক
সন্ধ্যা ৭টার পর মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ, যে ব্যাখ্যা দিল বিদ্যুৎ বিভাগ
দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ সাশ্রয় কার্যক্রম আরও জোরদার ও কার্যকর করতে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সব শপিংমল, বিপণিবিতান, মার্কেট ও খুচরা দোকানপাট আবারও প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার কঠোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও ক্রেতাদের সুবিধার্থে সাময়িকভাবে খোলা রাখার যে বিশেষ সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ সোমবার (১ জুন) থেকে নতুন করে এই নির্দেশনা পুরো দেশে কার্যকর করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি জরুরি সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে। এই বিশেষ নির্দেশনাটি অনতিবিলম্বে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে সরকারি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের আদেশে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, এর আগে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সফলভাবে কার্যকর ছিল। তবে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিপুল পরিধি ও সাধারণ মানুষের কেনাকাটার সুবিধার্থে সাময়িকভাবে সেই সময়সীমা বৃদ্ধি করে রাত ১০টা পর্যন্ত করা হয়েছিল।
নতুন নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, ঈদ উৎসব ও উৎসব-পরবর্তী বিশেষ সুবিধার নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১ জুন থেকে আবারও সরকারের আগের মূল সিদ্ধান্তটি পুনর্বহাল করা হলো। এর ফলে এখন থেকে রাত ১০টার পরিবর্তে দেশের সব ধরণের ছোট-বড় শপিংমল, সুপার শপ, মার্কেট ও কাঁচাবাজারকে ঠিক সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে তাদের সব ধরণের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ শেষ করতে হবে।
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সর্বোচ্চ অপচয় রোধ ও সাশ্রয় নিশ্চিত করতে শপিংমলের পাশাপাশি আরও কিছু কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। নতুন আদেশ অনুযায়ী, দেশের সব ধরনের বাণিজ্যিক বিলবোর্ড ও বিজ্ঞাপনের ডিজিটাল আলোকসজ্জা প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ করতে হবে।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য স্থানীয় মেলা, জাতীয় বাণিজ্য মেলা এবং যেকোনো ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা কনসার্টও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সম্পূর্ণ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সব প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনাটি শতভাগ বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে।
/আশিক
মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমায় হাটে বিপুল পশু উদ্বৃত্ত, লোকসানের মুখে খামারিরা
উচ্চ মূল্যস্ফীতির করাল গ্রাসে দেশের মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়েছে কোরবানির পশুর হাটে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর যে পরিমাণ কোরবানির পশুর চাহিদা নির্ধারণ করেছিল, বাস্তবে দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলায় তার চেয়ে অনেক কম পশু বিক্রি ও কোরবানি হওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
ফলে কোরবানিযোগ্য পশুর একটি বড় অংশই অবিক্রিত ও উদ্বৃত্ত থেকে গেছে, যা চাষী, খামারি ও মৌসুমি ব্যবসায়ীদের ঠেলে দিয়েছে চরম লোকসানের মুখে। কৃষি অর্থনীতিবিদদের প্রাথমিক ধারণা, সরকারের বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এবার দেশজুড়ে অন্তত ১০ লাখ কম পশু কোরবানি হয়েছে।
সাধারণত প্রতি বছর ঈদের পর দেশজুড়ে কোরবানি হওয়া ও উদ্বৃত্ত থাকা পশুর চূড়ান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশ করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। তবে গতকাল পর্যন্ত তারা পূর্ণাঙ্গ কোনো তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অফিস এবং খামারিরা বলছেন, এবার পশুর উৎপাদন ও সরবরাহ ভালো থাকলেও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বিক্রি অনেক কম হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এ বছর দেশে কোরবানিযোগ্য মোট পশু প্রস্তুত ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। এর বিপরীতে দেশব্যাপী চাহিদা নিরূপণ করা হয়েছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি পশুর। সেই হিসাবে ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকার প্রাক্কলন করা হলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র বলছে, প্রকৃত উদ্বৃত্তের সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি।
বিভাগ ও জেলাভিত্তিক প্রাথমিক চিত্র
ময়মনসিংহ বিভাগ
এই বিভাগে কোরবানিযোগ্য পশু ছিল ৫ লাখ ৬০ হাজার এবং চাহিদা ধরা হয়েছিল ৪ লাখ ৪০ হাজার। তবে বিভাগীয় পশুপালন দপ্তরের পরিচালক ডা. মনোরঞ্জন ধর জানিয়েছেন, প্রাথমিক হিসাবে এবার কোরবানি হয়েছে আনুমানিক ৩ লাখ ৭০ হাজারটি পশু, যা গত বছরের (৩ লাখ ৮৩ হাজার) তুলনায় ১৩ হাজার কম। ময়মনসিংহ জেলায় ১ লাখ ৮০ হাজার চাহিদার বিপরীতে কোরবানি হয়েছে মাত্র ১ লাখ ৩৫ হাজারটি পশু।
খুলনা বিভাগ
বিভাগে ১০ লাখ ৭৯টি পশুর চাহিদার বিপরীতে প্রাথমিক হিসাবে কোরবানি হয়েছে ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫টি পশু। অর্থাৎ প্রাণিসম্পদ অফিসের নির্ধারিত চাহিদার চেয়ে ২ লাখ ৩৩ হাজার কম পশু কোরবানি হয়েছে। খুলনা বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. গোলাম হায়দার জানান, এখানকার উৎপাদিত পশুর একটি বড় অংশ ঢাকার হাটে সরবরাহ হওয়ায় উদ্বৃত্তের সুনির্দিষ্ট হিসাব করতে কিছুটা সময় লাগবে।
রংপুর ও চট্টগ্রাম জেলা
রংপুর জেলায় ২ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৬টি চাহিদার বিপরীতে কোরবানি হয়েছে মাত্র ২ লাখ ৬ হাজার পশু, যা চাহিদার চেয়ে প্রায় ২১ হাজার কম। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম জেলা ও নগর মিলিয়ে ৮ লাখ ১৬ হাজার পশুর চাহিদা থাকলেও কোরবানি অনেক কম হয়েছে। বৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির তথ্য অনুযায়ী, এবার জেলাটিতে মাত্র ৪ লাখ ১১ হাজার ৪৪০ পিস চামড়া সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। বিক্রি করতে না পেরে অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী চামড়া সড়ক ও ভাগাড়ে ফেলে দিয়েছেন।
বগুড়া জেলা
চলতি বছর এই জেলায় ৭ লাখ ৪০ হাজার ৫৩৭টি পশু প্রস্তুত করা হলেও কোরবানির চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ লাখ Calibri ৭ হাজার ৫৮০টি, যা গত বছরের তুলনায় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৬৮০টি কম।
সার্বিক বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান বলেন, "মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্য মন্ত্রণালয় আমাদের এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত হয়ে যাবে।"
ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস ও ভাগে কোরবানির প্রবণতা
অর্থনীতিবিদ ও খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি এবং ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আকাশচুম্বী হয়েছে। অন্যদিকে পশুখাদ্য ও ওষুধের দাম বাড়ায় খামারিদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে, যা মাংসের কেজিতে গড়ে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত প্রভাব ফেলেছে।
ফলে অনেকেই এবার কোরবানি দিতে পারেননি। যারা দিয়েছেন, তাদের মধ্যেও বড় বা একক গরুর চেয়ে শরিক বা ভাগে কোরবানি দেওয়ার প্রবণতা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। ঢাকার নর্থ বেঙ্গল ডেইরি ফার্মের এমডি ইঞ্জিনিয়ার মকবুল হোসেন এবং চুয়াডাঙ্গার কৃষক আনিসুল ইসলামের মতো অনেকেই জানান, আর্থিক চাপের কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তরা এবার কোরবানি থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে বাধ্য হয়েছেন।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এই অর্থনৈতিক মন্দা প্রসঙ্গে বলেন, "দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের প্রকৃত মজুরি বাড়েনি, ফলে ক্রয়ক্ষমতায় বড় ধাক্কা লেগেছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে ভোক্তারা তাদের জমানো অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হিসাব-নিকাশ করছেন। এই মানসিক ও আর্থিক প্রভাবই কোরবানির বাজারে স্পষ্ট প্রতিফলিত হয়েছে।"
বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ও কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম মনে করেন, গত বছর যেখানে ৯১ লাখের কিছু বেশি পশু কোরবানি হয়েছিল, এবার বাস্তবে তা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ লাখের মতো কমে গেছে।
সৌজন্যে: বণিক বার্তা
১ জুনের মুদ্রা বাজার: জেনে নিন ডলার, রিয়াল ও রুপির আজকের সর্বশেষ রেট
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি অবস্থান করছেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রেমিট্যান্স প্রবাহ ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণের ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন। প্রবাসী আয় বৈধ পথে দেশে পাঠানো এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সুবিধার্থে প্রতিদিনই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আজ সোমবার (১ জুন) প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে বিশ্বের প্রধান প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার অফিসিয়াল বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান মাধ্যম মার্কিন ডলারের (US Dollar) বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর (Euro) বিনিময় হার আজ ১৪২ টাকা ২৪ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের (UK Pound) দাম দাঁড়িয়েছে ১৬৩ টাকা ৩০ পয়সায়।
আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপির (Indian Rupee) বিনিময় হার আজ ১ টাকা ৩১ পয়সা।
এ ছাড়া এশিয়ার অন্যতম বড় শ্রমবাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের (Malaysian Ringgit) দাম আজ ৩০ টাকা ৩৮ পয়সা এবং সিঙ্গাপুরি ডলারের (Singapore Dollar) বিনিময় হার ৯৫ টাকা ৬১ পয়সা রাখা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী থাকা সৌদি রিয়ালের (Saudi Riyal) বিনিময় হার আজ ৩২ টাকা ৬১ পয়সা।
অন্যদিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা কুয়েতি দিনারের (Kuwaiti Dinar) রেট আজ ৩৯৫ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ডলারের (Australian Dollar) বিনিময় হার আজ ৮৫ টাকা ০১ পয়সা।
তবে ব্যাংকিং খাত ও মানি এক্সচেঞ্জ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারের ওঠানামার কারণে যেকোনো সময় এই মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে। তাই লেনদেনের পূর্বে নিকটস্থ ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়াই শ্রেয়।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের মেগা ড্রোন হামলা
- তারল্য সংকটে আমানতকারীদের হাহাকার: খেলাপি ঋণের করাল গ্রাসে দেশের ৬১ ব্যাংক
- দেখে নিন ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে
- জেনে নিন আজকের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
- বুধবার ঢাকার কোন শপিংমল বন্ধ? দেখুন তালিকা
- বৃদ্ধ মায়ের অবহেলা, ইসলাম কী শিক্ষা দেয়?
- স্বর্ণ কিনতে সুখবর, এক লাফে কমল স্বর্ণের দাম
- গ্রুপ ‘জে’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড ও শক্তি বিশ্লেষণ
- ইয়ামালের ১৯ বনাম ওলমোর ১০: জার্সি নম্বরে বড় চমক দিয়ে বিশ্বকাপের দল সাজাল স্পেন
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
- আত্মসমর্পণই হজ: জীবনের বড় শিক্ষা পেলেন দুরেফিশান
- বুড়িচংয়ে বিএনপি নেতার বাড়িতে আগুন: ব্যবসায়ীদের ৮টি কক্ষ পুড়ে ছাই
- ষড়ঋতুর পালাবদলে নতুন সাজে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
- বায়োটেক গবেষণায় আন্তর্জাতিক সাফল্য, জাপানের সম্মাননা পেলেন ড. জান্নাতুল ফেরদৌস
- কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাজীবকে বিদায় সংবর্ধনা
- ধর্মতলায় মমতার আমরণ অনশন: লড়ব না হয় মরব বলে বিজেপিকে চরম হুঁশিয়ারি
- জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি জনগণের ওপর চরম জুলুম: জামায়াত আমির
- ভারতের পুশইন চেষ্টার বিরুদ্ধে মাঠে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন
- বাজেটের মূল দর্শন অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ: বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
- হিজবুল্লাহর সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ: কী কথা হলো দুই পক্ষের মধ্যে?
- মেলেনি তৃতীয় ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা: রামিসা হত্যা মামলার রায় এখন সময়ের অপেক্ষা
- জুলাই থেকেই ভাগ্যবদল: নবম পে স্কেলে যুক্ত হচ্ছে নতুন যেসব সুযোগ-সুবিধা
- এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমাল সরকার
- ২ জুন: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- মিরপুরের পর এবার নজর হবিগঞ্জের মামলায়: কারামুক্তির আশায় সুপ্রিম কোর্টে ব্যারিস্টার সুমন
- আজ মঙ্গলবার ডলার ও ইউরোর দাম কত? জেনে নিন আজকের টাকার রেট
- মূল একাদশের চেয়ে কি ব্রাজিলের রিজার্ভ বেঞ্চ বেশি শক্তিশালী?
- বন্ধুত্বে ফাটল! নেতানিয়াহুকে বদ্ধ উন্মাদ ও অকৃতজ্ঞ বলে ট্রাম্পের তোপ
- ৫৪ বছরে প্রথম: মুসলিম প্রতিনিধি ছাড়াই পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা
- চট্টগ্রাম হালিশহরের বস্তিতে ভয়াবহ আগুন: নিয়ন্ত্রণে লড়ছে ফায়ার সার্ভিস
- পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু: এজলাসে দাঁড়িয়ে বাবার প্রথম সাক্ষ্য
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- রুপার বাজারও আজ আকাশচুম্বী: চার মানের রুপার সর্বশেষ রেট এক নজরে
- মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকার শপিংমল ও কাঁচাবাজার বন্ধ থাকবে
- ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি
- ২ জুন ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে ফল ভোগ করবে ইসরায়েল ও মার্কিন বাহিনী: ইরান
- তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর: এজেন্ডায় ৯ লাখ কর্মীর ভাগ্য ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি
- ১০ জন নিয়ে পাকিস্তানকে রুখে দিল বাংলাদেশ
- মায়ামি থেকে ব্যক্তিগত বিমানে কানসাসে মেসি; ফুটবল জাদুকরের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ মিশন শুরু
- মধ্যরাতের মধ্যে ৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
- আসিফ ও হাসনাতকে চিটার-বাটপাড় ও অমানুষ আখ্যা দিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফজলুর রহমান
- কালিগঞ্জে বৃদ্ধাকে মারধর ও জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ
- কালিগঞ্জে পৈত্রিক সম্পত্তি ও মৎস্য ঘের দখলে থানায় অভিযোগ
- দ্রুত কমছে যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি তেল মজুত, বৈশ্বিক বাজারে বড় ধাক্কার আশঙ্কা
- সন্ধ্যা ৭টার পর মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ, যে ব্যাখ্যা দিল বিদ্যুৎ বিভাগ
- যুক্তরাষ্ট্রকে চরম মূল্য দিতে হবে: গালিবাফ
- বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণেই দেশে অপরাধ বাড়ছে: জামায়াত আমির
- বিশ্বকাপের মহড়ায় আজ রাতে মাঠে নামছে ব্রাজিল: প্রতিপক্ষ পানামা
- ২ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর: এজেন্ডায় ৯ লাখ কর্মীর ভাগ্য ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি
- ইউটিউবে বিনামূল্যে দেখা যাবে বিশ্বকাপের ১০৪ ম্যাচ, নেপথ্যে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
- ১ জুন ২০২৬: আজ দিনভর কেমন থাকবে রাজধানীসহ দেশের আবহাওয়া?
- কোরবানি হচ্ছে না ভাইরাল মহিষ ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ফিরল খামারে
- দুপুরের মধ্যে ৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
- ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া?
- কালিগঞ্জে পৈত্রিক সম্পত্তি ও মৎস্য ঘের দখলে থানায় অভিযোগ
- ইরান যুদ্ধে মেলেনি সাফল্য: সম্মানজনক বিদায়ের পথ খুঁজছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু: তদন্তে ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিট
- ভোঁতা ছুরিতেই বাড়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, মাংস কাটার আগে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার উপায়
- ভঙ্গুর অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা সংকট: ১০০ দিনের মাথায় কেমন চলছে নতুন সরকার?
- চতুর্থ থেকে দশম গ্রেডের বেতন বৃদ্ধির খসড়া রূপরেখা: কার কত বাড়ছে?








